Category: দেশজুড়ে

  • আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর অভি-যানে চার ছিন-তাইকারীকে গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর অভি-যানে চার ছিন-তাইকারীকে গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখ: ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো— মিজানুর রহমান (৫২), সোহেল রানা (৩১), পিতা মোঃ সাজু মিয়া এবং মোঃ কাউছার উদ্দিন। সেনাবাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।

    সেনাবাহিনীর সদস্যরা জানান, রবিবার (১৭ আগস্ট ২০২৫) রাতে ছিনতাইয়ের সময় হাতেনাতে ধরা হয় তাদের। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, “চারজন ছিনতাইকারীকে সেনাবাহিনী থানায় হস্তান্তর করেছে। আজ সোমবার তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।

  • গোপালগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগের প্রথম ধা-প সম্পন্ন

    গোপালগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগের প্রথম ধা-প সম্পন্ন

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ‘সেবার ব্রতে চাকরি” এ স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ, জুন- ২০২৫ প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।

    রোববার (১৭ আগস্ট) গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং শেষে গোপালগঞ্জ জেলার বাছাইকৃত যোগ্য প্রার্থীদের ১ম দিনের ইভেন্ট ‘‘শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ” পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের সার্বিক তত্বাবধায়নে নিয়োগ কমিটি ও নিয়োগ কাজে নিয়োজিত সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং ফোর্সগণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে প্রথম দিনের নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ শেষে যোগ্য প্রার্থীদের কোনরকম দালালচক্রের সাথে আর্থিক লেনদেন না করার নির্দেশনা প্রদান করেন পুলিশ সুপার, গোপালগঞ্জ।

    এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধিগণ বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ, জুন- ২০২৫ এর সকল কার্যক্রমে নিয়োগ বোর্ডকে সহায়তা করার জন্য উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়াও উক্ত নিয়োগ কার্যক্রমে বোর্ডের সদস্য হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মা-সিক সভা অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মা-সিক সভা অনুষ্ঠিত

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (১৭ আগস্ট) সকাল ১০ টায় গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ ‘স্বচ্ছতা’য় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামান।

    গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সালমা পারভীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেব নাথ, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডাঃ প্রেমানন্দ মন্ডল, গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ আবু সাঈদ ফারুক, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ জীবিতেষ বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যাপক ওহিদ আলম লস্কর, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সেখ বেনজীর আহমেদ, গোপালগঞ্জ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী স্বর্ণেন্দু শেখর মন্ডল, গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এহসানুল হক, গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়েজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাসুদুল হক, গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রিফাত জামিল, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাঈন উদ্দিন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম রকিবুল হাসান, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কুমার দেবনাথ, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনিম আক্তার, কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অঃ দাঃ) মোঃ মাসুম বিল্লাহ, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ, গোপালগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ সোহেল পারভেজ, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এর উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল হুদা, জেলা কমান্ড্যান্ট (বিভিএমএস) মজিবুল হক,
    গোপালগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আঃ কাদের সরদার, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নবী নেওয়াজ, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অঃ দাঃ) লাখসানা লাকী, জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ, গোপালগঞ্জ বিআরটিএ -এর মোটরযান পরিদর্শক জিয়া উদ্দিন সহ জেলা উন্নয়ন কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

    জেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    অংশগ্রহণকারীরা জেলার চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা করেন।

    কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, “উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন। সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই করতে হলে মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি প্রতিটি প্রকল্প যথাসময়ে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।” সভা শেষে জেলা প্রশাসক সকল অংশগ্রহণকারীকে ধন্যবাদ জানান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রয়াসেই একটি উন্নত ও মানবিক গোপালগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব।”
    সভায় জেলার প্রধান প্রধান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সমাধানমূলক প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাছাড়া, শিক্ষা খাতে মানোন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

  • নেছারাবাদের রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নবনির্বাচিত গ-ভর্নিংবডির পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ

    নেছারাবাদের রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নবনির্বাচিত গ-ভর্নিংবডির পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ

    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।।

    পিরোজপুরে নেছারাবাদ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নবনির্বাচিত গভর্নিং বডির পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় কলেজের গভর্নিং বডির নতুন সদস্যদের পরিচিতি দেওয়া হয় এবং অভিভাবকদের সাথে শিক্ষার মান, কলেজের কার্যক্রম, ও বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

    রবিবার (১৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজ মিলনায়তনে এ পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশে রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মো. ফকির শাহ্ নাসির উদ্দিন, অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. নজরুল ইসলাম সহ সকল শিক্ষক-কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী,রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা কলেজের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সাফল্য এবং শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে তাদের চিন্তাভাবনা এবং পরামর্শ শেয়ার করেন। অভিভাবকগণও তাদের সন্তানদের শিক্ষাগত উন্নতির জন্য সহযোগিতার প্রস্তাব জানান।

    রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের গভর্নিংবডির নবনির্বাচিত সভাপতি মো. শাহ্ নাজিম উদ্দিন মুনান তার বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই অনুষ্ঠান আমাদের জন্য একটি বিশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি নতুন গভর্নিং বডির সাথে পরিচিত হতে এবং অভিভাবকদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ়তর করার জন্য। আমাদের কলেজটি শিক্ষার মান উন্নয়নে সব সময় চেষ্টা করে আসছে এবং আমি বিশ্বাস করি, নবগঠিত গভর্নিং বডি এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে।”

    তিনি আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের সম্ভাবনাকে উদ্বোধন করা এবং তাদের সৃজনশীলতা ও মননশীলতাকে সঠিক পথে পরিচালিত করা। অভিভাবকদের সহযোগিতা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আপনারা যারা সন্তানদের জন্য উন্নত শিক্ষার খোঁজ করেন, তারাই আমাদের পাশে থাকলে আমরা সফলতা অর্জন করতে পারব।”

    সভাপতি সকল অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা কলেজের কার্যক্রমে অংশ নেন এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষার উন্নয়নের জন্য সক্রিয় সহযোগিতা করেন। তিনি বলেন, “শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সেটা একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়া যা পরিবার, সমাজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিলে গঠন করে। আমরা সকলেই মিলেই চেষ্টা করলে রাজবাড়ী কলেজকে আরো উচ্চ শিখরে নিয়ে যেতে পারব।”

    অনুষ্ঠানের শেষে, নতুন গভর্নিং বডির সদস্যদের উৎসাহিত করে বলেন, “আমরা সবাই মিলে কাজ করব। রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজকে আরো দূরদর্শী, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার জন্য আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।

  • নেছারাবাদে ডাকযোগে দুই জামায়াত নেতাকে  চিঠি পাঠিয়ে ভ-য়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাদা-বি

    নেছারাবাদে ডাকযোগে দুই জামায়াত নেতাকে চিঠি পাঠিয়ে ভ-য়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাদা-বি

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা //

    নেছারাবাদে ডাকযোগে দুই জামায়াত নেতার নামে চিঠি পাঠিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাদাবি এবং রাজনীতি ছেড়ে দেয়ার হুমকি প্রদান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    শনিবার ১৬ই আগষ্ট পিরোজপুরে নেছারাবাদ উপজেলার ০৮নং সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন সভাপতি এর সভাপতি আব্দুর রহমান ডাকযোগের মাধ্যমে একটি চিঠি প্রাপ্ত হয়।ঐ চিঠিতে আব্দুর রহমানকে জাময়েতে ইসলামীর রাজনীতি ছেড়ে দেয়ার জন্য হুমকি প্রদান করা হয়েছে এবং তার কাছ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। ঐ চিঠির খামের উপর প্রেরকের নাম ঠিকানা লেখা ছিলো, মোঃ কবির মিয়া, কামারকাঠী বাজার, নেছারাবাদ, পিরোজপুর, মোবাইল নম্বরটি উল্লেখ ছিলো।

    অপরদিকে গত ১৩ই আগষ্ট ০৮নং সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী ওলামা বিভাগের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলামকে জামায়েত ইসলামী রাজনীতি ছেড়ে দেয়া সহ ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে একটি চিঠি প্রাদান করে। উক্ত চিঠির খামের উপর প্রেরকের মোবাইল নম্বর সহ লেখা ছিলো মোঃ জাহিদ সিকদার, স্বরূপকাঠী পৌরসভা, নেছারাবাদ, পিরোজপুর।

    উক্ত চিঠি প্রাপ্তির পর তারা দুজনেই জামায়েতে ইসলামী বাংলাদেশ এর উর্ধতন নেতার পরামর্শে থানায় আইনগত সহায়তার জন্য অভিযোগ করেন। উক্ত চিঠিতে এমন কিছু উল্লেখ ছিলো যেমন, ৭১এর রাজাকার এই মুহুতে বাংলাছাড়,
    আঃ রহমান তুই বেশী ফাল পারিস না। মাষ্টারী এবং দোকানদারী করতে চাও করো, নেতা সাজিওনা, নেতা গিরি করতে চাইলে বিএনপিতে আসো। তোর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে দোকানদারি করতে চাইলে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে।এছাড়াও বিভিন্ন স্লোগান লেখা ছিলো জামাত শিবির রাজাকার এই মুহুর্তে বাংলা ছাড়, আওয়ামীলীগ-বিএনপি ভাই ভাই, সমুদয়কাটির মাটি বি.এন.পির ঘাটি। ডাকযোগে চিঠি পাঠিয়ে এভাবে ভয়ভীতি ও চাঁদা দাবির ঘটনায় সমুদয়কাঠি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    এ বিষয়ে সমূদয়কাঠী ইউনিয়ন ফোরাম প্রধান সমন্বয়ক ও মিরপুর ওয়ার্ড সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ারিং ফোরাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আসাদুল আলম বলেন, ৫ই আগষ্টের পর এধরণের ঘটনা দুঃখ জনক ঘটনা, আসলে আমরা বুঝতে পারতেছিনা করা এটি করেছে। চিঠিতে বিভিন্ন স্লোগান লেখা ছিলো যেগুলো আপত্তিকর। আমরা সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে জানিয়েছি। এবং বিষয়ে থানায় একটা অভিযোগ দিয়েছি।

    এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর স্বরূপকাঠি পৌর শাখার আমির মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন,দিন দিন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিএনপি বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্র করতে চাইছে আমরা যাতে মাঠ পর্যায়ে কর্মি তৈরি করতে না পারি, সভা সেমিনার
    করতে না পারি। এজন্য তারা ষড়যন্ত্র করতেছে এটাও হয়তো তার একটি অংশ এজন্য আমাদের থেমে থাকলে চলবে না। সুতারং এরকম উড়োচিঠিতে কান দিয়ে লাভ নাই বাংলার মাঠিতে ইসলামি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনতে হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নাই।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ বনি আমিন জানান, আমারা দুটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, অলরেডি আমরা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • লালমনিরহাটে আনসার-ভিডিপি’র বৃক্ষরোপণ অভি-যান শুরু : পরিবেশ রক্ষা-য় বৃহৎ উদ্যোগ

    লালমনিরহাটে আনসার-ভিডিপি’র বৃক্ষরোপণ অভি-যান শুরু : পরিবেশ রক্ষা-য় বৃহৎ উদ্যোগ

    এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।।

    পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে লালমনিরহাট জেলার সকল উপজেলায় একযোগে শুরু হয়েছে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের সার্বিক দিক নির্দেশনাশ সারা দেশের আনসার ভিডিপি বাহিনীর চলমান বৃক্ষ রোপণ কমসূচির অংশ হিসাবে লালমনিরহাট জেলার সম্মানিত আনসার ভিডিপি’র জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ সহিদুল ইসলাম এর ব্যবস্থপনা ও নেতৃত্বে ১৭ আগস্ট রবিবার লালমনিরহাট জেলা কাযালয়ে বৃক্ষ রোপণ কমসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। একই সাথে জেলার পাঁচটি উপজেলা কার্যালয় ও উপজেলার বিভিন্ন আনসার- ভিডিপি ক্লাব প্রাঙ্গণে এই বৃক্ষ রোপণ অভিযান শুরু হয়।লালমনিরহাট জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়, সদর উপজেলা, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতিবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার আনসার-ভিডিপি ক্লাব, সমিতি প্রাঙ্গণসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন এলাকায় একযোগে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা। জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণের সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলার সম্মানিত জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ সহিদুল ইসলাম, সার্কেল এডজুটেন্ট মোঃ সাজিদুল ইসলাম, পাটগ্রাম উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ আরেফিন উদ্দিন, কালীগঞ্জ উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা বিরোজনী রায়, উচমান সহকারী মোঃ কাশেম আলী, সদর উপজেলা প্রশিক্ষিক এবং জেলা কার্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

    এছাড়াও, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত পৃথক পৃথক বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রমে স্ব স্ব উপজেলার উপজেলা আনসার- ভিডিপি কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষিকা, দলনেতা, দলনেত্রী, আনসার কমান্ডার এবং বিপুলসংখ্যক ভিডিপি সদস্যগণ অংশ গ্রহণ করেন। জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ সহিদুল ইসলাম, সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে আনসার ভিডিপি সদস্য ও সাধারণ মানুষের বৃক্ষ রোপণ করা ও তার পরিচর্যা করার পরামর্শ দেন। মহাপরিচালক মহোদয়ের আহবানে দেশের সবুজ বিপ্লবে অংশ গ্রহণে সবাই কে এই বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের আহবান জানান। জেলা কমান্ড্যান্ট বলেন, দেশের পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে একটি উন্নত ও টেকসই বাংলাদেশ গড়তে আনসার ও ভিডিপি সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে।

  • কক্সবাজার জেলা আনসার বাহিনীর বৃক্ষ রোপণ অভিযান: বাস যোগ্য পৃথিবী গড়ার অ-ঙ্গিকার

    কক্সবাজার জেলা আনসার বাহিনীর বৃক্ষ রোপণ অভিযান: বাস যোগ্য পৃথিবী গড়ার অ-ঙ্গিকার

    এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।।

    পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এক বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মহোদয়ের দিক নির্দেশনা মোতাবেক সারা দেশে সংগঠন কর্তৃক বৃক্ষ রোপণ কমসূচির অংশ হিসাবে রবিবার ১৭ আগস্ট কক্সবাজার জেলায় ‘বাসযোগ্য পৃথিবী’ গড়ার প্রত্যয়ে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচিতে জেলা আনসার-ভিডিপি কার্যালয় চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির অর্ধশতাধিক ফলজ, বনজ এবং ঔষধি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলায় আনসার ভিডিপি’র বৃক্ষ রোপণ কমসূচি শুরু করা হয়। কর্মসূচিতে অর্জুন, নিম, মেহগনি, পেয়ারা, হরতকি, আমলকি ও গোলাপ জাম গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ করা হয়। স্থানীয় জনগণকে পরিবেশ রক্ষায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    কক্সবাজার আনসার ও ভিডিপি’র জেলা কমান্ড্যান্ট আমিনুল ইসলাম, পিপিএম-পিভিএম, এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি নানা দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন। তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ রোপণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেকের নিজ নিজ দায়িত্ব রয়েছে। তিনি সবাইকে নিজ বাড়ির আঙিনা বা ব্যক্তিগত জমিতে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এই ধরনের কর্মসূচি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আনসার ভিডিপি নিয়মিতভাবে এমন উদ্যোগ নিয়ে থাকে। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোস্তফা গাজী, উপজেলা প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষিকাবৃন্দ। এছাড়া, বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর ওয়ার্ডের দলনেতা-দলনেত্রীসহ আনসার ও ভিডিপির বিভিন্ন স্তরের সদস্যরাও এতে অংশ নেন। সবার হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয় এবং জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সেগুলো রোপণ করা হয়।
    আনসার ভিডিপির এই ধরনের নিয়মিত উদ্যোগ স্থানীয় জনগণকে পরিবেশ সুরক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে সাহায্য করে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শুধু বৃক্ষরোপণই নয়, বরং একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়েছে।

  • ময়মনসিংহ সদর এলাকাকে একটি মডেল এলাকা হিসেবে গড়ে তুল-তে চাই- কামরুল আহসান এমরুল

    ময়মনসিংহ সদর এলাকাকে একটি মডেল এলাকা হিসেবে গড়ে তুল-তে চাই- কামরুল আহসান এমরুল

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ সদর এলাকাক পুরোপুরি ছিনতাই, চাঁদাবাজি,মাদকমুক্ত এবং একটি মডেল নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী,ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমীর মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।
    শনিবার (১৬ আগস্ট) দিনভর ময়মনসিংহের
    সানকিপাড়া, ক্যান্টনমেন্ট, সানকিপাড়া শেষ মোড়সহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ কালে সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন।
    মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে যারা জনপ্রতিনিধি ছিলেন তারা এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছেন। তাদের বাইরে গিয়ে কথা বলার সাহস কারো ছিলো না। যে মানুষ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছে, তাকেই তুলে নিয়ে নির্যাতন করেছে। এছাড়াও আধিপত্য বিস্তারের জন্য হত্যাকাণ্ডের মতো নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছে । তবে সরকার পরিবর্তনের পর, আমি ময়মনসিংহবাসীকে কথা দিচ্ছি সদর এলাকাকে একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো। কিন্তু সেটা এককভাবে নয়, সবাইকে সাথে করে নিয়ে মাঠে নেমে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’
    মাওলানা এমরুল আরও বলেন, ২৪-এর অভ্যুলান ছিলো ফ্যাসিবাদী সরকারের দমননীতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সামগ্রিক প্রতিবাদ। ছাত্র-জনতার পূর্ব থেকেই আমি এই পতিত আওয়ামী লীগ সরকার এবং তার দোসরদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। আওয়ামী সরকার আমলের অগণিত অপরাধের দোসরদের বিরুদ্ধে আমি দীর্ঘদিন একাই অবিচল সংগ্রাম করে গিয়েছি।’
    জুলাই বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ঐতিহাসিক বিপ্লব আমাদের দেশকে একটি নতুন স্বাধীনতার স্বাদ এনে দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি; সেই স্বাধীনতার স্বাদের ছোঁয়া এখনও পাইনি ময়মনসিংহবাসী। এখানো এখানকার মানুষ মাদক, খুন, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই এবং দখলদারিত্বের ভয়ে অনিরাপদ। বাক স্বাধীনতাও হারিয়ে ফেলেছে। সদর উপজেলার একজন সচেতন মানুষ হিসেবে বলতে চাই, এসব অপরাধমূলক কার্যকলাপের বিস্তার সমাজের শান্তি ও স্বাভাবিক জীপনযাপনকে ব্যাহত করছে। জনগণের ঐক্য যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্ষম। একই সাথে, জুলাই বিপ্লবের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে প্রিয় মাতৃভূমির প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একজন দেশপ্রেমিক ও সংগ্রামী নাগরিক হিসেবে ‘ঐক্যবদ্ধ সুনাগরিক-ঐক্যবদ্ধ দেশ’ স্লোগানের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলাকে সকল প্রকার অপরাধ ও মাদকমুক্ত-নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সুনাগরিকবৃন্দকে সমগ্র দেশব্যাপী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের মনে রাখতে হবে, এই ঐক্য বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা রক্ষা ও জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য।’
    ‘ঐক্যবদ্ধ সুনাগরিক-ঐক্যবদ্ধ সদর এলাকার ভিত্তিতে সদরকে শান্তি ও স্বপ্তির মডেল উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধ, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত দেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে এই মা-মাটি এবং আপনাদের সন্ধান হিসেবে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হয়ে আপনাদের দোয়া ও সহযোগীতা চাইতে এসেছি। সদরের প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিককে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি ।
    এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াতে বায়তুল মাল সেক্রেটারি গোলাম মহসিন খান, অফিস সেক্রেটারি খন্দকার আবু হানিফ, কাচিঝুলি সাংগঠনিক থানার আমীর আবু কাউসার, ক্যান্টনমেন্ট সাংগঠনিক থানার আমীর আব্দুল খালেক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী।

  • ফুলবাড়িয়ায় প্রায় লা-খ টাকার কারেন্ট জাল পো-ড়াল প্রশাসন

    ফুলবাড়িয়ায় প্রায় লা-খ টাকার কারেন্ট জাল পো-ড়াল প্রশাসন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ফুলবাড়িয়ায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকার চায়না দুয়ারী(অবৈধ) জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে নিরাপদ জায়গায় এনে তা পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

    শনিবার (১৬আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বড়বিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব কারেন্ট জাল জব্দ করেন উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্ব আয়োজিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম।

    জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে মৎস্য বিভাগসহ প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা বরবিলা এলাকায় এ অভিযান চালায়। এ সময় শতাধিক নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়।

    পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অবৈধ কারেন্ট জাল সংগ্রহ করার অপরাধে একজনকে জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে পরবর্তীতে এ ধরনের অবৈধ কারেন্ট জাল সংগ্রহ না করতে সাবধান করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। পরে সেখান থেকে জব্দ জালগুলো শহরের স্থানীয় নদীর পাশে নিরাপদ স্থানে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম জানান, কিছু অসাধু মাছ শিকারীরা সুযোগ বুঝে এসব অবৈধ জাল ক্রয়ের পর বিভিন্ন খালে,বিলে নদী নালায় মাছ শিকার করছে। তবে এবার নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো হয়।মৎস্য সম্পদ রক্ষার্থে আগামীতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান তিনি।

  • মোরেলগঞ্জে বিএনপির দ্বি-বার্ষিক স-ম্মেলন  সভাপতি শহিদুল হক বাবুল সম্পাদক মেহেদী হাসান

    মোরেলগঞ্জে বিএনপির দ্বি-বার্ষিক স-ম্মেলন সভাপতি শহিদুল হক বাবুল সম্পাদক মেহেদী হাসান

    এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন আজ শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকালে শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ১৮ বছর পর আয়োজিত এই সম্মেলন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে।সম্মেলনে কাউন্সিলরদের গোপন ভোটের মাধ্যমে মোঃশহিদুল হক বাবুল সভাপতি এবং মোঃ মেহেদী হাসান ইয়াদসাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

    উপজেলার এসি লাহা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে।
    প্রধান বক্তা ও অতিথিদের উপস্থিতি

    সম্মেলনের প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—

    অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম (শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি)

    শেখ মুজিবুর রহমান (সদস্য, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি,খাদেম নিয়ামুল নাসির আলাপ (যুগ্ম আহ্বায়ক, জেলা বিএনপি)

    বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোজাফ্ফর রহমান আলম,কাজী কায়রুজ্জামান শিপন,, বাগেরহাট জেলা বিএনপি সদস্য মনিরুল ইসলাম, কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, (সদস্য, জেলা বিএনপি)কেন্দ্রীয় তাতীলীগের যুগ্নআহবায়ক ডঃ কাজী মনিরুজ্জামান মনির, এ্যাডভোকেট ফারহানা জাহান নিপা, পৌর বিএনপির সভাপতি পদে শিকদার ফরিদুল ,সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন প্রমূখসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
    ।এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতিএইচ এম শহিদুল ইসলাম,মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির.অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নাজমুল

    সম্মেলনে ভোটার ছাড়াও শত শত নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন, যা সমগ্র অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

    কাউন্সিল ও নির্বাচন

    সম্মেলনের দ্বিতীয়ার্ধে ভোটের মাধ্যমে উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং দুইজন সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচন করা হবে।
    ১৬টি ইউনিয়ন থেকে ১,১৩৬ জন ভোটার এ ভোটে অংশ নেবেন।

    সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলরদের গোপন ভোটে ৫৩৬ ভোট পেয়ে মোঃ শহিদুল হক বাবুল সভাপতি নির্বাচিত হন, এবং ৫৮২ভোট পেয়ে মোঃ মেহেদী হাসান ইয়াদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

    এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অধ্যক্ষ সাবিনা ইয়াসমিন টুলু ও মো. ফিরোজ তালুকদার নির্বাচিত হন। বাতিলভোট১৩। মোরেলগঞ্জউপজেলা বিএনপি কমিটির নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১১৩৬জন, এর মধ্যে১১০২ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই সম্মেলন বিএনপির জন্য একটি বড় পরীক্ষা। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে কতটা সক্রিয়ভাবে তারা মাঠে নামতে পারে, এই সম্মেলন তার ইঙ্গিত দিতে পারে।