হেলাল শেখঃ বাংলাদেশ কোথায় ছিলো? পূর্ব পাকিস্তান থেকে বিভক্ত-আলাদা করে “১৯৭১ইং সালে মু্ক্তিযুদ্ধের পর দেশ স্বাধীনতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষের মাঝে কি বৈষম্য থেকেই যাবে? বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন থেকে ২০২৪ ও ২০২৫ইং চলমান পরিস্থিতি কেমন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেমন হবে তার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চাওয়া পাওয়ার হিসাব চলছে, জাতি জানতে চায় নতুন বাংলাদেশে বৈষম্য কি থেকেই যাবে???
“১। প্রজাতন্ত্র-বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামে পরিচিত”। ২। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা-প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তভুর্ক্ত হইবে। ১৯৭১ সালের পর চলমান ঘটনার আড়ালে অনেক রহস্য। ১৭ বছর আগের পুলিশ প্রশাসন ও বর্তমান পরিস্থিতি আলাদা। দেশে সাংবাদিক, পুলিশ প্রশাসনসহ বেশিরভাগ মানুষ এখন সততার সাথে কাজ করছেন, সৎ ও সাহসীকতার সাথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে যারা কাজ করে যাচ্ছেন তাদেরকে সবাই সহযোগিতা করা দরকার বলে মনে করেন অনেকেই। আপনারা জানেন যে, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের দায়িত্ব এবং ভুমিকা কি? এ নিয়ে আলোচনায় পরে আসি।
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ তথ্য সুত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, তথ্যসূত্র-কমপিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড এর ৮৭নং পাতা। যার ডাকে বাংলার মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে গিয়েছিলেন, তিনিও আজ আমাদের মাঝে নেই। এখন আমরা স্বাধীনভাবে বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারছি, স্বাধীনভাবে পথ চলছি, একবারও কি তাদের আত্মার মাফেরাতের জন্য আমরা দোয়া করি? সবাই সবার জন্য দোয়া করা দরকার, এই দেশ আপনার আমার সবার, তাই কেউ আমরা দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না। ১৯৭১ সালে যারা শহীদ হয়েছেন আনুমানিক ৩০ লাখ মানুষ আর দুই লাখ মা বোনের ইজ্জত হারিয়েছেন। ২০২৪ইং ৫ আগষ্টে শেখ হাসিনা দেশে থেকে পালিয়ে যাওয়ার আগে বা পরে ৩২০০ পুলিশ সদস্য ও ৬ শতাধিক ছাত্র-জনতার অকালে মৃত্যু হয়েছেন, এখনও মানুষ নিরাপদ নয় বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেছেন।
বিশেষ করে আপনার আমার বা আমাদের পরিবার, সমাজ, দেশ ও দেশের সম্পদ রক্ষা করতে আমাদেরকেই সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। যে জাতি যতো সচেতন হবেন-সেই জাতি ততই উন্নতির দিকে যাবেন। আমরা কেউ কারো হিংসা ও নিন্দা না করি, বিবাদ সৃষ্টি না করি, যার যে কাজ ওই কাজের দায়িত্ব সঠিকভাবে গুরুত্বসহকারে করার চেষ্টা করবো। আমরা দুইদিনের মেহমান, আজ আছি, আগামীকাল হয়তো থাকবো না। খারাপ কাজ করা সহজ কিন্তু ভালো কোনো কাজ করে দেখাই যে, এই কাজটি আমরা মানবতার কল্যাণে করেছি। ভালো কিছু করতে বেশি অর্থ লাগেনা, ভালো মন মানুষিকতা হলেই চলে। হে মানুষ তোমার সবকিছুরই চাহিদা আছে সত্য কিন্তু যৌবনের চাহিদা আর পেটের খাবারের চাহিদা না থাকলে কোনো কাজ করার দরকার হইতো না। যৌবন মানব জীবনের এক শ্রেষ্ট সম্পদ তাকে অস্বীকার করা যায় না, দেহগত যৌবন আর মানুষিক যৌবন একরকম নয়। যৌবন অস্থায়ী আর মানুষিক আত্মার অভাব হলে সেই মানুষটি ভালো হতে পারবেন না। আমরা যে মানুষ, যে ধর্ম পালন করি না কেন, একদিন বিচারকের সামনে হাজির হতেই হবে। আমরা অন্যের জন্য সবকিছু করছি, নিজের জন্য কি সঞ্চয় করলাম তা কেউ ভাবছেন? বুঝতে পারলে সেই বুদ্ধিমান।
মানুষের জন্মের পর ধর্ম-কর্ম নিয়ে মানুষের জীবন। কারো মনে কষ্ট দিয়ে বা কারো ক্ষতি করে কেউ কি লাভবান হওয়া যায়? আসুন আমরা সত্যের সন্ধ্যানে মানবতার কল্যাণে কাজ করি। বাংলাদেশের মানুষ আমরা আমাদের সঠিক ইতিহাস জানা দরকার। অবশ্যই আইন মেনে কাজ করতে হবে, সেজন্য সচেতন মহল ও সাংবাদিকদেরকে বেশি বেশি আইনের বই পড়তে হবে। বাংলাদেশের সংবিধান মানতে হবে। সংবাদকর্মী বা সাংবাদিক হলে তার আগে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়তে হবে। প্রতিদিন সংবাদ সংগ্রহ করে তা সংশ্লিষ্ট মিডিয়াতে প্রকাশ করতে হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই পড়তে হবে। জনগণের নাগরিক সমস্যা আছে কি-না তা সচেতন মহলকে দেখতে হয়। বাস্তবতা অনেক কঠিন, আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন? আমাদের সবার জন্য সঞ্চয় দরকার, তবে সেই সঞ্চয় অর্থ বা সম্পদ নয়। সবকিছুরই হিসাব দিতে বাধ্য হবেন সবাই, আকাশের দিকে থুথু ফেললে নিজের শরীরে পড়তে পারে তাই সাবধানে চলতে হবে। ১৭ বছর আগের পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিক আর বর্তমান সময়ের পুলিশ প্রশাসন একরকম নয়। ২০২৫ইং চলমান পরিস্থিতি যেমনই হোক দেশে ধর্ষণ বাড়ছে, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই বাড়লেও তবে হত্যার সংখ্যা কম আর রাজনৈতিক জটিলতা বাড়তে শুরু করেছে-বাকিটা ইতিহাস। দেশের মানুষ কেমন আছেন তা জাতি জানতে চায় আর সবক্ষেত্রে কি বৈষম্য দূর হয়েছে? এমন কেউ বলতে পারেন যে, বৈষম্য থেকেই যাচ্ছে। দেশ কারো বাবার সম্পদ নয় এই দেশ প্রায় ১৮ কোটি জনগণের, আর সেই জনগণের দুহাই দিয়ে সবাই রাজনৈতিক বক্তব্য দেন কিন্তু জনগণের চিন্তা কে করেন??।
Category: দেশজুড়ে
-

জাতি জানতে চায় নতুন বাংলাদেশের মানুষের মাঝে বৈ-ষম্য থেকেই যা-বে?
-

বিএনপির নাম ভা-ঙিয়ে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবা-জি ও বাড়ছে ভ-য়ংকর অ-পরাধমূলক ক-র্মকাণ্ড
সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)ঃ বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন দেশি-বিদেশি অস্ত্র বিক্রিসহ চরমপন্থী বাহিনী সক্রিয় হয়ে ছিনতাই, ডাকাতি, খুন ও অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে। সেই সাথে নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও “সৈরাচারমুক্ত সুবিদাবাদ বিরোধী এক্স্েরপ্রস” নামসহ একাধিক আইডি বা পেইজ তৈরি করে বিএনপির শীর্ষ নেতার ছবি দেউয়ালে রেখে বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সূত্র জানায়, এই সিন্ডিকেট বাহিনীর প্রধান ঢাকার আশুলিয়ার রাজু গ্রুপের চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ ও সায়েব আলী আঃ জলিলসহ কিছু আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীসহ অনেকেই এখন জামায়াতে ইসলাম, বিএনপিতে অনুপ্রবেশ করে অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী বাপ্পি ও মুন্না, সাব্বির আহমেদ ওরফে সাইকো সাব্বিরসহ কয়েকজন গ্রেফতার হলেও এই চক্রের অনেকেই এখনো বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করলে কেচু খুঁজতে সাপের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে।
গতকাল জানা গেছে, ঢাকা-আরিচা ও গাজীপুর মাসড়কসহ বিভিন্ন স্পটে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে যানবাহন ও ফুটপাতে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করছে।-গাজীপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এবার চাঁদাবাজদের চাঁদা নেয়া বন্ধ করতে হবে। আশুলিয়ায় যুবলীগ ও যুবদলের নেতাদের নামে পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা দখলের অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় আশুলিয়ায় মানববন্ধন করেছেন বিএনপির পৃথক একটি পক্ষ। উল্লেখ্য, ঢাকা জেলার সাভার আশুলিয়া, ধামরাই ও গাজীপুরের কাশিমপুর, রাজধানীর মিরপুরসহ বিভিন্ন মহাসড়ক ও শাখা রাস্তার ফুটপাতে এবং ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটোরিক্সাসহ ফিটনেসবিহীন বিভিন্ন যানবাহন থেকে নামে বে-নামে বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে একটি মহল কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করার অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত করলে কেঁচো খুঁজতে সাপের সন্ধান পাওয়া জেতে পারে বলে অনেকেই জানান। অথচ সরকার এসব সেক্টর থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। ব্যাটারি চার্জ দিয়ে বিদ্যুৎ অপচয় করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় আগে যেখানে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করতো একটি মহল সেখানেই এখন বিএপি’র নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ব্যবসা দখল করছে। ঢাকা জেলার সাভারের আমিনবাজার-আরিচা মহাসড়ক ও আশুলিয়ার বাইপাইল থেকে টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং আশলিয়ার বাইপাইল-টঙ্গী সড়কের জামগড়া, ছয়তলা, ইউসুফ মার্কেট ও নরসিংহপুর-কাশিমপুরসহ বিভিন্ন শাখা সড়কে একাধিক লাইনম্যান প্রতিটি অটোরিক্মা থেকে ২০ টাকা করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজি করে। জানা যায়, এই চাঁদাবাজির সাথে এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার দালালরা কাজ করে। অনেকেই সড়কের দুইপাশে মার্কেটের সামনে ফুটপাতে দোকান বসিয়ে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করছে, প্রতিদিন একটি দোকানের চকির চাঁদা ১০০ থেকে ২০০টাকা নেয়া হয়। রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায় করা হয় যানবাহন থেকে এবং ফুটপাতসহ বিভিন্ন সরকারি জমি ও রাস্তা দখল করে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে চাঁদাবাজি নিয়ে চাঁপাবাজি করছে একটি মহল আবার গত সোমবার ২৩ জুন ২০২৫ইং তারিখে আশুলিয়ার বাইাইলে বিএনপির একটি পক্ষ মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে মানররন্ধন করেছেন চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের দাবিতে।
মহাসড়কসহ বিভিন্ন রোডে অবাধে চলছে অবৈধ অটোরিকসা গাড়ি-সিএনজি, মাহিন্দ্রা, তিন চাকা গাড়ি, লাইসেন্সবিহীন ও ফিটনেসবিহীন অবৈধ যানবাহন। এসব যানবাহন থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতায় যানবাহন থেকে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। জানা গেছে, পুরাতন আশুলিয়া থেকে জিরাবো, নরসিংহপুর, সরকার মার্কেট, জামগড়ার ছয়তলা, ইউনিক, নবীনগর থেকে জিরানী পর্যন্ত সড়কে এবং নবীনগর থেকে পাটুরিয়া, আরিচা মহাসড়কে বাসগুলো থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। (সূচনা, দেশ মাটিসহ বিভিন্ন পরিবহণ সেক্টর থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়)। অন্যদিকে দেখা যায়, কার আগে কে যাবে আর স্টাফদের সাথে মারামারি লেগেই থাকে, অসাবধানতায় গাড়ি চালায় ১৪-১৭ বছরের কিশোর। ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা জরুরি। সাভার ও নবীনগরের ফুটপাত হকারদের থেকে দখলমুক্ত করা হলেও বেশিরভাগ এলাকায় এখনও ফুটপাত দখল করে জমজমাটভাবে চলছে ব্যবসা বাণিজ্য। লাইসেন্সবিহীন যানবাহন থেকে কিছু দালাল ও হাইওয়ে কিছু পুলিশ সদস্য মোটা অংকের চাঁদাবাজি করে থাকে বলে অনেকেই জানায়। মহাসড়ক ও হাইওয়ে সড়কের পাশে ফুটপাত দখল করে গাড়ি পার্কিং দোকানপাট বসিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করা সরকার নিষিদ্ধ করলেও কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না কেন জাতি জানতে চায়। পুলিশ ও গাড়ির মালিক সমিতি কতর্ৃক চাঁদাবাজদেরকে প্রতিটি গাড়ি হতে ১০০০-২৫০০/ টাকা চাঁদা দিতে হয়। বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের একজন (টিআই) অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিএ কতর্ৃপক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ সঠিক ভাবে করতে দায়িত্ব কর্তব্য পালন করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিন্তু প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ না করে অবৈধভাবে বিশৃঙ্খলার মধ্যে অবৈধ যানবাহন চলছে সড়কও মহাসড়কের সর্বত্র। ফলশ্রুতিতে জনগণ নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন আর সরকার সারাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, বিষটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচনায় আনতে বিশেষভাবে সবিনয় বিনীত অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে। ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে ট্রাফিক ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল করতে সক্ষম হলে বাংলাদেশের জনগণ তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লোকের মধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে পজিটিভ ধারণা আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ অনেক বেশি আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসলে অর্থনৈতিক উন্নতি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং বেকার সমস্যা দূর করতে সক্ষম হবে সরকার। মানুষের চলাচলে নিরাপত্তা খুঁজে পাবে এবং নিরাপদ সড়ক বিনিমার্ণে এক ধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। সেই সাথে সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আশুলিয়ার নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ ও বাইপাইল, ইউনিক, জামগড়ার ছয়তলা ও সরকার মার্কেটসহ বিভিন্ন সড়কের পাশে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কথা থানা পুলিশের, শুধু নবীনগরসহ কিছু এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করলেও বেশিরভাগই ধরাছোঁয়ার বাইরে, কোনো ভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে ট্রাফিক পুলিশ সদস্য, হাইওয়ে পুলিশ ও আশুলিয়ার নরসিংহপুরে মোঃ সুমন ওরফে মাহিন্দ্রা সুমন, শ্রীপুরের বাবুলসহ কয়েকজন দালাল চাঁদাবাজ কতর্ৃক তিন চাকা গাড়ি- প্রতি একটি গাড়ি থেকে ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা মাসিক চুক্তিতে চাঁদা আদায় করছে, পুরাতন আশুলিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের একজন সদস্য সিএনজিসহ বিভিন্ন গাড়ি থেকে মাসিক চাঁদা উঠায়, তা মোটা অংকের বলে অনেকেই জানায়। সেই সাথে রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা বিভিন্ন ফুটপাতে চাঁদা আদায় করে। কিছু ফুটপাতের দোকানদার ব্যবসার আড়ালে চাঁদা উঠায় এমন অভিযোগও রয়েছে। সূত্র জানায়, দেশের অন্যদিকে সিলেট সদরের আম্বরখানাসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক থেকে প্রতি বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার চাঁদা আদায় করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। এদিকে ভৈররের বিভিন্ন এলাকায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার সিএনজি চালকদের কাছ থেকে প্রতি বছর ১কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায় করে চাঁদাবাজরা। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা একদিকে যানবাহন থেকে চাঁদা নিয়ে থাকে, অন্যদিকে ফুটপাত থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ উঠেছে। মিরপুর বিভিন্ন সড়ক ও বেঁড়িবাঁধ থেকেও ব্যাপক চাঁদাবাজি করা হয়। শুধু বেড়িবাঁধ থেকেই চাঁদা নিয়ে ক্ষ্যন্ত হয়নি তারা, কার্গো জাহাজ ভেড়ানোর জন্য তৈরি করেছে ল্যান্ড ষ্টেশনও। সেখানে মালবাহী ট্রাক লোড-আনলোডের ক্ষেত্রেও ইচ্ছেমতো চাঁদা নেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতর্ৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ল্যান্ড ষ্টেশন থাকলেও অদৃশ্য কারণে তৈরি ল্যান্ড ষ্টেশনই ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুৎ, বাইপাইল থেকে জিরানী বাজার পর্যন্ত এবং ভাদাইল, ইউনিক বাজার, শিমুলতলা, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া চৌরাস্তা-ছয়তলা, নরসিংহপুর, জিরাবো, পুরাতন আশুলিয়া পর্যন্ত সড়কের রাস্তার দুইপাশে ফুটপাত দখল করে স্থাপনা তৈরি করে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে প্রভাবশালী মহল। সেই সাথে উক্ত এলাকায় গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি করে এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য। জানা যায়, বিভিন্ন ক্রাইম স্পট থেকে কিছু পুলিশকে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা চাঁদা উঠিয়ে দেয় এড়িয়াভিত্তিক মার্কেটের মালিক পক্ষের লোকজন। সচেতন মহল ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সাভার, আশুলিয়ার সড়ক ও মহাসড়কে এবং তুরাগপাড়ের বেড়িবাঁধের রাস্তার উপরের দুপাশে বিভিন্ন দোকান, লেগুনা ষ্ট্যান্ড বসিয়েও চাঁদাবাজি করে আসছে প্রভাবশালী মহল। জানা যায়, বছরের পর বছর উল্লেখ্য এলাকার মানুষজনকেএকপ্রকার জিম্মি করেই অবৈধ কর্মকান্ড করে আসছে প্রভাবশালীরা। চাঁদাবাজ চক্রের সাথে কিছু রাজনৈতিক নেতা জড়িত রয়েছে বলেও অনেকেই জানান। রাজধানীর গাবতলী মাজার রোড হয়ে দারুসসালাম থানা রোড ও থানার সামনে দিয়ে ছোট সরু রাস্তা থেকে কিছু দূর গেলেই তুরাগ নদীর পাড় এলাকাটির নাম ছোটদিয়াবাড়ী । তুরাগ নদীর এ পাড়ের অংশ ছোট দিয়াবাড়ী, উপরের অংশ কাউন্দিয়া। এই পারের অংশের বাম দিকে গাবতলী আর ডান দিকে বেড়িবাঁধ রাস্তা। যা আশুলিয়া ও উত্তরার দিকে চলে গেছে। তুরাগের বাঁধঘেষা ছোট দিয়াবাড়ী মোড়টিকে পুঁজি করেই চক্রটি মূলত বিশাল চাঁদাবাজির ক্ষেত্র গড়ে তুলেছে। দেখা যায়, বাঁধ সংলগ্ন রাস্তাটি বেশ চওড়াই কিন্তু দুপাশে দখলের কারণে এটি ছোট হয়ে এসেছে। দুপাশের অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ছোট বড় শত শত দোকান। দারুসসালাম রোড থেকে বাঁধে উঠার সংযোগ সড়কের দুপাশের রাস্তা দখল করে বাঁশের আড়ৎ দেওয়া হয়েছে। এককালীন লাখ টাকা, পরে ১৫-২০ হাজার টাকার বিনিময়ে এটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোকানিরা বলেন, তারা জায়গাটি ভাড়া নিয়েছেন হাজি জহিরের কাছ থেকে। তারা বলেন, এককালীন হিসেবে প্রায় লাখ খানেকের মতো টাকা দিয়েছেন আর প্রতি মাসে ১০হাজারের মতো টাকা ভাড়া দেন। হাজী জহির এর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। নৌপরিবহন মন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। অনেকেই বলেন, একদল গেছে, আর একদল আসছে চাঁদাবাজিও বাড়ছে।
মানিকগঞ্জ জেলা ডিবি ও ঢাকা উত্তর ডিবি পুলিশের একাধিক সাব-ইন্সপেক্টর বলেন, এর আগে সড়কে গাড়িতে চাঁদাবাজির সময় কয়েকজনকে আটক করা হলেও আদালত থেকে তারা জামিনে এসে আবারও চাঁদাবাজি করছে। ঢাকা জেলার সাভার ট্রাফিক জোনের একজন অফিসার বলেন, আগের চেয়ে পরিবেশ অনেকটা ভালো, সড়কে চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাভারে ফুটপাত দখলমুক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, অবৈধ গাড়ি রোডে বেশি চলাচল করায় যানজটের সৃষ্টি হয়, তবে মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে অটো রিক্সা, মাহিন্দ্রাসহ অবৈধ তিন চাকা গাড়ি আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। এখন থানা পুলিশ এ বিষয়ে দেখবেন। আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায় অভিযান চলমান রয়েছে। জানা গেছে, ঢাকা-আরিচা রোড ও ঢাকা টাঙ্গাইল রোডে ছিনতাই এবং বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। উক্ত ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল। সামনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাই বিএনপি’র শীর্ষ নেতারা উক্ত বিষয়টি আমলে না নিলে দলের বদনামসহ চরম ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সচেতন মহলের দাবী। এদিকে চাঁদাবাজি নিয়ে চাঁপাবাজির সাথে এসবের সাথে জরিতদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন করছেন বিএনপির একটি পক্ষ। তাহলে আসল চাঁদাবাজদের কেন আটক করা হচ্ছে না তা জাতি জানতে চায়।
এর আগে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান মাইকিং করে বলেন, আমি নতুন আসছি তারপরও শতাধিক অপরাধীকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছি। তিনি বলেন, মাদক, জুয়া, দেহব্যবসা, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী খুনি অপরাধী যেইহোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতার করতে সবার সহযোগিতা চাই। সেই সাথে উক্ত এলাকাগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ প্রশাসন তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রকৃত দোষীরা যেন কেউ আইনের ফাঁকফুঁকোর দিয়ে বের হতে না পারে এর জন যা করা দরকার তাই করতে হবে এবং চাঁদাবাজরা যেন আর চাঁদাবাজি না করতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে সচেতন মহলের দাবী।# -

যৌ-থবাহিনীর অ-ভিযানে জ-রিমানা ও হাসপাতাল সি-লগালা
বাবুল হোসেন।
পঞ্চগড় প্রতিনিধি :পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ ও ক্লিনিকগুলোতে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে যৌথবাহিনী ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেছে।
রোববার (২৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান চলে পৌরসভার বোদা মডেল মসজিদ সংলগ্ন কামাল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এবং সুরমা জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। বোদা উপজেলা সেনা ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট ফরহাদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলার সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুবীর সাহা, বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সাদমান সাকিব, বোদা থানার এসআই রবিউল ইসলামসহ যৌথবাহিনীর টহল টিম, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা।
এসময় কামাল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও বিক্রি করার দায়ে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইভাবে সুরমা জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রদর্শন করতে না পারা, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ, ব্যবহৃত ইনজেকশন রাখায় এবং সেবার মানে অনিয়ম থাকায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং সিলগালা করা হয়।
বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সাদমান সাকিব বলেন, “এ ধরনের অভিযানে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে। হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো এখন থেকে আরো সতর্ক থাকবে। এতে সেবার মান বাড়বে এবং রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পাবে।”
সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুবীর সাহা বলেন, “আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের স্বাস্থ্য ও ভোক্তার অধিকার রক্ষায় নিয়মিত বাজার ও ক্লিনিক মনিটরিং করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বোদা উপজেলা সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট ফরহাদ বলেন, “মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা সুরমা জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসেছি। এখানে রোগীদের মানসম্মত সেবা দেওয়া হয় না। পরিদর্শনে আমরা যে চিকিৎসা সামগ্রী পেয়েছি, তার প্রায় সবই মেয়াদ উত্তীর্ণ— এমনকি ২০২২ সালের প্রোডাক্টও ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু শাস্তি দেওয়া নয়, বরং ব্যবসায়ী ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে সচেতন করা, যাতে তারা আইন মেনে সেবা প্রদান করে এবং জনগণ প্রতারিত না হয়।”
অভিযান চলাকালে এলাকাবাসী যৌথবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং নিয়মিত এমন কার্যক্রম চালানোর আহ্বান জানান।
-

ঢাকায় মিরর ম্যাগাজিন ও ভেনাস লেকভিউ সিটির উদ্যোগে সাউথ এশিয়ান বাংলাদেশ বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাডওয়ার্ডস প্রদান
।।এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।।
মিরর ম্যাগাজিনের ২৩তম প্রকাশনা উৎসব এবং ভেনাস লেকভিউ সিটি-২৩তম সাউথ এশিয়ান বাংলাদেশ বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠান ২৩ আগস্ট ঢাকার তেজগাঁও লিঙ্ক রোডের আলোকী কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন খাতের ৬৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তাদের পেশাগত ও সামাজিক অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়।
মিরর ওয়ার্ল্ডের সিইও এবং বাংলাদেশ চায়না ক্লাবের সভাপতি মোঃ শাহজাহান ভূঁইয়া রাজু অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। তিনি তার স্বাগত বক্তব্যে সকল অতিথিকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, এই পুরস্কারের মাধ্যমে আমরা সেইসব পেশাদার ও উদ্যোগী মানুষকে সম্মানিত করতে চাই, যারা নিজেদের কাজের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছেন। তাদের সাফল্য অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান। তিনি তার বক্তব্যে পেশাগত দক্ষতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়নের জন্য পেশাগত দক্ষতা অপরিহার্য। প্রতিটি পেশাজীবীর উচিত নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিরন্তর চেষ্টা করা।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ হাফিজ উদ্দিন এবং এফবিবিসিআই-এর সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর সিকদার প্রমূখ। তারা তাদের বক্তব্যে সমাজে যার যার অবস্থান থেকে নিজেদের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখার আহ্বান জানান।
এবারের অ্যাওয়ার্ডে বিজনেস ক্যাটাগরিতে ৩০ জন এবং ওটিটি ক্যাটাগরিতে ৩৫ জন মোট ৬৫ জনকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। পাবনার কৃতি সন্তান, ঢাকার ইমপালস হাসপাতালের পরিচালক ও দুবলিয়া সেকেন্দার-লুৎফা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ডাঃ লুৎফুল কবীর খান দুলাল সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান ও পেশাগত দক্ষতায় সম্মাননা লাভ করেন। একইসাথে, ঢাকার কনকর্ড রিয়েল এস্টেটের নির্বাহী পরিচালক মোঃ এনামুল হকও বিজনেস ক্যাটাগরিতে সম্মাননা অর্জন করেন।
সম্মাননা প্রাপ্তির পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ডা. লুৎফুল কবীর খান দুলাল এবং মো. এনামুল হক আয়োজক সংস্থা ও কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ প্রকাশ করেন। তারা জানান, এই সম্মাননা তাদের নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে আরও ভালোভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করবে।
অনুষ্ঠানের শেষে একটি মনোজ্ঞ ফ্যাশন শো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এতে বিভিন্ন পেশা ও ক্ষেত্রের বিশিষ্টজন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, মিডিয়া কর্মী, এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিস বৃষ্টি। এই ধরনের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান সমাজে পেশাগত দক্ষতা ও সামাজিক অবদানের স্বীকৃতি দেয়, যা অন্যদের অনুপ্রেরণা জোগাতে সাহায্য করে।
-

গোদাগাড়ী ও চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নে ব্যাপক নদী ভাঙন
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা চরআষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের আষাড়িয়াদহ, চর বয়ারমারী, চর নওশেরা, হবুপাড়া, জামাইপাড়া, দিয়ার মানিকচক এবং
চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার দেবীনগর, হড়মা গ্রামে ব্যাপক হারে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। মানুষ কোন কিছু সরানোর সুযোগ পাচ্ছে না। প্রতিবছর বন্যার পানি কমার সাথে সাথে নদী ভাঙ্গন শুরু হয় এবারও ব্যতিক্রম হয় নি।যুগে যুগে পদ্মার ভাঙন নিঃস্ব করেছে শত সহস্র মানুষকে। অতীতের সেই দুর্বিষহ স্মৃতি যেন কঠিন বাস্তবতা হয়ে আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে ভাঙন কবলিত মানুষের ঘরে। ফলে শিগগিরই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ করার তাগিদ জানাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্থ ও স্থানীয়রা।
বৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে হঠাৎই আগ্রাসী রূপে পদ্মায় স্রোতের সাথে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে পানি। এতে বেড়েছে ভাঙনের তীব্রতা। আগেই আশঙ্কা করেছিল নদী পারের বাসিন্দারা – প্রত্যেক বছরের মতো এবারও গোদাগাড়ী উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী এলাকায় দেখা দিবে তীব্র ভাঙন। সেই শঙ্কা সত্যি করে কিছুদিন ধরে প্রবল স্রোতের কারণে উপজেলার পদ্মাপাড়ের চর আষাড়িয়াদহ, চর বয়ারমারী, চর নওশেরা, হবুপাড়া, জামাইপাড়া, চর দিয়ার মানিকচকসহ আশপাশের এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে ধান, পাট, ভুট্টাসহ মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গৃহহীন হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার, পানিতে তলিয়ে গেছে এক হাজার বিঘা জমির ফসল।
চর আষারিয়াদহা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন জানান, গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভাঙন দেখা দিয়েছে পদ্মায় তবে গত চার থেকে পাঁচ বছর যাবত প্রচুর পরিমাণ ভাঙন শুরু হয়েছে। নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির সহ বহু স্থাপনা । নদী ভাঙ্গনের ফলে বহু মানুষ তাদের ভিটেমাটি ও সহায়-সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন আমাদের জমি যায়গা যদি পদ্মায় বিলিন হয়ে যায় তাহলে আমরা যারা কৃষক, শ্রমিক দিনমজুর কোথায় ফসল উৎপাদন করবো,আমরা খাবো কি, কোথায় মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবো। তাই আমি সরকারের কাছে আকুল আবেদন করে বলছি আমাদের চর অঞ্চলের মানুষকে,জমিনকে রক্ষা করার ব্যবস্থা করুন এবং দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ কাজ যেন শুরু করেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, পদ্মার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিন নতুন বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বিশেষ করে চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের ১নং ও ২ নং ওয়ার্ড সবচেয়ে বেশী ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে। অন্যদিকে দীর্ঘদিনের সাজানো সংসার চোখের সামনে মুহূর্তেই নদীতে বিলীন হতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অনেকেই।
ভাঙনের ভয়ে অনেক পরিবার গ্রাম ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে গোদাগাড়ীর অভ্যন্তরীণ গ্রামগুলোতে চলে গেছে। সেখানে তারা আত্মীয়স্বজনের বাড়ি বা অস্থায়ী আশ্রয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। প্রায় দের যূগ ধরে প্রতিবছর বন্যার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্যাপক নদী ভাঙ্গন শুরু হয় এবারও ব্যাতিক্রম হয় নি। তবুও এই জনপদ অঞলে হয়নি এখনও স্থায়ী বাঁধ।
পদ্মা নদীর ভাঙন একটি গুরুতর সমস্যা যা গোদাগাড়ী চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত করছে। ভাঙনের কারণে অনেকে তাদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ফসলি জমি হারাচ্ছে।
গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ জানান, আমরা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরন করে এসেছি।
তাদের পাশে আমরা সব সময় আছি।
২০ টন জিআর চাউল বরাদ্দ পাওয়া গেছে, প্রচুর শুকনা খাবার আছে। যাদের ঘর, বাড়ী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তাদের তালিকা অনুয়ায়ী টিন দেয়া হবে। একইসঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম ভোলা বলেন, প্রতিদিনই নদী ভাঙ্গন বন্যা তীব্র হচ্ছে, ১ হাজার বিঘা জমির মৌসুমী ধান বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। আমরা ৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় কেন্দ্র করেছি সেখানে লোকজনকে যাওয়ার জন্য বলেছি। কিছুটা বন্যা কমেছে, ভাঙ্গন বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের পাশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করে ত্রান দিয়ে গেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ।
গোদাগাড়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা একে এম মোমিনুল হকের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করে মোবাইল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
এ দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নাম মোঃ নুরুল ইসলাম জানান, দুই একদিনের মধ্যে চলতি বন্যায় আলাতুলি ইউনিয়নের চর আলাতুলি, আলাতুলি ও কোদালকাঠি পাড়া ও নারায়নপুর ইউনিয়নের সেফালি পাড়া, কারেন্ট চর দেবীনগর,এগারো রশিয়া, উত্তর পাড়ায় ৫৫০ পরিবারের মাঝে ১৫ কেজি চাল বিতরন করা হবে। এছাড়া ১৫০ পরিবারকে ১০ কেজি চাল,তেল,লবন, চিনিসহ অন্যন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেয়া হয়েছে।।
প্রতিদিনই ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, মসজিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙনের মুখে অনেকেই বাড়িঘর সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে সদর উপজেলার আলাতুলি, চরআষাড়িয়াদহ, পোল্লাডাঙ্গা, নারায়ণপুর।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

বরিশাল এয়া-রপোর্ট থানার নতুন ওসি মোঃ আল-মামুন উল ইসলাম
বরিশাল (বাবুগঞ্জ) প্রতিনিধঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের আওতাধীন এয়ারপোর্ট থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন মোঃ আল-মামুন উল ইসলাম। তিনি এর আগে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের CTSB সি আই ওয়ান শাখায় দায়িত্ব পালন করছিলেন।
অন্যদিকে সাবেক অফিসার ইনচার্জ জাকির শিকদারকে বদলি করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কন্ট্রোল রুমে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে নবাগত ওসি মোঃ আল-মামুন উল ইসলামকে বরিশাল বাবুগঞ্জ বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন, তার নেতৃত্বে এয়ারপোর্ট থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।
-

বাগেরহাটে ৪টি আসন ব-হালের দা-বিতে জেলায় হর-তাল ও সড়ক অ-বরোধ, অচ-ল যোগাযোগ ব্যবস্থা
এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতি নিধি: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাতবিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলেরবাগেরহাটে ৪টি সংসদীয় আসন বহাল রাখার দাবিতে জেলা জুড়ে সড়কপথ অবরোধ ও হরতাল শুরু হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত সময় আজ রবিবার(২৪ আগস্ট) সকাল ৮টায় খুলনা বাগেরহাট মহাসড়কের কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে, খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের নওয়াপাড়া, কাটাখালি, মোল্লাহাট সেতু, বাগেরহাট পিরোজপুর মহাসড়কের সাইনবোর্ড বাজার, খুলনা মোংলা মহাসড়কের ফয়লা, মোংলা বাসস্ট্যান্ডসহ জেলার অন্তত দশটি স্থানে সড়কের উপর গাড়ি ও বেঞ্চ রেখে অবরোধ করছেন সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা। এতে বাগেরহাট জেলার অন্য সকল স্থানের যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া ব্যবসায়ী ও দোকানদাররা স্বতস্ফূর্তভাবে দোকানপাট বন্ধ রেখেছেন।
বাগেরহাট সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা জামাতের সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মাদ ইউনুস বলেন, বাগেরহাটে চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে আমরা গেল ৩০ জুলাই তিনটি আসনের প্রস্তাব দেওয়ার পর থেকে বাগেরহাটে আন্দোলন করে আসছি। কখনো সংবাদ সম্মেলন, কখনো রাজপথ অবরোধ আবার নির্বাচন অফিসে অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। এরপরেও নির্বাচন কমিশন তাদের প্রস্তাব থেকে ফিরে আসেনি। যার কারণে আমরা আজকে সর্বত্র অবরোধ ও হরতালের ডাক দিয়েছি। জেলার সর্বস্তরের জনগণ আমাদের দাবির স্বপক্ষে অবস্থান নিয়ে হরতাল ও অবরোধ সফল করছেন। কোন দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলছে না। মোংলা বন্দর এলাকারও বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। যান চলাচল বন্ধ। আশা করি নির্বাচন কমিশন আমাদের দাবি মেনে নিবে। তা না হলে এর থেকে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
গেল ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশনের বিশেষ কারিগরি কমিটি বাগেরহাট জেলার চারটি আসন কমিয়ে তিনটি আসন করার প্রস্তাব দিলে জেলা সকল রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই প্রস্তাব বাতিল ও চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।
আসন কমানো অথবা বহাল রাখার বিষয়ে ২৫ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
-

ফ্যা-সিবাদ কা-য়েমকারীদের বি-চার বাংলার মাটিতে হবে : কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন
তোফাজ্জল হোসেন বাবু
পাবনা প্রতিনিধিঃযারা দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল তাদের বিচার বাংলার মাটিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি পাবনাবাসীর প্রতি ধানের শীষের সকল কর্মর্সূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, যেখানে ধানের শীষের মিছিল হবে, র্যালি হবে স্লোগান হবে আপনারা সেখানে অংশগ্রহণ করবেন। যারা গত সতেরো বছর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ধানের শীষকে বিজয়ী করার মাধ্যমে তারা মূল্যায়িত হবেন।
যারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, যারা দেশে স্বৈরাচারী ব্যবস্থা কায়েম করেছে, ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে তাদের বিচার বাংলার মাটিতে হবে ইনশাল্লাহ।
শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে পাবনার চাটমোহরে ধানের শীষের পক্ষে গণমিছিল শুরুর প্রাক্কালে দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন, পাবনা-৩ এলাকা থেকে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন প্রাপ্ত এমপি প্রার্থী জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। যারা বিভেদপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছেন তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পারবেন আশা করি।
আমরা উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতাকর্মী একসঙ্গে কর্মসূচি পালন করব। আপনারা বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের নির্দেশ মানবেন আশা করি।
শনিবার বিকেলে পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ধানের শীষের পক্ষে গণমিছিল শুরু হয়। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর সদরের বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ গণমিছিলে অংশ গ্রহণ করেন।মিছিলটি পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এসময় চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরশেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, অধ্যক্ষ এম এ মাহমুদ, চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম কালু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সেলিম রেজা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল করিম তারেক, স.ম আতাউর রহমান তোতা, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোন্তাজ আহম্মেদ, মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি লিখন বিশ্বাস, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক লিটন বিশ্বাস, বিএনপি নেতা আবু হানিফ, শাহাদত হোসেন, আব্দুল জব্বার, মোতালেব হোসেন, যুবদল নেতা জাবেদ মোল্লা,
ছাত্রদল নেতা ফুলচাঁদ হোসেন শামীমসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।তোফাজ্জল হোসেন বাবু, পাবনা ।।
-

বাকৃবিতে BAS-USDA এর ৬ষ্ঠ পর্যায়ের প্রা-রম্ভিক ক-র্মশালা অনুষ্ঠিত
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স(BAS) এবং ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার(USDA) এর যৌথ অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সিস্টেম(বাউরেস) এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি গবেষণা সহায়তা কর্মসূচীর ৬ষ্ঠ পর্যায়ের প্রারম্ভিক কর্মশালার উদ্বোধনী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০.০০টায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স এর ফেলো ও সেক্রেটারি প্রফেসর ড. হাসিনা খান এবং বাকৃবির উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো: সামছুল আলম।বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স এর ফেলো মেজর জেনারেল(অব:) প্রফেসর ড. এএসএম মতিউর রহমান এর সভাপতিত্বে এবং সহকারী প্রফেসর ফাতেমা-তুজ জোহরার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড.জাভেদুর রহমান ভূঁইয়া, সহযোগী পরিচালক(বাউরেস)।এছাড়াও বিশেষ অতিথিবৃন্দ তাদের মুল্যবান বক্তব্য প্রদান করেছেন। প্রধান অতিথি হিসেবে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া শুরুতে স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় থেকে ২০২৪ সনের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে যারা দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিবন্ধক রাজনৈতিক বাঁকগুলো সহজিকরণের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য জীবনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং যারা আহত হয়েছেন অথবা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি BAS-USDA এর ৬ষ্ঠ পর্যায়ের এই কর্মশালায় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-গবেষকবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
এই কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট গবেষক, নীতিনির্ধারক বা অংশীদারদের একত্রিকরনের মাধ্যমে কাজের পরিকল্পনা, দায়িত্ব বন্টন এবং বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে এমন আশাবাদ প্রকাশ করে তিনি বলেন , বাকৃবির যে সমস্ত শিক্ষক- গবেষক এখানে সম্পৃক্ত রয়েছেন তাদের বিজ্ঞানের প্রতি নেশা বিজ্ঞান অনুসন্ধিৎসু মন সমাজ তথা দেশের কল্যাণে ব্যয় হবে এমনটাই প্রত্যাশিত। বাকৃবির গবেষকবৃন্দ ভবিষ্যতে যেন আরো BAS-USDA সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পেতে পারে সেজন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
উল্লেখ্য, কৃষি ও বিজ্ঞান খাতের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগীতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত উক্ত কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর, কো-প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-গবেষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। -

সাবেক সহ সম্পাদকের মৃ-ত্যুতে গৌরনদী প্রেসক্লাবের শো-ক সভা
কে এম সোয়েব জুয়েল,
গৌরনদী প্রতিনিধি।
স্বৈরাচার সরকারের দোসরের বিরুদ্ধে সংবাদ লিখে সামরিক আদালতের মিথ্যা রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামি সাংবাদিক ঐতিহ্যবাহি গৌরনদী প্রেক্লাবের সাবেক সহ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী হাওলাদার (এইচ এম এস আলী’র) মৃত্যুতে গৌরনদী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শোক সভা ও মিলাদ গৌরনদী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে শনিবার বাদ আসর অনুষ্ঠিত হয়। গৌরনদী প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সিনিয়র সাংবাদিক খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বরণ সভায় বক্তব্য রাখেন গৌরনদী প্রেসক্লাবের প্যানেল আহবায়ক সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিয়া, সদস্য বদরুজ্জামান খান সবুজ, মনিশ চন্দ্র বিশ্বাস,মোঃ খায়রুল ইসলাম, মোঃ শাহিন প্রমূখ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি গৌরনদী কলেজ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন খান।