Category: দেশজুড়ে

  • ডিজিটাল বিচার ব্যবস্থার পথে পঞ্চগড়: জেলা আইনজীবী সমিতির ই-বেইলবন্ড বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    ডিজিটাল বিচার ব্যবস্থার পথে পঞ্চগড়: জেলা আইনজীবী সমিতির ই-বেইলবন্ড বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    মোঃ বাবুল হোসেন   পঞ্চগড়  :

    ডিজিটাল বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পঞ্চগড় জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ই-বেইল বন্ড বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইনজীবীদের দাপ্তরিক কার্যক্রমকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার আওতায় আনতেই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

    কর্মশালায় ই-বেইল বন্ড পদ্ধতির ব্যবহারবিধি, সুবিধা ও কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে ডিজিটাল নথি সংরক্ষণ, অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়সহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। অংশগ্রহণকারী আইনজীবীরা হাতে-কলমে ই-বেইল বন্ড ব্যবহারের কৌশল সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেন।

    পঞ্চগড় জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি। এ ধরনের প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতে আইন পেশাকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করে তুলবে।

    এ সময় জেলা ও দায়রা জজ ইমদাদুল হক জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমবার ই-বেইল বন্ড ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় ধাপে আগামী ২১ জানুয়ারি দেশের আরও আটটি জেলায় এই ব্যবস্থা কার্যকর হতে যাচ্ছে, যার মধ্যে পঞ্চগড় জেলা অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ পঞ্চগড়ের আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ও আনন্দের সংবাদ।

    ই-বেইল বন্ড বিষয়ক কর্মশালাটি পরিচালনা করেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার, যেখানে তিনি পদ্ধতির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    কর্মশালায় জেলা ও দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকবৃন্দ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইন কর্মকর্তাগণ এবং জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়কসহ সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্বরূপকাঠিতে সাবেক প্রেস ক্লাব সভাপতি শিশির কর্মকার গ্রে-ফতার

    স্বরূপকাঠিতে সাবেক প্রেস ক্লাব সভাপতি শিশির কর্মকার গ্রে-ফতার

    নিজস্ব প্রতিনিধি।।

    পিরোজপুরের নেছারাবাদের (স্বরূপকাঠি)তে সাবেক প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক শিশির কর্মকার গ্রে-ফতার। তিনি স্বরূপকাঠি পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। এক সময়ে তিনি দৈনিক যায়যায়দিন প্রত্রিকার স্বরূপকাঠি প্রতিনিধি ছিলেন।

    সোমবার (আজ) সকাল সাতটার দিকে স্বরূপকাঠি থানার পশ্চিম পাশের পানের আড়ৎ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানায়। গ্রেপ্তারকৃত শিশির কুমার কর্মকার স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র পদে ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

    এ বিষয়ে তার পরিবার থেকে জানায়, শিশিরকে রাজনৈতিক মামলায় ফাঁসানো হয়েছে সে নির্দোষ। তাকে সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল তাকে ফাঁসিয়েছে।

    স্বরূপকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, থানার পাশের এলাকায় শিশির কুমারের একটি পানের ব্যবসা রয়েছে। ব্যবসার খোঁজখবর নিতে তিনি সোমবার সকালে পানের আড়তে আসেন। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

    ওসি আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • সাভারে একটি ভবনেই ৫টি হ-ত্যাকাণ্ড-সিরিয়াল কি-লার ‘সাইকো সম্রাট’ গ্রে-ফতার

    সাভারে একটি ভবনেই ৫টি হ-ত্যাকাণ্ড-সিরিয়াল কি-লার ‘সাইকো সম্রাট’ গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে একের পর এক মানুষের পোড়ানো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্কে থমকে গেছে এলাকার জনসাধারণ, এরপর এসব হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতারের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ, বেড়িয়ে আসছে থলের বিড়াল।

    জানা যায়, ভবঘুরের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়ানো শিক্ষিত এক নীরব ঘাতক-মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাটকে গ্রেফতার করে পুলিশ সোমবার সকালে তাকে থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশ জানায়, রবিবার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬ইং) বিকেল সাড়ে ৩ টায় এই ঘাতক খুনিকে গ্রেফতার করেছে।

    গত রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ২ টায় কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে নতুন করে পোড়ানো দুই লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং সিসিটিভিতে প্রথম দেখা যায় যে খুনি, তাকে দেখে কেউই সন্দেহ করবে না-সেই ভবঘুরে বেশে ঘুরে বেড়ানো শিক্ষিত সম্রাটই যে, এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডগুলোর পেছনের মূল হোতা, তা ছিলো কল্পনারও বাইরে। স্থানীয় এক সাংবাদিকের আগের দিনের করা একটি ভিডিও ও হত্যাকাণ্ডের দিনের একটি সিসিটিভি ফুটেজই বদলে দেয় সবকিছু, বেড়িয়ে আসে থলের বিড়াল।

    পুলিশ জানায়, কমিউনিটি সেন্টারের আশপাশের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে সন্দেহজনক ভাবে এক ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তার চলাফেরার সময় ও অবস্থান মিলিয়ে তদন্তকারীদের সন্দেহ গিয়ে পড়ে ওই ভবঘুরে ব্যক্তির দিকেই। এরপরই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’।

    পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একই জায়গায় দুইটি হত্যাকাণ্ড, পূর্বের পৃথক তিনটি হত্যাসহ মোট পাঁচটি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে এই খুনি। পুলিশ নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে সোমবার তাকে আদালতে পাঠায়। আদালতের কাছে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য পুলিশ রিমান্ড চাওয়া হবে।

    পুলিশ জানায়, “লাশ উদ্ধারের পরপরই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করি। ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয় এবং দুই ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।”

    এলাকাবাসী জানায়, সম্রাটকে সবাই ভবঘুরে হিসেবেই চিনতো। কখনো রাস্তায়, কখনো কমিউনিটি সেন্টারের আশপাশে ঘোরাঘুরি করতো, এক চায়ের দোকানদার জানান, সম্রাট চা খেয়ে ৫ টাকার বেশি দিতো না, ৭ টাকার চা সে দাম কম দিতো। তার মধ্যে যে এমন ভয়ংকর নৃশংসতা লুকিয়ে আছে, তা কেউ কল্পনাও করেনি।

    একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “প্রতিদিন যাকে দেখি রাস্তায় হাটাহাটি করতে, চুপচাপ বসে থাকতে, কখনো বিড়বিড় করে কথা বলতে, সেই লোক যে একের পর এক মানুষ হত্যা করেছে-এটা ভাবতেই গা শিউরে উঠছে।”

    পরপর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় যখন সাভারজুড়ে আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা চরমে, তখন পুলিশের দ্রুত ও সাহসী অভিযানে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন এলাকাবাসী। তারা দাবি জানিয়েছেন-এই নৃশংস খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

    এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান আলী গণমাধ্যমকে বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও নৃশংস। লাশ উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গেই আমরা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ শুরু করি। ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে একাধিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আমরা বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করছি এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হবে।” আজ সোমবার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারটি একসময় ছিল আনন্দ ও মিলনের ঠিকানা, সেই জায়গাই এখন সাক্ষী রইলো একের পর এক ৫টি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিভীষিকা। জানা গেছে, পৌর কমিউনিটি সেন্টার পৌরসভা মালিক দাবি করে আবার উপজেলা পরিষদের বলে তারা দাবি করে মামলা চলমান থাকায় এই ঘটনাস্থলটি পরিত্যক্ত রূপ নিয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়।

  • আশুলিয়ায় এক কিশোরের ৩৮ টুকরো হা-ড় ক-ঙ্কাল উদ্ধারের পর  তিনজনকে গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ায় এক কিশোরের ৩৮ টুকরো হা-ড় ক-ঙ্কাল উদ্ধারের পর তিনজনকে গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়া মডেল টাউন এলাকা থেকে এক কিশোরের ৩৮ টুকরা হাড় ও কঙ্কাল উদ্ধারের লোমহর্ষক ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সকালে রাজধানীর উত্তরায় ঢাকা জেলা পিবিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ জানান, মূলত নগদ টাকার প্রয়োজনে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই ১৫ বছর বয়সী কিশোর মিলন হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার এবং লুণ্ঠিত অটোরিকশাটিও উদ্ধার করেছে পিবিআই।

    ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ, রামপুরা-নতুন বাজার রুটে যান চলাচল বন্ধ করে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা, তারা সড়ক অবরোধ করলে রামপুরা-নতুন বাজার রুটে যান চলাচল বন্ধ থাকে বলে পিবিআই জানায়, গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে অটোরিক্সা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে মিলন নিখোঁজ ছিলো। পরিবারের পক্ষ থেকে দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর ১৮ নভেম্বর আশুলিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন মিলনের মা জোসনা বেগম।

    জানা যায়, আশুলিয়ায় প্রায়ই অটোরিকশা চুরি ছিনতাই হয়, দুই একটা উদ্ধার ও দুই একজন গ্রেফতার হলেও অন্যরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন মহলের দাবি।

  • চিকিৎসকের ভু-ল চিকিৎসায় স্ত্রী’র মৃ-ত্যু, বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বামীর আবেগঘন পোস্ট 

    চিকিৎসকের ভু-ল চিকিৎসায় স্ত্রী’র মৃ-ত্যু, বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বামীর আবেগঘন পোস্ট 

    কে এম সাইফুর রহমান, 
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় স্ত্রী নাজমা হোসেন টোকেন এর মৃত্যু হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগে। ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ -এ ওই দম্পতির ৪৬তম বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে তার স্বামী রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আবু হুসাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার ভেরিফাইড পেইজে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। যা তার ফেসবুক বন্ধু ও ফলোয়ার্সদের হৃদয়ে আচর কেটেছে।

    তার এই আবেগঘন পোস্টটি হুবহু নিচে দেওয়া হলো… 

    ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
    আজ আমাদের ৪৬তম বিবাহ বার্ষিকী। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আজ আমাদের সহধর্মিণী নাজমা হোসেন টোকেন আমাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে।আমি তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আমি দুঃখিত ও মর্মাহত। আমাদের জন্য আপনাদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।

    বারডেম এর ডাক্তার অধ্যাপক মওলাদাদ চৌধুরীর ভুল চিকিৎসার কারণে আমার সহধর্মিণীকে হারাতে হলো।কিন্তু আজ পর্যন্ত তার কোনো শাস্তি হলো না। দেশে যদি আইনের শাসন থাকতো তাহলে ওই ভুল চিকিৎসার জন্য মওলাদাদ চৌধুরীর শাস্তি হতো।

    তার ওই পোস্টকে অনেকেই ভালো চোখেই দেখছেন! কেননা চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় তিনি অকালেই স্ত্রী হারা হয়েছেন। সন্তানেরা তার মায়ের আদর-স্নেহ-শাসন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, নাতি-নাতনীও তার দাদুর আদর সোহাগ ও ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এমনটি যদি না ঘটতো তাহলে হয়তো তাদের সংসারে বিষাদের পরিবর্তে আজ আনন্দ হাসি-খুশিতে ভরে থাকতো। যদি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষী সেই চিকিৎসকের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার হতো তাহলে হয়তো বা আর কোন চিকিৎসক ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় এ ধরনের ভুল চিকিৎসা করতেন না। অকালেও কোন স্ত্রী/ মা প্রাণ হারাতেন না। হতভাগা স্বামী আজও কোন সুবিচার পাননি। তাই তার এই আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে স্ত্রীর প্রতি অসীম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ও অন্যদিকে প্রতিবাদ জানানো। যা দেখে যেন সকলেই নিজেদের ভুল ত্রুটি শুধরে নিতে পারেন এমনটি প্রত্যাশা এফবি বন্ধু ও ফলোয়ার্সদের।

  • পলাশবাড়ীতে বিএনপি নেতা শফিউল আলম ব্রেইন স্ট্রোক সহ স্ত্রী ছেলে জটিল রোগে আ-ক্রান্ত

    পলাশবাড়ীতে বিএনপি নেতা শফিউল আলম ব্রেইন স্ট্রোক সহ স্ত্রী ছেলে জটিল রোগে আ-ক্রান্ত

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের গিরিধারীপুর গ্রামের চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুর রশিদ প্রামাণিকের ছেলে সাবেক বিএনপি নেতা গ্রীল মিস্ত্রি শফিউল আলম প্রামাণিক (৫৫) দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে এখন চিকিৎসাধীন আছেন। তার স্ত্রী জাহানারা বেগম (৪৪) কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনিও চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তৃতীয় ছেলে জাকারিয়া প্রামাণিক আবিদ এর বিগত ২০১৪ সালে ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়লে জমা জমি বিক্রি ও আত্মীয় স্বজনদের নিকট ধার দেনা করে ৪৩ লক্ষ টাকা ব্যয় করে চিকিৎসা নিয়ে সে এখন মোটামুটি সুস্থ। বর্তমানে সে কম্পিউটার বিষয়ে ডিপ্লোমা কমপ্লিট করে উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিলেও সেও মাঝেমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। ছোট ছেলে জুবায়ের প্রামাণিক আবিদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিষয়ে অনার্সে অধ্যায়নরত।
    বড় দু মেয়েকে অনেক আগেই বিবাহ দিয়েছেন।
    বর্তমানে ৪ সন্তানের জনক জননী শফিউল আলম ও জাহানারা দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে তাদের চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহে এখন প্রায় নিঃস্ব হয়ে ভবিষ্যতের চিন্তায় চোখ শর্ষের ফুল দেখছেন।

    সরেজমিনে প্রকাশ,শফিউল আলম বিগত সময় পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল হাদী’র হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দেন এবং সে সময় তিনি (শফিউল আলম) বিএনপির শ্রমিক দলের ১নং যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করন। পাশাপাশি তিনি গ্রিলের গ্রিল মিস্ত্রি) কাজ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতেন। দলের প্রতি মায়া মোহাব্বত ও ভালোবাসা অটুট থাকলেও অসুস্থতার কারণে তিনি কোনো কর্মসূচীতে যেতে না পারলেও তাদের দলের জন্য ত্যাগ ও ভালোবাসা আমৃত্যু পর্যন্ত থাকবে বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

    এ বিএনপি নেতা শফিউল আলম বিগত ২০১৮,২০০০ ও ২০২৩ সালে পরপর তিনবার ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। অসুস্থতার পর তাকে রংপুর নেয়া হলে কিছুটা সুস্থ হন তবে তার চলন শক্তি ও কথা বলা অস্পষ্ট (প্যারালাইসিস) হয়ে যায়।

    বর্তমানে তিনি ডা. খন্দকার আতাউর রহমান এমবিবিএস,এমডি (নিউরোলজি,নার্ভ,ব্রেইন স্ট্রোক,প্যারালাইসিস,মাথা ব্যথা,শরীর ব্যথা,খিচুনি রোগ),নিউরোলজি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান,নিউরোলজি বিভাগ প্রাইম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল রংপুর এর চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে তার প্রচুর অর্থ ব্যায় হয়।

    এর আগে তার তৃতীয় ছেলে জাকারিয়া প্রামাণিক এর বিগত ২০১৪ সালে ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়লে জমা জমি বিক্রি ও আত্মীয় স্বজনদের নিকট ধার দেনা করে ৪৩ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করে সে সুস্থতা লাভ করলেও মাঝে মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ে।

    এরপর তার স্ত্রী জাহানারা বেগম ২৩ সালে দুটি কিডনি ড্যামেজ হলে তার চিকিৎসা ব্যায় হয় মোটা অংকের টাকা। বর্তমানে তারও চিকিৎসা চলমান।

    বর্তমানে সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি শফিউল আলম এ বিএনপি পরিবারটির এতো এতো চিকিৎসা ব্যয়ে এখন তারা নিঃস্ব প্রায়। শফিউল আলম ও জাহানারা দম্পতি কোনো কূল কিনারা না পেয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

    তাদের সুস্থতা ফিরে পাওয়ার জন্য তারা দেশবাসী সহ সবার দোয়া কামনা ও উন্নত চিকিৎসা এবং অর্থনৈতিকভাবে সহযোগিতার জন্য বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর সরাসরি সহযোগিতা কামনা করেছেন।
    (বিকাশ নাম্বার ০১৭৯৭-৩৬৩৭৯১) শফিউল আলম ও জনতা ব্যাংক পলাশবাড়ী শাখা হিসাব নং 0100218269677 ( জাহানারা বেগম) এ নাম্বারে অর্থ পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।।

  • সিরাজগঞ্জ-৩ জামায়াত জোটে অপরিচিত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবী সাধারণ ভোটারদের

    সিরাজগঞ্জ-৩ জামায়াত জোটে অপরিচিত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবী সাধারণ ভোটারদের

    জি.এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ,তাড়াশ- সলঙ্গা) আসনে ভোটের মাঠ যেন হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশ।
    জামায়াতে ইসলামীর দীর্ঘদিনের পরিচিত প্রার্থী বাদ দিয়ে হঠ্যাৎ করে অচেনা মুখকে জোট প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার পর ভোটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ,অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভ। সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের মধ্যে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে চারটি আসন জামায়াতকে দেয়া হলেও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে।জোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরপরই এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয় আলোচনা–সমালোচনা।
    এই আসনে জোট প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুফতি আব্দুর রউফের নাম ঘোষণা করা হয়। অথচ এর আগে মাঠে সক্রিয় ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও দলীয় মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর শায়েখ আলহাজ্ব  ড. আব্দুস সামাদ। তাঁর নাম জোটের তালিকা থেকে বাদ পড়ায় জামায়াতের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হতাশা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য,জামায়াতের নিজস্ব পরিচিত প্রার্থী থাকলে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হতো। কিন্তু জোটের অচেনা প্রার্থী নিয়ে ভোটের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে গেছে।
    রায়গঞ্জ উপজেলার একাধিক ভোটার জানান,শক্ত ও পরিচিত প্রার্থী থাকলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে ওঠে। তাঁদের মতে,জামায়াত ও বিএনপি—দু’পক্ষই মাঠে সক্রিয় থাকলে ভোটারদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়ত। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই প্রতিযোগিতামূলক আবস্থা অনুপস্থিত। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটারদের ভাষ্য,ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে শুধু দল নয়, প্রার্থীর স্থানীয় পরিচিতি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার মানুষের সঙ্গে যাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকে,উন্নয়ন ও সমস্যার সমাধানে তাঁদের কাছ থেকেই বেশি প্রত্যাশা করা যায়।
    উপজেলা ও ইউনিয়ন জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মী ও সমর্থক জানান, ড. আব্দুস সামাদ ছিলেন,এ আসনে দলের সবচেয়ে শক্ত ও সম্ভাবনাময় প্রার্থী। তাঁর পরিবর্তে ভিন্ন দলের প্রার্থী দেয়ায় জামায়াতের তৃণমূলে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, জোটের প্রার্থী তালিকা পুনর্বিবেচনা করা হলে ভোটের সমীকরণ ভিন্ন হতে পারত।তারা আরও বলেন,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর নাম ঘোষণার পরই অনেক এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে,জোট প্রার্থী মাঠে তেমন শক্ত অবস্থানে নেই,তারা নির্দ্বিধায় পাশ করে যাচ্ছে।জামায়াত সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর স্থানীয় সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল এবং অনেক ওয়ার্ডেই কার্যকর কমিটি নেই। ফলে ভোটারদের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা সীমিত এবং এ কারণেই নির্বাচনী লড়াইয়ে বড় ব্যবধান তৈরি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
    তবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ ভিন্ন কথা বলছেন।তাঁদের দাবি,দলের প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে কর্মী ও সমর্থকেরা সক্রিয় রয়েছেন। ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে তারা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।অন্যদিকে,বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই আসনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, ভিপি আয়নুল হককে। তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে এসেছেন এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সর্বদা মাঠে সক্রিয় থেকেছেন।
    দলীয় নেতা-কর্মীদের ধারণা,একজন ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে ভিপি আয়নুল হক ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন লাভ করবেন এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।
    বাংলাদেশ খেলাফত মসলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক ও বা্ংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাক্তার শফিকুল ইসলামের কাছে সিরাজগঞ্জ- ৩ আসনে জামায়াত জোটে অপরিচিত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবী করছেন সাধারণ ভোটাররা।ভোটারদের দাবি,সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,কেন্দ্রীয় জাময়াতের হঠকারী সিদ্ধান্তে আমরা সীমাহীন দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছি, একথা বলতে গিয়েও আমাদের হৃদয় কাঁপছে। আপনারা অবগত আছেন,সিরাজগঞ্জ- ৩ আসনটি সুষ্ঠ নির্বাচনে ধারাবাহিক ভাবে ধানের শীষের বাইরে এখানে কখনই কেউ বিজয়ী হতে পারেনি। এই বাস্তবতার কারনেই এই এলাকার জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা যুগের পর যুগ সীমাহীন জুলুম,নির্যাতন ও ত্যাগ শিকার করে এসেছে। ভোটারদের আকুতি দুই শীর্ষনেতার সামান্য ভূল বোঝা বুঝি করে এ আসনটি পরাজয়ের পথ তৈরি করে দিবেন না। জামায়াতের যে প্রার্থী দীর্ঘদিন ধরে মাঠে থেকে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন,তিনি ইনশাল্লাহ বিজয়ী হবেন -এ বিশ্বাস এই রায়গঞ্জ,তাড়াশ-সলঙ্গাবাসীর।ভোটাররা আগাধ শ্রদ্ধা রেখেই বলছেন,দয়া করে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে তৃণমূল জামায়াত নেতাকর্মীদের কান্নার জবাব দিন। রিক্সা মার্কার এমন অপরিচিত মুখ,প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আশা ও অশ্রুকে সম্মান করুন। আর নির্বাচনী এলাকায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পরিবেশ তৈরি করুন।

  • দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হক

    দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হক

    জাকিরুল ইসলাম (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বিজুল দারুল হুদা কামিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক ও কামিল হাদীস বিভাগের প্রধান মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হক এবার দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণী কক্ষে বিশেষ গুরুত্বসহ পাঠদানের জন্য এবার জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন-২০২৬ উপলক্ষে তাঁকে দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত করা হয়। তিনি ইতিপূর্বে ২০০৪ ও ২০০৮ সালে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের ত্রৈমাসিক গবেষণা পত্রিকা, মাসিক জনপ্রিয় জার্নাল প্রেরণা, গবেষণা জার্নাল ছাত্র সংবাদ, গবেষণা ম্যাগাজিন দ্বিমাসিক মাদরাসা, জাতীয় দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সীরাতুন্নবী ম্যাগাজিন ও সাপ্তাহিক সোনার বাংলা সীরাতুন্নবী ম্যাগাজিনে তাঁর শতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ ও সমসাময়িক কলাম প্রকাশিত হয়েছে এবং তাঁর একটি গবেষণা গ্রন্থ ২০২৬ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি বই মেলায় প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। তার এই সাফল্যে শিক্ষক, সাংবাদিক ও সূধিমন্ডলী তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির
    দিনাজপুর, প্রতিনিধি।

  • শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ‎কে এম সোহেব জুয়েল ঃ
    ‎শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‎সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরকারি গৌরনদী কলেজের শহীদ মিনারে সকাল ১১টায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
    ‎‎অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে শিশু ও কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ছিল— স্বাধীনতা, দেশপ্রেম, জাতীয় প্রতীক, গ্রামবাংলা এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন ও আদর্শ। ‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য এম জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা, দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনে তার ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তার সততা, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের জন্য চিরন্তন প্রেরণার উৎস। আজকের এই শিশুরাই একদিন রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে তাদের মাঝে জিয়াউর রহমানের আদর্শ ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত জরুরি।”‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জুলফিকার, সাবেক সভাপতি মো. গিয়াসউদ্দিন মিয়া, খন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক সোলায়মান তুহিন, এসএম মোশারফে, উত্তম কুমার, নাসির উদ্দীন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল গমস্তা, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি তানিমসহ আরও অনেকে। ‎এছাড়াও স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ‎আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার আদর্শ তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে সহায়ক। ‎অনুষ্ঠানের শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  • ময়মনসিংহে গণভোট প্রচারণায় ভোটের গাড়ির উদ্বোধন করলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা

    ময়মনসিংহে গণভোট প্রচারণায় ভোটের গাড়ির উদ্বোধন করলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।

    গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ কে সামনে রেখে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণে ময়মনসিংহে ভোটের গাড়ির প্রচারণার গান ও ভিডিও ডিসপ্লের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে ভোটের গাড়ির সুপার ক্যারাভ্যান দিয়ে ময়মনসিংহে ভিডিও প্রদর্শনী ও অবহিতকরণ সভার প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। একই সাথে গণভোটে জনসচেতনতা সৃষ্টি, ভোটারদের ভোটদানে উদ্বুদ্ধকরণ ও আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকালে ময়মনসিংহের পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট মাঠে এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

    এসময় গণভোট বিষয়ে ভোটের গাড়ির মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে সারাদেশ জুড়ে চলমান রয়েছে জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ভোটের গাড়ির উদ্দেশ্য হচ্ছে গণভোট ও সংসদীয় ভোট বিষয়ে নাগরিক সচেতনতা সৃষ্টি। বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর এদেশে সকল মানুষের অধিকার যেন সমুন্নত থাকে, একতাবদ্ধ একটি জাতি প্রতিষ্ঠা করা যেন সম্ভব হয়, সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই গণভোট-২০২৬। দুর্বৃত্তায়নের মধ্য দিয়ে আর যেন কেউ ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে না পারে, জনগণের অধিকার হরণ না করতে পারে, সেজন্য দেশের জনগণকে গণভোটে অংশগ্রহণ করতে হবে। নাগরিক অধিকার ও কাঙ্খিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সবাই যেন গণভোটে নিজের ভোটটি প্রদান করি। সংবিধানের পরিপূর্ণ রূপ দিতে সবাই যেন একতাবদ্ধ থাকি।

    জেলা প্রশাসন ময়মনসিংহের ব্যবস্থাপনায় ও জেলা তথ্য অফিস ময়মনসিংহের সম্বন্বয়ে আয়োজিত উক্ত
    গণভোট-২০২৬ বিষয়ে সচেতনতায় সংগীত ও ডিসপ্লে প্রচারণা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান এর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন
    জেলা তথ্য অফিস ময়মনসিংহের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দিন আহাম্মদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপীসহ ময়মনসিংহের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, মিডিয়াকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিবর্গরা।