Category: দেশজুড়ে

  • নড়াইলে বাইসাইকেলের সাথে মোটরসাইকেল সং-ঘর্ষে যু্বক নিহ-ত

    নড়াইলে বাইসাইকেলের সাথে মোটরসাইকেল সং-ঘর্ষে যু্বক নিহ-ত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের ধোপাখোলা এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যু্বক নিহত।
    নড়াইল সদর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইমন মোল্যা (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ বছর সে মাদ্রাসা হতে দাখিল পাশ করেছে।
    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
    লাহুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এসএম কামরুল ইসলাম কামরান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
    ইমন মোল্যা লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া ডহরপাড়ার কৃষক উচমান মোল্যার ছেলে। সে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র আন্দলোন লাহুড়িয়া ইউনিয়ন শাখার অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক ছিলেন।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে মোটরসাইকেল যোগে যশোর থেকে নিজ বাড়ি লাহুড়িয়া ডহপাড়ার দিকে আসছিলেন ইমন মোল্যা। প্রতিমধ্যে নড়াইল শহরের ধোপাখোলা এলাকায় পৌছালে ইমনের মোটরসাইকেলের সাথে একটি বাইসাইকেলের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে সে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। এসময় ইমনের মাথায় প্রচন্ড আঘাত লাগায় মাথা থেকে ঘিলু বের হয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। পরে খুলনা নেয়ার পথে ইমনের মৃত্যু হয়।

    নড়াইল সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহেলী জামান জানান, ইমনের মাথায় আঘাত খুব বেশি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • ধামইরহাটে খ-রা সহি-ষ্ণু ফসলের চাষাবাদ বি-ষয়ক প্রশিক্ষণ

    ধামইরহাটে খ-রা সহি-ষ্ণু ফসলের চাষাবাদ বি-ষয়ক প্রশিক্ষণ

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
    নওগাঁর ধামইরহাটে খরা সহিষ্ণু ফসলের চাষাবাদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ২৫ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১ টায় উমার ইউপির হলরুমে জাকস ফাউন্ডেশন, জয়পুরহাটের আয়োজনে ইসিসিসিপি-ড্রট প্রকল্পের
    সিসিএজি সদস্যদের ‘খরা সহিষ্ণু ফসলের চাষাবাদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ কর্মশালার উদ্বোধন করেন উমার ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আবু জাফর সিদ্দিক।
    জাকসের কমিউনিটি মবিলাইজেশন অফিসার (কৃষি) মোঃ মনজুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ শরিফুল ইসলাম, একাউন্টেন্ট কাম এমআইএস অফিসার মোঃ ফরহাদ হোসেন, সিনিয়র হিসাব কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলম, কমিউনিটি মবিলাইজেশন অফিসার সিভিল অনিক মাহমুদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি
    কর্মকর্তা মোঃ মারুফ হোসেন।
    উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে অত্র ইউনিয়নের ২০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে পানির অপচয় রোধে কৃষিতে এডব্লিউডি’র ব্যবহার, ফসলের পোকামাকড় দমনে সেক্স ফেরোমনের
    ব্যবহার, জৈব বালাইনাশক প্রযুক্তি এবং কেঁচো সার উৎপাদন ও এর সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। উমার ইউপি ছাড়াও আগ্রাদ্বিগুন, আলমপুর, আড়ানগর ও খেলনা ইউনিয়নে আরও ২৪০ জন কৃষককে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
    প্রশিক্ষণ বিষয়ে প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এই
    প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে মাঠ পর্যায়ে কৃষকরা খরা সহিষ্ণু ফসল কিভাবে
    চাষাবাদ করবেন সে সম্পর্কে সম্মুখ জ্ঞান বা ধারণা প্রদান করা। আমরা
    আশাকরি কৃষক ভাইয়েরা এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে খরা সহিষ্ণু ফসল উৎপাদনে আরো বেশি আগ্রহী হবেন এবং পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবেন। এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহযোগিতায় জাকস ফাউন্ডেশন, সবুজনগর, জয়পুরহাট বাস্তবায়ন করছে।

    আবুল বয়ান ।

  • আশুলিয়ায় নাসা গ্রুপের শ্রমিক দ্বারা বি-শৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী মূ-লহোতাকে গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ায় নাসা গ্রুপের শ্রমিক দ্বারা বি-শৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী মূ-লহোতাকে গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি পুলিশের অভিযানে নাসা গ্রুপের শ্রমিক দ্বারা সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সৃষ্টিকারী মূলহোতাকে গ্রেফতার।

    বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং) সকালে এ বিষয়ে ডিবি পুলিশ নিশ্চিত করেন, ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক জনাব মোঃ আনিসুজ্জামান (পিপিএম), পুলিশ সুপার, ঢাকা মহোদয়ের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর), এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ আরিফুল ইসলাম অফিসারের সঙ্গীয় ফোর্সসহ অদ্য ২৪/০৯/২৫ খ্রি. তারিখ ২১:২৫ ঘটিকায় আশুলিয়ার জামগড়া এলাকা হইতে নাসা গ্রুপের শ্রমিক দ্বারা সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সৃষ্টিকারী, উস্কানিদাতা ও মূলহোতা ০১। মোঃ টিপু সুলতান (৩০) কে গ্রেফতার করেন। টিপু সুলতান মোঃ আবু হানিফের ছেলে। তার গ্রামের বাড়ি-পূর্ব মাদলা, থানা-শৈলকোপা, জেলা-ঝিনাইদহ, এ/পি সাং-ইটখোলা, নরসিংহপুর, (নাসু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া), থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকাকে গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে ডিবি জানায়।

  • কুমিল্লাতে কৃষিতে সং-যোগ হলো ব্যাতিক্রম পদ্ধ-তিতে মাটির পাতিল

    কুমিল্লাতে কৃষিতে সং-যোগ হলো ব্যাতিক্রম পদ্ধ-তিতে মাটির পাতিল

    তরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুমিল্লাতে কৃষি জমিতে বেগুনের ফলন গাছ বাচিয়ে রেখে আগাছা নিধনে সুইপ নামে নতুন আবিস্কৃত কীটনাশক ছিটানো হচ্ছে, বেগুনের ফলন গাছ বাচাতে নব পদ্ধতিতে দধির পাতিল ব্যবহার হচ্ছে। ঘটনাটির খবর পেয়ে গ্রাম বাসী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত হন ঐ কৃষি জমিতে। সরজমিনে দেখা যায় নব পদ্ধতিতে গতকাল কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের কালিকাপুর দঃ পাড়া জলিল,ফারুক, হানিফ গং কৃষকদের বেগুনের জমিতে দধির পাতিল চোখে পড়ে। এসময় দধির পাতিল বিষয়ে কৃষক দের সাথে জানতে চাইলে কৃষকরা জানান সুইপ কীটনাশক দেশে আগাছা নিধনে মাইলফলক ভুমিকা রাখছে,দুশো টাকার ঔষধ ছিটালে ৫০ শ্রমিকের কাজ হয়, শ্রমিক দিয়ে নিরাতে হয় না,কিন্তু সুইপের আক্রমণ থেকে বেগুন গাছা কিংবা যেকোনো ফলদ গাছের জীবন বাচাতে মাটির পাতিল দিয়ে ঢাকনা দিতে হয়,পাতিলের বাহিরের অংশের সকল আগাছা পরক্ষণেই কীটনাশক ছিটানোর পরে নিমজ্জিত করে ফেলে।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি উপ সহকারী কর্মকর্তা তানজিনা আক্তার বলেন এই পদ্ধতিটি কৃষক দের নিজ থেকে বানানো,সরকার বা কৃষি অফিসার থেকে নয়,তবে পদ্ধতি টি কৃষকদের আর্থিক লাভ বান করবে,আগাছা কম খরচে পরিস্কার করে।শ্রমিকের খরচ বেচে যায়। আগাছা পরিস্কার হলে দ্রুত ফলন আসে। এবিষয়ে কৃষক মালেক,ফারুক, আলমগীর বলেন সরকারের উচিত আমাদের ভর্তকি দেওয়া, আমাদের কৃষি কাজে পোষে না তারপরও আমরা জমি অনাবাদি রাখি না,মৌসুমে সবরকম ফসল ফলাই।

  • ময়মনসিংহে মুমূ-র্ষু রোগীকে অধিগ্রহণের চেক দেওয়ায় এডিসির বিরু-দ্ধে অ-পপ্রচার , বইছে স-মালোচনার ঝ-ড়

    ময়মনসিংহে মুমূ-র্ষু রোগীকে অধিগ্রহণের চেক দেওয়ায় এডিসির বিরু-দ্ধে অ-পপ্রচার , বইছে স-মালোচনার ঝ-ড়

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    এ কে এম বজলুল আউয়াল চান মিয়া। একজন
    স্ট্রোকের রোগী। চলাফেরা করতে পারেনা। স্ত্রী ও ছেলের সহযোগীতায় ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপুরণ চেক পেতে উপস্থিত হন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে। কিন্তু অসুস্থ মানুষ, জেলা প্রশাসনের দুতলায় উঠে চেক গ্রহণ করা তার পক্ষে সম্ভব না হওয়ায় অপেক্ষা করেন জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা কার্যালয়ে। সকলের চেক বিতরণ করে সন্ধ্যা হয়ে যায়। যে কারণে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ক্রমে সন্ধ্যার পরেই নিচে নেমে তার হাতে ভূমি অধিগ্রহণ চেক তুলে দিয়ে মানবিকতার পরিচয় দেন জেলা প্রশাসনের উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা শাখার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আসাদুজ্জামান। তবে তার এই মানবিক কাজটাকেও আপত্তি থাকার পরেও শুনানি ছাড়া চেক প্রদান করা হয়েছে বলে ভিন্ন খাতে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যাচারে লিপ্ত হলো একটা কুচক্রী মহল। অপরদিকে এমন মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করায় বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর মানুষের মাঝে শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা। অনেকেই বলছে সমাজে ভালো কাজেরও মুল্য নাই। একটা রোগীকে মানবিকতা দেখানো যদি অন্যায় হয় তাহলে ভালো কাজ কোনটা এমন প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

    অথচ চেক গ্রহীতা এ কে এম বজলুল আউয়াল চান মিয়ার ছেলে তার ব্যবহৃত ফেইসবুক আইডিতে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন-এল এ শাখার একজন মানবিক এডিসি আসাদুজ্জামান স্যারকে নিয়ে সাংবাদিক যে মিথ্যা বানোয়াট কথা বলেছে, তা ভিত্তিহীন। তিনি জানান- আপত্তি থাকার পরেও শুনানি ছাড়া চেক প্রদান করা হয়েছে তথ্যটি সম্পূর্ন মিথ্যা এবং বানোয়াট। তিনটি শুনানির পর আমার বাবার ক্রয়কৃত দলিল নামজারি খতিয়ান ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ থাকায় এবং ভূমি অধিগ্রহণের প্রত্যেকটি এওয়ার্ড আমার বাবা এ কে এম বজলুল আওয়াল চান মিয়ার দখলিও সম্পত্তির সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় ডিসি অফিসের এল এ শাখা থেকে চেকটি প্রধান করা হয়।

    তিনি আরো জানান-তার বাবা একজন স্ট্রোকের রোগী। বিগত অনেক দিন যাবত সাংবাদিকতার পরিচয় নিয়ে সেই সাংবাদিক তাদের প্রতিপক্ষ মনোয়ারা বেগম ও তার ছেলে এবাদুল ইসলামের পক্ষ নিয়ে তার বাবা ও পরিবারকে বিভিন্নভাবে চাপ প্রদান করে আসছিলেন। তার বাবা এইসবের টেনশনে গত ২২ তারিখ আবার স্ট্রোক করেন। যার কারণে তার বাবার পক্ষ থেকে চেক গ্রহন করতে তিনি ও তার বড় ভাই চেক গ্রহনের জন্য ডিসি অফিসে যান। জমির মালিক ব্যতীত কাউকে চেক দেওয়া হয় না বিধায় তার অসুস্থ বাবাকে নিয়ে চেক গ্রহণের জন্য যেতে হয়। অসুস্থ বাবাকে আবার বাসা থেকে আনতে এর মধ্যে আমাদের অনেক সময় চলে যায়। তিনি হেটে উপরে উঠতে পারেন না বিধায় ডিসি মহোদয় এবং এল এ শাখা বিশেষ বিবেচনায় তার বাবার চেকটি নিচে হস্তান্তর করার ব্যবস্থা করেন। তার অসুস্থ বাবাকে নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে বলেও দাবী করেন
    বজলুল আওয়াল চান মিয়ার পুত্র। সে জানায় আমার বাবার এই জমিতে সত্যতা আছে এটা আমি প্রমাণ করতে পারছি এবং ভবিষ্যতেও পারবো। এই পোস্টে তিনি ভুল তথ্য দিয়ে মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত না করারও অনুরোধ জানিয়ে এল এ শাখার মানবিক এডিসি আসাদুজ্জামান কে নিয়ে মিথ্যাচার ও বানোয়াট সংবাদের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আসাদুজ্জামান, যিনি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগে কর্মরত থেকে ময়মনসিংহ জেলার সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য প্রকল্প পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং তত্ত্বাবধান, স্থানীয় সরকার ও এনজিওগুলোর কার্যক্রম সমন্বয়, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপনে সহায়তা, এবং মানব সম্পদ উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করার দায়িত্ব পালনে সুনাম অর্জন করছেন। জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও মানব সম্পদ বিষয়ক কাজগুলোতেও তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব জেলাবাসীর কাছে প্রশংসার দাবীদার হয়ে উঠেছে।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) এর মূল দায়িত্ব হলো জেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তত্ত্বাবধান, মানব সম্পদ উন্নয়ন, এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যামে তিনি জেলা প্রশাসকের পক্ষে মানব সম্পদ সংক্রান্ত প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক বিষয়গুলো দেখাশোনা করে স্থানীয় পর্যায়ে সরকারের নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করছেন। তার মেধাবী দায়িত্বে
    উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও কর্মসূচির পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, ও তত্ত্বাবধান করা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ, নিয়োগ, বদলি এবং অন্যান্য মানব সম্পদ সংক্রান্ত প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা,বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কার্যক্রম তদারকি এবং প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জিত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা,কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা জেলা পর্যায়ে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা এবং জনগণের সেবা নিশ্চিত করা,:জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং তাদের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করা জেলা প্রশাসকের সহায়তা:জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কাজে সহায়তা করে
    জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

  • বরগুনার তালতলীতে সিজা-রের সময় পেট কে-টে নবজাতকের মৃ-ত্যু, চিকিৎসক গা ঢা-কা

    বরগুনার তালতলীতে সিজা-রের সময় পেট কে-টে নবজাতকের মৃ-ত্যু, চিকিৎসক গা ঢা-কা

    মংচিন থান তালতলী প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলী উপজেলায় এক প্রসূতির
    সিজারিয়ান অপারেশনের সময় পেট কেটে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

    বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টার দিকে উপজেলা শহরের তালতলী ইসলামী হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটেছে‌।

    জানা যায়, উপজেলা সোনাকাটা ইউনিয়নের ছকিনা এলাকার বাসিন্দা মো. হৃদয়ের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা আক্তার প্রসাব ব্যথা নিয়ে গতকাল বুধবার তালতলী ইসলামী হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হন। পরে রাতে সীমা আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশন করেন এ হাসপাতালের ডা. নুসরাত জাহান। অপারেশনের দীর্ঘসময় পর নবজাতককে স্বজনদের কাছে দেওয়া হলে তখন নবজাতকের পেট কাটা দেখতে পান স্বজনরা। কিছুক্ষণ পরে নবজাতকের মৃত্যু হয়। এসময় মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে অস্ত্রোপাচারের চিকিৎসক ডা. নুসরাত জাহান, নার্সসহ ক্লিনিক ছেড়ে চলে যান।

    প্রসূতি সীমা আক্তারের মা রেবা বেগম বলেন, ‘সিজারিয়ান অপারেশনের পর শিশুটির গায়ে কাপড় পেঁচিয়ে আমার হাতে তুলে দেয়। পরে শিশুটির শরীরে রক্ত দেখতে পাই। এসময় গায়ের কাপড় খুললে পেটে ছুরির আঘাত দেখা যায়। বিষয়টি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কাছে জানালে চাইলে ডা. নুসরাত জাহান ও নার্সসহ ক্লিনিক ছেড়ে পালিয়ে যায়।’

    এবিষয়ে ক্লিনিকের মালিক মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘শিশুটি শ্বাসকষ্টের কারণে মারা গেছে। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই।’

    তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মনিরুল ইসলাম বলেন, সিজারিয়ান অপারেশনের ৩ ঘন্টা পর নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তলব করা হয়েছে তাদের লাইসেন্স কমপ্লিট নেই। আমরা প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের সহায়তায় হাসপাতালটি বন্ধ করা সিদ্ধান্ত নিয়েছি’

    তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, ‘এবিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি ।

  • পঞ্চগড়ে সাংবাদিক রুহুল আমীন গাজী স্মরণে দো-য়া ও আ-লোচনা সভা

    পঞ্চগড়ে সাংবাদিক রুহুল আমীন গাজী স্মরণে দো-য়া ও আ-লোচনা সভা

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন- বিএফইউজের প্রয়াত সভাপতি মরহুম সাংবাদিক রুহুল আমীন গাজীর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে পঞ্চগড়ে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড় মিডিয়া হাউজে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পঞ্চগড় সাংবাদিক ইউনিয়ন- পিইউজে।

    বাংলাভিশনের সাংবাদিক মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং রাইজিংবিডির আবু নাঈমের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পঞ্চগড় পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রনিক।

    অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ বেতার ও দেশ রূপান্তরের শহীদুল ইসলাম শহীদ, এখন টিভি ও কালেরকণ্ঠের লুৎফর রহমান, দৈনিক জনবানীর কামরুল ইসলাম কামু। এ সময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তারা সাংবাদিক রুহুল আমীন গাজীর স্মৃতিচারণ করে বলেন, রুহুল আমীন গাজী ছিলেন একজন প্রতীথযশা সাংবাদিক। তিনি সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেও নেতৃত্ব দিয়ে জেল জুলুমেরও শিকার হয়েছেন। তিনি আমৃত্যু অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করেননি। তার আদর্শ পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

    প্রয়াত রুহুল আমিন গাজীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন নয়াদিগন্তের সাংবাদিক মাওলানা শেখ ফরিদ।

  • ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রে-ষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত হলেন কাজী আখতার উল আলম

    ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রে-ষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত হলেন কাজী আখতার উল আলম

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ​পেশাগত দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা এবং নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত হয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম। এই সম্মাননা তাঁর কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

    ​ময়মনসিংহ রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলমের হাতে এই কৃতিত্বের পুরস্কার তুলে দেন রেঞ্জের ডিআইজি আতাউল কিবরিয়া। এসময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা এই সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় জানানো হয় যে, ময়মনসিংহ জেলায় অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁর ভূমিকা ছিল excepcional।

    ​পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কাজী আখতার উল আলম ময়মনসিংহ জেলার আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে বিশেষ নজর দেন। তাঁর তত্ত্বাবধানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালিত হয়েছে, যার ফলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক চোরাচালান এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যকলাপে উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটেছে। তিনি থানায় আগত সাধারণ মানুষের প্রতি পুলিশের আচরণ উন্নত করার ওপরও জোর দেন, যা জনগণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।

    ​এই সম্মাননা প্রাপ্তির পর পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম তাঁর অধীনস্থ সকল পুলিশ সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই অর্জন কেবল আমার একার নয়, এটি ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তাদের কঠোর পরিশ্রম ও আন্তরিকতা ছাড়া এই সাফল্য সম্ভব হতো না। আমরা ভবিষ্যতেও জনগণের সেবায় আরও বেশি নিবেদিত থাকব এবং একটি নিরাপদ ময়মনসিংহ গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাব।

    জেলা পুলিশ সুত্র জানিয়েছে – জেলা পুলিশ সুপার ​কাজী আখতার উল আলমের এই স্বীকৃতি কেবল ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের জন্যই নয়, বরং গোটা পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি অনুপ্রেরণা। এটি প্রমাণ করে যে, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা একজন কর্মকর্তাকে শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। তাঁর এই সাফল্য ভবিষ্যতে অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরও নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

    জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম বলেন, পুরষ্কার ও শ্রেষ্ঠত্বের উপাধি সবসময় দায়িত্ববোধকে বাড়ায় এবং জনসাধারণকে সেবামূলক কর্মকান্ডে আরও উৎসাহ বৃদ্ধি করে। এ পুরষ্কার ময়মনসিংহ জেলার সকল সহকর্মীদের অবদান। আমার এ পুরষ্কার আমি জেলাবাসীকে উৎসর্গ করছি। সকলের সগযোগীতায় জেলাবাসীকে সেবা ও নিরাপত্তা প্রদান করতে চাই।

  • কুমিল্লাতে লাউ চাষে সফল দুই গ্রামের তিন কৃষক

    কুমিল্লাতে লাউ চাষে সফল দুই গ্রামের তিন কৃষক

    তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    বসত বাড়ির সামনে তিন কৃষকের ভিন্ন ভিন্ন তিন খন্ডে বিভক্ত মোট ১ একর জমি, তাও আবার উচুনিচু পরিত্যক্ত জায়গা, এগুলোতে প্রথমবারের মতো হাজারী জাতের উচ্চ ফলনশীল লাউ চাষ করে সফল হয়েছেন ফারুক মিয়া , সাইফুল ইসলাম , দুলাল মিয়া নামে তিন কৃষক।
    প্রান্তিক কৃষকদের সফলতার হাসি যেন তিন পরিবারের মাঝে ছড়িয়েছে। এই সফলতার হাসি যেন দুগ্রামের জনসাধারণের মধ্যে ও ছড়িয়ে পড়ছে এমনটাই কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়।

    কৃষকদের মধ্যে ফারুকের বাড়ি বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের কালিকাপুর দঃ পাড়ায়,পিতা আঃ আজিজ মিয়া, বাকিরা পাশের গ্রাম জঙ্গল বাড়ির পূর্ব পাড়াতে। সাইফুল ইসলাম ও দুলাল মিয়া,
    ৪০শতকে সাইফুল ইসলাম আর বাকি ৪০ শতকে দুলাল মিয়া লাউ চাষ করেন। এবিষয়ে স্থানীয়রা বলেন কালিকাপুরের দক্ষিণ পাড়াতে ২০ শতক জমিতে ফারুক মিয়া লাউ চাষে সফলতা অর্জন করেছে তার সাথে সাথে একই পদ্ধতিতে পাশের গ্রামের সাইফুল, দুলাল মিয়াও একই ভাবে লাউ চাষে সফল হয়েছে।

    লাউ চাষে তাদের মোট খরচ হয়েছে মাত্র ৬০/৭০ হাজার টাকা। প্রথম বিক্রিতে হাতে এসেছে ৬৫ হাজার টাকা। এবিষয়ে কালিকাপুরের দঃপাড়ার কৃষক ফারুক মিয়া জানান

    প্রথম দিনে বিক্রি করেছেন প্রায় ১০ হাজার টাকা।
    তার জমির পরিমান ২০ শতক, তার মোট খরচ ৮/৯ হাজার টাকা।
    আরও ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা বিক্রি করার আশা করছেন তিনি।

    খরচ বাদে তার সম্ভাব্য লাভের পরিমাণ প্রতি শতাংশে প্রায় ২ হাজার টাকা হতে পারে শেষ পর্যন্ত যদি গাছ গুলো বেচে থাকে, লাউ গাছে লস নেই, আগা ডগাও বিক্রি করে আয় করা সম্ভব । কম খরচ ও অল্প সময়ে এমন লাভের হিসাব দেখে লাউ চাষে আগ্রহ বাড়ছে গ্রামের স্থানীয় কৃষকদের।

    ফারুক লাউ চাষের পাশাপাশি লম্বা বেগুন,শশা, চালকুমড়া, জিঙ্গে চাষ করেছেন এবছর। এছাড়া সফল ধান ও বেন্ডি চাষি হিসেবেও কৃষক ময়দানের এলাকায় বেশ সুনাম রয়েছে ফারুক মিয়ার।এছাড়া তার বিশস্ত লোক জাহাঙ্গীরের সুনাম রয়েছে বেগুন চাষের জন্যে।

    এবার মাত্র দুই মাসের মধ্যে লাউ চাষে অভাবনীয় লাভ পেয়ে খুশি হয়েছেন তিনি।

    উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা আফরিন আক্তার বলেন
    বর্তমানে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ কিন্তু নিরাপদ ফসল উৎপাদনে কৃষকরা পিছিয়ে আছে। আমারা কৃষক দের উঠান বৈঠকের মাধ্যমে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করি,কৃষকরা যেন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপদ ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হতে পারে।
    এবিষয়ে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোসাঃ তানজিনা আক্তার জানায়, হাজারী লাউ একটি উচ্চ ফলনশীন লাউ জাত। এ জাতের লাউ রোপণের ৫ থেকে ৭ দিনে চারা হয় এবং ৪২ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফুল ও ফল ধরে। এ ছাড়া ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যেই বাজারজাত করা যায়।

    এ লাউ দেখতে সুন্দর ও তরতাজা, খেতেও সুস্বাদু। এ ছাড়া বাজারে চাহিদা ও ফলন বেশি হওয়ায় এ লাউ চাষে কৃষকের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।গতকাল
    বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক ফারুক মিয়ার বাড়ি সংলগ্ন পূর্ব দিকে সবজি বাগানের মাচায় ঝুলছে লম্বা সবুজ রঙের হাজারী জাতের অসংখ্য লাউ। যেদিকে তাকানো যায় শুধু লাউ আর লাউ। বাগানের এসব ঝুলন্ত সবুজ কচি লাউ দেখলে যে কোনো মানুষের চোখ জুড়িয়ে যায়।

    কৃষক ফারুক আরো বলেন এ সবজি বাগানে জৈব সারের সাথে সামান্য রাসায়নিক সার ব্যবহার করেছেন। অন্যদিকে কীটনাশক ও বালাইনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হয়নি। এজন্য বিষমুক্ত নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব ময়দানের সবজি বাগানের লাউ খেতে যেমন সুস্বাদু, বাজারেও এ সবজির চাহিদা বেশি।

    প্রতিবেশী পল্লী চিকিৎসক শরিফুর রহমান জানান, বাড়ির সামনে আনুমানিক ২০ শতাংশ জায়গা সারাবছর পরিত্যক্ত থাকে কখনো কখনো ফারুক মিয়া কৃষি অফিসারদের পরামর্শ নিয়ে অনেক বার লাউ চাষ করেছে কিন্তু এবার নিজের সিন্ধান্তেই শুরু করে বেশ সফল হয়েছে। এ বিষয়ে ফারুক মিয়া আরো বলেন হাজারী লাউ বীজ সংগ্রহ করে গত শ্রাবণ মাসের প্রথম সপ্তাহে রোপণ করেছিলাম। দুই মাস পরিচর্যা করার পর আমার সবজি বাগানে অসংখ্য লাউ আসে। আজ থেকে সপ্তাহ আগে থেকেই লাউ বাজারজাত করা শুরু করেছি। এ পর্যন্ত আমি প্রায় ১০ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছি।

    ওজন ভেদে প্রতিটি লাউ খুচরা ৫০-৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, এলাকার বাজারের চাহিদা মিটিয়ে কুমিল্লা শহরে যাচ্ছে।

  • ধর্ম-বর্ণ নি-র্বিশেষে বাংলাদেশ সবার ..জামাত নেতা .কাজী দ্বীন মোহাম্মদ

    ধর্ম-বর্ণ নি-র্বিশেষে বাংলাদেশ সবার ..জামাত নেতা .কাজী দ্বীন মোহাম্মদ

    তরিকুল ইসলাম তরুন,
    কুমিল্লা-৬ (সদর-সদর দক্ষিণ) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, কুমিল্লা মহানগরীর আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেছেন,ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশ সবার। মুসলমানদের মতো অন্য ধর্মের ভাইয়েরাও যেন সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে।
    বাংলাদেশের ঐতিহ্য হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। শত শত বছর ধরে ভিন্ন ধর্ম ও ভিন্ন মতাবলম্বীরা এখানে মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার এই চেতনা ধারণ করেই শান্তিপূর্ণ ও উন্নত সমাজ গঠন করতে হবে।তারা আরও বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তরে ধর্মীয় সহনশীলতা,মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার চর্চা বৃদ্ধি করতে হবে।তাহলেই সমৃদ্ধ,শান্তিপূর্ণ ও সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা ২ নং উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়ন আড়াইওরা নমুসতপাড়া আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় ও উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
    মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা মহানগরীর জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক এ. কে. এম. এমদাদুল হক মামুন।সময় আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সবুজ,যুব বিভাগের সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম পাটোয়ারী,জামায়াত নেতা আবুল কাশেষ শামিম।