Category: দেশজুড়ে

  • গোদাগাড়ীতে পদ্মা নদীতে এক ব্যক্তির ভাসামান লা-শ উ-দ্ধার করেছে পুলিশ

    গোদাগাড়ীতে পদ্মা নদীতে এক ব্যক্তির ভাসামান লা-শ উ-দ্ধার করেছে পুলিশ

    গোদাগাড়ী ( রাজশাহী ) উপজেলা সংবাদদাতা : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার হাটপাড়া ডাকবাংলার সামনে পদ্মা নদী থেকে এক ব্যক্তির ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    নিহত ব্যক্তির পরিচয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চর বাগডাঙ্গা এলাকার মৃত ফিরোজ আলীর ছেলে আহাদ আলী কাজল (৩৬) বলে নিশ্চিত করেছে পরিবার। পরিবারের দাবি, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গোদাগাড়ী থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশ উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার ও প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে।
    পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • রাজশাহী ৬ টি আসনে এমপি পদে ভোট যু-দ্ধে ল-ড়বেন যারা

    রাজশাহী ৬ টি আসনে এমপি পদে ভোট যু-দ্ধে ল-ড়বেন যারা

    নিজস্ব প্রতিবেদ, রাজশাহী : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের ৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজন প্রত্যাহার করেছেন। মঙ্গলবার তারা রিটানিং অফিসারের কাছে আবেদন করে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।

    এরা হলেন, রাজশাহী-১ আসনের সুলতানুল ইসমাল তারেক (স্বতন্ত্র), রাজশাহী-২ আসনের ওয়াহেদুজ্জামান (এলডিপি) ও মুহাম্মাদ ফজলুল করিম (ইসলামী আন্দোলন)। ফলে রাজশাহীর ছয়টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯ জন প্রার্থী।

    রাজশাহী-১ আসনে শরীফ উদ্দীন (বিএনপি), মুজিবুর রহমান (জামায়াত), আব্দুর রহমান (এবি পার্টি) ও মির মো. শাহজাহান (গণ অধিকার পরিষদ)।

    রাজশাহী-২ আসনে মিজানুর রহমান মিনু (বিএনপি), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর (জামায়াত), মু. সাঈদ নোমান (এবি পার্টি), মোহাম্মদ সামছুল আলম (নাগরিক ঐক্য), মেজবাউল ইসলাম (লেবার পার্টি), সালেহ আহমেদ (স্বতন্ত্র)।

    রাজশাহী-৩ আসনে শফিকুল হক মিলন (বিএনপি), আবুল কালাম আজাদ (জামায়াত), আফজাল হোসেন (জাতীয় পার্টি), ফজলুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন), সাঈদ পারভেজ (আমজনতা দল)। রাজশাহী-৪ আসনে ডি.এম.ডি জিয়াউর রহমান (বিএনপি), আব্দুল বারী সরদার (জামায়াত), ফজলুল হক (জাতীয় পার্টি), তাজুল ইসলাম খান (ইসলামী আন্দোলন)।

    রাজশাহী-৫ আসনে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (বিএনপি), মনজুর রহমান (জামায়াত), রুহুল আমিন (ইসলামী আন্দোলন), আলতাফ হোসেন মোল্লা (বিএসপি), ইসফা খায়রুল হক (স্বতন্ত্র), রেজাউল করিম (স্বতন্ত্র)।

    এদের মধ্যে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ইসফা খায়রুল হক ও যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের সহসভাপতি রেজাউল করিম বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন।

    রাজশাহী-৬ আসনে আবু সাঈদ চাঁদ (বিএনপি), নাজমুল হক (জামায়াত), ইকবাল হোসেন (জাতীয় পার্টি), আব্দুস সালাম সুরুজ (ইসলামী আন্দোলন)।

    তফসিল অনুযায়ী রাজশাহীর ছয়টি আসনে ৫৮টি মনোনয়ন ফরম গ্রহন করা হয়। তবে দাখিল করেন ৩৮ জন। রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই শেষে ১৯ জনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে আপিল বিভাগ ১৩ জনের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করেন। ফলে প্রার্থী সংখ্যা দাড়াই ৩২ জনে। যাদের মধ্যে তিনজন প্রত্যাহার করায় প্রার্থী রইলেন ২৯ জন।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী,
    রাজশাহী।

  • রাজশাহী-১ আসনে এমপি পদে ল-ড়ছেন ৪ জন

    রাজশাহী-১ আসনে এমপি পদে ল-ড়ছেন ৪ জন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-১ আসনটি জাতীয় সংসদের ৫২ নম্বর আসন। বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতানুল তারেক মনোনায়ন প্রত্যাহারের পর এই আসনে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন। এরা হলেন- গণঅধিকার পরিষদের মির মোঃ শাহজাহান, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মোঃ আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোঃ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মোঃ শরীফ উদ্দীন।
    মেঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী।।

  • ঢাকা জেলা শ্রেষ্ঠ (ওসি) নির্বাচিত হওয়ায় আশুলিয়া থানার ওসি রুবেল হাওলাদারকে অভিনন্দন

    ঢাকা জেলা শ্রেষ্ঠ (ওসি) নির্বাচিত হওয়ায় আশুলিয়া থানার ওসি রুবেল হাওলাদারকে অভিনন্দন

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রুবেল হাওলাদারকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পুলিশ বাহিনীর সদস্যসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্টজনেরা।

    জানা গেছে, শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হওয়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। তারা মনে করেন, দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মাননা পেয়েছেন ওসি রুবেল হাওলাদার।

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন,
    “আমার জানামতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন গর্বিত সদস্য জনাব মোঃ রুবেল হাওলাদার। তিনি একজন নীতিবান ও সাহসী অফিসার ইনচার্জ। মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তিনি কোনো ধরনের আপোষ করেন না। নিজেই মাঠে থেকে অভিযানে নেতৃত্ব দেন, যা একজন আদর্শ পুলিশ কর্মকর্তার দৃষ্টান্ত।” তিনি আরও বলেন, আশুলিয়া থানায় যোগদানের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।

    স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও ওসি রুবেল হাওলাদার তার পেশাদারিত্ব ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মাঝে আস্থার সেতুবন্ধন আরও সুদৃঢ় করবেন।

  • আশুলিয়ার জামগড়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে দোকানপাট ব-ন্ধ রেখে মানববন্ধন অ-নুষ্ঠিত

    আশুলিয়ার জামগড়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে দোকানপাট ব-ন্ধ রেখে মানববন্ধন অ-নুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে অর্ধদিবস দোকানপাট ও ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ রেখে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে।আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তায় হাজার হাজার মানুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেন। কর্মসূচির ফলে ঢাকা-আশুলিয়া বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কে প্রায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন কর্মজীবী মানুষ ও যাত্রীরা।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও আশুলিয়া থানা তাঁতি দলের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব বকুল ভুঁইয়া। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় এলাকাবাসী সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। প্রশাসনের নীরবতা জনগণকে রাজপথে নামতে বাধ্য করেছে।”

    এছাড়াও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আহসানুল্লাহ ভুঁইয়া, ইসমাইল হোসেন মোল্লা, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জামগড়া চৌরাস্তায় জালাল প্লাজার মালিক হাজী সোহরাব হোসেন মীর, বিএনপি নেতা তালুকদার হাজী তোফাজ্জল হোসেনসহ বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

    বক্তারা বলেন, অবিলম্বে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সকলের একটাই দাবি-এলাকার স্থায়ী জলাবদ্ধতা সমস্যার দ্রুত সমাধান।

  • ‎ঝালকাঠিতে নি-খোঁজের ৮ ঘণ্টা পর সুগন্ধা নদীর পাড়ে নারীর ম-রদেহ উ-দ্ধার

    ‎ঝালকাঠিতে নি-খোঁজের ৮ ঘণ্টা পর সুগন্ধা নদীর পাড়ে নারীর ম-রদেহ উ-দ্ধার


    ‎ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ‎ঝালকাঠি পৌরসভার খেয়াঘাট সংলগ্ন নতুন চর এলাকা থেকে নিখোঁজের প্রায় আট ঘণ্টা পর এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম নিলুফা বেগম (৬২)।

    ‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নিলুফা বেগম নতুন চর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। পরে মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে সুগন্ধা নদীর পাড়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

    ‎নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, নিলুফা বেগমের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন খোয়া গেছে। তার স্বর্ণের নাকফুল ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, এতে নাক রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল।

    ‎ঝালকাঠি সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. বেলায়েত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান আছে।

  • পঞ্চগড়ে শিক্ষার্থীশূন্য নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি বরাদ্দ নিয়ে চা-ঞ্চল্য

    পঞ্চগড়ে শিক্ষার্থীশূন্য নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি বরাদ্দ নিয়ে চা-ঞ্চল্য

    মোঃ বাবুল হোসেন . পঞ্চগড়:

    নেই কোনো শিক্ষার্থী, নেই নিয়মিত পাঠদান, নেই শিক্ষকদের চাকরি হারানোর কোনো শঙ্কা তবুও মিলছে সরকারি বরাদ্দ। এমনই বিস্ময়কর অভিযোগ ঘিরে পঞ্চগড়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য।

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের পুকুরীডাঙ্গা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও সরকারি বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়টি ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও স্থানীয়দের দাবি, গত ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে কোনো শিক্ষার্থী নেই।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিষ্ঠার প্রথম দিকে অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যালয়টি কার্যত অচল হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও কাগজে-কলমে প্রতিষ্ঠানটি সচল দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ নেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

    সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য নেই কোনো শ্রেণিকক্ষ। নেই বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর। পুরো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব বলতে শুধু একটি নবনির্মিত গেইট ও একটি জরাজীর্ণ টিনের চালা। নেই বেঞ্চ, নেই ব্ল্যাকবোর্ড, নেই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির কোনো চিহ্ন।

    এ বিষয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষা কার্যক্রম না থাকলেও আসছে সরকারি বরাদ্দ। গত ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে কোনো শিক্ষার্থী নেই। কাগজে-কলমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সচল থাকলেও বাস্তবে অচল তবুও কীভাবে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

    স্থানীয় বাসিন্দা আফজাল হোসেন বলেন, আমার বাসা এখানেই। বিদ্যালয়টি বহুদিন ধরেই বন্ধ। আমরা কখনো দেখিনি এখানে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে বা শিক্ষকদের পাঠদান দিতে।

    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১২০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে এবং নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চলছে।
    যদিও সরজমিনে দেখা বাস্তবতার সঙ্গে তার বক্তব্যের কোনো মিল পাওয়া যায়নি।

    হাফিজাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন বলেন, তারা আমাদের কাছে ঘর বরাদ্দের আবেদন করেছিল, আমরা তা দেইনি। তবে পরিষদের উন্নয়ন তহবিল থেকে একটি গেইট নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
    শিক্ষার্থীশূন্য ও নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার সঠিক জানা নেই।

    শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থীশূন্য প্রতিষ্ঠানে সরকারি অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হলে তা পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের অনিয়ম আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। এলাকাবাসীও বিষয়টি তদন্ত করে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

  • সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার বিশেষ অভি-যানে ৬ জুয়াড়ি আ-টক

    সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার বিশেষ অভি-যানে ৬ জুয়াড়ি আ-টক

    মো: আজিজুল ইসলাম(ইমরান) : সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার পুলিশের অভিযানে ৬ জুয়াড়ি আটক। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত ৩টার সময় আশাশুনির শোভনালী গ্রামের মোঃ আশরাফুল এর চায়ের দোকানের ভিতর জুয়া খেলার সময় ৬ জুয়াড়িকে আটক করেছে আশাশুনি থানা পুলিশ। এসময় টাকা দিয়ে জুয়া খেলা অবস্থায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসর থেকে কয়েকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ৬ আসামীকে আশাশুনি থানা পুলিশ আটক করে।

    আটককৃত আসামীরা হলেন, ১. প্রশান্ত সরকার (৫৬) সে বৈকরঝুটি এলাকার মৃত কৃষ্ণপদ সরকারের ছেলে, ২. মানিক সরকার (৪৬), পিতা-মৃত কোমল কৃষ্ণ সরকার, ৩. আবু হাসান গাজী (৪২), পিতা-ফজর আলী গাজী, ৪. সেলিম রেজা (৩২), পিতা-আঃ গফুর সরদার, সর্ব সাং-বৈকরঝুটি, ৫. মুজিবর সরদার (৫৬), পিতা-মৃত সোহেল উদ্দিন সরদার, ৬. আকবর আলী (৪৭), পিতা-মৃত জামাল উদ্দিন সরদার, উভয় সাং-শোভনালী। জুয়ার আসর থেকে পালিয়ে যায়, মোঃ আশরাফুল (৪০), স্বপন সরকার, ষষ্ঠীরাম সরকার, হাকিম সরদার সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন আসামী। জুয়ার আসর হইতে উদ্ধার ও জব্দকৃত আলামত (ক) ৫২ (বায়ান্ন) পিস বিভিন্ন রংয়ের তাস (খ) বাংলাদেশী সর্বমোট ১,০৬০/-(একহাজার ষাট) টাকা।

    আশাশুনি থানা সূত্রে জানা যায়,এসআই (নিঃ)দীপ্তিষ ঢালীর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁপড়া ব্রীজে অবস্থানকালে আশাশুনি থানাধীন শোভনালী সাকিনস্থ মোঃ আশরাফুল (৪০), পিতা-মৃত সবুর সরদার এর চায়ের দোকানের ভিতর টাকা দিয়ে তাস খেলা চলিতেছে। দ্রুত অভিযানিক টিম সেখানে অভিযান চালায়।পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামীরা জুয়ার আসর হইতে পালানোর চেষ্টাকালে সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় মোঃ আশরাফুল এর দোকানের ভিতর হইতে ৬জন আসামীদেরকে ধৃত করিতে সক্ষম হয়।

    শোভনালী এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘের ব্যাবসায়ী জানান, আমাদের এলাকায় আজিজুল মেম্বররের নেতৃত্বে কয়েকমাস এই জুয়ার আসর চলছে। আমরা এই মেম্বরের শাস্তির দাবি জানায়। এলকার পরিবেশ ও যুবসমাজ রক্ষা করতে জুয়ার আসর বন্ধ করতে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করে এলাকাবাসী।

    এ বিষয়ে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম আহমেদ খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শোভনালী চায়ের দোকান থেকে টাকা দিয়ে জুয়া খেলা অবস্থায় ৬ জুয়াড়িকে আটক করা হয় বাকী আসামী পালিয়ে যায়। মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে। ধৃত আসামী সহ অজ্ঞাত মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা রজু করে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে। যাার সাধারন ডায়রী নং-১০৪৫।

  • উর্বর কৃষি জমির মাটি উত্তোলনের অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জ-রিমানা

    উর্বর কৃষি জমির মাটি উত্তোলনের অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জ-রিমানা

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    উর্বর কৃষি জমি থেকে অবৈধ ভাবে মাটি উত্তোলনের অভিযোগে রংপুরের তারাগঞ্জে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছে মোবাইল কোর্ট। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন।

    এ সময় ব্যক্তিগত মালিকানাধীন কৃষি জমি থেকে মাটি তোলার অপরাধে মোঃ আরিফুজ্জামান (৩৫) নামের ওই ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরা হয়। তার বাড়ি তারাগঞ্জ উপজেলার কিসামত মেনানগর জুম্মাপাড়া গ্রামে।

    বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযুক্ত করে তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয় এবং জরিমানার টাকা আদায় করা হয়।

    মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও একজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোনাববর হোসেন জানান, এ ধরনের অবৈধ মাটি উত্তোলন কৃষি জমির উর্বরতা নষ্ট করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • ইটভাটায় অভি-যানে বা-ধার মুখে প্রশাসন, মা-মলার প্র-স্তুতি

    ইটভাটায় অভি-যানে বা-ধার মুখে প্রশাসন, মা-মলার প্র-স্তুতি

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অবৈধ ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে শ্রমিক ও ভাটা মালিকদের প্রতিরোধের মুখে ফিরে গেছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এ সময় শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন, ফলে এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে দেবীগঞ্জ উপজেলার দন্ডপাল ইউনিয়নের মৌমারী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ একটি দল মৌমারী বাজার ও সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশপাশে অবস্থিত ইটভাটাগুলোতে অভিযান পরিচালনার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের একাধিক ইটভাটা থেকে শ্রমিকরা এসে সড়কের ওপর অবস্থান নেন। এ সময় তারা প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং অভিযান বন্ধের দাবি জানান।

    বিক্ষোভ চলাকালে শ্রমিকদের কারণে প্রশাসনিক যানবাহন আটকে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন। তবে শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি।

    শ্রমিক নেতা রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা আমাদের রুটি-রুজির জন্য লড়ছি। প্রয়োজনে মার খেতেও রাজি আছি। যদি কারাবরণ করতে বলা হয়, আমি স্বেচ্ছায় কারাবরণ করতে প্রস্তুত।

    অভিযানে অংশ নেন পরিবেশ অধিদপ্তর পঞ্চগড় জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ ইউসুফ আলী, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ আসিফ আলী ও মোহাম্মাদ সোহেল রানা এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. ইমাম রাজী টুলু। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, আনসার ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা অভিযানে সহযোগিতা করেন।

    অভিযান প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. ইমাম রাজী টুলু বলেন, আমরা ফিরে যাচ্ছি। তবে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।