Category: দেশজুড়ে

  • মুন্পীগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচন সভাপতি সৌরভ, সম্পাদক রলিন দপ্তর লিটন

    মুন্পীগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচন সভাপতি সৌরভ, সম্পাদক রলিন দপ্তর লিটন

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
    মু্সীগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচন ২০২৫ অনষ্ঠিত হয়েছে | এতে নির্বাচনে সভাপতি দৈনিক কালবেলা প্রত্রিকার মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা প্রতিনিধি আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভ ও সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার মু্ন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি আনিসুর রহমান রলিন নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বলা ৩ টা পর্যন্ত মন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্রাবের মোট ৭ টি পদের ৫ টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয়ী হলেও সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ সম্পাদক পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে| নির্বাচনের হাড্ডাহা্ডি লড়াইয়ে সভাপতি পদে ১৪ টি ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভ, তার প্রতিদ্বন্দ্বি মো. জাহাঙ্গীর আলম ১০ টি ভোট পান| অন্যদিকে সাধারণ
    সম্পাদক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বি আনিসুর রহমান রলিন বিজয়ী হন। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনলাইন প্রস ক্লাবের উপদেষ্টা কে এম সাইফুল্পাহ মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়ন প্রাঙ্গনে এই ফলাফল ঘোষণা করেন| এছাড়াও বিনা প্রতিদ্বন্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন দপ্তর সম্পাদক মো: লিটন মাহমুদ, সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির খান, যুগু সাধারণ সম্পাদক মো: ফয়সাল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ হাসান খান এবং কোষাধক্ষ্য পদে সমান ভোট পাওয়ায় সুমন হেসেন ও দ্বিতীয় বছর সালমান হাসান নির্বাচিত হয়েছেন। ফলাফল ঘোষণার পরে বিজয়ী নবাগত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ। পরে নব-নির্বাচিত বিজয়ী কার্যকরী কমিটি মুন্গীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সাঈদ সোহান সহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

  • পঞ্চগড়ে সুদের ফাঁ-দে পড়ে সর্ব-স্বান্ত গ্রামবাসী, ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে করেন মাম-লা

    পঞ্চগড়ে সুদের ফাঁ-দে পড়ে সর্ব-স্বান্ত গ্রামবাসী, ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে করেন মাম-লা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নে সুদের ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন অনেক সাধারণ মানুষ। স্থানীয় চামেশ্বরী গ্রামের শক্তিপদ রায় নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতি সুদে টাকা ধার দিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া, পরে সেটির অপব্যবহার করে মামলা করা ও জিনিসপত্র জোরপূর্বক আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

    জানা গেছে, শক্তিপদ রায় চামেশ্বরী এলাকার মৃত জতিন্দ্রনাথ রায়ে ছেলে। তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দেবীপুর মোলানী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ২০২৪ সালে চাকরি থেকে অবসরে গেছেন।

    ত্রিশুলিয়া গ্রামের ভ্যানচালক হাফিজুল ইসলাম জানান, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে তিনি শক্তিপদ রায়ের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ধার নেন। শর্ত ছিল প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা সুদ দিতে হবে। এভাবে টানা ১০ মাস তিনি মোট ৫০ হাজার টাকা সুদ পরিশোধ করেন। পরে তিনি সুদ দেওয়া বন্ধ করে শুধু মূল টাকা দিতে চান এবং কিছু সময় চান ফেরতের জন্য।

    হাফিজুল বলেন, আমি বলেছিলাম, আমি আসল টাকা একসাথে দেবো, একটু সময় দেন। কিন্তু ১২ অক্টোবর শক্তিপদ রায় আমার ভ্যান ভাড়া নেয় গ্যাস সিলিন্ডার বাজারে নেওয়ার জন্য। ভ্যান নিয়ে তার বাড়িতে গেলে সে ভ্যান তালা মেরে দেয়। বলে সুদ-আসল সব টাকা একসাথে না দিলে ভ্যান পাবেন না।

    এরপর হাফিজুল ভ্যান ফেরত পেতে স্ত্রীসহ গত ১৩ অক্টোবর বিকেল সাড়ে চারটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত বলরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অনশন করেন। খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও দুই ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় অবশেষে তার ভ্যান উদ্ধার হয়।

    হাফিজুলের মতো একইভাবে প্রতারিত হয়েছেন চামেশ্বরী এলাকার আরও অনেকেই।

    স্থানীয় প্রদীপ চন্দ্র রায় বলেন, এক বছর আগে আমি শক্তিপদ রায়ের কাছ থেকে আমার ভাতিজার জন্য ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। হাজারে ২০০ টাকা হারে মাসে ৬ হাজার টাকা করে সুদ দিতাম। কিছুদিন পরে আমার ভাতিজা আর সুদের টাকা দিতে না পারলে শক্তিপদ রায় ফাঁকা স্ট্যাম্পে নেওয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে কোর্টে পাঁচ লাখ টাকার মামলা করে।

    একই এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, আমি ২০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম, মাসে দুই হাজার করে ৯ মাসে ১৮ হাজার টাকা সুদ দিয়েছি। টাকা দেওয়ার সময় সে জোর করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নেয়। শুধু আমি না, আমাদের গ্রামের ৭০-৮০ জন লোকের কাছ থেকে এভাবে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে।

    স্থানীয় কামরুল হাসান নামের এক ব্যক্তি বলেন, শক্তিপদ রায়ের সুদের টাকা দেওয়ার সময় জোর করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সাক্ষর নেয়। পরে সেই স্ট্যাম্প ব্যবহার করে মামলা বা ভয়ভীতি দেখায়। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

    এবিষয়ে অভিযুক্ত শক্তিপদ রায় বলেন, আমার কাছে হাফিজুল ভ্যান কেনার জন্য ৫০ হাজার টাকা ধার করে নিয়েছে একমাসের জন্য। টাকা দেয়না এজন্য ভ্যান আটকে রেখেছি। আর প্রদিপ স্ট্যাম্পে সাক্ষর দিয়ে এক সপ্তাহের জন্য পাঁচলাখ টাকা নিয়েছে। টাকা দেয়না এজন্য কোর্টে মামলা করেছি। আমি সুদের ব্যবসা করিনা এবং কারো কাছে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সাক্ষর নেই নাই।

    বলরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আইনুল ইসলাম বলেন, হাফিজুলের ভ্যান আটকে রাখার খবর পেয়ে আমরা ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যাই। পরে আলোচনা করে ভ্যানটি তার হাতে তুলে দেই। এলাকার আরও কয়েকজনও শক্তিপদ রায়ের কাছে সুদের ফাঁদে পড়েছেন বলে শুনেছি।

    ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার দিন খবর পেয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। বিষয়টি দেখে মনে হয়েছে হাফিজুলের প্রতি অন্যায় হয়েছে। আমরা ইউপি সদস্যদের সহযোগিতায় তার ভ্যানটি উদ্ধার করে দিই।

    তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সুদের কারবার গ্রামাঞ্চলে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। অনেক দরিদ্র মানুষ কষ্টের টাকায় সুদ দিতে দিতে সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছে।

    আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নাগেশ্বরীতে পশ্চিম সাপখাওয়া প্রাইমারিতে ভোট কেন্দ্র বহাল রাখার দাবিতে অভি-যোগ

    নাগেশ্বরীতে পশ্চিম সাপখাওয়া প্রাইমারিতে ভোট কেন্দ্র বহাল রাখার দাবিতে অভি-যোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র (২৫শতাধিক ভোটার) স্থানান্তর করার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসী। দেশ স্বাধীনতার পর থেকে ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাপখাওয়া, মন্দিসেরখামার, পশ্চিম সাপখাওয়া, সরকারটারী ও মধুরহাল্লা মহল্লার মানুষ অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে তাদের ভোট প্রদান করে আসছিলো।

    কিন্তু হঠাৎ করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ অতি-কৌশলে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসারের যোগসাজসে এবং কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসারের মাধ্যমে পশ্চিম সাপখাওয়া ভোট কেন্দ্র পরিবর্তন করে প্রায় ৩কিলোমিটার দূরে নবাগত এমপিওভুক্ত মধুরহাল্লা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করার পায়তারা চলছে। এরই প্রতিবাদে শনিবার (২৫অক্টোবর) সকালে পশ্চিম সাপখাওয়া বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্র মাঠে এলাকাবাসী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ নিয়ে চলছে এলাকার ভোটারদের মাঝে চরম উত্তেজনা। এলাকার ভোটারের দাবি পূর্বের ন্যায় ভোট কেন্দ্র বহাল রাখার।

    স্থানীয়রা প্রভাষক এস এম হাবিবুর রহমান, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আঃ কাদের, রফিকুল ইসলাম, ইউনুছ আলী, হাবিবুর রহমান সরকার, খায়রুল ইসলাম সরকার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আমরা এই ৫ গ্রামের বাসিন্দারা পশ্চিম সাপখাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ভোট দিয়ে আসছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ অতি-কৌশলে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাচন অফিসারের যোগসাজসে জাল জালিয়াতি করে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাদের ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের পায়তারা করছে। প্রায় ৩কিলোমিটার দূরে মধুরহাল্লা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আমাদের ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ভোট কেন্দ্রটি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতার আওতাধীন এবং ৩কিলোমিটার দূরত্বর কারণে বৃদ্ধ ও মহিলাদের নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়া অসম্ভব। এছাড়াও এই এলাকা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সুপরিচিত। তাই আমাদের দাবি ভোট কেন্দ্রটি পূর্ণবহাল রাখতে হবে। অন্যথায় আমরা এই ৫ গ্রামের মানুষ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবো এবং উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিস ঘেরাও কর্মসূচি গ্রহণ করবো। তারা আরো বলেন, গত ২২অক্টোবর ২০২৫ তারিখে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক লিখিতভাবে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বললেও এখনো পর্যন্ত সুস্থ সমাধান হয়নি।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিব্বির আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে উদ্বোধন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে। এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ বলেন, অভিযোগ হওয়ার পরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ শুনলাম। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • মজিদ মাঝি আর আমাদের মাঝে নে-ই

    মজিদ মাঝি আর আমাদের মাঝে নে-ই

    আব্দুল মজিদ মাঝি তিনি আর আমাদের মাঝে নেই। তিনি আজ বার্ধক্য জনিত কারনে বিকাল ৫টায় বানারীপাড়া হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না……..রাজিউন)। তিনি বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের আলতা গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের মাঝির জেষ্ঠ্য সন্তান। মৃত্যুকালে মরহুমের বয়স হয়েছিল প্রায় ৯০ বছর। তিনি হযরত শাহ সুফি দরবেশ মেছের মাঝির ভাইয়ের ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে, দুই কন্যা সন্তান ও নাতী পুতি সহ অসংখ্য গুনগ্রহী রেখে যান।

    মরহুমের নামাজের জানাযা সকাল ১০ ঘটিকায় বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের আলতা গ্রামে অবস্থিত হযরত শাহ সুফি দরবেশ মেছের মাজি ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হইবে। জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক করবস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হইবে।

  • উজিরপুরে জাকের পার্টির র‍্যালি ও জ-নসভা অনুষ্ঠিত

    উজিরপুরে জাকের পার্টির র‍্যালি ও জ-নসভা অনুষ্ঠিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি:

    শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহ্বানে দেশব্যাপী জাকের পার্টির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বরিশালের উজিরপুরে এক র‍্যালি ও জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল ৪ টায় উজিরপুর পৌরসভার ঢাকা – বরিশাল মহাসড়কের  ইচলাদি বাসস্ট্যান্ডে জাকের পার্টির সকল সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে বক্তব্য রাখেন জাকের পার্টির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব পীরজাদা খাজা মোস্তফা আমীর ফয়ছাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বরিশাল জেলা সভাপতি আলহাজ্ব মিজানুর রহমান বাচ্চু।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন জাকের পার্টি উজিরপুর উপজেলা (সাংগঠনিক-পশ্চিম) সভাপতি রাশেদ আলম সিদ্দিক।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা সহ-সভাপতি স্বপন মাহমুদ, যুব স্বেচ্ছাসেবক ফ্রন্ট বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি নাজমুল হক মুন্না, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুস ইব্রাহিম মৃধা, এবং উজিরপুর উপজেলা (সাংগঠনিক-পূর্ব) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান আকন প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, “রাজনীতির নামে বিশৃঙ্খলা নয়, নৈতিকতা, শান্তি ও মানবতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই জাকের পার্টির মূল লক্ষ্য।

    তারা সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান এবং দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    উল্লেখ্য, ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ৪১ দিনব্যাপী দেশের সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে জাকের পার্টির সাংগঠনিক জনসভা কর্মসূচি চলমান থাকবে।

  • বামুন্দী জান্নাতুলবাকী কেন্দ্রীয় ক-বরস্থানের গাছ ক-র্তনের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    বামুন্দী জান্নাতুলবাকী কেন্দ্রীয় ক-বরস্থানের গাছ ক-র্তনের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন।।
    সুজানগর, পাবনা প্রতিনিধি ঃ

    পাবনার সুজানগর উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের বামুন্দী জান্নাতুলবাকী কেন্দ্রীয় কবরস্থানের গাছ কর্তনের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ২ টায় কবরস্থানের সামনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে মো: মাসুম বিল্লাহ, সাবেক সহ পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ জানান এখন যেখানে উপস্থিত হয়েছি সেটা হচ্ছে “বামুন্দী জান্নাতুলবাকী কেন্দ্রীয় গোরস্থান”। কবরস্থানের গাছ কেটে বিক্রি নিয়ে স্থানীয় কতিপয় কয়েকজন ব্যক্তি সম্প্রতি সাংবাদিক ভাইদের নিকট যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সঠিক নয়। প্রায় ১০০ বছর আগে বামুন্দী গ্রামের উদ্দ্যোগে বামুন্দীর নামে প্রায় ১০ বিঘা জমির উপর এই কবরস্থানটি করা হয়। রাইশিমুল, পাইকপাড়া, বগাজানি ও বামুন্দী গ্রাম গুলো নিচু হওয়ায় বর্ষাকালে বন্যার পানিতে কবর দেওয়ার মত অবস্থায় ছিলো না।যার ফলে কবরটা বড়জোরপুকুরিয়া মৌজার তেবিলা মোল্লাপাড়া ও চরজোরপুকুরিয়া গ্রামের পাশেই একটা উচু সুবিধাজনক জায়গায় করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চরজোরপুকুরিয়া গ্রামের কতিপয় অসাধু ব্যক্তি কবরস্থানের ভিতর থেকে বাশ ও গাছ কেটে বিক্রি করে টাকা আত্বসাৎ করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ইং তারিখে চরজোরপুকুরিয়া গ্রামের নাসিম ও আলেপ নামের ২জন অসাধু ব্যক্তি কবরস্থানের তালা কেটে ১২ থেকে ১৫ টি ইউক্লেকটার ও মেহগনি গাছে কেটে বিক্রি করেছে। এই ঘটনায় থানায় আমি মাসুম বিল্লাহ নিজে বাদী হয়ে জিডি করেছি, যাহা মামলা প্রক্রিয়াধীন।কারণ জমিটি এখনো আমার দাদীর নামেই আছে। আমরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এটিও জানিয়ে দিতে চাই যে , গোরস্তানের গাছ বিক্রি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি সাংবাদিকদের কাছে যে তথ্য দিয়েছে তা মিথ্যা ও বিভ্রান্তকর। এ কবরস্থানে যে যে গ্রামের মৃত মানুষদের সমাহিত করা হয় সে সকল গ্রামের সর্ব শ্রেণীর মানুষের সাথে আলোচনা করে আমরা একটা সুন্দর কমিটি করবো যেখানে পাইকপাড়া থেকে ১জন , বগাজানি থেকে ১ জন, তেবিলা মোল্লাপাড়া থেকে ২/১ জন ও চরজোরপুকুরিয়া থেকে ২/১ জন নেওয়া হবে। একটা সম্প্রীতি বজায় রাখতে ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ হিসেবে অপরাধী ব্যক্তিদ্বয় যদি আত্বসাৎ এর টাকা কমিটির কাছে ফেরত দিয়ে দিয়ে দেয় তাহলে থানা থেকে অভিযোগটি তুলে নেওয়া হবে। অন্যথায় আইন আইনের গতিতে চলবে। এ সময় কবরস্থানটির সার্বিক উন্নয়নে সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া প্রত্যাশা রাখেন কবরস্থান পরিচালনা ও কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং সকলে মিলেমিশে কবরস্থানটির সার্বিক উন্নয়ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মকবুল হোসেন , আলহাজ্ব শিহাব উদ্দিন মন্ডল , প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা , আসাদুজ্জামান আসাদ মোল্লা , লিয়াকত আলী মন্ডল , পাইকপাড়ার শাজাহান শেখ, বগাজানির আবুল কাশেম , তেবিলা মোল্লাপাড়ার আব্দুল মান্নান , শাজাহান মন্ডল , ইসলামপাড়ার ইসলাম শেখ , বামুন্দীর শাজাহান প্রামানিক , বামুন্দীর শহিদুল্লাহ বিশ্বাস সহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • বরেন্দ্র অঞ্চলে আমন ধানের বাম্পার ফলন আশা করছেন- কৃষকদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক

    বরেন্দ্র অঞ্চলে আমন ধানের বাম্পার ফলন আশা করছেন- কৃষকদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ মাঠজুড়ে শুধু সবুজ আর সোনালী ধানের ক্ষেত। যে দিকেই দু, চোখ যায় শুধু সবুজের সমারোহ। ফসলের মাঠ যেন সোনালী আর সবুজের চাদরে ঢাকা। মাঠে মাঠে এখন পাঁকা সোনালী আমনের নজরকাড়া দুলনী।
    ধান কেটে লাগানো হবে সরিষা, গম, রাই, ছোলা মুসরী, জব সবজি, খিরাসহ নানা ধরনের শীতকালীন সবজি। অতিবৃষ্টি, বন্যার ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইতোমধ্যে টমেটো, বেগুন, কপির চাষ করেছেন কৃষকগণ।

    মাঠের পর মাঠজুড়ে সোনালী শিষে ভরা ছিল আমন ধানের ক্ষেত। সোনালী ধানের শীষের সাথে দুলেছিল কৃষকের স্বপ্ন। সে স্বপ্ন বাস্তবে রুপ নিয়েছে। খরা বিপর্যয়, বন্যা, অনাবৃষ্টির ধকল কাটিয়ে ঘাম ঝরা ফসল ঘরে তোলার সোনালী স্বপ্ন কৃষকের চোখে মুখে। কোথাও কোথাও দেখা যায় শীতের সোনামাখা রোদ্র গায়ে মেখে আগাম জাতের কাঁটা ও মাড়াইয়ে কৃষকের ব্যস্ততা। পাঁকা ধান মাড়াই করার পর ১২শ থেকে ১৪ শ টাকা মন ধরে জমি থেকে ধান কিনে নিয়ে যাচ্ছে পাইকারগণ। ধানের ভাল দাম পেয়ে কৃষকগণ দারুন খুশি। মাঠ ভরা ধান দেখে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের ভাষ্য এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে।

    কৃষকরা বলছেন, এবার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে ধানের আবাদে অন্যান্য বছরের চেয়ে কম শ্রম দিতে হচ্ছে, বৃষ্টি হওয়ায় সেচ বাবদ খরচ কম হয়েছে। দিনের বেশীর ভাগ সময় কৃষকগণ নজর রাখছেন মাঠের পাঁকা ধানের উপর। সোনালী আর সবুজের সংমিশ্রণে ঘেরা আমন ধানের মাঠ দেখে বারবার ফিরে তাকায় কৃষক, থমকে দাঁড়ায় পথিক। আর কিছু দিনের মধ্যেই সোনালী ধানে ভরবে কৃষকের মন। রাশি রাশি সোনালী ধানে ভরে উঠবে কৃষকের শূন্য কুঠি ও গোলা। পাশাপাশি কৃষকের মুখে ফুটে উঠবে হাসি।

    জানা যায়, এবারে উপজেলার ৯ ইউনিয়নে ২ টি পৌর সভায় ২৪ হাজার ৯৭৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল তার চেয়ে বেশী পরিমান জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে।

    এসব এলাকার মাঠগুলোতে চাষকৃত আমন ধানের মধ্যে গুটি স্বর্ণা, লাল স্বর্ণা, সুমন স্বর্ণা, পাইজাম, জিরাসাইল, ব্রি-২৯ সহ উচ্চ ফলনশীল অনেক জাতের হাইব্রিড ধানেরও চাষ হয়ে থাকে। এর সাথে গত কয়েক বছর থেকে যোগ হয়েছে সু-ঘ্র্যাণের চিনিআতপ ধানের চাষ।

    গোদাগাড়ী উপজেলার আদর্শ কৃষক আলহাজ্ব আব্দুল মাতিন ও আলহাজ্ব শামসুল হক জানান, বোরো মৌসুমে ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় এ বছর বেশি পরিমান জমিতে আমনের চাষ করেছেন। আগাম জাতের পারিজা ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজ শেষ হয়েছে বাস্পার ফলন হয়েছে। ১৩/১৪ টাকা মন ধরে ধান বিক্রি করা হয়েছে। ধান কেটে বেগুন, টমেটো, কপি, মূলা, মরিচ, শাক সবজি রোপন করা হয়েছে।

    গোদাগাড়ী পৌর সভার বর্গাদার কৃষক আতিউর রহমান আতি জানান, প্রাকৃতিক বৃষ্টিতেই এবার ৭ বিঘা জমিতে গুটি স্বর্ণা ধান চাষ করেছি ধানের বাম্পার ফলন আশা করচ্ছি।

    সূত্র মতে, উপজেলায় মোট আবাদ যোগ্য জমি আছে ২৩ হাজার ৯৯৩ হেক্টর, সেচের আওতায় জমি রয়েছে ২২ হাজার ৩৩২ হেক্টর। সেচ বহির্ভূত জমি আছে ১ হাজার ৬৬১ হেক্টর, এক ফসলী জমি রয়েছে ৩৪৪ হেক্টর, দুই ফসলী জমি রয়েছে ৪ হাজার ৫৪০ হেক্টর, তিন ফসলী জমি রয়েছে ১৯ হাজার ১০৯ হেক্টর।
    বিএমডিএ সূত্র জানায়, উপজেলায় গভীর নলকূপ সরকারী ৫৩৬ টি মালিকানা ১৬ টি মোট ৫৫২ টি, অগভীর মটর বিদ্যুৎ চালিত ৪১১ টি, ডিজেল চালিত ৫০ টি এলএলপি (বিদ্যুৎ) ৩ টি, এলএলপি (ডিজেল চালিত) ৩৫০ টি, সরকারী মোট সেচ যন্ত্র ১৩৬৬ টি ও মালিকানা ৮৩০ টি। সব মিলে সেচ যন্ত্র ২১৯৫ টি। উপজেলায় আবাদ যোগ্য জমি আছে ২৩ হাজার ৯৯৩ হেক্টর, সেচের আওতায় ২২ হাজার ৩৩২ হেক্টর।

    উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা অতনু সরকার জানান, বিশেষ করে অধিক ফলেন জন্য পরিমিত সার ব্যবহার, পানি সাশ্রয় এবং সার্বিক পরিচর্যায় কৃষকদের সচেষ্ট হতে আমরা সব সময়ই পরামর্শ দিয়ে আসছি। এবার গোদাগাড়ী উপজেলার কোথাও পোকার আক্রমণ নেই।

    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহম্মেদ বলেন, ২০/২৫ পর ধান কাঁটা শুরু করবেন কৃষকগন বাস্পার ফলন আশা করচ্ছি, ধান কেঁটে ওই জমিতে গম,ভূট্টা, আল, ছোলা, মুসরী সরিষাসহ শাক সবজি রোপন করবেন।
    চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে আমন ধানের আবাদ কৃষকদের আমন চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন সময় কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও সরকারিভাবে প্রণোদণা দেয়া হয়েছে। অল্প খরচে অধিক ফলন যাতে কৃষকরা করতে পারেন এজন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে তারা উদ্বুদ্ধ করেছেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • দু, মাদক কা-রবারিকে ৫০০ গ্রাম হেরো-ইনসহ আট-ক করেছে পুলিশ

    দু, মাদক কা-রবারিকে ৫০০ গ্রাম হেরো-ইনসহ আট-ক করেছে পুলিশ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী ঃ মাদকের নিরাপদ ঘাটি হিসেবে কুখ্যাত রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী ও চাপাই নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী পথগুলি। কোন না কোন ভাবে বিজিপি, পুলিশ, ডিবিপুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রবেশ করে হেরোইন, ফেনসিডিল, মরিফিন, ইয়াবা, ভারতীয় দামী মদ বিনিময়ে ভারতে পাচার পথে যাচ্ছে সোনা, ইলিশ মাছ, তামাসহ নামি-দামি সামগ্রী। ভারত থেকে অবৈধ পথে প্রবেশকৃত মাদক বিষবাষ্পের মত দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে রাজশাহী, বগুড়া, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, চিটাগং, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। ফলে যুবসমাজের অকালে মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে নিজেদের শেষ করে দিচ্ছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যগুলি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থেকে কিছু মাদকের চালান আটক করলেও এর সিংহভাগ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

    গত ২৩ অক্টোবর ২০২৫ খ্রি. সকাল সাড়ে ১১ টায় গোদাগাড়ী থানাধীন কুঠিপাড়া গ্রামস্থ কুঠিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্বে পদ্মা নদীর ধারে মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন-সহ দুই জন মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে।

    ​গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তরা হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানার বকচর গ্রামের মৃত হাববুর রহমানের পুত্র মোঃ গোলাম মোস্তফা (৪৬) এবং একই গ্রামের মৃত নোমান আলী মন্ডলের পুত্র আব্দুর রশিদ (৪০)।

    গোদাগাড়ী মডেল ​থানা সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) এম এ কুদ্দুস ফোর্স-সহ ডাইংপাড়া মোড় ও সংলগ্ন এলাকায় ডিউটিতে নিয়োজিত থাকাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, দুই ব্যক্তি নৌকায় করে হেরোইন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পদ্মা নদীর ধারে অবস্থান করছেন।

    ​এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত মোঃ গোলাম মোস্তফার দেহ তল্লাশি করে তার ডান হাতে থাকা একটি সাদা প্লাস্টিকের বাজার করার ব্যাগের ভিতর ৫টি সাদা স্বচ্ছ পলিথিনের প্যাকেটে রক্ষিত ৫০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। ​এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন সহযোগীর বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

    বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সাংস্থার সদস্য ও এলাকাবাসী জানান, শুধুমাত্র মাদক ব্যবসা করে গোদাগাড়ী পৌরসভার শূন্য থেকে কোটি কোটি টাকার ও শ শ বিঘার জমির মালিক, ঢাকা, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনায় মার্কেট, ফ্লাইটের মালিক এমন লোকের সংখ্যা ৫ শতাধিক। তারা আগে ডিম বিক্রেতা, ভ্যান, রিকশা চালক, কুলিগিরি, পান, সিগারেট, শ্রমিক, সাইকেল মেকার, ঢাকা গাড়ীর হেলপার ছিল। সংগত কারনে তারা এখন সমাজের উপরে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ নির্বাচনে কালো টাকা জড়িয়ে হয়েছেন মেয়র, কাউন্সিলর, উপজেলার চেয়ারম্যান, ইউপির চেয়ারম্যান, মেম্বার, টাকা দিয়ে পদ কিনে হয়েছেন রাজনৈতিক দলের নেতা পাতিনেতা। দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন নামীদামী ব্যান্ডের মোটরসাইকেল, গাড়ী, মাইক্রো।
    সঙ্গত কারণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের ধরাছোঁয়ার বাইরে।

    এদিকে জানা গেছে, মাদক ব্যবসায়ীরা লক্ষ লক্ষ টাকা উৎকোচের বিনিময়ে আওয়ামীলীগের পদ পদবী বাগিয়ে নিয়েছেন, বিভিন্ন সংস্থার তালিকাভুক্ত মাদক সম্রাট, মাদক ব্যবসায়ী যাদের এক এক জনের বিরুদ্ধে ৩/৪ টিও বেশী মাদকের মামলা চলমান রয়েছে অথচ ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা উৎকোচ দিয়ে হয়েছেন প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতা, নির্বাচনে কালো টাকার ছড়াছড়ি করে প্রভাব খাটিয়ে হয়েছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর, মেম্বার, ইউপি চেয়ারম্যান, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, এমপি। তারা নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে মাদক ব্যবসাকে আরও উৎসাহিত করছেন।

    ইউনিয়ন থেকে পৌরসভা, উপজেলা পর্যায়ে সভাপতি, সাধারন সম্পাদক, সাংগাঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদ পেয়েছেন তারা ।
    ওই সব হাইব্রিড, পরগাছা, অনুপ্রবেশকারী নেতারা পদ পেয়ে গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন, মাদক, টেন্ডাররবাজি, চাঁদাবাজি, জমি দখল, খাসপুকুর দখল, সরকারি খাদ্যগুদামে রাতারাতি গম, ধান, চাল অবৈধভাবে প্রবেশ করিয়ে অঙ্গুল ফুলে কলাগাছ, তার পরে বটবৃক্ষ হয়েছেন। তারা এখন দল থেকে বহিস্কার হচ্ছেন। পদ হারিয়েও যেন তারা কোটিপতি, ফুলে ফেঁপে উঠেছে, কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, কউ কেউ রয়েছেন আত্নগোপনে। কিছু অসৎ পুলিশ, ডিবি পুলিশ সদস্য, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকতা, মাদকব্যবসায়ীদের সাথে সুসম্পর্ক রাখার অভিযোগ অনলাইন, স্থানীয়, জাতীয় পত্রিকা, টিভি সংবাদে উঠে এসেছে। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • দলের মধ্যে বি-ভাজন সৃষ্টি করবেন না -মাহমুদ হোসেন

    দলের মধ্যে বি-ভাজন সৃষ্টি করবেন না -মাহমুদ হোসেন

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বা অন্যান্য দলের মধ্যে প্রার্থী বাছাই করছে। আমি জানি এই আসনটি পিরোজপুর দুই আসন কিন্তু অনেকেই আসনটিকে নিয়ে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়। ভান্ডারিয়ার প্রার্থী কাউখালির প্রার্থী স্বরূপকাঠির প্রার্থী, ভান্ডারিয়া কাউখালী সড়ককাঠির প্রার্থী বলে কোন কথা হয় না। এটা পিরোজপুর ২ আসনের প্রার্থী।সুতারং দলের ভেতর বিভাজন সৃষ্টি করবেন না। দলের স্বার্থে সবাইকে এক হতে হবে।

    বিভাজন সৃষ্টি করা ভালো কথা নয়। দলের স্বার্থে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, যার যে অবস্থান থেকে আমরা এই জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরো শক্তিশালী করতে চাই। আমাদের উদ্দেশ্য একটাই এবারের নির্বাচনে তারেক রহমান সাহেবকে ক্ষমতায় নিয়ে আসবো। যদি নিয়ে আসতে পারি তাহলেই এদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।

    তারেক রহমানের ঘোষিত একত্রিশ দফা বাস্তবায়নে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির আয়োজনে উত্তর-পশ্চিম সোহাগ দল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত লিফলেট বিতরণী এক জনসভায় পিরোজপুর ২ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন এই কথা বলেন,

    এসময় তিনি আরো বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তি এবং নব্য যে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে এই দুই সত্যি এক হয়ে এদেশের মানুষের অনেক ক্ষতি করছে বা এখনো করতে চায়। তাই আমাদের সব সময় এক থাকতে হবে। আমারা সকলে মিলে তারেক রহমানকে আগামীতে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে হবে। সমাজের স্বার্থে দেশের স্বার্থে, কোন ব্যক্তির স্বার্থে কথা চিন্তা না করে আমরা সবাই ধানের শীষের পক্ষে থাকবো। এবং তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন করাই আমাদের এখন একটাই কাজ।

    তিনি আরো বলেন, এদেশের যে সরকার ছিল ১৭ বছরে তারালুটপাট করে দেশটাকে শেষ করে দিয়ে গেছে বলতে গেলে এদেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নষ্ট করে দিয়ে গেছেন। এর দায়িত্ব আমরা সবাই তারেক রহমানকে দিতে চাই। তার বাবা যে কাজটি করে যেতে পারেননি। তারই সন্তান তারেক রহমানের মাধ্যমে এ দেশের মানুষ সেটা ফিরে পেতে চায়। বাংলাদেশ হবে একটি সুন্দর দেশ , যে দেশটির স্বপ্ন আমরা সেই পাকিস্তান আমল থেকে দেখে এসেছি। কিন্তু আমাদের সেই স্বপ্ন কখনো বাস্তবায়িত হয়নি। আশা করি ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী দল নিরঙ্কুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসবে ইনশাআল্লাহ।

    এ সময় জনসভায় উপস্থিত সকলের হাতে তারেক জিয়ার ঘোষিত একত্রিশ দফার লিফলেট বিতরণ করা হয়। নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপি ও স্বরূপকাঠি পৌর শাখার নেতা কর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। তবে চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি ছিলো জাতীয়তাবাদী দলের মহিলা নেতৃবৃন্দের।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি ।।

  • জীবনের ঝুঁ-কি নিয়ে জীবিকার লক্ষে মাছ ধরতে পাইকগাছার জেলেদের সমু-দ্রযাত্রা

    জীবনের ঝুঁ-কি নিয়ে জীবিকার লক্ষে মাছ ধরতে পাইকগাছার জেলেদের সমু-দ্রযাত্রা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    জীবনের ঝুঁকি ও ঋণের বোঝা নিয়ে মৎস্য আহরণে সমুদ্রে যাত্রা করছে উপকুলের পাইকগাছার সমুদ্রগামী জেলারা। ইলিশ ধরার জন্য নিষিদ্ধ সময় ২৫ অক্টোবর শেষ হলে সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকি মৌসুম শুরু হবে। সমুদ্রগামী শুটকী পল্লী জেলেরা জীবনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে মৎস্য আহরণ করলেও নানা প্রতিকূলতায় ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে পারেনি। ক্রমবর্ধমান ক্ষতির মুখে পড়ে পুজি, জাল ও নৌকা হারিয়ে অনেকেই পেশা বদলেছেন। আবার অনেকে চড়া হারে মহাজনদের কাছ থেকে টাকা সুধে নিয়ে এ পেশায় টিকে থাকার জন্য কঠোর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
    পাইকগাছা মৎস্য অফিস সুত্রে জানা গেছে, শীত মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য পাইকগাছার জেলে পল্লীগুলো থেকে প্রায় আড়াই শত ট্রালার ও নৌকা নিয়ে ১৯৫০জন জেলে রওনা দিয়েছে। ২২ অক্টোবর বুধবার পাইকগাছা থেকে রওনা দিয়ে সুন্দরবনের দুবলার চরে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে তারা মোংলায় অবস্থান করবে। নিষেধাজ্ঞা সময় শেষ হলে পাস পারমিট নিয়ে সুন্দরবনের দুবলার চরে অস্থায়ী জেলে পল্লী তৈরি করে থাকবে।
    জেলেরা সমুদ্রে মৎস্য আহরণকে ঘিরে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে। ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় জীবনের ঝুকি নিয়ে চলেছে উপকূলের জেলেরা। সাগরে যেতে যে যার মত প্রস্তুত করছেন জাল, দড়ি, নৌকা-ট্রলার। কেউ কেউ গড়ছেন নতুন ট্রলার, আবার কেউ পুরাতন নৌকা মেরামত করে নিয়েছেন। প্রস্তুতি অনুযায়ী অনেকেই আগেভাগে রওনা দিয়েছেন।
    দুবলার চর বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের দক্ষিণে, কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং হিরণ পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি দ্বীপ যা চর নামে হিন্দুধর্মের পূণ্যস্নান, রাসমেলা এবং হরিণের জন্য বহুল পরিচিত। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে এটি একটি বিচ্ছিন্ন চর। এই চরের মোট আয়তন প্রায় ৮১ বর্গমাইল। দুবলার চরে তৈরি হয় জেলে গ্রাম। মাছ ধরার সঙ্গে চলে শুঁটকি শোকানোর কাজ। বর্ষা মৌসুমের ইলিশ শিকারের পর বহু জেলে পাচ মাসের জন্য সুদূর কক্সবাজার, চট্টগ্রামসহ, বাগেরহাট, পিরোজপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা থেকে ডেরা বেঁধে সাময়িক বসতি গড়ে সেখানে। মেহেরআলীর খাল, আলোরকোল, মাঝেরচর, অফিসকেল্লা, নারিকেলবাড়িয়া, মানিকখালী, ছাফরাখালী ও শ্যালারচর ইত্যাদি এলাকায় জেলে পল্লী স্থাপিত হয়। এই পাচ মাস তারা মাছকে শুঁটকি বানাতে ব্যস্ত থাকেন। এখান থেকে শুঁটকি চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জের পাইকারী বাজারে মজুদ ও বিক্রয় করা হয়।
    খুলনা জেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে পলি জমে ভরাট হওয়ায় শুধুমাত্র সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল হওয়ার কারণে ও নানা প্রতিকূলতায় ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে পারেনি জেলে পরিবারগুলো। তফশীলি ব্যাংক থেকে জেলেদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করার কথা থাকলেও বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেওয়ায় তা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হয়।
    পাইকগাছা উপজেলার বোয়ালিয়া জেলে পল্লীর বাসিন্দা শিতেনাথ বিশ্বাস বলেন, প্রতি বছর আমরা মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ করে সমুদ্রে যাই। সরকারিভাবে আমরা তেমন কোন সাহায্য সহযোগীতা পাইনা। সুন্দরবনে জলদস্যু-বনদস্যুর উৎপাত ও মুক্তিপণ আদায়সহ আসাধু বনরক্ষীদের দৌরাত্ম্য কিছুটা বন্ধ হলেও এখনও সীমাহীন সমস্যায় মধ্যে থাকতে হয় আমাদের।
    বোয়ালিয়ার জেলে দিপঙ্কর বিশ্বাস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা প্রতিবছর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র থেকে মাছ ধরে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব দেই সরকারকে। কিন্তু আমরা সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য কোন ঋণ পাই না। জেলেদের সকল সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণসহ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা খুলনা।