Category: দেশজুড়ে

  • আশুলিয়ার জামগড়া-বাগবাড়ি সড়কের বে-হাল দশা, চরম জ-নদুর্ভোগ: সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার হ-স্তক্ষেপ কামনা

    আশুলিয়ার জামগড়া-বাগবাড়ি সড়কের বে-হাল দশা, চরম জ-নদুর্ভোগ: সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার হ-স্তক্ষেপ কামনা

    হেলাল শেখঃ দেশের কোথাও বৃষ্টি নেই, নেই জলাবদ্ধতাও-তবু ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার জামগড়া-বাগবাড়ি সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পোশাক শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা থেকে বাগবাড়ি পর্যন্ত সড়কের দু’পাশের বাড়ির মালিকরা বাসাবাড়ির বাথরুমের নোংরা পানি সরাসরি রাস্তায় ছেড়ে দেওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। পানিতে ডুবে থাকায় রাস্তাটি কোথায় ভাঙা, কোথায় গর্ত-তা বোঝার উপায় নেই।
    এ কারণে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। পথচারী ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সড়কে দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
    উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে জামগড়া চৌরাস্তার পাশে খোলা ড্রেনে একটি মাহিন্দ্র গাড়ি পড়ে এক শিশুসহ তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এরপরও জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা একাধিকবার মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন। এমনকি অর্ধদিবস দোকানপাট বন্ধ রেখেও আন্দোলন করা হয়েছে। তবে তাতেও পরিস্থিতির কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

    এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত এই সমস্যার সমাধানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • ফ্যা-সিস্টের বাস ব-ন্ধে প্রশাসনের ব্য-র্থতার অ-ভিযোগ তুলে ময়মনসিংহে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন

    ফ্যা-সিস্টের বাস ব-ন্ধে প্রশাসনের ব্য-র্থতার অ-ভিযোগ তুলে ময়মনসিংহে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ইউনাইটেড বাসের স্টাফ কর্তৃক একজন জুলাই যোদ্ধাকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফ্যাসিস্ট শক্তির দৌরাত্ম্য এবং তা বন্ধ করণে প্রশাসনের চরম ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি), ময়মনসিংহ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারী) বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে ময়মনসিংহ শহরের কাচারী রোডস্থ এনসিপি জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির নেতারা এমন অভিযোগ করে বলেন, জুলাই যোদ্ধার ওপর প্রকাশ্য লাঞ্ছনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি একটি রাজনৈতিক বার্তা এবং ফ্যাসিবাদী দম্ভের বহিঃপ্রকাশ। তারা দাবি করেন, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবেই এই অবমাননা করা হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ঘটনার পর থেকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর, দৃশ্যমান বা গ্রহণযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই নিষ্ক্রিয়তা প্রশাসনিক অদক্ষতা নয়, বরং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।

    এনসিপি নেতারা আরও বলেন, জনগণের প্রতিবাদ ও দাবির পরও ইউনাইটেড বাসসহ তথাকথিত ফ্যাসিস্টদের বাস চলাচল অব্যাহত রয়েছে, যা প্রশাসনের সদিচ্ছাহীনতার প্রমাণ। তারা অভিযোগ করেন, প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হচ্ছে অথবা নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

    সংবাদ সম্মেলনে গত ১০ অক্টোবরের ঘটনার পর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নেতারা। তারা জানান, কমিটি গঠনের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো সভা অনুষ্ঠিত হয়নি, কোনো সিদ্ধান্ত বা অগ্রগতি নেই। তাদের মতে, কমিটি গঠন ছিল কেবল সময় ক্ষেপণের কৌশল।

    এনসিপির পক্ষ থেকে কয়েকটি দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে ইউনাইটেড বাসসহ সকল ফ্যাসিস্টের বাস চলাচল বন্ধ, প্রশাসনের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তার নিরপেক্ষ ও প্রকাশ্য পর্যালোচনা, গঠিত কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে জনসমক্ষে ব্যাখ্যা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং জুলাই যোদ্ধার মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা।

    সংবাদ সম্মেলনে নেতারা আরও বলেন, এই ইস্যুতে নীরব থাকা মানেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে তারা ধারাবাহিক, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।

    এ সময় মিডিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়ে এনসিপি নেতারা বলেন, প্রশাসনের ব্যর্থতা ও দায়হীনতা জাতির সামনে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি, ময়মনসিংহ জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচন পরিচালনায় কর্মকর্তাদের আ-ত্মবিশ্বাস বাড়াতে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই- ডিসি সাইফুর রহমান

    নির্বাচন পরিচালনায় কর্মকর্তাদের আ-ত্মবিশ্বাস বাড়াতে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই- ডিসি সাইফুর রহমান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেছেন-নিরপেক্ষতা বজায় রেখে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন পরিচালনায় কর্মকর্তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই, কারণ প্রশিক্ষণ তাদের সক্ষমতা, নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে, যা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অপরিহার্য; এটি তাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, প্রযুক্তিগত জ্ঞানার্জন এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে সাহায্য করে, যা একটি শক্তিশালী নির্বাচন ব্যবস্থার ভিত্তি।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ) সকাল ১১টায় জেলার হালুয়াঘাট উপজেলা প্রশাসন মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা-প্রিজাইডিং অফিসার,সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান।

    এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা গেলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব। এ প্রশিক্ষণ বাস্তব দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে এবং নির্বাচন পরিচালনায় তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে বলে মনে করে তিনি প্রশিক্ষণে ভোটগ্রহণের দিন কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, ব্যালট ও ইভিএম পরিচালনা, ভোটারদের সহায়তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং নির্বাচন সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা মেনে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান। একই দিনে তিনি উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে এক মতবিনিময় সভায় বাংলা ও ইংরেজি পঠন দক্ষতা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা যাচাইয়ের প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং শিক্ষক ও অভিভাবকদের আগামী জাতীয় সংসদ ও গণভোটের বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলীনূর খান এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ওবায়দুল্লাহ । এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি জান্নাত, হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেলিমা আক্তার খাতুন, সহকারী পুলিশ সুপার (হালুয়াঘাট সার্কেল)
    সহ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সর্বস্তরের সদস্যবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

    কর্মশালায় অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানান, এ প্রশিক্ষণ বাস্তব দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে এবং নির্বাচন পরিচালনায় তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে।

    জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান ও জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান একই দিনে সন্ধ্যায় জেলা গফরগাঁও উপজেলার পৌর এলাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী পরিবেশ পরিদর্শণ করতে গিয়ে সেখানে সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলে নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোজ খবর নেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, আনসারসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এক বৃহৎ যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে গফরগাঁও রেল স্টেশন প্ল্যাটফর্ম, বুধিয়া মার্কেটের সম্মুখভাগ, জামতলা মোড়সহ আশ পাশের এলাকায় জেলা প্রশাসক সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলেন ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।
    এছাড়াও তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও জেলা পরিষদের সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে মতবিনিময় ও সমন্বয় সভায় অংশগ্রহণ করেন। এসময় তিনি একটি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • ‎ছিন-তাইয়ের অভিযোগ করায় সাংবাদিকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে স-ন্ত্রাসী হা-মলা ও লু-টপাট

    ‎ছিন-তাইয়ের অভিযোগ করায় সাংবাদিকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে স-ন্ত্রাসী হা-মলা ও লু-টপাট

    ‎কেএম সোহেব জুয়েল ঃ
    ‎ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে গৌরনদী প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক সোলায়মান তুহিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    ‎জানা গেছে, বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উত্তর পালরদী এলাকার মো. মিজানুর রহমান (নিজাম)-এর শ্বশুরবাড়িতে দাওয়াত খেতে যান সাংবাদিক সোলায়মান তুহিন ও কসবা এলাকার মো. বাবু মৃধা। দাওয়াত শেষে মোটরসাইকেলে করে ফেরার পথে পৌর এলাকার লাখেরাজকসবা (কাসারু বাড়ি) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে ইমরান মোল্লা (৩৫), পিতা—মৃত আব্দুর রাজ্জাক; কামাল সরদার (৩৫), পিতা—মো. অলিল সরদার এবং রাশেদ (৩৬)-এর নেতৃত্বে অজ্ঞাত আরও ২–৩ জন তাদের গতিরোধ করে। এ সময় হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং তাদের কাছ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

    ‎এ ঘটনায় ওই রাতেই মো. মিজানুর রহমান (নিজাম) বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    ‎থানায় অভিযোগ দেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে পরদিন বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ইমরান মোল্লা, কামাল সরদার ও রাশেদের নেতৃত্বে অজ্ঞাত ১০–১৫ জন সন্ত্রাসী মদিনা স্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত সাংবাদিক সোলায়মান তুহিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলাকারীরা দোকানের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে নগদ ২৫৭৬৫ টাকা লুট করে নেয়। এতে প্রায় আরও ১০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

    ‎ঘটনার পরপরই থানা পুলিশকে মুঠোফোনে জানানো হলে এসআই মিটুলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

    ‎হামলার বিষয় মো. ইমরান মোল্লার একাধিক বার ফোন দিলে তিনি রিছিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ‎এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল বলেন,
    ‎“ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেওয়ায় সাংবাদিকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই দুষ্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

    ‎এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির বলেন,
    ‎“ছিনতাই একটি গুরুতর অপরাধ। সেই অপরাধের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ায় একজন সাংবাদিককে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, যা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও উদ্বেগজনক। এটি শুধু একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা নয়, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে ছিনতাই ও হামলার সঙ্গে জড়িত সকল দুষ্কৃতকারীকে গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানাচ্ছি। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সাংবাদিক সমাজ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”

    ‎ঘটনাটি তদন্ত করে দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মহল।

  • তানোরের কলমা ইউপিতে ওয়ার্ড বিএনপির উঠান বৈঠক

    তানোরের কলমা ইউপিতে ওয়ার্ড বিএনপির উঠান বৈঠক

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের ( প্রতিক ধানের শীষ) বিজয় নিশ্চিত করতে রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ইউপির লিজানী বাজারে উঠান বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারী) ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ওয়ার্ড সভাপতি সাইফুল ইসলামের ও সম্পাদক মেসের আলীর সঞ্চালনায় আয়োজিত উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার,কলমা ইউপি বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান,সম্পাদক মানিরুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রায়হানুল হক রায়হান,জেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন,এমদাদুল হক এমদাদ, ছাত্রদল নেতা রঞ্জু আহম্মেদ, রুবেল হোসেন, হেলাল পারভেজ, জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক রাসেল আহমেদ, বিএনপি নেতা জামাল, আমিনুল, আতাউর রহমান ও শিহাব আলীপ্রমুখ।এছাড়াও ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপস্থিত নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ বলেন, তারা ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।তারা বলেন, এটা বিএনপি তথা তারেক জিয়ার নির্বাচন, তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে ধানের শীষের বিজয় ব্যতিত কোনো বিকল্প নাই। কারণ এখানে শরিফ সাহেব পরাজিত হলে কেউ বলবে না শরিফ উদ্দিন পরাজিত হয়েছে,সবাই বলবে ধানের শীষ,বিএনপি তথা তারেক জিয়ার পরাজয় হয়েছে,আবার বিজয়ী হলে কেউ বলবে না শরিফ সাহেব বিজয়ী হয়েছেন,সবাই বলবে ধানের শীষ তথা তারেক জিয়ার বিজয় হয়েছে। কারণ এটা কোনো প্রার্থীর ব্যক্তিগত ভোট নয়,এটা দলীয় ভোট। তারা আরো বলেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, তাই দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে তারা কখানো কোনো অবস্থাতেই কাজ করতে পারেন না।#

  • সভাপতি রানা সম্পাদক মিলন পীরগঞ্জে সুজনের কমিটি গঠন

    সভাপতি রানা সম্পাদক মিলন পীরগঞ্জে সুজনের কমিটি গঠন

    পীরগঞ্জ(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি
    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিক এর কমিটি গঠন করা হয়েছে।
    বুধবার সন্ধ্যায় পীরগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাকক্ষে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও যায়যায়দিন প্রতিনিধি নসরতে খোদা রানা কে সভাপতি ও শিক্ষক মোকাদ্দেস হায়াত মিলন কে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
    সুজনের ঠাকুরগাঁও জেলা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন সুজনের ঠাকুরগাঁও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নজমুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফাতেমা তু ছোগড়া, জেলা কো-অডিনেটর হাসান বাপ্পী, প্রেসক্লাব সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, শিক্ষক মোকাদ্দেস হায়াত মিলন, নাট্যকার গৌতম দাস বাবলু, সাংস্কৃতিক কর্মি জিয়াউল্লাহ রিমু, প্রথম আলো সাংবাদিক আমিনুর রহমান হৃদয়, উদীচী সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ সিহাব, কম্পিউটার ব্যবসায়ী নুরুন নবী রানা, ক্রীড়া সংগঠক আতিকুর রহমান লিমন, ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন লিটন, ওধুষ ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান, স্বেচ্ছাসেবী কর্মি তাবসসুম শিমু, গণমাধ্যম কর্মি বাদল হোসেন, মনসুর আহম্মেদ, লাতিফুর রহমান, সাইদুর রহমান মানিক, মামুনুর রশীদ মিন্টু, মুজিবুর রহমান, ফাইদুল ইসলাম প্রমূখ।

  • নির্বাচনে দুই জেলায় ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ১০ অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন

    নির্বাচনে দুই জেলায় ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ১০ অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার ১০টি উপজেলায় ১৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিতে এসব এলাকায় ১০টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে ব্যাটালিয়ন সদরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিফুল আলম।প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে বিজিবি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। সীমান্তবর্তী একটিসহ অন্যান্য উপজেলায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব ও আনসারের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে বিজিবি। আগামী ২৯ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচনী দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি মোতায়েনের পর দুই জেলার গুরুত্বপূর্ণ ৫৫টি স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হবে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানান তিনি।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, তফসিল ঘোষণার পর গত ১১ ডিসেম্বর থেকেই নির্বাচনী এলাকার অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য রেকি সম্পন্ন করেছে ৫৮ বিজিবি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং জনসচেতনতামূলক সভার মাধ্যমে ভোটারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার কাজও চলমান রয়েছে।ব্রিফিংয়ে বিজিবির আভিযানিক সাফল্যের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, ২০২৫ সালে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের চোরাচালান বিরোধী অভিযানে ৪১ জন আসামিসহ প্রায় ৩৮ কোটি ২৭ লাখ টাকার চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্বর্ণ, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি রয়েছে।

    এছাড়া একই বছরে মাদক বিরোধী অভিযানে ৯ কোটি ৬২ লাখ টাকার বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং ২৮ জনকে আটক করা হয়েছে।প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, যশোর রিজিয়নের অধীন ৭টি ব্যাটালিয়ন ১৮ জেলার ১০৮ উপজেলায় ৯৩টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে প্রায় ১৮৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করবে। সারা দেশে নির্বাচন উপলক্ষ্যে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন চলাকালীন যাতে কোনো দুষ্কৃতকারী দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে লক্ষ্যে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন মহেশপুর ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার ও সহকারী পরিচালক ইমদাদুর রহমান।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নড়াইলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামকে দল থেকে ব-হিষ্কার

    নড়াইলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামকে দল থেকে ব-হিষ্কার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য নড়াইল জেলা বিএনপির সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
    উল্লেখ্য, নড়াইল-২ আসনে গত (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর ঠিক ২০ দিন পর (২৪ ডিসেম্বর) মো. মনিরুল ইসলামের জায়গায় ড.ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে চুড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়।
    এদিকে দলীয় মনোনয় হারিয়ে নড়াইল-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন মনিরুল ইসলাম। পরে নির্ধারিত দিনে যাচাই-বাছাই শেষে নড়াইলের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কলস প্রতিক বরাদ্দ পান তিনি।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • আশুলিয়ার জামগড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ভা-ঙচুর করছে শতাধিক মু-খোশধারী স-ন্ত্রাসীরা

    আশুলিয়ার জামগড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ভা-ঙচুর করছে শতাধিক মু-খোশধারী স-ন্ত্রাসীরা

    হেলাল শেখ: ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামগড়া গফুর মন্ডল রোড (উত্তর পাড়ায়) শতাধিক মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ভাঙচুরসহ লুটপাটের ঘটনা ঘটিছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    গত বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সকালে ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার জামগড়া সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ময়লার গাড়ির মালিক বাচ্চু মিয়া ও আলমগীর হোসেনের মধ্যে ২২ হাজার টাকা লেনদেন ও চাঁদাবাজি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পূর্ব শত্রুতায় প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে ভাড়াটে গুন্ডা বাহিনী শতাধিক কিশোর গ্যাং ও মুখোশধারী সন্ত্রাসী দিয়ে পরিকল্পিতভাবে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এ ঘটনার পর বিএনপি নেতা হাজী খন্দকার তোফাজ্জল হোসেন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করলে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও তদন্ত শুরু করেন। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) শাহজালাল বলেন,“হামলার সত্যতা পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ বা মামলা করলে দোষীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।”

    হামলার শিকার ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ দেলোয়ার হোসেন (দুলাল ভান্ডারী) জানান,“আমার কারো সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই। আমি খন্দকার সুপার মার্কেটে ব্যবসা করি। বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেন ও ফারুক গংদের সঙ্গে আলমগীর হোসেন গংদের কী নিয়ে বিরোধ, তাও আমি জানি না। অথচ তাদের লোকজন শতাধিক মুখোশধারী সন্ত্রাসী আমার দোকানে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর লুটপাট করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই এবং প্রয়োজনে মামলা করবো।”

    অন্যদিকে আলমগীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন,
    “আমার ওপরও হামলা করেছে, মাথায় আঘাত পেয়েছি। চিকিৎসা শেষে আমি ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।”

    ময়লা ব্যবসায়ী মোঃ বাচ্চু মিয়া বলেন,“এলাকায় চাঁদাবাজদের চাপে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ারা অতিষ্ঠ। আগে ময়লার বিল রুমপ্রতি ২০-৩০ টাকা নেওয়া হতো, এখন ১০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। প্রতিটি ময়লার গাড়ি থেকে ১০ হাজার, ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা দাবি করা হয়, চাঁদা দিয়েই ময়লা অপসারণ করতে হয়। বর্তমানে ২২ হাজার টাকা নিয়ে আলমগীর হোসেন ও তার লোকজনের সঙ্গে বিরোধ চলছে। আমি ৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করেছি এবং ন্যায়বিচার চাই।”

    বিএনপি নেতা হাজী খন্দকার তোফাজ্জল হোসেন বলেন,
    “আওয়ামী লীগের সময় আলমগীর হোসেন তার লোকজন ময়লা ও গ্যাস ব্যবসা দখলে রেখেছিলো। এখন আওয়ামী লীগ নেই, তবুও তারা দখলদারিত্ব বজায় রাখতে মানুষের ওপর নির্যাতন করছে, দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাঙচুর করছে। আমি এর সঠিক বিচার দাবি করছি।”

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজরা আগে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় অপরাধ করতো, বর্তমানে বিএনপির স্থানীয় কিছু নেতার আশ্রয়ে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী ও মুখোশধারী বাহিনী লালনপালন করে। এলাকায় কোনো তুচ্ছ ঘটনায় যেকোনো পক্ষ নিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের উপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এটা নতুন কিছু নয়। এর কারণে আশুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। এতে এলাকাবাসী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

    উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানা পুলিশসহ সেনাবাহিনী, ডিবি পুলিশ ও র‍্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার, এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।

  • মা-দক সেবনকারীরাই অ-পরাধের মূল উৎস নে-শার টাকা জোগাড়ে চু-রি, ছি-নতাই ও খু-ন

    মা-দক সেবনকারীরাই অ-পরাধের মূল উৎস নে-শার টাকা জোগাড়ে চু-রি, ছি-নতাই ও খু-ন

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, উত্তরা ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং ও মাদকসংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদকাসক্তরা মাদকের নেশার টাকা জোগাড় করতে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি এমনকি খুনসহ নানারকম অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এতে করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।
    সচেতন মহলের মতে, মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অপরাধচক্রগুলোর কারণেই এসব এলাকায় অপরাধ প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    এ বিষয়ে আইটিভি বাংলার স্টাফ রিপোর্টার ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন,“মাদকের মরণ নেশা ধীরে ধীরে যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা, মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবনে নারী-পুরুষের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের (হিজরা) ব্যক্তিদেরও জড়িয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে।”
    তিনি আরও বলেন, মাদক বিক্রি ও সেবন বন্ধে আইটিভি বাংলা সচেতনতা মূলক একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। পথশিশু ও কিশোর-কিশোরীদের অংশগ্রহণে ‘গানের কলি’ শিরোনামে সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে গান ও খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করে তাদের মাদক থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।