Category: দেশজুড়ে

  • মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে সলঙ্গা বি-দ্রোহ দিবস পালিত

    মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে সলঙ্গা বি-দ্রোহ দিবস পালিত

    জি.এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    আজ মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ইতিহাসের অবিস্মরণীয় ঘটনা রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস সলঙ্গায় যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে।মানবিক সংগঠন “প্রিয় সলঙ্গার গল্প”র উদ্যোগে আজ বিকেলে মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুল হল রুমে এ আয়োজন করা হয়।
    ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানার গো-হাটায় সংঘটিত হয় ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নির্মম হতাহতের ঘটনা। ব্রিটিশ শাসন ও তাদের দোসরদের নির্মম গুলিতে সরকারি হিসেবে সাড়ে ৪ হাজার মানুষ হতাহত হয়। সাহসী ও আত্মত্যাগী সাধারণ মানুষ প্রতিরোধে আন্দোলনে নামে।তৎকালীন সলঙ্গার সিংহ পুরুষ মাও: আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে সাহসী ও আত্মত্যাগী সাধারন মানুষ প্রতিরোধে আন্দোলনে নামে।বাংলার গ্রামীণ জনপদের সেই শহীদদের স্মরণে দোয়া করা হয়। এছাড়াও বক্তারা শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য গো-হাটায় স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ,সলঙ্গায় পৌরসভা ও উপজেলার দাবি জানান।কে. এম আমিনুল ইসলাম হেলালের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,চীফ এডমিন শাহ আলম ।সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মান্নান সরকারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,উপদেষ্টা সহকারি অধ্যাপক বেলাল হোসেন,উপদেষ্টা আব্দুস ছালাম মাস্টার,অধ্যক্ষ মোস্তফা জামান,এডমিন হারুনর রশিদ, শাহিদুল ইসলাম, মডারেটর তুষার তালুকদার,নাজমুল হুদা,রাজু আহমেদ ও সুজন হোসেন প্রমুখ।

  • দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দের পর সুজানগরে জামায়াতে ইসলামীর আনন্দ মিছিল

    দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দের পর সুজানগরে জামায়াতে ইসলামীর আনন্দ মিছিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনা-২ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কে.এম হেসাব উদ্দিনকে দঁাড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ায় আনন্দ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী এবং দশ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা জামায়াত ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে সুজানগর পৌর শহরে এ বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জিরো পয়েন্ট মোড় থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ মোড়ের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের দঁাড়িপাল্লা প্রতীক স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। সুজানগর পৌর জামায়াতের আমীর রফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কে.এম হেসাব উদ্দিন। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য দেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পাবনা জেলা শাখার সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, আসন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও সুজানগর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ফারুক-ই আযম, উপজেলা সেক্রেটারী(ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, অর্থ সম্পাদক রাফি আহমেদ ফুল, জেলা জামায়াতের আইন সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল মমিন, সেক্রেটারী মকবুল হোসেন বকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক কেরামত হোসেন, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারী আবুল কালাম আজাদ, জেলা ছাত্রশিবিরের ছাত্র অধিকার সম্পাদক শাহরিয়ার হাসান জিহাদ, সদর পূর্ব সাংগঠনিক থানার সভাপতি আব্দুল মমিন, উপজেলা ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক হাফেজ তামজিদ আহমেদ, পৌর ছাত্রশিবিরের সভাপতি নাসিম উদ্দিন, সেক্রেটারী মিরাজুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ নাফিজ হোসেন প্রমুখ। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী কে এম হেসাব উদ্দিন বলেন, আমরা সবাই মিলে একটি ইনসাফভিত্তিক পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকা গড়ে তুলতে চাই। এ অঞ্চলের প্রতিটি গ্রামকে স্মার্ট ভিলেজে রূপান্তর এবং প্রতিটি জনপদকে সন্ত্রাস ও চঁাদাবাজমুক্ত আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। এ জন্য আমি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি। ইনশাআল্লাহ, আপনাদেরকে সঙ্গে নিয়েই একটি সুন্দর ও স্মার্ট পাবনা-২ অঞ্চল গড়ে তুলবো।এ সময় তিনি আরো বলেন , আগামী ১২ তারিখ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ ন্যায়, ইনসাফ ও সৎ নেতৃত্বের পক্ষে রায় দেবে এবং দঁাড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হবে ইনশআল্লাহ বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • প্রতীক বরাদ্দের পর সুজানগরে বিএনপির আনন্দ মিছিল

    প্রতীক বরাদ্দের পর সুজানগরে বিএনপির আনন্দ মিছিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পাবনা-২ আসনে নির্বাচনি হাওয়া বইতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার প্রতীক বরাদ্দের পর এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব ‘ধানের শীষ’ প্রতীক পাওয়ায় সুজানগরে আনন্দ মিছিল করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে সুজানগর পৌর শহরে এ বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি থানা চত্বর থেকে শুরু হয়ে এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ কওে পৌর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের ধানের শীষ প্রতীক স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। সুজানগর পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আনন্দ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম বিশ্বাস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা, বিএনপি নেতা মিনু মন্ডল,ফজলুর রহমান, হারুন মন্ডল, উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আনিছুর রহমান খোকন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক শফিউল আলম বাবু,সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা পল্টন,সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, পৌর শ্রমিকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মাজেদ,ছাত্রদল নেতা এরশাদ, গাজী মাহারুল ইসলাম, এস এম আফতাব, শেখ রুবেল, আব্দুস সবুর জয় ও সংগ্রাম প্রমুখ। বক্তারা তাদের বলেন“ধানের শীষ কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি এদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। দীর্ঘদিন ধরে এদেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবার ব্যালটের মাধ্যমেই তারা সেই অধিকার পুনরুদ্ধার করবে।তারা আরও বলেন, সেলিম রেজা হাবিব একজন পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব নেতা। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে এই অবহেলিত জনপদ একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করে দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করব।

  • এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে  সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে  সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    ‎কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎২৭ জানুয়ারী ২০২৬ ইং রোজ মঙ্গলবার বিকেল ৫ ঘটিকায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার আয়োজনে ও সভাপতিত্বে আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারী 
    ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়। এসময় আলোচনা সভায় আরও  উপস্থিত ছিলেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আয়শা আক্তার,  অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনামগঞ্জ সঞ্জিত কুমার চন্দ্র, পুলিশ সুপার আবু বসার মোহাম্মদ জাকির হোসেন (পিপিএম),অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ, সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসার শুকুর মাহমুদ মিয়া। এছাড়া আরও   সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ শেরগুল আহমেদ, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভসপতি লতিফুর রহমান রাজু, দৈনিক সুনামগঞ্জ খবর পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক পংকজ কান্তি দে, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি খলিলুর রহমান, এনটিভির জেলা প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন, সাংবাদিক শাহজাহান চৌধুরী, মিজানুর রহমান মিজান, ৭১টিভির প্রতিনিধি  শহিদনুর আহমেদ,সাংবাদিক জাকির হোসেন,হাসান চোধুরী,নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিনিধি তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ,সাংবাদিক বাবুল মিয়া,দৈনিক সকালের সময়ের প্রতিনিধি কেএম শহীদুল ইসলাম,দেশ টিভির প্রতিনিধি শাবাজ মান্না,সাংবাদিক সামিয়ান তাজুল, নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, সুনামকন্ঠের প্রতিনিধি মোহাম্মদ নুর, নাসিম, সাংবাদিক রাজু আহমেদ রমজানসহ সুনামগঞ্জ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার আরও আনেকই উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তারা বলেন আগামী নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ এবং গ্রহন যোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান। তারা সাংবাদিকদের জন্য এবারের নির্বাচনে কিছু নতুন নিয়ম কানুন রয়েছে এবং যারা পেশাগত সাংবাদিক তাদের অনলাইনের মাধ্যমে যাচাই বাছাই করে নির্বাচনের পাস কার্ড দেওয়াসহ সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ কাজ করবে বলে জানানো হয়। এরই লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জ সকল সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ( WFP) প্রকল্পের আওতায় বদলে যাচ্ছে পাইকগাছার গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা

    বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ( WFP) প্রকল্পের আওতায় বদলে যাচ্ছে পাইকগাছার গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।

    খুলনার পাইকগাছায় বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি’র আওতায় বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা। WFP এর কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় এক কোটি ২৪ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে উপজেলার দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা ইউনিয়ন সোলাদার দুই কিলোমিটার ৬৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের গুরুত্বপূর্ণ দুটি রাস্তার উন্নয়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৯৫ ভাগ উন্নয়ন কাজ শেষ করেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। এদুটি রাস্তার উন্নয়ন করার ফলে উপজেলা সদর সহ এলাকার হাটবাজার, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দিরে যাতায়াত এবং নদী পারাপার সহজ হওয়ার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনমান উন্নত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।
    উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন শিবসা নদীর ধারে অবস্থান হওয়ায় প্রতিবছর দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সোলাদানা ইউনিয়ন। আধুনিক জনজীবনে এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে এই ইউনিয়ন টি। এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সবচেয়ে নাজুক। ফলে মানুষের জীবন মানের এখনো তেমন উন্নতি হয়নি। বেশির ভাগ রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী। ফলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হয় এখানকার মানুষের। দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা ইউনিয়ন গুলোর মধ্যে সোলাদানা অন্যতম। বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি (WFP) এর কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায়, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলন কর্তৃক বাস্তবায়ীত ”দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) প্রকল্পের” ইউনিয়নের দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন করা হচ্ছে। যার মধ্যে আমুরকাটা বাজার হতে দীঘা পর্যন্ত দুই কিলোমিটার ৪২০ মিটার দৈর্ঘ্যের মাটির রাস্তা সংস্কার ( বিএফএস)। একাজের চুক্তি মূল্য ধরা হয়েছে ৯৯ লক্ষ্য ৫২ হাজার ৯০৪ টাকা। উন্নয়ন কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাগর এন্টারপ্রাইজ। ইতোমধ্যে ৮৭ ভাগ উন্নয়ন কাজ শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তার উন্নয়ন করার ফলে দীঘা, দক্ষিণ কাইনমূখী, উত্তর কাইনমূখী, পশ্চিম কাইনমূখী ও গোলবুনিয়া সহ ৫ গ্রামের মানুষের উপজেলা সদর, আমুরকাটা বাজার ও চারবান্দা বাজার এবং স্কুল, মসজিদ মন্দিরে যাতায়াত সহজ হবে।
    অনুরূপভাবে ২৪ লাখ ৫৯ হাজার ৭৩৬ টাকা ব্যয়ে সোলাদানা বাজার হতে খেয়াঘাট পর্যন্ত ২৩০ মিটার মাটির রাস্তা উন্নতিকরণ করা হচ্ছে। উন্নয়ন কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরাফ এন্টারপ্রাইজ। এটার প্রায় ৯৫ ভাগ উন্নয়ন কাজ শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইট বসানোর কাজ শেষ হলে রাস্তাটি শতভাগ ব্যবহার করতে পারবেন নদী পারাপারের মানুষ।এর আগে সোলাদানা খেয়াঘাটের এই রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। যার কারণে নদী পারাপারে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ এবং ভোগান্তি হতো। এখন থেকে সোলাদানা, লতা ও দেলুটি সহ ৩ ইউনিয়নের মানুষের নদী পারাপার সহজ হবে বলে জানান সোলাদানা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হক। প্রকল্পের সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ( এলজিইডি)। এদিকে উন্নয়ন কাজের শেষ পর্যায়ের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। তিনি সরকারি কর্মকর্তা ও প্রকল্পের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে ২৬ জানুয়ারি সোমবার দুপুরে দুটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন। এসময় অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব, শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হক, জনস্বাস্থ্যের উপ সহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত পাল, এলজিইডি’র উপ সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের প্রকল্প সমন্বয়কারী-মো: ইমরান হোসেন, জেলা সমন্বয়কারী-স্নিগ্ধা ঘোষ, উপজলা সমন্বয়কারী-আয়ুব আলী, ডিআরআর সমন্বয়কারী-তানভীর আহমেদ, প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, ইউপি সদস্য শেখর চন্দ্র ঢালী, ঠিকাদার জাহাঙ্গীর আলম ও গাজী ফয়সাল রাশেদ সনি।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • মহেশপুরে অ্যাসেট প্রকল্পে বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণে ভর্তি

    মহেশপুরে অ্যাসেট প্রকল্পে বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণে ভর্তি

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-

    দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স আয়ের লক্ষ্য নিয়ে সরকারের অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় ঝিনাইদহ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-তে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) পরিচালিত এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পে কম্পিউটার অপারেশন, ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন ও মেইনটেন্যান্স, ওয়েল্ডিং, টেইলরিং ও ড্রেস মেকিং এবং ড্রাইভিং ট্রেডে তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী বেকার নারী ও পুরুষ, হতদরিদ্র, অনগ্রসর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন। প্রশিক্ষণকালীন মাসিক ভাতা ও যাতায়াত ভাতার সুবিধাও রয়েছে। বিশেষভাবে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণে আগ্রহী মহেশপুর উপজেলার প্রার্থীদের আগামী ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে অফিস চলাকালীন সময়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব খাদিজা আক্তার “মহেশপুর উপজেলা প্রশাসন” নামের ফেসবুক আইডির মাধ্যমে তথ্যটি সর্বসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে সকলের আবেদনের আহ্বান জানিয়েছেন।

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর ঝিনাইদহ।

  • গোদাগাড়ীসহ বরেন্দ্র অঞ্চলে কুমড়োর বড়ি  তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গৃহবধুরা

    গোদাগাড়ীসহ বরেন্দ্র অঞ্চলে কুমড়োর বড়ি তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গৃহবধুরা

    রাজশাহী থেকে মো. হায়দার আলী : প্রতি বছরের মতো এবারো রাজশাহীর গোদাগাড়ী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাসহ গোটা উত্তরাঞ্চলজুড়ে মাসকলাই ও কুমড়োর বড়ি তৈরিতে হাজার হাজার বউ, শাশুড়ি, মা-বোনেরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। শীত মৌসুমের শেষ সময়ে মাসকলাইয়ের ডালের আটা ও পাঁকা চাল কুমড়ো মিশিয়ে এ সুস্বাদু বড়ি তৈরি করা হয়। এ অঞ্চলের নারীরা শত শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য কয়েক মাস পূর্ব থেকে চাহিদা মতো চালকুমড়ো পাঁকানোর ব্যবস্থা করে থাকেন। নতুন কলাই জমি থেকে ঘরে, বাজারে আসার সাথে সাথে বড়ি তৈরির ধুম পড়ে যায়। এসব এলাকার ৮০ ভাগ মহিলারা পালা করে বড়ি দেয়ার কাজটি করে থাকেন। পাক পবিত্র অবস্থায় বড়ি দিতে হয়। অপবিত্র অবস্থায় দিলে বড়ির রং হলুদ হয়ে যায় এবং গন্ধ হয়ে যায়, স্বাদ লাগে না।

    বড়ির প্রধান উপাদান ভালো জাতের মাসকলাই সংগ্রহ করে প্রথমে সূর্যের আলোতে শুকিয়ে যাঁতাতে ডালের আকার দেয়া হয় এবং ওই ডালকে পানিতে ৫/৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ভালোভাবে হাত দিয়ে চটের ছালায় ঘুষে ডালের খোসা ছাড়ানো হয়, তারপর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে রোদে শুকোতে হয়। শুকানো ডাল (যাঁতার দ্বারা) আটায় পরিণত করা হয় এবং খুব সকালে পাকা কুমড়োকে দু’ভাগ করে কেটে কুড়ানি দিয়ে চিকন করে নিয়ে কুমড়োর বীচি আলাদা করে নিতে হয়। ওই কলাইয়ের আটা ও কুড়ানো কুমড়ো একটি পাতিলে মিশিয়ে দীর্ঘসময় নাড়াচাড়া করতে হয়। মিশ্রণ ঠিকভাবে হয়েছে কিনা তা দেখার মহিলারা মাঝে মাঝে বড়ির আকৃতি করে পানির পাত্রে ছেড়ে দিলে তা যদি ডুবে যায় তবে আরো ফেনাতে নাড়াচাড়া করতে হয়, আংশিক ভাসলে বড়ি তৈরি উপযোগী হয়েছে বলে তারা মনে করেন। ২/৩ জন মহিলা সুতি মশারী কিংবা প্লাস্টিকের জাল দড়ির খাটের উপর বিছিয়ে দিয়ে এর উপর ওই মিশ্রণ বড়ি আকৃতি করে লাইন করে দেয়া হয়। ৩/৪ দিন ভালো করে রোদে শুকোতে হয়।

    মেঘলা ও ঘন কুয়াশা থাকলে বড়ি গন্ধ ও লাল হয়ে যায়। সেগুলো সহজে সেদ্ধ হয় না। খেতেও ভালো লাগে না। ভালোভাবে শুকিয়ে মুখ আটকানো পাত্রে সংরক্ষণ করলে ১২ থেকে ১৪ মাস পর্যন্ত খাওয়া যায়। অনেক গৃহবধূরা মাসকলাই’র সাথে পিঁয়াজ, পাঁকা লাউ, আলু, পেঁপে, মূলা, কপিসহ নানা পদের সবজি মিশিয়ে বড়ি তৈরি করে থাকেন। বিশেষ করে পিঁয়াজের বড়ি বেশ সুস্বাদু কিন্তু এগুলো বেশিদিন সংরক্ষণ করা যায় না। আগের দিনে প্রায় বাড়ির ছাঁদে, ঘরের টিনের উপর কিংবা চালে পাঁকা কুমড়া দেখা যায় আর জমিতে তো মাসকলাই হতো অনেক বেশি। কিন্তু এখন নদীর ভাঙনে চরে বেশিরভাগ জমি নদী গ্রাস করেছে। পলিমাটির পরিবর্তে হাজার হাজার একর জমিতে শুধু বালি আর বালি পড়ায় কলাইয়ের আবাদ কমে গেছে। আগে যে কলাই বড়ি দেয়ার জন্য বিনামূল্যে পাওয়া যেত সে কলাই এখন ১১২ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বড়ি দেয়ার ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজি। কুমড়ো বিক্রি হচ্ছে ২৫/৩৫ টাকা কেজি এতে ১টি বড় সাইজের কুমড়ো ২শ’ থেকে ৪শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঘরে তৈরি করা ডালের বড়ি রেডিমেট কেনা ডাল দিয়ে বড়ির চেয়ে অনেক বেশি সুস্বাদু। বড়ির উপকরণের মূল্য বেশি হওয়ায় বড়ি তৈরিতে এখন খরচ অনেক বেশি হচ্ছে। অনেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বড়ি তৈরি করে বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করে জীবন-জিবিকা নির্বাহ করে থাকেন, এ বড়ি কেউ কেউ বিদেশে পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে বড়ির উপকরণের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে তারা বড়ি তৈরির আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। বড়ির সাথে ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, বেগুন, হাঁস, মুরগির ডিম বেশ মজাদার খাবার।

    বড়িকে এককভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। বিদেশে বড়ি এখন বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আত্মীয়-স্বজনের নিকট বিদেশে বড়ি পাঠাচ্ছেন এবং বিদেশে পাড়ি দেয়ার সময় তরকারি হিসেবে বড়িকে সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন এমবিবিএস ডাক্তার এ প্রতিবেদককে জানান, বড়ির পুষ্টিগুণ অনেক বেশি, পেটের জন্য বেশ উপকারী, রুচিসম্মতভাবে খাওয়া যায়। দীর্ঘসময় ক্ষুধা নিবারণের কাজ করে থাকে।

    গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিশালবাড়ী মহাল্লার মোসাঃ জোহরুল নেসা বলেন, বড়ি দেয়া খুব ঝামেলার কাজ অনেক কষ্ট হয়। এ বছর প্রচুর বৃষ্টির কারনে এলাকায় চালকুমড়া হয় নি। কালাইয়ের ডাল ১৫৫ টাকা কেজি ও ৩০/৩৫ কেজি কুমড়া কিনে বড়ি দেয়া খুবকষ্টকর তাই একটি কুমড়া কিনেছি ৫৩০ টাকা দিয়ে, জমির কালাই আজ সকালে বড়ি দিয়েছি, বড়ি খুবই ভাল হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নির্বাচনী খর-চ না পেয়ে দায়িত্ব ছাড়লেন বিএনপির নারী নেত্রী সুলতানা রাজিয়া

    নির্বাচনী খর-চ না পেয়ে দায়িত্ব ছাড়লেন বিএনপির নারী নেত্রী সুলতানা রাজিয়া

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, (পিরোজপুর):

    নির্বাচনী খরচ না পাওয়ায় ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন পিরোজপুর জেলা মহিলা দলের সদস্য সুলতানা রাজিয়া।
    তিনি পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৩ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    ফেসবুক স্ট্যাটাসে সুলতানা রাজিয়া লেখেন,
    “জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলাম। সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করেছি, এখন আর ক্ষমতা নেই। কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি। নেছারাবাদ থানার পুলিশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিলে বিএনপি নিধনে মাঠে নেমেছে, আর বিএনপির নেতারা চুপচাপ দেখছেন। এটাই জামায়াতের নীল নকশা।”

    এ বিষয়ে সুলতানা রাজিয়া বলেন,
    “আমি নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করেছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। আমাদের কোনো খরচ দেওয়া হচ্ছে না। তাই অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে স্বেচ্ছায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালাম। তবে যতদিন বেঁচে আছি, বিএনপি করে যাব।”

    এ প্রসঙ্গে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদার বলেন, “সে সৈকত সাহেবের লোক। আমি এতটা পারি না।”

    অন্যদিকে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, “সব ইউনিয়ন থেকে মহিলা নেত্রীদের একটি তালিকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এরপর ন্যূনতম একটি সেন্টারের খরচ দেওয়া হবে। হয়তো কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।”
    এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেছারাবাদে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, পিরোজপুর।

  • নড়াইলে প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্তের শেষ স্মৃতি চিহ্নটুকু হারিয়ে যেতে যেতে বসেছে

    নড়াইলে প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্তের শেষ স্মৃতি চিহ্নটুকু হারিয়ে যেতে যেতে বসেছে

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্তের শেষ স্মৃতি চিহ্নটুকু হারিয়ে যেতে। যেতে বসেছে। ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্ত ১৯১১ সালের (৬ জুন) তাঁর পিতা সত্যরঞ্জন গুপ্তের কর্মস্থল কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। জন্মস্থান কলকাতায় হলেও তাঁর পৈত্রিক নিবাস নড়াইলের লোহাগড়ার উপজেলার ইত্না গ্রামে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, চরম অবহেলায় নিমজ্জিত প্রখ্যাত এই বাঙ্গালি সাহিত্যিকের পৈত্রিক বাড়িটি এখনও অরক্ষিত। ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্তের শেষ স্মৃতি চিহ্নটুকু হারিয়ে যেতে বসেছে।
    ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয় যে, ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্ত চাকরিজীবী পিতার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান কালেই গাইবান্ধা হাইস্কুলসহ বেশ কয়েকটি স্কুলে তিনি পড়াশুনা করেন। অবশেষে ১৯৩০ সালে তিনি কোন্ন নগর হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। পরবর্তীতে কৃষ্ণনগর কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই তিনি আই. এস. সি পাস করে ডাক্তারি পড়ার জন্যে কারমাইকেল মেডিকেল কলেজে (বর্তমানে আর. জি. কর মেডিকেল কলেজ) ভর্তি হন।
    ডাক্তারী পাস করে বেশ কিছুদিন তিনি চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হন। অতঃপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সামরিক বাহিনীর ডাক্তার হিসেবে যোগ দেন। চাকরি জীবনের বাধ্যবাধকতা তাঁর কাছে বিরক্তিকর মনে হওয়ায় তিনি এ চাকরি ত্যাগ করে কলকাতায় ব্যক্তিগত ভাবে আবার ডাক্তারী শুরু করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কলকাতায় বিশেষ পরিচিত হয়ে ওঠেন।
    নীহাররঞ্জন গুপ্তের সাহিত্যে হাতে খড়ি হয়ে ছিল সুদূর শৈশবেই। ষোল বছর বয়সেই তাঁর প্রথম লেখা উপন্যাস ‘রাজকুমারী’ পত্রিকায় ছাপা হয়। ডাক্তার নীহাররঞ্জন গুপ্ত পেশায় চিকিৎসক হলেও মানব মানবীর হৃদয়ের ঘাত-প্রতিঘাত ও মানবিক দ্বন্ধ-সংঘাতের একজন সুচারু রূপকার ছিলেন। রহস্য উপন্যাস লেখায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। কেবলমাত্র রহস্য উপন্যাস নয়, তাঁর সামাজিক উপন্যাস গুলি সুখপাঠ্য যা-পাঠককুলের হৃদয় আকৃষ্ট করে।
    তাঁর লিখিত উপন্যাসের সংখ্যা দুইশতেরও অধিক। তাঁর প্রকাশিত উপন্যাস গুলির মধ্যে ‘মঙ্গলসূত্র’, ‘উর্বশী সন্ধ্যা’, ‘উল্কা’, ‘বহ্নিশিখা’, ‘অজ্ঞাতবাস’, ‘অমৃত পাত্রখানি’, ‘ইস্কাবনের টেক্কা’, ‘অশান্ত ঘূর্ণি’, ‘মধুমতি থেকে ভাগীরতী’, ‘কোমল গান্ধার’, ‘অহল্যাঘুম’, ‘ঝড়’, ‘সেই মরু প্রান্তে’, ‘অপারেশন’, ‘ধূসর গোধূলী’, ‘উত্তর ফাল্গুনী’, ‘কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী’, ‘কা লোভ্রমর’, ‘ছিন্নপত্র’, ‘কালোহাত’, ‘ঘুম নেই’, ‘পদাবলী কীর্তন’, ‘লালু ভুলু’, ‘কলঙ্ককথা’, ‘হাসপাতাল’, ‘কজললতা’, ‘অস্থি ভাগীরথী তীরে’, ‘কন্যাকুমারী’, ‘সূর্য তপস্যা’, ‘মায়ামৃগ’, ‘ময়ূর মহল’, ‘বাদশা’, ‘রত্রি নিশীথে’, ‘কনকপ্রদীপ’, ‘মেঘকালো’, ‘কাগজের ফুল’, ‘নিরালাপ্রহর’, ‘রাতের গাড়ী’, ‘কন্যাকেশবতী’, ‘নীলতারা’, ‘নূপুর’, ‘নিশিপদ্ম’, ‘মধুমিতা’, ‘মুখোশ’, ‘রাতের রজনী গন্ধা’ ও কিশোর সাহিত্য সমগ্র উল্যেখযোগ্য।
    ডা. নীহার রঞ্জন গুপ্তের লিখিত বহু উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। আমাদের চলচ্চিত্র জগৎকে তিনি সুসমৃদ্ধ করেছে। তাঁর কালজয়ী উপন্যাস ‘লালুভুলু’ পাঁচটি ভাষায় চিত্রায়িত হয়েছে। ১৯৮৩ সালে উপন্যাসটি বাংলাদেশেও চিত্রায়িত হয় এবং দর্শক কুলের প্রশংসা অর্জন করে। নীহার রঞ্জনের অনেক উপন্যাস থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয়েছে। বিশেষ করে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস উল্কা দীর্ঘদিন ধরে থিয়েটারের দর্শকদের আকৃষ্ট করেছে।
    চিকিৎসক হিসেবে অতি কর্ম চঞ্চল জীবনযাপনের মধ্যেও নীহার রঞ্জন রেখে গেছেন অসংখ্য সাহিত্যধর্মী সৃষ্টি,যা আপন সত্তায় ভাস্কর হয়ে থাকবে। নীহার রঞ্জন গুপ্ত ১৯৮৬ সালের ২০ জানুয়ারী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • নেছারাবাদে যৌথ অ-ভিযানে দু-র্ধর্ষ স-ন্ত্রাসী পরিতোষ মিস্ত্রি ওরফে কলিঙ্গ গ্রে-প্তার

    নেছারাবাদে যৌথ অ-ভিযানে দু-র্ধর্ষ স-ন্ত্রাসী পরিতোষ মিস্ত্রি ওরফে কলিঙ্গ গ্রে-প্তার

    প্রতিনিধি নেছারাবাদ,পিরোজপুর।

    নেছারাবাদে গতকাল ২৬ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নেছারাবাদ আর্মি ক্যাম্পের অফিসার আল আরাফ এর নেতৃত্বে পুলিশের সহায়তায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী পরিতোষ মিস্ত্রি (৬৩) কে পূর্ব জলাবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    নির্ভযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী পরিতোষ মিস্ত্রির অবস্থান নিশ্চিত করে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, তার কাছে প্রাণঘাতী অস্ত্র—রিভলভার, শটগান ও গোলাবারুদ থাকার তথ্য ছিল। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করাই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য। পূর্বে সে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এক পুলিশ সদস্যকে গুরুতর আহত করার ঘটনাতেও জড়িত ছিল বলে জানা যায়।
    জিজ্ঞাসাবাদে পরিতোষ মিস্ত্রি ক্যাম্প কমান্ডারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে এবং অস্ত্রধারী অন্যান্য অপরাধীদের নাম নিজ মুখে প্রকাশ করে।

    পরবর্তীতে তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করে সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
    প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে,

    নেছারাবাদ সেনা ক্যাম্প অফিসার জানান, শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্তে ভবিষ্যতে আরও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

    আনোয়ার হোসেন ।।