Category: জাতীয়

  • পাহাড়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সুসম বন্টন নিশ্চিত করবো পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

    পাহাড়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সুসম বন্টন নিশ্চিত করবো পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

    (রিপন ওঝা,খাগড়াছড়ি)

    খাগড়াছড়ি সদরে মারমা উন্নয়ন সংসদ সদর শাখা কর্তৃক ৩ফেব্রুয়ারি রাতে হলরুমে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    উক্ত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা চিংলামং চৌধুরী ও সাংবাদিক চিংমেপ্রু মারমার সঞ্চালনায় পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
    তিনি বক্তব্য বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, পাহাড়ি-বাংগালি ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত নিরসন এবং পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও বদান্যতার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে ০২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। তখন থেকেই পার্বত্যঞ্চলের মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া শুরু করেছে। তিনি বলেন, পাহাড়িদের সম্প্রীতির বন্ধনে সকলে মিলে পাহাড়ে শান্তিপূণ সহাবস্থান ও সুসম বন্টন নিশ্চিত কাজ করবো।

    পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এসময় আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাকালে পার্বত্য অঞ্চলে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল, কলেজ, মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও অসংখ্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। যে সমস্ত কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়েছে তা দ্রুত সমাপ্ত করা হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সোনার বাংলা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আগে আরো সরকার এলো-গেলো, কিন্তু পার্বত্য অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সংঘাত বন্ধ তো করেইনি বরং পাহাড়ি জনমনে আতঙ্ক ও অশান্তি সৃষ্টির পায়তারা চালিয়েছিল তারা। বিএনপি-জামাত পাহাড়ের দীর্ঘ দুই দশকের সমস্যা ও ভাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধ করার কোন উদ্যোগই নেয়নি, বরং তা দীর্ঘ সময় জিইয়ে রেখেছিল। আওয়ামীলীগ সরকার দেশের মানুষের কথা ভাবে, দেশের শান্তির কথা ভাবে বলেই পার্বত্য অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সংঘাত বহুলাংশে বন্ধ করতে পেরেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের মনে শান্তি সম্প্রীতি ও উন্নয়নের যে স্রোতধারা বহমান রয়েছে তা আগামিতেও অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করাসহ আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিনত করার লক্ষ্য নিয়ে সকলকে দেশের উন্নয়ন কাজ করার আহ্বান জানান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা,এমপি।

    অনুষ্ঠানে মারমা উন্নয়ন সংসদের পক্ষ থেকে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি ও সহধর্মিণী মিসেস মল্লিকা ত্রিপুরা শিক্ষিকাসহ আমন্ত্রিত অতিথি সকলকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং উত্তরীয় পড়িয়ে দেয়া হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে মারমা উন্নয়ন সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মংপ্রু চৌধুরীর সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুই প্রু চৌধুরী অপু।

    এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন মং সার্কেলের রাজা সাচিংপ্রু চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো চেয়ারম্যান চাইথোঅং মারমা, জেলা পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য মংক্যচিং চৌধুরী, মাউস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ম্র্যাগ্য চৌধুরী প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্প্রীতি ও সৌহার্দের বন্ধনে নিবেদিত শিক্ষিকা মিসেস মল্লিকা ত্রিপুরা, মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাঁশরী মারমাসহ তৃণমূল পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও প্রতিটি উপজেলা হতে আগত সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন প্যাগোডা বা বিহারের সভাপতি বা প্রতিনিধিগণ।

  • বিশ্ব রেকর্ড পঞ্চম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-রাষ্ট্রপতি’সহ সবাইকে অভিনন্দন

    বিশ্ব রেকর্ড পঞ্চম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-রাষ্ট্রপতি’সহ সবাইকে অভিনন্দন

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব সাহাবুদ্দিন মহোদয়। এরপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ৫ম বারের মতো সংসদীয় আসন-২১৭ গোপালগঞ্জ-৩ কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসন থেকে নৌকা মার্কায় বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, এরপর মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মহোদয় শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসে নয় বিশ্ব নেতাদের মধ্যে প্রভাবশালী সাহসী প্রধানমন্ত্রী ৫ম বারের মতো দায়িত্ব নেয়ায় বিশ্ব রেকর্ড করলেন শেখ হাসিনা।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য কন্যা মাটি ও মানুষের নেতা ৫ম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে বিশ্ব নেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ৫ম বারের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-বাকিটা ইতিহাস। সেই সাথে পাবনাবাসীর গর্ব দেশের সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম বিশ্ব নেতা শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এবার মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিষয়ঃ
    পাবনার ইতিহাস ও স্মরণকালের একটি নাম মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মহোদয়। উত্তরবঙ্গের জেলা পাবনাবাসী প্রথমবারের মতো দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে পেয়েছেন জনাব সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয়কে। তিনি দলমত নির্বিশেষে জনসাধারণের প্রিয় মানুষ এখন রাষ্ট্রের অভিভাবক, সর্বোচ্চ ব্যক্তি। নিজ জেলায় গৌরবময় এমন প্রাপ্তিতে সম্মানিত হয়েছেন পাবনাবাসী। কেউ ভাবতেও পারেননি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতি হবেন, আল্লাহ চাইলে সবকিছুই সম্ভব। তাই আল্লাহর রহমতে আমরা পেয়েছি মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মহোদয়কে তাই এই ২০২৪ ইং সালে নতুন সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন।
    মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিজ জেলায় গত (৩ মে ২০২৩ইং) পাবনা সফর সূচী প্রকাশ করা হয়। রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার মোঃ নবীরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে এই তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি ১৫ মে, ২০২৩ইং বেলা ১১টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকার তেজগাঁও হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারযোগে পাবনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। দুপুর ১টার দিকে তিনি পাবনা সার্কিট হাউসে উপস্থিত হয়ে সোয়া ১টায় গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। দুপুর ১টা ২০ মিনিটে পাবনা জেলা পরিষদ বঙ্গবন্ধু চত্বরের নামফলক উদ্বোধন করে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। দুপুর ১টা ৩০মিনিটে পাবনার সবচেয়ে বড় পাবনা আরিফপুর কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে রাষ্ট্রপতির বাবা মায়ের আত্মার মাগফিরাতের জন্য কবর জিয়ারত করে দোয়া করেন। বিকেল ৪টায় পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বঙ্গবন্ধু কর্ণার এবং বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন করেন, শেষে জেলার আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
    এরপর গত (১৬ই মে ২০২৩ইং) সকাল ১০টায় পাবনার সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয় নাগরিক গণসংবর্ধনা গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও কোনো কারণে সময় পরিবর্তন করে বিকেলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি। এরপর ১৭মে বুধবার পাবনা ডায়াবেটিক সমিতির অফিস পরিদর্শন করার পর বিকেল ৫টায় বীর মুক্তযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বিনোদন পার্ক পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি। বৃহস্পতিবার (১৮ মে ২০২৩ইং) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনা থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয়। রাজশাহী বিভাগের বৃহত্তর পাবনা জেলার কৃতি সন্তান-পাবনাবাসীর গর্ব-বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয় বাংলাদেশের ২২তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, প্রায় এক বছর হতে যাচ্ছে, তাঁর সাহসী ভুমিকা ও সততার উপহার হিসেবে গৌরবময় এমন প্রাপ্তিতে পাবনাবাসী গর্বিত-বাকিটা ইতিহাস। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয় পাবনায় আগমন করছিলেন। বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির নাগরিক হিসেবে তিনি তাঁর সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতা দিয়ে দেশকে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, সেই সাথে পাবনা জেলা সংযুক্ত করে ২য় পদ্মা সেতু মানিকগঞ্জের আরিচা-পাবনার কাজিরহাট ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ত্রিমুখী ২য় পদ্মা সেতু একমাত্র চাওয়া ও প্রত্যাশা পাবনাবাসীর নিজ এলাকার রাষ্ট্রপতির কাছে।
    পাবনার দলীয় নেতৃবৃন্দ অনেকেই বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয়কে নতুন করে কিছু বলার নাই, তিনি আসলেই একজন ভালো মানুষ। সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয় বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন গত (২৪ এপ্রিল ২০২৩ইং) তারিখ সকাল ১১টায় বঙ্গভবনে। এই নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’সহ এমপি মন্ত্রীগণ ও বিভিন্ন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাগণ। সে সময় জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সাহাবুদ্দিন মহোদয়কে রাষ্ট্রপতির পদে শপথ পাঠ করিয়েছেন। বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রীপরিষদ সদস্যসহ কয়েকশত বিশিষ্ট অতিথি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন। এরপর নতুন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয়কে শপথ নথিতে স্বাক্ষর করেন। নতুন রাষ্ট্রপতির সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন জানান, শপথ গ্রহণের পরপরই নতুন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ার বদল করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মাঠপর্যায়ে রাজনীতিবিদ মোঃ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ২১তম রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এর স্থলাভিযিক্ত হলেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে ৪১ দিনসহ টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ১০ বছর ৪১দিন অতিবাহিত করার পরে অবসরে গেলেন তিনি। নতুন রাষ্ট্রপতি’র স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা ও ছেলে আরশাদ আদনান রনিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
    প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, সংসদ সদস্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, কূটনীতিক, সম্পাদকসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও উপর পদস্থ বেসামরিক এবং সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ করেন। এর আগে ৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ছাত্ররাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধা. আইন পেশা, বিচারকের দায়িত্ব, রাষ্ট্রীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনের পর কর্মদক্ষতায় বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হয়েছেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু মহোদয়। উল্লেখ্য, ১৯৪৯ সালে পাবনা শহরের জুবিলি ট্যাস্কপাড়ায় (শিবরামপুর) জন্মগ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। শহরের পুরাতন গান্ধী বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত, পড়ে রাধানগর মজুমদার একাডেমিতে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৬৬ সালে এসএসসি পাশের পর পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে ভর্তি হন, এরপর শুরু করেন রাজনীতি। এরপর এডওয়ার্ড কলেজ থেকে ১৯৬৮ সালে এইচএসসি ও ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ (অনুষ্ঠিত ১৯৭২ সালে বিএসসি পাস করেন তিনি)। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ সালে স্নাতকোত্তর এবং পাবনা শহীদ এ্যাডভোকেট আমিনুদ্দিন আইন কলেজ থেকে ১৯৭৫ সালে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। কলেজ জীবনে প্রবেশের আগেই ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে পাবনায় সাক্ষাৎ করেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর প্রতিবাদী ছিলেন তিনি, এরপর এডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, অবিভুক্ত পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি থেকে ছয় বছর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই সাহাবুদ্দিন চুপ্পু সাহেব বর্তমানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মহোদয়সহ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭ই জানুয়ারি ২০২৪ সালে বিজয়ী সকল সংসদ সদস্য-এমপি, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন। সেই সাথে সবার প্রতি দোয়া ও শুভকামনা রইলো।

  • ছোট বোন রেহানা আমার পাশে না থাকলে আমি এত কাজ করতে পারতাম না- টুঙ্গিপাড়ার প্রধানমন্ত্রী

    ছোট বোন রেহানা আমার পাশে না থাকলে আমি এত কাজ করতে পারতাম না- টুঙ্গিপাড়ার প্রধানমন্ত্রী

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।

    মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে প্রাণ খুলে কাজ করে যাচ্ছি, আর এগুলো সম্ভব হয়েছে আমার ছোট বোন শেখ রেহানার জন্য। রেহানা আমার পাশে না থাকলে আমি এতো কাজ করতে পারতাম না। গতকাল শনিবার ৩০ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সরকারি শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
    তিনি বলেন, ‘৭৫-এর পরে আমি যখন দেশে আসি তখন শুধু শেখ রাসেল আর কামাল, জামালকে খুঁজতে ছিলাম। তখন ও আমাকে স্বৈরাচারী বিএনপি বিভিন্ন কাজে বাঁধা দেয়। তবে সেদিন আমি আমার ভাইদেরকে না পেলেও এয়ারপোর্টে হাজার হাজার মানুষ আমার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলো। সেদিন থেকেই দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমাকে হত্যার জন্যে বিএনপি-জামায়াতের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন হামলায় আমার এই জনগণ মানবঢাল হয়েছিলো আর আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে আছি। স্বাধীনতা বিরোধী সেই অপশক্তি আজও মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। আগুন সন্ত্রাসী করাই হচ্ছে বিএনপি-জামায়াতের কাজ। লন্ডনে বসে তারেক জিয়া হুকুম দেয় আর তার কথা শুনে একদল বিপথগামী লোক এ্যাম্বুলেন্স, হাসপাতালে হামলা সহ পুলিশ সদস্যও পিটিয়ে মেরেছে। ভবিষ্যতে যদি আবারও এমন কোনো কাজ করে তাহলে ঐ তারেক জিয়াকে ধরে এনে আইনের আওতায় আনবো।

    এসময় নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে তিনি বলেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে একদল বিপথগামী লোক ও বিদেশী চক্র নাশকতা করছে। সুতরাং সকলে মিলে আগামী ৭ জানুয়ারি পুনরায় নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে দিয়ে জয়যুক্ত করবেন এই আশা ব্যক্ত করছি। আমি অনেক ভাগ্যবান যে আপনাদের মত জনগণ পেয়েছি।

    এদিন নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে টুঙ্গিপাড়ার শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ মাঠে ভাষণ শেষে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং একই দিনে মাদারীপুরের কালকিনিতে আয়োজিত জনসভায় অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার।

  • আপনারা নৌকায় ভোট দিলেই উন্নয়ন হয় -প্রধানমন্ত্রী

    আপনারা নৌকায় ভোট দিলেই উন্নয়ন হয় -প্রধানমন্ত্রী

    মোঃ মিজানুর রহমান,কাল‌কি‌নি প্র‌তি‌নি‌ধি/
    মাদারীপুরের কাল‌কি‌নি‌তে নির্বাচনী জনসভা প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা ব‌লেন নৌকায় ভোট দি‌লে বাংলা‌দেশ হ‌বে স্মাট বাংলা‌দেশ।
    এসময় মাদারীপুর সংসদীয় আসন-১,২ ও ৩ প্রার্থী প‌ক্ষে নৌক‌ায় ভোট চাই‌লেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    শ‌নিবার বিকা‌লে কাল‌কি‌নি সৈয়দ আবুল হো‌সেন ক‌লেজ মা‌ঠে নির্বাচনী জনসভায় উপ‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সহসভাপ‌তি আবুল কালাম আজা‌দের সভাপ‌তি‌ত্বে বক্তব‌্য রা‌খেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রে‌সি‌ডিয়াম সদস‌্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান এমপি মাদারীপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য নুরে আলম চৌধুরী লিটন মাদারীপুরও ৩ আসনের সংসদ সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এমপি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাদারীপুর ৩ আসনের সাবেক এমপি কৃষিবিদ বাহাউদ্দিন নাসিম আমাদের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্য আনোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য শাহাবুদ্দিন ফকির ও কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজুল আলম মিধা পৌর-‌মেয়র এস.এম.হা‌নিফ কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক লোকমান সরদার কালকিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান হাওলাদার কালকিনি উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চায়না খানম ও আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠন সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ প্রমুখ।

  • নড়াইলের দু’টি আসনে মাশরাফী, নিলু, মুক্তি সহ নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ৩২ জন

    নড়াইলের দু’টি আসনে মাশরাফী, নিলু, মুক্তি সহ নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ৩২ জন

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে //
    নড়াইলের দু’টি আসনে মাশরাফী, নিলু, মুক্তি সহ নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ৩২ জন।
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল ১ ও ২ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা পেতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মাশরাফিসহ মোট ৩২ জন প্রার্থী। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সন্ধা ৬টা পর্যন্ত দু’টি আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে নড়াইল ১ আসনে ১১ জন এবং নড়াইল ২ আসনে রয়েছেন ২১ জন।
    নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    নড়াইল-২ আসনে (নড়াইল সদর ও লোহাগড়া) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ২১ জন হলেন- আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাশরাফী বিন মুর্তজা, নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজামউদ্দীন খান নীলু, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এস এম আসিফুর রহমান বাপ্পী, জেলা চেম্বার অব কমার্স সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মো. হাসানুজ্জামান জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ আইয়ুব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল বাশার ডলার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী লে. কমান্ডার (অব.) এ এম আব্দুল্লাহ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মলয় কুমার কুণ্ডু, সাবেক সংসদ সদস্য শরীফ খসরুজ্জামানের মেয়ে শামীমা সুলতানা, সাবেক লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফয়জুল আমী লিটু, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য অ্যাড. মো. তরিকুল ইসলাম, উদ্ভিদবিজ্ঞানী কাজী জাহিদুর রহমান, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও হাইকোর্টের (পিপি) ব্যারিস্টার রেজাউর রহমানের মেয়ে ফারহানা রেজা, লোহাগড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমেরিকা প্রবাসী মো. জসিম উদ্দীন কনক, সাংবাদিক লায়ন নূর ইসলাম, অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমুর ভাই মো. হাবিবুর রহমান (তাপস), শাহাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডআওয়ামী লীগ সাবেক সভাপতি মো. মনির হুসাইন, নজরুল মুন্সি (অবসরপ্রাপ্ত আই জি আর), সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক আওয়ামী লীগ উপ কমিটির সদস্য পলাশ হাজরা, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুন্সী আলাউদ্দিন, ব্যারিস্টার আমিনুর রহমান আলামিন এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. কে এম সালাহউদ্দিন।
    নড়াইল-১ (কালিয়া- নড়াইল) আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ১১ জন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন- পরপর তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য বি এম কবিরুল হক মুক্তি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজামউদ্দীন খান নীলু, যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কাজী সরোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য চৈতী রানী বিশ্বাস, কালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণপদ ঘোষ, নড়াগাতী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হাজী মফিজুর রাহমান, অসিত বরন সাহা, কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী লীগের সহ-সভাপতি লিকু সিকদার, ব্যারিস্টার আমিনুর রহমান আলামিন, ইমদাদ মিনা ও শ্যামল দাস টিটু।
    মনোনয়ন প্রত্যাশী একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী তারা। তবে দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষেই তারা কাজ করে নড়াইলের দু’টি আসন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিবেন। আওয়ামী লীগ সরকার গঠনে নিজেদের আত্মনিয়োগ করবেন বলে মত প্রকাশ করেন নেতারা।

    এছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে নড়াইল-২ আসনে নড়াইল জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এডভোকেট ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, নড়াইল ১ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এদিকে নড়াইল ২ আসন থেকে শরীক জোট ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

  • বরিশাল-৫ আসনে নানকের নামে আ.লীগের মনোনয়ন ফরম ক্রয়

    বরিশাল-৫ আসনে নানকের নামে আ.লীগের মনোনয়ন ফরম ক্রয়

    নিজস্ব প্রতিবেদক।। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের পক্ষে বরিশাল-৫ (সদর) আসনে দলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে। সোমবার (২০ নভেম্বর) তার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় বরিশালে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

    এতদিন বরিশাল বিভাগে মর্যাদার আসন হিসেবে পরিচিত সদর আসনটিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লড়াইয়ে মূল আলোচনায় ছিলেন বর্তমান সংসদ সদস্য পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম,সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেসা আফরোজ ও সদ্য বিদায়ী সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    বরিশাল বিভাগে মনোনয়ন ফরম বিক্রির সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার বলেন, ‘গত তিন দিনে বিভাগের ২১ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে ২৪১ জন নেতা ফরম সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে সোমবার বরিশাল-৫ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন অ্যাড. জাহাঙ্গীর কবির নানক।’

    জানাযায় সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের পৈতৃক নিবাস বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল গ্রামে। বরিশাল নগরীর বটতলা-সংলগ্ন ক্ষিরোদ মুখার্জি লেনের বাড়িতে তার বেড়ে ওঠা। তিনি আশির দশকে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ ছাত্র সংসদের জি এস ছিলেন। একই সময়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দায়িত্ব নিয়ে বরিশাল ত্যাগ করেন তিনি। এরপর তিনি বরিশালের স্থানীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হননি। জেলার কোনো আসন থেকে কখনও মনোনয়ন চাননি। এর আগে নির্বাচন করেছেন ঢাকা-১৩ আসনে। ওই আসনের এমপিও ছিলেন তিনি।

    অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক সাংবাদিকদের জানান, তিনি ফরমটি সংগ্রহ করেননি, তাই তিনি জানেনও না। ধারণা করছেন, হয়তো তার কোনো শুভাকাঙ্ক্ষী ফরম কিনছেন।

  • বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধানের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন

    বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধানের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন

    বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান, বিবিপি, বিইউপি, এনএসডব্লিউসি, এফএডব্লিউসি, পিএসসি যুক্তরাষ্ট্র হতে সরকারি সফর শেষে ১৯ নভেম্বর ২০২৩, রবিবার দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন।

    বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সেস-এর কমান্ডার জেনারেল কেনেথ এস. উইল্সবাখ এর আমন্ত্রণে গত ১৩-১৬ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের হিকাম এয়ারফোর্স বেস-এ অনুষ্ঠিত প্যাসিফিক এয়ার চীফ্স সিম্পোজিয়াম ২০২৩ এ যোগদান করেন। বিমান বাহিনী প্রধান উক্ত সিম্পোজিয়ামে বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং সম্মানিত প্যানেল মেম্বার হিসেবে হিউম্যানিট্যারিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যান্ড ডিজাস্টার রিলিফ (এইচএডিআর) এর উপর বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি অংশগ্রহণকারী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিমান বাহিনী প্রধানগণের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করেন। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ১২ নভেম্বর ২০২৩, রবিবার ঢাকা ত্যাগ করেন। সম্মানিত বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী তাহমিদা হান্নান এবং একজন সফরসঙ্গী উক্ত সফরে গমন করেন।

  • আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনলেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা

    আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনলেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

    আজ শনিবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ফরম কেনেন তিনি। এ সময় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে, মনোনয়ন পেতে আগ্রহীরা আজ শনিবার থেকে আগামী মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীদের ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রশাসনিক বিভাগ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট বুথ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ এবং জমা দিতে হবে।

    কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৃতীয় তলায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হবে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচ তলায় সকল বিভাগের মনোনয়ন ফরম জমা নেওয়া হবে।

    আওয়ামী লীগ জানিয়েছে, কোনো প্রকার অতিরিক্ত লোকসমাগম ছাড়া প্রার্থী নিজে অথবা একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে হবে। ফরম সংগ্রহের সময় অবশ্যই প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে এবং ফটোকপির উপর নির্বাচনী এলাকা, মোবাইল নম্বর ও সাংগঠনিক পরিচয় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

    উল্লেখ্য এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম অনলাইনেও পূরণ করে জমা দেওয়া যাবে। সেজন্য ‘Smart Nomination App’ নামে একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে। গুগল প্লে-স্টোর অথবা IOS অ্যাপ-স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। এছাড়া nomination.albd.org ওয়েবসাইট থেকেও অনলাইনে মনোনয়ন ফরম পূরণ করে জমা দেওয়া যাবে। অনলাইনে ফরম পূরণ ও জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই অ্যাপ অথবা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর লগ-ইন করে নিময় অনুযায়ী ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে ৫০ হাজার টাকা পেমেন্ট সম্পন্ন করার পর মনোনয়ন ফরম পূরণ ও জমা দেওয়া যাবে।

  • আগামীকাল মনোনয়নপত্র কিনবেন দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনা

    আগামীকাল মনোনয়নপত্র কিনবেন দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনা

    আগামীকাল শনিবার ১৮ নভেম্বর সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে অবস্থিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে নিজের মনোনয়নপত্র কিনবেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদানের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন।

    আজ শুক্রবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানিয়েছেন, আগামী শনিবার (১৮ নভেম্বর) থেকে মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) দলীয় মনোনয়নের আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে।

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৃতীয় তলায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় সব বিভাগের মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হবে।

  • আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান- জাফরুল্লাহ

    আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান- জাফরুল্লাহ

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান হলেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওস্থ ঢাকা জেলা কার্যালয়ে দলটির জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

    দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শুক্রবার বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভায় অংশ নেন কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও।

    দেশের মানুষ নির্বাচন বানচাল করতে দেবে না উল্লেখ করে এ সময় সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অস্ত্র হাতে নয়, রাতের অন্ধকারে নয়, ভোটের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন হবে বাংলাদেশে। নির্বাচন করতে দেবে না বলে আগেও আগুন দিয়েছে, এখনও দিচ্ছে। আগুন নিয়ে খেলা দেশের মানুষ মেনে নেবে না। দেশের মানুষ নির্বাচন বানচাল করতে দেবে না। নির্বাচন বানচালের নামে যারা আগুন সন্ত্রাস করছে তাদের ক্ষমা নেই।’

    পরবর্তীতে আয়োজিত সভায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ দলটির নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়।