Category: জাতীয়

  • নড়াইলে বেগম খালেদা জিয়ার নামে মানহানির মামলা খারিজ

    নড়াইলে বেগম খালেদা জিয়ার নামে মানহানির মামলা খারিজ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    বিএনপির চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নামে নড়াইলে দায়ের করা মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে নড়াইলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বিএনপির চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন সিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএনপির চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নামে অভিযোগটি দায়ের করেন নড়াইলের কালিয়া উপজেলার যাদবপুর গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে আশিক বিল্লাহ।
    মামলায় অভিযোগ করা হয়, মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা নিয়ে ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর ঢাকায় একটি সভায় বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইল আমলী আদালতে মানহানির অভিযোগ দায়ের করেন।
    আদালত অভিযোগ গ্রহন করে সদর থানার তদন্তের নির্দেশ দেন। থানা অভিযোগ তদন্ত করে ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। যার সিআর নং-২৮/২১। আসামীর বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিয়ে আদালত ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সমন জারি করেন।
    বৃহস্পতিবার মামলার নির্ধারিত দিনে বাদি পক্ষ আদালতে দির্ঘদিন হাজির না হওয়ায় বিচারক মামলাটি খারিজ করে দেন।

  • বিভিষিকাময় ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল ঝিনাইদহে বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার বিএনপি জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী

    বিভিষিকাময় ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল ঝিনাইদহে বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার বিএনপি জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার যুবদল নেতা মিরাজুল ইসলাম মীর্জা ছিলেন এক প্রতিবাদী যুবক। অন্যায় দেখলেই করতেন প্রতিবাদ। সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে চক্ষুশুল হয়ে ওঠে এলাকার আ’লীগের কাছে। সরকার বিরোধী আন্দোলনে থাকতেন সক্রিয় ভাবে সামনের সারিতে। আর এটাই কাল হয় দাড়ায় তার জীবনে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে মীর্জা বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হন। ২০১৫ সালের ১৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের একটি ছাত্রাবাস থেকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই মাসের ২৫ তারিখে মীর্জার গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পন্নাতলা মাঠে। মীর্জার ১০৭ বছর বয়সী পিতা জোনাব আলী তার একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ। ছেলে হারানোর শোক আর কান্নায় কেটে গেছে ৯ বছরেরও বেশি সময়। বয়সের ভারে আর চলাফেরা করতে পারেন না। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতি মাসে পাঠানো অনুদানে তার সংসার চলে না। ফলে স্ত্রী বুলবুলি খাতুন বৃদ্ধ বয়সে পরের বাড়ি কাজ করে সংসার চালান। শুধু যুবদল নেতা মিরাজুল ইসলাম মীর্জাই নয়, তার মতো বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন বিএনপি-জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী। আর চরমপন্থি সংগঠনের ক্যাডার নিহত হয়েছে ১৪ জন। লাশ পাওয়ার পর আজ পর্যন্ত পরিচয় মেলেনি ৮ জনের। কেন্দ্রে পাঠানো বিএনপির খুন গুমের তালিকা সুত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৪০ মাসে জেলায় বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন ৪২ জন। এরমধ্যে বিএনপির ৪ জন, জামায়াত শিবিরের ১৫ জন, সাধারণ ব্যবসায়ী একজন, সন্ত্রাসী ১৪ জন ও অজ্ঞাত রয়েছেন ৮ জন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, ঢাকার শনির আখড়া এলাকার বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম, কালীগঞ্জ উপজেলার নলভাঙ্গা গ্রামের বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম রবি. ঝিনাইদহ শহরের খাজুরা গ্রামের বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফার ছেলে গোলাম আজম পলাশ, একই গ্রামের দুলাল হোসেন, আরাপপুর ক্যাডেট কলেজ পাড়ার ব্যবসায়ী তমুর রহমান তুরান, হরিণাকুন্ডুর রঘুনাথপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ইদ্রিস আলী পান্না, শৈলকুপার শিবির কর্মী ইবি ভার্সিটির ছাত্র সাইফুল ইসলাম মামুন, ঝিনাইদহ শহরের জনপ্রিয় শিবির নেতা ইবনুল পারভেজ, মেধাবী ছাত্র জহুরুল ইসলাম, তারিক হাসান সজিব, কুষ্টিয়ার আনিছুর রহমান, ঝিনাইদহ শহরের শহীদ আল মাহমুদ, কালীগঞ্জের ঈশ^রবা গ্রামের সোহানুর রহমান সোহান, একই উপজেলার বাকুলিয়া গ্রামের শামিম হোসেন, চাপালী গ্রামের আবুজার গিফারী, সদর উপজেলার কালুহাটী গ্রামের হাফেজ জসিম উদ্দীন, সদর উপজেলার অশ^স্থলী গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক ও জামায়াত কর্মী আবু হুরাইরা, কোটচাঁদপুরের বলাবাড়িয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী হাফেজ আবুল কালাম ও একই উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের জামায়াত নেতা এনামুল হক বিশ^াস। বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের অভিযোগ সাংগঠনিক ভাবে দক্ষ ঝিনাইদহের এসব কর্মীদের টার্গেট করে আওয়ামী লীগ পুলিশ দিয়ে একের পর এক হত্যা করে গেছে। আর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল অতি উৎসাহী কতিপয় পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের লোকজনেরা। বিশেষ করে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মদদে টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হন বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা। প্রথমে পুলিশ, ডিবি বা র‌্যাব পরিচয়য়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হতো। কিছুদিন পর ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যেত তাদের। বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আলী আজম মোঃ আবু বকর জানান, ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের আমলে ঝিনাইদহে জামায়াত শিবিরের ১৬ নেতা কর্মীকে খুন করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছে মামলা করার। ইতিমধ্যে আমরা জামায়াত কর্মী আব্দুস সালাম হত্যার ঘটনায় মামলা করেছি। পর্যায়ক্রমে সব খুনের মামলা করা হবে এবং সেই প্রচেষ্টা চলছে। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড এম এ মজিদ বলেন, খুনি হাসিনা সরকারের আমলে ঝিনাইদহে যেসব বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে মামলার পক্রিয়া চলছে। দ্রæতই বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত কুশিলবদের বিরুদ্ধে মামলা করে আইনের আওতায় আনা হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহ-তদের  চিকিৎসা দিবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহ-তদের চিকিৎসা দিবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা দিবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ সম্পর্কিত এক সাংবাদ বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার অফিসিয়াল ভেরিফাইড ফেসবুকে প্রকাশ করে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো।

    সারা দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত (চিকিৎসাধীন) ছাত্রদের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক চিকিৎসা সেবা প্রদান প্রসঙ্গে

    ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২৪ (সোমবার): সারা দেশব্যাপী বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত (চিকিৎসাধীন) ছাত্রদের জরুরী ও উন্নত চিকিৎসা সেবা (প্রয়োজনে সীমিত পরিসরে আর্থিক সহায়তা) প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে জরুরী চিকিৎসা সেবা গ্রহণে আগ্রহী চিকিৎসাধীন আহত ছাত্রদের নিকটস্থ সিএমএইচ এর উল্লেখিত নাম্বারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হলো –

    ঢাকা এরিয়া:
    ০১৭৬৯০৫১৬৫২, ০১৭৬৯০৫১৬৫৩, ০১৭৬৯০৫১৬৫৪, ০১৭৬৯০৫১৬৫৭, ০১৭৬৯০৫১৬৫৮

    বরিশাল এরিয়া:
    ০১৭৬৯০৭২০৭২
    ০১৭৬৯০৭২০৫৮

    সাভার এরিয়া:
    ০১৭৬৯০৯২০৭০
    ০১৭৬৯০৯২০৫৮

    কক্সবাজার এরিয়া:
    ০১৭৬৯১০২০৭০
    ০১৭৬৯১০২০৫৮

    বগুড়া এরিয়া:
    ০১৭৬৯১১২০৭০
    ০১৭৬৯১১২০৫৮

    সিলেট এরিয়া:
    ০১৭৬৯১৭২০৭০
    ০১৭৬৯১৭২০৫৮

    ঘাটাইল এরিয়া:
    ০১৭৬৯১৯২০৭০
    ০১৭৬৯১৯২০৫৮

    চট্টগ্রাম এরিয়া:
    ০১৭৬৯২৪২০৭২
    ০১৭৬৯২৪২০৫৮

    কুমিল্লা এরিয়া:
    ০১৭৬৯৩৩২০৭০
    ০১৭৬৯৩৩২০৫৮

    যশোর এরিয়া:
    ০১৭৬৯৫৫২০৭০
    ০১৭৬৯৫৫২০৫৮

    রংপুর এরিয়া:
    ০১৭৬৯৬৬২০৭০
    ০১৭৬৯৬৬২০৫৮

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্রদের অতি দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে। পাশাপাশি দেশব্যাপী আহত চিকিৎসাধীন ছাত্রদের প্রয়োজনীয় জরুরী চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তিতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদানে সদা তৎপর আছে ।

  • “সেনাগৌরব পদক” পেলেন আলোচিত ক্যাপ্টেন আশিক

    “সেনাগৌরব পদক” পেলেন আলোচিত ক্যাপ্টেন আশিক

    পেশাদারিত্ব এবং ধৈর্যের পরিচয় দেয়ায় সেনাগৌরব পদক (এসজিপি) অর্জন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলোচিত ক্যাপ্টেন আশিক।

    গতকাল রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সেনাবাহিনীর প্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের কার্যালয়ে গেলে তাকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

    এ সময় প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও পেশাদারিত্ব বজায় রাখায় ক্যাপ্টেন আশিককে সাধুবাদ জানান তিনি। তাকে ভবিষ্যতের জন্যও অনুপ্রাণিত করেন সেনা প্রধান।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে ক্যাপ্টেন আশিক অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতির সামাল দেন এবং সেটির সমাধান করেন।

  • অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন

    বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করেছেন।

    আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়েছে।

    ড.মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। রাতে বঙ্গভবনে ১৭ সদস্যের অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ জন শপথ নেন। আজ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করা হলো।

    দেখে নেয়া যাক প্রধান উপদেষ্টা সহ কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন—

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস—মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্ৰণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    সালেহ উদ্দিন আহমেদ—অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

    ড. আসিফ নজরুল—আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    আদিলুর রহমান খান—শিল্প মন্ত্রণালয়।

    হাসান আরিফ—স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

    মো. তৌহিদ হোসেন—পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান—পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

    শারমীন এস মুরশিদ—সমাজকল্যান মন্ত্রণালয়।

    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন—স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন—ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    ফরিদা আখতার—মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

    নূরজাহান বেগম—স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

    মো. নাহিদ ইসলাম—ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

    আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

  • অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

    বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে আছেন ১৬ জন।

    আজ বৃহস্পতিবার রাতে তারা শপথ নেন বঙ্গভবনে।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ নেওয়া অন্য উপদেষ্টারা হলেন—সালেহ উদ্দিন আহমেদ, ড. আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান খান, হাসান আরিফ, তৌহিদ হোসেন, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শারমিন মুরশিদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, আ ফ ম খালিদ হাসান, ফরিদা আখতার, নুরজাহান বেগম, মো. নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    তবে ঢাকার বাইরে থাকায় আজ শপথ নিতে পারেননি ফারুক-ই-আজম, বিধান রঞ্জন রায় ও সুপ্রদীপ চাকমা।

  • ঢাবির প্রক্টরকে বেধ*ড়ক পি*টিয়েছে কোটা আ*ন্দোলনকারীরা

    ঢাবির প্রক্টরকে বেধ*ড়ক পি*টিয়েছে কোটা আ*ন্দোলনকারীরা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টরিয়াল বডির এক সদস্যকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে।
    ঢাবি শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ডা. আব্দুল মুহিতকে পাইপ,বাশঁ ও লাঠি-সোঁটা দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

    আজ মঙ্গলবার বিকেলে ঢাবির মেডিকেল সেন্টারের সামনে আন্দোলনকারীদের মারধরের শিকার হন ফার্মাসি বিভাগের অধ্যাপক ডা. আব্দুল মুহিত।

    পরে তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    জানাযায়, দুপুরে ঢাবি ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা লাঠি-সোঁটা ফেলে শান্তিপূর্ণভাবে হলে ফিরে যাওয়ার কথা বলেন প্রক্টরিয়াল বডির শিক্ষকরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা সোমবার ছাত্রলীগের হামলার সময় তারা কোথায় ছিলেন বলে প্রশ্ন তোলেন। অভিযোগ উঠেছে- বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ভুয়া ভূয়া বলে অধ্যাপক ডা. আব্দুল মুহিতকে মারধর করেন। এ সময় প্রক্টরিয়াল বডির অন্য সদস্যরা এগিয়ে গেলে তাদেরও লাঞ্ছিত করা হয়।

  • স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ স্কাউটস হবে আলোকবর্তিকাঃ এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

    স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ স্কাউটস হবে আলোকবর্তিকাঃ এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ (দারা) এমপি বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ স্কাউটস হবে আলোকবর্তিকা, যে সবাইকে পাঞ্জেরির ন্যায় আলোর পথ দেখাবে।
    জানা গেছে, গত ১৩ জুলাই শনিবার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে পুঠিয়া উপজেলা স্কাউটসের আয়োজনে ‘বাংলাদেশ স্কাউটস থেকে প্রাপ্ত কাব স্কাউট ইউনিটে ড্রাম সেট বিতরণ ২০২৪’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত কাব স্কাউটদের উদ্দেশে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার দর্শনপ্রসূত ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে স্কাউটিং-এর বিকল্প নেই।ছোটবেলা থেকেই শিশু, কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক, মানসিক, নৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সামাজিক গুণাবলী উন্নয়নের মাধ্যমে তাদেরকে পরিবার, সমাজ, দেশ তথা বিশ্বের স্মার্ট সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ স্কাউটস এক অনন্যসাধারণ নাম। স্মার্ট নাগরিক হতে হলে হাতেকলমে কাজ শেখা, ছোট-দল পদ্ধতিতে কাজ করা, ব্যাজ পদ্ধতির মাধ্যমে কাজের স্বীকৃতি প্রদান, মুক্তাঙ্গনে কাজ সম্পদান, তিন আঙ্গুলে সালাম ও ডান হাত করমর্দন, স্কাউট পোশাক, স্কার্ফ ও ব্যাজ পরিধান এবং সর্বদা স্কাউট আইন ও প্রতিজ্ঞা মেনে চলে কাব স্কাউটদের আগামীর বিশ্বের জন্য নেতা হয়ে গড়ে উঠতে হবে।
    কাব স্কাউট ইউনিটে ড্রামসেট বিতরণ পরবর্তী বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, “১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশে স্কাউটিং আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছেন যেন এই আন্দোলনে যুক্ত হয়ে আনন্দের মাধ্যমে শিশু-কিশোররা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে এবং স্বাবলম্বী হয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে।স্কাউটদেরকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন, সৎ, চরিত্রবান, কর্মোদ্যোগী, সেবাপরায়ণ, সর্বোপরি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্কাউটস অবিসংবাদী ভূমিকা গ্রহণ করেছে।বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও মূল্যবোধ অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে দেশ ও জাতি গঠনে স্কাউট আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অপরিহার্য।”
    আব্দুল ওয়াদুদ দারা এ সময় বলেন, সমাজের ও দেশের উন্নয়নের জন্য বৃক্ষরোপন, টিকাদান, স্যানিটেশন ও পরিবেশ সংরক্ষণ, জ্বালানি-সাশ্রয়ী চুলা এবং বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় স্কাউটদের সেবাদান কর্মসূচি প্রশংসার দাবিদার।তবে কাব স্কাউটদের (৬ থেকে ১০+ বছর বয়সী) বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির নিত্যনতুন আবিষ্কারের পাশাপাশি দেশের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হবে।
    তিনি বলেন, পড়ার সময় পড়া, খেলার সময় খেলা এবং কাজের সময় কাজ।কাব স্কাউটদের উদ্যোক্তা হতে হবে।এর জন্য থাকতে হবে একাত্মতা।এভাবেই নিত্য চর্চায় নেতৃত্বদানের ঐশ্বরিক ক্ষমতালব্ধ হয়ে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।তিনি বলেন, আমরা পুঠিয়া ও দুর্গাপুরবাসী আর অবহেলিত নই।আমাদের আর্থিক সামর্থ্য কম হলেও আমরা কারো থেকে কোনো অংশে কম নই।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশকেই সমগুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
    তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন কীভাবে করতে হয় তা আমরা জানি।রাজশাহী ছাড়া সব অঞ্চলের রাস্তা ৬ লেনের হয়েছে।রাজশাহীতেও এই কাজ শুরু হবে খুব তাড়াতাড়ি, ইতোমধ্যে আমরা ডিও লেটার (চাহিদা পত্র) দিয়েছি।
    পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ, কে, এম নূর হোসেন নির্ঝরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ আব্দুস সামাদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলামপ্রমুখ।
    এছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের(ইউপি) চেয়ারম্যানগণসহ উপজেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ উপস্থিত ছিলেন।#

  • মুক্তিযুদ্ধে পুলিশঃ ময়মনসিংহ জেলা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান

    মুক্তিযুদ্ধে পুলিশঃ ময়মনসিংহ জেলা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান খান এমপি।।অনুষ্ঠানে “গেস্ট অফ অনার” হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাবিবুর রহমান, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)।

    শনিবার (১৩ জুলাই) তিনি বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ময়মনসিংহ” এর শুভ উদ্বোধন ও “মুক্তিযুদ্ধে পুলিশঃ ময়মনসিংহ জেলা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন এবং ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। মহান মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে।তিনি বলেন-পাকিস্তানী হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা। এই সশস্ত্র প্রতিরোধটিই বাঙ্গালীদের কাছে সশস্ত্র যুদ্ধ শুরুর বার্তা পৌছে দেয়। পরবর্তীতে পুলিশের এই সদস্যরা ৯ মাস জুড়ে দেশব্যাপী গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন এবং পাকিস্তানী সেনাদের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

    সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ডাক দেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের ১ হাজার ২৬২ জন সদস্য জীবন উৎসর্গ করেন। শুধু মহান মুক্তিযুদ্ধেই নয়, দেশের প্রয়োজনে ও বিভিন্ন সংকটে জীবন উৎসর্গ করতে কুণ্ঠাবোধ করেননি পুলিশ সদস্যরা। চলমান কভিড-১৯ অতিমারিতে দেশ ও জনগণের সেবায় নিয়োজিত ১০৬ জন পুলিশ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী পুলিশের বীর সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

    ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম (বার) পিপিএম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অপরাধের ধরন ও কৌশলে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে। অপরাধীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস ব্যবহার করে সাইবার অপরাধ সংঘটন করছে, যা প্রতিরোধ করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় পুলিশের তথ্য-প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে বর্তমান সরকার ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

    তিনি বাংলাদেশ পুলিশ ময়মনসিংহ রেঞ্জের প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে জনগণের সেবা নিশ্চিত করার আহবান জানান।

    একই দিনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা বিপিএম পিপিএম এর ব্যতিক্রমী এবং দূরদর্শী চিন্তার ফসল ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ লাইন্সের অভ্যন্তরে বৃটিশ স্থাপত্যশিল্পের ঐতিহ্যের ধারক পুরাতন পুলিশ হাসপাতাল ভবনে নির্মিত বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ময়মনসিংহ উদ্বোধন করেন।

    উল্ল্যেখ্য-বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার উপজীব্য সংবলিত পাঁচটি গ্যালারি ও আর্কাইভ নিয়ে গড়ে উঠেছে এ ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা । ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা বিপিএম, পিপিএম এর অসাধারণ উদ্যোগ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক), এম এম মোহাইমেনুর রশিদ, পিপিএম (সেবা) মহোদয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে নির্মিত এই জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বাংলাদেশ পুলিশের ঐতিহ্যকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরবে বলেও মন্তব্য করেন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা । ময়মনসিংহবাসীর পক্ষ থেকে এই ব্যতিক্রমী ও কার্যকর উদ্যোগের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন তারা।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া,ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, জাতীয় সংসদ সদস্য মোহিত উর রহমান শান্ত,শরীফ আহমেদ, ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল,মাহমুদুল হক সায়েম,নিলুফার আঞ্জুম পপি,কৃষিবিদ ড.নজরুল ইসলাম, আব্দুল মালেক সরকার, এবিএম আনিসুজ্জামান, মাহমুদুল হাসান সুমন,জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী,ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূইয়া,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এহতেশামুল আলম, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সহসভাপতি আমিনুল হক শামীম সিআইপিসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর সুধীজন।

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নবনিযুক্ত সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ- জামান -এর শ্রদ্ধা

    বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নবনিযুক্ত সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ- জামান -এর শ্রদ্ধা

    গোপালগঞ্জঃ

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে নবনিযুক্ত সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ- জামান শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    সোমবার (২৫ জুন) দুপুরে সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পরে পবিত্র ফাতেহা ও দুরুদ পাঠ শেষে তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু সহ তাঁর পরিবারে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধু ভবনে সংরক্ষিত পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন।

    এ সময় এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, সামরিক সচিব, জিওসি, ৫৫ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, যশোর এরিয়াসহ সেনাসদরের উর্দ্ধতন সামরিক কর্মকর্তাগণ ও যশোর এরিয়ায় কর্মরত কর্মকর্তাগণ এবং জেলায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।