Author: desk

  • আধুনিক  ও স্মার্ট ২৩নং ওয়ার্ড  এলাকা গড়তে চান ঠেলাগাড়ি নিয়ে ভোটের মাঠে রানা

    আধুনিক ও স্মার্ট ২৩নং ওয়ার্ড এলাকা গড়তে চান ঠেলাগাড়ি নিয়ে ভোটের মাঠে রানা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) ২৩ নম্বর ওয়ার্ডকে পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন, আধুনিক এবং একটি আদর্শ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে চান তরুণ জনবান্ধব সমাজ সেবক কাউন্সিলর প্রার্থী রাশেদুল হাসান রানা। সে লক্ষে তিনি আসন্ন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে মানুষের বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোট ও দোয়া চেয়ে বেড়াচ্ছেন।

    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিত অংশ সাবেক ভাবখালী ইউনিয়নের সতিয়াখালী,বেলতলীসহ কয়েকটি পাড়া-মহল্লায় যুক্ত হওয়া এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়ে এলাকার স্যুয়ারেজ ব্যবস্থা ও রাস্তাঘাটসহ সার্বিক উন্নয়ন করতে চান তিনি।একই সঙ্গে ওয়ার্ডকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করে গড়ে তুলতে চান রাশেদুল হাসান রানা । তিনি বলেন বলেন, আমার ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। এই এলাকার প্রতিটি মানুষকে আমি আমার নিজের পরিবারের সদস্য মনে করি।

    সুখ-দুঃখে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। গত নির্বাচনে পরাজিত হলেও ঘরে বসে থাকতে পারিনি। তারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে এই ওয়ার্ডকে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে চাই। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়ে রাস্তাঘাট, স্যুয়ারেজ লাইনসহ সব কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করতে চাই।

    এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। এই বিষয়ে তার নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করে যেতে চাই।

    এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ৯ হাজারেরও বেশি প্রায় সাড়ে ৯হাজার ভোটার সংখ্যা কম হলেও এই ওয়ার্ডে ২০-২৫ হাজারের বেশি মানুষের বসবাস।

    এদিকে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও প্রতীক বরাদ্দের পরে বেশ বেশ কয়েকজন প্রার্থী বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

    কিন্তু সুখে-দুঃখে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রেখে এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কৃতি সন্তান রাশেদুল হাসান রানা। ওয়ার্ডটির স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাশেদুল ইসলাম রানাকে তারা নম্র ও ভদ্র মানুষ হিসেবেই জানেন।

    একজন ব্যবসায়ী ও সঙ্গীত শিল্পী হিসেবেও এলাকায় তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। যে কোনো প্রয়োজনে ডাকলে তাকে পাশে পান এলাকার মানুষ। এই ওয়ার্ডের প্রতিটি গ্রামে রয়েছে তার পদচারণা। এই সব গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ মাদ্রাসা এবং বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক।

  • গাজীপুর টঙ্গীতে সেল্ফ ডিফেন্স তায় কোয়ান দো জাতীয় প্রতিযোগিতা ২০২৪ অনুষ্ঠিত

    গাজীপুর টঙ্গীতে সেল্ফ ডিফেন্স তায় কোয়ান দো জাতীয় প্রতিযোগিতা ২০২৪ অনুষ্ঠিত

    পূবাইল (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

    গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে অবস্থিত স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান স্পোর্টস তায় কোয়ান দো মোডো কোয়ান একাডেমীর ছাত্র-ছাত্রীরা সেল্ফ ডিফেন্স তায় কোয়ান দো জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে মেডেল ও সার্টিফিকেট পায়।এই সার্টিফিকেট ২য় বারের মতো পরিয়ে দেন অত্র প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও কোচ আনিসুল ইসলাম (জীবন)সহ এলাকার সুশীল সমাজ।এই খেলায় ৭ জন অংশ গ্রহণ করে,তার মধ্যে ১ টি গোল্ড,২টি রৌপ্য,৩টি তাম্র পায়। শুক্রবার ১লা মার্চ বিকেলে ৪:৩০ ১০৮ গার্লস স্কুল রোড মধ্য আরিচপুর টঙ্গী গাজীপুর মাস্টার আনিসুল ইসলাম জীবনের বাড়িতে তার নিজ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর ৫৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব মোঃ আবুল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আরিফ হোসেন প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ মোডোকোয়ান এসোসিয়েশন তায় কোয়ান দো। বাংলাদেশ মোডোকোয়ান এসোসিয়েশন তায় কোয়ান দো এর সিনিয়র প্রশিক্ষক পুলক দাসের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন আসলাম মোড়ল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক গাজীপুর দক্ষিণ।

  • বেওয়ারিশ সেবা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অন্ধ হাফেজদের নিয়ে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর রেজিষ্ট্রেশন চলছে

    বেওয়ারিশ সেবা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অন্ধ হাফেজদের নিয়ে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর রেজিষ্ট্রেশন চলছে

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    বেওয়ারিশ সেবা ফাউন্ডেশন বরাবরের মত সমাজ ও দেশের জন্য ভিন্নধর্মী চিন্তা ও জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছে, এরই ধারাবাহিকতায় সারা বাংলাদেশের অন্ধ হাফেজ দের নিয়ে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর আয়োজন করেছে, অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ ই মার্চ জুমাবার সকাল ৮ টা থেকে চট্টগ্রাম নগরীর অক্সিজেন কুয়াইশ সংলগ্ন সড়ক বাদশা কনভেনশন হলে, নিবন্ধন করা যাবে আগামী ৫ ই মার্চ পর্যন্ত, শুধুমাত্র অন্ধ হাফেজ দের জন্য এই প্রতিযোগিতায় বাছাই পর্বের মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্বের জন্য প্রতিযোগী নির্ধারিত করা হবে, চূড়ান্ত পর্বে যিনি প্রথম স্থান অধিকার করবে উনার জন্য থাকবে নগদ এক লক্ষ টাকা ও ঈদের উপহার, যিনি দ্বিতীয় হবেন উনার জন্য থাকবে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ঈদের উপহার, যিনি তৃতীয় হবেন উনার জন্য থাকবে নগদ ২৫ হাজার টাকা ও ঈদের উপহার, এতে সকল অংশগ্রহণকারীর জন্য থাকবে নগদ অর্থসহ ঈদের উপহার, বেওয়ারিশ সেবা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অন্ধ হাফেজদের প্রতিভা ছড়িয়ে পড়ুক সারা বাংলাদেশে সারা পৃথিবীতে, আপনার আসেপাশে কোন অন্ধ হাফেজ থাকলে অনুগ্রহ করে উনার কাছে বার্তারি পৌঁছে দিন, এবং আপনার টাইমলাইন থেকে শেয়ার করুন যেন সবাই এই বার্তাটি পাই, আসুন একসাথে হাতে হাত রেখে অন্ধ হাফেজদের পাশে দাঁড়াই, হয়ত এমনও হতে পারে এই আয়োজন এর মাধ্যমে ওনার জীবনের মোড় ঘুরে যাবে, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছে, মহৎ এই আয়োজনে আপনার উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি, নিবন্ধন সম্পন্ন করতে যোগাযোগ করুন।
    01819 608 605 ( WhatsApp)

  • পটিয়ায় ছেলেকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে মায়ের সংবাদ সম্মেলন

    পটিয়ায় ছেলেকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে মায়ের সংবাদ সম্মেলন

    পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:- ‘ঘরের ভেতর সবকিছু তছনছ করে কিছু পায়নি’। বাড়ির পেছন থেকে অস্ত্র ও চোলায় মদ উদ্ধার করে আমার ছেলে সুজনকে আটক করে নিয়ে যান পটিয়া থানা পুলিশ।

    বন্ধু মাহবুব, মঞ্জুর ও নুরুল ইসলাম নামে ৩ ব্যক্তি শত্রুতা করে ঘরের পেছনে অস্ত্র ও চোলায় মদ রেখে আমার ছেলেকে ফাঁসিয়েছে। স্থানীয় লোকজন সহ সবার সামনে ঘরের পেছন থেকে অস্ত্র ও মদ উদ্ধার করলেও এখন চার্জশিটে মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়ে আমার ছেলের জীবন নষ্ট করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। আমি এর আইনগত প্রতিকার চাই।’

    গতকাল শুক্রবার (১ মার্চ) বিকেলে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন উপজেলার খরনা ইউনিয়নের কাগজী পাড়া গ্রামের ফরিদা বেগম।

    ফরিদা বেগমের ছেলে সুজনকে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে অস্ত্র ও চোলায় মদ রাখার অভিযোগে গ্রেফতার করে পটিয়া থানা পুলিশের একটি টিম। পরে পটিয়া থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা রেকর্ড করে। ওই মামলায় সুজন সহ বর্তমানে কারাগারে আছেন নুরুল ইসলাম নামের আরো একজন।

    সংবাদ সম্মেলনে সুজনের স্ত্রী জেসমিন আকতার জুনু বলেন, আমার ৪ সন্ত্রানকে নিয়ে আমরা অনেক দুঃখ কষ্টে আছি। আমার স্বামীকে মাহাবুব, মঞ্জুর ও নুরুল ইসলাম ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসিয়েছে। তিনি বলেন, যেদিন পুলিশ আমার স্বামীকে গ্রেফতার করতে আসে সেদিন আমাদের বাসায় ভাত খায় উল্লেখিত ব্যাক্তিরা। তারা সু কৌশলে অস্ত্র ও চোলায় মদ বাড়ির পেছনে রেখে পুলিশকে খবর দেন। এছাড়াও ঐদিন রাতে আমার স্বামী যাথে কোথাও পালিয়ে যেতে না পারে তার জন্য নুরুল ইসলাম আমার স্বামীর কোমরে হাত পেছিয়ে ধরে রাখে। আমার স্বামী নির্দোষ। এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে আমার স্বামীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আমি জোর দাবি জানাচ্ছি।

  • উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে আবারও আবু তাহের হাওলাদারকে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ

    উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে আবারও আবু তাহের হাওলাদারকে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ যেতে না যেতেই মোংলায় বইছে উপজেলা নির্বাচনী হাওয়া। পথে ঘাটে চায়ের দোকানে প্রার্থীরা সালাম ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে নিজেদের জানান দিচ্ছে যে তারা আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। ইতিমধ্যে চারবারে টানা ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ দলীয় প্রতিক ছাড়াই উপজেলা পরিষদ নিবার্চন করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। এমন ঘোষণার পর নড়েচড়ে বসেছে অনেকেই।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোংলা উপজেলায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই বেশি এগিয়ে রয়েছেন। সকল প্রার্থীরা পরিচিতি ও নিজের ক্লিন ইমেজে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশে থেকে তাদের মনে জায়গা করে নিতে চেষ্টা করছেন। তারা নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্খীদের অনুরোধ করছেন। বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন, তিনি তার ব্যক্তিগত ইমেজকে এই নির্বাচনে কাজে লাগাতে চান বলে শোনা যাচ্ছে। যেহেতু দলীয় মার্কা বা প্রতীক থাকছে না। সুতরাং যিনি সাধারণ ভোটারদের কাছে টানতে পারবেন তিনি নির্বাচিত হবেন। নতুন ভোটার’রা বলছেন সৎ ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিকে ভোট দিবেন তারা। আর প্রার্থীরা সকলেই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তবে দলীয় মার্কা বা প্রতীক বিহীন নির্বাচনে কে নির্বাচিত হবেন তা অবশ্য আগাম ধারণা করা মুশকিল বলে মনে করছে এই উপজেলার সকল মানুষ।
    আগামী ৪ মে, ১১ মে, ১৮ মে,ও ২৫ মে চার ধাপে অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদ নিবার্চন। তবে সরকারের সিধান্তে এবার উপজেলা পরিষদ নিবার্চনে কোনো দলীয় প্রতীক না থাকায় সরকারি দলের একাধিক প্রার্থী নিবার্চনে অংশগ্রহণ করবে বলে গুঞ্জন চলছে নিবার্চনি মাঠে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু তাহের হাওলাদার বলেন, উপজেলা পরিষদ হচ্ছে জনগনের উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। ফলে বর্তমান সরকারে উন্নয়নের সব কার্যক্রম উপজেলা ভিত্তিক হলে জনগণ উপকৃত হবে। সৎ আর্দশ মানুষ নির্বাচিত হলে জনগণ ভালো সেবা পাবে। তাই জনগণের কল্যাণে কাজ করতে আপনাদের সহযোগিতা চাই।
    বিগত ৯১ সাল থেকে তালুকদার আব্দুল খালেক এবং পরবর্তিতে বেগম হাবিবুন নাহার এমপি’র আমলে এই উপজেলায় অসংখ্য উল্লেখ্যযোগ্য জনবান্ধব কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। সামনের দিকেও আমরা যেসব অবহেলিত জনপথ রয়েছে সেগুলোর কাজ করব। এসব কাজে সকল জনপ্রতিনিধিরাও সচেষ্ট আছেন। চেয়ারম্যান মেম্বারসহ সকলেই বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে কাজ করছেন। এসব কাজে আমিও ভূমিকা রাখতে চাই। চেয়ারম্যান পদে থাকলেও এসব কাজে সরাসরি নিজেকে নিয়োজিত রাখা যাবে এবং শতভাগ কাজগুলো করা যাবে। তাই জনগণ যাচাই করবেন কাকে দিয়ে মানুষের উন্নয়ন হবে, কাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে এলাকার উন্নয়ন হবে। আমি কোনদিন চাঁদাবাজি লুটপাট করিনি। আপনারা যদি আমার অতীত কর্মকান্ড বিবেচনা করেন তাহলে আমি আশা করব আপনারা আমাকেই প্রার্থী হিসাবে বেচে নিবেন। মোংলা উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিবেন।’ তিনি বলেন, আমি আপনাদেরই এলাকার সন্তান। তাই আপনাদের উপর আমার অধিকার বেশী। সেই অধিকার নিয়ে আমি আপনাদের কাছে দোয়া ও সমর্থন চাই। আবু তাহের হাওলাদার প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করছেন। তাকে সেখানকার সকল স্তরের সকল বয়সীরা দোয়া ও সমর্থন করেছেন। রাজনৈতিক অবিভাবক খুলনা খুলনা সিটি কর্পারেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এর আশির্বাদপুষ্ট সৎ, আদর্শবান ব্যক্তি হিসেবে আবু তাহের হাওলাদার হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবেই এগিয়ে রয়েছেন বলে বিশ্বাস করেন সাধারণ ভোটাররা।

  • বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার মতবিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার মতবিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    মোঃ তরিকুল ইসলাম তরুন,
    কুমিল্লা থেকে,

    বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে ১ মার্চ ২০২৪ইং (শুক্রবার) সকাল ১০ ঘটিকার সময় কুমিল্লা টাউন হল কনফারেন্স হলে কুমিল্লার কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।
    উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসিবে উপস্থিত থাকার জন্য সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর মহা পরিচালক ও একুশে পদক প্রাপ্ত জাফর ওয়াজেদ। কিন্তু উনার ব্যক্তিগত কারণে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
    বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক ইয়াসমিন রিমার সভাপতিত্বে এবং সাধারণত সম্পাদক সাংবাদিক শাহাজাদা এমরানের উপস্থাপনায় উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক অভিবাধনের সম্পাদক আবুল হাসনাত বাবুল,এসময়
    অতিথিবৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
    পরে অতিথিদের সাথে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমেই মতবিনিময় সভার সমাপ্তি হয়।এসময় বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন শতাধিক। অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে আলোচনা হয়।

  • এসিল্যান্ড আরিফুজ্জামানকে বিদায় সংবর্ধনা

    এসিল্যান্ড আরিফুজ্জামানকে বিদায় সংবর্ধনা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আরিফুজ্জামানকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা ভূমি প্রশাসনের এ কর্মকর্তাকে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে বদলী করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোঃ আরিফুজ্জামানকে ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাস, সিএ হাবিবুর রহমান, প্রধান সহকারী আব্দুল বারি, ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জাকির হোসেন, লতিফা আক্তার, কামরুল হাসান, কামাল হোসেন, জালাল আহম্মেদ, আনিছুর রহমান, অর্মত বিশ^াস ও জিয়াদুল্লাহ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছার ৩টি করাত কলে জরিমানা

    পাইকগাছার ৩টি করাত কলে জরিমানা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছার ৩টি করাত কলে জরিমানা করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশের মান উন্নয়ন ও পরিবেশ দুষণরোধে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন করাত কল (সমিল) এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আল-আমিন। এ সময় লাইসেন্স না থাকায় ৩টি করাত কলের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পেশকার মোঃ ইব্রাহীম।

  • পীরগঞ্জে দোয়েল স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা

    পীরগঞ্জে দোয়েল স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা

    পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে দোয়েল স্কুলের অভিভাবক সমাবেশ, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ হয়েছে।
    গতকাল বৃহস্পতিবার দোয়েল স্কুলের অধ্যক্ষ তারেক হোসেনের সভাপতিত্বে স্কুল চত্বরে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেন, সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী মন্ডল, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, সাংবাদিক বাদল হোসেন, শিক্ষক শিমুল, সাইফুল ও আশরাফুল ইসলাম, অভিভাবক আরিফুল বাবু, সাহাদাত পারভেজ, নাসরিন বেগম, রীতা আকতার প্রমূখ। শেষে ক্রীড়া প্রতিযোগীয় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
    এ সময় পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ দুলাল সরকার, সাংবাদিক সাইদুর রহমান মানিক ও ফাইদুল ইসলাম সহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

    ছবি আছেঃ
    পীরগঞ্জে উপজেলা থাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিদায় সংবর্ধনা

    পীরগঞ্জ(ঠাকুরগাও)প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিন্ত্রক জিয়াউল হক শাহ্ এর অন্যত্র বদলি হওয়ায় বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
    বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে পীরগঞ্জ খাদ্য গুদাম চত্বরে এ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
    বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পীরগঞ্জ খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিয়াউল হক শাহ, সহধর্মীনি,শাহানাজ বেগম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যন আওয়ামীলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা,লোহাগাড়া খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায়, উপ খাদ্য পরিদর্শক আব্দুল খালেক,ডিলার রেজাউল হক, মইনুল হোসেন সহ অনেকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেডি অটো রাইসমিলের মালিক দুলাল, সাবেক কমিশনার জয়নাল সহ বিভিন্ন মিল মালিক ও ডিলার গণ।

    এন এন রানা
    পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

  • সুজানগরে স্বামীকে অ*স্ত্রের মুখে জি*ম্মি করে গর্ভবতী স্ত্রীকে ধ*র্ষণ: ছয় দিনেও গ্রেফতার হয়নি আসামী

    সুজানগরে স্বামীকে অ*স্ত্রের মুখে জি*ম্মি করে গর্ভবতী স্ত্রীকে ধ*র্ষণ: ছয় দিনেও গ্রেফতার হয়নি আসামী

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে স্বামীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গর্ভবতী স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার ৬ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ২৩ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে সুজানগর উপজেলা ও আমিনপুর থানার অর্ন্তগত সাগরকান্দি ইউনিয়নের কেষ্টপুর গ্রামে গণধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে আমিনপুর থানার ওসি হারুনুর রশিদ বৃহস্পতিবার জানান, এ ঘটনায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারী ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামী ০৬ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর-১৩।অভিযুক্তরা হলেন, চর কেষ্টপুর গ্রামের মাজেদ প্রামানিকের ছেলে সেলিম প্রামানিক,আনিছ সরদারের ছেলে রাজীব সরদার,তালেব মন্ডলের ছেলে রুহুল মন্ডল,শফিক সরদারের ছেলে লালন সরদার, মো. শামসুল হোসেনের ছেলে সিরাজুল ও একই গ্রামের মো.শরীফ। মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ ফেব্রয়ারী রাতে চর কেষ্টপুর গ্রামের একটি ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করা হয়। মাহফিলের ডেকোরেশনের কাজের দায়িত্বে ছিলেন আমিনপুর থানার রুপপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামী। নিজ বাড়ি অনেক দূরে হওয়ায় সেখান থেকে ওয়াজ শুনে স্ত্রীসহ রাত ১১ টার দিকে পাশের এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে তাদের গতিরোধ করেন অভিযুক্ত ওই ৬ যুবক। এক পর্যায়ে ওই নারীর স্বামীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এক পর্যায়ে ওই নারীর স্বামী তাদের কাছ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে স্থানীয়দের নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা দ্রুত পালিয়ে যান। এ সময় ধর্ষিত ওই নারীকে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওয়াজ শুনতে আসা স্থানীয় এলাকার বাসিন্দারা জানান,আমাদের ওয়াজ মাহফিল চলা অবস্থায় ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামী ছুটে এসে বলল, কিছু যুবক তাকে মারধর করে তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে গেছে। এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয়রা টনাস্থলে যায়। এ সময় অভিযুক্তরা দ্রুত পালিয়ে যান। পরে মেয়েটাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক তোফাজ্জল হোসেনের কাছে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে পাঠানো হয়।ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমরা আত্মীয় বাড়িতে যাওয়া পথে কয়েকজন যুবক আমাদের পথ আটকায়। আমাদের জিজ্ঞেস করে, তোরা স্বামী-স্ত্রী কিনা। আমরা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী দাবি করলেও তারা কর্ণপাত করেনি। এক পর্যায়ে আমার স্বামীকে ব্যাপক মারধর করে ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমাকে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগীর নারীর স্বামী মামলার বাদী বলেন, আমার স্ত্রী ৩ মাসের গর্ভবতী ছিল। ধর্ষণে আমাদের গর্ভের সন্তানটা পর্যন্ত মরে গেছে আমি আমার স্ত্রীকে ধর্ষণ এবং আমাদের সন্তান হত্যার বিচার চাই।এদিকে এ ধরণের একটা নেক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট স্থানীয় এলাকাবাসী।
    এ বিষয়ে পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) রবিউল ইসলাম বৃহস্পতিবার জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। আশা করছি অতি দ্রুতই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।