Author: desk

  • সমৃদ্ধ ও আধুনিক নগরী গড়তে টেবিল ঘড়ি প্রতিকে ভোট চাইলেন মেয়র প্রার্থী টিটু

    সমৃদ্ধ ও আধুনিক নগরী গড়তে টেবিল ঘড়ি প্রতিকে ভোট চাইলেন মেয়র প্রার্থী টিটু

    স্টাফ রিপোর্টার : আগামী ৯ মার্চ ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে টেবিল ঘড়ি প্রতিকের বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিন-রাত নগরীর সর্বত্র ও সর্বজনের সাথে বিভিন্ন মতবিনিময় সভা ও গণসংযোগ এবং প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন “টেবিল ঘড়ি” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ও ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ ইকরামুল হক টিটু। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার (০৩ মার্চ) সকালে নগরীর ১৩ ও ১৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন অলি-গলি, বাসা, বাড়ির মানুষের কাছে গিয়ে টেবিল ঘড়ি প্রতিকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেন।
    এ সময় সাংবাকিদের প্রশ্নের উত্তরে টেবিল ঘড়ি প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মোঃ ইকরামুল হক টিটু বলেন, নগরবাসীর সেবারমান নিশ্চিতে পরামর্শকের মতামতের ভিত্তিতে আমাদের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় কাজ করেছি। যেমন নগরীর যানজট নিরসনে রাস্তাগুলো প্রসস্ত করা, গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টের মোড়গুলো প্রসস্ত করা, জলাবদ্ধতা নিরসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে একটি টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা, স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিতের জন্য ব্যবস্থা করা, নলকূপ স্থাপন ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা সহ শিশু বিনোদনের জন্য পার্ক নির্মাণ করা এবং বিভিন্ন ধমীয় প্রতিষ্ঠান, কবর স্থান ও শ্মশাণ ঘাটের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পর নগরের অধিকাংশ রাস্তাই ছিল জরাজির্ন, কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত দুর্বল। অল্প বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকত প্রধান প্রধান সড়কে। কোন বাতির ব্যবস্থা ছিল না এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কবর স্থান গুলোর অবস্থাও তেমন ভালো ছিল না। এই আবস্থা নিয়েই আমরা যাত্রা শুরু করি। আজকে অনেক প্রতিবন্ধকতা পার করে অনেক কাজ বাস্তবায়ন করতে পেরেছি যা দৃশ্যমান। তিনি বলেন দায়িত্ব নেয়ার ছয় মাসের পরেই করোনা মহামারি এবং ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ এই দুইটি বৈশ্বিক কারণে আমাদের উন্নয়ন কাজ দারুণ ভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে। তা না হলে আমরা যে কর্মপরিক্লনা নিয়ে ছিলাম সেটা অনেকাংশেই বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই শহরকে নান্দনিক রূপ দিতে পারতাম। আমি নাগরিক বৃন্দের কাছে আহবান রাখব আমার অসমাপ্ত কাজ এবং পূর্ব পরিকল্পিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের সার্থে আগামী দিনে আমাকে আবার সুযোগ দিবেন। আপনাদের দোয়া আর্শিবাদে আগামীতে নির্বাচিত হয়ে আসতে পারলে নগর বাসীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করবো।

    তিনি আরও বলেন, নগরীর যানজট নিরসনের লক্ষ্য একটি ট্রাক টার্মিনাল প্রয়োজন ও তিনটি বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে এবং নগরীর আইলেন ও রাস্তাগুলো প্রশস্তকরণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির জন্য সুপেয় পানির পরিকল্পনার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য রয়েছে। শিশু বিনোদনের জন্য ৪০ একর জায়গায় রাসেল পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা প্রস্তাবনা দাখিল করেছি।

    নগরবাসীর সেবায় বিলুপ্ত পৌরসভা ভবনে কাজ করছি, সেবার পরিধি তরান্বিত করার জন্য আধুনিক নতুন নগর ভবন নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। পাশাপাশি নগরবাসীর সেবার জন্য ৩ টি আঞ্চলিক নগরভবন স্থাপন সহ ৩৩টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় নির্মাণের প্রক্রিয়া রয়েছে। প্রক্রিয়াধীন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিকল্পিত সমৃদ্ধ আধুনিক নগরী গড়তে আগামী ৯ মার্চ টেবিল ঘড়ি প্রতিকে ভোট চাই।
    এ সময় ময়মনসিংহ ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এম কুদ্দস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ আনোয়ার উল হক রিপণ, সদস্য ইব্রাহিম মুকুট, সুমন ঘোষ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে শনিবার রাত ৮ টায় নগরীর টাউন হলের এড. তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অটো মালিক সমিতি, অটো বাইক শ্রমিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক লীগ চালক সমিতি আয়োজিত আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে জননন্দিত জননেতা ইকরামুল হক টিটুকে মেয়র পদে টেবিল ঘড়ি প্রতীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মসিক মেয়র প্রার্থী মোঃ ইকরামুল হক টিটু।

  • ABETS এর ২০২৪-২৫ইং কার্যনির্বাহি পরিষদের নির্বাচনে হাশেম বাহাদুর সভাপতি নজরুল ইসলাম নিলয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

    ABETS এর ২০২৪-২৫ইং কার্যনির্বাহি পরিষদের নির্বাচনে হাশেম বাহাদুর সভাপতি নজরুল ইসলাম নিলয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার:
    চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানার অন্যতম সামাজিক সংগঠন ABETS এর ২০২৪-২৫ সেশন কার্য-নির্বাহি পরিষদ এর নির্বাচন গত ০১.০৩.২০২৪ জুমাবার সন্ধ্যা ০৭:০০ টায় সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় কোন পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ফরম সংগ্রহ করা সকলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।প্রধান নির্বান কমিশনার জায়দুল হক চৌধুরী তপু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে নিম্নোক্ত পদে প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।সভাপতি – হাশেম বাহাদুর,সহ-সভাপতি- এমরান হোসেন জীবন,সাধারণ সম্পাদক – নজরুল ইসলাম নিলয়,যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক – আয়ফুর আলম,সাংগঠনিক সম্পাদক – আজিজুল হক,দপ্তর সম্পাদক – মফিজুল ইসলাম নিলয়,প্রচার সম্পাদক – রায়হান চৌধুরী,ক্রীড়া সম্পাদক – জাহাঙ্গীর আলম,সাংস্কৃতিক সম্পাদক – শহিদুল আলম,উন্নয়ন সম্পাদক – আনছারুল হক,সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক – মোহাম্মদ ইয়াছিন,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক -আলী শিফন,ত্রাণ ও দূর্যোগ সম্পাদক – ইমাম উদ্দিন জিসান,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক – এইচ এম বেলাল উদ্দীন চৌধুরী,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক – নাঈম উদ্দিন বাবু,আইন বিষয়ক সম্পাদক – মিনহাজুল ইসলাম,স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক – ইফতেখার ইসলাম সায়েম,তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক – রায়হান ইসলাম জুবায়ের(বাবু) এই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ও সধ্য সাবেক সভাপতি এম ইদ্রিচ চৌধুরী অপু নির্বাচন সমন্বয়কারী মামুন উদ্দীন জীবন প্রমূখ।

  • যার যায় সেই বুঝতে পারেন বেদনা কি, অতিরিক্ত ডিআইজি হারালেন মেয়েকে, শোক সইবেন কী করে?

    যার যায় সেই বুঝতে পারেন বেদনা কি, অতিরিক্ত ডিআইজি হারালেন মেয়েকে, শোক সইবেন কী করে?

    হেলাল শেখঃ একজন পুলিশ অফিসারের জীবন কাহিনী-প্রায় ৬ বছর আগে প্রিয়তমা স্ত্রীকে হারিয়েছিলেন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি নাসিরুল ইসলাম নাসির। স্ত্রীর মৃত্যুর পর দুই সন্তানকে নিয়ে ছিল তার জগত। সময় সুযোগ পেলে মেয়েদের নিয়ে ঘুরতে বের হতেন তিনি। মেয়েদের মুখের দিকে তাকিয়ে আর বিয়ে করেননি এই পুলিশ কর্মকর্তা। সহকর্মী থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যরা বিয়ের কথা বললে সে কথা কানে তোলেননি কখনো।

    নাসির ইসলামের বড় মেয়ে লামিসা ইসলাম ছিলেন বুয়েটের ২২তম ব্যাচের মেকানিক্যাল বিভাগের ছাত্রী। এই তরুণী স্কুলজীবনেও ছিলেন দারুণ মেধাবী।

    রাজধানীর হলিক্রস কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পান গেল বছর। মায়ের অভাব কখনোই বাবা ও ছোট বোনকে অনুভব করতে দেননি লামিসা। পুরো পরিবারকে আগলে রাখতেন। ঘুরতে পছন্দ করতেন বলে প্রায়ই বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতেন। তবে এসবই এখন স্মৃতিময় অতীত। রাজধানীর বেইলি রোডের ৭ তলা একটি ভবনের অগ্নিকাণ্ডে শ্বাসনালি পুড়ে মারা গেছেন লামিশা। তার মৃত্যুশোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা নাসিরুল ইসলাম। ঠিক যেন ৬ বছর আগে স্ত্রীকে হারানোর সেই অন্ধকারতম দিন আবারও নেমে এলো তার জীবনে।

    গত বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাড়ির পাশেই ওই ভবনের কোনো একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছিলেন লামিসা। আগুন লাগার পর তিনি দৌড়ে ছাদের দিকে যাওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছাদে উঠতে পারেননি। নিঃশ্বাসের সঙ্গে ধোঁয়া গিয়ে শ্বাসনালি পুড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। জানা যায়, ২০১৮ সালে স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকে সন্তানদের নিয়ে রমনার পুলিশ কমপ্লেক্সে থাকেন নাসিরুল ইসলাম। একইসঙ্গে বাবা-মা উভয়ের ভূমিকাই পালন করতেন দুই মেয়ের জীবনে। কত স্বপ্ন ছিল তাদের নিয়ে! সেই স্বপ্নগুলো দুঃস্বপ্নে পরিণত হলো সর্বনাশা আগুনে।

    চাকরি জীবনে বর্তমানে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত রয়েছেন অতিরিক্ত ডিআইজি নাসিরুল ইসলাম। সেখানে কর্মরত এক পুলিশ সদস্য ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘স্যারের মতো মানুষ হয় না। তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পরেও দুই মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে আর বিয়ে করেননি। স্যার ঘুরতে ভালোবাসতেন। সময় পেলেই দুই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে যেতেন। আমাদের অফিসে প্রায়সময়েই তার বিয়ে নিয়ে কথা উঠত, কিন্তু বরাবরই তিনি বিয়ে করবেন না বলে জানিয়ে দিতেন।’

    ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি রুহুল আমিন শিপার লিখেছেন, ‘প্রায় ৬ বছর আগের কথা। নাসির পাথরের মতো মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে বিএসএমএমইউ (পিজি) হাসপাতালের ডি ব্লক এর সামনে। সেখানে একটি ফ্রিজার ভ্যানে তার স্ত্রীর মরদেহ রাখা। নাসিরের জিম্মায় ছোট্ট দুটি মেয়েকে রেখে ভাবি একা চলে গেলেন।’ একটা ঘটনা উল্লেখ করে ডিআইজি লেখেন, কয়েক বছর আগের কথা। তখন বেনজির আহমেদ স্যার র‌্যাবের মহাপরিচালক। পুলিশ সদরদপ্তরে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নাসিরের একটা প্রেজেন্টেশন দেখে প্রকাশ্যে বলে ফেললেন, ‘ইউ আর সো ইন্টেলিজেন্ট। কিন্তু আমি তোমাকে চিনি না কেন?’ এরপর বেনজির স্যার আইজিপি হয়ে পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া সংস্কারে হাত দিলেন। এআইজি রিক্রুটমেন্ট হিসেবে মেধাবী নাসির একটি অসাধারণ নিয়োগ কাঠামো তৈরি করে দিল। যেখানে চাইলেও দুর্নীতি কিংবা পক্ষপাতিত্ব করা প্রায় অসম্ভব। বর্তমানে সেই কাঠামোতেই নিয়োগ চলছে।

    ডিআইজি তার স্ট্যাটাসে আরও লিখেছেন, দুই মেয়ে নিয়ে নাসিরের একার সংসার। একদিন শুধু বলেছিলাম, ‘আর বিয়ে-শাদি করলে না?’ একটু হেসে মাথা নেড়ে ও বলল, ‘না, স্যার।’ ওর মেয়েরা খুবই মেধাবী। বড় মেয়ে সম্ভবত ভিকারুননিসা নূন স্কুলে ফার্স্ট গার্ল ছিল। কলেজ শেষ করে সে বুয়েটে ভর্তি হয়েছিল। নাসিরের জীবনে ছয় বছর আগের সেই রাত আবার ফিরে এলো। গতরাতে আগুন লাগার সময় বেইলি রোডের সেই রেস্তোরাঁয় ওর বুয়েট পড়ুয়া মেয়েটা ছিল। সে আর ফেরেনি, চলে গেছে জীবনের ওপারে। বছর ছয়েক আগে বউ মরে যাওয়ার রাতে নাসিরের সেই চেহারার কথা স্পষ্ট মনে আছে আমার। এবার অবশ্য ওর সাথে দেখা হয়নি। মেয়ের মরদেহ নিয়ে ফরিদপুরের পথে আছে সে।

    ওকে ফোন দিতে মন চাইছে না। তাই হোয়াটসঅ্যাপে শুধু এই মেসেজটা দিয়েছি– ‘নাসির, আমার অন্তরটা ছিঁড়ে যাচ্ছে। বাসায় বসে এখন কাঁদছি। এক জীবনে আর কত কষ্ট বাকি তোমার?’ আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখেন যেন।

  • সাভারে অভিযানে ৩টি অবৈধ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা

    সাভারে অভিযানে ৩টি অবৈধ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার সাভারে নানারকম অনিয়মের অভিযোগে ২টি হাসপাতাল ও একটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে সিলগালা করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

    শনিবার (০২ মার্চ ২০২৪ইং) সকাল থেকে এসংক্রান্ত এক অভিযান পরিচালনা করেন সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: সাইদুল ইসলাম।

    এসময় সিলগালা করে দেয়া হয় ৩টি প্রতিষ্ঠান, ল্যাব স্টার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, এ্যাডভান্সড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং জ্যোতি চক্ষু হাসপাতাল। অভিযুক্ত হাসপাতালগুলো সাভারে দীর্ঘদিন বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করে আসছিলো।

    সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: সাইদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, আমরা চাই সাভারে স্বাস্থ্য সেবায় একটিও অবৈধ হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকবে না। এরই ধারাবাহিকতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক তিনটি হাসপাতালে তদন্ত ও পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এর ভিতর ৩টি প্রতিষ্ঠান তাদের বৈধ কাগজ ও ডাক্তার, কর্মীদের সনদ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে বিধায় তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    সাভারে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের অবৈধ হাসপাতালে সেবা না দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। অবৈধ হাসপাতাল বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

    উক্ত অভিযানের সময় বিপুল সংখ্যক আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

  • আশুলিয়ায় ছিনতাইয়ের সময় ৪ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে থানা পুলিশ

    আশুলিয়ায় ছিনতাইয়ের সময় ৪ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে থানা পুলিশ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় ছিনতাইকারীদের গাড়ি ধাওয়া করে ছিনতাই চক্রের ৪ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

    ঢাকার আশুলিয়া থানার (ওসি) এএফএম সায়েদ এর নেতৃত্বে আশুলিয়া থানার (এসআই) আবুল হাসানের চৌকস দল এই ছিনতাইকারীদেরকে আটক করেন।

    গত (০২ মার্চ) রাত আড়াইটার দিকে আশিক নামের এক ব্যাক্তিকে জোরপূর্বক প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে ছিনতাইয়ের সময় তাদের ব্যবহৃত গাড়িটির পিছনে ধাওয়া করেন এবং আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকা থেকে চক্রটির চারজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

    আটককৃতরা হলো-যশোর জেলা কোতোয়ালী থানার কদমতলা গ্রামের জাহিদ হাসানের ছেলে মোঃ ফয়সাল (২৯) শেরপুর জেলা শেরপুর থানার চাপাজোড়া গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে শফিক (২১) মানিকগঞ্জ জেলা দৌলতপুর থানার বাচামরা গ্রামের মৃত সালামের ছেলে মোঃ হাবিব (৩৩) মানিকগঞ্জ জেলা দৌলতপুর থানার উত্তর খন্ড গ্রামের মোঃ ইউনুছ শেখ এর ছেলে মোঃ আরিফ শেখ (২৪)।

    আশুলিয়া থানার (এসআই) আবুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো-গ-১৪-৮২৩০ নাম্বারের একটি প্রাইভেটকার, নগদ ১৫,২০০ টাকা এবং বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়, সেই সাথে চক্রটির বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা রজু করা হয়েছে, মামলা নং- ০৪(০৩)২৪ ধারা-১৭০/৩৯৪/৪১১। তারিখ: ০২/০৩/২০২৪ইং।

  • সাভারে ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৬জন ডাকাত গ্রেফতারের পর তাদেরকে ২দিনের রিমান্ডে-তথ্য ফাঁস

    সাভারে ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৬জন ডাকাত গ্রেফতারের পর তাদেরকে ২দিনের রিমান্ডে-তথ্য ফাঁস

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় ১৯টি স্বর্ণের দোকানে গণডাকাতির ঘটনার পর আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া এলাকায় একাধিক বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ অস্ত্র লুটের পর ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) এর নেতৃত্বে চৌকস গোয়েন্দা টিম অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাতকে গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার করেন এবং ৫জনকে ২ দিনের রিমান্ডে আনা হয়, রিমান্ডে আসামীরা চা ল্যকর তথ্য দিয়েছে বলে ডিবি পুলিশ জানায়।
    ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) সংবাদ সারাদেশ’কে বলেন, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় ১৯টি সোনার দোকানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট, কাঠগড়া এলাকায় আজিজুর রহমানের বাড়িতে অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা ও স্বর্ণ লুট, ডাকাতির ঘটনায় ডাকাতদের গুলিতে একজন নিহত, ইয়ারপুর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এক বাড়িতে ডাকাতিসহ আশুলিয়ায় ৬-৭টি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসব ডাকাতির ঘটনার পর থেকে ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি গোয়েন্দা টিম ছায়া তদন্ত করে মোবাইল টেকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬জন ডাকাতকে গ্রেফতার করার পর তাদের মধ্যে ৫জনকে আদালত দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন, দুইদিনের রিমান্ডে ৫জন ডাকাত সদস্য চা ল্যকর তথ্য দিয়েছে বলে তিনি জানান, তবে অন্যান্য ডাকাতদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
    ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) বলেন, গত শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) রাজধানী ডিএমপিসহ ঢাকা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬জন দুর্ধর্ষ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো- সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার সোনাখালী গাজীবাড়ি এলাকার মৃত আনছার আলী গাজীর ছেলে মোঃ সুমন গাজী ওরফে সজল ওরফে পটকা সুমন (৩৬), খুলনা জেলার রূপসা থানার পলাশবাড়ী আলাইপুর এলাকার মৃত আকবর আলী শেখের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান বাপ্পি ওরফে কলম বাপ্পি (৩২), যশোর জেলার মনিরামপুর থানার খানপুর বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে মোঃ রাজু ওরফে মুরাদ (৩৮), খুলনা সদর থানাধীন খুলনা শিপইয়ার্ড এলাকার মৃত মোশারফ খানের ছেলে মনিরুল ইসলাম খান ওরফে মনির (৩৫), খুলনা জেলার বাটিয়াঘাটা থানার রামভদ্রপুর গ্রামের মৃত আলমগীর শেখের ছেলে মোঃ আইনুল হক (৩২), ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার উত্তর শ্রীরামপুর এলাকার ইউনুছ আলীর ছেলে ইয়াছিন আলী (২৯)। তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল গুলি ও নগদ টাকা, একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ২৩-৫৮৩৬) ও সুজুকি মোটরসাইকেলসহ গাড়ির ভেতরে থাকা একটি অত্যাধুনিক হাইড্রলিক কাটার এবং বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। উক্ত ৬জন ডাকাত সদস্যের মধ্যে ইয়াছিন ছাড়া বাকী ৫জনকে ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি কার্যালয়ে ২দিনের ডিমান্ডে আনা হয়। (ডিবি) জানায়, রিমান্ডে তারা চা ল্যকর তথ্য দিয়েছে, এই ডাকাত দলের সাথে আরো যারা জড়িত আছে তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।
    জানা গেছে, এর আগে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় ডাকাতদল বাজারের নাইটগার্ড ও দোকানের কারিগর কর্মচারীদেরকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৯টি দোকানের প্রায় ২শ’ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় ৪০-৫০ জনের ডাকাত দল। গত ২৪/০৬/২০২৩ইং তারিখ রাত অনুমান ০২, ৩০ ঘটিকার সময় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার কাঠগড়া নয়াপাড়ার হাজী মোঃ আব্দুল আজিজ এর বাড়ির দোতালার পশ্চিম পাশের জানালার গ্রীল কাটিয়া ৮-১০ জনের ডাকাত দল রুমে প্রবেশ করে বাড়ির লোকজনের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা ও স্বর্ণ লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতরা। এর আগে একইভাবে কাঠগড়া এলাকায় আরো ৩-৪টি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
    উক্ত আশুলিয়া থানায় ডাকাতি মামলা নং ৭৩। তারিখ: ২৪/০৬/২০২৩ইং এ মামলার বাদী মোঃ আব্দুল আজিজ বলেন, ডাকাতির ঘটনার দিনগত রাত ৩টার দিকে আমার বাড়ির ২য় তালার একটি খালি রুমের ভিতরে প্রবেশ করে ৮-১০ জন ডাকাত দল এসময় আমার এবং আমার স্ত্রীসহ বাড়ির লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২৫ লক্ষ টাকা ও ২টি মোবাইলসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, উক্ত মামলায় পুলিশ আসামীর সংখ্যা কমিয়ে দিয়ে ৩-৪জনকে আসামী করেছে। নগদ ১৯,৫০,০০০/ টাকাসহ মোট অনুমান ২০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে এমনটি উল্লেখ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন ডাকাতদের ২জন লোহার পাইপ দ্বারা আমার স্ত্রীর হাতে, পায়ে আঘাত করিয়া নীলাফুলা জখম করেছে, তিনি আরো বলেন, দুইজন ডাকাতের কাছে পিস্তল ছিলো, আরও দুইজনের কাছে লোহার পাইপ ছিলো এবং ৩-৪ জন লুটপাট করেছে। মামলার বাদী আজিজ হাজীর স্ত্রী মোছাঃ সুমি আক্তার বলেন, ডাকাতরা আমাকে এবং আমার বাড়ির লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অনেক মারধর করে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণ ও প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে পারিয়েছে।
    এর আগে গত ০৫/০৯/২০২১ইং দিবাগত রাতে আশুলিয়ার বংশী নদী তীরবর্তী আশুলিয়া থানাধীন নয়ারহাট বাজার এলাকায় স্বর্ণের ১৯টি দোকানে গণডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতি হওয়া এক দোকানের মালিক রিদয় রায় ও আব্দুল্লাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শ্রী বিপ্লবসহ দোকান কর্মচারীরা গণমাধ্যমকে জানান, রাত দেড়টার দিকে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে ৪০-৫০ জনের দুর্ধর্ষ ডাকাত দল নয়ারহাট বাজারে প্রবেশ করে। এসময় তাদের হাতে বন্দুক, পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র ছিলো। ডাকাতরা বাজারের নিরাপত্তারক্ষী ও বিভিন্ন দোকানের কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ব্যাপক মারধর করে এবং একে একে ১৯টি দোকানে ড্কাতি করে প্রায় ২শ’ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে ইঞ্জিনের নৌকাযোগে নদীপথে পালিয়ে যায়। সর্বশেষে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর মোঃ মান্নান মোল্লার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। বাড়ির লোকজনকে পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৭০ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ ৩৮ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় ৭-৮ জনের ডাকাত দল। এই ঘটনার সাথে ওই এলাকার একাধিক ডাকাত জড়িত থাকতে পারে বলে অনেকেই জানায়।
    উক্ত স্বর্ণের দোকানে ড্কাতির ঘটনার পর ঢাকা জেলার সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর এসব ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত কোনো ডাকাতকে আশুলিয়া থানা পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেননি। এরপর ধারাবাহিকভাবে একাধিক দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। অনেকদিন পর হলেও ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছেন। এই ৬জন ডাকাতকে গ্রেফতার করায় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও ভুক্তভোগীরা ধন্যবাদ জানিয়েছেন ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশকে। এ দিকে ডিবি পুলিশ জানায়, অপরাধী সে যেই হোক না কেন তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলার ৭বার সেরা করদাতা আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া

    মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলার ৭বার সেরা করদাতা আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দেশবাসী সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া। যিনি ঢাকা জেলার ধারাবাহিক ভাবে ৭ম বার সেরা করদাতা নির্বাচিত হয়েছেন।
    জানা গেছে, রোমান ভুঁইয়া প্রতিটি জাতীয় দিবস পালন করেন এবং সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকেন। গত (২১ ডিসেম্বর ২০২৩ইং) সকালে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া ঢাকা জেলার সেরা করদাতা হিসেবে আবারও ৭ম বারের মতো শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এ বছরের সেরা সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন। ৭ম বারের মতো আবারও সেরা করদাতা (ঢাকা জেলা) সম্মাননা পেয়ে তাঁর প্রিয় ভাই বন্ধুসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এর আগে গত (২০ ডিসেম্বর ২০২৩ইং) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জনাব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়াকে শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন অর্থ মন্ত্রাণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সটিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
    বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক, মানবতার ফেরিওয়ালা জনাব আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া বলেন, আমার বার্তা হলো- ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারছি, যদি এই বাংলা ভাষাটা না থাকতো তবে এতো কাব্য এতো কবিতা ও গল্প কে লিখতো, যদি এই ভাষাটা না থাকতো তবে ভালোবাসি এই মিষ্টি কথাটি কে কাকে বলতো, যদি এই ভাষাটা না থাকতো তবে মা-কে এতো মধুর সুরে কে ডাকতো। ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনে আত্মত্যাগী সকল ভাষা শহীদদের স্মরণে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। সেই সাথে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান ও সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি, মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাদেরকে জান্নাতবাসী করেন, আমিন। সেই সাথে দেশবাসী সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
    তিনি আরো বলেন, আমি আবারও ৭ম বারের মতো ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সেরা সম্মাননা স্মারক পেলাম, শুকরিয়া আল্লাহ তায়ালার কাছে, আলহামদুলিল্লাহ । তিনি আরো বলেন, আমি ব্যবসায়ী হিসেবে কখনো করফাঁকি দেইনি, আমি সততার সাথে ব্যবসা করি, আমার ব্যবসার শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে যখন থেকে ব্যবসা বড় হচ্ছে-তখন থেকেই কখনো করফাঁকি দেওয়ার চিন্তা মাথায় ঢোকেনি, ব্যবসা শুরু করার পরের বছর থেকেই আমি নিজে আয়করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করি। তিনি আরো বলেন, আমার ব্যবসা যতো এগিয়েছে, কর দেওয়া ততটাই বাড়িয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমি ২০১৬ সালে প্রথমবার ঢাকা জেলার সেরা করদাতা হিসেবে সম্মাননা স্মারক পাই, এরপর ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯, ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ এবং ২০২৩ সালে বিজয়ের মাসে আবারও ৭ম বারের মতো ঢাকা জেলা সেরা করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সম্মান অর্জন করেছি, এই সম্মাননা আল্লাহর দান ও মানুষের দোয়ায় আজ আমি সম্মানিত হতে পেরে আনন্দিত। আমি মনে করি আমাদের কাউকে কখনোই রাষ্ট্রের সঙ্গে বেঈমানি করা উচিৎ না। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সততার সাথে ব্যবসা করার তৌফিক দান করেন, আমিন। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমি আবারও সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
    বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের (জামগড়া ভুঁইয়া বাড়ির মোঃ ছফিল উদ্দিন ভুঁইয়া ও মাতা মৃত তছিমন্নেছা দম্পতির আদরের তৃতীয় ছোট ছেলে), তিনি দুই কন্যা ও এক ছেলে সন্তানের বাবা। তিনি একজন ভালো মনের মানুষ, তিনি সবসময় সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলেন, তাঁর ভেতরে কোনো অহংকার নেই। এই মানুষটি অনেক কষ্টে সততার সাথে ব্যবসা করে এখন প্রতিষ্ঠিত। (বন্ধন ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড সাপ্লাইয়ার নায়ফা ট্রেড বিডি ও গ্লোরী ডিস্ট্রিটিং কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী) এবং আরো বিভিন্ন বৈধ ব্যবসা রয়েছে তাঁর। এলাকাবাসী জানায়, তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া একজন ভালো মনের মানুষ, তার মধ্যে কোনো হিংসা বা অহংকার নাই।

  • সুজানগরে জাতীয় বীমা দিবস পালিত

    সুজানগরে জাতীয় বীমা দিবস পালিত

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ ‘করবো বীমা গড়বো দেশ-স্মার্ট হবে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানে শুক্রবার(১ মার্চ) শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে পাবনার সুজানগর উপজেলায় জাতীয় বীমা দিবস পালিত হয়েছে। সুজানগর উপজেলা প্রশাসন এই কর্মসূচির আয়োজন করে। এদিন বেলা ১১টায় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বের হওয়া জাতীয় বীমা দিবসের শোভাযাত্রাটি স্থানীয় বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসুখময় সরকারের সভাপতিত্বে ও ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড সুজানগর শাখার কর্মকর্তা মো.সিদ্দিকুর রহমান লিটনের স ালনায় জাতীয় বীমা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন ও প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় বীমার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তারা বলেন, জীবন ও জীবিকা নির্বাহের সামর্থ্যরে চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। জীবনের জন্য একটি বীমা নিরাপত্তা নিয়ে রাখাই বিচক্ষণতার কাজ। কারণ, বীমা প্রিয়জনদের জন্য এমন একটি আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে,যা প্রয়োজনের সময়ে আপনার এবং আপনার প্রিয়জনদের সহায়ক হয়ে দাঁড়ায়। শেষে জাতীয় বীমা দিবস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় ৮ জুয়াড়ী আটক

    পাইকগাছায় ৮ জুয়াড়ী আটক

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি॥
    খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান,পিপিএম(বার) দিক নির্দেশনায় পাইকগাছা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলা অবস্থায় ৮ জুয়াড়ীকে আটক করেছে।আটক জুয়াড়ীদেরকে শুক্রবার সকালে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।থানা পুলিশ জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোররাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নের শান্তা গ্রাম থেকে জুয়া খেলারত অবস্থায় শান্তা গ্রামের ইয়াসিন শিকারী (৩৮), শাহিন সরদার (৩৫), বিল্লাল শেখ (৩৫), জাহিদ সানা (২৩), বাপ্পি শেখ (২৭),বাবুল গাজী (৩০) ও ফকিরাবাদ গ্রামের হুমায়ুন কবির (২৩) ,আব্দুর রহমান শেখ (৪০)কে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় জুয়ার বোর্ড থেকে ৩৬৪০/ টাকা ও দুই সেট তাস উদ্ধার করা হয়। ওসি ওবাইদুর রহমান জানান,আটক জুয়াড়ীদের শুক্রবার কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা(খুলনা)॥

  • উপকূলয়ীয় অঞ্চল পাইকগাছায় বুলেট মরিচের বাম্পার ফলন

    উপকূলয়ীয় অঞ্চল পাইকগাছায় বুলেট মরিচের বাম্পার ফলন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)॥
    উপকূলয়ীয় অঞ্চল পাইকগাছার লবন পানি এলাকা সুন্দরবন কোলঘেষা গড়ইখালীতে স্মার্ট প্রযুক্তি’র মাধ্যমে মরিচ চাষে প্রধান শিক্ষক সঞ্জয়-অর্পনা দম্পত্তি’র ক্ষেতে বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার হোগলারচকের বাসিন্দা শিক্ষক দম্পতি সঞ্জয় মন্ডল-অর্পনা ইতোমধ্যে তাদের ৯ কাঁঠা জমির মরিচ ক্ষেত থেকে দু’দফায় ৩৯ মন বুলেট মরিচ হারবেস্টিং করেছেন। যার বিক্রয় মূল্য ১লক্ষ্য ২৭ হাজার ৯৫৫ টাকা। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানাগেছে, রবি মৌসুমে উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নের হোগলারচক, কুমখালীসহ কয়েকটি স্থানে ৫ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ হচ্ছে। ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তিতে মালচিং পেপার ব্যবহার করে কৃষকরা লবন সহিষ্ণু বুলেট মরিচ ও সুপার মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। এ চাষ পদ্ধতিতে তেমন ঝুঁকি নেই,নেই রোগ বালাই। পানি সেচ কম লাগে,তাপমাত্রাও ধারণ করতে পারে। সে জন্য ফলনও খুবই ভালো হয়।
    এ বিষয়ে কুমখালীর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় মন্ডল জানান, মূলত আমরা কৃষক পরিবারের মানুষ। শিক্ষকতার পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রী’র নিজস্ব চিন্তা-ভাবনায় এ মৌসুমে ২বিঘা ৫ কাঁঠায় হাইব্রিট মরিচ সুপার ও ৯ কাঁঠা জমিতে বুলেট মরিচের চাষ করেছি। এখন কৃষি বিভাগের উপ-সহকারীরা ক্ষেত পরিদর্শন করে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।
    তিনি বলেন, ৯ কাঁঠার বুলেট মরিচ ক্ষেতে এ পর্যন্ত তার ব্যয় হয়েছে-৩৯ হাজার ২শত টাকা। ইতোমধ্যে দু’বার হারবেস্টিং করেছি। গত ২২ জানুয়ারি ১৪ মন ও ২১ফেব্রুয়ারিতে-২৪ মন ৩০ কেজি। যার বিক্রয় মূল্য ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৫৫ টাকা। এ দম্পত্তি আশা করেন বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ ক্ষেত থেকে এখনো ৬ বার মরিচ তুলতে পারবেন। সব মিলিয়ে বিক্রয় হবে প্রায় ৫ লাখ টাকা।এ সম্পর্কে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাশ জানান, ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তিতে গড়ইখালীতে ৫ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড মরিচের আবাদ করা হয়েছে।লবন এলাকায় মিষ্টি পানি সংরক্ষণ করে হোগলারচকের স্মার্ট মরিচ চাষি মলয় ও শিক্ষক দম্পত্তি সঞ্জয়-অর্পনা’র লাভ জনক মরিচ চাষ প্রযুক্তি অন্য কৃষকের জন্য উদাহরণ হতে পারে।