Author: desk

  • সূর্যমুখী চাষে বেশি লাভের প্রত্যাশা কৃষকদের; পাইকগাছায় সূর্যমুখী ফুল চাষে কৃষকদের মুখে হাসি

    সূর্যমুখী চাষে বেশি লাভের প্রত্যাশা কৃষকদের; পাইকগাছায় সূর্যমুখী ফুল চাষে কৃষকদের মুখে হাসি

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছ।সূর্যমুখী ফুলের চাষ ভালো হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখী চাষ করা জমিতে গিয়ে দেখা যায়, ফুটে থাকা হলুদ সূর্যমুখী ফুলের সমাহারে এক নয়নাভিরাম দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে। চারদিকে হলুদ রঙের ফুলের মনমাতানো ঘ্রাণ আর মৌমাছিরা ছুটছেন মুখরিত হয়ে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে। এটি যেন ফসলি জমি নয়, এ এক দৃষ্টিনন্দন বাগান।এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য অবলোকনে শুধু প্রকৃতিপ্রেমীই নয় বরং যে কারো হৃদয় কাড়বে। তবে সূর্যমুখী ফুল চাষের লক্ষ্য নিছক বিনোদন নয়। মূলত ভোজ্যতেল উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য চাহিদা মেটাতে এ চাষ করা হচ্ছে।
    সাধারণ কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উদ্বুদ্ধ করতে উদ্যমী কৃষকদের উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার ও বীজ প্রণোদনার মাধ্যমে সূর্যমুখী ফুলের চাষ হচ্ছে।মাটি ও আবহাওয়া সূর্যমুখী চাষাবাদের জন্য উপযোগী। কম সময় ও অর্থ ব্যয় করে সূর্যমুখী চাষ করে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
    বর্তমানে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহে মেতে উঠেছে উপজেলার মাঠগুলো। আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকূলে থাকায় কৃষকরা সূর্যমুখী ফুলের বাম্পার ফলনের আশা করছেন। তেল জাতীয় অন্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখীর চাষ অনেক সহজলভ্য ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় কৃষকেরা এতে উৎসাহিত হয়ে উঠবেন বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।
    উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২৯৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে। সূর্যমুখীর চাষাবাদ কৃষকের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে উপজেলারে কৃষকরা এফ-১ (হাইব্রিড) জাতের সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা শুরু করেছেন। ফুলের সৌন্দর্য দেখতে খামারে আসছেন দর্শনার্থীরা।অনেকে এটি চাষ করার পরামর্শও নিচ্ছেন। বর্তমানে একঘেয়েমি ধান চাষ করে কৃষকরা তেমন একটা লাভবান হচ্ছেন না। ধান চাষ করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় সেই টাকার ধান পাওয়া যায় না।
    অন্যান্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখী চাষে বেশি লাভের প্রত্যাশা অনেক বেশি। সূর্যমুখী ফুলের চাষ করলে ফুল থেকে তেল, খৈল ও জ্বালানি পাওয়া যায়। প্রতি কেজি বীজ থেকে কমপক্ষে আধা লিটার তৈল উৎপাদন সম্ভব। প্রতি বিঘা জমিতে ৭ মণ থেকে ১০ মণ বীজ উৎপাদন হয়। তেল উৎপাদন হবে প্রতি বিঘায় ১৪০ লিটার থেকে ২০০ লিটার পর্যন্ত। প্রতি লিটার তেলের সর্বনিম্ন বাজার মূল্য ২৫০ টাকা। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয় সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার টাকা। বর্তমানে বাজারে ভোজ্যতেলের আকাশছোঁয়া দাম হওয়ার কারণে চাহিদা বেড়েছে সরিষা ও সূর্যমুখী তেলের। এছাড়া সূর্যমুখী ফুলের তেল অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। তাই ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য এই তেল অন্যান্য তেলের চেয়ে অনেক উপকারী ও স্বাস্থ্যসম্মত।
    উপজেলার দেলুটি ইউনিয়ানে ৮০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে। দেলুটি কৃষক শিবপদ মন্ডল বলেন, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় আমি এই প্রথম ২বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছি। আমার সূর্যমুখী ফুল ভালো হয়েছ। প্রতিটি গাছেই ফুল ধরেছে। আশা করি সূর্যমুখী চাষে সফলতা আসবে ও লাভবান হতে পারব। আমাকে দেখে এলাকার অনেক কৃষকরা সূর্যমুখী ফুলের চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
    পৌর সভার শিববাটিতে প্রায় পাচশতক জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন পুরাকাঠি গ্রামের কৃষক আকবর মোড়ল (৭০)। তিনি বলেন, সূর্যমুখীর ফুল ও ফল ভালো হয়েছে। বিকেল বেলায় অনেকে লোকজন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেখতে আসেন সূর্যমুখী ফুল, জমির পাশে ছবি তুলেন সময় কাটান অনেকেই। তা দেখে আমার খুবই আনন্দ লাগে। শুনছি এটি খুবই লাভজনক একটি ফসল।
    উপজেলার দেলুটি ইউনিয়ানের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা উত্তম কুমার কুণ্ড বলেন, সূর্যমুখী এক দিকে মনোমুগ্ধকর ফুল অন্যদিকে লাভজনক ফসল। কৃষকদের বিস্তারিত জানিয়ে সূর্যমুখী আবাদ করার পরিকল্পনা করি। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের দিকে সারিবদ্ধভাবে বীজ বপন করা হয়। বীজ বপনের ৯০-১০০ দিনের মধ্যে ফসল তোলা যায়। সামান্য পরিমাণ রাসায়নিক সার ও দুবার সেচ দিতে হয় এ ফসলে। প্রতি একর জমিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। আর এক একর জমির উৎপাদিত বীজ থেকে ৬০-৬৫ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব। সূর্যমুখী গাছ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।
    উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ বলেন, উপকূলের লবনাক্ত এ উপজেলায় সূর্যমুখী ফুলের চাষ ভালো হয়েছে। সূর্যমুখীর বীজ থেকে যে তেল উৎপন্ন হয় তা স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্পন্ন। অলিভ ওয়েলের পরেই সূর্যমুখী তেলের অবস্থান। সয়াবিন ও সরিষা ভোজ্য তেলের ঘাটতি পূরণ করবে সূর্যমুখী তেল। বেশি লাভজনক ফসল সূর্যমুখী। তিনি বলেন, আশা করছি ভালো ফলন হবে। আগামীতে এই উপজেলায় সূর্যমুখী ফুলের চাষ ব্যাপক হারে সম্প্রসারিত হবে। কৃষকেরা সূর্যমুখী চাষ করে লাভবান হবেন বলে তিনি আশাবাদী।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • সুজানগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত

    সুজানগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত

    এম এ আলিম রিপন ঃ “সঠিক তথ্যে ভোটার হবো,স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো”এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে শনিবার (২ মার্চ) পাবনার সুজানগরে পালিত হয়েছে ষষ্ঠ জাতীয় ভোটার দিবস। এ উপলক্ষ্যে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সকাল ১০টায় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বের হওয়া বর্ণাঢ্য র‌্যালিটি স্থানীয় বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় ভোটার দিবসের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার আবুল কালাম। আলোচনা সভায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম,সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী মন্ডল, সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) দিলীপ কুমার, দৈনিক যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, উপজেলা মডেল মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আরিফ বিল্লাহ, সুজানগর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী বিজন কুমার পাল, পদ্মা সংগীত একাডেমির পরিচালক শ্রী জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী আমিনুর ইসলাম ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে উপজেলায় দিবসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। আলোচনা সভায় ভোটার হওয়ার নিয়ম কানুন এবং ভোট প্রদানের উপর গুরুত্বারোপ করে বক্তারা বলেন, ভোটার হওয়া এবং ভোট দেওয়া প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই একজন নাগরিক দেশের শাসন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করে থাকে। তাই যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক ব্যক্তিকে ভোটার হতে হবে,ভোট দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের সুফল বিষয়ে বক্তারা বলেন, বর্তমানে আর্থিক ও সামাজিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রকে অনেক ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই সকল যোগ্য নাগরিকেরই উচিৎ তাদের বয়স আঠারো বৎসর হলেই স্ব- উদ্যোগে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হওয়া। শেষে কয়েকজন ব্যক্তি নতুন ভোটার হন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • খুলনায় জাতীয় ভোটার দিবস পালিত

    খুলনায় জাতীয় ভোটার দিবস পালিত

    খুলনা প্রতিনিধি।।

    ‘সঠিক তথ্যে ভোটার হবো, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শনিবার খুলনায় জাতীয় ভোটার দিবস পালিত হয়। এ উপলক্ষ্যে সকালে খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা ও স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন, এপিএমবি, শিক্ষা ও আইসিটি) ড. ফারুক আহাম্মদ।
    প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সকল নাগরিকের ভোটার হওয়ার অধিকার রয়েছে। যারা ভোটার হওয়ার যোগ্য তাদের ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে। সরকার জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন-২০২৩ পাস করেছে এবং নীতিমালা প্রণয়ন বিষয়ে কাজ করছে। ভোটার হওয়ার সময় সঠিক তথ্য দেওয়া প্রয়োজন। সরকারি চাকুরিজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সেবা দিতে হলে আমাদের স্মার্ট হতে হবে। স্মার্ট গভার্নমেন্ট, স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি ও স্মার্ট সোসাইটি নিশ্চিত হলে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া সহজ হবে।
    খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কেএমপি’র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল হুসাইন খাঁন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির ও সরদার মাহাবুবার রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফারাজী বেনজীর আহম্মেদ।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম উদ্বোধন এবং নতুন ভোটারদের মাঝে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করেন। এর আগে তিনি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় চত্বরে দিবসের উদ্বোধন করেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে সরকার………. ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ

    জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে সরকার………. ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ

    খুলনা প্রতিনিধি।।
    ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ প্রণয়ন করেছে সরকার। এই ডেল্টা প্ল্যানের লক্ষ্য হলো পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব বজায় রাখা। পরিকল্পনা মোতাবেক মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলার প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার।
    তিনি শনিবার সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিন আয়োজিত পরিবেশের ওপর টাইম ফর ন্যাচার এন্ড ন্যাচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট শীর্ষক দুই দিনব্যাপী দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
    মন্ত্রী বলেন, জাতীয় পরিকল্পনা ও নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন দেশের পরিবেশগত বাস্তুতন্ত্র, জীবিকা এবং অর্থনীতির মেরুদন্ড আর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এ বনের নিকটতম গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। সে হিসেবে সুন্দরবন নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এই সম্মেলন থেকে প্রাপ্ত সুপারিশমালা টেকসই স্থানীয় সমাধানগুলোর সাথে পরিবেশগত ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রচেষ্টা এবং অনুশীলনকে উন্নত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্লেনারি স্পিকার হিসেবে বক্তৃতা করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। প্যাট্রন হিসেবে বক্তৃতা করেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আবুল কালাম আজাদ। স্বাগত বক্তৃতা করেন সম্মেলন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী। ধন্যবাদ জানান সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ মুজিবুর রহমান।
    দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে ১২৮টি মোখিক প্রেজেন্টেশন, ৪৮টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন, ৬টি কি-নোট পেপারসহ ১৮৩টি গবেষণা নিবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। সম্মেলন শেষে একটি সুপারিশমালা প্রস্তুত করা হবে। এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশ, ভারত, ভূটান, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, পোল্যান্ড, ইতালি এবং জার্মানি থেকে ২৪৫ জন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী সশরীরে এবং ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করছে।

  • মহেশপুরের মাটিলা যেন সোনার খনি আবারো ৫ কোটি টাকার সোনার বার জব্দ

    মহেশপুরের মাটিলা যেন সোনার খনি আবারো ৫ কোটি টাকার সোনার বার জব্দ

    ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা মাটিলা সীমান্ত সোনা চোরাচালান ও ধুড় পাচারের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয় চোরাকারবারীরা মাটিলা সীমান্ত বিভিন্ন দ্রব্য পাচার করছে বলে অভিযোগ। এদিকে ৪৪ দিনের ব্যবধানে শনিবার আবারো সোনার বার ধরা পড়েছে ওই সীমান্তে। উদ্ধার হয়েছে চার কোটি ৩৫ লাখ টাকা মুল্যোর ৫ কেজি সোনার বার। এই নিয়ে চলতি বছরের দুই দিনে সাড়ে ৯ কেজি সোনার বার জব্দ করলো মহেশপুরের ৫৮ বিজিবি। মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক এইচ এম সালাহউদ্দিন চৌধুরী শনিবার বিকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) কর্তৃক নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাটিলা এলাকা দিয়ে সোনা পাচারের তথ্য জানতে পারে।
    এমন খবর পেয়ে বিজিবি অধিনায়কের নেতৃত্বে মাটিলা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার ৫১ হতে ২৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থান গ্রহন করেন। শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে চোরাকারবারী সীমান্ত সংলগ্ন কৃষিজমিতে কাজ করার বাহানায় স্বর্নের চালানটি ভারতে নেয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় চোরাকারবারীরা সোনার বারের প্যাকেটটি ফেলে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। টহলদল ঘটনাস্থল থেকে সাদা প্যাকেটে মোড়ানো অবস্থায় প্রতিনিটি এক কেজি ওজনের পাঁচটি বার উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত সোনার বারের সিজার মূল্যে-৪ কোটি ৩৫ লাখ ৯ হাজার ৯৪৫ টাকা।
    এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে। চোরাকারবারীদের সনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গগ্রহনের পক্রিয়া চলছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য গত ১৭ জানুয়ারি মাটিলা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় সাড়ে চার কোজি ওজনের সোনার বার জব্দ করে বিজিবি। এ সময় মহেশপুর উপজেলার মাটিলা বাগান পাড়ার হযরত আলীর ছেলে রিমন হোসেন (২০) কে আটক করা হয়। এছাড়া গত ১৮ ও ১৪ ফেব্রয়ারি মাটিলা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় এক ভারতীয়সহ ৫৬ জনকে আটক করে বিজিবি।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • বানারীপাড়া ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারসহ বিভিন্ন পদে জনবল শুণ্য

    বানারীপাড়া ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারসহ বিভিন্ন পদে জনবল শুণ্য

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা: বানারীপাড়া ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারসহ বিভিন্ন পদ শুণ্য থাকায় স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে দারুন বিঘ্ন ঘটচ্ছে।
    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ জন এমবিবিএস চিকিসৎকসহ কন্সাল্টেন্টের পদ রয়েছে ১০ জন। এর মধ্যে ৯ জনেরই পদ শুণ্য রয়েছে। ডেন্টাল সার্জনের একটি পদ থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে শুণ্য রয়েছে। মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন পদের ২০ জনের মধ্যে ৯ টি পদই শুণ্য । সবচেয়ে ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ক্লিনারের পদ রয়েছে ৫ টি কিন্তুু একজন ক্লিনার দিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতার কাজ চলেছে। এ জন্য বাথরুম সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে নোংরা পরিবেশ বিরাজ করেছ।
    রোগীদের বেডসহ বিছানা সরবরাহ অপর্যাপ্ত থাকায় অনেক রোগিকে ফ্লোরে থাকতে হচ্ছে। এ নিয়ে রোগীর স্বজনদের সাথে কর্তব্যরত সেবিকাদের সাথে বাকবিতন্ডা লেগেই থাকে।

    এ সব বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেল জানান, এ সব সমস্যার বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। হাসপাতালে যে অভাব রয়েছে তার সমাধান প্রয়োজন।

    বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মারিয়া হাসান জানান, জুনিয়র কন্সাল্টেন্টের পদ শুধু বানারীপাড়ায় নয় সাড়া দেশেই সংকট রয়েছে। তাছাড়া কন্সাল্টেন্টদের নিয়োগ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, অধিদ্তর দেয়না। অন্যান্য শূন্য পদের ব্যাপারে আমরা যথা শীগ্র পুরনের জন্য উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।#

  • পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

    পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত কমিটির প্রথম সভা ২ মার্চ শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়।

    পটিয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আলাউদ্দিন ভুঁইয়া জনির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল করিমের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ছিলেন পটিয়ার সংসদ সদস্য ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী। এতে বক্তব্য রাখেন পটিয়া পৌরসভার মেয়র আইয়ুব বাবুল, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি ওসি জসীম উদ্দিন, নিপুন চৌধুরী, কাউন্সিলর গোফরান রানা, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক কুসুমপুরা ইউপি চেয়ারম্যান জাকারিয়া ডালিম, সদস্য আবুল কালাম বাবুল, হাজী আবুল বশর, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: সব্যচাসী নাথ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা পিপলু চন্দ্র নাথ, সাংবাদিক এটিএম তোহা, ডি এম জমির উদ্দীন, মিসকাত আহমেদ, সাইফুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সাহাব উদ্দিন, ক্রীড়া সংগঠক নুরুল আলম, ইমরানুল আলম, শাহরিয়ার শাহজাহান, কাজী আব্দুল কাদের, মহিলা কাউন্সিলর ইয়াসমিন আক্তার চৌধুরী, মহিলা নেত্রী সাজেদা বেগম।

    প্রধান অতিথি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি বলেন, আগামী স্মার্ট হবে পটিয়ার ক্রীড়াঙ্গ। ফুটবল, ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে পটিয়ার মাঠ ফিরে পাবে প্রাণ। এজন্য সকল ক্রীড়া সংগঠনকে ভুমিকা রাখতে হবে। নব গঠিত পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা আগামীর প্রজন্মের জন্য খেলা-ধুলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যকে উজ্জীবিত রাখতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাবো৷

  • ধামইরহাটে বে-সরকারী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে

    ধামইরহাটে বে-সরকারী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট প্রতিনিধি :

    নওগাঁর ধামইরহাটে বেসরকারী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে। ২ মার্চ সকাল ১০ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। উপজেলা সদরস্থ ধামইরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৯টি বিদ্যালয়ের ২০৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। প্রায় ৬ বছরর পরে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ৩টি পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। ২০১৮ সালে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
    কেন্দ্র সচিব প্রধান শিক্ষক মোছা. ছাবিহা ইয়াছমিন জানান, সভাপতি পদে সাবেক সভাপতি চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুকুল হোসেন ও ধামইরহাট সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান প্রতিদ্বন্দীতা করছেন ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন মো. তফিকুল ইসলাম, মো. আবু ইউসুফ, এবিএম খুরশিদ আলম ও মো. আনিছুর রহমান এবং সহ-সভাপতি পদে লড়ছেন প্রধান শিক্ষক অমল চন্দ্র ঘোষ, আবুল কালাম আজাদ, মোসা. খোরশেদা আকতার ও হারুন অর রশিদ।
    নির্বাচনে উৎসব মুখর পরিবেশে সকলেই নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারছেন জানিয়ে প্রিজাইটিং অফিসার ও উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার কাজল কুমার সরকার বলেন, ‘স্বচ্ছ ব্যালটের মাধ্যমে ৩টি পদে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। নির্বাচনী এজেন্টরাও ভোটের পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

    আবুল বয়ান।

  • দোয়ারাবাজারে জাতীয় ভোটার  দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত 

    দোয়ারাবাজারে জাতীয় ভোটার  দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত 

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    সঠিক তথ্যে ভোটার হবো “স্মাট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো” এই প্রতিপাদ্যেকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে ৬ষ্ঠ জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন করা হয়। 

    শনিবার (২মার্চ) উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে 
    দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন অফিসের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নেহেরু নিগার তনুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রব্বানী চৌধুরী, জেলাপরিষদ সদস্য আব্দুল খালেক, বাংলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মদ আবুল হোসেন, নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোসারফ হোসেন, দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল হামিদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার পঞ্চানন কুমার সানা, মুক্তিযুদ্ধা নুরুল ইসলাম, জাতীয় পাটি নেতা নুর হোসেন মো. আব্দুল্লাহ, মাওলানা জিয়া উদ্দিন, সাংবাদিক বজলুর রহমান, মো. আশিক মিয়া, আলাউদ্দিন, হারুন অর রশিদ সহ বিভিন্ন অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা, শিক্ষক নেতৃবৃন্দগণ।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে কমিউনিস্ট পার্টির চতুর্দশ সন্মেলন উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে কমিউনিস্ট পার্টির চতুর্দশ সন্মেলন উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ ২রা মার্চ-২০২৪ পীরগঞ্জ পৌর অডিটোরিয়াম হতে র‍্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার ও পীরগঞ্জ পৌর অডিটোরিয়ামে এস র‍্যালী সমাপ্তি হয় র‍্যালী শেষে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির চতুর্দশ সন্মেলন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রভাত সমির শাহাজাহান আলমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বক্তৃতা দেন বাংলাদেশ সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড রুহিন হোসেন প্রিন্স,প্রধান বক্তা ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা সিপিবি সাধারণ সম্পাদক এড.আবু সায়েম,পীরগঞ্জ সিপিবি সভাপতি মোঃমোর্তুজা আলম।

    এছাড়া ও পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।বক্তব্যে জানা যায় যে,দূশাসন হটাও,ব্যাবস্থা বদলাও,বিকল্প গড়ো,ভাত ও ভোটের অধিকার চাই।

    সে সময় উক্ত অনুষ্ঠানে পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক গীতি গমন চন্দ্র রায় গীত,বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।