রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নোয়াখালীর সেনবাগে জাহিদ ইসলাম (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
নিহত জাহিদ উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউপির উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের বাসিম্দা গিয়াস উদ্দিনের ছেলে এবং স্থানীয় সেনবাগ ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল।৭ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ছমির মুন্সিরহাট টু দিলদার সড়কের আজিজপুর বাদশা মিয়ার বাড়ির সামনে উক্ত দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে উপজেলার কাবিলপুর ইউপির আজিজপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার বাড়ির সামনের মোড়ে পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে তার মাথা গিয়ে সড়কের পাশে থাকা গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে থেতলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। সেনবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুলতান আজম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।গনমাধ্যামকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
Author: desk
-

সেনবাগে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কলেজ পড়ুয়া ছাত্রের মৃত্যু
-

বরিশাল কাশিপুরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কৃষি কর্মকর্তা সহ আহত ২
নিজস্ব প্রতিবেদক ::
বরিশাল বিমানবন্দর থানাধীন কাশিপুর এলাকায় জমি বিরোধের জের ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কৃষি কর্মকর্তা সহ দুইজন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৬ মার্চ সকাল ১১ টার দিকে ১ নং ওয়ার্ড কলস গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলো ওই এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান শরীফের মেয়ে বাবুগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন, এবং সাদিয়ার বড় ভাইয়ের স্ত্রী মায়েদা খাতুন।
বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনা স্থানে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন।
এদের মধ্যে গুরুতর মায়েদা খাতুন কে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং সাদিয়া প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
আহত মায়েদা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সাদিয়ার ক্রয়কৃত জমি নিয়ে তার চাচা আবুল হোসেন শরীফ ও তার পরিবারদের সাথে বিরোধ চলে আসছে।
সাদিয়ার জমি জোরপূর্বক জবরদখল করার চেষ্টা চালায় আবুল হোসেন ও তার সহযোগীরা।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সব প্রশাসনকে জানানো হলেও তাতেও কোন সমাধান আসেনি।
সাদিয়া নগরীর নতুন বাজার এলাকায় বসবাস করেন, এই সুযোগে প্রায় সময় শত্রুতা করে সাদিয়ার বাড়ির ফল-ফলাদি গাছ কেটে নিয়ে যায় আবুল হোসেন ও তাদের সহযোগী মনির, মামুন, ইসমাইল, নাজমা সহ কয়েকজন।
ঘটনার দিন বুধবার সকাল ১১ টার দিকে ফল-ফলাদি গাছ কেটে নেওয়া কে কেন্দ্র করে সাদিয়ার সাথে আবুল হোসেন শরীফের দ্বন্দ্ব হয়।
এরই জের ধরে একপর্যায়ে আবুল হোসেন শরীফ ও তাদের সহযোগী মনির, মামুন ইসমাইল, নাজমা, সহ কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টায় সাদিয়া আফরিন এর উপরে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সাদিয়ার বড় ভাই শরীফ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম এর স্ত্রী মায়েদা খাতুন বাচাতে আসলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়া কুপিয়ে তার ডান হাত সহ বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম করে।এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনদের সূত্রে জানা যায়।
-

ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন পটিয়ার আলোচিত ঝুলন হত্যা : গ্রেফতার দুই আসামী
মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।।
চট্টগ্রামের পটিয়ায় গরু চোরদের হাতে খুন হওয়া আলোচিত ঝুলন বৈদ্য হত্যার দীর্ঘ ৭ মাস। থানার দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে মিলেনি আসামীদের কোন খদিস। অবশেষে ৭ মাস পর পটিয়া থানার একদল চৌকশ পুলিশের টিম ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন করে। সন্ধান পাই চোর চক্রের।বুধবার (৬ মার্চ) পটিয়া থানার পুলিশ ঝুলন হত্যার দুই আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
গ্রেফতাররা হলেন, খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার জুলফু মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ সেলিম (৪৫) ও সন্দ্বীপ উপজেলার হারাখাল গ্রামের মো. বাবুলের পুত্র ওমর ফারুক (২৫)।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন পটিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ সাইফুল ইসলাম, সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স এসআই শিমুল চন্দ্র দাস, এসআই আসাদুর রহমান, এএসআই ফয়েজ আহম্মদ, এএসআই অনুপ কুমার বিশ্বাস ও এএসআই মহি উদ্দিন।
জানা যায়, পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের ০৮ নং দক্ষিণ হাবিলাসদ্বীপ ওয়ার্ড বাসিন্দা সহজ সরল যুবক ঝুলন বৈদ্য, পেশায় একজন সিএনজি চালক। প্রতিদিন এর মতো গত ১৩.০৯.২৩ রাতে সিএনজি চালিয়ে এসে খাওয়াদাওয়া সেরে নিজ বাড়ীতে ঘুমানোর জন্য শুয়ে ছিলো শুয়ে শুয়ে মোবাইলে ভিডিও দেখছিলেন নিজের রুমে(ঝুলনের ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়ের ভাষ্যমতে)। রাত আনুুমানিক ২ টায় দিকে ঘরের জানালা দিয়ে টর্চে আলো দেখে কৌতূহলী হয়ে দরজা খুলে বাহির হয় কে টর্চ মাড়লো দেখতে। বাহির হয়েই পড়েন বিপত্তিতে। সে মনে করছিলো প্রতিবেশী কেউ গরুর গোয়াল ঘরে গরুর পাহারা দিতে বেরিয়েছে। কিন্তু তার ধারনা ভুল ছিলো,- আসলে এসেছিলো ছয়জনের সংঘবদ্ধ গরু চোরের দল।
এখন ঝুলন বৈদ্য (৪০) বেরিয়ে যাওয়াতে চোরের দলের ঘরের পাশের গোয়াল ঘরের গরু চুরি বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারনে সংঘবদ্ধ ছয়জনের চোরের দল ঝুলন বৈদ্যকে এলোপাথাড়ি মারতে মারতে নিয়ে যায় তাদের বাড়ীর থেকে কিছুদূরে স্হানীয় হাবিলাসদ্বীপ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের উত্তর পাশের পূর্ব কোনায়। সেখানে তারা ঝুলন বৈদ্যকে ইচ্ছে মতো মারার পর যখন পাড়াপড়শি বেরিয়ে হৈহোল্লা শব্দ করছে তখন চোরেরা ঝুলন বৈদ্য কে ঐখানে ফেলে চলে যায়। পরে তার প্রতিবেশীও পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় সেখানে তার অবস্হার অবনতি দেখায় রাতেই তাকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে পাচঁদিন মূমূর্ষ অবস্হায় আইসিইউ’তে থাকার কয়েক ঘন্টা পর চিকিৎসক ঝুলন বৈদ্যকে মৃত ঘোষণা করেন।এবিষয়ে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, ঝুলন বৈদ্য হত্যার রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় তার পরিবার ভেঙ্গে পড়ে। এই ঘটনা ক্লুলেস হওয়ায় পটিয়া থানার বিশেষ আভিযানিক দল রহস্য উদঘাটন করে দুই আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। আসামীদের বুধবার পটিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করলে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ঝুলন হত্যায় জড়িত থাকার সত্যতা শিকার করেন।
তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতরা আন্ত জেলা গরু চোর চক্রের অন্যতম চোর। এই চোর চক্রের সাথে জেলার দুই হাজারেও বেশি চোর জড়িত আছে। তাদের গ্রেফতার করে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনা হবে।
উল্লেখ্য, পটিয়া থানার ওসি জসিম উদ্দিন থানায় আসার পর থেকে গত দুই মাসে ১৮টি গরু, ১টি ছাগল, ৪টি অটোরিক্সা, আগ্নেয়াস্ত্র, চোলায় মদ ও ২১ জন গরু চোরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
-

আশুলিয়ায় হোটেল কর্মচারী কর্তৃক ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের চেষ্টা-থানায় মামলা-আসামী গ্রেফতার
হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার নরসিংহপুরে ক্যাফে ষ্টার রেষ্টুরেন্ট এন্ড কাবাব দোকানের কর্মচারী কর্তৃক সাত বছরের এক শিশু মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা, এই অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছেন র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে, মামলা নং ১২। তারিখ: ০৬/০৩/২০২৪ইং, ধারা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০৩এর ৯ (৪) (খ)।
বুধবার মামলার এজাহার ও ভিকটিমের বাবা বাদী সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মার্চ ২০২৪ইং দুপুরে মাদ্রাসা থেকে তার বাবার মুদি দোকানে আসার পর খাবার শেষে দোকান থেকে তাদের ভাড়া বাসায় যাওয়ার সময় পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে একা বাসায় ফেরার সময় বিবাদী মোঃ মিজানুর রহমান মিজান (৩৭) মেয়েটির পিছু নিয়ে ভুল-ভাল বুঝাইয়া নরসিংহপুর সাকিনস্থ ভিকটিমের বর্তমান বাসার পশ্চিম পার্শ্বের গলিতে নিয়ে বিভিন্ন লোভ-লালসা দেখিয়ে বিকাল ৫টার দিকে ভিকটিম (৭)কে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। ভিকটিমের বাবা বলেন, আমার মেয়ের ডাক-চিৎকারে আশেপাশের লোকজনসহ আমার ছেলে ঘটনাস্থল থেকে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে, এসময় ধর্ষণ চেষ্টাকারী মিজান কৌশলে পালিয়ে যায়। এরপর ভিকটিমের চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পুলিশ ও র্যাবের কাছে মামলা করার জন্য এ ব্যাপারে অভিযোগ করেন ভিকটিমের বাবা।
মঙ্গলবার ৫মার্চ দিবাগত রাত ৯টার দিকে ভিকটিমের বাবার লিখিত অভিযোগ পেয়ে দ্রুত সময়ে সাভারের নবীনগর ক্যাম্প র্যাব-৪, সিপিসি-২ এর গোয়েন্দা চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, বিবাদী মোঃ মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (৩৭), এলাকায় অবস্থান করছে, এরপর র্যাব তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় উল্লেখিত আসামী মিজানকে গ্রেফতার করে রাতেই আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করেন।
এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মিজানুর রহমান মিজানকে র্যাব-৪ কর্তৃক আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করেছেন। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করে তাকে আদালতে পাঠানো হয় এবং ভিকটি কে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা ডাক্তারী পরিক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এই ধর্ষণচেষ্টাকারী মিজানুর রহমানের কর্মস্থল হোটেল মালিক জাফর তার কর্মচারী মিজানকে রক্ষা করতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মিমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়, এর মধ্যে র্যাব ওই আসামী মিজানকে গ্রেফতার করে। -

গ্রাম পুলিশদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
চাকুরী জাতীয়করণের বিষয়টি সংসদে উত্থাপনের জন্য স্মারকলিপি প্রদান করেছেন পাইকগাছার গ্রাম পুলিশরা। স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান এর মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করেছেন তৃণমূল পর্যায়ের আইন শৃঙ্খলায় নিয়োজিত বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ এর সদস্যরা। স্মারকলিপির মাধ্যমে গ্রাম পুলিশরা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ বাহিনীর চাকুরী জাতীয়করণের আদেশ প্রদান করেন। যা ১৯৭৬ সালে ১৭/০১/১৯৭৬ তারিখের এস/১/১ ইউ-৫/৭৬/১৮/১(৬৬) নং স্মারকে পরিপত্র আকারে স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে প্রতিটি জেলায় প্রেরণ করা হয়। জাতির পিতার সেই আদেশের পরিপত্রটি এখনো পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। এটা অত্যান্ত দুঃখ জনক। স্মারকলিপির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর আদেশ অনুযায়ী বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশে কর্মরত ৪৬ হাজার ৮৭০ জন গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের চাকুরী জাতীয়করণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মহান সংসদে উত্থাপনের জন্য সংসদ সদস্যের নিকট আহ্বান জানান গ্রাম পুলিশরা। তারা বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতি দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। জনগণের পাশাপাশি সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনমানের উন্নয়ন হচ্ছে। অথচ গ্রামীণ আইন শৃঙ্খলা কাজে নিয়োজিত বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের জীবনমান উন্নয়ন চরমভাবে উপেক্ষিত। এ বাহিনীর সদস্যরা সরকারের আদেশ ও নির্দেশ অনুযায়ী ২৪ ঘন্টা দায়িত্ব পালন করছে, একই সাথে ৭০ প্রকারের কাজ করে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এ বাহিনীর সদস্যরা শ্রমের মূল্য সঠিকভাবে পায়না। গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে বর্তমানে দফাদাররা বেতন পান ৭ হাজার টাকা এবং মহল্লাদার ৬ হাজার ৫শত টাকা। সামান্য এই ভাতার অর্ধেক প্রদান করে থাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং বাকি অর্ধেক ইউনিয়ন পরিষদ। মন্ত্রণালয়ের অংশ নিয়োমিত পরিশোধ করা হলেও বেশিরভাগ ইউনিয়ন পরিষদ ভাতা প্রদানে কালক্ষেপন করে থাকে। বর্তমান বাজার মূল্যের কথা বিবেচনা করে গ্রাম পুলিশদের জীবনমান উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর আদেশ অনুযায়ী চাকুরী জাতীয় করণের দাবী জানান গ্রাম পুলিশরা। স্মারকলিপি প্রদান কালে উপস্থিত ছিলেন, পাইকগাছা উপজেলা গ্রাম পুলিশের সভাপতি আফসার আলী সানা ও সাধারণ সম্পাদক কালিপদ সরকার সহ সকল সদস্যবৃন্দ।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ৭ মার্চের ভাষণ, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা ও একুশে মে ৭ মার্চের ভাষণ ও কবিতা আবৃত্তি এবং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ৩টি প্রতিযোগিতা সার্বিক তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন। বিচারক মন্ডলী ছিলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাস, উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার ও ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর ঈমান উদ্দীন। ৭ মার্চের ভাষণ প্রতিযোগিতায় ক গ্রুপের বিজয়ীরা হলেন, কপিলমুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী আরধ্যা সাধু (প্রথম স্থান), শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ওয়ারিসা নামিরা (দ্বিতীয় স্থান), একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসাইবা নওনক রিমাস (তৃতীয় স্থান)। খ গ্রুপের বিজয়ীরা হলেন, পাইকগাছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অহনা রহমান (প্রথম স্থান), কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপরাজিতা সুচি (দ্বিতীয় স্থান), একই বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নন্দিতা মল্লিক (তৃতীয় স্থান)। কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা হলেন, ক গ্রুপের পাইকগাছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অহনা রহমান (প্রথম স্থান), লক্ষ্মীখোলা কলেজিয়েট স্কুলের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারিহা রহমান (দ্বিতীয় স্থান), কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী তারিনী তারান্নুম ও পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজিদুর রহমান (তৃতীয় স্থান)। খ গ্রুপের বিজয়ীরা হলেন, ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী তুরানী আক্তার রাসা (প্রথম স্থান), একই প্রতিষ্ঠানের বিউটি দাশ (দ্বিতীয় স্থান), লতা খাতুন (তৃতীয় স্থান)। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার ক গ্রুপের বিজয়ীরা হলেন, মঠবাটী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুজিৎ মিস্ত্রী (প্রথম স্থান), পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তানিশা তাবাসসুম রুহী (দ্বিতীয় স্থান) ও গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আফিয়া রহমান (তৃতীয় স্থান)। খ গ্রুপের বিজয়ীরা হলেন, শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়ারিশা নামিরা (প্রথম স্থান), একই বিদ্যালয়ের নুসাইবা নওনক রিমাস (দ্বিতীয় স্থান) ও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অস্মিতা সরকার (তৃতীয় স্থান)। বিজয়ীদের ৭ মার্চের মূল অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রদান করা হবে। -

শিশু ধর্ষণ মামলায় এমপি’র যাবজ্জীবন
ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ৫ বছরের এক কণ্যা শিশুকে ধ*র্ষ*ণ মামলায় তরিকুল জোয়ার্দ্দার ওরফে এমপি নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার সকালে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ মিজানুর রহমান এ দন্ডাদেশ প্রদাণ করেন। দন্ডিত তরিকুল ইসলাম ওরফে এমপি শৈলকুপার ক্ষুদ্র রয়েড়া গ্রামের মৃত মেনদায় জোয়ার্দ্দারের ছেলে। গ্রামের মাুনষের কাছে তিনি এমপি নামেই বেশি পরিচিত। ধর্ষন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বজলুর রহমান জানান, ২০২১ সালের ৭ ফেব্রয়ারি শৈলকুপা উপজেলার বাহির রয়েড়া গ্রামের ৫ বছরের এক কণ্যা শিশুকে ধ*র্ষ*ণ করে পার্শবর্তী ক্ষুদ্ররয়েড়া গ্রামের তরিকুল জোয়ার্দ্দার ওরফে এমপি। নির্যাতিতা পরিবারকে জানালে পরদিন তার চাচা বাদী হয়ে তরিকুলকে আসামী করে শৈলকুপা থানায় একটি মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বুধবার সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে আসামী তরিকুল এমপিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ের আরও ৪ মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ। -

দীর্ঘ এক যুগ পর পাইকগাছার কপিলমুনিতে ৪শ বছরের ঐতিহ্যবাহী মহা বারুনীমেলার আয়োজনে চলছে জোর প্রস্তুতি
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা )।।
সুন্দরবন উপকূলীয় পাইকগাছার কপোতাক্ষ নদের তীরের ঐতিহ্যবাহী মহা বারুনী মেলা আয়োজনে দীর্ঘ দিন পর এলাকাবাসী একত্রিত হয়েছে কপিলমুনিতে। ৪শ বছরের ঐতিহ্য কপিলমুনির এই ঐতিহ্যবাহী বারুনী মেলা ফিরিয়ে আনতে কয়রা পাইকগাছার সংসদ সদস্য রশীদুজ্জামান মোড়লের নির্দেশনায় পুনরায় প্রাণ ফিরে পেতে চলছে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী কপিলমুনির বারুনী মেলা। ইতোমধ্যে দফায় দফায় আলোচনায় প্রাণ ফিরেছে আয়োজকদের মধ্যে।
বরাবরের ন্যায় কপিলেশ্বরী কালী মন্দিরের সভাপতি চম্পক কুমার পালকে সভাপতি, কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়ার্দার কে সাধারণ সম্পাদক ,সাধন চন্দ্র ভদ্র কে কোষাধ্যক্ষ ও মাহমুদ আসলামকে মেলা কমিটির পরিচালক করে করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট বারুনী মেলা উদযাপন কমিটি গঠিত হয়েছে। চলছে পৃথক আরো অন্তত ১১টি উপ-কমিটি গঠনের কাজ। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব কিছু ঠিক-ঠাক থাকলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর দিন থেকে মেলার আয়োজনে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছে আয়োজক গোষ্ঠী।
এদিকে দীর্ঘ প্রায় ১ যুগ পর কপিলমুনির ঐতিহ্যবাহী মহা বারুনী মেলা উদযাপনের খবরে চলছে সাজ সাজ রব। আয়োজক সহ সর্বসাধারণের মধ্যে চলছে উৎসবের আমেজ। ইতোমধ্যে মেলার সারথী হতে আগ্রহ প্রকাশ করে যোগাযোগ শুরু করেছে বিভিন্ন সার্কাস, যাত্রাগাণ, যাদু প্রদর্শনী, পুতুল নাচসহ চিত্ত বিনোদনের নানা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী।
মেলা আয়োজক গোষ্ঠীর সভাপতি ও কপিলেশ্বরী কালী মন্দির কমিটির সভাপতি চম্পক কুমার পাল জানান, কপিলমুনি মহা বারুনী স্নানের ইতিহাস সুদীর্ঘ ও পৌরানিক কাহিনী নির্ভর। মেলার ইতিহাস উদ্বৃতি দিয়ে তিনি জানান, দ্বাপর যুগে প্রায় ৫ হাজার বছর আগে পুন্ড্র নগরের অধিপতি বসুদেবের ছেলে বাসুদেবের বৈমাত্রেয় ভাই কপিলদেব কপোতাক্ষের কালীবাড়ী ঘাটের বটবৃক্ষমূলে দীর্ঘ তপধ্যানে মগ্ন থেকে সিদ্ধিলাভের সময় থেকে এখানে বারুনী স্নান অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
তিনি বলেন, শ্রীকৃষ্ণ বাসুদেবের সাথে বসুদেবের ছেলে বাসুদেবের বসচা ও নিজেকে ঈশ্বর বলে দাবি অন্যদিকে বাসুদেবের শ্বশুর জরাসন্ধের পুন্ড্রনগরের দখল নিতে বসুদেবকে হটাতে ১০০ নৃপতিকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। সে লক্ষ্যে হত্যা যজ্ঞ শুরু করলে কপিল তা প্রতিরোধে সিদ্ধিলাভের আশায় বিভিন্ন স্থানে তপধ্যান শুরু করেন। একপর্যায়ে কপিলমুনির কালীবাড়ী ঘাটে তপধ্যানে তিনি সিদ্ধলাভ করেন। সেই থেকে তার শ্মরনে প্রতি বছর চৈত্র মাসের মধূকৃষ্ণা ত্রয়োদশীতে কপোতাক্ষ স্নানের মাধ্যমে বারুনী স্নানোৎসব পালন করে অসছে।
মতান্তরে কথিত আছে বরুণ জলের দেবতা, আর বারুনী তার স্ত্রী। তার স্মরণে সনাতনীরা মধূকৃষ্ণা ত্রয়োদশীতে বারুনী স্নান করে আসছে। তাদের বিশ্বাস, এই তিথিতে গঙ্গার জল এই স্থানে প্রবাহিত হয়। আর তখন এখানে স্নান করলে পূত ও পবিত্র হওয়া যায়। আর সেই থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পূণ্য লাভের আশায় বারুনীস্নান করে আসছে।
মেলার পরিচালক এম মাহমুদ আসলাম জানান, ২০১০ সালে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয় যেকোন ধরনের মেলা বা বানিজ্যিক আয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারী করে। এরপর থেকে মেলা আয়োজনে শুরু হয় মাঠ শূণ্যতা। যদিও এরপর দু’একবার ভিন্ন এলাকায় মেলার আয়োজন হলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক সমন্বয়হীনতা, মতদ্বন্দ্বসহ নানাবিধ সংকটে মেলার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র বারুনী স্নানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে ঐতিহ্যবাহী বারুনী মেলা।
এভাবে প্রায় এক যুগেও মেলা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এক প্রকার অস্তিত্ব সংকটে পড়ে ঐতিহ্যবাহী বারুনী মেলা। কপোতাক্ষ খননে নব্যতা ফিরে আসায় শুরু হয় জোয়ার-ভাটা। সর্বপরি মেলার অনুকুল পরিবেশ ফিরে আসায় দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ফের নতুন করে শুরু হয়েছে বারুনী মেলার জোর প্রস্তুতি। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ঈদের একদিন পর শুরু হতে যাচ্ছে ঐতি্েহ্যর কপিলমুনি মহাবারুনী মেলা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জনপদে পর্বনপ্রিয় বাঙালির মাঝে বার বার ফিরে আসুক বারুনী মেলা, এমনটাই প্রত্যাশা জনপদের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের। পরিশেষে কপিলমুনি থেকে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী বারনী মেলা অনুষ্ঠানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কয়রা পাইকগাছার সংসদ সদস্য রশীদুজ্জামান মোড়ল ও খুলনা ডিসি এসপি মহোদয় সহ সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা -

বানারীপাড়ায় মৎস্য অধিদপ্তর ও এসডিএফ’র উদ্যোগে যুব উৎসব অনুষ্ঠিত
এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা: বুধবার ০৬ মার্চ বানারীপাড়া উপজেলা মৎস দপ্তর ও সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের(এসডিএফ) আয়োজনে যুব উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
মৎস অধিদপ্তরাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিসারিজ প্রকল্প-৩ কমিউনিটি এম্পাওয়ারমেন্ট এন্ড লাইভলিহুড ট্রান্সফরমেশন বিষয়ক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা প্রতুল জোয়ারদার। প্রকল্প বিষয়ে বক্তৃতা করেন মৎস বিভাগের মোঃ মন্জুরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি বরিশাল জেলা যুব কর্ম সংস্হান কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান, বিশেষ অতিথি সাংবাদিক ও এনজিও সমম্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম, এসডিএফ উপজেলা ক্লাস্টার অফিসার মনিরা আক্তার, মৎস অফিসের জয়দেব, মৎসজীবী শাহ আলম, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী লাবনী প্রমূখ।
এসডিএফ বানারীপাড়ায় ইতিমধ্যে ২৩২ মৎসজীবীকে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এর মধ্যে ১৮৬ জনকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান করেছে। বানারীপাড়ায় মৎজীবিদের ৯ টি গ্রাম সমিতি রয়েছে। এ সমিতিকে মৎসজীবিদের স্বালম্বির জন্য ৩০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। যারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তাদেরকে ৯ হাজার টাকা দেয়া হয় বলে এসডিএফ উপজেলা ক্লাস্টার অফিসার মনিরা আক্তার জানান।# -

সভাপতি হাফিজ সম্পাদক রুবেল : গলাচিপা উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন
মোহাম্মদ মুনতাসীর মামুন, গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা প্রেসক্লাব নামে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৫ মার্চ ২০২৪ মঙ্গলবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সময় প্রেসক্লাবের সভাপতি ডাঃ মোঃ হাফিজ উল্লাহ’র ব্যক্তিগত অফিসে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সকল সদস্যদের নিয়ে উক্ত প্রেসক্লাব’র কমিটি গঠন করা হয়। প্রেসক্লাবের বাকি সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি শেখ মারুফুর রহমান (দৈনিক দক্ষিণ বঙ্গ) , গোলাম মাহমুদ স্বপন (এস টিভি) , ফাইজুর রহমান শুভ (দৈনিক বিশ্বমানচিত্র) , হাফিজুল ইসলাম শান্ত (দৈনিক প্রভাত প্রতিদিন) , সাধারণ সম্পাদক মোঃ মসিউল ইসলাম রুবেল (দৈনিক রূপবানী) , মো: জহিরুল ইসলাম টিপু মৃধা (দৈনিক দিন প্রতিদিন) , মো: হাবিব উল্লাহ (দৈনিক জনতা) , মো: মোস্তফা কামাল খাঁন (দৈনিক সকালের সময়) , মো: হেলাল উদ্দিন ( দি বাংলা ইন্ডিপেন্ডেন্ট) , সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নেছার উদ্দিন (দৈনিক মুক্ত খবর) , সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আবদুল মান্নান (দৈনিক বিশ্বমানচিত্র) , মো: সোহেল রানা (দৈনিক আলোচিত খবর) , মো: মাহবুব সিকদার (দৈনিক আমার সংগ্রাম) , কোষাধক্ষ্য মোঃ ফিরোজ মাহমুদ (দৈনিক দেশচিত্র) , দপ্তর সম্পাদক মাইদুল ইসলাম মিকু (দৈনিক সরেজমিন বার্তা) , প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো: মেহেদী হাসান জুয়েল (দৈনিক স্বাধীন বার্তা) মহিলা বিষয়ক সম্পাদীকা সাভিরা সুলতানা লিয়া (দৈনিক ভোরের কন্ঠ) তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মুনতাসীর মামুন (দৈনিক আলোকিত সকাল) ক্রিয়া সম্পাদক আবু তালেব মোতাহার (দৈনিক মুক্তির লড়াই), স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো রাকিব হোসেন (দৈনিক নাগরিক ভাবনা) , সাহিত্য সম্পাদক মো: কিনু খাঁন (বিজয়ের ডাক)। সদস্য মোঃ মনির হোসেন (আনন্দ টিভি) , মো: শহিদুল ইসলাম তালুকদার ( প্রতিদিন খবর) , গোলাম রাব্বি ( দেশ বুলেটিন)।
এ সময় উপস্থিত বক্তারা গণমাধ্যমকর্মীদের কল্যাণে প্রেসক্লাবের সদস্যদের সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। এছাড়া জনগণের কল্যাণে নিবেদিত সাংবাদিকতার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাওয়া এই প্রেসক্লাবের একতা এবং ঐতিহ্যকে সমন্বিত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি সভায় প্রেসক্লাবের উন্নয়নের জন্য একাধিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।