Author: desk

  • ময়মনসিংহে সড়কে ইফতার হাতে রোজাদারের অপেক্ষায় সিটি  কাউন্সিলর আসিফ হোসেন ডন

    ময়মনসিংহে সড়কে ইফতার হাতে রোজাদারের অপেক্ষায় সিটি কাউন্সিলর আসিফ হোসেন ডন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    কখন আসবে গাড়ি, তারপর থামবে। গাড়ির চালক ও যাত্রীর হাতে এক প্যাকেট ইফতার তুলে দিতে পারলেই পরম স্বস্তি।

    এভাবেই ময়মনসিংহ নগরীর ৭নং ওয়ার্ডের সড়কের অংশে রোজাদার যাত্রীদের জন্য অপেক্ষায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ৭নং ওয়ার্ড থেকে বার-বার নির্বাচিত কাউন্সিলর ও সদ্য সাবেক প্যানেল মেয়র আসিফ হোসেন ডন।

    তার নেতৃত্বে ও ব্যবস্থাপনায় রমাজান মাস এলেই পথচারী ও দরিদ্র রিকশা চালকদের জন্য মাসব্যাপী ইফতারের এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন শুধু এ বছরই নয়, কাউন্সিলর হওয়ার আগে থেকেই তার এ প্রয়াস।

    নিয়মিতই প্রতি রোজায় সড়কের রোজাদারদের জন্য থাকছে তার এ আয়োজন। চলতি বছর যোগ হয়েছে ইফতারের পর আরো ব্যতিক্রমী আয়োজন। তার কার্যালয়ের সামনে করা হয়েছে এ আয়োজন। যে কেউ ইচ্ছে করলেই এখানে এসে তার এই কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন। বিনামূল্যে করা যাবে চা-নাস্তা। কাউন্সিলরের ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিদিন ৫ শতাধিক রোজাদারের জন্য তৈরি করা হয় ইফতার।

    রোজায় প্রতিদিন ব্রীজ-টাউনহল সড়কের জিরো পয়েন্টের এক পাশে রোজাদারদের জন্য অপেক্ষা করেন জনবান্ধব এই কাউন্সিলরের স্বেচ্ছাসেবক টিম। সড়কে চলাচলরত বিভিন্ন গাড়ির চালক ও যাত্রীদের গাড়ি থামিয়ে প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয় ইফতার।

    প্রতিদিন এখানেই বিতরণ হয় তিন শতাধিক প্যাকেট ইফতার। বাকি ইফতারের প্যাকেটগুলো বিতরণ হয় বিভিন্ন মসজিদ, এতিমখানা ও এলাকার অসহায়- গরিবদের মধ্যে। আসিফ হোসেন ডন জানান, প্রথম রোজা থেকে শুরু হয়ে ইফতারের এ আয়োজন প্রতিবছরের মতো শেষ রোজা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
    জানা যায়, বিকেল থেকেই ব্রীজ-টাউনহল অংশের সড়কে ইফতারের ব্যাগ নিয়ে রোজাদারদের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন কাউন্সিলরসহ তার স্বেচ্ছাসেবক টিম। বিভিন্ন গাড়ির চালক ও পথচারী ও যাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে নানা পদের ইফতারির প্যাকেট ও পানির বোতল।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাউন্সিলর আসিফ হোসেন ডন জানান, রোজাদারদের ইফতার করানো সওয়াবের কাজ। সেই চিন্তা থেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ ক্ষুদ্র আয়োজন। আমি চাই আমার এ আয়োজন দেখে সারাদেশে এমন আরও আয়োজন হোক। গাড়িতে চলাচলরত রোজাদারদের জন্য এক প্যাকেট ইফতার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত কার্যালয়ের পাশেই ব্রীজ-টাউন হল সড়ক। প্রতিদিন এ পথে অসংখ্য যানবাহন ও পথচারী চলাচল করে থাকে। সড়কে রোজাদার গাড়িচালক ও পথচারীরা ইফতার করতে অসুবিধায় পড়েন। তাদের কথা চিন্তা করে বিগত কয়েক বছর ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইফতারের আয়োজন করে আসছি।যে কেউ চাইলে আমার কার্যালয়ের সামনে বসে ইফতার করতে পারবে। যারা নিতে চায় তাদের দেওয়া হচ্ছে প্যাকেট।

    তিনি বলেন, সমাজের সব বিত্তবানরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসেন তাহলে কোনো রোজাদার ইফতারের সময় অভুক্ত থাকবে না।

    স্থানীয়রা জানান, কাউন্সিলর হওয়ার আগ থেকেই গত কয়েক বছর ধরে তিনি সড়কে যাতায়াতকারী রোজাদারদের ইফতার করিয়ে থাকেন। এছাড়া সিটি এলাকার কর্মহীন মানুষদের সাধ্যমত সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তিনি। শহরের সবকটি মসজিদের সামনে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করার জন্য পানির ট্যাংকের ব্যবস্থাও করেছেন তিনি।

    ইফতার বিতরণের দায়িত্বে থাকা স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, কাউন্সিলর আসিফ হোসেন ডন ভাইয়ের অর্থায়নে প্রতিদিন রোজাদার গাড়িচালক ও পথচারীদের মধ্যে ইফতারি বিতরণ করা হয়। সড়কে যাতায়াতকারীরা তার এ ইফতার পেয়ে অনেক উপকৃত হচ্ছেন।

    সড়কের এক অটোচালক বলেন, সড়কের পাশে বেশিরভাগ মানুষ ব্যবসায় মগ্ন থাকে। এক গ্লাস পানিও বিনামূল্যে পাওয়া যায় না। সেখানে ভিন্ন চিত্র ময়মনসিংহের জিরো পয়েন্ট ও বুড়া পীড়ের মাজার সংলগ্ন এ জায়গার। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এখানে রোজাদারদের ইফতার করানো হয়। এমন উদ্যোগের জন্য তিনি কাউন্সিলরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • শেষ সময়ে ভোটারদের টান টিটুর ঘড়ি প্রতীকে

    শেষ সময়ে ভোটারদের টান টিটুর ঘড়ি প্রতীকে

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    ভোটের মাত্র একদিন বাকী। আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়েছে। এখন চলছে ভোটারদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা। কাকে কেন ভোট দেবেন পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল তর্ক-বিতর্ক। ভোটের মাঠে এমন চিত্র দেখা গেছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে। ময়মনসিংহ নগরী ভোটাদের তর্ক যুদ্ধের কেন্দ্রে রয়েছে ঘড়ি প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রতিষ্ঠাতা মেয়র ছিলেন সদ্য বিদায়ী মেয়র ইকরামুল হক টিটু। ৫জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূলত হাতি প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট সাদেক খান মিল্কী টজুর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দিতা তুঙ্গে বলে মনে করছেন নগরবাসী। ভোটাররা জানান, ইকরামুল হক টিটু ময়মনসিংহ পৌরসভার কাউন্সিলর, ভারপ্রাপ্ত মেয়র থেকে শুরু করে সিটি মেয়র হিসাবে বিগত প্রায় ২০বছরের দক্ষ ও মানবিক জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভোটারদের আলাদাভাবে মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হয়েছেন।

    দুর্যোগ-সংকটে সহায়তা করে সর্বজনের জনপ্রিয়তায় আত্মবিশ্বাসী আওয়ামী লীগের মনোনয়নের আশা করলেও শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সরকার কোন নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবেনা দলটির এমন সিদ্ধান্তে দলীয় বিহীন নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন মেয়র টিটু । ইকরামুল হক টিটু সিটি নির্বাচনে এবার লড়ছেন ‘ঘড়ি’ প্রতীক নিয়ে। আর সিটি করপোরেশনের প্রথমবার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন ইকরামুল হক টিটু। ভোটের লড়াইয়ে বিজয় ছিনিয়ে নিতে অনড় এই প্রার্থীই। নির্বাচন সংশ্লিষ্টরাও বলছেন, ভোট উৎসব হবে এই সিটিতেতে।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে মেয়র হিসেবে ভালো কাজের মাধ্যমে ময়মনসিংহ নগরে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে ইকরামুল হক টিটুর তিনি আশাবাদী ছিলেন দলীয় মনোনয়নের। তবে দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীকে নির্বাচন না হলেও স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং জনগন তাকেই ঘড়ি প্রতীকে ভোট দিয়ে আবারও নির্বাচিত করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছেন।

    এদিকে, টানা তিনবার আওয়ামী লীগের দখলে থাকা ময়মনসিংহ নগরীতে এবার নৌকা প্রতীক না থাকলেও ভোটাররা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদ্য সাবেক মেয়র ইকরামুল হক টিটুই প্রার্থী হিসাবে মনে করে ঘড়ি মার্কার বিজয় নিশ্চিত করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ময়মনসিংহ সিটি উপহার দিতে চাইছেন বলে একাধিক দলীয় নেতাকর্মীরা জানান। ভোটের মাঠে এই এই প্রার্থীকে নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।

    ভোটাররা বলছেন, মেয়র প্রার্থী টিটু বিগত দিনে প্রতিটি দুর্যোগ, সংকটে পাশে থেকেছেন। দিয়েছেন সহায়তা। মানবিক ব্যক্তি হওয়ায় ভোটারদের সহানুভূতির তীর অনেকটাই টিটুর দিকে।

    ২৩নং ওয়ার্ড এলাকার কয়েকজন ভোটার বলেন, ‘বিগত দিনে ইকরামুল হক টিটু মেয়রের দায়িত্বে থেকে নগরী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন সহযোগীতা নিয়ে আমাদের পাশে রয়েছেন। তাকে যখন চাই তখনই পাই,আচার-আচরণে ভালো মানুষ। তিনি আবারও ভোটের মাঠে। খুব ভালো লাগছে যে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবো। কারণ টিটু ১৫-২০ বছর ধরে যে কোনো বিপদে আমাদের খোঁজ খবর রেখেছেন তাই আমরা চাই তিনি নির্বাচিত হোক।

    মেয়র প্রার্থী ইকরামুল হক বলেন, নানা কুটকৌশলের মধ্যেও গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আমাকে নিরঙ্কুশ জয় এনে দিয়েছিল এই আসনের মানুষ। সেসময় ভোট না হলেও মানুষ আমার পাশে ছিলো,এবারও সুষ্ঠুভাবে ভোট হলে আমার পক্ষে ভোট বিপ্লব হবে। আমি জনগণের পাশে ছিলাম, পাশে আছি এবং সবসময় থাকবো। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কাজকে বেগবান করবো।

  • “ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ-২০২৪” উপলক্ষে নীলফামারী জেলা পুলিশ  কর্তৃক শ্রদ্ধাঞ্জলি

    “ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ-২০২৪” উপলক্ষে নীলফামারী জেলা পুলিশ কর্তৃক শ্রদ্ধাঞ্জলি

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ
    আজ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ) “ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ-২০২৪” উপলক্ষে সকাল ০৯.৩০ ঘটিকায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে জেলা পুলিশ নীলফামারীর পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন নীলফামারী জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার গোলাম সবুর, পিপিএম-সেবা।
    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), নীলফামারী (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) নীলফামারীসহ জেলা পুলিশ নীলফামারীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অধস্থন কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • মন্ত্রী এম‌পির সাম‌নে লাশ ফে‌লে দেয়ার অভিযোগে, থানায় জি‌ডি

    মন্ত্রী এম‌পির সাম‌নে লাশ ফে‌লে দেয়ার অভিযোগে, থানায় জি‌ডি

    এস আল আমিন,
    পটুয়াখালী প্রতি‌নি‌ধি।

    পটুয়াখালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ও পটুয়াখালী~১ ( সদর) আসনের এমপিদের সামনে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহম্মেদ ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান প্রকাশ্যে লাশ ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। মূলতঃ আগামী ৯ মার্চের পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচন ‌নি‌জে‌দের নিয়ন্ত্রনে রাখতে ম‌হিউ‌দ্দিন ও হা‌ফিজ লাশ ফে‌লে দেয়ার হুমকী দেন।
    এ ঘটনায় গত বুধবার ৬ মার্চ সদর থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেছেন পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইমতিয়াজ মাহমুদ। পটুয়াখালী সদর থানায় সাধারণ ডায়রী নং ৩৮১।

    সাধারন ডায়রীতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৬ মার্চ পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক দরবার হলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন সভা শেষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ  মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী পটুয়াখালী~ ৪ আসনের এমপি মহিবুর রহমান তালুকদার ও পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার সন্ধ্যা ৭টায় পটুয়াখালী সার্কিট হাউসে স্থানীয় নেতাকর্মী গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় করছিলেন। এসময় পৌর নির্বাচনে জগ প্রতিকের প্রার্থী মহিউদ্দিন আহম্মেদ ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান (বোমা হাফিজ), শোয়েব পিতা বজলুর রহমান, তোফাজ্জল, পিতা আঃ রহিম, আজম পিতা অজ্ঞাত (সবুজবাগ) বাপ্পী পিতা-মৃত ছালাম মিয়া আনসার ক্যাম্প সংলগ, আউয়াল আকন পিতা আঃ লতিফ আকন, অপু সিকদার পিতা মন্নান মাষ্টার, আনিসুর রহমান পিতা মন্নান মিয়া, আল আমিন পিতা আজিজসহ প্রায় ৫০ জন সার্কিট হাউজে প্রবেশ করে। 

    এসময় মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান হুমকি দিয়ে বলেন, ৯ মার্চের নির্বাচনে লাশ পড়বে। যেকোন মূল্যে আমরা নির্বাচন আমাদের নিয়ন্ত্রনে রাখবো। আমরা জগ মার্কার জয়ের জন্য যা যা প্রয়োজন তাই করবো। এ সময় প্রার্থীর সাথে যারা উপস্থিত ছিলো তারা সবাই এই শহরের সন্ত্রাসী। এরমধ্যে কয়েকজনের নামে হত্যা সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা রয়েছে। এমতাবস্থায় আসন্ন পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচন বানচালসহ এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ার আশংকার সৃষ্টি হয়েছে। 

    বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য সাধারন ডায়রীভূক্ত করে রাখা একান্ত প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন ইমতিয়াজ মাহমুদ।

    জান‌তে চাই‌লে সদর থানার ওসি মোঃ জসিম ব‌লেন, এ ঘটনায় উল্লেখিত একটি সাধারন ডায়রী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
    উ‌ল্লেখ‌্য, এর আ‌গে গত ২০জানুয়ারী ২০২৪ তা‌রিখ জেলা প‌রিষদ চেয়ারম‌্যান হা‌ফিজুর রহমা‌নের বিরু‌দ্ধে আ‌রেক‌টি জি‌ডি হ‌য়ে‌ছে সদর থানায়। জি‌ডি নং ১০৩৯। দৈ‌নিক পটুয়াখালী প্রতি‌দিন প‌ত্রিকার প্রকাশক গোলাম স‌রোয়ার বাদল‌কে ঝু‌লি‌য়ে পিটা‌নোর হুমকী দেয়ার ঘটনায় জি‌ডি‌ ক‌রেন স‌রোয়ার বাদল।

  • নীলফামারী জেলায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ-২০২৪ সংক্রান্ত কর্মশালা ও ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

    নীলফামারী জেলায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ-২০২৪ সংক্রান্ত কর্মশালা ও ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

    নীলফামারী জেলায় বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ কার্যক্রম সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অদ্য বৃহস্পতিবার (০৭ মার্চ/২০২৪ খ্রিস্টাব্দ) জেলা পুলিশ, নীলফামারীর আয়োজনে পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে বিকাল ১৫:০০ ঘটিকায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ-২০২৪ সংক্রান্ত কর্মশালা ও ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মশালা ও ব্রিফিং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ গোলাম সবুর পিপিএম-সেবা, পুলিশ সুপার, নীলফামারী মহোদয়।

    পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক নতুন নিয়মে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রক্রিয়ায় নিজ যোগ্যতায় পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ সম্পন হবে। যে সকল প্রার্থী শারীরিক ভাবে যোগ্য এবং অন্যান্য সকল ইভেন্ট ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে শুধুমাত্র তারাই নিজ যোগ্যতায় কনস্টেবল পদে নিয়োগ পাবেন। নিয়োগ কার্যক্রম সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নিয়োগ ডিউটিতে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট অফিসার ও ফোর্সদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে অবগত করেন। তিনি সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল পুলিশ সদস্যকে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালনে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    তিনি আরো বলেন টিআরসি পদপ্রার্থীগণের পরিবার যেন কোন প্রকার প্রতারক বা দালাল চক্রের খপ্পরে না পড়ে, এ বিষয়ে সর্তক থাকার জন্য অনুরোধ জানান এবং কোন প্রতারক বা দালাল চক্র সংক্রান্তে কোন তথ্য থাকলে সাথে সাথে পুলিশ সুপার, নীলফামারী মহোদয়কে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করেন।

    এসময় উক্ত কর্মশালা ও ব্রিফিং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) নীলফামারী; জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) নীলফামারী; জনাব ডাঃ সজীব কুমার বর্মন, মেডিকেল অফিসার, পুলিশ হাসপাতাল নীলফামারীসহ আসন্ন ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ কার্যক্রমে নিয়োজিত সকল পদমর্যাদার অফিসার-ফোর্স ।

  • উজিরপুর মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ে স্কাউট দীক্ষা অনুষ্ঠিত

    উজিরপুর মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ে স্কাউট দীক্ষা অনুষ্ঠিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধি: বরিশালের উজিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬ মার্চ বুধবার সকালে কাব (বালক,বালিকা) দলের দীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কাব সদস্যদের (সদস্য ব্যাজ, বিশ্ব ব্রাদারহুড ব্যাজ এবং কাব ব্যাজ) প্রদান করা হয়।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কাব/স্কাউট সম্পাদক জনাব আনোয়ার হোসেন নান্টু,উপজেলা কাব লিডার জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক, মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের কাব কমিটির সভাপতি ও কাব লিডার জনাব রহিমা পারভীন পৌরসভার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের কাব লিডারগন।
    ব্যাজ প্রদান ও অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন উজিরপুর উপজেলার শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক ২০২৩ এবং অত্র বিদ্যালয়ের কাব লিডার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান (জাহিদ গাজী) এবং তাকে সহযোগীতা করেন কাব লিডার নুসরাত জাহান পপি কাব লিডার উজিরপুর মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়।
    এ উপজেলায় ব্যাপক জাকজমক ও সুন্দর অনুষ্ঠান পূর্বে কখনও হয়নি।

  • সুজানগর পৌরসভার উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

    সুজানগর পৌরসভার উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সুজানগর পৌরসভার উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকালে সুজানগর উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পৌরসভার পক্ষ থেকে পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে পৌরসভার হলরুমে পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম নবীর স ালনায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা। অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সুজানগর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুনবী সরকার, পৌর কাউন্সিলর জাকির হোসেন,আব্দুল্লাহ আল মামুনও পাশু সরদার প্রমুখ। আলোচনা সভায় সুজানগর পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

  • পাইকগাছায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

    পাইকগাছায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    পাইকগাছায় নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, পুষ্পস্তবক অর্পন, আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাংকন ও ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পাইকগাছা সরকারি কলেজ, ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রোজ বাড কিন্ডার গার্টেন, বর্ণমালা কিন্ডার গার্টেন সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা ও একুশে মে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ এর স ালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ওসি ওবাইদুর রহমান, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সমরেশ রায়, উপাধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী, প্যানেল মেয়র শেখ মাহাবুবর রহমান রনজু সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধান, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকবৃন্দ। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন করা হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • গয়সা খাল ও পোদা নদী থেকে প্রতিবছর সরকারি রাজস্ব আয় ২ লাখ টাকা; অবশিষ্ট অংশ দ্রুত খননের দাবী

    গয়সা খাল ও পোদা নদী থেকে প্রতিবছর সরকারি রাজস্ব আয় ২ লাখ টাকা; অবশিষ্ট অংশ দ্রুত খননের দাবী

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    পাইকগাছার আলোচিত গয়সা খাল ও পোদা নদী থেকে সরকার প্রতিবছর ২ লাখ টাকা রাজস্ব পাচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে খালটির ৪ কিলোমিটার খনন করা হলেও অবশিষ্ঠ ৩ কিলোমিটার খনন না করায় খালের পুরোপুরি সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এদিকে খালটি ইজারা প্রদান করায় পানি নিষ্কাসন ব্যবস্থা কোন ভাবেই বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে না। পাশাপাশি খালটি সম্পূর্ণ খনন না করায় খননকৃত অংশের কোন সুফল কাজে আসছেনা বলে জানিয়েছেন ইজারাদার সোনার তরী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, উপজেলার নদী এবং খাল বেষ্টিত ইউনিয়নগুলোর মধ্যে লতা ইউনিয়ন অন্যতম। এ ইউনিয়নে অনেকগুলো নদ-নদী ও অসংখ্য সরকারি খাল থাকায় এ ইউনিয়নে তেমন কোন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়না। এ ইউনিয়নের অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি খাল ও বদ্ধনদী হচ্ছে গয়সা খাল ও পোদা নদী। এটি ইউনিয়নের গঙ্গারকোনা পিচে রাস্তা হতে ধলাই স্লুইচ গেট হতে নদীর সাথে সংযুক্ত হয়েছে। এ খালটির আয়তন প্রায় ৭৪ একর। দুটি ভাগে এটি ইজারা প্রদান করা হয়। গয়সা খালের অংশটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে এবং বদ্ধ পোদা নদীর অংশ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ৩ বছর মেয়াদী ইজারা প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সোনার তরী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির অনুকূলে ইজারা গ্রহণ করেছে সমিতির নেতৃবৃন্দ। সরকার গয়সা খাল ও পোদা নদী থেকে প্রতিবছর ২ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করছে। ইজারা চুক্তি অনুযায়ী এখনো গয়সা খালের মেয়াদ ২ বছর ও পোদা নদীর মেয়াদ ১ বছর রয়েছে। ইতোমধ্যে সরকারিভাবে খালের গঙ্গারকোনা পিচের রাস্তা থেকে আঁধারমানিক ব্রিজ পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার খনন করা হয়েছে। স্থানীয় বিভিন্ন জটিলতার কারণে খালের অবশিষ্ট ৩ কিলোমিটার খনন কাজ বন্ধ রয়েছে। যার ফলে খননের পুরোপুরি সুফল পাচ্ছে না এলাকার মানুষ। এ ব্যাপারে সোনারতরী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির ইকবাল হোসেন জানান, খালটি ইজারা প্রদান করায় আমরা প্রতিবছর সরকারকে ২ লাখ টাকা রাজস্ব এবং এর সাথে ৩০% অতিরিক্ত অর্থ সরকারি খাতে প্রদান করে থাকি। সন্তোষ কুমার জানান, আমরা খালের কোথাও বাঁধ কিংবা পাটা দেয়নি। ইজারা চুক্তিতে পাটা দেওয়ার কথা থাকলেও আমরা খালে জাল ব্যবহার করে থাকি। এর ফলে খালের কোথাও পানি নিষ্কাসন ব্যবস্থা বাঁধাগ্রস্থ হয় না। কিছু কিছু জায়গায় ছোট খাটো বাঁধ থাকলেও সেটি পূর্বের ইজারাদারের দেওয়া। ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ^াস জানান, খালের পুরোপুরি সুফল পেতে হলে খালটি সম্পূর্ণ খনন করা জরুরী হয়ে পড়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন জানান, সরকারি জলমহল নীতিমালা অনুসরণ করেই খালটি ইজারা প্রদান করা হয়েছে। এটি ইজারা প্রদান করা হলেও জনস্বার্থ বিঘ্নিত বা ব্যাহত যাতে না হয় সে ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক রয়েছে উল্লেখ করে খালের অবশিষ্ট অংশ খননের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে স্থানীয় প্রশাসনের নির্বাহী এ কর্মকর্তা জানান।

  • সুজানগরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

    সুজানগরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা) : যথাযোগ্য মর্যাদায় পাবনার সুজানগরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে সর্বপ্রথম পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে উপজেলা পরিষদ। পরে সুজানগর পৌরসভা, সুজানগর থানা পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, উপজেলা আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এ সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা , পৌর মেয়র রেজাউল করিম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ সানজিদা মুজিব,পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার সুজানগর সার্কেল রবিউল ইসলাম,থানা অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই, শ্রী সুবোধ কুমার নটো, শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী,যায়যায়দিন প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান, দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, পৌর আ.লীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেনের স ালনায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মর্জিনা খাতুন, থানা অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই ও শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী । আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর নামের সাথে জড়িয়ে আছে বাংলা,বাঙালি ও বাংলাদেশ। তিনি স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। ১৯৭১ সালের ৭মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান তৎকালীন পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অসীম সাহসিকতায় লাখো জনতার উদ্দেশ্যে যে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন তা মূলত স্বাধীনতা পিয়াসী বাঙালি জাতির ঐক্যের মূলমন্ত্র ও মুক্তির সনদ। কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণের মর্মবাণী বুকে ধারণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক-মানবিক চেতনায় উজ্জ্বীবিত হয়ে জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে কাজ করার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের চলমান উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় বক্তারা আরো বলেন,৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে সোনার বাংলা’য় পরিণত করতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। শেষে দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্টিত চিত্রাঙ্কন ও বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী ভিত্তিক রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।