উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মার্চ) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফেব্রুয়ারি/২০২৪ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মোহাঃ মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার, নড়াইল। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, অপরাধ পর্যালোচনা সভার শুরুতে পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধ চিত্র তুলে ধরেন মোঃ নাজমুল হক, পুলিশ পরিদর্শক (ক্রাইম), নড়াইল। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুলিশ সুপার মামলা তদন্ত, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, ওয়ারেন্ট তামিল, গুরুত্বপূর্ণ মামলা সমূহের অগ্রগতি, মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের গ্রেফতার, সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়সহ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
পুলিশ সুপার বলেন, আসন্ন রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে। প্রত্যেক দোকানে পণ্যমূল্য টাঙ্গিয়ে রাখা নিশ্চিত করতে হবে। তারাবিহ নামাজের সময় যেন দোকানপাট এবং ব্যাংকসহ সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চুরি, ডাকাতি না হয় সেজন্য রাতে টহল জোরদার করতে পুলিশ সুপার মহোদয় নির্দেশ প্রদান করেন। সাধারণ জনগণ যাতে হয়রানি ছাড়াই তাৎক্ষণিক প্রত্যাশিত আইনী সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা, উঠান বৈঠক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুধীজনসহ সর্বস্তরের মানুষের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রেখে জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সকলকে দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সাথে নিজ নিজ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জনের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।
অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, জেলা বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, অপরাধ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাব ইন্সপেক্টর, জেলার সকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, পুলিশ ফাঁড়ি ও ক্যাম্প ইনচার্জগণ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
Author: desk
-

নড়াইল জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
-

নড়াইলে শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে প্রধানমন্ত্রীর ল্যাপটপ পেলেন ২৪০ জন শিক্ষার্থী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে স্মার্ট উপহার নড়াইলে শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্টিত হয়েছে। সোমবার (১১মার্চ) দুপুরে নড়াইল জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন, নড়াইল ও তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের আয়োজনে হার পাওয়ার প্রকল্পের আওতায় ২শত ৪০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে এ ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী। হার পাওয়ার প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক নিলুফা ইয়াসমিন এর সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন,জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস, পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদী হাসান, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা ,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষাওআইসিটি) মোঃ আরাফাত হোসেন,সরকারি কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ উপকার ভোগী শিক্ষার্থীরা। -

নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার। মঙ্গলবার (১২ মার্চ’) সকালে সময় চুরি মামলায় ২ (দুই) বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২,০০০/- টাকা জরিমানাপ্রাপ্ত আসামি মোঃ আকিবর শেখ (৪২)কে গ্রেফতার করেছে নড়াইল সদর থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ আকিবর শেখ (৪২) নড়াইল জেলার সদর থানার রামসিদ্ধি সাকিনের মৃত ওয়াজেদ শেখের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) সাইফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান সার্বিক দিকনির্দেশনায় ওয়ারেন্ট তামিলে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। -

পাইকগাছা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি শহিদুল ও সম্পাদক আজিবর
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছা আইনজীবী সহকারী সমিতির কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে শহিদুল ইসলাম সভাপতি ও আজিবর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৯০ জন ভোটারের মধ্যে ৮৮ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। কমিটির অন্যরা হলেন সহ-সভাপতি আঃ মাজেদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম ঢালী, কোষাধ্যক্ষ বিশ্বজিৎ বাওয়ালী। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ক্রীড়া সম্পাদক সুজয় মন্ডল, সদস্য ফয়সাল আহমেদ, সুরঞ্জন বৈদ্য ও দূর্জয় মন্ডলনির্বাচিত হয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব পালন করেন এ্যাড. বেলাল উদ্দিন, সহকারী নির্বাচন কমিশনার ছিলেন শংকর ঢালী ও বিজয় কৃষ্ণ মন্ডল।
-

পাইকগাছায় জুয়াড়ির এক মাসের কারাদণ্ড
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় মনজুরুল ইসলাম (৩০) নামে এক জুয়াড়ি কে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। দন্ডপ্রাপ্ত যুবক উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের উত্তর গড়ের আবাদ গ্রামের মোসলেহ উদ্দিন মোড়লের ছেলে। ১২ মার্চ মঙ্গলবার গভীর রাতে এস আই অমিত দেবনাথ এর নেতৃত্বে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে মনজুরুল কে হাতে নাতে আটক করে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বংগীয় প্রকাশ্য জুয়া আইন ১৮৬৭ এর ৪ ধারা অনুযায়ী জুয়াড়ি মনজুরুল কে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এসময় পেশকার মোহাম্মদ ইব্রাহিম উপস্থিত ছিলেন। -

ধামইরহাটে গৃহবধুকে শ্বাসরোধে হ*ত্যার অভিযোগে স্বামীসহ পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা
আবুল বয়ান, ধামইরহাট প্রতিনিধি :
নওগাঁর ধামইরহাটে এক গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবার হত্যার অভিযোগ এনে স্বামী শাশুড়িসহ ৪ জনকে আসামী করে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
জানা গেছে, উপজেলার উমার ইউনিয়নের বিহারীনগর গ্রামের নুরুল আমিনের স্ত্রী আয়না আক্তার মহসিনা (৩২) ১২ মার্চ মঙ্গলবার ভোর রাতে বাড়ীর পূর্ব পার্শ্বে একটি আম গাছের গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। বিষয়টি জানতে পেয়ে পরিবারের লোকজন থানা পুলিশ কে খবর দেয়। সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এলাকাবাসী জানায় প্রায় আয়না আক্তারের সাথে শাশুড়ীর মাঝে ছোট খাটো বিষয়ে বিরোধ লেগে থাকতো। এই বিরোধের জেরে সে আত্মহত্যা করতে পারে। আয়না আক্তার এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জননী ছিলেন। আয়না আক্তারের বাবার বাড়ী পার্শ্ববর্তী পত্নীতলা উপজেলার দিবর খান্দই গ্রামে। তার পিতার নাম সলিমউদ্দিন। মৃতের চাচা আব্দুল হামিদ অভিযোগ করেন আমার ভাতিজিতে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে, ঘটনা ধামা চাপা দিতে গাছে ঝুলানো হয়েছে। তবে পরিবারের লোকজন পলাতক থাকায় তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে ধামইরহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের পর মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। এ ব্যাপারে মেয়ের চাচা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।আবুল বয়ান।
-

তারাগঞ্জে কৃষি অফিসকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে বিগত বছরের তুলনায় ব্যাপক হারে বেড়েছে তামাক চাষ
খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
রংপুরের তারাগঞ্জে পরিবেশের ক্ষতি, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও চাষাবাদে মাটির গুনগত মান নষ্ট হচ্ছে জেনেও চাষিরা ঝুঁকে পড়েছে বিষাক্ত তামাক চাষে। রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি তামাক চাষ হয়। এতে কমেছে গম, ভুট্ট, সরিষা, সবজি, ডাল, তৈলবীজ ও ধানসহ রবি মৌসুমের বিভিন্ন ফসল চাষ। তামাক চাষের ফলে ধান ফলনে বিঘা প্রতি ৫/৬ মণ কম হয় বলেও কৃষক সূত্রে জানা গেছে। তামাক চাষে কৃষক আগ্রহী হওয়ার অন্যতম কারন হলো- রংপুর অঞ্চলে তামাক চাষীদের ঋণ দিয়ে উদ্বুদ্ধ করছে তামাকজাত দ্রব্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। বিকল্প ফসল উৎপাদনে বীজ প্রাপ্তিতে রয়েছে জটিলতা, উৎপাদন খরচ বেশি, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য ও সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় তামাক চাষের প্রতি চাষিদের রয়েছে দুর্বলতা।
তারাগঞ্জ উপজেলার অধিকাংশ তামাক চাষাবাদ এলাকায় তামাক কাটা ও শুকানোর কাজে শিশুদের ব্যবহার করা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে স্কুলগামী সড়কের দু’ধারে তামাক শুকানোয় কোমলমতি শিশুশিক্ষার্থীসহ স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে অধুমপায়ী সাধারণ জনতার। এমনও তথ্য উঠে এসছে, শিশু ও বৃদ্ধাও তামাক প্রক্রিয়াকরনে বিভিন্ন কাজ করে থাকে। ক্যান্সার, হাঁপানী, স্নায়ু রোগ সহ মাদকের আগ্রসনে যুব সমাজ ও আমাদের সবুজ শ্যামল পরিবেশ।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার যুক্তিঃ
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উর্মি তাবাসসুম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কৃষক এবং চাষিদের সাথে যখন কৃষি বিষয়ক মাঠ সমাবেশগুলো করি তখন কৃষকদের তামাক চাষে নিরুৎসাহী করে থাকি। তবে তামাক চাষাববাদে কৃষক ও চাষিগণ অধিক লাভ ও চাষাবাদ তামাকজাতদ্রব্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে অগ্রীম চাষাবাদ খরচ, বীজ, সার ও উৎপাদিত তামাক বিক্রয় নিশ্চয়তা পায়। বেশি লাভ ও বিক্রয় নিশ্চয়তা থাকলে চাষিরা তামাকই তো চাষ করবে, অন্য ফসলে তো তেমন লাভ নেই।
কৃষি অফিস কর্তৃক কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় কি-না জানতে চাইলে বলেন, নিরুৎসাহী তো করি। এ ছাড়া আর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেন। তামাক চাষিগণ কৃষি প্রণোদনা সেবা থেকে বঞ্চিত হলে তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে মর্মে কথা হলে তিনি বলেন, এটা আমার একার কাজ নয় এবং বলে উঠেন আপনারা(সাংবাদিক) শুধু আমাকে চাপে রাখার জন্য তথ্য চাইতে আসেন। আপনারা কোন দিন তামাক চাষবাদ রোধে কোন ভূমিকা রেখেছেন? সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এমন প্রশ্ন করে বসেন! তিনি আরো বলেন, আমি তো অনেক কৃষি বান্ধব কাজও করি, কই সেগুলো তো তুলে ধরেন না। জবাবে সাংবাদিক বলেন, আপনি তো আলমপুর ইউপি’র এক চাষিকে মাল্টা চাষ প্রকল্প দিয়েছিলেন, গাছ বড় হয়ে ফলন দিতে শুরু করলে চাষি দেখেন- সবগুলো গাছে গুটি গুটি কমলা ধরেছে। তিনি ভূক্তভোগীর এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি। এছাড়াও তামাকের বিকল্প চাষ হিসেবে পেঁয়াজ, রসুন ও সরিষা চাষাবাদ বৃদ্ধিতে কৃষি অফিসের নেই তেমন কর্যকরী ভূমিকা।তামাক চাষে জমির পরিমানঃ
তারাগঞ্জ উপজেলায় কি পরিমান তামাক চাষ হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি চটে গিয়ে বলেন, আপনারা তো শুধু আমার দোষ ধরার জন্য পরে থাকেন। কেন জানতে চাইলে তিনি তথ্য সহায়তার জন্য অন্য কর্মকর্তার কাছে সাংবাদিকদের ট্যাগ করে দিতে চান। তথ্য দাপ্তরিক নির্ভর হবে না বললে তিনি আবারও রেগে যান।উল্লেখ্য যে, (৩১ জানুয়ারী)-২৪ইং কৃষি কর্মকর্তার সাথে হোয়াটস আপে তামাক চাষে জমির পরিমান জানতে চাইলে ব্যস্ততা দেখিয়ে এড়িয়ে যান এবং নির্ভরযোগ্য অন্য কর্মকর্তার সহযোগীতা চাইলেও তা কর্ণপাত করেননি। উক্ত তারিখে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা বিশ্বনাথ সরকারে সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি হোয়াটস আপে তথ্য দেন ২০২২ইং- ৭৬৫ হেক্টর, ২০২৩ইং- ৮০০ হেক্টর এবং ২০২৪ইং- ১৯৯৫ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। বিশ্বনাথ সরকারের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতেও তিনি গাফিলতি করেন এবং পরে (৬ মার্চ)-২৪ইং অফিস স্বাক্ষৎকারে তিনি ২০২২/২৩ইং- ৯০০ হেক্টর এবং ২০২৩/২৪ইং- ৯৬০ হেক্টর জমিতে তামাক চাষের তথ্য দেন, যা দাপ্তরিক ভাবে একই অফিস থেকে প্রদেয় তথ্য অমিল ও বিভ্রান্তি বটে। এছাড়াও তিনি তামাক চাষে মাটির গুনগত মানের কি পরিমান ক্ষতি হয় সে বিষয়ে কোন তথ্য দিতে পারেননি। উপজেলরা মোট কৃষকের শতকরা কতজন কৃষক কৃষি প্রণোদনা সুবিধা ও চলতি অর্থ বছরে কি পরিমান বীজ, সার ও অন্যান্য সুবিধা এসেছে তার কোন তথ্য দেননি।
কৃষক সূত্রে জানা গেছেঃ
তারাগঞ্জ উপজেলার রহিমাপুর চাকলা কৃষক দয়াল চন্দ্র বলেন, তিনি কৃষি অফিস থেকে কৃষি প্রণোদনার কোন সুযোগ সুবিধা পান না, ফলে তিনি তামাকজাতদ্রব্য উৎপন্নকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সুযোগ সুবিধা নিয়ে তামাক চাষ করেন। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রে জানা গেছে, অনেক তামাক চাষি কৃষি অফিসের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন। যেখানে কৃষি অফিস কর্তৃক তামাক চাষিদের নিরুৎসাহীত করার কথা, সেখানে কৃষি প্রণোদনার সুবিধা প্রদান প্রশ্নবিদ্ধ! এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা উর্মি তাবাসসুম আগামীতে এমন সুবিধা প্রদান না করার আশ্বাস দেন।তামাক চাষে নিয়ন্ত্রণঃ
তারাগঞ্জের সবুজ সুফলা মাঠে ছেয়ে গেছে বিষাক্ত তামাকের চাষ, উপজেলা প্রশাসনের চোখে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে বিগত বছরের তুলনায় ব্যাপক হারে বেড়েছে নিকোটিন তামাক চাষ। তামাকজাতদ্রব্য উৎপাদনকারী কোম্পানি কর্তৃক চাষিদের বিনাপুঁজিতে তামাক চাষের সুবিধা, বেশি লাভের সাথে বাজারজাতের পূর্ণনিশ্চয়তায় তামাক চাষ করছেন চাষিরা। এতে করে দিন দিন হুমকির মুখে পড়ছে সাধারণ চাষাবাদ। সচেতন মহলের দাবি, তামাক চাষ বন্ধে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে, আগামী দিনে উত্তরের এই জনপদে মানুষ্য খাদ্য উৎপাদন বাড়বে কমবে তামাকের চাষ। যদিও ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এ লক্ষ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন যুগোপযোগী করে। প্রতিবারের বাজেটে তামাকজাত পণ্যে কর বাড়ানো হয়েছে ঠিকই, কিন্তু কমেনি তামাক চাষ উল্টো বেড়েছে। অনেকের দাবি আইনী প্রয়োগ বা যুগোপোযোগী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হলে নির্মূল হবে তামাক চাষ।তামাক চাষে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি সম্পর্কে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাহীন সুুলতানা বলেন, তামাক চাষের ফলে মানুষ টিবি, হাঁপানী, ফুসফুসে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগ ব্যাধিতে আক্রন্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তামাক রোপন, বপন ও বিক্রয় প্রক্রিয়াজাতকরন পর্যন্ত শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট যেকোন কর্মী তামাকের ক্ষতিকর নিকোটিনের আক্রমণ থেকে রেহাই পায়না।
তামাক চাষ সংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, এই উপজেলায় তামাক চাষাবাদ বেড়েছে, আমরা উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সমন্বয় সভায় তামাক চাষে কৃষকদের নিরুৎসাহীত করার আহ্বান করি। তবে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষি প্রণোদনা ও অন্যান্য সেবা সুবিধা নিয়ন্ত্রণ করে, তামাক চাষ করে না এমন চাষিদের প্রণোদনা সুবিধা বাড়িয়ে ও অন্যান্য রবি ফসল চাষে উৎসাহী করতে হবে।
-

আইড়ডিয়া চ্যাড়লেঞ্জে জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী নলছিটির দুই তরুণ খালেদ ও রিফাত
ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক
আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের উদ্যোগে দেশব্যাপী তরুণদের জন্য ইনভেস্ট ইন ওমেন আইডিয়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম পর্বে সারাদেশ থেকে ৫৯ টি দল অংশগ্রহণ করে তাদের আইডিয়া সাবমিশন করেছিলো। বেশ কয়েক ধাপে যাচাই-বাছাই শেষ করে দেশসেরা ছয় টিমকে আইডিয়া চ্যালেঞ্জে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। গত ১০’ই মার্চ রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিজয়ী ছয় টিমকে তাদের আইডিয়া বাস্তবায়ন করার জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে গত পাঁচ মার্চ সেভ দ্য চিলড্রেন গুলশানের কান্ট্রি অফিসে সারাদেশ থেকে সেরা পনেরো টিমের গ্র্যান্ড ফাইনাল রাউন্ড প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। ঢাবি, জবি, রাবি, বুয়েট, ব্রাক, আইআইইউসি, হাজী দানেশ, বিএম কলেজ সহ দেশসেরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের টিমসহ অংশ গ্রহণ করে। ফাইনাল প্রেজেন্টেশানে অংশগ্রহণকারী পনেরো ফাইনালিস্ট দলগুলো নির্ধারিত সাত মিনিটে তাদের আইডিয়া শেয়ার করে ও বিচারকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে। সবকিছুর উপর মার্কিং করে বিচারকগণ মোট সাতটি টিমকে বিজয়ী ঘোষনা করে।
আইডিয়া চ্যালেঞ্জে পঞ্চাশ হাজার টাকা ফান্ড বিজয়ী ঝালকাঠির টিম ‘স্টেম’ এ ছিলেন নলছিটি উপজেলার সন্তান তারুণ্যের নলছিটির কনভেনর মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ ও তারুণ্যের নলছিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মেহেরাব হোসেন রিফাত। এর আগেও তারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতাপূর্ণ ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেছে। পড়াশোনার পাশাপাশি তারা দু’জন নিজেদেরকে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক কাজের সাথে সম্পৃক্ত রেখেছে।
রাজধানীতে আয়োজিত পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সন্তান মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ তাদের এ অর্জন ফিলিস্তিনে নির্যাতিত সংগ্রামী নারী ও শিশুদের জন্য উৎসর্গ করেছেন।
-

ঢাকা উত্তর (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে পিস্তল ও গুলিসহ এক জন গ্রেফতার
হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলা উত্তর (ডিবি) পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে পিস্তল ও গুলিসহ দুর্ধর্ষ এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছেন। এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানায় অস্ত্র আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মার্চ ২০২৪ইং) প্রেস রিলিজ দিয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশ (ডিবি) ঢাকা উত্তর। ঢাকা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান (বিপিএম,সেবা) পিপিএম (বার) সেবা নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিবি, জনাব মোবাশশিরা হাবীব খান, পিপিএম-সেবা মহোদয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে জনাব মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ ( বিপ্লব), অফিসার ইনচার্জ, ডিবি (উত্তর), ঢাকা এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ মাজহারুল ইসলাম এবং এসআই (নিঃ) মোঃ আমিনুল ইসলামদের সঙ্গীয় একটি চৌকস টিম সাভার মডেল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একজন দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন পুলিশ।
গত সোমবার (১১/০৩/২০২৪ইং) তারিখে দিবাগত রাত পৌনে আটটার দিকে সাভার মডেল থানাধীন রাজাশন এলাকা হইতে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি ১, মোঃ মেহেদী হাসান (২৫) কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান মানিকগঞ্জ জেলা সদর কৃষ্ণপুর রাজীবপুরের আব্দুল মালেক এর ছেলে। ১টি পিস্তল ও ২ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করা হয়।
ডিবি পুলিশ জানায়, উক্ত আসামি গ্রেফতার করার পর জিজ্ঞাসাবাদে সে অপরাধ সংঘটিত করার জন্য অবৈধ উদ্দেশ্যে উক্ত অস্ত্র-গুলি নিজ হেফাজতে রেখেছে মর্মে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেন।
সিডিএমএস পর্যালোচনায় দেখা যায়, উক্ত আসামির বিরুদ্ধে ১। ঢাকা এর সাভার থানার এফআইআর নং-৪৪/২৭৭, তারিখ- ৯ মার্চ ২০১৯, জি আর নং, তারিখ ১৮ মার্চ, ২০২৩, সময় ১০, ৩০ ঘটিকা। ধারা-৪৬ (১)। সারণির ১০ (ঘ)/৩৬ (১) সারণির ১৪ (খ)/৪১ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮,২। মানিকগঞ্জ সদর থানা এফআইআর নং২৮/৩৫৫, তারিখ-৮ মে, ২০১৮, সময় দুপুর ১৪, ৩০ ঘটিকা, ধারা-১৯(১)এর ৭ (ক) ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা রয়েছে।
এ ব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ ডিবি (উত্তর) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) জানান, উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় অস্ত্র আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। এই আসামীর সাথে আরো কারা জড়িত আছে সে সংক্রান্তে তদন্ত অব্যাহত আছে, এ ধরনের অভিযান চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান।
-

পথচারী রোজাদারদের মাঝে আওয়ামী লীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের ইফতার বিতরণ
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
পবিত্র রমজান উপলক্ষে রোজাদার মানুষের কাছে ইফতার পৌঁছে দিচছেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কারানির্যাতিত রাজপথ কাঁপানো ছাত্রনেতা এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল।মাহে রমজানের প্রথমদিন মঙ্গলবার (১২মার্চ) ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন স্পটে তার নেতৃত্বে ও ব্যবস্থাপনাশ এলাকায় রোজাদারদের মাঝে তিনি ইফতার বিতরণ করেন দলের নেতাকর্মীরা।
পথচারী, শ্রমজীবী, দরিদ্র ও সাধারণ রোজাদারদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ইফতারি। কখনো তিনি নিজে ইফতারি বিতরণ করেন আবার কখনো প্রতিনিধির মাধ্যমে এ ইফতার বিরতণ করা হয়।
এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন, যে কোনো মানবিক কাজের সাথে আছি। আমাদের মানবিক নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, তা অতুলনীয়। তার থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েই তার একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে যে কোনো মানবিক কাজ করতে প্রস্তুত আছি।