Author: desk

  • ঢাবিতে রোজাদার শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

    ঢাবিতে রোজাদার শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোজাদার শিক্ষার্থীদের উপরে নৃশংস হামলার প্রতিবাদ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (১৬ মার্চ ) সকাল ১১টায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি সরকারি কলেজ শাখার উদ্যোগে,কলেজ এর সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম খলিলের নেতৃত্বে অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, মোঃ আব্দুল কাদের তাওহিদী,অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ দ্বীন ইসলাম, স্কুল কলেজ সম্পাদক মোঃ আশিক কাজী,ঝালকাঠি সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি কাউসার হোসাইন প্রমুখ।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোজাদার শিক্ষার্থীদের উপরে নৃশংস হামলা করে ছাত্র সমাজের অধিকার হরণ করেছে। ছাত্রলীগ প্রতিটা ক্যাম্পাসে এই নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। মানববন্ধন থেকে দেশব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতের দাবীতে জানিয়েছেন বক্তারা।

  • উজিরপুরে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি, এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    উজিরপুরে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি, এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ
    বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি প্রতিরোধে বাজার মনিটরিং করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।

    এ সময় তিনি পণ্যের মুল্য তালিকা না রাখায় ও অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা যায়,১৬ মার্চ শনিবার শোলক ইউনিয়নের ধামুরা বাজারের মাজেদ আলী বেপারীর পুত্র মোহাম্মদ ফিরোজ বেপারী (৩৮) কে বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৮ ও ৪০ ধারায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এ জরিমানা করা হয়।
    এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকল ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে সরকারি ন্যায্য মূল্যের তালিকা প্রদর্শন সহ সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি জন্য সচেতনামূলক সভা করেন।
    এ সময় স্থানীয় সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    পরে তিনি দুপুর ১২টার শোলক ইউনিয়নের ধামুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনার থেকে স্মার্ট এনআইডি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের কে বলেন,পবিত্র মাহে রমজানকে পুজি করে কোনো অসৎ ব্যবসায়ী বা ব্যক্তি অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি কিংবা অবৈধ ভাবে মজুদ করলে তাকে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। রমজান বা ঈদকে সামনে রেখে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠার কারো কাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্যে কোন পণ্য বিক্রি করতে পারবেনা এবং পুরো রমজান মাসে বাজার মনিটরিং এর মাধ্যমে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সিএমপি ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে  সাজা পরোয়ানাভূক্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

    সিএমপি ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে সাজা পরোয়ানাভূক্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম ইপিজেড থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বাঁশখালী থানা এলাকা থেকে সিআর-২২/১৮, (ইপিজেড), ধারা-এন.আই এ্যাক্ট ১৩৮ সংক্রান্তে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী সাপুল কান্তি দে, কে গ্রেফতার করা হয়।

    ইপিজেড থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ হোছাইন সাংবাদিকদের জানান, সিএমপি ইপিজেড থানার অভিযানে ১৫ মার্চ ২০২৪ খ্রিঃ
    এএসআই (নিঃ) মোঃ মাহাবুব আলম, ও এএসআই (নিঃ) আবুল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ বাঁশখালী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পালাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম-ঠিকানাঃ সাপুল কান্তি দে, পিতা-সাধন চন্দ্র দে, মাতা-রতনা রানী দেবী, সাং-তালতলা সেইলর্স কলোনীর শেষ মাথার বাসা, ব্যবসায়ীক ঠিকানা-মহাজনঘাটা স্টিল মিল বাজার, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রাম।

    গ্রেফতারকৃত আসামীকে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হইয়াছে।

  • তারাকান্দায় ওসির তৎপরতায় আইন-শৃংখলার উন্নতি জনমনে স্বস্তি

    তারাকান্দায় ওসির তৎপরতায় আইন-শৃংখলার উন্নতি জনমনে স্বস্তি

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    মশমনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন
    তারাকান্দা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) ওয়াজেদ আলী । এই ওসি যোগদানের পর কমে গেছে মাদকের ভয়াবহতা, খুন-খারাপি, অপহরণ, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ চাঁদাবাজির ঘটনা। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বস্তিবোধ করছেন উপজেলার কৃষক সমাজ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনসহ ব্যবসায়ী এবং সুশীল সমাজের নেতারা।

    সাধারণ মানুষ বলছেন হঠাৎ করেই পাল্টে গেছে অপরাধ প্রবণ এ উপজেলার দৃশ্যপট। গা ঢাকা দিয়েছে অনেক অপরাধী। অপরাধীদের কেউ কেউ পেশা পাল্টে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে শুরু করেছে। পুলিশের কৌশলী ভূমিকার কারণেই ভেঙ্গে পড়েছে অপরাধীচক্রের নেটওয়ার্ক। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই উন্নতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

    স্থানীয় রাজনীতি সচেতন মহল বলছেন, উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ভূমিকা রয়েছে তারাকান্দা থানার। বিশেষ করে থানার ওসি ওয়াজেদ আলী যোগদানের মধ্য দিয়ে অপরাধ দমনে তার আন্তরিকতার প্রমাণ দিয়েছেন। তবে প্রশাসনের এই সাফল্যে গাত্রদাহ শুরু হয়েছে কিছু সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও দুর্বৃত্তেরসহ দালালদের। কারণ ইতিমধ্যে তাদের স্বার্থে আঘাত পড়েছে। যেকারণে এ থানার ওসির বিরুদ্ধে অনেকে বিরুপ মন্তব্য করে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    খোজ খবর নিয়ে জানা গেছে, জেলার গুরুত্বপূর্ণ এ উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমাগতভাবে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। ইতিপূর্বে এই থানার পূর্বের ওসি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে হিমশিম খান রাজনৈতিক নেতা ও দালালদের কারণে। এমন পরিস্থিতিতে এ থানায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন ওসি ওয়াজেদ আলী। বর্তমান ওসি যোগদানের পর উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেশ উন্নতি হয়েছে বলে আইন-শৃংখলা কমিটির সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ কমিটির অন্যান্যরা জানান।

    উপজেলার এক ইউপি চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, তারাকান্দার আইন-শৃংখলার উন্নতির ব্যাপারে ওসির ভাল ভূমিকা রয়েছে। তিনি জনসাধারণের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে ওসিকে তারাকান্দার সার্বিক আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি আরো উন্নত করতে দাবি জানান।

    উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ স্বস্তিবোধ করে বলছেন, তারা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ খুশি। এর আগে থানার ওসির কর্মকান্ডে মানুষের মধ্যে যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছিল তা কাটতে শুরু করেছে। তারাকান্দা বাজার ব্যবসায়ী সংগঠনের কয়েকজন নেতা জানান, ব্যবসা এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে অতিগুরুত্বপূর্ণ এ উপজেলা। এখানে কাঁচামাল ও বিভিন্ন সবজি পাইকারী ও খুচরা বেচাকেনা হয়। যেকারণে এখানে গেড়ে বসেছিল চাঁদাবাজরা। কিন্তু পাল্টে গেছে সেই দৃশ্যপট। এখন দিনে ও রাতে পুলিশের টহলদারীতে বা নজরদারীতে চুরি ডাকাতি কমে গেছে। ফলে পোষ্য সন্ত্রাসীরাও চুরি ডাকাতি ছিনতাইসহ নানাবিধ অপকর্ম চালাতে পারছে না। তারমতে তারাকান্দা থানার বর্তমান ওসি ওয়াজেদ আলী যোগদানের পর চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীরা গা-ঢাকা দিয়েছে। উপজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সমন্বয়কারী ও পরিবহন সংস্থা শ্রমিক সমিতির নেতারা এ প্রতিবেদককে বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় অনেক ভাল। বিশেষ করে বাজার এলাকায় যানজট, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি বন্ধ হয়েছে। ওসি বেশ চমক দেখিয়েছেন।

    তারাকান্দা উপজেলার বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জানান, বর্তমান ওসি ওয়াজেদ আলীর কৌশলী ভূমিকার কাছে হার মেনেছে অপরাধীরা। পাড়া-মহল্লায় শান্তি-শৃঙ্খলা কমিটি তৈরি করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করেছেন। তিনি প্রশংসা পাওয়ার দাবি রাখেন।তবে পুলিশের এই প্রশংসনীয় ভূমিকা মানতে পারছেন না কতিপয় স্বার্থাম্বেষী মহল। কারণ পুলিশের ভূমিকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্মের মাত্রা বেশ কমে গেছে।

    ইতিমধ্যে তিনি অপরাধ নির্মুলে তারাকান্দা থানাধীন বিসকা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের স্কুল, মাদ্রাসায় মোটিভেশনাল, (মাদক, জংগী) ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় এবং তাদের মাঝে বাংলাদেশ পুলিশ সম্পর্কে যাতে কোন নেতিবাচক ধারণা না থাকে সে বিষয়ে দিক নির্দেশনা মুলক আলোচনা করেন। কোমলমতি এই শিশুরা পুলিশ সম্পর্কে এইটুকুই জানতো যে, পুলিশ খারাপ এবং অন্যায় করলেও ধরে আবার অন্যায় ছাড়াও ধরে,তবে তার সাথে সরাসরি মতবিনিময় করতে পেরে শিক্ষার্থীদের এই ধারণা অনেকটাই পাল্টে গেছে। পুলিশ জনগণের বন্ধু এটা তাদের মাঝে প্রমাণিত হয়েছে।এছাড়াও ওসি ওয়াজেদ আলী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কর্মকাণ্ডকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে পুলিশি সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে বিট পুলিশিং সভা করে
    মাদক, জুয়া, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ বন্ধে পুলিশকে সহযোগিতা করতে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করে যাচ্ছেন।যা এর আগে থানার ওসিরা করতে পারেনি।

    তারাকান্দা থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক, জুয়া, ছিনতাইকারী, এবং চোরাই পাম্প সহ চুর ধরে ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি ধরে ইতোমধ্যে তিনি থানা এলাকায় ব্যপক সারা জাগিয়েছেন।

    তারাকান্দা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) ওয়াজেদ আলী বলেন, জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যায় ও নিষ্ঠার সঙ্গে আজীবন কাজ করে যাব। এ থানাকে সব ধরণের অপরাধমুক্ত ও একটি আদর্শ থানা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

    উল্লেখ্য- ওসি ওয়াজেদ আলী এর আগেও কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন,ওসি তদন্ত, ১নং ফাঁড়ি ইনচার্জ হিসাবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

  • উপজেলা চেয়ারম্যান ময়নার গণসংযোগ

    উপজেলা চেয়ারম্যান ময়নার গণসংযোগ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্যে সাক্ষাৎ এবং আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না ।
    জানা গেছে, ১৫ মার্চ শুক্রবার উপজেলার গোল্লাপাড়া হাটে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও উপজেলা নির্বাচনে করনীয় বিষয়ে দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা জিল্লুর রহমান, কাউন্সিলর রোকনুজ্জামান জনি,
    সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল লতিব মন্ডল, ওয়াজির হাসান প্রতাপ সরকার, রাশেল সরকার উত্তম, পঙ্কজ হারদার ও সুরজিদ হালদার কালুপ্রমুখ।
    অন্যদিকে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নির্বাচন ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন নয়। কাজেই সরকার তথা এমপি সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। ফলে উপজেলার মানুষ উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে কোনো ব্যক্তি নয়, সরকার সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় চাই।#

  • ময়মনসিংহ সদরে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে সাঈদ

    ময়মনসিংহ সদরে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে সাঈদ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা জমে উঠেছে । দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করে প্রার্থীদের নির্বাচনী পােষ্টারে ছেয়ে গেছে পুরো উপজেলা। প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের কাছে গিয়ে দিন রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন। গণসংযোগ, পথসভা, উঠান বৈঠক ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটে ভোট প্রার্থনা করছেন প্রার্থীরা। দিচ্ছেন উন্নয়নের নানারকম প্রতিশ্রুতি।
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন সাবেক ধর্মমন্ত্রীর এপিএস, সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,উপজেলার সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ এসোসিয়েশন এর সভাপতি আলহাজ্ব আবু সাঈদ। তিনি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের সমর্থন পেতে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভোটের মাঠে জনপ্রিয়তার শীর্ষেও রয়েছেন এই প্রার্থী । তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় যেখানেই বের হচ্ছেন সেখানেই সাধারণ ভোটারদের জনস্রোতে পরিণত হচ্ছে। তিনি দিন রাত তার কর্মীদের সাথে নিয়ে গণসংযোগ, পথসভা, উঠান বৈঠক ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটে ভোট,দোয়া ও সমর্থন প্রার্থনা করছেন। অপেক্ষা শুধু নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার। তবে তফসিল ঘোষণা করা না হলেও নিজ নিজ এলাকায় প্রার্থীরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন প্রচার প্রচারণা নিয়ে। পোস্টার,লিফলেট ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী এলাকা।

    ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে এবার লড়াই করছেন আপাতত ৬ জন প্রার্থীর কথা শোনা যাচ্ছে। তারা হলেন- বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশরাফ হোসাইন, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু সাঈদ দীন ইসলাম ফখরুল,মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদুল আলম জাহাঙ্গীর, জেলা যুবলীগের আহবায়ক এডভোকেট আজহারুল ইসলাম,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আল আমিন আলভি।

    সাধারণ ভোটাররা জানান, প্রচার-প্রচারণায় এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছেন সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ । ইতিমধ্যে তার হয়ে প্রচারণায় নেমেছে আ.লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী বৃন্দ।

    প্রার্থী আলহাজ্ব আবু সাঈদ বলেন, আমি গতবার সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়রম্যান নির্বাচিত হয়েছি এবং সাবেক ধর্মমন্ত্রীর এপিএস হিসাবে সদর উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে উন্নয়নের জন্য অনেক কাজ করেছি। তাই বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান স্যারের সুযোগ্য সন্তান মোহিত উর রহমান শান্ত ভাইয়ের নির্দেশনায় ও পরামর্শে আমি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছি। আমি আসাবাদী আমার উপজেলার মানুষ আমাকে বেছে নিবে এবং ভোট দেবে। জয়ী করবে।

    আর কিছু দিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ভোটাররাও খুঁজছেন তার পছন্দের প্রার্থীকে। ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা য়ায়, সৎ, যোগ্য ও মাদক সমস্যা দূর করবে এমন প্রার্থীকে বেছে নিবেন সাধারণ ভোটাররা।

    আলহাজ্ব আবু সাঈদ বলেন-আমি গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলার সিরতা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় জনগনের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তা সকলের সহযোগিতায় আমি সম্পূর্ণ পালন করতে সক্ষম হয়েছি।

    এবারও ২০২৪ সালের এই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলাবাসীর দোয়া ও আর্শিবাদ নিয়ে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছি,আশা করি সদরপর আপামর জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে সদরবাসীর সেবা করার সুযোগ অব্যাহত রাখবে।

    তিনি বলেন-আমি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে আমাদের সকলের জনপ্রিয়, আমার একমাত্র অভিভাবক,ময়মনসিংহ-৪ আসনের মাননীয় সংসদ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্তর নেতৃত্বে ও সদরের সর্বস্তরের মানুষের এই উপজেলাকে একটি স্মার্ট উপজেলায় গড়তে চাই, গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে করতে চাই। আমি সকলের দোয়া কামনা করছি।

  • প্রতিটি ভালো কাজেই ওয়ার্ড বাসীর পাশে থাকতে চান কাউন্সিলর আসলাম হোসেন

    প্রতিটি ভালো কাজেই ওয়ার্ড বাসীর পাশে থাকতে চান কাউন্সিলর আসলাম হোসেন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হওয়া সাবেক ছাত্রনেতা আসলাম হোসেন জনগণের অধিকার বাস্তবায়ন আন্দোলনের অন্যতম রূপকার। ময়মনসিংহের আওয়ামী রাজনীতিতে দলের দুঃসময়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার নির্দেশে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সবচেয়ে সফল জনবান্ধব রাজনীতিবিধ তিনি। তাকে ঘিরে ছিল ২৪নং ওয়ার্ডবাসীর বেশি প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশা ভোটাররা পূরণ করেছেন। জয়ের পর নির্বাচন পরবর্তী সাক্ষাৎ ও পবিত্র রমজান মাসের প্রথম জুম্মার নামাজ আদায়কালে তিনি বলেন, ‘এই জয় ভালোবাসার জয়। এই জয় একজন রাজনৈতিক কর্মীর প্রতি জনতার দায়ভারের। সকল জনতার প্রতি আমার ভালোবাসা ও অফুরন্ত শ্রদ্ধা, শুভেচ্ছা । আমার নতুন করে চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। এখন একটাই চাওয়া ওয়ার্ডের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। ভোটারদের জন্য কিছু করতে চাই। সব মিলিয়ে আমাদের ওয়ার্ডের জন্য কাজ করতে চাই। সারাজীবন ভালো কাজের পক্ষে ছিলাম। আগামীতেও থাকব ইনশাআল্লাহ।

    শুক্রবার (১৫মার্চ) নির্বাচনের পর প্রথম শুক্রবার
    বয়ড়া সালাকান্দি নতুন জামে মসজিদে জুম্মার নামায আদায়ের কালে উপস্থিত মুসল্লীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসব কথা বলেন। খুতবা শেষে উপস্থিত মুসুল্লীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। এসময় তিনি যেকোন ভালো কাজে সকলের পাশে থাকার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন এবং যেকোন সময় যেকোন প্রয়োজনে ভোটারদের সরাসরি তার কাছে যাওয়ার আহবান জানান অথবা ফোন করার জন্য অনুরোধ জানান। পরে তিনি উক্ত মসজিদ ও গোরস্থানের উন্নয়নে সবসময় পাশে থাকার আশা ব্যক্ত করেন। তিনি
    জুম্মার নামায আদায় করার পর উশনার বাড়ির রাস্তায় নির্মাণাধীন কালভার্টের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন ও উশনার বাড়ির লোকজনকে সাথে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের কষ্ট লাঘবের জন্য রাস্তা নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণ ও রাস্তা নির্মাণ করার জন্য বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করেন। উশনার বাড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তারকে ঝুঁকিমুক্ত করার লক্ষ্যে ৩ টি বৈদ্যুতিক খুঁটির তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা করেন। এভাবে তিনি আগামীতেও ওয়ার্ডের প্রতিটি এলাকায় নিজে গিয়ে সমস্যা গুলি চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনগণের সেবা করে পাশে থাকার সহযোগিতা কামনা করেন। সবশেষে তিনি তার পারিবারিক কবরস্থানে গিয়ে বাবা-মা, আত্ত্বীয়-স্বজনের কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

  • জনগণের ভালোবাসা নিয়ে ‘স্মার্ট’ উপজেলা গড়তে চান সাবেক ছাত্রনেতা আলভী

    জনগণের ভালোবাসা নিয়ে ‘স্মার্ট’ উপজেলা গড়তে চান সাবেক ছাত্রনেতা আলভী

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রশাসন কে স্বচ্ছ ও দুর্ণীতি মুক্ত জনপ্রশাসন হিসাবে গড়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হতে চান ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা তরুণ রাজনীতিবিধ আল আমিন আলভি। যিনি তার মহান কর্মে বেঁচে থাকতে চান সবার হৃদয়ে। উপজেলার অষ্টধার ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আল আমিন আলভি। যার দাদা ও চাচা ছিলেন অষ্টধার ইউনিয়ন পরিষদের সাবক চেয়ারম্যান। জনসেবামোলক কাজ দেখেই যার বেড়ে উঠা। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সদরবাসীর সেবার মান বৃদ্ধি করতে চান আলভী। তিনি বলেছেন, ‌প্রবাহমান স্রোতের মতো বয়ে চলেছে আমাদের জীবন। এক এক করে জীবন থেকে খসে পড়ছে মূল্যবান একটি বছর। চিরায়িত নিয়মে পাল্টে যাচ্ছে ক্যালেন্ডার। আগমন হয় নতুন কিছু নিয়ে নতুন বছরের, নতুন দিনের নতুন কিছু পাবার, দেখার, জানার আশায় শুরু হয় আবার আমাদের জীবনযাত্রা। তাই এই ছোট্ট জীবনে স্বপ্ন দেখি নতুন দিনের। নতুন ভোরের। তিনি বলেন, আমি সদর উপজেলা বাসীকে সেবা করার সুযোগ চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি সবার দোয়া চাই। তিনি আরো বলেন, সদর উপজেলার সকল যুব সমাজ ও শ্রদ্ধাভাজন মুরুব্বিদের ভালোবাসা নিয়ে সামনে আসছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ‘আধুনিক স্মার্ট’সদর উপজেলা গড়তে চাই, ইনশাল্লাহ। তরুণ প্রজন্মের পাশে থেকে আধুনিক ও সমৃদ্ধ সদর উপজেলা গড়ার প্রত্যাশায় সবার সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি। প্রিয় সদর উপজেলা বাসীর খেদমতে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার সুযোগ চাই।

    ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সুখী সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে ঘোষণা দিয়েছেন, তারই আলোকে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা বাসীর জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন আল আমিন আলভী। ।সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসা আল আমিন আলভি সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জনগণের সমর্থন প্রত্যাশী হিসাবে ইতিমধ্যেই উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় করেছেন। তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা আল আমিন আলভি বলেন, ‘পারিবারিকভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন সংগ্রাম ও দেশ গঠনের অনন্য নেতৃত্বকে রাজনৈতিক জীবনের পাথেয় করে আমি রাজনীতি করে আসছি। ‘বঙ্গবন্ধু না হলে যেমন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সৃষ্টি হতো না, তেমনি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা না থাকলে বদলে যাওয়া আজকের বাংলাদেশও আমরা পেতাম না। টানা ১৫ বছর রাষ্ট্র পরিচালনায় পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো বড় বড় প্রকল্প তিনি আমাদের উপহার দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষিত মেধাবী নেতৃত্ব প্রয়োজন বলে মনে করেন আল আমিন আলভি ।তিনি বলেন, ‘মাথাপিছু আয়, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র নিরসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা সামাজিক নিরাপত্তাসহ অসংখ্য ধারাবাহিক কার্যক্রমে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ বাস্তব। এখন লক্ষ্য ২০৪১ সালের উন্নত, সুখী সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে।

    সাবেক ছাত্রনেতা আল আমিন আলভি সদর উপজেলার এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আল আমিন আলভি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতীয় উন্নয়নকে কাজে লাগিয়ে স্মার্ট সদর উপজেলা গড়তে চাই। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু। সেই ধারাবাহিকতায় সদর উপজেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি। সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়া আল আমিন আলভি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কার্যক্রম উপজেলার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আমি চেষ্টা করেছি। তিনি আরো বলেন, ‘কোনো পদ-পদবীর জন্য নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগামীর বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে চাই। বাংলাদেশের মানুষের আশা ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনা যাতে ভালো ভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে তাই তার একজন প্রতিনিধি হিসেবে তার পাশে থেকে কাজ করতে চাই। পরিশেষে উপজেলার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের দোয়া ও সহযোগিতা চাই।

  • রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটিতে সভাপতি নয়ন, সম্পাদক হৃদয়

    রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটিতে সভাপতি নয়ন, সম্পাদক হৃদয়

    দীর্ঘ ১৪ বছর পর পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ১৬ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে মো. সজরুল ইসলাম নয়নকে সভাপতি ও রেজওয়ান আহম্মেদ হৃদয়কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
    গত শুক্রবার (৮ মার্চ) রাঙ্গাবালী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আরিফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াদ মৃধার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী এক বছরের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হলো।

    এব্যাপারে রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মু. সাইদুজ্জামান মামুন খান জানান, ‘উপজেলা ছাত্রলীগ সদর ইউনিয়নে ত্যাগীদের দিয়ে কমিটি গঠন করেছে। আওয়ামী লীগের সব অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার ক্ষমতা এই কমিটি রাখে। তাদেরকে উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, ১৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মধ্যে ৬ জনকে সহ-সভাপতি, ২ জনকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ৬ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

  • এতিম শিক্ষার্থীদের সাথে ইফতার করলেন ভালুকা মডেল থানার ওসি শাহ কামাল

    এতিম শিক্ষার্থীদের সাথে ইফতার করলেন ভালুকা মডেল থানার ওসি শাহ কামাল

    ষ্টাফ রিপোর্টার: কারো বাবা নেই, কারো নেই মা। আবার অনেকের নেই দুইজনই। এদের অনেকেই এখনও জানে না মা-বাবার সংজ্ঞা। তাদের ঠাঁই হয়েছে এতিমখানায়। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষকদের কাছেই তারা মা, বাবার মায়া, মমতা অনুভব করে। এই মা, বাবা হারানো এতিম শিশু, কিশোর শিক্ষার্থীদের নিয়ে মেঝেতে বসে একসাথে ইফতার করেছেন ময়মনসিংহের ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ।

    তিনি বৃহস্পতিবার (১৪মার্চ) উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের ক্লাবের হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার প্রায় ৩শতাধিক এতিম শিক্ষার্থীদের সাথে ইফতার করেন।

    ইফতারের আগে তিনি এতিম শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে লেখাপড়া, পরিবার, খাবারের মানসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এসময় এতিম শিক্ষার্থীরাও বেশ উৎফুল্ল মনে ওসির সাথে হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়। এসময় মাদরাসার মহাপরিচালক,শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন। পরে নিজস্ব অর্থায়নে মাদরাসার এতিমখানার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করার ব্যবস্থা করবেন বলে ঘোষণাও দেন ভালুকার ওসি।

    ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ. কামাল আকন্দ জানান, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা মহোদয়ের নির্দেশনায় ও ভালুকা মডেল থানার ওসি হিসেবে এখানকার এতিমদের খোঁজ খবর নেয়ার দায়িত্ববোধ থেকে আমি এতিমদের সাথে ইফতার আয়োজনে মিলিত হয়েছি। তাদের সাথে কথা বলে খুব ভালো লেগেছে, তারা ভালো আছে। ভালোভাবে পড়াশোনা করছে।