Author: desk

  • নেতা নয়,সেবক হয়ে আপনাদের পাশে থাকতে চাই-ময়মনসিংহ সদরে সাঈদ

    নেতা নয়,সেবক হয়ে আপনাদের পাশে থাকতে চাই-ময়মনসিংহ সদরে সাঈদ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী,
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব মোহ আবু সাঈদ
    বলেছেন, ‘আমি সেবক হতে চাই, নেতা হতে চাই না। আমি আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী। আপনাদের সাথে থেকে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’

    মঙ্গলবার (১৯মার্চ) দিনব্যাপী সদর উপজেলার পরানগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বড়বাড়িতে গণসংযোগ ও মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    আলহাজ্ব আবু সাঈদ বলেন, ‘আমরা আপনাদের সহযোগিতা করবো এবং আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। তার জন্য কোনো বাহিনী প্রয়োজন নাই। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাধারণ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলো। আমরা সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করি না। আমাদের পাশাপাশি অন্য ধর্মের যারা আছেন তাদেরকে সম্মান করাটা আমাদের শিক্ষা।
    তিনি বলেন, আসুন আমরা-আপনারা সবাই মিলে শান্তিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যেতে চাই। সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে একচিন্তা এবং একচেতনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

    উল্লেখ্য-ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীরা উপজেলার সর্বত্র মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় উঠান বৈঠক, আলোচনা সভা, পরিচয় সভা, নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা। প্রতিটি এলাকায় প্রার্থীদের সঙ্গে ভোটার, নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষও প্রচারণায় অংশ নিচ্ছে।

    সেই ধারাবাহিকতাশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবু সাঈদ দিন-রাত ব্যাপক গণসংযোগ করছেন। এ সময় তিনি বর্তমান সরকারে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, উপজেলা পরিষদের আগামী উন্নয়ন ভাবনা ও পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছেন। এ ধরনের গণসংযোগের ফলে প্রতিটি এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

    উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মানুষের সমর্থন পেতে আলহাজ্ব আবু সাঈদ তার নিজস্ব নানা কৌশলে গণসংযোগ করে যাচ্ছেন। তিনি উপজেলার কুষ্টিয়া,খাগডহর,অষ্টধার, চর ঈশ্বরদিয়া, চর নিলক্ষিয়া, বোররচর ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন সহ প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লায় নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    এ সময় তার সঙ্গে থেকে গণসংযোগ কে উৎসবমুখর পরিবেশে রুপ দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।

    উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ আবু সাঈদ বলেন, উপজেলা পরিষদ হচ্ছে জনগনের উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। ফলে বর্তমান সরকারে উন্নয়নের সব কার্যক্রম উপজেলা ভিত্তিক হলে জনগণ উপকৃত হবে। সৎ আর্দশ মানুষ নির্বাচিত হলে জনগণ ভালো সেবা পাবে। তাই জনগণের কল্যাণে কাজ করতে আপনাদের সহযোগিতা চাই।

  • বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ সাব ইন্সপেক্টর মনোনীত হলেন উজিরপুর মডেল থানার রাকিবুল ইসলাম

    বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ সাব ইন্সপেক্টর মনোনীত হলেন উজিরপুর মডেল থানার রাকিবুল ইসলাম

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃবরিশাল জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সামগ্রিক পারফর্মেন্সের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারী মাসের শ্রেষ্ঠ সাব ইন্সপেক্টর মনোনীত হলেন উজিরপুর মডেল থানার সাব ইন্সপেক্টর রাকিবুল ইসলাম।

    ১৯ মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় বরিশাল জেলা পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে জেলার পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম বিপিএম তাকে সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট, তুলে দেন।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাজহারুল ইসলাম সহ সকল সার্কেল ও বরিশাল জেলার ১০ থানার অফিসার ইনচার্জ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ।

    উল্লেখ্য সাব ইন্সপেক্টর রাকিবুল ইসলাম এর আগেও একাধিক বার শ্রেষ্ঠ সাব ইন্সপেক্টর হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

  • তালতলীতে পুলিশ কনস্টেবলের রাজকীয় বিদায়

    তালতলীতে পুলিশ কনস্টেবলের রাজকীয় বিদায়

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ অবসরের বিষন্নতা কাটিয়ে ৩৯ বছরের কর্মজীবন শেষে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা পেলেন তালতলী থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্য। আর এই সংবর্ধনা দিলেন থানার (ওসি) শহিদুল ইসলাম মিলন।

    মঙ্গলবার বিকাল ৩ঃ০০ ঘটিকায় তালতলী থানা চত্বরে পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রফিকুল ইসলামের জন্য এক বিদায় সংবধর্নার আয়োজন করেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃশহিদুল ইসলাম মিলন।

    এ সময় বরগুনা জেলার তালতলী থানার পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে সাজানো এক গাড়িতে কর্মস্থল থেকে নিজ বাড়ি পটুয়াখালীতে পৌঁছে দেওয়া হয় মোঃ রফিকুল ইসলাম কে।

    ওসির এমন উদ্যোগে খুশিতে আত্মহারা হয়ে বিদায় নেয়ার আগ মুহূর্তে পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রফিকুল ইসলাম বলে বিদায়ের বেলায় তেমন কোনও আনুষ্ঠানিকতা থাকে না। তবে তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলাম মিলন স্যারের এমন উদ্যোগ আমাকে কর্মজীবনের শেষে এক সুখস্মৃতি হয়ে থাকবে। আমরা চাই পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে এভাবেই বিদায় জানানো হোক।

    অবসর জনিত পুলিশ কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম বলেন,অবসরজনিত কারনে বিদায় প্রোগ্রাম আজকের দিনটা খুবই ভালো লাগছে। সবার সাথে মিলেমিশে চলে যাচ্ছি এটা আমার কাছে খুবই আমার কাছে আনন্দের। আর বিগত দিনে এভাবে এরকম ছিল না। নতুন ভাবে আরম্ভ হওয়ার পরে আমরা এখন আনন্দ উপভোগ করতেছি। তালতলীতে আড়াই বছর চাকরি জীবন শেষ। করলাম আপনাদের উদ্দেশ্যে আমি একটা কথাই বলবো আপনার ভালো থাকবেন, আমার জন্য দোয়া করবেন এই প্রত্যাশাই করি। কনস্টেবল পদে চাকরির ৩৯ বছর পার করার পরে। এই তালতলী থানা থেকে বিদায় গ্রহণ করলাম এখানে মোটামুটি আমার কাছে ভালো লেগেছে নীরিবিলি জায়গা তালতলীর মানুষ আমায় ভালোবাসে। আমার মনে হয় আমি কারো সাথে খারাপ আচরণ করেনি খুব ভালোভাবে ছিলাম আশা করি সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন

    তালতলী থানা পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ বশির বলেন, প্রথমে কৃতজ্ঞতা জানাই তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম স্যারকে, অসংখ্য ধন্যবাদ দীর্ঘ ৩৯ বছর চাকরি করার পরে তাকে যে একটা সম্মানজনক বিদায় দিয়েছেন। স্যার এটা আসলে নজিরবিহীন বাংলাদেশের প্রতিটা থানা প্রতিটা ইউনিটে তাদের এটা করা উচিত কারণ আমরা যে যেখানে চাকরি করি
    মনে করি আপন ভাই এর মতন। ওসি স্যার এত বড় একটা মহান উদ্যোগ নিয়েছেন তাকে ধন্যবাদ। জানাই অবসরজনিত রফিক ভাই ও আমি পাশাপাশি বেডে ছিলাম রফিক ভাই অত্যন্ত ভালো মানুষ।

    তালতলী থানার অফিসারস ইনচার্জ বলেন, তালতলী থানায় কর্মরত কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম,তিনি দীর্ঘ ৩৯ বছর পুলিশ বিভাগে চাকরি করেছেন এবং তিনি অবসরজনিতে যাচ্ছেন এই উপলক্ষে আমাদের তালতলী থানা পক্ষ থেকে
    তাকে সম্বর্ধনা জানিয়েছে এবং একটা লোক দীর্ঘদিন এই ডিপার্টমেন্টে শ্রম দিয়েছেন জীবন-যৌবন উৎসর্গ, করেছেন এবং ডিপার্টমেন্টের জন্য কাজ করেছেন। এজন্য তাকে আমরা সম্মানজনক ভাবে তাকে এই থানা থেকে আমরা বিদায় দিয়েছি এবং আমাদের সরকারি গাড়িকে সুসজ্জিত করে বাড়ি পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।

    আগামিতেও সবার বিদায় বেলায় সুখস্মৃতি হয়ে থাকার মতো এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

  • উজিরপুরে মাছের ঘেরে তাণ্ডব ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাতলা ইউপি চেয়ারম্যান সহ ১২জনের বিরুদ্ধে মামলা

    উজিরপুরে মাছের ঘেরে তাণ্ডব ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাতলা ইউপি চেয়ারম্যান সহ ১২জনের বিরুদ্ধে মামলা

    জুনায়েদ খান সিয়াম,

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ

    বরিশালের উজিরপুরের সাতলা ইউনিয়নের পশ্চিম সাতলা গ্রামে ঘের নিয়ে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরে গভীর রাতের তাণ্ডব চালিয়ে ছয়টি পানির সেচ পাম্প, ট্রলারে সংযোগ, মুরগির খামারে পানির সংযোগ বিছিন্ন,কয়েক হাজার মিটার প্লাস্টিকের পাইপ ও ঘরবাড়ি ভাংচুর সহ কোটি টাকার মালামাল লুটপাটের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জনকে আসামি করে উজিরপুর মডেল থানা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    উজিরপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান, ১৭ মার্চ গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ড ও লুটপাটের ঘটনায় মোঃ আসাদ হাওলাদের এক নম্বর ও সাতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদারকে দুই নম্বর আসামি করে মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

    মৎস্য ঘের ও মুরগি খামার মালিক ও ব্যবসায়ী ইদ্রিস হাওলাদার বাদী হয়ে ১৮ মার্চ উজিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আসাদ হাওলাদার ও তার ভাই বিএনপি নেতা ইলিয়াস ও কিবরিয়ার নেতৃত্বে ৪০-৫০ জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল ১৭ মার্চ রাত ৩ টার দিকে রুবেল বালি, ইদ্রিস হাওলাদার ও মাহফুজ বালীর মাছ ও মুরগির প্রজেক্টে তান্ডব চালিয়ে ছয়টি সেচ পাম্প ও একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার , পাইপ, টিউবওয়েল সহ প্রায় কোটি টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

    এ সময় ভাড়াটি সন্ত্রাসীরা মাইক্রবাস যোগে পালানোর সময় স্থানীয়রা ধাওয়া করে বাসটিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে । ঘের মালিক রুবেল বালির মুরগির খামার ও মৎস ঘের হইতে পশ্চিম সাতলা মৌজা হইতে পাকা রাস্তা পর্যন্ত স্থানীয় জনগণ ও খামার মালিকদের মুরগি ও মাছের খাদ্য আনার জন্য ব্যক্তি উদ্যোগে রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয় গত এক মাস যাবত এতে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদার বাধা প্রদান করেন ।

    এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ মার্চ গভীর রাতে আসাদ , ইলিয়াস , কিবরিয়া, রাসেল, জুয়েল, সোহেল, মশিউর বালী, রায়হান, শামীম সহ ৪০-৫০ জনের সশস্ত্র একদল সন্ত্রাসী ট্রলার যোগে প্রজেক্টে ঢুকে খামারের গুদাম লুট করে মাছ ও মুরগির খাবার নিয়ে যায়। শেচ পাম্পের পাইপ কুপিয়ে খন্ড বিখন্ড করে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে।

    মামলার বিষয়ে সাতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদার জানান, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে আমরা আদালতের মাধ্যমে ১৯ মার্চ সবাই জামিন নিয়েছি ।

  • পাইকগাছা পৌর বাজার যেন ময়লার ভাগাড় ; কতৃপক্ষ নিরব

    পাইকগাছা পৌর বাজার যেন ময়লার ভাগাড় ; কতৃপক্ষ নিরব

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা পৌরসভার নির্দিষ্ট কোন ময়লা আবর্জনার ডাস্টবিন না থাকায় যতত্র ময়লা ফেলায় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে পৌর বাজারে চলাচলকারী মানুষ ও ব্যাবসায়ীরা। বাজার সংলগ্ন নদীর পাড় যেন ময়লা আবর্জনার স্তুপে পরিণত হয়েছে। বিষাক্ত দুর্গন্ধের কবলে ব্যবসায়ীরা সহ সর্বস্তরের জনগণ। দক্ষিণে হাওয়া আসলেই নাকে কাপড় দিয়ে পথ চলতে হয় জন সাধারনের। অপরদিকে পৌর সদরের প্রানকেন্দ্রে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিত্যাক্ত ভবনও ডাস্টবিনে পরিনত হয়েছে। পৌর বাজারে মদিনা মার্কেটের পাশে স্বাস্থ্যবিভাগের একটি উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে। তার পাশেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একটি পরিত্যাক্ত ভবন রয়েছে। বর্তমানে ভবনটি ডাস্টবিন হিসাবে ব্যাবহার করছে এলাকাবাসী। পরিত্যাক্ত ওই ভবনের পাশে পৌরসভা একটি ডাস্টবিন তৈরি করেছে। যেখানে সব সময় ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে।যার কারনে রমযান মাসে দূষিত বাতাস আর দূর্গন্ধময় পরিবেশে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পৌর সদরে চলাচলকারী জনগন ও এলাকাবাসী। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা দেখেও না দেখার ভান করছে
    পৌর কর্তৃপক্ষ। পরিবেশ দুষিত হলেও কর্তৃপক্ষের নেই কোন মাথা ব্যাথা। মনে হচ্ছে, পাইকগাছা পৌরসভা ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে।
    উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ১ফেব্রুয়ারি খুলনা জেলার একমাত্র পৌরসভা পাইকগাছা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে ধীরে ধীরে দ্বিতীয় শ্রেণী ও পরবর্তীতে প্রথম শ্রেণীতে স্থান করে নিলেও অবকাঠামো কোন উন্নয়ন হয়নি পৌরসভার জনগণের। তারই ধারাবাহিকতায় পাইকগাছা পৌরসভার হাট বাজারের দক্ষিণ পার্শের শিবসা নদীর পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে ময়লা আবর্জনার স্তুপ। এর কোল ঘেষে রয়েছে চা পট্টি, কাঁচা বাজার, মুদি ব্যবসায়ীরা, মাছ বাজার, মাংস বাজার সহ পাইকগাছার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। পাশেই রয়েছে ক্লিনিক,পাইকগাছা থানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দুঃখের বিষয় পৌরসভার পরিচ্ছন্নকর্মীরা বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ করে বাজার সংলগ্ন স্থানে ফেলে বাজারকে দুষিত করে ফেলছে। গরু-ছাগল-এর মল-মুত্র, হাঁস-মুরগীর আবর্জনা, মানুষের মল-মুত্র সহ বিভিন্ন আবর্জনা ভ্যান অথবা ট্রাকে করে বাজার সংলগ্ন স্থানে ফেলে আবর্জনার স্তুপে পরিণত করেছে। ময়লা আবর্জনার কারণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষের কোন দিকে নজর নেই।
    আবার বাজারের ব্যবসায়ীদের খুলনা থেকে ট্রলারযোগে আমদানী করা সকল মালামাল উক্ত স্থান নিয়ে ওঠা-নামা করে। যে সমস্ত মালামাল ট্রলার থেকে নামিয়ে ময়লা আবর্জনার উপর রাখতে দেখা যায়। সামান্য বৃষ্টি হলে ও মাঝে মধ্যো পৌর সভার শহর রক্ষা বাঁধ উপচে ময়লা-আবর্জনা ধুয়ে দুষিত গন্ধ পানি বাজারের দোকানপাট ও রাস্তায় প্লাবিত হয়। সে সময় ব্যবসায়ীরা সহ বাজারে আসা সর্বত্র জনগণ রাস্তায় বের হতে পারে না। আবার দখিণা বাতাস এলে বিষক্ত দুর্গন্ধে সাধারণ জনগণ মুখে কাপড় দিয়েও গন্ধ রোধ করতে পারে না। ফলে বিভিন্ন ধরণের রোগ ছড়িয়ে পড়ে। পৌর কর্তৃপক্ষ অদ্যাবধি পর্যন্ত ময়লা আবর্জনা ফেলার কোন নির্দিষ্ট স্থান তৈরী না করায় অপরিকল্পিতভাবে পৌর সদরকে দুষিত করে ফেলা হচ্ছে। এছাড়া মনে করা হচ্ছে ময়লা আবর্জনা ফেলে শিবসা নদী ভরাট করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। আবার ময়লনা আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট কোন স্থান না থাকায় বাজারের ব্যাবসায়ীদের বিভিন্ন পচা দ্রব্যাদি এখানেই ফেলছে। পৌর সদর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বে নিয়োজিত পরিচ্ছন্নকর্মীরা খামখেয়ালীভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে চলেছে। পৌর কর্তৃপক্ষ সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যথা নেই। কেউ খেয়াল করছেন না পৌরসভা ও সাধারণ মানুষের কথা। বাজারের অনেক ব্যবসায়ী বলেন, বাজারে যে খরিদ্দার আসে তারা নাকে রুমাল অথবা কাপড় বেঁধে এখানে আসে। আমরা তো ব্যবসার স্বার্থে দুর্গন্ধ সহ্য করে নিয়েছি। প্যানেল মেয়র শেখ মাহাবুবুর রহমান রঞ্জু বলেন, পৌর সভার নিজস্ব কোন জায়গা নেই। ময়লা ফেলার ডাম্পিং এর জন্য জায়গা দেখা হচ্ছে। জায়গার ব্যাবস্থা হয়ে গেলে পৌর বাজারের পাশে আর ময়লা ফেলা হবে না। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি জায়গার ব্যাবস্থা হয়ে যাবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • গলাচিপায় রমজানে দ্বিতীয়বার অসহায় পরিবারকে বাজার ও চিকিৎসা ফ্রী করে দিলো “নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন”

    গলাচিপায় রমজানে দ্বিতীয়বার অসহায় পরিবারকে বাজার ও চিকিৎসা ফ্রী করে দিলো “নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন”

    গলাচিপা প্রতিনিধি :
    পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড গজালিয়ার নুরুল ইসলাম ’র মেয়ে রেখা বেগম(২৮)। ৫ বছর আগে বিবাহ হলেও স্বামী ফেলে গেছেন ৩ বছর। একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে রেখার।এক ভাই ও এক বোনের সংসারে রেখা যেন ভাইয়ের কাঁধে মরার উপর খারার ঘা। রেখার নিজের নেই কোন আয় বানিজ্য।চলেন ভিক্ষা করে,এর থেকে চেয়ে এনে কোন রকম দিনাতিপাত করছিলেন। অসহায় রেখার তার মেয়েকে নিয়ে ভাইয়ের ঘরের একটি কোনে কোনরকম বসবাস।
    এমন অবস্থান দেখে তাকে রমজানের ১ মাসের বাজার করে ও তাদের দুই মা ও মেয়ের ৫ বছরের জন্য চিকিৎসা সেবা ফ্রী করে দিয়েছে “নবজাগরন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন ” ১৯ মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১টার সময় তার পরিবারের মাঝে এ বাজার বিতরণ করা হয়।খাবারের মধ্যে চাল চিড়া মুড়ি ছোলাবুট পেঁয়াজ রোশন আদা লবন গরমমসলা সাবান সয়াবিন তেল আলু এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. হুজ্জাতুল ইসলাম , গলাচিপা উপজেলা শাখার সহ সভাপতি মোসা: ইরা খাঁন , সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো: রিফাত রহমান, প্রচার সম্পাদক আদনান সাকিব, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক মো: রাব্বি খাঁন কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক এস এম সাইদুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো: রাকিবুল হাসান।

    এ বিষয়ে নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন গলাচিপা উপজেলা শাখার সভাপতি – মোহাম্মদ মুনতাসীর মামুন বলেন , মানুষ মানুষের জন্য – এই কথাটি মনে ধারন করে অসহায়, ও বাক প্রতিবন্ধী রেখা বেগম কে নিজস্ব অর্থায়নে ১ মাসের বাজার করে উপহার দিয়েছি।এছাড়াও তার ও তার মেয়ের আগামী ৫ বছরে সকল ধরনের চিকিৎসা সেবা ফ্রী তে প্রদান করা হবে। এই ১ মাস পর তার কি অবস্থা হবে সে স্হানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলেছি।নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতে ও আরও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াবে, এছাড়াও ছিন্নমূল পথশিশুদের নিয়ে ইফতারির আয়োজন ও ঈদের সময় তাদেরকে নতুন জামা প্রদান করা হবে । গলাচিপাবাসীর কাছে আমরা দোয়া কামনা করছি সকল অসহায় মানুষের পাশে যেন আমরা সর্বদা এভাবে দাড়াতে পারি।

    সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার ফারজানা বলেন, আমরা সত্যিই গর্বিত তাদেরকে সহযোগিতা করতে পেরে। তাদের মতন অসহায় মানুষ আসলেই এই সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য। এমনিতেই অসহায় তার উপর নিজে চলাফেরা করতে পারে না। আমরা নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে এমন অসহায় মানুষের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো।

    নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার হুজ্জাতুল ইসলাম বলেন, নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন একটি সামাজিক সংগঠন, এখানের সকল সদস্য একেকজন খুব এক্টিভ সদস্য, সবাই অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। এটি সত্যিই গর্বের বিষয়। আশা করি নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন এর এমন উদ্যোগ চলমান থাকবে।

  • ধামইরহাটে আশার দিনব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে আশার দিনব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে ১৭মার্চ বঙ্গবন্ধুর ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিসব উপলক্ষ্যে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশার উদ্যোগে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার (১৮মার্চ) উপজেলার ফতেপুর বাজার সংলগ্ন আশা অফিসে আশা নওগাঁ জেলার সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার (এগ্রি) সাইফুদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন আশা নওগাঁর (নজিপুর) জেলার সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার শামীম হোসেন।
    ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরুর আগে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল শহীদ সদস্য এবং দেশের তরে প্রাণ দেয়া শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন খিদমাতুল কোরআন ইন্টা: হেফজ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হাফেজ মো. মোয়াজ্জেম হুসাইন। দোয়া মাহফিলে আশার সকল সদস্য, খিদমাতুল কোরআন ইন্টা: হেফজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
    এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশার ধামইরহাট অঞ্চলের সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার মমিন হোসেন খন্দকার, ধামইরহাট-১ ব্রাঞ্চের ম্যানেজার আসাদুজ্জামান, ফতেপুর আশার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মাসুদ রানা প্রমূখ। এদিন আশা অফিস প্রাঙ্গনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত মেডিক্যাল ক্যাম্পে বিনামূল্যে প্রায় ৩শতাধিক রোগীদের চিকিৎসা শেষে ব্যবস্থাপত্র প্রদান, ডায়াবেটিক পরীক্ষা, ওজন পরিমাপ এবং ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করা হয়। আশা ফতেপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের হেল্থ সেন্টার ইনচার্জ ডা. আয়েশা সিদ্দিকা আইরিনের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য সহকারী জুলেখা বানু, মাশরুফা বানু, বিন্জু খাতুন, তানিয়া আক্তার এসব চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।

    আবুল বয়ান।।

  • বানারীপাড়ায় বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে সেমিনার অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে সেমিনার অনুষ্ঠিত

    বিশেষ প্রতিনিধি।। বানারীপাড়ায় বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উদযাপন উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ১৯ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সেমিনারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অন্তরা হালদার সভাপতিত্ব করেন। সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বরিশাল জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক সুমী রাণী মিত্র, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা পার্থ সারথী দেউরী, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আফসানা আরেফিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও বন্দর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সুব্রত লাল কুন্ডু প্রমূখ।#

  • কুষ্টিয়া পিবিআইতে প্রেস রিলিজ বিষয়ে ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

    কুষ্টিয়া পিবিআইতে প্রেস রিলিজ বিষয়ে ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া:পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ প্রেস রিলিজ বিষয়ে ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে আশা করা হয়েছে মিডিয়ার মাধ্যমে পুলিশ সঙ্গে জনগণের সম্পর্কের আরো উন্নতি হবে।

    কুষ্টিয়া পিবিআই কার্যালয়ে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ‘প্রেস রিলিজ গাইডলাইনস ও ভিডিও এডিটিং’ শিরোনামে ওয়ার্কশপ শুরু হয়। কুষ্টিয়া পিবিআই এর পুলিশ সুপার শহীদ আবু সরোয়ারের সভাপতিত্বে এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি মো. জাহিদুজ্জামান। তিনি কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব (কেপিসি) এর নির্বাহী সদস্য ও কুষ্টিয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েনের সভাপতি। ভিডিও ও এডিটিং বিষয়ে আলোচনা করেন একাত্তর টিভির ক্যামেরা পারসন কোহিনুর ইসলাম। কীভাবে প্রেস রিলিজ ও ভিডিও তৈরি করলে মিডিয়ার জন্য উপযোগী হবে তা তুলে ধরেন তারা।
    ওয়ার্কশপে অংশ নেন কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলার পিবিআইয়ের ৪ জন ইন্সপেক্টর সহ মোট ২০ জন পুলিশ কর্মকর্তা।
    ওয়ার্কশপে পুলিশ সুপার শহীদ আবু সরোয়ার বলেন- মামলার তদন্তে পুলিশের সাফল্যগাথা গণমাধ্যমে প্রচারের মাধ্যমে অপরাধপ্রবণতা কমে আসবে। এর মাধ্যমে গণমাধ্যমের সঙ্গে পিবিআইয়ের সম্পর্কের উন্নতি হবে বলেও আশা করেন তিনি।

  • জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনার উপকূলীয় এলাকা পরিদর্শনে সুইডেনের রাজকন্যা

    জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনার উপকূলীয় এলাকা পরিদর্শনে সুইডেনের রাজকন্যা

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা) ।।

    জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)’র শুভেচ্ছা দূত ও সুইডেনের ক্রাউন প্রিন্সেস ভিক্টোরিয়া আজ (মঙ্গলবার) সকালে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনার উপকূলীয় কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের নোয়ানি গ্রামের যজ্ঞমন্দির এলাকায় ইউএনডিপি, ইউএনসিডিএফ, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও সুইডেন সরকারের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন পরিচালিত লজিক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম পরিদর্শন করেন।
    ক্রাউন প্রিন্সেস এসময় স্থাপিত হওয়া ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম থেকে স্থানীয় মানুষদের লবণমুক্ত সুপেয় পানি সংগ্রহ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেমের উপকারভোগীদের সাথে সংক্ষিপ্ত সময় মতবিনিময় করেন।
    মতবিনিময়কালে উপকারভোগীরা দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ততা সমস্যার কারণে অতীতে পানযোগ্য পানির সংকটের কথা তুলে ধরেন।
    তারা জানান, আগে গ্রামীণ উৎস হতে পরিবারের পানযোগ্য পানি সংগ্রহের জন্য নারীদের বাড়ি থেকে দূরে যেতে হতো আবার অনেক সময় লবণমুক্ত পানি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়তো। এখন নতুন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম হওয়ার পরে সহজেই লবণমুক্ত বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যাচ্ছে। পরে ক্রাউন প্রিন্সেস একই ইউনিয়নের শিকারিপাড়া এলাকায় লজিক প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু সহনশীল জীবিকায়নের অংশ হিসেবে ভেড়া পালন, মৎস্য চাষ এবং জলবায়ু ও জীবিকা উন্নয়ন সমবায় সমিতির মধু বিপণন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
    পরে তিনি কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে অবস্থিত ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার পরিদর্শন করে ডিজিটাল সেন্টার হতে সেবাগ্রহীতারা কিভাবে সেবা পান তার সম্যক ধারণা লাভ করেন এবং ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ডিজিটাল সেন্টারের সুবিধা-সেবাসমূহ নিয়ে পটগানের পরিবেশনা উপভোগ করেন। এরপরে কয়রা উপজেলা সদরে বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তরের স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্ট অফ পোস্ট অফিস উদ্বোধন করেন ক্রাউন প্রিন্সেস। উদ্বোধনী কার্যক্রম শেষে তিনি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে হেলিকপ্টার যোগে কয়রা ত্যাগ করেন।
    ক্রাউন প্রিন্সেসের সফরকালে সুইডেনের Minister for International Development Cooperation and Foreign Trade Mr. Johan Forssell, বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তাঁর সাথে ছিলেন।
    এসময় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমরা খুবই আনন্দিত যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ও আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরনের জন্য যে কার্যক্রমগুলো হাতে নেয়া হয়েছে সুইডেনের ক্রাউন প্রিন্সেস সেগুলোর মধ্যে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার পরিদর্শন ও স্মার্ট ডাক সার্ভিস পয়েন্ট পোস্ট অফিস উদ্বোধন করলেন।
    সরকার দেশের সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন, তিনশত ১৯টি পৌরসভা ও সকল সিটি কর্পোরেশনে ডিজিটাল সেন্টার চালু করেছে। এসকল সেন্টার থেকে প্রতি মাসে প্রায় এককোটি মানুষ সেবা গ্রহণ করছেন। যার মাধ্যমে আমরা ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থা প্রণয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের আট হাজার ডাকঘরকে মেইল ডেলিভারি সেন্টার থেকে সার্ভিস ডেলিভারি সেন্টারে রূপান্তর করতে চান। তারই অংশ হিসেবে আমরা আজ একটি ডাকঘরকে স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্ট অফ পোস্ট অফিস হিসেবে উদ্বোধন করলাম।
    এর আগে সকালে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. ফিরোজ শাহ, বাংলাদেশ পুলিশের খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) জয়দেব চৌধুরী, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের ভিকেএসএ পাঞ্জুগাজী গিলাবাড়ি ইউনাইটেড একাডেমি মাঠের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে ক্রাউন প্রিন্সেসকে স্বাগত জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।