Author: desk

  • ময়মনসিংহ নগরীর যানজট দুর্ভোগ নিরসনে ওসি ও তদন্ত ওসির  নেতৃত্বে কোতোয়ালী পুলিশের অভিযান

    ময়মনসিংহ নগরীর যানজট দুর্ভোগ নিরসনে ওসি ও তদন্ত ওসির নেতৃত্বে কোতোয়ালী পুলিশের অভিযান

    আরিফ রববানী,ময়মনসিংহ
    বিভাগীয় ময়মনসিংহের ব্যাস্ততম নগরীতে অসহনীয় যানজট। ফলে প্রতিদিন নগরবাসীর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ে এখন আর কেউ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। নগরীর গণমানুষের দুঃখ কষ্টের কথা চিন্তা করে নগরী যানযট নিরসনেে কোতোয়ালী পুলিশকে নির্দেশনা দেন ওসি মোঃ মাইন উদ্দিন।

    মানুষের দুর্ভোগ লাগবে চলাচলের সুবিধা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে রাস্তার উপর জনশৃংঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহমেদ ভূঞার নির্দেশনায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ মাইন উদ্দিন ও কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেন এর যৌথ নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    বৃহস্পতিবার ২১ মার্চ ২০২৪ তারিখে দুপুর থেকে থানা ও ফাঁড়ীর অফিসার ফোর্স নিয়ে গাঙ্গিনাপার, ওল্ড পুলিশ ক্লাব রোড, ট্রাংপট্টি, বাসা বাড়ি মার্কেট , ও বড় মসজিদ এলাকার রাস্তা অবমুক্ত যানজট নিরসন করতে হকার উচ্ছেদে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেন। জনশৃংঙ্খলা রক্ষায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

    উল্লেখ্য যে, এর আগে দাপুনিয়া বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বর্তমানে নগরীর গাঙ্গিনারপাড়, নতুন বাজার মোড়, স্বদেশী বাজার আমপট্টি মোড়, চড়পাড়া মোড়, ব্রীজের মোড়, জিলাস্কুল মোড়, জুবলীঘাট মোড়, রাজবাড়ি সংলগ্ন গঙ্গাদাশ গুহ রোড মোড়, টাউন হল মোড়, কাঁচিঝুলি মোড়, সানকিপাড়া বাজার রেলক্রসিং, নাসিরাবাদ স্কুল রেলক্রসিং, নতুন বাজার রেলক্রসিং, সি,কে ঘোষ রোড রেলক্রসিং, মেডিকেল কলেজ হোস্টেল গেইট রেলক্রসিং, কৃষ্টপুর-পাটগুদাম রেলক্রসিং, খাগডহর ঘুন্টি রেলক্রসিং। এই সকল জায়গাগুলোতে যানজট নিত্য নৈমত্তিকি ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।

  • নড়াইলের জয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চারটি কক্ষ দখল করে পরিবারসহ বসবাস করেন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমন

    নড়াইলের জয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চারটি কক্ষ দখল করে পরিবারসহ বসবাস করেন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলের জয়পুর ইউনিয়ন ইউনিয়ন পরিষদে পরিবারসহ বসবাস করেন চেয়ারম্যান।নড়াইলের লোহাগড়ায় উপজেলার ৬নং জয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চারটি কক্ষ দখল করে গত দুই বছর যাবত বসবাস করছেন বর্তমান চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম সুমন ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিন হন। সেই থেকেই তিনি পরিষদের চারটি কক্ষ দখল করে পরিবারসহ সেখানেই বসবাস করছেন।
    সুমন চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী বলেন, নির্বাচনের পর থেকে আমরা পরিবারের ৭ জন সদস্যসহ এখানে বসবাস করি। জনগণ যাতে সবসময়ই চেয়ারম্যানকে কাছে পায় এবং চেয়ারম্যান যেন দ্রুত জনগণকে সেবা দিতে পারে সেজন্যই ইউনিয়ন পরিষদে থাকা।

    জয়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল হক বলেন, সুমন চেয়ারম্যান দুই বছর ধরে বউ-বাচ্চা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে থাকে, পরিষদে অনেক রুম বউ বাচ্চা নিয়ে চেয়ারম্যান থাকে তা অসুবিধা কোথায়।

    আড়িয়ারা গ্রামের সাকের খন্দকার বলেন, আমার ৭০/৭৫ বয়সে কনোদিন দেখিনি চেয়ারম্যান বউ বাচ্চাসহ ইউনিয়ন পরিষদে থাকে, এবার দেখছি এই চেয়ারম্যানকে পরিবারসহ ইউনিয়ন পরিষদে বসবাস করতে।
    জয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. রাসেল বলেন, আমাদের দোতলায় চারটি কক্ষ আছে, ওইগুলা কৃষি অফিস, মৎস্য অফিস, প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সাস্থ পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, এনারা একটা একটা করে রুম পাবে। যেনারা আগে আসবে তিনারা আগে রুম পাবে। চেয়ারম্যান কিভাবে এই রুম গুলা দখল করে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ইউপি সচিব মো: রাসেল বলেন, এ ব্যাপারে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন।
    ইউনিয়ন পরিষদের দোতলা দখলে করে বসত-বাড়ি গড়ে তোলার বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমন বলেন, আমি চার রুম নিয়ে থাকি না। আমার জন্য সরকারি ভাবে দুই রুম বরাদ্দ আছে সেই দুইরুম নিয়ে থাকি। বাকি দুইরুমের একটা সার্ভার রুম আর একটা বিট পুলিশ রুম।

    জয়পুর ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা বিট পুলিশ অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তৌফিক আহমেদ টিপু জানান, আমি এই ইউনিয়নে নতুন আসছি, আমাদের জন্য একটা রুম আছে গ্রাম পুলিশ ও বলছে কিন্তু কোনটা আছে সেটা আমার জানা নেই।

    এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী বলেন,এ ভাবে ইউনিয়ন পরিষদে থাকার কোন নিয়ম নেই। আগামী এক সপ্তাহের মধ্য চেয়ারম্যানকে ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার জনমনে ক্ষোভ

    উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার জনমনে ক্ষোভ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগের বিপদগামী কতিপয় নেতার মদদে গড়ে উঠা একটি সিন্ডিকেট চক্র তৎপর হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ সিন্ডিকেটের সদস্যরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাযিত্বশীল নেতা এবং জনপ্রতিনিধিদের জিম্মি করে অবৈধ সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে তাদের চরিত্র হনন ও তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করছে। তারা এবার গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে টার্গেট করে তার চরিত্র হননে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এদিকে জননন্দিত আদর্শিক ও পরিক্ষিত একজন রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এমন মানহানিকর কুরুচিপূর্ণ তথ্য প্রচার করায় জনমনে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হযেছে।স্থানীযরা জানান, এসব অপপ্রচারকারিদের নেপথ্যে রয়েছে, রাতারাতি অঢেল বিত্তবৈভবের মালিক কতিপয় কুখ্যাৎ মাটি বাবা। তাদের ধারণা উপজেলা নির্বাচনে এবারো জাহাঙ্গীর আলম আওয়ামী লীগের সমর্থন পাবেন। আর সেটা হলে তার বিজয় প্রায নিশ্চিত। এদিকে বিষয়টি উপলব্ধি করে মাটি বাবার নেপথ্যে মদদে তারা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হযেছে। রাজনৈতিকভাবে জাহাঙ্গীরকে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ তারা কুট-কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।জানা গেছে, এমপি ফারুক চৌধুরী ও তার অনুগতদের বিরুদ্ধে একটি সিন্ডিকেট চক্র দীর্ঘদিন যাবত অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলা নির্বাচনে এমপি ফারুক চৌধুরীর সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় ঠেকাতে এরা ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে।তারা সাধারণ ভোটারদের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্নখাতে ফেরাতে চেযারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

    সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমমে উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে জড়িয়ে মিথ্যা-ভিত্তিহীন, মনগড়াও মানহানিকর খবর প্রকাশ করা হয়েছে। এসব খবরে বলা হয়েছে, জমি দখল, অবৈধ পুকুর ভরাট, পাওনা টাকা আদায়ের নামে অর্থ আত্মসাৎ, মাদক কারবারিদের রাজনৈতিক সহযোগিতা প্রদান, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে মাদক ব্যবসা পরিচালনাসহ উপজেলা পরিষদের নানা অনিয়ম। এছাড়াও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এসে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। অগাধ সম্পত্তির মালিক বনে গেলেও অপরাধ যেনো থামছেই না তাঁর। অবৈধ পুকুর ভরাট করে প্লট আকারে বিক্রি করছেন।অন্যদিকে গোদাগাড়ী এলাকায় মাদক ব্যাবসায়ীদের কাছে মাসোয়ারা নেন তিনি। মাসোহারা না দিলে পুলিশ দিয়ে হয়রানিসহ ভয়ভীতি দেখান তিনি। চেয়ারম্যানের বাসায় ভাড়া থাকেন গোদাগাড়ী সার্কেল এএসপি৷ এটার ভয়ও তিনি বিভিন্নজনকে দেখান।চেয়ারম্যানের রাইট হ্যান্ড খ্যাত গোলাম কাওসার মাসুম তেতুলতলা এলাকায় তাঁর নামে পুকুর ভরাট পূর্বক প্লট তৈরি করে বিক্রি করছেন। এছাড়াও উপজেলার ভেজাল জমি ক্রয় ও বিক্রয় করেন।উপজেলা পরিষদের নানা অনিয়মের মাধ্যমেও তিনি অগাধ সম্পত্তির মালিক বনে গেছেন। প্রকল্পের আওতায় হওয়া কাজগুলোতে নয় ছয় করে হাতিয়ে নিয়েছেন অর্থ। উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিতে জনগণের সেবক না হয়ে ভক্ষক হয়েছেন ইত্যাদি নানা অসত্য ও বিভ্রান্তিমুলক অভিযোগের কথা বলা হয়েছে। যা আদৌ সত্য নয়, বানোয়াট, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।

    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, যেখানে বিগত ৫ বছরে উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সুনিদ্রিস্ট একটি অভিযোগও কেউ করতে পারেনি, সেখানে নির্বাচনের আগে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা অবশ্যই উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। কারন তার বিরুদ্ধে যদি এমন কোনো অভিযোগ থাকতো, তা হলে সেটা এতোদিন তারা করেনি কেন ? রাতারাতি তার বিরুদ্ধে এতো অভিযোগ করা হচ্ছে কার স্বার্থে ? এসব বিষয় অনুসন্ধান করা হলেই থলের বেড়াল বেরিয়ে আসবে ? এর নেপথ্যে কারা রয়েছে। এছাড়াও রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হবার অনেক আগে থেকেই জাহাঙ্গীর আলম সফল ব্যবসায়ী ও বিত্তশীল। বরং কারা মাদক ব্যবসায়ী ও শূণ্য থেকে অঢেল বিত্তবৈভবের মালিক সেটা গোদাগাড়ীর মানুষের মুখে মুখে আলোচনা রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এসব বিষয় সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় মাদক কারবারিদের আশ্রয়দাতা কিছু প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন। পরিষদে দূর্নীতির কোনো সুযোগ নাই। ইউএনও আর চেয়ারম্যানের যৌথ স্বাক্ষরে সব কাজ হয়। #

  • নড়াইলে আগুনে পুড়ল দিনমজুরের ৩ গরু,৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি

    নড়াইলে আগুনে পুড়ল দিনমজুরের ৩ গরু,৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের চরশিয়রবর গ্রামে গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন লেগে ফুলমিয়া নামের এক দিনমুজুরের তিনটি গরু পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (২০ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার চরশিয়রবর গ্রামের ফুল মিয়ার গোয়াল ঘরে মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
    বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) উপজেলার শালনগর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. লাবু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার গভীর রাতে কয়েলের আগুন থেকে গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ভুক্তভোগী পরিবারের ডাক চিৎকারে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় একটি গরু ঘটনাস্থলে এবং একটা বৃহস্পতিবার সকালে মারা যায়। অন্য আরেকটি গরুর অবস্থাও আশঙ্কাজনক। সব মিলিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ওই পরিবারের।

    এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ফুল মিয়া বলেন, আমার যা ছিল সব শেষ, আমি নিঃস্ব আমি পথে বসেছি। আমি দিনমজুর আমার এক ইঞ্চি জমি নাই, পরের জমি চাষ করি আর তা বিক্রি করে সংসার চালায়। তাছাড়া আমার স্ত্রী প্যারালাইসিস হয়ে প্রায় দীর্ঘ ১২ বছর বিছানায় পড়ে আছে। আগুন আমার সব কেড়ে নিয়েছে। আমি বিত্তবানদের সাহায্য সহযোগিতা কামনা করছি। সাহায্য না পেলে আমার সংসার চালানো সম্ভব নয়।

    এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মো. লাবু মিয়া বলেন, বুধবার রাতে গোয়ালঘরে আগুন লাগার বিষয়টি শুনেছি। তিনটি গরু পুড়ে গেছে। ওই পরিবারকে সহোযোগিতা করার চেষ্টা করব।

  • তানোরে উপজেলা চেয়ারম্যান  প্রার্থী মামুনের গণসংযোগ

    তানোরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মামুনের গণসংযোগ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দিতার ইচ্ছে প্রকাশ করে মাঠে নেমেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক ও কামারগাঁ ইউপির দু’বারের সফল চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল-মামুন।
    জানা গেছে, গতকাল উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের (ইউপি) দাড়দহ, জুড়ানপুর, শিলপুর ও আজিপুরগ্রামে।অন্যদিকে পরেরদিন তানোর পৌরসভার চাপড়া বাজার, গোকুল মথুরা, গোকুল মাদরাসা মোড় ও বেলপুকুরিয়া মোড়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ এবং আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে নিজের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।
    এদিকে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নির্বাচন ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন নয়। এছাড়াও এই নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত অংশগ্রহণ করছেন না। এমনকি দলীয় প্রতিক থাকছে না। আবার নির্বাচনে যারা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দিতা করছেন তারা আওয়ামী লীগের ঘরের মানুষ এখানে বিরোধীতা বলে কিছু নাই। ভোটারগণ যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই ভোট দিবেন। আব্দুল্লাহ আল-মামুন এক সময়ের দাপুটে রাজপথের লড়াকু সৈনিক। দীর্ঘদিন যাবত নিজে বঞ্চিত রয়েছেন এবং আওয়ামী লীগের নিপিড়ীত-নির্যাতিত, শোষণ-বঞ্চনার শিকার নেতাকর্মীদের অধিকার আদায়ে তাদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। উপজেলার হাজার হাজার বঞ্চিত ও নিপিড়ীত মানুষ এবার মামুনকে নিয়ে তাদের অধিকার আদায়ের স্বপ্ন দেখছেন। তারা তাদের সর্বস্ব বিলিয়ে এবার মামুনকে একটা জায়গায বসাতে চাই। যেখানে পাওয়া না পাওয়া বলে কোনো কথা থাকবে না। কিন্ত্ত তারা তাদের কথা বলতে পারবেন। এদিকে বিএনপি-জামায়াত প্রার্থী না দিলে তাদের ভোট মামুনের বাক্সে যাবার উজ্জ্বল সম্ববনা রয়েছে। তানোর উপজেলা নির্বাচনে এবার জয়-পরাজয়ে মেইন ফ্যাক্টর বিএনপি-জামায়াতের ভোট ব্যাংক বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।#

  • নড়াইলে গাঁজাসহ তিনজন গ্রেফতার

    নড়াইলে গাঁজাসহ তিনজন গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলের লোহাগড়া থানা পুলিশ আটশত গ্রাম গাঁজাহস তিনজন গ্রেফতার। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ ইউসুফ মুসল্লী (৩৫), মোঃ জিয়াউর কাজী (৩৫) ও মোঃ নাজমুল শেখ ওরফে নাজু শেখ (৪৬) নামের তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ ইউসুফ মুসল্লী (৩৫) নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানাধীন মঙ্গলহাটা গ্রামের মৃত রউফ মুন্সির ছেলে, মোঃ জিয়াউর কাজী (৩৫) একই গ্রামের তবিবর কাজীর ছেলে এবং মোঃ নাজমুল শেখ ওরফে নাজু শেখ (৪৬) নড়াইল জেলার সদর থানাধীন নিধিখোলা গ্রামের আমির শেখের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানাধীন ইতনা ইউনিয়নের ইতনা চৌরাস্তা বুলবুল স্টোরের মুদি দোকানের সামনে থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কুমার রায় এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) সুজিত সরকার, এএসআই (নিঃ) মোঃ জামরুল ইসলাম, এএসআই (নিঃ) শাহাবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ ইউসুফ মুসল্লী (৩৫), মোঃ জিয়াউর কাজী (৩৫) ও মোঃ নাজমুল শেখ ওরফে নাজু শেখ (৪৬) দেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামিদের নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য আটশত গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কুমার রায় বলেন,নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • আদালতে মামলা করায়  স্ত্রীকে হ*ত্যা চেষ্টা স্বামীর

    আদালতে মামলা করায় স্ত্রীকে হ*ত্যা চেষ্টা স্বামীর

    কে এম সোহেব জুয়েল : আদলতে মামলা করায় স্ত্রীকে সু- কৌশলে মুঠোফোনে ডেকে এনে লঞ্চে তুলে হত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে পালিয়েছেন স্বামী সফিকুল ইসলাম।

    ঘটনাটি ঘটেছে ১৯ মার্চ ( মঙ্গলবার) রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেরে যাওয়া এডভ্যানসার লঞ্চের কেবিনে।

    সফিকুলের স্ত্রী মিতুর মামা জামাল খাঁন জানান গত ৫/৬ মাস পুর্বে তার বোনের মেয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের চর হোগলপাতিয়া গ্রামের ভ্যান চালক কবির চৌকিদারের কন্যা মিতুকে ৩ লক্ষ টাকা মহারানা ধার্য করে কাবিন রেজিষ্টারের মাধ্যমে বিবাহ করেন পাশ্ববর্তী গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সরিকল গ্রামের ফল বিক্রেতা সহিদ খানের পুত্র সফিকুল ইসলাম ২২।

    বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য জালাতন করতেন যৌতুক লোভী স্বামী সফিকুল ও তার পরিবারের লোকজন ।সফিকুলের দাবিকৃত যৌতুক স্ত্রী মিতুর অসহায় পরিবার থেকে না পাওয়ায় নিজকে আড়াল করেন সফিক। এ নিয়ে একাধিক বার বসাবসি করেও কোন সমাধান মিলাতে না পেরে সম্প্রতি বরিশাল বিজ্ঞ আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে স্বামী সফিকুল ও তার পিতা সহিদ খানকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন স্ত্রী মিতু। এতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে স্বামী সফিকুল ক্ষুদ্ব হয়ে গত ১৯ মার্চ মঙ্গলবার স্ত্রী মিতুকে মুঠো ফোনে ডেকে সু- কৌশলে বরিশালে আনেন লম্পট স্বামী সফিকুল। স্ত্রী মিতুকে নিয়ে সংসার করবে বলে বুঝিয়ে আস্বস্ত করে বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেরে যাওয়া এডভ্যানসার লঞ্চের কেবিনে তুলেন এবং মামলা তুলে নেয়ার কথা বলেন মিতুর স্বামী সফিকুল। এ নিয়ে দু জনার মধ্য বাক বিতান্ডার এক পর্যায় মিতুকে এলোপাতাড়ি মারধর ও বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাস রুদ্র করে হত্যার প্রচেষ্টা চালায় লম্পট স্বামী সফিকুল।

    মিতুর ডাক চিৎকার লঞ্চের লোকজন ছুটে আসলে হত্যা প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে নিজ জীবন নিয়ে লঞ্চ থেকে পালিয়ে যায় লম্পট সফিক।

    মিতুকে স্হানীয় লঞ্চ যাত্রীরা মুমুর্শ অবস্থায় উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন ।

    এ বিষয় সফিকুলের বিরুদ্ধে হত্যা প্রচেষ্টা আইনে মামলা করার কথা জানিয়েছেন মিতুর পরিবারের লোকজন।

  • একজন মানবিক সৎ ও নিষ্ঠাবান সমাজ সেবক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান

    একজন মানবিক সৎ ও নিষ্ঠাবান সমাজ সেবক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান

    স্টাফ রিপোর্টার

    প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে। কিন্তু স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা টপকে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল। এমনই একজন সমাজ সেবক ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান। যিনি অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা টপকে নিজেকে একজন সফল ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ঘাগড়া ইউনিয়নের কৃতি সন্তান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান একজন সফল ব্যবসায়ী থেকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী। সদর উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের নেতৃত্বে থেকে শ্রমিকদাবী বাস্তবায়নের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন কাজ করছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান। গত ইউপি চেয়ারম্যানে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই ঘাগড়া ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকাজুড়ে কৃষি খাত, শিল্প খাত, পানি সরবরাহ, শিক্ষা, মানব সম্পাদ উন্নয়ন, কুঠির শিল্প, হাট বাজারের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য খাত, সামাজিক নিরাপত্তা, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিবহন ও যোগাযোগ খাত এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতিক খাতের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেন। ছাত্র জীবন থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের রাজনীতি সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির মাঠে আছেন, সকল শ্রেণি পেশার মানুষের ভালবাসায় আজ সফল একজন চেয়ারম্যান। এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সর্বোপরি গরীব মেহনতী মানুষের প্রকৃত জনদরদী হিসেবে তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী ছোট বেলা থেকেই একজন সহজ-সরল-সৎ মনের অধিকারী ও মেধাবী মানুষ। যার ফলে ঘাগড়াবাসী তাকে বিপুলভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ঘাগড়ার সর্বস্তরে উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। সামাজিক সচেতনতা এবং মানবিক সেবার অনন্য উদ্যোগ তাকে একজন মানবদরদী ও মহতী মানুষের উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।তিনি এ পর্যন্ত ঘাগড়া বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, শ্মশান, কবরস্থান, সহ বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন সংস্কার করে চলেছেন এবং গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা সঠিকভাবে বিতরণ করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে যাচ্ছেন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের জয়লাভের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তিনি। আলহাজ্ব সাইদুর রহমান জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন কাজ করেছেন বলেই তিনি ইউনিয়ন পরিষদের একজন সফল চেয়ারম্যান। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানসহ দিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্ব ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মানুষের প্রত্যাশা পূরনে নিরর কাজ করে যাচ্ছেন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে। তিনি তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারন মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারু ভাবে বাস্তবায়নের জন্য, সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এবং আগামীতে ঘাগড়া ইউনিয়নকে উন্নয়নের রুল মডেল করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। সকলের সহযোগীতা পাচ্ছেন। ঘাগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতা পাওয়ায় তিনি আজ ইউনিয়নের সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। জনসেবার ক্ষেত্রে আপোষহীন এ রাজনীতিবীদ জনবান্ধব ব্যক্তি তাঁর বয়স ও অভিজ্ঞতা দুটিকেই কাজে লাগিয়ে তাঁর কর্মকান্ডে মনে হয় তিনি একজন পরিশ্রমী। জনসেবার ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা অনেক। এসকল সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা। উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুড়িয়েছে। ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় অবদান, সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় ঘাগড়া এলাকায় নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মুখ উজ্জ্বল।

  • ডিবি পরিচয়ে টাকা ছিনতাই, শার্শার ৪ সদস্যসহ আটক ৭

    ডিবি পরিচয়ে টাকা ছিনতাই, শার্শার ৪ সদস্যসহ আটক ৭

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে সবজি বিক্রেতার সাড়ে ৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৭ জন ভুয়া ডিবি সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

    বুধবার (২০ মার্চ) রাতে যশোরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে ছিনতাই করার ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

    আটককৃতরা হলেন— ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তেঘুরিহুদা গাজীর বাজার গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে হারুন অর রশিদ (৩৩), শার্শার টেংরাইল মাঝেরপাড়া গ্রামের সেকেন্দার আলী ছেলে হাসান (২৪), চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের মৃত হোসেন মোহাম্মদের গফফারের ছেলে ইসতিয়াক আহম্মেদ (২৪), যশোর সদর উপজেলার খড়কি বর্মন পাড়া এলাকার হানিফের ছেলে রাশেদ হাওলাদার (২৮), শার্শা নাভারণ রেল বাজার এলাকার মৃত আব্দুল মোতালেবের ছেলে সোহেল আহম্মেদ বাবু (৩২), একই উপজেলার গোগা গাজিপাড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে উজ্জল হোসেন (৩০) ও বেনাপোল পুটখালী এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে হাফিজুর রহমান (৩২)।

    যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রুপণ কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, গত ১৬ মার্চ রাতে যশোরে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে আসামিরা সবজি বিক্রেতা সোহাগ ও হাবিবুর রহমানকে অপহরণ করে। পরে তারা তাদের কাছ থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিনতাই করে কেশবপুরের একটি মাঠের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। ওই দুই সবজি বিক্রেতা ঘটনার পরের দিন যশোর পুলিশের শরণাপন্ন হলে যশোর গোয়েন্দা ডিবি পুলিশের সদস্যরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপহরণকারীদেরকে শনাক্ত করে।

    তিনি আরো জানান,আটককৃতরা সবাই অপহরণকারী চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীদের অপহরণ করে তাদের কাছ থেকে টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাই করে আসছিল।

    আটককৃতদের আদালতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।

  • সুন্দরগঞ্জে স্ত্রীকে আত্মহ*ত্যার প্রচারণার দায়ে স্বামী গ্রেফতার

    সুন্দরগঞ্জে স্ত্রীকে আত্মহ*ত্যার প্রচারণার দায়ে স্বামী গ্রেফতার

    গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্রচারণা অপরাধে অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ।

    থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ধুমাইটারী গ্রামের মেনহাজ উদ্দিনের মেয়ে মাহমুদার বেগমের সাথে গোপালচরণ গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে আব্দুল মালেকের সাথে ১২ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে ২ সন্তানের জন্ম হয়। তখন থেকে মাহমুদাকে সময়ে অসময়ে মানসিক শারীরিক নির্যাতন করে আসছেন স্বামী মালেক। বিষয়টি নিয়ে একাধিক বার স্থানীয় ভাবে লোকাল চেয়ারম্যান মেম্বার বসে মিমাংসা করে দেন। একপর্যায়ে ঘটনার দিন বুধবার দিবাগত-রাতে মানিসক নির্যাতণ সহ্য করতে না পেরে মাহমুদা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্বহত্যা করেন। পরে আত্বহত্যার প্ররোচনায় পুলিশ স্বামী আব্দুল মালেক কে গ্রেফতার করেন।

    এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এনিয়ে থানায় নিয়মিত মামলা রজ্জু করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত স্বামী মালেককে গ্রেফতার পূর্বক জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।