Author: desk

  • নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে জেলা অপরাজিতাদের সাথে  অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে জেলা অপরাজিতাদের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    আনোয়ার হোসেন,
    পিরোজপুর প্রতিনিধি//

    নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এর প্রতিনিধিদের সাথে জেলা অপরাজিতা নেটওয়ার্ক-এর অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২৪শে মার্চ রবিবার বেলা ১১টায় পিরোজপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক – সাইফ মিজান স্মৃতি সভাকক্ষ, অপরাজিতাদের নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান ও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)জনাব মাধবী রায়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন পিরোজপুর জেলা অপরাজিতা নেটওর্য়াকের এর সভাপতি নার্গিস জাহান। উক্ত সভায় সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন পিরোজপুর জেলা অপরাজিতা নেটওয়ার্ক এর সাধারন সম্পাদক ফাহমিদা মুন্নী

    উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম –উপপরিচালক,কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, মো: সোহেল পারভেজ- উপপরিচালক, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, জনাব মমিনুল হক বাকাউল- উপপরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, জনাব ইকবাল কবির –উপপরিচালক, জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর, জনাব ডা: মো: রানা মিয়া-জেলা প্রানী সম্পদ অফিসার. প্রানী সম্পদ অধিদপ্তর, জনাব কুমারেশ চন্দ্র গাছি-জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মো: জহুরুল হক-জেলা শিক্ষা অফিস,এস এম মনিরুজ্জামান-কৃষি প্রকৌশলী,প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি -খেলাফত খসরু, সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন, আব্দুস সালাম বাতেন-পৌর কমিশনার,আফিজা আক্তার খুশি–পৌর কমিশনার ।আরো উপস্থিত ছিলেন আনসার ভিডিপি প্রতিনিধি,এসএমসি প্রতিনিধি, কাজী , ইমাম ও জেলা অপরাজিতাবৃন্দ।আরো ছিলেন রূপান্তরের বরিশাল ক্লাস্টারের বিভাগীয় সমন্বকারী ঝুমু কর্মকার, ও জেলা সমন্বয়কারী সাহিদা বানু সোনিয়া এবং মাঠ সমন্বকারী জাহাংগীর ফকির মিঠু ও আজিজূল হক প্রমুখ।

  • বানারীপাড়ায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়া(বরিশাল) সংবাদদাতা: বানারীপাড়ায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজনীন হক মিনু বানারীপাড়া ডাক বাংলোয় সকাল ১০ সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষনা দেন। উপজেলার আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন এনজিও’র কমিটি, অপরাজিতা, নারীনেত্রী নেট ওয়ার্ক সংগঠন এর সাথে কাজ করছেন। করোনাকালীন সময়ে তিনি মানুষকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য -সহযোগিতা করেছেন। মিনু বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন। নারীর অধিকার বিষয়ে কাছ করেছন। তিনি নির্বাচিত হলে প্রাপ্ত সম্মানী অতি দরিদ্র ও দুস্থ নারীদের মাঝে বিতরণ করার কথা বলেন। সমাজকে কিছু দেয়ায় জন্য এবং উপজেলাবাসীকে সেবা প্রদান করার কথা বলেন।
    তিনি সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের সময় তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন শুভ মোগল, সুজন মোল্লা, মোঃ জাকির হোসেন জীবন, মোঃ ইলিয়াস হোসেন, আব্দুল আউয়াল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন #

  • বানারীপাড়ায় বঙ্গবন্ধু  সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২৪ অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২৪ অনুষ্ঠিত

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা: রবিবার ২৪ মার্চ সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাস্তবায়িত উপজেলা পর্যায়ে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম, সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম, চাখার সরকারি ফজলুল হক কলেজ শিক্ষক সুমন মন্ডল, উজিরপুরের পাপিয়া ইয়াসমিন, বানারীপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাছুদা আক্তার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় ভাষা ও সাহিত্য, গণিত ও কম্পিউটার, দৈনন্দিন বিজ্ঞান এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন(অটিজম) বিষয়ে চারটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় ৪ টি বিভাগের ১২ জনকে পুরস্কার বিতরণ করা হবে বলে উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা জানান।#

  • স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়েক স্থরের নিরাপত্তা জোরদার

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়েক স্থরের নিরাপত্তা জোরদার

    হেলাল শেখঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়েক স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সেই সাথে এ বছর ড্রোন ক্যামেরা দ্বারা পুরো এলাকাটি মনিটরিং করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) মোঃ আবদুল্লাহিল কাফী।

    রবিবার (২৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা জেলার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটকের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এ সময় ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) আবদুল্লাহিল কাফী বলেন, আপনারা জানেন যে, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং ভুটানের যিনি রাজা উনারা নবীনগরে অবস্থিত এই জাতীয় স্মৃতিসৌধে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসবেন। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমাদের ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম আমাদের যে পরিকল্পনা সেটি গ্রহণ করা হয়েছে।

    নিরাপত্তার বিষয়ে এ সময় তিনি আরো বলেন, আমাদের কয়েক স্তরে নিরাপত্তা থাকবে, সাদা পোশাকে পুলিশ থাকবে। আমাদের রাস্তায় রোড কেন্দ্রিক পুলিশ থাকবে। এছাড়াও বিভিন্ন কেন্দ্রিক আমাদের বড় একটি টিম কাজ করবে। এর বাহিরে এ বছর আমরা ড্রোন দ্বারা পুরো এলাকার পরিস্থিতি মনিটরিং করবো। আমাদের কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পুলিশ সদস্য এই মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নিরাপত্তায় কাজ করবে।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। এই দিবসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন ধরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে, বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠান হতে পারে। যেহেতু এটি রমজান মাস চলছে, সবকিছু আমাদের ঢাকা জেলা পুলিশ এখানে একটি সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। কেননা কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য যেন কোথাও অনুষ্ঠিত না হয় সে লক্ষ্যে পুলিশ সচেষ্ট থাকবে।

    এ সময় আবদুল্লাহিল কাফী আরও বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং ভুটানের যিনি রাজা উনারা আসবেন ভোর বেলা। তার আগে আমাদের স্মৃতিসৌধের যে মেইন গেট তার আশপাশে, ওই সময় সাধারণ দর্শনার্থীরা থাকতে পারবেন না৷ তবে উনারা চলে যাওয়ার পরে সর্বসাধারণের জন্য এটি উন্মুক্ত করে দেয়া হবে এবং আমাদের সড়কের যে ব্যবস্থা সেটি নরমাল থাকবে। কেননা এখানে সাধারণ যে নাগরিকবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসবেন। তারা যেন দ্রুত আসতে পারেন এবং দ্রুত ফিরে যেতে পারেন সে লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশ কাজ করবে।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএফএম সায়েদ, ওসি ইন্টেলিজেন্ট মিজানুর রহমান, উপ-পরিদর্শক অমিতাভ চৌধুরী অমিত, উপ-পরিদর্শক বিপুল হোসেনসহ ঢাকা জেলা বিপুল সংখ্যক পুলিশ।

    অন্যদিকে দিবসটি পালনে জন্য সবুজে ঘেরা ১০৮ হেক্টর জমির ওপর নির্মিত স্মৃতিসৌধ চত্বরটি গণপূর্তের কয়েক’শ কর্মীর নিরলস পরিশ্রমে এক নতুন রূপ পেয়েছে। আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে ধুয়ে মুছে পরিস্কার করার পর রং তুলির নতুন সাঁজে সেজেছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ চত্বরের প্রতিটি স্থাপনা।

    স্মৃতিসৌধ চত্বরের চারপাশের শোভা পাচ্ছে নানা ধরনের রঙ্গিন ফুল।

  • গোদাগাড়ীতে সিসিবিভিও’র আয়োজনে   পশু, পাখি  পালনের উপর প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে সিসিবিভিও’র আয়োজনে পশু, পাখি পালনের উপর প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট এলাকায় সিসিবিভিও’র আয়োজনে ও ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড জার্মানীর সহায়তায় ‘রাজশাহীর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর রক্ষাগোলা গ্রাম ভিত্তিক স্থিতিশীল খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচী’-এর আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ের ১০টি রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠনসমূহের ২০ জন সদস্যের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ ২৪ মার্চ, ২০২৪ তারিখ রোজ রবিবার সিসিবিভিও শাখা কার্যালয় কাঁকনহাট প্রশিক্ষণ কক্ষে দিনব্যাপী হাঁস-মুরগী ও গবাদী পশু পালন বৃদ্ধিকরণ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহন করা হয়।

    এ প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজাবাড়ীহাট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দের উর্দ্ধতন প্রশিক্ষক মু: আসাদুজ্জামান ও সিসিবিভিও’র উর্দ্ধতন মাঠ কর্মকর্তা নিরাবুল ইসলাম । প্রশিক্ষণের আলোচ্য সূচি ছিল গবাদি পশু-পাখি পালনের আধুনিক পদ্ধতি, গবাদি পশু-পাখির বিভিন্ন রোগ ও তার প্রতিকার, গবাদি পশু-পাখি পালনে বিভিন্ন সমস্যার প্রশ্নোত্তর এবং গবাদি পশু-পাখি পালনের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাজারজাতকরণের উপায় । প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন সিসিবিভিও’র প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা সৌমিক ডুমরী।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • উজিরপুরে রাস্তা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ -আহত ২

    উজিরপুরে রাস্তা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ -আহত ২

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর রাস্তা নির্মান নিয়ে বিরোধের জেরে দুইজন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    উপজেলার শোলক ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের একটি সরকারি রাস্তা নির্মান নিয়ে পুর্ব বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষ ঘটে।

    স্থানীয় ও অভিযোগ সুত্রে যানা যায়, একই বাড়ির একটি রাস্তা নির্মান শুরু হলে মোঃ হায়দার আলী(৪৩)গং ও রাসেল বালী(২৫) গং দের কিছু জমি রাস্তার ভিতরে পরে। এ নিয়ে শুরু হয় উভয় পক্ষের বিরোধ। ২৩ মার্চ সন্ধা ৬ টায় বিরোধের এক পর্যায়ে মোহাম্মাদ আলী পাইক এর স্ত্রী হিরা বেগমের উপর একই বাড়ির রাসেল বালীর (২৫) নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জন অতর্কিত হামলা চালায়। হিরা বেগমের ডাক চিৎকারে হায়দার আলী ও জব্বার পাইক ছুটে আসলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয়।

    হামলায় আহত জব্বার পাইক ও হিরা বেগমকে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    হামলার শিকার জব্বার পাইক ও হিরা বেগম বলেন বিনা কারনে আমাদের উপর হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা।রাসেল বালী রাম দা সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে। তার সহযোগী ছিলো জহুরা বেগম, ভাসাই বালী,রাশিদা বেগম, শিল্পি বেগম,পারভীন বেগম সহ আরো কয়েকজন। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ বলেন, রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারি সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • মায়ের সাথে অভিমান করে বিষ পানে ছেলের আত্মহত্যা

    মায়ের সাথে অভিমান করে বিষ পানে ছেলের আত্মহত্যা

    নাঈম ইসলাম তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

    বরগুনার তালতলীতে মাত্র ১০০ টাকার জন্য মায়ের সাথে অভিমান করে মো. ইমরান হোসেন (১৮) নামের এক স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে। রবিবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের বড় আমখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. ইমরান হোসেন একই গ্রামের মো. ইব্রাহিম হাওলাদারের ছেলে ও লাউপাড়া সাগর সৈকত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ঘটনার দিন রবিবার স্থানীয় দোকানে ইমরানের কাছে পাওনা ১০০ টাকা পরিশোধের জন্য দোকানদার চাপ দেয়। পরবর্তীতে ইমরান তার পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য মায়ের কাছে ১০০ টাকা চায়। এ টাকা দিতে তার মা অস্বীকার করলে ইমরান হোসেন অভিমান করে কীটনাশক পান করে। পরে স্বজনরা উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অব¯’ার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। পরে বরিশালে নিয়ে যাওয়ার পথে ইমরানের মৃত্যু হয়।

    তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হয়েছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    নাঈম ইসলাম
    তালতলী বরগুনা

  • সুন্দরবনের নদী খালে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্টগার্ড’র অভিযান

    সুন্দরবনের নদী খালে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্টগার্ড’র অভিযান

    মোংলা বাগেরহাট, প্রতিনিধি।

    সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী সুন্দরবন সহ পার্শবর্তী নদী-খালের অভয়ারন্য এলাকায় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অভিযান শুরু করেছে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদস্যরা। রবিবার (২৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বনের নন্দবালা ও হারবাড়িয়া সহ অন্যান্য অভয়ারণ্য এলাকাগুলোতে অভিযান চালান তারা। এসময় জেলেদের এসকল এলাকা থেকে বের করে দেয়া সহ নিষিদ্ধ সময়ের সরকারী লিফলেট বিতারণও করা হয়। কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের কর্মকর্তা লে. ইকবাল জানায়, পুর্ব সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকা ও এর আশপাশের নদী ও খালে সকল প্রকারের মাছ ধরা পরিবহন ও নৌযান চলাচল করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে সরকার। তাই ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এসকল স্থানে জেলেরা যাতে প্রবেশ করে মাছ ধরতে না পারে, পর্যটকবাহী বোট যাওয়া এবং সকল ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনাও দেয়া হয়। চলমান এ দুই মাস মাছের ডিম ছাড়ার মৌসুম, তাই ডিম থেকে বাচ্চা বড় হওয়া সহ মাছের বংশ বৃদ্ধির নিরাপদ স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে বনের অভয়ারণ্য এলাকা। এই সময় যাতে জেলে নামধারী দুবৃত্তরা এসকল এলাকায় মাছ শিকার করতে না পারে সে জন্যই কোস্ট গার্ডের এ অভিযান। এসময় জেলিপুশকৃত চিংড়ি, চিংড়ি রেনু পোনা, ফাইস্যা পোনা, কচ্ছপ, কাঁকড়া, অবৈধ বোট ও অবৈধ জাল আটকসহ বিভিন্ন বিষয়ে রোধে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করবে কোস্ট গার্ড সদস্যরা। তিনি আরো বলেন, বিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট সুন্দরবনের চার ভাগের ৩ ভাগ এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একই সাথে মোংলা, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা ও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় কোস্ট গার্ডের ১টি বেইস ও ১৪টি স্টেশন, আউটপোস্ট নিয়ে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
    এছাড়াও মোংলা বন্দরে আগত বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা প্রদান এবং বিভিন্ন সময় সমুদ্রে ডুবে যাওয়া জাহাজ, ট্রলার এবং বোটের উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন তার এখতিয়ারভূক্ত এলাকাসমূহে চোরাকারবারী, পাঁচারকারী, বিদেশী মদ, গাঁজা, ইয়াবা, হরিণের মাংস, মাথা ও চামড়া আটকসহ বিভিন্ন অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে অবৈধ মৎস্য আহরণ, মাদক ও মানব পাচার রোধ, অবৈধ জালের ব্যবহার, বনজ সম্পদ রক্ষা, নৌযান ও নৌপথে জানমালের নিরাপত্তা বিষয়ে স্থানীয় জেলে, মাঝি ও পেশাজীবীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক বক্তব্য ও দিন-রাত টহলরত রয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন মোংলা সদর দপ্তরের সদস্যরা।

  • বাবুগঞ্জে পিতা তার  নিজ কন্যা সন্তানকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিতের অপচেষ্টা

    বাবুগঞ্জে পিতা তার নিজ কন্যা সন্তানকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিতের অপচেষ্টা

    কে এম সোয়েব।
    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি : বাবুগঞ্জে জন্মদাতা পিতা জেএম গোলাম মোর্শেদ নয়ন তার নিজ জন্মদাতা চার কন্যা সন্তানকে সম্পত্তি থেকে চীর বঞ্চিত করার অপচেষ্টায় মরিয়া উঠছেন বলে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    কন্যা সন্তানদের পিতা নয়ন বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ট জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের মৃত আব্দুস ছাত্তার জমাদারের পুত্র।

    গোলাম মোর্শেদ নয়নের অসহায় কন্যা মুনমুন নাহার প্রিয়া, কামরুন নাহার কেয়া,নুসরাত জাহান নিপা, ও কানিজ ফাতিমাদের বেলায় এমনটাই দেখা গেছে।

    কন্যা ফাতিমা অভিযোগ করে বলেন,আমার মায়ের গর্ভে কোন পুত্র সন্তান না হওয়ায় আমার বাবা তার নামের স্হাবর সম্পত্তি ও তাতে নির্মত সেমিপাকা বসত ঘড় গত ১০ অক্টোবর ২০২৩ ইং তিন শত টাকার নন জুডিশিয়াল স্টাম্পে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে আমাদের চার বোনের নামে দান পত্র হেবা দলিল করে দেন আমার পিতা জেএম গোলাম মোর্শেদ নয়ন জমাদার। যার মৌজা নং – ইসলামুর,জেল নং -২ খতিয়ান নং-৫৬৫, দাগ নং -৪৬২২,৪৬২৩,৪৬২৪,৪৬২৫,৪৬২৬,৪৬২৭,৪৬২৮,৪৬২৯,৪৬৩০,৪৬৩১,৪৬৩২,৪৬৩৩,৪৬৩৪,৪৬৩৫।

    কিন্তুু ইদানীং সময় আমর একই বাড়ির চাচাতো ভাই সোহেল জমাদার -৪৫,রাসেল জমাদার -৩৫ চাচাতো বোন জেসমিন ও তার স্বামী বাহার আমার বাবাকে কু- পরামর্শ ও ভুল বুঝিয়ে জমি দলিল করে আত্বশোধ করে নেয়ার পায়তার চালিয়ে আসছে।

    তাই আমার বাবা যাতে আমাদের নামের দান পত্র হেবা দলিল অন্য কাউকে সাবকবলা রেজেষ্ট্রারি করে দিতে না পারে সে লক্ষে প্রশাসনের সর্ব মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন অসহায় চার কন্যা ও তাদের পরিবারের লোকজন।

  • ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেয়ে খুশী ময়মনসিংহের ১২৮ তরুণ-তরুণী

    ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেয়ে খুশী ময়মনসিংহের ১২৮ তরুণ-তরুণী

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে মাত্র ১২০ টাকা খরচ করে মেধা ও যোগ্যতায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ১২৮ জন তরুণ-তরুণী। স্বপ্নের বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য হতে পেরে এসব পরিবারে বইছে খুশির বন্যা। পরিবারগুলোর বেশিরভাগই দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের।

    বর্তমানে সরকারি চাকরি মানে স্বর্ণের হরিণ। আর সেই চাকরির প্রত্যাশা থাকে যোগ্য-অযোগ্য সবারই। ব্যবধান হয়ে দাঁড়ায় মধ্যস্বত্বভোগী এক শ্রেণির দালালের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার বিনিময়।
    এমনপর্যায়ে যখন চাকরি প্রত্যাশীরা দিশেহারা, তখন অবৈধ অর্থ বা ঘুষ লেনদেন ছাড়াই ১২৮ জনকে চাকরি দিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা পিপিএম সেবা। এমন পরিস্থিতিতে কোনো প্রকার হয়রানি, সুপারিশ এবং ঘুষ ছাড়া সামান্য ১২০টাকায় এই চাকরি পেয়ে খুশিতে আত্মহারা এসব তরুণ-তরুণী। এ সময় চাকরি পাওয়ার আনন্দে অনেক তরুণ-তরুণী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

    শনিবার (২৩ মার্চ) দিবাগত রাত ২টায় ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদের নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঁঞা। এতে ১০৯ জন ছেলে এবং ১৯ জন মেয়ে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হন। এ সময় তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় জেলা পুলিশ।

    জানা গেছে, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে এবার ময়মনসিংহ জেলা থেকে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ৫ হাজার ৭৫৯ প্রার্থী। পরে ৭টি শারীরিক পরীক্ষা ও যোগ্যতা যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হয়ে ১ হাজার ৪০৭ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়। লিখিত পরীক্ষায় পাস করে ৩৬১ জন। এরপর মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত হয় ১৯ নারীসহ মোট ১২৮ জন।

    ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার নন্দীবাড়ি গ্রামের নাদিয়া নাসরিন নুপুর। তার বয়স যখন সাড়ে ৩ বছর তখন বাবা নাজমুল হাসান ও মা মমতাজ বেগম সেলিনার বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর থেকে বাবা থেকেও নেই নুপুরের। মেয়েকে বড় করতে সেলাই মেশিনের কাজ শুরু করেন মা সেলিনা। এমন সংগ্রামের মধ্যেই মেয়েকে করিয়েছেন পড়াশোনা। এবার সার্থক হয়েছে তাদের সংগ্রাম। নিয়োগ পরীক্ষায় নারীদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন নুপুর। কোনো প্রকার হয়রানি, সুপারিশ এবং ঘুষ ছাড়া পুলিশের চাকরি পেয়ে নুপুরের মতই উচ্ছ্বসিত দারিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ১২৮ তরুণ-তরুণী ও তাদের অভিভাবকরা।

    ফল প্রকাশের পর আনন্দে উদ্বেলিত নাদিয়া নাসরিন নুপুর বলেন, খুব ইচ্ছে ছিল বাংলাদেশ পুলিশে চাকরি করব। প্রথমবার মাঠে নেমেই সেই স্বপ্ন পূরণ হয়ে গেল। শুধু তাই নয়, এক হাজারের বেশি মেয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে আমি জেলায় শ্রেষ্ঠ হয়েছি। আমি ও আমার মা আজ কি পরিমাণ খুশি তা বলে বোঝাতে পারব না।

    মেধার ভিত্তিতেই শুধু যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঁঞা বলেন, প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াদের মধ্যে প্রায় ২০ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী রয়েছেন। অনেকের বাবা দিনমজুর, সিএনজিচালকসহ নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। একটি স্বচ্ছ নিয়োগের ফলে তারা নিজ যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছেন। নানা কঠিন ধাপ পেরিয়ে যারা বাংলাদেশ পুলিশের নতুন সদস্য হলেন তারা সবাই দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন করেন এই কর্মকর্তা।

    তিনি আরও বলেন, নিজের যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে যারা আজ নিয়োগ পেয়েছেন তারা সবাই নিজেদের যোগ্যতায় ও মেধায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। এতে তাদের কোনো যোগাযোগ, লবিং ও ঘুস বিনিময় করতে হয়নি। তাদের মাত্র আবেদন করতে খরচ হয়েছে ১২০ টাকা, সেটিই তাদের খরচ। আশা করছি আজকে যারা পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশের নতুন সদস্য হলেন; তারা সবাই দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে। তাদের জন্য রইল অনেক শুভকামনা।