Author: desk

  • সুজানগরে নারী শিক্ষিকাকে পিটিয়ে জ*খম করল পুরুষ শিক্ষক

    সুজানগরে নারী শিক্ষিকাকে পিটিয়ে জ*খম করল পুরুষ শিক্ষক

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে বিদ্যালয়ের অফিস রুমেই মোছাঃ মনোয়ারা খাতুন নামে এক শিক্ষিকাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান) মো. শফিকুল ইসলাম(শফি সরদারের) বিরুদ্ধে। বর্তমানে গুরুতর আহত ওই নারী শিক্ষিকা সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের চিনাখড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে রবিবার ২৪ মার্চ সকাল ১০ টার দিকে। আহত শিক্ষিকা উপজেলার চিনাখড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের স্কুল শাখার সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক এবং সে উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের আন্ধাকোঠা গ্রামের আব্দুল মান্নান বিশ^াসের মেয়ে। আর অভিযুক্ত শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম(শফি সরদার) একই বিদ্যালয়ের (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান) বিষয়ের সহকারী শিক্ষক । সে উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের জোড়পুকুরিয়া গ্রামের আবু জাফর সরদারের ছেলে। আহত শিক্ষিকা মনোয়ারা খাতুন কান্নাজড়িত কন্ঠে জানান, আমি অবিবাহিত হওয়ায় প্রায়ই বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করার পাশাপাশি আমাকে নিয়ে বাজে কথা বলে থাকে শিক্ষক শফিকুল ইসলাম । আমি এর প্রতিবাদ করায় এবং রবিবার এদিন সকাল ১০ টার দিকে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে আমার নির্ধারিত চেয়ারে শফিকুল বসে থাকায় আমি তাকে উঠে তার নির্ধারিত চেয়ারে বসতে বলায় প্রথমে আমাকে অশ্লীন ভাষায় গালিগালাজ এবং পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষেই আমাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে শিক্ষক শফিকুল। পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। আমি এর আইনগত কঠোর বিচার চাই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক শফিকুল নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। সুজানগর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ফারজানা জানান, শিক্ষিকা মনোয়ারার মাথা আঘাতে ফেটে যাওয়ায় সেলাই দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি উপজেলা শাখার সভাপতি মনসুর আলী এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। সুজানগর থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় আহত শিক্ষিকা মনোয়ারা খাতুন বাদী হয়ে একই বিদ্যালয়ের (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান) বিষয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম(শফি সরদার) এর বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্তের ভিত্তিতে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • রংপুর মহানগরীতে ১৫টি প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    রংপুর মহানগরীতে ১৫টি প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    রংপুর মহানগরীতে ১৫টি প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

    অদ্য ২৪.০৩.২০২৪ ইং তারিখে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে রংপুর মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় একটি সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত সার্ভিল্যান্স অভিযানে-স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।

    ১. মেসার্স এলকাড ল্যাবরেটরি, রবার্টসনগঞ্জ, মহানগর, রংপুর – সফট ড্রিংকস পাউডার
    ২. মেসার্স হাড়ি মিষ্টি, রবার্টসনগঞ্জ, মহানগর, রংপুর- পণ্য- দই।
    ৩. মেসার্স মহুয়া ব্রেড এন্ড কনফেকশনারি, প্রেসক্লাব সংলগ্ন, মহানগর, রংপুর, পণ্য- লাচ্ছা সেমাই।
    ৪. মেসার্স ভাই ভাই লাচ্ছা সেমাই, চান্দকুঠি, সাহেবগঞ্জ, মহানগর, রংপুর পণ্য- চানাচুর
    ৫. মেসার্স মা লাচ্ছা সেমাই, চান্দকুঠি, সাহেবগঞ্জ, মহানগর, রংপুর পণ্য- লাচ্ছা সেমাই
    ৬. মেসার্স আসল স্বাদ বেকারি, ময়নাকুঠি, মহানগর, রংপুর বেকারী, পণ্য- বেকারী পণ্য
    ৭. মেসার্স সানজিদা বেকারি, বকসা, ময়নাকুঠি, মহানগর, রংপুর, পণ্য- বেকারী পণ্য
    ৮. মেসার্স নিউ মা বেকারি, ময়নাকুঠি, মহানগর, রংপুর, পণ্য- বেকারী পণ্য
    ৯. মেসার্স শাকিলা বেকারি, ময়নাকুঠি, মহানগর, রংপুর, পণ্য- লাচ্ছা সেমাই
    ১০. মেসার্স পুষ্টি বেকারি, বকসা, ময়নাকুঠি, মহানগর, রংপুর পণ্য- বেকারী পণ্য
    ১১. মেসার্স ছামীম আকবরিয়া বেকারী, বেণুঘাট, চওড়াহাট, সদর, রংপুর, পণ্য- লাচ্ছা সেমাই
    ১২. মেসার্স রানা বেকারি, বেণুঘাট, চওড়াহাট, সদর, রংপুর, পণ্য- বেকারী পণ্য
    ১৩. মেসার্স সোনালী বেকারি, জলছত্র, মহানগর, রংপুর, পণ্য- লাচ্ছা সেমাই
    ১৪. মেসার্স ভাই ভাই ফুড প্রোডাক্ট, ওমরকুঠি, মহানগর, রংপুর, পণ্য- চানাচুর
    ১৫. মেসার্স আপন তামান্না ফুড প্রোডাক্টস, ওমরকুঠি, মহানগর, রংপুর, পণ্য- চানাচুর
    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের সহকারী পরিচালক (সিএম) প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচাললিত হয়। উক্ত অভিযানটিতে আরোও উপস্থিত ছিলেন ফিল্ড অফিসার (সিএম) খন্দকার মোঃ জামিনুর রহমান ও প্রকৌঃ মোঃ তাওহিদ আল আমিন।
    বিএসটিআই হতে গুনগত মান সনদ গ্রহণ না করে অবৈধভাবে বিক্রয়-বিতরণ ও মানচিহ্ন ব্যবহার করার অপরাধে মামলার জন্য আলামত জব্দ করা প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে ঃ

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

  • পাইকগাছায় বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
    পাইকগাছায় বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সৃজনশীল প্রজন্ম সমৃদ্ধ আগামী প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর রোববার সকালে ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ মিলনায়তনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ভাষা ও সাহিত্য, গণিত, দৈনন্দিন বিজ্ঞান, বাংলাদেশ স্টাডিজ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বাংলাদেশ স্টাডিজ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ের উপর ৬ষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ৩টি গ্রæপে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। অধ্যক্ষ উৎপল কুমার বাইনের সভাপতিত্বে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ। বিচারক প্যানেলে ছিলেন, অধ্যক্ষ রাজিব বাছাড়, সহকারী অধ্যাপক অমর কৃষ্ণ বাওয়ালী, প্রধান শিক্ষক মনিন্দ্রনাথ বৈরাগী, প্রভাষক হাবিবুর রহমান ও শিক্ষক আমির আলী সরদার।

  • পাইকগাছায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ

    পাইকগাছায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
    পাইকগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিষয় ভিত্তিক ৬ দিন ব্যাপি বাংলা প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান রোববার বিকালে মানিকতলাস্থ উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর ঈমান উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, সহকারী শিক্ষা অফিসার শেখ ফারুক হোসেন। বক্তব্য রাখেন, প্রশিক্ষক রাবেয়া সুলতানা, সাজেদা সুলতানা ও উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি এসকে আছাদুল্লাহ মিঠু। ১৯-২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণকারী ৩০ জন শিক্ষককে সমাপনী অনুষ্ঠানে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
    পাইকগাছায় ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক রোববার দুপুরে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। অধ্যক্ষ উৎপল কুমার বাইন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণ মূলক আলোচনা করেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ। সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ রাজিব বাছাড়, সহকারী অধ্যাপক শফিয়ার রহমান, আব্দুল আলীম, নূরুজ্জামান, আবু সাবাহ, তাপস কুমার মন্ডল, প্রভাষক কুসুম কলি সরকার, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম মিথুন ও শিক্ষার্থী তিশা।

  • আসন্ন ঈদুল ফিতরকে ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জি দোকানে

    আসন্ন ঈদুল ফিতরকে ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জি দোকানে

    ইমদাদুল হক, ,পাইকগাছা (খুলনা)।।

    খুলনার পাইকগাছায় আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জির দোকানের কারিগরেরা। নতুন কাপড় তৈরি করতে দর্জি দোকানে ভিড় করছে নানা বয়সি মানুষ। আর বেশি ইনকামের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দর্জি কারিগররা।
    ইতিমধ্যে ১২ রমজান শেষ হয়েছে। কাটার মাস্টারের কাঁচি চলছে নতুন কাপড়ের ওপর। সেই কাপড় চলে যাচ্ছে কারখানার কারিগরের হাতে। কারিগরেরা দিনরাত পরিশ্রম করে তৈরী করছেন নতুন পোশাক। বিরামহীন ভাবে চলছে সেলাই যন্ত্রের খটখট শব্দ।
    পাইকগাছার বেশকিছু দরজি দোকান ঘুরে দেখা গেছে নারীদের থ্রিপিস, ওয়ান-পিস, শিশুদের ফ্রক, গ্রাউন, পুরুষদের পাঞ্জাবি, শার্ট, প্যান্ট তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগরেরা। উপজেলার অধিকাংশ দর্জি দোকান সকাল ৮টায় খোলা হচ্ছে। কাজ চলছে গভীর রাত এমনকি সারারাত পর্যন্ত।
    জানা গেছে, দর্জির দোকানে ডিজাইন অনুযায়ী প্রতি পিস প্যান্ট সেলাই হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকা, শার্ট ৩০০-৩৫০ টাকা, মেয়েদের লেহেঙ্গা ৮০০-৯০০ টাকা, থ্রি পিস প্রকারভেদ অনুযায়ী ২৫০-৪০০ টাকা, ব্লাউজ পেটিকোট ২০০-৩০০ টাকা, বাচ্চাদের পোশাক ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে নেওয়া হয় মজুরি
    দর্জির দোকানে আসা পৌরসভার সরল গ্রামের তপু রায়হান বলেন, ‘রমজানের প্রায় ২ সপ্তাহ হতে যাচ্ছে, আর কিছু দিন পরেই ঈদুল ফিতর। হাতে আর তেমন সময় নেই। বাজারের তৈরি পাঞ্জাবি পছন্দ হয় না। তাই টেইলার্সে পাঞ্জাবি বানাতে এসেছি।
    উপজেলার চেচুয়া গ্রামের পাপিয়া আক্তার বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে থ্রিপিস সেলাই করতে দরজির দোকানে এসেছি। ঈদের বাকি আর ১৭ দিন । এখন সেলাই করতে না দিলে ঈদের আগে কাপড় দিতে পারবে না। কারণ, ঈদের মুখোমুখি অনেক ভিড় থাকে দোকানে।
    পৌরসভা সদরের কপোতাক্ষ মার্কেটের শরিফ টেইলার্সের লেডিস মাস্টার কাত্তিক চন্দ্র বলেন, ‘গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ঈদের মার্কেট বেশ জমজমাট। তাই আমাদের ব্যস্ততাও বেড়েছে বেশ । আমাদের আয়ের একটা বড় অংশ পাই ঈদ ঘিরে পোশাক তৈরি করে। কিছুদিন পর ঈদ। কয়েক বছর পর ঈদে এবার মানুষ অনেক কাপড় তৈরি করতে দিচ্ছে। আশা করছি, এবার ঈদ আমাদের ভালোই কাটবে।
    সোনালী মার্কেটের আপন টেইলার্সের কাটিং মাস্টার ফয়সাল আহমেদ বলেন গত কয়েক বছর না এবার অর্ডার ভালো পাচ্ছি বলেন, ‘গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার অর্ডার ভালো পাচ্ছি। কাজের চাপে অচিরেই অর্ডার নেওয়া বন্ধ করব। প্রতিদিন অনেক কাপড়ের অর্ডার পাচ্ছি। দিনে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় ধরে কাজ করতে হচ্ছে। আশা করছি, গত কয়েক বছরের চেয়ে এবার আমরা পরিবার নিয়ে ঈদ ভালোই কাটাব।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির অভিযানে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির অভিযানে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানা এলাকা হতে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত ০১ জন পলাতক আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ২৩ মার্চ ২০২৪ খ্রিঃ রাত্রী ০২.৪৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানাধীন ষোল মাইল এলাকায়” একটি অভিযান পরিচালনা করে মাদক আইনে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত ০১ জন পলাতক আসামি গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ আবু সাঈদ (৩৮), পিতা-ফজলার রহমান, সাং-আমিনপুর, থানা-শেরপুর, জেলা-বগুড়া।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বগুড়া জেলার শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এর নিকট সোপর্দ করা হয়েছে।

    তথ্য দিন –

    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়াড্রন লীডার

    কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানী, সিরাজগঞ্জ।

  • গোদাগাড়ীতে সিসিবিভিও’র আয়োজনে   পশু, পাখি  পালনের উপর প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে সিসিবিভিও’র আয়োজনে পশু, পাখি পালনের উপর প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট এলাকায় সিসিবিভিও’র আয়োজনে ও ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড জার্মানীর সহায়তায় ‘রাজশাহীর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর রক্ষাগোলা গ্রাম ভিত্তিক স্থিতিশীল খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচী’-এর আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ের ১০টি রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠনসমূহের ২০ জন সদস্যের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ ২৪ মার্চ, ২০২৪ তারিখ রোজ রবিবার সিসিবিভিও শাখা কার্যালয় কাঁকনহাট প্রশিক্ষণ কক্ষে দিনব্যাপী হাঁস-মুরগী ও গবাদী পশু পালন বৃদ্ধিকরণ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহন করা হয়।

    এ প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজাবাড়ীহাট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দের উর্দ্ধতন প্রশিক্ষক মু: আসাদুজ্জামান ও সিসিবিভিও’র উর্দ্ধতন মাঠ কর্মকর্তা নিরাবুল ইসলাম । প্রশিক্ষণের আলোচ্য সূচি ছিল গবাদি পশু-পাখি পালনের আধুনিক পদ্ধতি, গবাদি পশু-পাখির বিভিন্ন রোগ ও তার প্রতিকার, গবাদি পশু-পাখি পালনে বিভিন্ন সমস্যার প্রশ্নোত্তর এবং গবাদি পশু-পাখি পালনের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাজারজাতকরণের উপায় । প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন সিসিবিভিও’র প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা সৌমিক ডুমরী।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে মাটির তৈরী বাড়ী

    আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে মাটির তৈরী বাড়ী

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ পিছিয়ে নেই গ্রামাঞ্চল আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে এখানেও। মাটির ঘর/ছনের ঘরের জায়গায় তৈরি হচ্ছে প্রাসাদসম অট্টালিকা। মাটির ঘরের স্থান দখল করে নিচ্ছে ইট-পাথরের দালান। একটু সুখের আশায় মানুষ কত কিছুই না করছে। মাটির ঘরের শান্তি ইট পাথরের দালান কোঠায় খুঁজে পাওয়া ভার।

    তারপরও মানুষ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নগরায়ণের সাথে সাথে পাঁকা দালান কোঠায় তৈরি করছেন। এতে করে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর কিংবা মাটির দোতলা বাড়ী। বেশিদিন আগের কথা নয়, প্রতিটি গ্রামে একসময় মানুষের নজর কাড়তো সুন্দর এ মাটির ঘর। ঝড়, বৃষ্টি থেকে বাঁচার পাশাপাশি প্রচুর গরম ও খুবই শীতে বসবাস উপযোগী মাটির তৈরি এসব ঘর এখন আর তেমন চোখে পড়ে না।

    আধুনিকতার ছোঁয়া আর কালের বিবর্তনে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এ চিরচেনা মাটির ঘর বিলুপ্তির পথে বললেই চলে। অতীতে মাটির ঘর গরীবের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর বলে পরিচিত ছিল। এ ঘর শীত ও গরম সব মৌসুমে আরামদায়ক তাই আরামের জন্য গ্রামের দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি অনেক বিত্তবান ও মাটির ঘর তৈরি করতেন।

    জানা যায়, প্রাচীনকাল থেকেই মাটির ঘরের প্রচলন ছিল। এটেল বা আঠালো মাটি কাঁদায় পরিনত করে দুই-তিন ফুট চওড়া করে দেয়াল তৈরি করা হত। ১০-১৫ ফুট উচু দেয়ালে কাঠ বা বাঁশের সিলিং তৈরি করে তার ওপর খড় থড় অথবা টিনের ছাউনি দেয়া হত। মাটির ঘর অনেক সময় দোতলা পর্যন্ত করা হতো। এসব মাটির ঘর তৈরি করতে কারিগরদের তিন-চার মাসের অধিক সময় লাগতো। গৃহিনীরা মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা একে তাদের নিজ বসত ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তুলতেন।
    এক সময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অনেক পরিবার মাটির ঘরে বাস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতো। তবে বর্ষার সময় মাটির ঘরের ক্ষতি হয় বেশি। ভূমিকম্প বা বন্যা না হলে একটি মাটির ঘর শত বছরেরও বেশি স্থায়ী হয়।

    কিন্তু কালের আর্বতনে দালান-কোঠা আর অট্টালিকার কাছে হার মানছে সে চিরচেনা শান্তির নিড় ‘মাটির ঘর’। গোদাগাড়ী উপজেলার কম বেশি সব গ্রামেরই দেখা যেতো শান্তির নীড় ‘মাটির ঘর’ কিন্তু সে মাটির ঘর এখন আর চোখে পড়ে না।

    গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের সৈয়দপুর, এনায়েতপুর গ্রামের দুলাল হাজির বাড়িতে সেই পুরোনো স্মৃতিভরা শান্তির নীড় মাটির ঘরে চোখ পড়লো, কথা হলো বাড়ির মালিকের সাথে তিনি বলেন, বাবা ও দাদাদের সেই পুরোনো স্মৃতি ধরে রাখতে এখনো মাটির ঘর রেখে দিয়েছি। তবে যুগের সাথে তাল মেলাতে এখন অনেকে ইটের ঘর তৈরি করছে, তাই ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে মাটির ঘর।

    গোদাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল গণি মাসুদ জানান, বাপ দাদার স্মৃতি এখনও ধরে রেখেছি। যা এখনো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রচন্ড তাপদাহে বাড়ির লোকজন শান্তির পরশ হিসেবে আমাদের মাটির ঘরকে বেঁছে নেয়। বিদ্যুৎ না থাকলেও মাটির দোতলায় আরামে বসবাস করা যায়।

    দিগরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ ইফতেখার হোসেন বলেন, মাটির ঘর বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের বিবরর্তনে অধিকাংশই মানুষ মাটির ঘর ভেঙে অধিক নিরাপত্তা ও স্বল্প জায়গায় অনেক লোকের বসবাসের জন্য ইটের ঘরকে প্রথম প্রচন্দের তালিকা নিয়ে আসছে। তাই তো দিনে দিনে হারিয়ে যেতে বসেছে ওই সব মাটির ঘরবাড়ী।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • মঞ্জুরুল আলম রাজীব’কে পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে সাভারবাসী

    মঞ্জুরুল আলম রাজীব’কে পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে সাভারবাসী

    হেলাল শেখঃ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার শ্রেষ্ঠ আবিস্কার সাভার উপজেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব’কে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাভার উপজেলা পরিষদের পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় সাভারবাসী।
    ঢাকার সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মঞ্জুরুল আলম রাজীব বলেন, সাভারবাসীর উন্নয়নের জন্য আমি সবসময় নিয়োজিত আছি। মানুষ হিসেবে বিপদে আপদে এলাকাবাসীর পাশে থেকেছি, আগামীতেও তাদের পাশে থাকবো। তিনি মন্তব্য করেছেন, আসন্ন সাভার উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে কথিপয় কিছু স্বার্থলোভী মহল আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট খবর প্রকাশে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এর আগে মঞ্জুরুল আলম রাজীব গত (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং) তার নিজ অফিসে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেছিলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, যারা আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট খবর প্রকাশে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, আমি তাদেরকে বলবো,আমার সমালোচনা না করে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করুন। আমাকে জনগণ ভালোবেসে এখানে বসিয়েছেন, জনগণই আমার শক্তি। তিনি আরো বলেন যে, যতদিন বাঁচবো সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাবো। বিএনপির আমলে আমাকে পুলিশের পিকাপ ভ্যানের পিছনে বাইন্দা পুরা সাভার ঘুরিয়েছে, রক্তে সারা শরীর ভিজে গেছে আমার, তারপরও আমি আওয়ামী লীগ ছাড়ি নাই। সে সময় বিএনপির নাজমুল হুদা আমাকে বিএনপিতে নেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেছিলো কিন্তু এত নির্যাতন সহ্য করেছি তবুও আমি দল থেকে বের হয়ে যায়নি। জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে প্রতিটি লড়াই সংগ্রামে নিজেকে শতভাগ উজাড় করে দিয়েছি। আমি দলের স্বার্থে আমার জনগণের জন্য কাজ করে যাবো। তিনি আরো বলেন, আমার সাভারবাসীর জন্য আমার অনেক বড় পরিকল্পনা রয়েছে। ইনশাআল্লাহ আগামীতে সাভারবাসী তার সুফল পাবেন।
    জননেতা মঞ্জুরুল আলম রাজীব বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগকে তৃনমূল পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন, আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করেছিলেন, সাংগঠনিক ভিত মজবুত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু যেভাবে সংগঠনকে গড়ে তুলেছিলেন সেই ভিত্তিকে থিউরি করে আজকের সাভারের আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করেছি। দলকে উজ্জীবিত রাখতে রাত দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন জানিয়ে এই জননেতা আরো বলেন, গতিশীল নেতৃত্বে সাভারে এখন আওয়ামী লীগ সংগঠিত। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রাণবন্ত করে তুলেছি। অপশক্তি আন্দোলনের চেষ্টা করলে রাজপথেই তার জবার দিতেও এক পাও পিছপা হবো না আমরা। তরুণ নেতাদের নেতৃত্বে স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, শ্রমিক লীগসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত রেখেছেন জননেতা রাজীব এমনই অভিমত প্রকাশ করেন দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ মানেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মজবুত একটি ঘাটি। কখনো এখানে আন্দোলনের নামে বিএনপি জামায়াতকে কোনো প্রকার বিধ্বংসী কার্যক্রম করতে দেয়া হয়নি। মঞ্জুরুল আলম রাজীব ৭ম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে যুক্ত হন-বাকীটা ইতিহাস।
    উক্ত জননেতা জনাব মঞ্জুরুল আলম রাজীব এর “রাজনৈতিক পরিচিতি”চেয়ারম্যান-সাভার উপজেলা পরিষদ (২০১৯ থেকে চলমান) সাধারণ সম্পাদক-সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ, সাভার (২০১৯ থেকে চলমান), সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ (২০১৫-২০১৯), সাবেক সহ-সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (২০০২-২০০৬), সাবেক সভাপতি ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ (১৯৯৪-১৯৯৮), সাবেক ভিপি সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র-ছাত্রী সংসদ (১৯৯৩-১৯৯৪), সভাপতি-বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সাভার উপজেলা শাখা (১৯৯০-১৯৯১)। উক্ত ত্যাগী ও সাহসী নেতার সাথে অন্য কারো তুলনা করা যায়না বলে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী অভিমত প্রকাশ করেছেন। ৭৫ এর কালো অধ্যায়ের পর যখন গুটি কয়েক লোক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হত্যার বিচার চেয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন মঞ্জুরুল আলম রাজীব ও তার পরিবারের সকলেই সেই আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হোন। রাজীব এর পিতা প্রবীন সাংবাদিক ওয়াসিল উদ্দিন ছিলেন একজন কলমযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ও মুক্তিকামি বাঙ্গালির পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করায় গান পাওডার দিয়ে তার বসতবাড়ি পুরিয়ে দিয়েছিলো পাক হানাদাররা-বাকিটা ইতিহাস। বর্তমানে “ আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাব” এর প্রধান উপদেষ্টা-জনাব মঞ্জুরুল আলম রাজীব চেয়ারম্যান সাভার উপজেলা পরিষদ, সাভার ঢাকা।