Author: desk

  • কুড়িগ্রামে হ*ত্যাকে অপমৃ*ত্যু চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ

    কুড়িগ্রামে হ*ত্যাকে অপমৃ*ত্যু চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরীতে পশ্চিম মন্নেয়ারপাড় এলাকায় ঘাতক স্বামী ছলিম উদ্দিনের হাতে গৃহবধূ হত্যাকাণ্ডকে অপমৃত্যু বলে চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ করেন গৃহবধূর বাবা-মা ও এলাকাবাসী। তবে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ বলছেন লাশ পোস্টমর্টেমর তথ্য অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কালীগঞ্জ ইউনিয়নের পুর্ব মন্নেয়ারপাড় এলাকার মনির উদ্দিনের কন্যা মহুয়া বেগমের সাথে ভিতরবন্দ ইউনিয়নের পশ্চিম মন্নেয়ারপাড় এলাকার মৃত খয়বর আলীর পুত্র ছলিম উদ্দিনের সাথে প্রায় ২৪বছর পুর্বে বিবাহ হয়। ছলিম উদ্দিন ও মহুয়া বেগমের ঘরে প্রথম কন্যা ছকিনা বেগম ও দুই পুত্র মামুন, মাছুম মিয়ার মধ্য কন্যা ছকিনা বেগম বিবাহীত আর দ্বিতীয় সন্তান মামুন ঢাকায় কাজ করেন। তাদের সংসার জীবন ভালোই চলছিল। খয়বর আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী সুফিয়া বেগম হচ্ছেন ছলিম উদ্দিনের সৎ মা। দীর্ঘদিন থেকে ছলিম উদ্দিন তার সৎ মা সুফিয়া বেগমের কু-পরামর্শে তার স্ত্রী মহুয়া বেগম কে বিনা-অপরাধে নির্যাতন করে মানসিক রোগী করেন।

    মনির উদ্দিন, স্ত্রী আকলিমা বেগম ও তার পুত্র কামাল মিয়া, হাসান আলী অভিযোগ করে বলেন, জামাই ছলিম উদ্দিন (গত ১৪আগষ্ট ২০২৩খ্রিঃ) রাতে আমাদের জানান মহুয়া বেগম বাড়ীতে নেই আর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মহুয়া কে মেরে ফেলার সন্দেহ করাসহ শোকে কাতর আমরা। মহুয়া কে খুঁজতে থাকি ও অবশেষে গত ২২আগষ্ট ২০২৩খ্রিঃ সন্ধ্যায় মহুয়ার মাতা আকলিমা বেগম তার জামাই ছলিম উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে তার ঘরের পেছনে পুকুরে দেখতে পায় দুটো পা ভেসে আছে এবং তিনি চিৎকার করলে সেখানে লোকজনের ভীর জমায়। ২২আগষ্ট ২০২৩খ্রিঃ দিবাগত রাত ৩টায় নাগেশ্বরী থানার এসআই অলক বাবুর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে (৮দিনের পচাঁ লাশ) নেতরের মাধ্যমে উত্তোলনের সময় দেখা যায় পুকুরে লাশ মশারী দিয়ে পেচানো, তার উপরে চটের বস্তা, বাঁশের চট্টি, তার উপরে বাঁশের ঝিক ও কচরীপানা দিয়ে ঢাকা। মহুয়া বেগমের শরীরে লবণ দেয়ার কারণে লাশ পচেঁ গেছে। ততক্ষণিক মহুয়ার ঘাতক স্বামী ছলিম উদ্দিন নাগেশ্বরী থানায় বাদী হয়ে অপমৃত্যু মামলা করেন। অপমৃত্যু মামলা নম্বর- ২৯/২৩, তারিখ- ২৩আগষ্ট ২০২৩খ্রিঃ। পরদিন নাগেশ্বরী থানা পুলিশ মহুয়ার লাশ পোস্টমর্টেমর জন্য কুড়িগ্রাম পাঠায়। সেদিনই মহুয়ার লাশ বিকেল ৫টা তার বাবার এলাকায় দাফন হয়। সে সময় মহুয়া বেগমের পিতা, মাতা ও ভাইরা থানায় অভিযোগ করার জন্য গেলে পুলিশ তাদের অভিযোগ নেয়নি এবং এই ঘটনার পেছনের মূল হোতা মহুয়া বেগমের সম্পর্কে মামা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য এনামুল হক বলে তারা জানান।

    পুর্ব মন্নেয়ারপাড় এলাকার মোস্তফা মিয়া, রাবেয়া বেগম, কমিলা বেগম, নুরবানু বেগম, দুলালী বেগম, সহিভান বেওয়া, রাবেয়া বেওয়া বলেন, লাশ উত্তোলনের সময় আমরা দেখছি পুকুরে লাশ মশারী দিয়ে পেচানো, তার উপরে চটের বস্তা, বাঁশের চট্টি, তার উপরে বাঁশের ঝিক ও কচরীপানা দিয়ে ঢাকা। মহুয়া বেগম কে তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা হত্যা করেছে। আমরা এর ন্যায্য বিচার দাবি করছি।

    সরেজমিনে মহুয়া বেগমের অপমৃত্যু না হত্যাকাণ্ডের সংবাদ সংগ্রহের জন্য ছলিম উদ্দিনের বাড়ীতে উপস্থিত হওয়া মাত্র ছলিম উদ্দিনের পরিবার ততক্ষণিক বাড়ীতে তালা লাগিয়ে উধাও হয়ে যায়। তবে ছলিম উদ্দিনের সৎ মা সুফিয়া বেগম ক্যামেরার সামনে বলেন, মহুয়া বেগম মারা গেছে। না না না হারিয়ে গেছে। পড়ে সড়িয়ে পরেন।

    নাগেশ্বরী থানার এসআই অলক বাবু বলেন, মহুয়া বেগমের লাশ পোস্টমর্টেমর তথ্য অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো: শহিদুল্লাহ লিংকন বলেন, মহুয়া বেগমের লাশ ময়না তদন্ত হয়েছে। দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট দেয়া হবে।

  • গাইবান্ধা জেলা সমিতি, রংপুর এর আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধা জেলা সমিতি, রংপুর এর আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    রংপুর থেকে আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। –

    গাইবান্ধা জেলা সমিতি, রংপুর এর আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল গতকাল স্থানীয় রংপুর কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে গাইবান্ধা জেলা সমিতি, রংপুর এর সভাপতি কৃষিবিদ শওকত আলী সরকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
    উক্ত আয়োজনে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা সমিতি, রংপুর এর সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন সরকার, সাবেক সভাপতি ড.এস এম আবু তাওয়াব, সিনিয়র সভাপতি আব্দুল লতিফ সরকার, দপ্তর সম্পাদক আকতারুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক সরকার মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক সিকান্দার আলী, ক্রীড়া ও শিক্ষা সম্পাদক আব্দুল আলীম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাজনীন সুলতানা বিথী , অর্থ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন চঞ্চল, কার্যকরী সদস্য নূরুল ইসলাম সরদার, এস এম আব্দুর রহিম, ডাঃ মোজাহারুল ইসলাম, সাহাবুল ইসলাম , এটি এম মাহবুবুল আলম মুকুল ,সদস্য জাইফুল ইসলাম, খন্দকার মাহফুজার রহমান, নূরুল ইসলাম সরদার, হাকিম আতাউর রহমান লিটন, কে এ এম আবুল হোসেন, আনওয়ারুল ইসলাম রাজু, শরীফ আহমাদ, মোর্শেদা পারভীন লুনা,ফরিয়াদুর রহমান, রকিবুজ্জামান রাকিব, মোঃ জাকারিয়া, আলমগীর সরকার, নূরুন্নাহার বেগম, সরদার মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন,মকবুল হোসেন নূরী,রেজাউল করিম মিজান, রওশন আরা সোহেলী, আবিদা সুলতানা মিলি,ডাঃ আব্দুল হাই, নাহিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।
    অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন।
    উল্লেখ্য ইফতার মাহফিল, আলোচনা ও দোয়ার এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রায় দুই শত সদস্য।
    আগামী ঈদুল ফিতরের পর একটি স্মরণীকা প্রকাশ,এবং কুরবানির ঈদের পর ঈদ পূনঃমিলনীর আয়োজন করা হবে বলে সভাপতি কৃষিবিদ শওকত আলী ঘোষণা করেন।

  • সেনবাগের আলজাহিদ মাদ্রাসায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    সেনবাগের আলজাহিদ মাদ্রাসায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দেশবাসীর জন্য বিশেষ দোয়া কামনা করে, নোয়াখালী সেনবাগের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলজাহিদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ৩০ মার্চ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পৌরশহরে ডাকবাংলা সংলগ্ন প্রতিষ্ঠানের হলরুমে প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল মাওলানা জাহিদুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উক্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক খোরশেদ আলম, জাহাঙ্গীর আলম (সায়েস্তানগরী),ফখর উদ্দিন, মনোয়ারুল হক,ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ রিপন,মো: হারুন, রফিকুল ইসলাম সুমন, জাহাঙ্গীর পাটোয়ারী, হাবিবুর রহমান হারুন, জুয়েল রানা,আমজাদ শিবলুসহ, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক -শিক্ষার্থী, অভিভাবকবৃন্দ, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ অনেকেই। উক্ত অনুষ্ঠানে মাদ্রাসাটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে ও দেশবাসীর জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার, প্রিন্সিপাল মাওলানা জাহিদুল ইসলাম।

  • ত্রিশালে ইউএনও’র উপহার হুইল চেয়ার পেয়ে খুশী প্রতিবন্ধী আহসান হাবীব

    ত্রিশালে ইউএনও’র উপহার হুইল চেয়ার পেয়ে খুশী প্রতিবন্ধী আহসান হাবীব

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    জন্ম থেকে বিকলাঙ্গ ত্রিশাল উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কাকচর নামাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মমতাজ উদ্দিনের ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী আহসান হাবীবের পাশে দাড়ালেন ত্রিশাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) জুয়েল আহমেদ।দুই হাত ও পায়ের হাঁটুর উপর ভর দিয়ে চলাচলই তার একমাত্র উপায়।দুই হাত ও পা যার চলাচলের ভরসা তার পক্ষে জিবীকা ও রোজগার করে সংসার চালানো কষ্টকর। খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করলেও ব্যাপারটি নজরে পড়েনি কারো। অবশেষে ধরা খেলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ এর মানবিক দৃষ্টিতে। তিনি দাড়ালের হাবিবের পাশে,বাড়িয়ে দিলেন সহযোগিতার হাত।

    শনিবার (৩০ মার্চ) বিকেলে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কাকচর নামাপাড়া গ্রামের আদর্শ বাজারে আহসান হাবীবের ওষুধের দোকানে হাজির হয়ে হুইল চেয়ার প্রদান করেন উপজেলার এই সর্বোচ্চ কর্মকর্তা। পরে তার শারীরিক ও পারিবারিক অবস্থার বিষয়েও খোঁজ-খবর নেন। ইউএনওর’র সাথে আলাপচারিতায়
    দীর্ঘ কষ্টের ইতি টেনে চলাচলের জন্য হুইল চেয়ার পেলেন এই প্রতিবন্ধী।

    হুইল চেয়ার প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আপেল মাহমুদ, সাংবাদিক সাইফুল আলম তুহিন, সাংবাদিক রাকিবুল হাসান সুমন প্রমূখ।

    হুইল চেয়ার পেয়ে আহসান হাবীব ইউএনও জুয়েল আহমেদ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আমি শারীরিক ভাবে বিকলাঙ্গ। চেষ্টা করি ব্যবসা করে চলতে। এই ব্যবসা দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভই প্রায়, তবু কষ্ট করে চলি। আমার এ কষ্টের কথা জেনে ইউএনও স্যার আমাকে একটি হুইল চেয়ার উপহার দিয়েছেন। এটা পেয়ে আমার অনেক আনন্দ, খুশি লাগতাছে। আমি এখন সারাদিন ফুর্তিতে দোকানদারি করবাম। ইউএনও স্যার ও স্যারের পরিবারের জন্য আমি সবসময় দোয়া করবো।’

    উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুয়েল আহমেদ বলেন, ‘আহসান হাবীব যেনো চলাচল করতে পারে সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি হুইল চেয়ার দেওয়া হয়েছে। সে যে ঘরে ব্যবসা-বানিজ্য করে তা একেবারেই ভাঙাচোরা। তার ব্যবসা যেনো ভালোভাবে চালাতে পারে সেজন্য আমি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বলেছি ঘরটা যেনো ঠিক করে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। সে যেনো বিনা সুদে ঋণ পায় এবং নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি কোনো আর্থিক সহায়তার আওতায় আসে তার চেষ্টা করবো।’

    উল্লেখ্য, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছিলেন আহসান হাবীব (৩৫)। আহসান হাবীবের দুই হাত ও দুই পা বিকলাঙ্গ (প্রতিবন্ধী)। প্রতিবন্ধী হওয়ার পরও কারও কাছে হাত বাড়ান না তিনি। কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করার প্রত্যয়ে বেছে নেন কর্ম। অন্যের উপর বোঝা নয়, নিজ কর্মে আয় উপার্জন করে বেঁচে থাকতে চায় আহসান হাবীব।

  • দুলাই ইউনিয়নের দরিদ্র কৃষকদের মাঝে স্প্রে মেশিন  বিতরণ

    দুলাই ইউনিয়নের দরিদ্র কৃষকদের মাঝে স্প্রে মেশিন বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের দরিদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে স্প্রে মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।শনিবার উপজেলা দুলাই ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স চত্বরে এ স্প্রে মেশিন বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার। এ সময় দুলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহানসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচনে  পচ্ছন্দের শীর্ষে জাহাঙ্গীর

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচনে পচ্ছন্দের শীর্ষে জাহাঙ্গীর

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবারো আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী হচ্ছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। উপজেলার দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ আবারো জাহাঙ্গীর আলমের ওপরেই আস্থা রেখে চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।
    জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল থেকে একাধিক সাম্ভব্য
    প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। কিন্ত্ত প্রচার-প্রচারণা, গণসংযোগ ও ভোটারদের সমর্থনে জাহাঙ্গীর আলম অন্যদের থেকে এগিয়ে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জাহাঙ্গীরকে বিজয়ী করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। এদিকে সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ, উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেছেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের (ইউপি) বিভিন্ন এলাকায় তিনি প্রতিদিন নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্যে সাক্ষাৎ, ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা করছেন।
    অন্যদিকে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নির্বাচন ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন নয়। কাজেই সরকার সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। যার জ্বলন্ত উদাহরণ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।বিগত রাজশাহী সিটি নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়ে বিএনপি প্রার্থীকে বিজয়ী করে কিভাবে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছিল রাজশাহীর মানুষ সেটা ভুলেনি। ফলে গোদাগাড়ী উপজেলার মানুষ উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে কোনো ব্যক্তি নয়, সরকার সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় চাই।
    এদিকে আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের বোধদয় এটা দলের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রেষ্টিজ। তাই তারা এবার কারো কোনো মোহে বা প্ররোচনায় পড়ে সরকার সমর্থক প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট প্রয়োগ করবেন না। তাদের অভিমত, ভুল থাকতে পারে প্রার্থী বা কোনো নেতাকর্মীর। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধি স্থানীয় সাংসদ ফারুক চৌধুরী কোনো ভুল করেননি। ফলে তাদের সম্মান রক্ষায় তাদের সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত বিকল্প নাই। কারণ তাদের সমর্থিত প্রার্থীর পরাজয় ঘটলে কেউ প্রার্থীর পরাজয়ের কথা বলবে না, বলবে দলের পরাজয় ঘটেছে, আর এটা আওয়ামী লীগের আদর্শিক কোনো নেতা বা কর্মী-সমর্থকের কাম্য হতে পারে না ? অপরদিকে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা অভিমান বা মোহের বসে নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল। তারা সেই ভুল অনুধাবন করে এখন অনুতপ্ত। এবার তারা শপথ নিয়েছে উপজেলা নির্বাচনে সরকার সমর্থিত প্রার্থীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করে তারা তাদের সেই ভুল শোধরাতে চাই।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম আদর্শিক, পরিক্ষিত, জন ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে সর্ব মহলে প্রশংসিত। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আবারো দলের সমর্থিত প্রার্থী হচ্ছেন এটা নিশ্চিত। কারণ এখন পর্যন্ত তার বিপক্ষে দলের সমর্থন পাবেন এমন কারো নাম শোনা যায়নি। তার বিপক্ষে দলীয় সমর্থন পাবেন এমন সক্ষমতা সম্পন্ন কোনো নেতাও নাই। প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে, তবে স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে নানা প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন তিনিই হন সফল। এমনই একজন সফল জনপ্রতিনিধি ও নেতৃত্ব উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম । যিনি রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই অনেক বাধা, বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।তিনি রাজনীতিক নেতা হিসেবেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে তারই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়নে ও গরীব অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন সর্বদায়। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করে দলকে সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে নিতে নিরলস ভাবে শ্রম দিয়েছেন এখানো দিচ্ছেন। আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসাবে নিরলস ভাবে জনগণের সেবায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য জাহাঙ্গীর আলম তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার মধ্যমে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের সমন্বয়ে এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তাঁর সময়ে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে (ইউপি) সরকারের বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিটা, কাবিখা ও কর্মসৃজন কর্মসূচিসহ প্রতিটি উন্নয়ন কাজ সঠিক ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আবারো দলীয় সমর্থন পাবার দৌড়ে অন্যদের থেকে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন। দলীয় সমর্থন পেলে এবারো তার বিজয় নিশ্চিত।
    আসন্ন নির্বাচনে আবারও বড় ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এলাকায় তিনি একজন ক্রীড়ামোদী সাদা মনের, উদার মানসিকতা ও দানশীল মানুষ হিসেবে পরিচিত।স্থানীয় বাসিন্দাগণ বলেন, তারা নেতা বা চেয়ারম্যান বোঝেন না। জাহাঙ্গীর ভাই একজন ভাল মানুষ, তিনি একজন কর্মঠ ব্যক্তি। তারা বলেন,জাহাঙ্গীর ভাই রাজনৈতিক নেতা হিসেবে কতটা সফল বা ব্যর্থ তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হতেই পারে, তবে সংগঠন শক্তিশালী করতে তার যে অবদান সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নাই। আবার জনপ্রতিনিধি হিসেবে শতভাগ সফল এটা অস্বীকার বা এনিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নাই। একটা সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয় ছিল অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়া। কিন্ত্ত তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর বদলে গেছে পুরো উপজেলা পরিষদের চিত্র। এখানো তাদের দু:খ-দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়।ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী, মেধাবী জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত। বিগত উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণায় সময়ে সাধারণ মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে একজন সফল ও জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন। তিনি এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর উন্নয়নে মহা- পরিকল্পনা গ্রহন করেন। স্থানীয় সাংসদের সার্বিক সহযোগিতায় গৃহীত পরিকল্পনার আলোকে তিনি একের পর এক সেসব উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। সামাজিক সচেতনতা এবং মানবিক সেবার অনন্য উদ্যোগ তাকে একজন মানবদরদী ও মহতী মানুষের উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছেন জনগণ। তিনি এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীন উন্নয়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন, কালভাট, ব্রীজ স্কুল,মাদ্রাসা,কবরস্থান, মসজিদ ,ঈদগা মাঠ সংস্কার করেছেন। অসহায় গরীব দু:খী মানুষের মাঝে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা ইত্যাদি বিতরণ কার্যক্রম দেখভাল করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করছেন।অন্যদিকে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) গ্রাম আদালত কার্যক্রম তিনি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেছেন। এছাড়াও তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়মিত অফিস করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। আগামী দিনে তিনি তার সততা ও কর্মদক্ষতা কাজে লাগিয়ে উপজেলা বাসীকে সেবা দিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান।#

  • নড়াইলে ইয়াবাসহ অভয়নগরের টনি গ্রেফতার

    নড়াইলে ইয়াবাসহ অভয়নগরের টনি গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে//
    :
    নড়াইল ডিবি পুলিশের অভিযান নব্বই পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার। ইয়াবা ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ নয়ন গাজী ওরফে টনি (২৫) নামের একজন ইয়াবা কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ নয়ন গাজী ওরফে টনি (২৫) যশোর জেলার অভয়নগর থানাধীন গোপীনাথপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মোঃ আখতার গাজীর ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, শনিবার (৩০ মার্চ) নড়াইল সদর থানাধীন সিংগাসোলপুর ইউনিয়নের সোলপুর বিধানের মোড়ে বাবলু রায়ের ফিডের দোকানের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই (নিঃ) আনিসুজ্জামান, এএসআই (নিঃ) মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ নয়ন গাজী ওরফে টনি (২৫)কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য নব্বই পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম বলেন, নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • লালমনিরহাটে ফেব্রুয়ারী/২৪ইং শ্রেষ্ঠ থানা,আদিতমারী  

    লালমনিরহাটে ফেব্রুয়ারী/২৪ইং শ্রেষ্ঠ থানা,আদিতমারী  

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট জেলায় সার্বিক কর্ম মুল্যায়নে ফেব্রুয়ারী/২৪ইং শ্রেষ্ঠ থানা,আদিতমারী। এরই স্বীকৃতি হিসেবে এলাকায় মাদক, জঙ্গী, জুয়া, নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, সাইবার ক্রাইম সহ প্রভৃতি অপরাধ নির্মুলে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে আদিতমারী থানা পুলিশ। গত২৭ই মার্চ ২০২৪)ইং তারিখে মাসের মাসিক অপরাধ সভা লালমনিরহাট জেলার পুলিশ অফিস সম্মেলন কক্ষে অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয় । গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ইং তারিখে আদিতমারী থানায় ওসি মাহমুদ উন নবী , যোগদানের পর থেকে এ প্রজন্ত আদিতমারী থানা শ্রেষ্ঠ হয়েছেন  জেলায় ১বার , লালমনিরহাট জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সার্বিক কর্ম মুল্যায়নে ফেব্রুয়ারী/২৪ মাসের শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে, আদিতমারী থানাকে নির্বাচিত করেন।মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, উক্ত প্যারেডে  কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনাব এ কে এম ফজলুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এ-সার্কেল, লালমনিরহাট,। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আতিকুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), মো. আলমগীর রহমান (ক্রাইম এন্ড অপস্) সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর,  কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক, আরআই রিজার্ভ অফিসার সহ অন্যান্য পদবীর কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। লালমনিরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ আদিতমারী থানা হওয়ায় উর্দ্ধতন সকল পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ওসি মাহমুদ উন নবী বলেন, দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারায় আমি গর্বিত। শ্রেষ্ঠত্বের এই প্রাপ্তি আমার একার নয়, আমার থানার সকল পুলিশ সদস্যের। তাদের দায়িত্বশীলতায় আমি এই পুরস্কার পেয়েছি। এবং স্যারের এই ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগের জন্য আমার ও আমাদের কাজের স্পৃহা আরও তরান্বিত হবে বলে আমি আশা করি।আমার এই প্রাপ্তি আমার কাছে জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।আদিতমারী থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের অক্লান্ত পরিশ্রম এর ফসলও এটি।আর এজন্য আমি সহস্রাধিক স্যালুট জানাই আমাদের প্রিয় স্যারদের কে ।আমার এই থানার সফলতা যেনো অব্যাহত থাকে- এটাই আমার প্রার্থনা ও কামনা। আমরা পুলিশ জনগনকে সাথে নিয়ে শ্রেনী ভেদে সবার সহযোগিতায় সফলতা অর্জন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।আদিতমারী থানাকে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করায় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের  নিকট হতে পুরস্কার প্রাপ্তি সময় আনন্দের, সেই সাথে দায়িত্ব বোধ  ও কাজের স্পৃহা অনেক গুন বেড়ে যায়।সিনিয়র স্যারদের এমন অনুপ্রেরণা মুলক কার্যক্রম সবসময় কাজে প্রেরণা জোগায়।  আমাকে সবসময়  সার্বিক দিক নির্দেশনা প্রদানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকলের প্রতি  আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সম্মানিত স্যারদের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরন করে আগামীতে আরো উন্নত পুলিশি সেবা প্রদানের মাধ্যমে জনগনের আস্থা অর্জনে আদিতমারী থানা পুলিশ বদ্ধ পরিকর। সকলের নিকট দোয়া প্রার্থণা করছি আমরা যেন শতভাগ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে আমাদের দায়িত্ব পালন করতে পারি এবং আদিতমারী থানায় মাদক, জঙ্গী, জুয়া, নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, সাইবার ক্রাইম সহ প্রভৃতি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে আদিতমারী বাসিকে একটি মডেল থানা উপহার দিতে পারি। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হউন।

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • মুন্সীগঞ্জে রমজান উপলক্ষে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ইফতার ও ইদ সামগ্রী বিতরণ

    মুন্সীগঞ্জে রমজান উপলক্ষে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ইফতার ও ইদ সামগ্রী বিতরণ

    লিটন মাহমুদ মুন্সীগঞ্জঃ

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মু্ন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিমে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন
    এস.এস.সি ২০১১ এবং এইচ.এস.সি ২০১৩ ব্যাচের বন্ধুরা।

    ৩০শে মার্চ ২০২৪ শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় মুন্সিগঞ্জ সদরের মিরকাদিম পৌরসভার শহীদ জিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এস.এস.সি ২০১১ এবং এইচ.এস.সি ২০১৩ ব্যাচ মুন্সিগঞ্জ এর উদ্যোগে দেড় শতাধিক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী সহ ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এস.এস.সি ২০১১ এবং এইচ.এস.সি ২০১৩ ব্যাচের বন্ধুরা সহ এলাকা গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    খিদমাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আক্তার হোসেন আমাদের কে জানান , চিনি ১ কেজি ,তেল ১ লিটার ,এংকর ডাল ১ কেজি ,বুট ১ কেজি,সেমাই ১ প্যাকেট ,পোলাউর চাল ১ কেজি ,আলু ১ কেজি,মুরি হাফ কেজি,পেয়াজ হাফ কেজি সহ ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে এবার।

    তিনি আরো বলেন, এসএস সি ব্যাচ ২০১১ & এইচ এইচ এস সি ব্যাচ ২০১৩ এর উদ্যোগে মুন্সীগঞ্জের ৬ উপজেলার শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার ও ইদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।এই ব্যাচ ৪ বছর যাবৎ ৬ টি উপজেলায় এক যোগে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রান বিতরণ, ইদ বস্ত্র বিতরণ, রক্ত দান,রক্তের গ্রুপ নির্নয় ক্যাম্পেইন,অসুস্থ্য রুগীদের আর্থিক সহায়তা, শীতবস্ত্র বিতরণ সহ আরও মানবিক কাজ করে আসছে।

  • সেনবাগে মার্সেল ফ্রিজ কুপন বিজয়ী ঝর্ণা বেগমের হাতে ১০ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর

    সেনবাগে মার্সেল ফ্রিজ কুপন বিজয়ী ঝর্ণা বেগমের হাতে ১০ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    নোয়াখালী সেনবাগের ঐতিহ্যবাহী সেবারহাট বাজারের ঢাকা ইলেকট্রনিক্স হতে মার্সেল ফ্রিজ ক্রয় করে ১০ লক্ষ টাকা বিজয়ী ঝর্ণা বেগমের হাতে চেক হস্তান্তর করলেন কোম্পানির কর্ণধাররা।৩০ মার্চ শনিবার দুপুরে উপজেলার সেবারহাট শের ইয় বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঢাকা ইলেকট্রনিক্সের স্বত্বাধিকারী রাজিব চন্দ্র দাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মার্সেল ব্র্যান্ড এম্বাসেডর চিত্র নায়ক আমিন খাঁন ও ইমন।রিয়াদ মিয়াজীর পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হেড অব বিজনেস মতিউর রহমান, সেলস্ ইনচার্জ (সাউথ) নুরুল ইসলাম রুবেল, ডিভিশনাল সেলস্ ম্যানেজার মিজানুর রহমান, রিজিওনাল ম্যানেজার মহিবুল্লাহ শামীম,৭নং মোহাম্মদ পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আলম রিগান, ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম আল মাসুদ,নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সেবার হাট বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনুসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এসময় অতিথিবৃন্দ দাগনভুঞা উপজেলার প্রতাপপুরের বাসিন্দা মার্সেল ফ্রিজ কুপন বিজয়ী ঝর্ণা বেগমের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে ১০ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর করেন। এর আগে দুপুর ১২টায় মার্সেল ফ্রিজের ব্যাপক প্রচারণার লক্ষ্যে কোম্পানির শতাধিক লোকজন নিয়ে বাজারে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে।