Author: desk

  • পুলিশ সদস্যদের ঈদ  উপহার দিলেন তারাকান্দা থানার ওসি ওয়াজেদ আলী

    পুলিশ সদস্যদের ঈদ উপহার দিলেন তারাকান্দা থানার ওসি ওয়াজেদ আলী

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশী। সেই আনন্দ আর খুশী সকলকে সাথে নিয়ে ভাগাভাগি করার প্রত্যয় নিয়ে ময়মনসিংহের তাঁরাকান্দা সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওয়জেদ আলী,আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে,থানায় কর্মরত নারী ও পুরুষ পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন।

    তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াজেদ আলী জানান- থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের পাঞ্জাবি ও নারী পুলিশদের জন্য থ্রী পিস উপহার প্রদান করা হয়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে থানা এালাকায় কর্মরত সকল বিভাগের বিভিন্ন পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের এই উপহার প্রদান করেন তিনি।

    পবিত্র ঈদুল ফিতরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার্থে সকল পুলিশ সদস্যদের কর্মস্থলেই ঈদ উদযাপন করতে হচ্ছে। পরিবার বিহীন এই ঈদ যাতে করে সকলেই আনন্দে উদযাপন করতে পারেন সেই লক্ষ্যে তারাকান্দা থানা এলাকায় কর্মরত সকল পুলিশ, ট্রাফিক, ইমিগ্রেশন পুলিশসহ ডিএসবি শাখার সকল পদস্থ শতাধিক কর্মকর্তা ও সদস্যদের এই উপহার প্রদান করা হয়।

    ওসি ওয়াজেদ আলী আরো বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারনে এই ঈদে কোন পুলিশ সদস্য কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারছেন না। তাই আমরা সকলেই মিলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে তারাকান্দা থানা  চত্বরে ওসির সবজি চাষ

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে তারাকান্দা থানা চত্বরে ওসির সবজি চাষ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানায় সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি থানা এলাকার চত্বরে পরিত্যক্ত ও পতিত জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ওয়াজেদ আলী। নিজের হাতে সবজি বাগান করার লক্ষে বীজ বপন ও পরিচর্চা করে প্রশংসিত হয়েছেন। তিনি সবুজ থানা গড়ার নাম দিয়ে তার চাষকৃত সবজি থানার সকল পুলিশ ষ্টাফসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে উপহার দিয়েছেন। এতে সার বিহীন টাটকা সবজি খাওয়ার সুযোগ মিলেছে থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের একই সাথে এক ইঞ্চি জমি অনাবাদী না রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নেও সফল হয়েছেন তিনি।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিলো এক ইঞ্চি জমিও খালি বা অনাবাদি রাখা যাবে না। আর সে লক্ষে এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি না রাখা” মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র অনুশাসন বাস্তবায়নে এবং চিত্তাকর্ষক ও আকর্ষণীয় থানা নিশ্চিতকরণে ওসি ওয়াজেদ আলীর উপজেলা উদ্ভাবনী উদ্যোগ “সবুজ থানা গড়ে তুলতে পতিত জমিতে ফুল,ফল ও সবজি বাগান করার লক্ষে ওসি ওয়াজেদ আলী তার স্ব-উদ্যোগে তাৎক্ষণিক পতিত ভূমিটি চাষের আওতায় আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ওসির তার মেধায় পতিত ও পরিত্যক্ত জমিতে শীতকালীন বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষের এ উদ্যোগ নেন।

    এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ ওয়াজেদ আলী জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশনা থেকেই তার থানার পাশে ফাঁকা জায়গায় পতিত জমিতে সবজি চাষের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যই বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষ করেছেন এবং সাফল্যও পাচ্ছেন। নিজের হাতে সার বিহীন উৎপাদিত সবজি চাষে সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অবসর সময়ে তিনি নিজেই সবজি গাছগুলোর পরিচর্যা করার একটা অভিজ্ঞতাও অর্জন করছেন নিজে চাষ করে ফলানো ফসলের কি আনন্দ তাও অনুভব করেছেন।

    তিনি আশা পোষণ করেন এভাবে যদি সকলে নিজের মেধায় বাড়ীর আঙ্গিনায় সবজি চাষ করেন তাহলে বাংলাদেশ বিভিন্ন জায়গায় সবজি চাষে সবুজ পল্লী গড়ে উঠবে এবং বাংলাদেশ হয়ে উঠবে একটি সবুজ বাংলাদেশ। পাশাপাশি ভেজালমুক্ত খাবারের নশ্চয়তাও পাওয়া যাবে।

  • তিতাস গ্যাসের এক হাজার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন-২লাখ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা

    তিতাস গ্যাসের এক হাজার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন-২লাখ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের আশুলিয়া থানার আওতাধীন ও গাজীপুর জেলার কাশিমপুরের বাগবাড়ী এলাকায় তিতাস কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০০০ হাজার বাসা বাড়ির অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে।

    মঙ্গলবার (২ এপ্রিল ২০২৪ইং) সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী অভিযান চালিয়েছেন তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। আশুলিয়া ও কাশিমপুর সীমান্ত বাগবাড়ী ঈদগাঁ মাঠ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়েছে।

    উক্ত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির উপব্যবস্থাপক আবিবি (সাভার) প্রকৌশলী মোঃ আলাউদ্দিন। এসময় আশুলিয়া তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক (বিপণন) আবু সাদাৎ মোঃ সায়েম এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রায় ৫০ জনের মতো শ্রমিক এ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন কাজে অংশ নেন।

    আশুলিয়া তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক (বিপণন) আবু সাদাত আবু সাদাৎ মোঃ সায়েম বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আশুলিয়ার তিতাস অফিসের আওতাধীন, বাগবাড়ী কাশিমপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় ৬টি পয়েন্টে ১০০০ হাজার বাসা বাড়ির ৫ কিলোমিটার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। একজন বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা দুইটি মামলায় দুইজনকে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় তিনি আরো বলেন, গ্যাস সংশ্লিষ্ট আইনের যতগুলো ধারা আছে আমরা সবগুলো ধারায় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

    কি ধরণে পদক্ষেপ নিলে অবৈধ গ্যাস সংযোগ থামানো যাবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্যাস আইন ২০১০, তিতাস গ্যাস বিপণন আইন ২০১৪ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী আইনের আওতায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, তার সর্বোচ্চ আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তারপরেও আইনি দুর্বলতার সুযোগে এই গ্যাস ব্যবহারকারীরা বারবার অবৈধ সংযোগ দিচ্ছে। জনগণের ভেতরে যে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ গ্যাস চুরি, বড় ধরনের অপরাধ জণজীবন ও জান মালের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অবৈধ সংযোগ নিয়েছে অনেকেই, এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। কতজনের জান মালের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা থেকে যায়, এগুলো নিয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতা থাকা দরকার। এ ধরনের অপরাধ বারবার না করে, আমাদের কোম্পানির পক্ষ থেকে এই অবৈধ সংযোগ না দেয় , তার জন্য যত ধরনের পদক্ষেপ আছে আমরা নিবো।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আশুলিয়া জোনাল অফিসের উপ-ব্যবস্থাপক আনিসুজ্জামান, সাভারের উপ ব্যবস্থাপক মোঃ আব্দুল মান্নান, আশুলিয়া অফিসের প্রকৌ. আসোয়াত হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌ. মো. সুমন আলীসহ আরো অনেকে। এ সময় যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিলো।

  • দেশের উন্নয়নে একমাত্র শেখ হাসিনাকেই প্রয়োজন: নাছিম

    দেশের উন্নয়নে একমাত্র শেখ হাসিনাকেই প্রয়োজন: নাছিম

    আরিফুর রহমান,মাদারীপুর:

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, দেশে অভুতপূর্ব উন্নয়ন করেছে আওয়ামী লীগ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকায় দেশে এত উন্নয়ন হচ্ছে। তাই দেশের উন্নয়নে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই প্রয়োজন। সোমবার সকালে মাদারীপুর এমপির বাসভবনে জেলার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়েকালে একথা বলেন।

    এ সময় মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান পাভেলুর রহমান শফিক খান, মাদারীপুর পৌর মেয়র মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ,মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন সংগঠনের সাংবাদিকসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • গৌরনদীতে জাকির নামের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এক নারী চিকিৎসক’কে ধর্ষনের অভিযোগ

    গৌরনদীতে জাকির নামের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এক নারী চিকিৎসক’কে ধর্ষনের অভিযোগ

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    গৌরনদীতে এমবিবিএস নামধারি জাকির নামক এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগ করেন গৌরনদীতে অবস্থানরত এক মহিলা এমবিবিএস চিকিৎসক।

    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মহিলা চিকিৎসক গৌরনদীর বিভিন্ন ক্লিনিকে দীর্ঘদিন ধরে চেম্বার করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় জাকির নামক এক চিকিৎসকের সাথে পরিচয় হয় তার। পরিচয়ের সুবাদে জাকির ফোন নাম্বার নিয়ে তিনি প্রায়ই ফোন করে নানান আলাপ জুরে দিত মহিলা চিকিৎসকের সাথে। এক পর্যায় জাকির মহিলা চিকিৎসকের সাথে ফোনে আলাপ করে দেখাও করেন। বিভিন্ন আলাপ আলোচনার মাঝে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রস্তাব দেন জাকির।

    মহিলা চিকিৎসককে প্রেমের বেড়াজালে আটকে ফেলে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি করিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে একাধিকবার ধর্ষন করেন লম্পট জাকির এমন অভিযোগ করেন মহিলা চিকিৎসক।

    এবং তার কাছ থেকে (মহিলা চিকিৎসকের) বিভিন্ন অজুহাতে বিভিন্ন সময় মোটা অংকের টাকা হাতিয়েও নেন লম্পট জাকির।

    অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, ডাক্তার জাকিরের প্রকৃত নাম আরিফুল ইসলাম আরিফ তিনি জাকির নামক অন্য একজন এমবিবিএস ডাক্তারের সার্টিফিকেট জালিয়াতি করে সেই নাম ব্যাবহার করে বিভিন্ন ক্লিনিকে চেম্বার করে রোগী দেখতেন বলে এমন অভিযোগ করেন মহিলা চিকিৎসক।

    জাকির টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার ইরতা (সহবতপুর) গ্রামের বাসিন্দা।

    তার নিজ নাম গোপন করে গৌরনদীর বিভিন্ন ক্লিনিকে চেম্বার বসিয়ে রোগী দেখেতেন এবং ওই সুবাদে এলাকার বিভিন্ন নারীদের সাথেও প্রেমের সম্পর্কে গড়ে তুলে তাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়া সহ ওই সব নারীদের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়তেন।

    এক পর্যায়ে ধরা খেয়ে মোটা অংকের মাশুল দিতে হয় তাকে। যা বিভিন্ন খবরের কাগজে ছাপা হয়। ভুক্তভোগী মহিলা চিকিৎসক জাকিরকে খুজে বের করে প্রশাসনের সর্বমহলে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • সুজানগরে ১০ টাকায় ঈদ বাজার

    সুজানগরে ১০ টাকায় ঈদ বাজার

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা)ঃ ঈদে সমাজের বিত্তবানরা পোশাক-জুতাসহ নানা কিছু কিনে থাকেন। কিন্তু সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে তা অনেকাংশেই সম্ভব হয়ে ওঠে না।এ ভাবনাকে সামনে রেখেই অসহায়, সুবিধাবি ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে মাত্র ১০ টাকায় পছন্দের ঈদ বাজারের আয়োজন করেছে আবুল কাশেম ফাউন্ডেশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মঙ্গলবার সকালে পৌর বাজারের আবুল কাশেম প্লাজায় এ ঈদ বাজারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন।এ সময় পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যাযের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন । উদ্বোধনের পর থেকেই বড় ও ছোটদের পোশাক সহ নানা ঈদ সামগ্রী মাত্র ১০ টাকায় এ বাজার থেকে কিনছেন নিম্ন আয়ের ক্রেতারা।আয়োজকরা জানান, অসহায় দরিদ্র মানুষের ঈদ আনন্দে যেন ভাটা না পড়ে, সেই লক্ষ্যে মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে অসহায়দের হাতে ঈদের পোশাকসহ অন্যান্য সামগ্রী তুলে দিতেই এমন আয়োজন করেছেন তারা।এমন ভিন্নধর্মী আয়োজনে বেশ আনন্দিত হয়ে ওঠেন অসহায় ও সুবিধাবি ত মানুষজন। মাত্র ১০ টাকায় পছন্দের পণ্য হাতে পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হন ছোট-বড় সব বয়সীরা। বাজারে আসা আব্দুল খালেক নামে এক দরিদ্র ভ্যান চালকের সঙ্গে কথা হয় । সঙ্গে এসেছিল তার ৯ বছরের ছোট্ট শিশু। সে জানান, মাত্র ১০ টাকায় নিজের জন্য একটি লুঙ্গি এবং ছোট্ট বাচ্চার জন্য পাঞ্জাবি পেয়ে বেশ খুশি তিনি। বললেন, আমরা গরীব অসহায় মানুষ। এত টাকা খরচ করে নতুন পোশাক কেনার ক্ষমতা নেই। সারাদিন ভ্যান চালিয়ে সামান্য যে কয়েক টাকা পাই, তা দিয়ে সংসারের খরচ চালানোর পর বাচ্চাদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া-ই কষ্ট হয়ে যায়। সেখানে মাত্র ১০ টাকায় ছেলেটির জন্য নতুন পাঞ্জাবি এবং আমার জন্য লুঙ্গি পেলাম। অপর এক গৃহকর্মী মাজেদা খাতুন বলেন, এই বাজারে এসে পছন্দের জামা পেয়ে বেশ খুশি ছিল তার ছোট্ট শিশু মলিনা। সে জানায়, মাত্র ১০ টাকা দিয়ে তার পছন্দের জামা কিনেছে। খুব খুশি লাগছে তার। ঈদের মার্কেট হয়ে গেছে।নামমাত্র মূল্যে পছন্দের পণ্য সুবিধাবি ত এসব মানুষদের হাতে তুলে দিতে পেরে সন্তুষ্টির কথা জানান আয়োজকরাও। আবুল কাশেম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সানজিদা ইয়াসমিন টুম্পা বলেন, ১০ টাকায় ঈদ বাজারের আয়োজন করার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে, কেউ যেন মনে না করেন যে, তিনি কারও কৃপা বা সাহায্য নিয়েছেন। এ বাজার পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেরদিন পর্যন্ত চলমান থাকবে বলেও জানান। তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে অটিজম শিশুদের কল্যাণে কাজ করা, পথ শিশুদের শিক্ষাদান, অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো সহ বিভিন্ন সমাজসেবা ও উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে সুজানগর উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান প্রয়াত আবুল কাশেমের নামে প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবী এ সংগঠনটি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত

    সুজানগরে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত

    এম এ আলিম রিপন ঃ “সচেতনতা-স্বীকৃতি-মূল্যায়ন:শুধু বেঁচে থাকা থেকে সমৃদ্ধির পথে যাত্রা”প্রতিপাদ্যা বিষয়কে সামনে রেখে পাবনার সুজানগরে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে ১৭তম বিশ^ অটিজম সচেতনতা দিবস। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এক র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বিশ^ অটিজম সচেতনতা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূর কাজমীর জামান খান,উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জিল্লুর রহমান,উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন,উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার নাজমুল হোসেন,উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শামীম হোসেন,মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম ও দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন প্রমুখ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে পুলিশের মেধাবী সন্তানরা পুরস্কৃত

    নড়াইলে পুলিশের মেধাবী সন্তানরা পুরস্কৃত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ পুলিশ মেধাবৃত্তি-২০২২ উপলক্ষে পুলিশ সদস্যদের মেধাবী সন্তানদের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ হতে ক্রেস্ট, সম্মানী ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাঃ মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার, নড়াইল। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় সকল বিষয়ে A+ প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের সন্তানদের মধ্যে পাচ জন ছেলে ও তিনজন মেয়ে মোট আট জনকে নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত পুলিশ সদস্যের সন্তানদের হাতে ক্রেস্ট, সম্মানী ও সার্টিফিকেট তুলে দেন পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান মহোদয়। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন ১। মোঃ মেহেদী হাসান পিতা- এসআই (নিঃ) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম; ২। মোঃ শাহ রিয়াজ আহম্মেদ রিয়ন, পিতা- এএসআই (নিঃ) মোল্লা নাজির হোসেন; ৩। মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, পিতা- কনস্টেবল/৩১৫ মোঃ জামাল হোসেন; ৪। মোঃ তাওহীদ হাসান, পিতা- কনস্টেবল/১৮৪ মোঃ নুর ইসলাম মোল্যা; ৫। মোঃ মুশফিকুর রহিম শিশির, পিতা- এসআই (নিঃ) মোঃ আব্দুল মতিন; ৬। মোছাঃ মাহমুদা খাতুন, পিতা- এসআই (নিঃ) মোঃ মশিউর রহমান; ৭। মোছাঃ সাদিয়া সুলতানা নিপা,পিতা- কনস্টেবল/২১৬ জিএম নূর মোহাম্মদ এবং ৮। মোছাঃ নুসরাত জাহান, পিতা- এসআই (নিঃ) জাহাঙ্গীর আলম। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সোমবার (১ এপ্রিল)
    পরিশেষে পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে বলেন,”চাকরির ধরন অনুযায়ী পুলিশ সদস্যরা তাদের পরিবার ও সন্তানদের সময় কম দিয়ে থাকে। বাবা সময় দিতে না পারলেও সন্তানরা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করায় তিনি তাদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, সামনে তোমাদের নিজেকে গড়ার সময়। তোমরা কেউ আত্মতুষ্টি ও আত্ম অহংকার করবে না। তোমাদের মাঝে বাবার পদমর্যাদা নিয়ে যেন কোন শ্রেণীবিভেদ তৈরি না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।”
    ক্রেস্ট, সম্মানী ও সার্টিফিকেট প্রাপ্তির পর পুলিশ সদস্যদের সন্তানরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তাদের এই প্রাপ্তি ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরো ভালো কিছু করার প্রেরণা হয়ে থাকবে।
    এ সময় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; জনাব তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্); মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), নড়াইল সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • পাইকগাছায় গাঁজা গাছসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

    পাইকগাছায় গাঁজা গাছসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

    পাইকগাছা (খুলনা)প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা থানা পুলিশ গাজা গাছসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। ২ এপ্রিল মঙ্গলবার রাত ২ টার দিকে পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের শাহাপাড়া গ্রামের মোঃ নাজমুল সরদার (২৮) বাড়িতে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫ টি গাঁজা গাছ উদ্ধার করে। সে বাড়ির উঠানে চাষ করতো। এসময় পুলিশ ৫টি গাজা গাছসহ সাহাপাড়া গ্রামের মোঃ শাহ আলম সরদারের পুত্র মাদক ব্যবসায়ী মোঃ নাজমুল সরদার (২৮) ও মোঃ রহিম সরদারের পুত্র মোঃ সোহাগ সরদার (১৯) কে আটক করে। এবিষয় থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান বলেন, গাজা গাছসহ আটক ব্যক্তিদের নামে থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে। মাদক মুক্ত পাইকগাছা গড়ার লক্ষ্যে থানা পুলিশের এ অভিযান অব্যহত থাকবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় আমের মুকুলে গুটি না হওয়ায় আমচাষী ও বাগান মালিকরা হতাশ

    পাইকগাছায় আমের মুকুলে গুটি না হওয়ায় আমচাষী ও বাগান মালিকরা হতাশ

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় আম গাছে মুকুলে গুটি না হওয়ায় আমচাষী ও বাগান মালিকরা হতাশ। আমের গুটি বিহিন গাছ দেখলে মনে হবে ঝলসে গেছে।গাছে আম ছাড়া ন্যাড়া শিস দেখা যাচ্ছে। গাছে আমের গুটি না ধরায় আমচাষি, বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
    পাইকগাছাসহ উপকুল এলাকায় চলতি বছর অনেক দেরিতে আম গাছে মুকুল বের হয়েছে। অধিকাংশ গাছের মুকুল ছোট ও চিকন হয়। কোন গাছের একটি দুইটি ডালে মুকুল বের হয়েছে আর বাকী ডালের পল্লবে মুকুল হয়নি। অনেক গাছে কোন মুকুলই বের হয়নি। তবে কিছু কিছু গাছে প্রচুর পরিমান মুকুল বের হয়েছে।কোন কোন গাছে গুটি ধরার পরে ঝরে পড়েছে। তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে আমের মুকুল দেরিতে বের হওয়ায় আমের গুটি আশনারুপ হয়নি বলে কৃষি অফিস জানান।আম বাগানে বিনিয়োগকৃত টাকা ফিরে পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এমন পরিস্থিতে আমচাষি, বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
    পাইকগাছার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে ৪টি ইউনিয়ন গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি, রাড়ুলী ও পৌরসভা ছাড়া বাকি ইউয়িনগুলোতে সীমিত আমের গাছ রয়েছে। উপজেলায় ৫শত ৮৫ হেক্টর জমিতে মোট আম গাছ রয়েছে। গাছের সংখ্যা প্রায় ৩৫ হাজার। কিছু কিছু পরিকল্পিত আম বাগান রয়েছে।এবছর নাবিতে গাছে মুকুল ধরেছ। অধিকাংশ গাছের মুকুল ছোট ও চিকন হয়েছে। কোন গাছের একটি দুইটি ডালে মুকুল বের হয়েছে আর বাকী ডালের পল্লবে মুকুল হয়নি। অনেক গাছে কোন মুকুলই বের হয়নি। ৪০ ভাগ আম গাছে নাবিতে মুকুল বের হয় আর এসকল গাছে কোন গুটি ধরেনি। তবে আগাম কিছু গাছে মুকুল ভালো বের হয় সে সব গাছে আমের গুটিও ভালো হযেছে। তবে তার পরিমান খুবই সিমিত।
    উপজেলার কপিলমুনি,গদাইপুর, হরিঢালী, রাড়ুলী, পৌরসভা, চাঁদখালীসহ বিভিন্ন এলাকা আম বাগানের গাছে মুকুল ভালো হয়নি সে কারণে আমের গুটিও হযনি। আম বাগান ঘুরে এমনই চিত্র দেখা গেছে। গদাইপুরের আম চাষি মোবারক ঢালী বলেন, বাগানের আম গাছে মুকুলে তেমন গুটি ধরেনি। আমের মুকুলে গুটি না ধরায় তিনি হতাশ।ধার করে বাগান কেনা টাকা ফিরে পাবেনা বলে মহা বিপাকে পড়েছেন। হরিঢালীর আকবর হোসেন, তকিয়ার মুজিবর গাজীসহ বিভিন্ন এলাকার আম ব্যবসায়ীরা জানান, ঋণ করে আগাম আম বাগান নিয়েছে। অনেক চাষী আম বিক্রি ঋণের টাকা পরিশোধ করবে। গাছে আশানারুপ মুকুল বের না হওয়ায় গুটি ধরেনি্ এতে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে এমন আশাংকায় হতাশ হয়ে পড়েছে।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ জানান, শেষের দিকে কয়েক দিনের ঘন কুয়াশার কারণে আমের মুকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাইকগাছায় নাবি করে গাছে মুকুল এসেছিলো, নাবিতে আসা মুকুল পুস্ট হযনি, সে কারণে অনেক গাছে গুটি ধরেনি তবে আগাম মুকুল বের হওয়া গাছে আমের গুটি ভালো ধরেছে। আমের গুটি আশানারুপ না ধরায় উপজেলায আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হবেনা আর চাষিরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হবে বলে তিনি জানান।