Author: desk

  • পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহ*ত ৩

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহ*ত ৩

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় ঈদের দিন মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরো তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে দেবীগঞ্জ পৌর সদরের নতুন বন্দর এলাকার সোনাহার-দেবীগঞ্জ সড়কের মগবাজার সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

    সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- দেবীগঞ্জ উপজেলার দন্ডপাল ইউনিয়নের লোহাগাড়া সুপারি তলা এলাকার বাছের আলীর ছেলে কাউসার আলী (১৬) ও একই এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে সাব্বির (১৭) এবং দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের খাঁ পাড়া এলাকার মজনুর ছেলে সাব্বির (২২)।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন দুপুর আনুমানিক একটার সময় আনন্দের উদ্দেশ্যে দুটি পৃথক মোটরসাইকেলে তিনজন কিশোর খাঁ পাড়া থেকে দেবীগঞ্জে আসছিলো এবং অপর একটি মোটরসাইকেলে তিনজন কিশোর কালীগঞ্জের লোহাগার থেকে নীলসাগরের উদ্দেশ্য রওনা হয়। পথিমধ্যে নতুন বন্দর এলাকার দেবীগঞ্জ-সোনাহার সড়কে একটি ভ্যানকে সাইড দিতে গিয়ে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ছয়জনকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন সময় কাউসার আলী নামে একজনের মৃত্যু হয়। বাকীদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রংপুর মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। রংপুরে যাওয়ার পথে লোহাগাড়া এলাকার সাব্বির (২২) নামে একজনের মৃত্যু হয় এবং রংপুর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাব্বির নামে আরেকজনের মৃত্যু হয়।

    রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাব্বিরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তার চাচাতো ভাই মনির বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় সাব্বিরকে রংপুরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তার মৃত্যু হয়। তার মরদেহ বাসায় আনা হচ্ছে।

    এদিকে হাসপাতালে আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বরকত, জাকারিয়া এবং সোহেল। তবে বরকতের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা।

    এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা অফিসিয়ালি দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সড়ক দুর্ঘটনা সংক্রান্ত মামলা রুজু করা হবে।

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • পঞ্চগড়ে পরকীয়া প্রেমিকের হাতে গৃহবধূ খু*ন

    পঞ্চগড়ে পরকীয়া প্রেমিকের হাতে গৃহবধূ খু*ন

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় শাহনাজ পারভীন (২৫) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে পরকীয়া প্রেমিক। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ঈদের দিন সকালে উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের মতিয়ারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    নিহত শাহনাজ পারভীন ওই এলাকার আব্দুল মজিদের স্ত্রী। তার ৬ বছর ও ৪ মাস বয়সী দুটি মেয়ে রয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহনাজ পারভীনের স্বামী আব্দুল মজিদ দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন স্থানে কাজের সুবাদে ঢাকায় থাকতেন। সেই সুযোগে দুই বছর আগে প্রতিবেশী রাজু (২৭) নামে এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন শাহনাজ। রাজু ওই গ্রামের আইনুলের ছেলে। তবে কোনো কারণে এক সময় ভেঙে যায় সেই প্রেমের সম্পর্ক। বিষয়টি নিয়ে ক্ষীপ্ত ছিলেন রাজু।
    ঈদের দিন সকালে পরিবারের অন্য সদস্যসহ স্বামী আব্দুল মজিদ ঈদের নামাজ পড়তে ঈদগাহ মাঠে চলে গেলে শাহনাজের বাড়িতে যান রাজু। সুযোগ বুঝে ঘরে প্রবেশ করেই শাহনাজের বড় মেয়ের সামনেই শাহনাজকে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতারি আঘাতের পর গলা কেটে পালিয়ে যান। এ সময় বড় মেয়ের কান্না ও চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে শাহনাজের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও থানা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করেন।

    দেবীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম জানান, শাহনাজ নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের সময় মরদেহের পাশ থেকে একটি রক্তমাখা ছুরি পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাতক রাজুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে অপহরণকৃত মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার ও ৫ জন আসামি গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে অপহরণকৃত মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার ও ৫ জন আসামি গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন ঝুরঝুরি এলাকা হতে অপহরণকৃত মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার ও ০৫ জন আসামি গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ০৫ এপ্রিল ২০২৪ খ্রি. তারিখ রোজ শুক্রবার বেলা অনুমান ১৫.০০ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন ঝুরঝুরি এলাকা হতে মোঃ মারুফ হাসান (১২) বাড়ির বাহিরে যায়। অতঃপর সন্ধ্যা হয়ে এলেও ভিকটিম মারুফ হাসান বাড়িতে ফিরে না আসায় তার অভিভাবকেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে এবং সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরেও ভিকটিম মারুফ হাসানকে না পেয়ে তার বাবা মোঃ মোশারফ হোসেন গত ০৫/০৪/২০২৪ খ্রি. তারিখ তাড়াশ থানায় একটি জিডি করেন। জিডি নং-২৬৮, তারিখ-০৫/০৪/২০২৪ খ্রি.। ভিকটিম মারুফ হাসানকে উদ্ধারের জন্য অভিযানে নামে র‌্যাব-১২।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় ভিকটিম মারুফকে অপহরণের সন্দেহে প্রথমে ০৩ (তিন) জনকে আটক করা হয় এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে অদ্য ১১ এপ্রিল ২০২৪ খ্রি. ভোর অনুমান ০৪.৫৫ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন ঝুরঝুরি বাজারস্থ তালুকদার মার্কেটের পিছনে সেপটি ট্যাংকের ভেতর হতে র‌্যাব-১২’র ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক টিম অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্র ভিকটিম মারুফ হাসানের মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্র মারুফ হাসানের হত্যাকারী হিসেবে সন্দেহভাজন আরো ০২(দুই) জনসহ মোট ০৫ (পাঁচ) জন সন্দিগ্ধ হত্যাকারীকে আটক করা হয়েছে।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামিগণ ১। মোঃ আবুল হাশেম @ হাসু (৪৮), পিতা- মৃত- তফের, ২। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪৫), পিতা- মোঃ মোশারফ হোসেন, ৩। মোঃ আল আমিন হোসেন (২২), পিতা- মোঃ নজরুল ইসলাম, ৪। মোঃ ওমর ফারুক (২২), পিতা- মোঃ রফিক হোসেন, ৫। মোঃ কাওছার হোসেন (১৯), পিতা- মোঃ সাইদুর রহমান, সকলের সাং- ঝুরঝুরি, থানা- তাড়াশ, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় হস্তান্তর করার আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন ।

    র‌্যাবের এ ধরণের চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার অভিযান কার্যক্রম চলমান থাকবে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এ ধরণের তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি অপরাধ মুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

  • বরিশাল বাসীকে পবিত্র ঈদ’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্

    বরিশাল বাসীকে পবিত্র ঈদ’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্

    নিউজ ডেস্ক।।

    বরিশাল বাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার সংসদ সদস্য,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি,বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্।

    তিনি শুভেচ্ছা বার্তায় জানান, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। তিনি বরিশাল বাসীর অব্যাহত সুখ, শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেছেন।

    শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আরও জানান, বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় একটি দিন ঈদ উল ফিতর,এই দিনে ব্যক্তি,পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি,আত্মসংযম,সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন সকলের মাঝে লাভ করুক এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা।

    হাঁসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। তিনি একে অপরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে সকলে একসঙ্গে মিলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উৎসব উদযাপন করতে বলেছেন।

    পরিশেষে তিনি দল মত জাতী ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সবাইকে জানিয়েছেন ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক!

  • পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- অ্যাডভোকেট জুয়েল

    পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- অ্যাডভোকেট জুয়েল

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজকল্যান সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান জুয়েল।

    তিনি এক শুভেচ্ছা বার্তায় জানান, আমি সকলকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। আমি সকলের অব্যাহত সুখ,শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি।

    শুভেচ্ছা বার্তায় আতিকুর রহমান জুয়েল আরও জানান,বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় দিন ঈদ উল ফিতর আমাদের মধ্যে সমাগত। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম,সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন পরিব্যাপ্তি লাভ করুক এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা।

    হাঁসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। ঈদ এর অর্থটাই হচ্ছে ফিরে আসা। এমন এই দিনকে ঈদ বলা হয়, একে অপরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে এই দিনে যে মানুষ বারবার একত্রিত হয় এবং সাধ্যমতো যার যা উপার্জন তা নিয়েই আনন্দ উৎসব করে। তাই ঈদ দ্বারাই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে নিয়ামত কিংবা অনুগ্রহে ধন্য করে থাকেন।

    মহান আল্লাহ পাক বিশ্বের সকল মানুষের প্রতি নিয়ামত হিসেবেই ঈদ দান করেছে। তাই এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমীয় ধারা। আমি এই কামনা করি। সবাইকে জানাই ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক!

  • দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – আক্তার হোসেন মোল্লা

    দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন – আক্তার হোসেন মোল্লা

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আক্তার হোসেন মোল্লা।

    তিনি এক শুভেচ্ছা বার্তায় জানান, আমি সকলকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। আমি সকলের অব্যাহত সুখ,শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি।

    শুভেচ্ছা বার্তায় আক্তার হোসেন মোল্লা আরও জানান,বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় দিন ঈদ উল ফিতর আমাদের মধ্যে সমাগত। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম,সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন পরিব্যাপ্তি লাভ করুক এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা।

    হাঁসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। ঈদ এর অর্থটাই হচ্ছে ফিরে আসা। এমন এই দিনকে ঈদ বলা হয়, একে অপরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে এই দিনে যে মানুষ বারবার একত্রিত হয় এবং সাধ্যমতো যার যা উপার্জন তা নিয়েই আনন্দ উৎসব করে। তাই ঈদ দ্বারাই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে নিয়ামত কিংবা অনুগ্রহে ধন্য করে থাকেন।

    মহান আল্লাহ পাক বিশ্বের সকল মানুষের প্রতি নিয়ামত হিসেবেই ঈদ দান করেছে। তাই এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমীয় ধারা। আমি এই কামনা করি। সবাইকে জানাই ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক!

  • বানারীপাড়া উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- কিসলু

    বানারীপাড়া উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- কিসলু

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    বানারীপাড়া উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বানারীপাড়া উপজেলার সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যান ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ উদ্দিন আহমদ কিসলু।

    তিনি এক শুভেচ্ছা বার্তায় জানান, আমি সকলকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। আমি সকলের অব্যাহত সুখ,শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি।

    শুভেচ্ছা বার্তায় শরীফ উদ্দিন আহমদ কিসলু আরও জানান,বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় দিন ঈদ উল ফিতর আমাদের মধ্যে সমাগত। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম,সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন পরিব্যাপ্তি লাভ করুক এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা।

    হাঁসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। ঈদ এর অর্থটাই হচ্ছে ফিরে আসা। এমন এই দিনকে ঈদ বলা হয়, একে অপরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে এই দিনে যে মানুষ বারবার একত্রিত হয় এবং সাধ্যমতো যার যা উপার্জন তা নিয়েই আনন্দ উৎসব করে। তাই ঈদ দ্বারাই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে নিয়ামত কিংবা অনুগ্রহে ধন্য করে থাকেন।

    মহান আল্লাহ পাক বিশ্বের সকল মানুষের প্রতি নিয়ামত হিসেবেই ঈদ দান করেছে। তাই এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমীয় ধারা। আমি এই কামনা করি। সবাইকে জানাই ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক!

  • বানারীপাড়া বাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- মাওলাদ হোসেন সানা

    বানারীপাড়া বাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- মাওলাদ হোসেন সানা

    নিউজ ডেস্ক।।

    বানারীপাড়া উপজেলা বাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসান সানা।

    তিনি এক শুভেচ্ছা বার্তায় জানান, আমি সকলকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। আমি বানারীপাড়াবাসীর অব্যাহত সুখ, শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করি।

    শুভেচ্ছা বার্তায় মাওলাদ হোসেন সানা আরও জানান, বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় একটি দিন ঈদ উল ফিতর আমাদের মধ্যে আজ সমাগত। ব্যক্তি,পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, আত্মসংযম, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন সকলের মাঝে লাভ করুক এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা।

    হাঁসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। আসুন একে অপরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে সকলে একসঙ্গে মিলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উৎসব উদযাপন করি। মহান আল্লাহতালা আমাদিগকে নিয়ামত ও অনুগ্রহ দান করে ধন্য করুন।

    তাই এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমীয় ধারা,আমি এই কামনা করি। পরিশেষে আমি দল মত জাতী ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সবাইকে জানাই ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক!

  • নড়াইলে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহ*ত, আহত ১৫

    নড়াইলে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহ*ত, আহত ১৫

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//

    নড়াইলে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ১৫
    ঢাকা-নড়াইল-যশোর মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে লোকাল বাসের চালক জাফর হোসেন (৫০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় বাসের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার দুর্বাজুড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের নড়াইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
    তুলরামপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শওকত হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যশোরগামী লিটন ট্রাভেলস এবং যশোর থেকে নড়াইলগামী লোকাল বাস নড়াইল-যশোর মহাসড়কের দূর্বাজুড়ি এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং লোকাল বাসের চালক জাফর হোসেন নিহত হন। এছাড়া লিটন ট্রাভেলস বাসের চালক মাহবুব হোসেনসহ (৪৫) অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের নড়াইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পর প্রায় দেড় ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ ছিল। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস হতাহতদের উদ্ধার করে নড়াইল-যশোর মহাসড়কে দুপুর ১২টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে।
    নড়াইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মাসুদ রানা জানান, ঢাকা থেকে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা লিটন পরিবহন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নড়াইল-যশোর সড়কের সীতারামপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে (যশোর) নড়াইলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা লোকাল বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগীতায় তাদেরকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক লোকাল বাসের চালক জাফরকে মৃত ঘোষণা করেন।
    এ বিষয়ে তুলরামপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শওকত হোসেন জানান, দুর্ঘটনায় লোকাল বাসচালক নিহত হয়েছেন। এছাড়া অনেকেই আহত হয়েছেন। বর্তমানে সড়কে যান চলাচল সাভাবিক রয়েছে।

  • উত্তরা ব্যাংক, মহিশালবাড়ী শাখার সাবেক ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম হলেন এজিএম

    উত্তরা ব্যাংক, মহিশালবাড়ী শাখার সাবেক ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম হলেন এজিএম

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখার সাবেক ম্যানেজার মোঃ আমিনুল ইসলাম পদোন্নতি পেয়ে হয়েছেন সহকারী মহাব্যবস্থাপক (AGM), তিনি একজন দক্ষ, কর্মঠ, উত্তরা ব্যাংকের একজন নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। ঋনের কিস্তি উত্তোলন, ঋন প্রদান, নতুন একাউন্ট খোলা, স্টুডেন্টস একাউন্ট খোলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারদর্শিতা অর্জনের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে ছিলেন। তাই তো গোদাগাড়ীর সকল ব্যাংককে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে পেরেছিল উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখা। ওই সময় উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখার গ্রাহকগণ যে সেবা পেয়েছিলেন বলে সবাই আমিনুল ইসলাম ম্যানেজারকে এক নামে চিনে তার প্রশাংসা করে, ব্যাংককে তার উদাহরণ দেন। এখন সে ব্যাংক গ্রাহক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অনেকে অভিযোগ করছেন। উত্তরা ব্যাংক থেকে হিসেব গুটিয়ে নিয়ে অন্য ব্যাংকে চলে যাচ্ছেন বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে।

    এদিকে গোদাগাড়ীর একটি ব্যাংকের ব্যাবস্থাপক নাম প্রকাশ না করা শর্তে এ প্রতিবেদককে জানান, মহিশালবাড়ী উত্তরা ব্যাংক চলে হন্ডি ব্যবসায়ী, মাদক ব্যবসায়ীদের টাকায়। তাদের খেলাপী ঋন, খারাপ ঋনের সংখ্যা অনেক বেশী। ওদের ওখানে শিক্ষিত, বৈধ ব্যবসায়ীদের সম্মান নেই, সম্মান আছে লুঙ্গী পড়া, ব-কলম অবৈধ টাকার মালিকদের, একজন ব্যাংক কর্মকতা হিসেবে লজ্জা পায় যখন শুনি ম্যানেজার, সেকেন্ড অফিসার
    হেরোইন ও হন্ডি ব্যবসায়ীর বাসায় ভাড়া থাকেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে অনেকে আমাদের এখানে গ্রাহক হচ্ছেন। একই মন্তব্য করেন, গ্রাহক নাজমুল হক, মাহাতাব, শাহীন, মাসুদ আলম, এমএন রেদওয়ান, শহিদুল ইসলাম তুসারসহ অনেকে।

    উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখা ম্যানেজার হিসেবে গত ১৪ জানুয়ারী যোগদান করেছেন মেহেদী হাসান। তিনি যোগদান করে হেরোইন, হন্ডি ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন। এমনি তিনি নিজেই গরুর রাখাল দিয়ে কর্মজীরন শুরু করা হন্ডি, মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ী ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন।

    এ ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার হিসেবে সম্পতি আরঙ্গজেব দেওয়ান যোগদান করে ম্যানেজারের পথ ধরে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী, মাদক মামলার আসামী, তিন তিন টি বিয়ে করা প্রশাসনের তালিকাভুক্ত মাদক সম্রাট রাজকীয় বাড়ীতে ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন।

    ম্যানেজার মেহেদী হাসান ও সেকেন্ড অফিসারের মাদক, হন্ডি ব্যবসায়ীদের বাড়ী ভাড়া নেয়া এবং সখ্যতা গড়ে তোলার বিষয়টি সাধারণ বৈধ ব্যবসায়ী, শিক্ষিত মানুষ উত্তরা ব্যাংকের প্রতি বিমুখ হয়েছে পড়েছেন। অনেকে এ দুই ব্যাংক কর্মকর্তার আচারনে নাখোশ। গত ১৪ ফ্রেব্রুয়ারি এ ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে পূবালী ব্যাংক গোদাগাড়ী উপ-শাখায় একজন আওয়ামীনেতা, ব্যবসায়ী ১০ লাখ টাকা, দুজন শিক্ষক যথাক্রমে ১০ লাখ ও ৩ লাখ টাকা এফডিআর করেছেন। শিক্ষক সমিতি করেছেন ৩৭ লাখ টাকার এফডিআর।
    এমনি তো উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখার কর্মকর্তা আবু তাহের কর্মরত থাকা এসডিপিস, সঞ্চয়, বিভিন্ন হিসেব নম্বরে টাকা জমা দেয়ার সময় এন্টি না করে ভাউচার নষ্ট করে ১০ লাখ লাখ টাকা আত্নসাৎ করার অভিযোগে তাকে চাকুরীচ্যুত করা হয়েছে। এ নিয়ে অনেকে উত্তরা ব্যাংক বিমুখ রয়েছে। অনেকে এ ব্যাংককে গ্রামীণ বলে আখ্যায়িত করছেন।

    গত ৮ এপ্রিল রমিসা বেগম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল পড়া প্রকৌশলী মেয়ে নিয়ে উত্তরা ব্যাংক মহিশালবাড়ী শাখায় গিয়েছিলেন। স্বামী নকিমুদ্দিন শাহ গত বছর ডিসেম্বরে মারা যান। তিনি হাটপাড়ার বাড়ী মরগেজ রেখে ৫ লাখ টাকা সিসি লোন নিয়েছিলেন। ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছিলেন। ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা বেড়ে হয় ৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। মেয়ের প্রাইভেট, বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের মাধ্যমে কিছু টাকা ম্যানেজ করে ব্যাংক, লোন থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছিলেন। ম্যানেজার মেহেদী হাসানের নিকট অনুরোধ করেছিলেন রমিসা বেগম ও তার মেয়ে। আমাদেরকে টাকা কমানোর জন্য ঢাকায় আবেদন করার সুযোগ করে দেন। কিন্তু তিনি কোন কর্নপাত করেন নি। তারা জানান, নকিমুদ্দিন মারা যাওয়ার সময় সাবেক ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম আমাদের কথা দিয়েছিলেন এব্যপারে সাহায্য করবেন একথা শুনার বর্তমান ম্যানেজার খুব রাগ করেন। এসময় ব্যাংকে আসেন এক মাদক ব্যবসায়ী হোন্ডি ব্যবসায়ীর গড ফাদার ৮ লাখ টাকা জমা দেয়ার জন্য। ম্যানেজার চিয়ার থেকে উঠে দাঁড়ান তার সাথে কুশালাদি বিনিময় করে তাকে সেকেন্ড অফিসারের নিকট নিয়ে গিয়ে পরিচয় করে দেন। এদিকে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া মেয়েটি মা রমিসা বেগমকে বলেন, কান্না কর না তুমি দোয়া কর একদিন বড় হয়ে তোমার মুখে হাসি ফুটাবো। বাবা নেই আমি আছি মা। এ বলে ৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা ম্যানেজারের মাধ্যমে পরিশোধ করে মৃত্যু বাবাকে ঋণ মুক্ত করেন। ওই সময় ব্যাংকের ক্যাশে তুমুল হৈ চৈ শুনা যায় এক গ্রাহককে ছেঁড়া টাকা দিয়েছেন এক বাউন্ডিল গ্রাহক বুঝতে না পেরে বাড়ী চলে যান। পরে ফিরে এসে ছেঁড়া টাকাগুলি পরিবর্তন করতে এলে বর্কবির্তক হৈ হুল্লা শুরু হয়। আর ম্যানেজার সেকেন্ড অফিসার মাদক ও হোন্ডি ব্যবসায়ীর গড় ফাদারের সাথে খোস গল্পে ব্যস্ত ছিল। ওই গ্রাহক ছেঁড়া টাকা পরিবর্তন না পেয়ে রাগ করে ব্যাংক ত্যাগ করেন। বিষয়টি সেদিন উপস্থিত অনেক গ্রাহক অবগত আছেন।

    এ দিকে মহিশালবাড়ী শাখার সাবেক ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম তার ফেসবুক ভেরিভাই পেজে লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে উত্তরা ব্যাংকে সহকারী মহাব্যবস্থাপক (AGM) হিসাবে পদোন্নতি পেলাম। ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট সহ সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী এবং পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
    বিশেষ করে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার জোনাল হেড স্যারদের প্রতি যাদের দিক নির্দেশনায় আমি আজ এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার গ্রাহকদের প্রতি যাদেরকে সেবা দিতে পেরে আজকে আমার এই পদোন্নতি। বিশেষ করে ম্যানেজার হিসেবে আমার সাবেক শাখা সিরাজগঞ্জ জেলার শুভগাছা শাখা এবং রাজশাহী জেলার মহিসালবাড়ি শাখার সকল গ্রাহকদেরকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। মহিশালবাড়ি শাখার মাটি ও মানুষের সাথে আমি একাত্ম হয়ে গিয়েছিলাম। এমনকি ওই শাখার মাটি ও মানুষগুলো আজও আমাকে নেশার মতো কাছে টানে।

    উত্তরা ব্যাংকের ডিজিএম অলক কুমার সাথে দুই ব্যাংক কর্মকর্তা হেরোইন ব্যবসায়ী, হোন্ডি ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতার, তাদের বাড়ী ভাগা থাকা, গ্রাহকের সাথে খারাপ আচারণের ব্যপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নয়, তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখবো। এ ব্যপারে ম্যানেজার মেহেদী হাসানের সাথে মোবাইলে কয়েকবার যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মোবাইল কেটে দেন।

    এ ব্যপারে সেকেন্ড অফিসার অরঙ্গজেব দেওয়ানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি নতুন এসেছি এখানে আমার এক সহকারী ওই বাসায় থাকে, সে আমাকে উঠিয়েছে। সে যে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী এটা অবগত নয়।