পাইকগাছা খুলনা প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় ঈদের দ্বিতীয় দিনে মটরসাইকেলের ধাক্কায় রঘুনাথ মন্ডল (৫২) নামে এক বৃদ্ধর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল আনুঃ সাড়ে ৪টার দিকে লস্কর ইউপির খড়িয়া ঢেমসাখালীতে পাইকগাছা-গড়ইখালী সড়কের উপর এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রঘুনাথ ঢেমসাখালীর মৃতঃ বসন্ত মন্ডলের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা ও পারিবারিক সুত্র বলছেন, রঘুনাথ ঘটনার পুর্ব বাড়ি থেকে রাস্তায় উঠছিলেন। এ সময় চালক সুমনের দ্রুত গতির বাইকের ধাক্কায় তার মাথা ও পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে গুরুতর জখম হয়। দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে খুলনা সিটি মেডিকেলে নেয়া হলে রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃতঃ ঘোষনা করেন। তিনি স্ত্রীসহ ৩ কন্যা রেখে গেছেন। আহত বাইক চালক সুমন নামক কিশোরের বাড়ি চাঁদখালী ইউপি’র মৌখালীতে। তার গন্তব্য ছিল মামার বাড়ী খড়িয়া খালপার গ্রামে।
গাড়িটি আটক করেছে থানা পুলিশ । এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে বলে ওসি ওবায়দুর রহমান জানান।
Author: desk
-

পাইকগাছায় মটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত ; চালক আহত
-

একজন কিডনি রোগীকে বাঁচানোর জন্য সাহায্যের আবেদন
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধ।।
মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য কিন্তু টাকার জন্য চিকিৎসার অভাবে একটি তরতাজা প্রান আজ দুনিয়ার মায়া ছেড়ে যাওয়ার পথে। পাইকগাছা উপজেলার শ্রীকন্ঠপুর গ্রামের হত দরিদ্র জাইদুল ইসলামের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী জামিলা বেগম। তার দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। দীর্ঘ দিন খুলনা মেডিকেল, আদদ্বীন হাসপাতাল সর্বশেষ ঢাকা কিডনি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করে। বর্তমানে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অতিদ্রুত তার একটি কিডনি স্থাপন করতে হবে।তা না হলে তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হবে না।কিডনি স্থাপন করতে প্রায় পনের লক্ষ টাকার মত খরচ হবে বলে চিকিৎসকরা জানান।কিন্ত দরিদ্র জাইদুল তার সহায় সম্বল যা কিছু ছিল সব বিক্রি করে ও বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ধারদেনা করে স্ত্রীর দীর্ঘ দিন চিকিৎসা করিয়ে আজ নিঃস্ব হয়ে স্ত্রীকে বাচাঁনোর জন্য দেশের দানবীর,দাতা সংস্থা,বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সাহায্য প্রার্থনা করেছে। যদি কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি একটি (বি +)কিডনি দান করেন তাহলে অকালে চলে যাবেনা একটি তরতাজা প্রান। সাহায্য পাঠাতে পারেন, মোছাঃ জামিলা বেগম,অগ্রণী ব্যাংক লিঃ,বাঁকা বাজার শাখা,খুলনা।একাউন্ট নং০২০০০০৬৮৮৭৪১৬,অথবা রুগীর মোবাইল নং নগত ০১৯৮২-৯৭১৪০৪,বিকাশ রুগীর ভাই ০১৭১২-০৯৫২৬৮।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা খুলনা। -

পাইকগাছায় চড়ক পূজা, চৈত্র সংক্রান্তি মেলা ও বৈশাখী উৎসব অনুষ্ঠিত
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
পাইকগাছায় চড়ক পূজা উপলক্ষে গদাইপুর মাঠে চৈত্র সংক্রান্তি মেলা ও বৈশাখী উৎসবে উপছে পড়া ভিড় ছিলো। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে, কঠোর ব্রত ও অনুশাসনের মধ্যে দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে চড়ক পূজা উদযাপিত হয়েছে। চৈত্র মাসের শেষ দিন চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় চড়ক পুজো। এটি মূলত বাঙালি হিন্দুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লোক উৎসব।
নানা পার্বণের দেশ বাংলাদেশ।আর বাঙালি জাতি উৎসবমুখর।প্রবাদ রয়েছে বাঙালির বারো মাসে তের পার্বণ।বাঙালি সমাজের সাংস্কৃতিক প্রথা, ঐতিহ্য, আচার-অনুষ্ঠানাদির মধ্য দিয়ে প্রবাদটির সত্যতা মেলে। বছরের নানা সময়ে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে উৎসবকেন্দ্রিক মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে দীর্ঘদিন। মেলা বাঙালির লোক ঐতিহ্যের অন্যতম একটি অনুষঙ্গ। তবে নির্দিষ্ট কিছু মেলা জাতির কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অন্যতম ধারক ও বাহক হয়ে উঠেছে। বাঙালির লোকসংস্কৃতির মেলার মধ্যে প্রথমেই আসেচৈত্র সংক্রান্তি মেলা ও বৈশাখী মেলার নাম। বাংলার বিভিন্ন জনপদে বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে সুদীর্ঘ কাল থেকে।
উপজেলার গদাইপুরে ঐতিহ্যবাহী বাজারখোলা গাছতলা মন্দিরে ৩দিন ব্যাপী চড়ক পূজা অনুষ্ঠিত হয়।চড়ক পূজার শেষ ও চৈত্র মাসের শেষ দিন গদাইপুর ফুটবল মাঠে চৈত্র সংক্রান্তি মেলা বসে। চলমান এ মেলাটি পরে বৈশাখী মেলায় রুপ নেয়। মেলায় মৃৎশিল্প, লোহা,কুঠির শিল্পসহ বিভিন্ন পন্য ও মিষ্টান্ন দ্রব্য বিক্রয় করা হয়। মেলায় নাগরদোলাসহ বিভিন্ন বিনোদনের ব্যবস্থা থাকায় শিশুদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। শুক্রবার ও শনিবার দুই দিন মেলা অনুষ্ঠিত হযেছে।
মেলার সার্বিক পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন, চৈত্র সংক্রান্তি মেলা ও বৈশাখী উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান।১৪ এপ্রিল শনিবার মেলা ঘুরে দেখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মণ্টু, এসময় সাথে ছিলেন,ওসি (অপারেশন) রজ্ঞন, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমিরণ সাধু,পাইকগাছায় হাসপাতালের আরএমও ডা: সুজন সরকার, গদাইপুরে ইউনিয়ার আওয়ামীলীগের আহবায়ক নির্ম ল চন্দ্র অধিকারি, ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মন্দির কমিটির সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ, জগদিশ চন্দ্র রায়, প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দিন, রায়সহ মেলা পরিচালনা কমিটির নের্তৃবৃন্দ।গ্রামীণ এ মেলায় কয়েক হাজার লোকের সমাগম ঘটে। -

পাইকগাছায় ঈদে বোয়ালিয়া ব্রীজে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়
ইমদাদুল হক (পাইকগাছা) খুলনা।।
ঈদ আনন্দে পাইকগাছার ব্রীজগুলোতে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত জনস্রোতে রুপ নেয় ব্রিজ এলাকা। পাইকগাছা বিনোদনের তেমন কোন স্পর্ট না থাকায় ব্রীজগুলিই বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাড়িয়েছে। রাড়ুলী স্যার পিসি রায়ের বসতভিটা ও উপজেলা সদরে মধুমিতা পার্ক নামে একটি পার্ক থাকলেও সেখানে কোন বিনোদনের পরিবেশ না থাকায় কেউ যায় না। এ কারণে পাইকগাছাবাসীর অনেকেই মধুমিতা পার্কের নাম ভুলতে বসেছে। তবে শিববাটি ব্রিজের পাশে বিনদোনের জন্য রয়েছে এক মাত্র পার্ক।
নদীবেষ্টিত পাইকগাছা উপজেলা সদর পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নগুলো ৩টি ব্রীজ দ্বারা যোগাযোগ মাধ্যম তৈরী হয়েছে। পূর্বপাশে শিবসা ব্রীজ, দক্ষিণ পাশে শিববাটী ব্রীজ ও পশ্চিম দিকে কপোতাক্ষ নদের উপর বোয়ালিয়া ব্রীজ অবস্থিত। যে কোন উৎসবে এই ব্রীজ ৩টিতে দর্শনার্থিদের বিনোদনের কেন্দ্র হিসাবে পরিণত হয়। পাইকগাছা কপোতাক্ষ নদের উপর বোয়ালিয়া ব্রীজ। ব্রীজ সংলগ্ন বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারে বিনোদনের জন্য ছোট একটি পার্কের মত জায়গা রয়েছে। অনেকেই সেখানে উৎসবে পিকনিক সহ ছোট অনুষ্ঠান করে থাকে।
কপোতাক্ষ নদে বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার পরিজন নিয়ে কেউ কেউ নৌকা ভ্রমনে মেতে ওঠে। এবারের ঈদে বোয়ালিয়া ফার্ম ও বোয়ালিয়া ব্রীজে দর্শনার্থিদের উপছে পড়া ভীড় ছিল। দর্শনার্থী মিতু জানান, পাইকগাছায় বিনোদনের জন্য তেমন কোন পার্ক না থাকায় বোয়ালিয়া ব্রীজ ও ফার্ম এলাকায় ঈদে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছি। উন্মুক্ত পরিবেশে খুব ভালো লাগছে। ব্রীজে দর্শনার্থিদের ঢল নামায় ব্রীজের উপর ভ্রাম্যমান ছোট ছোট দোকান বসতে দেখা যায়। দর্শনার্থিদের নিরাপত্তার জন্য ব্রীজগুলোতে পুলিশি টহল ব্যবস্থা ছিল। -

আগামী ১৮ এপ্রিল গোদাগাড়ীতে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় আগামী ৫ বৈশাখ, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টার সময় উপজেলা পরিষদ চত্তরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
প্রাণি সম্পদে ভরবো দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ এ নীতিব্যাক্যকে সামনে রেখে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতালের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৪ অনুষ্ঠিত এ সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। রাজশাহী ১ আসনে সংসদ, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৪ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ডা. শায়লা শারমিন বলেন, অনুষ্ঠানের সকল প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে, খামারীগণ তাদের গবাদিপশু নিয়ে আসবেন ইনসাল্লাহ, প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনেক ভাল হবে। উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন রাজশাহী ১ আসনের এমপি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। এ প্রদর্শনীতে গবাদিপশু, পাথি, ঘোড়া, পশু খাবার, ওষুধসহ বিভিন্ন ধরনের ৩৫ টি স্টল থাকবে।
তিনি আরও জানান, এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চল গবাদিপশু যেন বৃদ্ধি পায় এবং দূরদুরান্ত থেকে গবাদিপশুর চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মানুষকে যেন দুর্ভোগ ও হয়রানিতে পড়তে না হয় সে দিকে আমরা গভীরভাবে নজর দিচ্ছি এবং জনগনের ট্যাক্সের টাকায় আমাদের বেতন ভাতা হয়, জনগনকে আমরা সঠিক সেবা দেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করচ্ছি। আপনারা সাংবাদিক সমাজের দর্পন, আমরা ভালকিছু করলে লিখবেন, খারাপ কিছু করলে অবশ্যই লিখবেন, আপনাদের লেখনী আমাদের উপকারে আসবে ইনশাল্লাহ।
মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী। -

নলছিটিতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ
ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক
ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার(১৫এপ্রিল) সকাল এগারোটায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও ১৪দলের মুখাপাত্র আমির হোসেন আমু(এমপি)।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিদ্দিকুর রহমান,পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ওয়াহেদ খান,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সানজিদ আরা শাওন প্রমুখ।
কৃষি প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় ২০২৩-২৪অর্থবছরে খরিফ-১ মৌসুমে উফশী আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ২৫০০ কৃষকদের মাঝে জনপ্রতি ৫কেজি ধানের বীজ ও ২০কেজি সার বিতরন করা হয়েছে।
-

চট্টগ্রাম সিএসসিআর হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ টেকনাফের ডা. জামাল আর নেই
কে এম নুর মোহাম্মদ
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিকক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা ফুলের ডেইলের এলাকার নিবাসী হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও হ্নীলা গুলফরাজ-হাশেম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা
ডাঃ জামাল আহমদ (৬৭) আর নেই।
(ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)তিনি আজ সোমবার (১৫ এপ্রিল) ভোররাত ৩ টার দিকে ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।
ডা. জামাল আহমেদের ছেলে ডা. সালাউদ্দিন জামাল মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন,বেশ কিছুদিন ধরে কিডনীর অসুস্থতায় ভুগছিলেন। গত ১২এপ্রিল জামাল আহমেদকে ভারতে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষ করে দেশে ফিরে ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি আজ মৃত্যুবরণ করেন।
আজ সোমবার বাদ জোহর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপরে তার মৃতদেহ টেকনাফের হ্নীলায় গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে।ডাঃ জামাল আহমেদ ছিলেন টেকনাফে প্রথম এমবিবিএস ডাক্তাটী পাস করেন। পরে তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে চট্টগ্রাম সিএসসি.আর হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
তিনি ছিলেন দেশের খ্যাতিমান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকায় তিনি একজন।উল্লেখ্য,১৯৯৮ সালে টেকনাফের হ্নীলায় জন্মভূমিতে পিতা-মাতার নামে গুলফরাজ-হাশেম ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে তিনি ২৫ বছরের বেশী সময় ধরে এলাকার মানুষের চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষায় অবদান রাখেন তাঁর মৃত্যুতে এলাকাবাসী গভীর ভাবে শোকাহত।
-

নতুন পরিবর্তন, নতুন আলোয় নববর্ষ বয়ে আনুক সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখ — মোঃ আতিকুর রহমান
মিজানুর রহমান মিলন,
শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে ‘পয়লা বৈশাখ’কে বছরের প্রথম মাস হিসেবে গননা করা হয়। এই উৎসব সংস্কৃতির উৎসব, কোনও ধর্মের নয়, তাই বাংলাদেশের মুসলমান বাঙালিরাও এই দিনটি পালন করে।বাংলাদেশেও মঙ্গল শুভ যাত্রার আয়োজন করা হয় যার ধারাবাহিকতায় বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ পালনে গত রবিবার ( ১৪ এপ্রিল) সকাল ৯.০০ ঘটিকায় রঙিন পোশাকে শাজাহানপুর উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ নববর্ষের ব্যানার নিয়ে শোভাযাত্রা বের করেন।শোভাযাত্রাটি প্রতিষ্টান প্রাঙ্গন হতে বের হয়ে শাজাহানপুর উপজেলা পরিষদ চত্বর হয়ে আবার প্রতিষ্ঠানে ফিরে আসে।
মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জনাব রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে মঙ্গল শোভাযাত্রায় উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ ভোকেশনাল শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, পহেলা বৈশাখে আমাদের প্রত্যাশা সকলের জীবন সূর্যের মতো দীপ্তিমান, জলের মতো শীতল আর , মধুর মতো মিষ্টি থাক ।পহেলা বৈশাখ বলি বা নববর্ষ বলি এগুলির সবকটির একই অর্থ বাংলা নববর্ষ।
তিনি আরো বলেন বাংলা নববর্ষ বাঙালি সম্প্রদায়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক উৎসবগুলির মধ্যে একটি। পহেলা বৈশাখ হল আনন্দ, উত্তেজনা, এবং উৎসবে ভরা একটি দিন। এই দিনে শহরে মেলার আয়োজন করা হয় এবং লোকেরা নতুন জামাকাপড় পড়ে।লোকেরা সুস্বাদু খাবার তৈরি করে এবং তাদের পরিবারের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে এবং তারা তাদের ঘর বাড়ী বর্ণিল রংঙে সাজায়। এটি এমন একটি দিন যা অতীতের ঝামেলা এবং দুঃখগুলিকে পিছনে ফেলে ইতিবাচকতা এবং আশাবাদে ভরা একটি নতুন ভবিষ্যতকে আলিঙ্গন করে। পহেলা বৈশাখ বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বের ।
পহেলা বৈশাখ হল বাঙালির নতুন বছরের শুরু। যারা ব্যবসা পরিচালনা করেন তাদের জন্যও দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এই দিন থেকেই ব্যাবসার হিসেবের খাতা অনুযায়ি হালখাতার মাধ্যমে দেনা পাওনার মিমাংশা করেন ।পহেলা বৈশাখ হল নতুন সূচনা, আশা এবং নবায়ন উদযাপনের একটি সময়। উৎসবটি শুধু বাংলায় নয়, ভারত, বাংলাদেশের অন্যান্য অংশে এবং সারা বিশ্বের বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যেও পালিত হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আশার,মাশরুম,নওশাদ সহ অন্যান্যে শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ । -

ময়মনসিংহ সদরে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, সাবেক ছাত্রনেতা ও সদর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান, আশরাফ হোসাইন সদর উপজেলার
দলীয় নেতা-কর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের সাথে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।বৃহস্পতিবার (১১এপ্রিল) ঈদের দিন থেকে নিয়মিত তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে আবারো বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে গণসংযোগের পাশাপাশি ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। এসময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পৌঁছলে দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজন তাদের প্রিয় নেতা আশরাফ হোসাইনকে
কাছে পেয়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান নিজে সবাইকে বুকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন। বিভিন্ন বাজারে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী, বিভিন্ন পেশাজীবীসহ সকল স্তরের মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন আওয়ামীলীগ নেতা আশরাফ হোসাইন। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।তিনি সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ও প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এসময় তিনি সবার খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজন ঈদের দিনেই প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। অনেকে নিজেদের বাড়িতে তাঁকে নিমন্ত্রণও করেন।
গণসংযোগকালে মতবিনিময়কালে আশরাফ হোসাইন বলেন, সদর উপজেলার মানুষ আমার প্রাণশক্তি। এরা সবাই আমার বৃহৎ পরিবারের সদস্য, আমার আত্মার আত্মীয়। তাই সুখে দুঃখে সব সময় আমি সদরের সাধারণ মানুষের সাথে থাকতে ভালোবাসি। সাধারণ মানুষের মুখের হাসি, তাদের শরীরের গন্ধ আমাকে প্রাণশক্তি জোগায়। যতদিন বাঁচি সবাইকে নিয়ে সবার সাথে বাঁচতে চাই। মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা জনবান্ধব নেত্রী, এখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোড় মডেল বলেও জানান এই চেয়ারম্যান। এসময় তিনি দলীয় নেতা কর্মীদের সাধারন মানুষের পাশে থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন।
উপজেলা পরিষদের নির্বচনী তপসিল ঘোষণা হয়েছে জানিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে শুভেচ্ছা বিনিময় কালে তিনি বলেন-বিগত ৫বছর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। তবে কোভিট-১৯ এর কারণ প্রায় ৩বছর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে অনেকটাই বাঁধা গ্রস্থ হয়েছে। তাই উপজেলার চলমান
উন্নয়ন ধরে রাখতে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয় ধরে রাখতে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।আমি আপনাদের সন্তান আপনাদের ভালোবাসা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আমি আপনাদের যে কোন দুর্যোগে আগেও পাশে ছিলাম, বর্তমানেও আছি, ভবিষ্যতেও থাকব ইনশাআল্লাহ। আপনারা আসন্ন উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে আবারো বিজয়ী হতে আমার জন্য দোয়া সহযোগিতা করবেন বলে আমি আশাবাদী। -

বিরামপুরে আনন্দমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন
জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা- কবিগুরুর এই পংক্তিকে মনে রেখে পুরাতনকে মুছে ফেলে নতুনকে গ্রহণ করতে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় আনন্দমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ উদযাপন করা হয়েছে।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাংকন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পান্তা খাওয়ার আয়োজন করা হয়।
রবিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে পৌর শহরের ঢাকামোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে অংশ নেয় উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। শোভাযাত্রাটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুজহাত তাসনীম আওনের সভাপতিত্বে, আলোচনা সভা ও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথমে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবীর।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, পৌর মেয়র আককাস আলী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুরাদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মেজবাউল হক, ওসি সুব্রত কুমার সরকার, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সহ-সভাপতি শীবেশ কুন্ডু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মাস্টার, প্রেসক্লাব সভাপতি মোরশেদ মানিক, সম্পাদক কামরুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধান, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান, সুধীজনসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আসমা বানু।
জাকিরুল ইসলাম জাকির
বিরামপুর, দিনাজপুর।