Author: desk

  • প্রাইমারি স্কুলের নতুন ভবন নির্মান নিয়ে চরম বিরোধ মানববন্ধন

    প্রাইমারি স্কুলের নতুন ভবন নির্মান নিয়ে চরম বিরোধ মানববন্ধন

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ৮১ বছর পূর্বে স্থাপিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মানের কাজ শুরুর পর রহস্যজনক কারণে স্থান পরিবর্তন করার ষড়যন্ত্রকে ঘিরে স্থানীয় দুইগ্রæপের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে। এনিয়ে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    এ নিয়ে উত্তেজিত এলাকার শত শত নারী-পুরুষ, স্কুল ম্যানেজিং কমিটি ও অভিভাবক সদস্যরা রবিবার সকালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। ঘটনাটি জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রমজানকাঠী এলাকার। সকাল দশটা থেকে সাড়ে এগারোটার পর্যন্ত স্কুল প্রাঙ্গণে মানববন্ধন চলাকালীন সময় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিয়াউদ্দিন মনিরের সভাপতিত্বে বক্তারা বলেন, ১৯৪৩ সালে ১নং রমজানকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপিত হয়। ৩০ বছর পূর্বে ১৯৯৪ সালে স্কুলর ভবন পূনঃনির্মান করা হয়েছে। শুরু থেকে অদ্যবর্ধি স্কুলটি সুনামের সাথে পরিচালিত হচ্ছে।

    বক্তারা আরও বলেন, সম্প্রতি সময়ে স্কুলের নতুন ভবন বরাদ্দ করা হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মের্সাস মালাসি এন্টারপ্রাইজের সত্ত¡াধীকারী আশিকুর রহমান শাওন ভবন নির্মান কাজের দায়িপ্ত পান। পরবর্তীতে উপজেলা প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে ঠিকাদার ভবন নির্মানের কাজ শুরু করেন।

    ঠিকাদার আশিকুর রহমান শাওন অভিযোগ করে বলেন, ভবন নির্মানের কাজ শুরুর ১৫দিন পর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম তার (ঠিকাদার) কাছে তিন লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার দাবিকৃত টাকা না দিলে স্কুলের ভবন নির্মান করতে দিবেন না বলেও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ঘুষের টাকা না পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক সহকারি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম নানা অজুহাতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে উপজেলা প্রকৌশলীকে দিয়ে ভবন নির্মানের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার জন্য পত্র প্রেরণ করান।

    স্থানীয় শিক্ষানুরাগী সৈয়দ আবুল কালাম বলেন, সু-চতুর উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ঘুষের টাকা না পেয়ে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করে তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। যেকারণে ৮১ বছরের স্কুল ভবনটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বের উজিরপুর সীমান্তে নির্মানের জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে বরিশাল জজ কোর্টের সরনাপন্ন হওয়ার পর বর্তমান স্থানেই স্কুল ভবন নির্মানের রায় ঘোষণা করা হয়। এ রায়ের পর ক্ষিপ্ত হয়ে উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম নতুন করে ৮১ বছরের স্কুলটি অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। পরবর্তীতে এলাকাবাসি হাইকোর্টের মাধ্যমে স্কুল অন্যত্র সরিয়ে না নেওয়ার জন্য স্থগিতাদেশ জারি করেন।

    শিক্ষানুরাগী সৈয়দ আবুল কালাম অভিযোগ করে বলেন, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে অতিসম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ভবনটি অন্যত্র নির্মানের জন্য চিঠি প্রেরণ করেন। এ ঘটনার পর এলাকাবাসির মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। ফলশ্রæতিতে বর্তমান স্থানেই নতুন ভবন নির্মানের দাবিসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শত শত গ্রামবাসি একত্রিত হয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।

    এরপূর্বে ঠিকাদারের কাছে ঘুষ দাবির অভিযোগে ঠিকাদার উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন। ওই অভিযোগের তদন্ত করে অভিযুক্ত সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ ভবন নির্মানের কাজ শুরু করার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। যার অনুলিপি জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া হয়েছে।

    রমজাকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিয়াউদ্দিন মনির বলেন, ঠিকাদারের লিখিত অভিযোগ ও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার পরেও স্কুলটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চিঠি প্রেরণ করেছেন। এ অবস্থায় প্রাথমিকভাবে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে। প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    অভিযুক্ত উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম ঘুষ দাবির অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, সরকারি নিয়মের বাহিরে গিয়ে ভবন নির্মান না করতে ঠিকাদারকে নিষেধ করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে কি হয়েছে তা উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।

    সরেজমিনে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজসে রমজানকাঠী গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানের ৮১ বছরের পুরনো এ স্কুল ভবনটি গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার পক্ষে ও বিপক্ষে দুইগ্রæপ অবস্থান করায় ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে। এনিয়ে যেকোন সময় দুই গ্রæপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন সচেতন এলাকাবাসী।

  • পুলিশিং সেবাকে স্মার্ট করতে অতিরিক্ত ডিআইজি পংকজ চন্দ্র রায় পিপিএম মহোদয়ের কুড়িগ্রাম পুলিশ অফিস পরিদর্শন

    পুলিশিং সেবাকে স্মার্ট করতে অতিরিক্ত ডিআইজি পংকজ চন্দ্র রায় পিপিএম মহোদয়ের কুড়িগ্রাম পুলিশ অফিস পরিদর্শন

    এম এস সাগর, কুড়িগ্রাম:

    বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনের প্রত্যয়ে বহুমাত্রিক পন্থায় সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। যে-কোন টেকসই উন্নয়নের প্রধানতম পূর্বশর্ত টেকসই নিরাপত্তা, যাহা নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে নিরন্তন নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে পুলিশ।

    এরই ধারাবহিকতায় ২১এপ্রিল ২০২৪খ্রিঃ কুড়িগ্রাম পুলিশ অফিস এর ১ম অর্ধ-বার্ষিক হিসাব পরিদর্শন করেন রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্) পংকজ চন্দ্র রায়, পিপিএম মহোদয়। পরিদর্শন-কালে তিনি কুড়িগ্রাম পুলিশ অফিসের সার্বিক কার্যক্রম, হিসাব ও বাজেট সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র, ফাইল ও নথিসমূহের পুঙ্খানুপুঙ্খু পর্যবেক্ষণ, পাশাপাশি পুলিশের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে অধিকতর গতিশীলতা আনয়নের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এ সময় অতিরিক্ত ডিআইজি মহোদয়ের সাথে সার্বক্ষণিক উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) [পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত] মোঃ রুহুল আমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ও কুড়িগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম ওহিদুন্নবী।

    পরিদর্শনান্তে পুলিশ সুপার মহোদয় অতিরিক্ত ডিআইজি মহোদয়ের প্রদত্ত সকল পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা যথাযথ অনুসরণ ও প্রতিপালনের জন্য প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। টেকসই নিরাপত্তা ও উন্নয়নের নির্মোহ সারথী কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ।

  • কেন্দুয়ায় বিনামূল্যে ডিম পেল এতিম শিশু-শিক্ষার্থীরা

    কেন্দুয়ায় বিনামূল্যে ডিম পেল এতিম শিশু-শিক্ষার্থীরা

    মো: হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া( নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
    ‘প্রাণি সম্পদে ভরবো দেশ,গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’
    এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ-২০২৪ আওতায় ২৫০ জন এতিম শিশু-শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ডিম খাওয়ানো হয়েছে।

    রোববার দুপুরে কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের সরাপাড়া ও কেন্দুয়া পৌরসভার ওয়াশেরপুর এতিমখানা মাদ্রাসার ২৫০জন
    শিশু-শিক্ষার্থীদের ডিম খাওয়ানো হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি রাজিব হোসেন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভাস্কর চন্দ্র তালুকদার ও উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা ইউনুস রহমান প্রমুখ সহ মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বৃন্দু।

    মো: হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া নেত্রকোনা থেকে।।

  • নলছিটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে ৩জন ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    নলছিটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে ৩জন ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    আসন্ন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন রোববার (২১ এপ্রিল) পর্যন্ত মোট ১৪ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দ্বীতিয় ধাপের এ নির্বাচনে আগামী ২১ মে উপজেলার ভোটারগন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

    চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন রয়েছেন। উপজেলা নির্বাচন ও সহকারি রিটানিং অফিসার মো. মেজবা উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    উপজেলা নির্বাচন অফিসসূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নলছিটি পৌরসভার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা তছলিম উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিকে মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন খান সেলিম। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মফিজুর রহমান শাহিন, ঝালকাঠি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য জেএম. হাতেম, মো. মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শরীফ মিজানুর রহমান লালন , মো. বদরুল আলম ও উপজেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি মো.হানিফ হাওলাদার। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছন-উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোর্শেদা বেগম, জাকিয়া খাতুন সিমা, দিলরুবা মাহমুদ, মোসা. নাছিমা আক্তার ও দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য আয়েশা আক্তার ।

    এদের মধ্যে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী দিলরুবা মাহমুদ ছাড়া অন্য সবাই আওয়ামী লীগ দলীয় নেতা-কর্মী। তবে বিএনপি, জামায়াত বা অন্য কোনো দলের কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

  • স্বপ্নময় সুন্দরগঞ্জ গড়তে ওসি মাহবুবের নানাবিধ প্রচেষ্টা

    স্বপ্নময় সুন্দরগঞ্জ গড়তে ওসি মাহবুবের নানাবিধ প্রচেষ্টা

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলম স্বপ্ন ও সম্ভাবনাময় সুন্দরগঞ্জ গড়ে তোলার মানসে নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

    খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থানা হতে বদলি হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় নতুন কর্মস্থল হিসেবে যোগদান করেন তিনি। এসেই অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে তিনি ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। এতে রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন মহলে বেশ ভূয়সী প্রশংসার পাত্র বনে যান ওসি মাহবুব। সে ত ছিল মাত্র শুরু। তিনি আসা মাত্র মাসখানেকের ব্যবধানেই থানার অবকাঠামোগত পরিবর্তনসহ প্রত্যেকটি বিষয়ে আমূল-পরিবর্তন ঘটে। পাল্টে যায় থানার ভিতর-বাহিরের অবয়ব ও আকার-আকৃতি। ওসি মাহবুব আলম বেশ সৌখিন ও রুচিশীল, মননশীল, সুন্দর এবং উদার মনের মানুষ। তিনি তাঁর চারপাশে মোটামুটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি রাখতে ও থাকতে খুব ভালবাসেন। পাশাপাশি অতিথি পরায়ণতায়ও তাঁর কোন জুরি নাই। তিনি নিজ উদ্যোগে নিজ অর্থায়নে করেছেন অনেক জনহিতকর কার্যাবলী। সেই সাথে তার কারণে প্রশাসনের চেইন অফ কমান্ড ফিরে পায় তার কাজের প্রকৃত গতি। শুরু হয় সুন্দরগঞ্জের অলিগলিতে ঘাপটি মেরে থাকা কীট পতঙ্গের মত অপরাধীদের পতন লীলা। তিনি পুলিশ সুপার মোঃ কামাল হোসেনের দিকনির্দেশনা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন উপজেলার আনাচেকানাচে থাকা, মাদক কারবারি, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবি, গাঁজা ও মাদক চোরাচালান, বিভিন্ন ভাবে খেলা জুয়াচুরি, জুয়ারি, বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি, ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি, নিয়মিত মামলার আসামি, ছিনতাইকারী, কালোবাজারি, রাস্তাঘাটে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অপরাধীসহ যে কোন রাষ্ট্র বা আইনবিরোধী কাজে লিপ্তকারীদের যেন যমদূত হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন। বিশেষ করে তিনি উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের মরণব্যাধি মদ, গাঁজা ও জুয়া থেকে বিরত রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়া শিক্ষানুরাগি ও জনবান্ধব এই থানা অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম স্কুল, কলেজেসহ যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে বা পিছনে, রাস্তাঘাটে কোন প্রকার বখাটে ছেলে দেখলেই গ্রেফতার করেন। যাতে করে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন। অপরদিকে তিনি স্থানীয় পার্কগুলোতে কোন প্রকার ছেলেমেয়েদের অবৈধ ভাবে ঘোরাফেরা ও আড্ডা দিতে নিষেধ করে নির্দেশনা দিয়েছেন। এরইমধ্যে এই দূর্দশী দক্ষ, বিজ্ঞ-বিচক্ষণ পুলিশ অফিসার তাঁর কর্মদক্ষতার ফলস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পুলিশ পদক লাভ করেন স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট থেকে। অন্যদিকে তিনি যে কোনো সমস্যা নিয়ে জনসাধারণকে সরাসরি থানায় আসার জন্য বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করার চেষ্টা করছেন। সাধারণ মানুষকে যে কোন ধরনের হয়রানি করাকে তিনি কখনও বরদাস্ত করেন না। ইতোমধ্যে সুন্দরগঞ্জের জনমনে তাঁর বেশ সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে মনে করেন একজন ওসিকে এরকমই নিষ্ঠাবান, দায়িত্ববান, কর্মঠ ও আন্তরিক হতে হয়। তবেই সাধারণ জনগণ সুখে শান্তিতে বসবাস ও চলাফেরা করতে পারে। সবমিলে ওসি মোঃ মাহবুব আলম সুন্দরগঞ্জবাসীর মনে অনেকটাই আসন করে নিয়েছেন। তিনি গাঁজা, মাদক ও জুয়ারিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করায় অনেক অভিভাবক তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছেন। এজন্য বিভিন্ন মহল তাঁর নিকট দাবি ও প্রত্যাশা করেন তিনি আরও বেশি আন্তরিকতার সহিত দায়িত্ব পালন করার মধ্য দিয়ে সুন্দরগঞ্জবাসীর পাশে থাকবেন। জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলায় এই মানবিক পুলিশ অফিসারের গ্রামের বাড়ি বলে জানা গেছে।

  • উপজেলা নির্বাচনে ঝালকাঠি সদর ১০জন ও নলছিটিতে ১৪জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা

    উপজেলা নির্বাচনে ঝালকাঠি সদর ১০জন ও নলছিটিতে ১৪জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি :

    আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ১০ জন ও নলছিটিত উপজেলায় ১৪জন দ্বিতীয় ধাপের সাধারণ নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ২৪ জন প্রার্থী সরকারি নিয়মানুযায়ী অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    এ বিষয় ঝালকাঠি জেলা নির্বাচন কমিশন অফিস সূত্রে জানাযায়, ২১ এপ্রিল রবিবার নির্বাচন কমিশন ঘোষিত মনোনয়নপত্র জমা দানের শেষ দিন ছিলো। এর মধ্যে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী অনলাইনে মনোনায়ন পত্র দাখিল করেন তারা হলেন মোঃ সুলতান হোসেন খান, সৈয়দ রাজ্জাক আলী, ,মোঃ নুরুল আমিন খান, মোঃ খান আরিফুর রহমান। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন লস্কর আসিফুর রহমান দিপু, মোঃ মহিন উদ্দিন তালুকদার ও মোঃ সাইদুর রহমান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন তারা হলো ইসরাত জাহান সোনালী ,সিমু আক্তার নদী ও মিসেস উম্মে সালমা।

    অপরদিকে নলছিটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন, তারা হলো জিকে মোস্তাফিজুর রহমান , তসলিম উদ্দিন চৌধুরী ও সালাহ উদ্দিন খান সেলিম। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন তারা হলো জে এস হাতেম ,বদরুল আলম ,মনিরুজ্জামান মনির ,মফিজুর রহমান শাহীন,হানিফ হাওলাদার ও শরিফ মিজানুর রহমান লালন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন তারা হলো আয়শা আক্তার, জাকিয়া খাতুন সিমা ,দিলরুবা মাহমুদ, মোর্শেদা বেগম ও মোসাঃ নাছিমা আক্তার ।

    আগামী ২৩শে এপ্রিল মঙ্গলবার মনোনয়ন পত্র বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহার আগামী ৩০ এপ্রিল মঙ্গলবার এবং আগামী ২রা এপ্রিল বৃহস্পতিবার প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্ধ শেষে আগামী ২১মে মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • নড়াইলে চিত্রশিল্পীদের হাতে চিত্রকর্মের সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান

    নড়াইলে চিত্রশিল্পীদের হাতে চিত্রকর্মের সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে চিত্রশিল্পীদের হাতে চিত্রকর্মের জন্য সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান। নড়াইলের কুড়িরডোপ মাঠে বিশ্ব বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৯৯তম জন্মজয়ন্তী-২০২৩ উপলক্ষে ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান করেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ, মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা বিভাগ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক, নড়াইল। পুলিশ সুপার আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে জেলা প্রশাসন ও এসএম সুলতান ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাছিমদিয়ায় ৩৬ জন চিত্রশিল্পীদের চিত্রকর্ম নিয়ে আয়োজিত আর্ট ক্যাম্পে যোগদান করেন। সেখানে অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। পরবর্তীতে ৩৬ জন চিত্রশিল্পীর হাতে তাদের চিত্রকর্মের জন্য সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন। পরিশেষে পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র হাতে স্মৃতি স্মারক হিসেবে উপস্থিত চিত্রশিল্পীদের একটি চিত্রকর্ম তুলে দেন।
    এ সময় জুলিয়া সুকায়না, উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার; শাশ্বতী শীল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক); বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইলে পৃথক অভিযানে একাধিক মামলায় দুইজন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

    নড়াইলে পৃথক অভিযানে একাধিক মামলায় দুইজন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দুইজন গ্রেফতার।
    সকালে তিনটি মাদক মামলায় যথাক্রমে দুইবছর, একবছর ও একবছর ৬ মাস করে মোট চার বছর ৬ মাস কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ রুবেল সরদারকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ রুবেল সরদার নড়াইল জেলার সদর থানাধীন চাচড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত ওহাব সরদারের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) রকিব হোসেন ও এএসআই (নিঃ) মাগফুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি হতে তাকে গ্রেফতার করে। ধৃত আসামি মোঃ রুবেল সরদারের নামে নড়াইল সদর থানায় আরো তিনটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।
    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (১৯ এপ্রিল) অপরদিকে একটি অভিযানে এসআই (নিঃ) শফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মনিরুজ্জামান মনির নামের একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামি মনিরুজ্জামান মনির নড়াইল সদর থানার কোমখালি গ্রামের মোতাহের মোল্লার ছেলে। আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র সার্বিক দিকনির্দেশনায় ওয়ারেন্ট তামিলে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

  • সুজানগরে তীব্র দাবদাহে অগভীর নলকূপে উঠছে না পানি, জনদুর্ভোগ চরমে

    সুজানগরে তীব্র দাবদাহে অগভীর নলকূপে উঠছে না পানি, জনদুর্ভোগ চরমে

    এম এ আলিম রিপন, সুজানগর (পাবনা) ঃ তীব্র দাবদাহে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় সুজানগর উপজেলার বেশিরভাগ নলকূপ দিয়ে উঠছে না পানি । কোথাও কোথাও গভীর নলকূপেও পাওয়া যাচ্ছেনা প্রয়োজনীয় পানি। অবস্থা প্রকট হওয়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা। পরিবেশগত নানা কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। সুজানগর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য মতে, পৌরসভা সহ উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে প্রায় ৭০ হাজার হস্তচালিত অগভীর নলকূপ রয়েছে। উপজেলায় সাধারণত পানির স্তর গড়ে ৪০ থেকে ৭০ ফুট গভীরে। বেশিরভাগ এলাকায় এ স্তর পৌঁছালেই পানি পাওয়ার কথা। কিন্তু উপজেলার বেশিরভাগ এলাকায় অস্বাভাবিকভাবে নীচে নেমে গেছে পানির স্তর। প্রতি বছর তীব্র তাদাবদাহে মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত এ অবস্থা আরোও প্রকট আকার ধারণ করে। বেশিরভাগ এলাকায় অগভীর নলকূপে পানি উঠা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি বর্তমানে ১০০ থেকে ১৩০ ফুট গভীরেও পানি পাওয়া যাচ্ছেনা বলে জানান ভুক্তভোগীরা। বিশেষ করে সুজানগর পৌর শহর ও প্রত্যন্ত গ্রাম অ লে পানি সংকট চরমে পৌঁছেছে। সুপেয় পানির সংকট দেখা দেওয়ায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাদের (সাবমার্সিবল পাম্প) কেনার মত সামর্থ নেই এমন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষদের। পৌরসভার ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা শ্রী চন্দন সরকার বলেন,টিউবওয়েলের হ্যান্ডেল চাপতে চাপতে ঘাম ঝড়ে যায় তবু পানি উঠেনা। প্রতিবেশীদের নলকূপ(সাবমার্সিবল পাম্প) থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে খাবার পানি আনতে হয়। পানির অভাবে ঠিকমতো গোসল সহ অন্যান্য কাজ-কর্ম করতে না পারায় আমরা বেশ দুর্দশার মধ্য আছি । অঞ্জলী রাণী নামে অপরএক আদিবাসী নারী বলেন, শুনেছি সরকার থেকে বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র মানুষদের পানির চাহিদা পূরণের জন্য বিনামূল্যে সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন করে দেওয়া হয়। আমাদের এলাকায় সরকারিভাবে অথবা উপজেলা পরিষদ থেকে একটি সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হলে স্থানীয় আদিবাসী পল্লীর ৫০টির অধিক পরিবারসহ এ এলাকার শত শত দরিদ্র পরিবার উপকার পেত। উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নের চর খলিলপুর গ্রামের বাসিন্দা সালমা খাতুন বলেন, টিউবওয়েল তো দূরের কথা,এখন বিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্পেও পানি পাওয়া কষ্টকর। গরম শুরুর পর থেকেই হস্তচালিত নলকূপে আগের মতো পানি উঠছে না । রাতে অথবা ভোরে সামান্য পানি ওঠে। প্রবীণ সাংবাদিক ও সাপ্তাহিক পল্লীগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক আব্দুস শুকুর বলেন, কাঠফাটা রোদে মাঠ,ঘাট,পথ,খাল,বিল ও প্রান্তর ফেটে চৌচির। বৃষ্টির অভাবে ফসলি ক্ষেতও ক্ষতির সম্মুখীন। পুকুর ও জলাশয় শুকিয়ে যাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। এতে খরতাপে হাঁপিয়ে উঠেছে মানুষ ও প্রাণীকূল। রওশন ট্রেডার্স এর কর্ণধার আব্দুস সোবাহান জানান, চৈত্র মাসের তীব্র দাবদাহে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় সাবমার্সিবল পাম্পের চাহিদা বেড়েছে। আগে যেখানে মাসে ২-৩ টি পাম্প বিক্রয় হত, সেখানে এখন সাপ্তাহে ১০-১৫ টি সাবমার্সিবল পাম্প বিক্রয় হচ্ছে। সুজানগর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম জানান, বৃষ্টিপাত হলে পানির এ সংকট থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • কালীগঞ্জে ৪০০বোতল ফেনসিডিল, ৪টি  হুইসকিসহ স্বরসতি রাণী,গ্রেফতার

    কালীগঞ্জে ৪০০বোতল ফেনসিডিল, ৪টি  হুইসকিসহ স্বরসতি রাণী,গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।। 

    কালীগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল ও ৪ বোতল ভারতীয় হুইসকিসহ গ্রেফতার এক জন। গত(১৯শে এপ্রিল) ২০২৪ইং শুক্রবার লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এর দিক নির্দেশনায় কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ কবির, এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাসুদ রানা’র নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ৬নং গোড়ল ইউনিয়নের ঘোঙ্গাগাছ মৌজায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামী পবিএ কুমার রায়(৩৬)এর বসতবাড়ীর উত্তর ভিটার দক্ষিণ দুয়ারী চৌচালা টিনের শয়ন ঘরের ভিতর হতে বাশের তৈরী ডুলির ভিতর হইতে ৪০০ বোতল মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল এবং ডুলির পাশে সবুজ রংয়ের প্লাস্টিকের চাউলের ড্রামের ভিতর হতে ৪টি ভারতীয় তৈরি হুসকিসহ এক জনকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন পলাতক আসামী পবিত্র কুমারের স্ত্রী স্বরসতি রাণী (৩৩),সাং- ঘোঙ্গাগাছ,থানা- কালীগঞ্জ, জেলা- লালমনিরহাট। ঘটনার সাথে জড়িত ধৃত ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ২০১৮ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয় এবং বিধি মোতাবেক ধৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ কবির, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬নং গোড়ল ইউনিয়নের ঘোঙ্গাগাছ মৌজা হতে পবিএ কুমার রায়(৩৬)এর বসতবাড়ীর উত্তর ভিটার টিনের শয়ন ঘরের ভিতর হতে  ৪০০ বোতল মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল এবং প্লাস্টিকের চাউলের ড্রামের ভিতর হতে ৪টি ভারতীয় তৈরি হুসকিসহ এক জনকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ।।