Author: desk

  • চট্টগ্রাম নগরীর সিএমপির ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে (১০) জন, জুয়াড়ি গ্রেফতার

    চট্টগ্রাম নগরীর সিএমপির ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে (১০) জন, জুয়াড়ি গ্রেফতার

    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    চট্টগ্রাম নগরীর সিএমপি”র ইপিজেড থানাধীন কাজীর গলিস্থ হারুন সওদাগরের বাড়ীর সামনে জাকিরের চায়ের দোকান হইতে ১০ জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করেছে ইপিজেড থানা পুলিশ।

    ইপিজেড থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মাদ হোসাইন”র নির্দেশনায় ওসি তদন্ত মোঃ জামাল এর সহযোগিতায়
    এসআই (নিঃ) বেলায়েত হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স সহ থানা এলাকায় মোবাইল-৫১ ডিউটি করাকালীন সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪/০৪/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ ২১.০৫ ঘটিকার সময় ইপিজেড থানাধীন কাজীর গলিস্থ হারুন সওদাগরের বাড়ীর সামনে জাকিরের চায়ের দোকান হইতে (১০) জন জুয়াড়ি কে আটক করা হয়েছে এবং এদের হেফাজত হইতে ১। ০৩(তিন) বান্ডেল AMERICAN GOLD তাস, ১০০/- টাকার নোট- ০৯টি=৯০০/- (নয়শত) টাকা, ৫০/- টাকার নোট-০৩টি= ১৫/- (একশত পঞ্চাশ) টাকা, ২০/- টাকার নোট -০৮টি=১৬০/-(একশত ষাট) টাকা, ১০/- টাকার নোট ০৫টি=৫০(পঞ্চাশ) টাকা সর্বমোট=১২৬০/-(একহাজার দুইশত ষাট) টাকা উদ্ধার পূর্বক স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে এসআই (নিঃ) মোঃ বেলায়েত হোসেন জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন।

    গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম ও ঠিকানাঃ- ১। মোঃ রমজান (৩৫), পিতা-মোঃ জহির মিয়া, মাতা-ফুলবানু, সাং-বরিগাতি ১নং ওয়ার্ড, থানা-তাড়াইল, জেলা-কিশোরগঞ্জ, বর্তমানে-কাজির গলি, লেয়াকত বিল্ডিং, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রাম, ২। মোঃ রাকিব (২১), পিতা-মৃত শাহাবুদ্দিন, মাতা-মৃত কুসুম, সাং-নায়েকপুর, ৭নং ওয়ার্ড, থানা-মদন, জেলা-নেত্রকোনা, বর্তমানে-কাজির গলি, সাইফুদ্দিন বিল্ডিং, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রাম, ৩। মোঃ মাসুম (২৩), পিতা-আব্দুল কাইয়ুম, মাতা-রাহিমা আক্তার, সাং-রামশিদ্ধ, ৫নং ওয়ার্ড, থানা-আটপাড়া, জেলা-নেত্রকোনা, বর্তমানে-চিত্রকর বিল্ডিং থানা-ইপিজেপ, জেলা-চট্টগ্রাম, ৪। মোঃ মুছা (২২), পিতা-মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মাতা-রুবি বেগম, সাং-হরিণা গাজীপুর, হাওলাদার বাড়ী, ০৯নং ওয়ার্ড, ৬নং শারিকতলা ইউপি, থানা ও জেলা-পিরোজপুর, বর্তমানে-কাজীর গলি, রায়হান জমিদারের ভাড়াটিয়া, ২য় তলা রুম নং-০১, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রাম, ০৫। মোঃ জাকির হোসেন (৩৮), পিতা-মৃত ফোজদার মিয়া, মাতা-মৃত শাহারা আক্তার, সাং-বাশুরিয়া দক্ষিণ পাড়া, ৭নং নায়েকপুর ইউপি, থানা-মদন, জেলা-নেত্রকোনা, বর্তমানে-কাজীর গলি, আঃ হাকিম বিল্ডিং নীচতলা, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রাম, ০৬। মোঃ ছাদেক মিয়া (৩২), পিতা-মৃত জসিম উদ্দিন, মাতা-জয়নব আক্তার, সাং-ঘরাডুবা মাস্টার বাড়ী, ৬নং ওয়ার্ড, ৪নং ঘরাডুবা ইউপি, থানা-কেন্দুয়া, জেলা-নেত্রকোনা, বর্তমানে-কাজির গলি, হারুন ইনচার্জ এর ভাড়াটিয়া, আলাল উদ্দিন বিল্ডিং; ৪থ তলা রুম নং-২৬, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রাম, ০৭। মোঃ নুর কতুব মিয়া (৩০), পিতা-মোঃ মোসলেম উদ্দিন, মাতা-জিন্নাতুন্নেছা, সাং-বারোভুড়ি, মেম্বার বাড়ী, ৩নং ওয়ার্ড, মদন ইউপি, থানা-মদন, জেলা-নেত্রকোনা, বর্তমানে-কাজির গলি, লেয়াকত বিল্ডিং নীচতলা, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রাম, ০৮। মনির হোসেন (২৮), পিতা-আব্দুস সালাম, মাতা-মনোয়ারা আক্তার, সাং-বিষ্ণপুর (উত্তর পাড়া), থানা-কেন্দুয়া, জেলা-নেত্রকোনা, বর্তমানে-কাজির গলি, নাছিমা বিল্ডিং, ৪র্থ তলা, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রাম, ০৯। মোঃ সোহেল (৩১), পিতা-মোঃ আবু সান, মাতা-মাজেদা খাতুন, সাং-চাঁদগাও, মোড়ল বাড়ী, থানা-মদন, জেলা-নেত্রকোনা, বর্তমানে-কাজির গলি, লিয়াকত বিল্ডিং ২য় তলা, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রাম, ১০। মোঃ সাগর মিয়া (২৭), পিতা-মতিউর রহমান, মাতা-মিনারা আক্তার, সাং-কমল আশ্রম (গনু মেম্বারের বাড়ী), থানা-আটপাড়া, জেলা-নেত্রকোনা, বর্তমানে-কাজির গলি, চার রাস্তার মোড়, আব্দুর হাকিমের বিল্ডিং, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রাম।
    গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে নন এফআইআর প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। আসামীদের পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

  • রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়  এপ্রিলে পানিতে ডুবে ১৬ জনের মৃত্যু

    রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এপ্রিলে পানিতে ডুবে ১৬ জনের মৃত্যু

    মোঃ হায়দার আলী, রাজশাহী থেকেঃ রাজশাহী অঞ্চলে চলতি এপ্রিল মাসের শুরু থেকে চলছে তাপপ্রবাহ। এই তাপপ্রবাহ কখনও মাঝারি আবার কখনও তীব্ররূপ ধারণ করছে। এই তাপদাহ থেকে রক্ষা পেতে গোসলে নামছে শিশু-কিশোররা। অসতর্কতায় যাচ্ছে প্রাণও। রাজশাহী অঞ্চলে চলতি মাসে পানিতে ডুবে প্রাণ গেছে ১৬ জনের। যার অধিকাংশ শিশু-কিশোর। সবশেষ মঙ্গলবার পানিতে ডুবে তিন কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। আর এ মাসে পদ্মা নদীতে ডুবে মারা গেছে ৯ জন।
    পদ্মা নদীর শ্যামপুর ঘাটে গোসল করতে নেমে মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল তিন কিশোর মারা গেছে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে তাদের লাশ উদ্ধার করে। তারা হলো- কাটাখালী বাখরাবাজ এলাকার রেন্টুর ছেলে যুবরাজ (১২), লিটনের ছেলে আরিফ (১৩) ও নুর ইসলামের ছেলে জামাল (১২)।

    শুক্রবার ১৯ এপ্রিল পদ্মা নদীর মুর্শিদপুর এলাকার খেয়াহাটের ডুবে মারা যায় উপজেলার খায়েরহাট গ্রামের সুজন আলীর ১০ বছরের ছেলে সিয়াম হোসেন সজিব (১০) শনিবার ২০ এপ্রিল বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীতে নৌকায় করে গোসল করতে গিয়ে মারা যান আসাদ হোসেন (১৮) নামে এক তরুণ।
    রোববার ২১ এপ্রিল পবায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামেন বাপ্পি হোসেন (১৬) ও মনির হোসেন (২০)। পরে ডুবে মারা যান তারাও।
    গোসল করতে নেমে আল আমিন (১২) নামের এক শিশু এবং পুকুরে সাঁতার শিখতে গিয়ে রানা মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

    ১৪ এপ্রিল রাজশাহীর বাঘায় বিয়ে বাড়িতে এসে পানিতে ডুবে মারা যায় জান্নাত খাতুন (৮)। তবে এখনও ঝিলিক খাতুন (১২) নামের আরেক শিশু নিখোঁজ রয়েছে। তাকে উদ্ধার করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।
    মঙ্গলবার ২ এপ্রিল দুপুরে ও বিকালে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রামনাথপুর এবং খয়েরবাড়ি গ্রামে পৃথক এ দুর্ঘটনা ঘটে। আল আমিন উপজলার মুলাডুলি ইউনিয়নের রামনাথপুর গ্রামের খায়রুল ইসলাম বাশারের ছেলে। আর ঈশ্বরদী শহরের পূর্বটেংরী ঈদগাহ পাড়া এলাকার কাশেম আলীর ছেলে রানা মিয়া এবং খয়েরবাড়ি গ্রামের ফোরকান শেখের জামাই।
    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক ঘটনায় নদীতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ৬ এপ্রিল দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলার তর্ত্তিপুরে এক ও ভোলাহাটের গোহালবাড়িতে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। মারা যাওয়ারা হলো- প্রিয়াঙ্কা (১১) শিবগঞ্জ উপজেলার রাণীহাটি ইউনিয়ন’র কামারপাড়ার রূপ কুমারের মেয়ে ও মো. আজিজুল হক (১১) ভোলাহাট উপজেলার গোহালবাড়ি ইউনিয়নের রাধানগর কলোনির সুবোধ মিস্ত্রির ছেলে এবং মো. জিহাদ (১১) আব্দুল কাদিরের ছেলে।
    রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা আবু সামা বলেন, রাজশাহীতে গত কয়েকদিন ধরে পানিতে ডুবে মৃত্যু ঘটনা বেড়েছে। আমারা ধারণা করছি, গরম থেকে পরিত্রাণ পেতে কিশোররা নদীতে গোসল করতে গিয়ে মারা যাচ্ছে।
    তিনি বলেন, যারা মারা যাচ্ছেন তাদের অনেকেই সাঁতার জানতেন না। আবার অনেকেই সাঁতার জানতেন। কিন্তু একজন ডুবে যাচ্ছে দেখে আরেকজন ধরতে গিয়ে দুজনই ডুবে মারা যাচ্ছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। শিশু-কিশোর যারা সাঁতার জানে না তারা যাতে নদীতে গোসলে না যায়, সেদিকে নজর দিতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এটি করা গেলে মৃত্যু অনেকটাই কমে আসবে। সাঁতার না জানার কারণে দেশে প্রতি বছরই বহু মানুষ মারা যায়। শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের সাঁতারও শেখাতে হবে। কোনো শিশু ডুবে মারা গেলে তার শিক্ষার কোনো দাম থাকবে না। জীবন বাঁচাতে তাই সাঁতার শেখাতে হবে। মানুষের মধ্যে আগ্রহ কম। অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • ঝালকাঠিতে মৎস্য কর্মকর্তার ৩ ঘন্টার অভিযানে ১ লক্ষ টাকার অবৈধ জাল জব্দ

    ঝালকাঠিতে মৎস্য কর্মকর্তার ৩ ঘন্টার অভিযানে ১ লক্ষ টাকার অবৈধ জাল জব্দ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি :

    ঝালকাঠি সুগন্ধা নদীর চরে বৃহস্পতিবার ২৫ শে এপ্রিল সকাল ৫:৩০টা থেকে ৮:৩০ টা পর্যন্ত অবৈধ ৫০০মিটার চরগেরা ১০ টি জাল জব্দ করেছে ঝালকাঠি মৎস্য বিভাগ।
    অভিযান পরিচালনা করেন ঝালকাঠি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়েদা ও উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃজিয়া উদ্দিন।

    এবিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজকের অভিযানে ১০টি চরগেরা জাল জব্দ করা হয় যার বাজার মূল্য ১ লক্ষ টাকা । অভিযানের খবর পেয়ে জেলেরা পালিয়ে গিয়েছে তাই তাদের আটক করা যায় নি।
    অবৈধ চরগেরায় মাছের রেনু বিভিন্ন প্রজাতির মাছের ডিম ও মা মাছের মৃত্যু হয় ।
    এসব অবৈধ জাল জেলেরা যাহাতে ব‍্যবহার করে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের যেন ধ্বংস করতে না পারে তার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    জব্দকৃত অবৈধ জাল প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

  • জয়পুরহাটে ১৬ টি স্বর্ণের বারসহ এক চোরাকারবারি আটক

    জয়পুরহাটে ১৬ টি স্বর্ণের বারসহ এক চোরাকারবারি আটক

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবির পশ্চিম উচনা সীমান্ত থেকে ১৬ টি স্বর্ণের বারসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। যাকে ‘সোনা চোরাকারবারি’ বলছে বিজিবি।

    গত বুধবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে আটকের পর রাতে পাঁচবিবি থানায় মামলা করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তানজিলুর রহমান ভূঁইয়া।

    আটক মিনহাজুল ইসলাম পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম উচনা গ্রামের বাসিন্দা।

    বিজিবি অধিনায়ক তানজিলুর জানান, উচনা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাকারবারিরা ভারতে স্বর্ণ পাচার করছে- এমন গোপন সংবাদে বিজিবি সদস্যরা সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় স্বর্ণের বারগুলিসহ সোনা চোরাকারবারি মিনহাজুল ইসলামকে আটক করা হয়।

    জব্দ করা সোনার ওজন ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম, যার বর্তমান বাজার মূল্য ১ কোটি ৯০ লাখ ৩৮ হাজার ৮২৫ টাকা বলেও জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।

    জয়পুরহাট-২০ বিজিবি’র আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতে সোনা পাচারকালে এ নিয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত পাঁচ বার প্রায় সাত কোটি টাকা মূল্যের ছয় কেজি ৬৪৮.৪০ গ্রাম সোনাসহ মোট ৯ পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে।

    এর মধ্যে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ১ কোটি ১০ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৯ টাকার ১ কেজি ১৬৬.৪০ গ্রাম সোনাসহ তিন জন, ৫ মার্চ ১ কোটি ১০ লাখ টাকার ১ কেজি ৫০ গ্রাম সোনাসহ একজন, ৮ মার্চ ৪৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার ৪৫০ গ্রাম সোনাসহ একজনকে ও গত ২৯ মার্চ ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ২০০ ভরি ওজনের ২০টি স্বর্ণের বারসহ দু’জন সোনা পাচারকারীকে আটক করে জয়পুরহাট-২০ বিজিবি সদস্যরা।

    নিরেন দাস,জয়পুরহাট।।

  • বৃষ্টির প্রত্যাশায় ইস্তিসকার নামাজ আদায়

    বৃষ্টির প্রত্যাশায় ইস্তিসকার নামাজ আদায়

    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    বরগুনার বেতাগীতে তীব্র দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে এবং বৃষ্টির প্রত্যাশায় ইস্তিসকার (সালাতুল ইসতিসকার) নামাজ আদায় করা হয়েছে। নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এসময় সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেদের পাপের জন্য অনুতপ্ত ও ক্ষমা চেয়ে অঝোরে কেঁদেছেন ইমাম ও মুসল্লিরা।
    বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭.৩০ মিনিটে বেতাগী পৌরশহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ মাঠে খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায় করেন স্থানীয়রা। এতে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ধর্মীয় নেতা, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, কৃষক ও দিনমজুর সহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন। আল্লাহর শরণাপন্ন হলে তিনি বিপদ-আপদ, দুঃখকষ্ট, বালা-মুসিবত অবশ্যই দূর করে দেন। দুনিয়ায় আল্লাহর অজস্্র কুদরত ও নিদর্শনের মধ্যে বৃষ্টি এক বিশেষ নিদর্শন। বৃষ্টি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। বৃষ্টি আল্লাহর খাস রহমতের নিদর্শন। তাই বৃষ্টির আশায় ইস্তিসকার নামাজ অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান আয়োজকরা। নামাজে ইমামতি ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বরগুনার গুদীকাটা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হযরত মাওলানা মো: ইয়াকুব। এময় বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ফারুক আহমদ,বেতাগী ছালেহিয়া আলীম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মোতালেব, বেতাগী মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মো: আতিকুর রহমান, বেতাগী উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের ইমাম খতিব মাওলানা প্রভাষক আ: হাই নেছারি, বেতাগী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা জিয়াউল হক, সুশাসনের জন্য নাগরিক বেতাগী উপজেলা কমিটির সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু, বেতাগী নাগরিক ফোরামের সভাপতি লায়ন শামীম সিকদার ও বেতাগী জণকল্যান সংগঠনের সভাপতি শাহাদাত হোসেন মুন্না সহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করেন।

  • গোদাগাড়ীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার সময় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে রাজশাহী জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাঃ নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকু্ল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ জয়নাল আবেদিন। হরিণবিস্কা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য প্রধান করেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জয়নাল আবেদিন, জেলা শিক্ষা অফিসের প কর্মকতা একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুর রহমান, চয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি এম,এন রিদওয়ান ফিরদৌস, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হায়দার আলী, প্রধান শিক্ষক মোঃ মজিবুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মাহাফুজুল আলম প্রমূখ। রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোকাম্মেল হোসেনের কুরাআন পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।

    উপস্থিত ছিলেন, বিশ্বনাথপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শফিকুল ইসলাম, গোগ্রাম আর্দশ বহুমুখী বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম, চরআষাড়িয়াদহ কাঁনাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আসগর আলী, সুলতানগজ্ঞ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম, গুনিগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, মাদ্রাসার সুপার মাহাবুব আলমসহ মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজের প্রধানগণ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে, আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রকৃত শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ভাবতে শিখায়, শিক্ষক, শিক্ষার্থী বান্ধব কী না সেটা ভাবতে হবে। শিখাতে গেলে নিজকে শিখতে হবে। শিক্ষকদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতেই হবে। ইমেজ ডাউন হলে আর ইমেজ ফিরে আসে না। আপনারা ভাল শিক্ষক আপনাদের আরও ভাল শিক্ষক হতে হবে। শিক্ষকদের স্মাার্ট হতে হবে। আন্তরিকতার সাথে পাঠদান করা হবে। যে শিক্ষক কর্মে ফাঁকি দিবে তাকে আমরা সহযোগিতা করবো না। আপনাদের অনেককে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, আপনারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন, কোন ব্যতিক্রম হলে পচ্ছন্দের প্রার্থী পক্ষে সিল মারলে, আমরা আপনার বিরুদ্ধে লিখবো, আপনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি কোন বিপদে পড়েন তবে আমরা আপনাদেরকে সাহায্য করবো।

    এদিকে প্রেমতলী জসিমুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক, পাকড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান অনুউপস্থিত থেকে নিয়ম ভঙ্গ করে প্রতিনিধি হিসেবে সহকারি শিক্ষকদের পাঠানোর কারণে তাদেরকে অনুষ্ঠানে উপস্থিতির অনুমতি দেয়া হয় নি।

    জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাঃ নাসির উদ্দীন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদন তাদের বক্তব্যে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের eims, mpoসহ কোন ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড, কোন কম্পিউটারের দোকানে, অন্য কোন কাউকে দিবেন না। জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট একজন কম্পিউটার দোকানের মালিক শিক্ষকদের ফাইলের খোঁজখবর নিতে যায়। তার নিকট ৫/৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাসওয়ার্ড ছিল এটা কোনভাবে কাম্য নয়। এধরনের কাজ থেকে বিরত থাকবেন। দোকানদারের নিকট কাজ করার যদি প্রমান হয় তবে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    সহকারি শিক্ষক, কর্মচারি ছুটি ভোগ করার পূর্বে সহকারী প্রধানের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের নিকট ছুটির আবেদন দিতে হবে। (জরুরী ছুটির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে) সহকারি প্রধান শিক্ষক শিক্ষক গ্যাপ রুটিন তৈরী করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের স্বাক্ষর নিতে হবে। পাশ্ববর্তী ক্লাসের অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। হাজিরা খাতায় ছিটির আবেদন গেঁথে রাখতে হবে। ছুটি রেজিস্টার, ট্রেনিং রেজিস্টার, গ্যাপ রুটিংসহ বিভিন্ন রেজিস্টার আপডেট থাকতে হবে। শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন ওয়েবসাইড, ই-মেল ঠিকানা ভিজিট করতে হবে। প্রেরিত পত্রের উত্তর সঠিক সময়ে দিতে হবে। শীতকালীন, গ্রীস্মকালীন লেখাধুলা, স্কাউট, গার্লসগাইড ফি, সঠিকসময়ে প্রদান, কার্যক্রম চালু রাখতে হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী,

  • উজিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫ জন গ্রেফতার

    উজিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫ জন গ্রেফতার

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, মাদক কারবারি সহ ৫ জন গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সুত্রে যানা যায়, ২৪ এপ্রিল বুধবার গভীর রাতে উজিরপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ তৌহিদুজ্জামান সোহাগের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযানে থানার বিভিন্ন স্থান থেকে ১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী, গাড়ি পোড়ানোর মামলার ২ জন, ও ২ মাদক কারবারি সহ মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আটককৃতরা হলেন ১ বছরের সাজা প্রাপ্ত ও জিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, গাড়ি পোড়ানোর মামলার আসামি ও একাধিক ওয়ারেন্ট ভুক্ত ছাত্রদল নেতা বামরাইল ইউনিয়ন এর কালিহাতা গ্রামের মোঃ শাহজাহান খান এর পুত্র মোঃ তুহিন খান, সিআর মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি বড়াকোঠা ইউনিয়নের বারেক বেপারীর পুত্র কাওছার, এছাড়া মাদকদ্রব্য ২০ গ্রাম গাঁজা সহ বামরাইল ইউনিয়ন এর কালিহাতা গ্রামের মমতাজ মিয়ার পুত্র হাবিবুর রহমান ভুলু,ও আলাউদ্দিন ফকিরের পুত্র আসলাম ফকিরকে আটক করা হয়।

    উজিরপুর মডেল থানার ওসি মোঃ জাফর আহমেদ জানান, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (উজিরপুর সার্কেল) মাজাহারুল ইসলাম এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও ওসি তদন্ত মোঃ তৌহিদুজ্জামান সোহাগ এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযানে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২৫ এপ্রিল গ্রেফতার কৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে। অপরাধ দমনে এই ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সুন্দরগঞ্জে চোরসহ ২টি ব্যাটারিচালিত মিশুক অটোভ্যান উদ্ধার

    সুন্দরগঞ্জে চোরসহ ২টি ব্যাটারিচালিত মিশুক অটোভ্যান উদ্ধার

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে এক চোরসহ ২টি ব্যাটারিচালিত মিশুক অটোভ্যান উদ্ধার করেছেন।

    থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম দুলাল(মণ্ডল পাড়া) গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মশিউর রহমান(১৭) বুধবার দিবাগত-রাত আনুমানিক সাড়ে নয়টার দিকে ব্যাটারী চালিত মিশুক অটোসহ শ্রীপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত ধর্মপুর বাজারে অবস্থান করেম। এসময় একই গ্রামের মৃত আমির হোসেনের ছেলে মিশুক চোর রবিউল ইসলাম (২০) ধর্মপুর হতে মাঠেরহাট পর্যন্ত ভাড়ায় যাওয়ার কথা বললে চালক মশিউর তাকে নিয়ে ধর্মপুর বাজার হতে মাঠেরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। একই সময় চোর রবিউলের দোসরেরাও মোটর সাইকেলযোগে অনুসরণ করতে করতে পিছু নেয়। পথিমধ্যে ওই ইউনিয়নের অন্তর্গত মাঠের হাট বাজারের আনুমানিক ১০০ গজ উত্তর পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর পৌঁছিলে চালক মিশুক অটোটি থামিয়ে প্রস্রাব করতে গেলে রবিউল অন্য আসামীদের যোগসাজসে কৌশলে মিশুক অটোটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এঘটনায় চালক মশিউর রহমানের বড় ভাই মিলন মিয়া বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করলে পুলিশ রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করে। পরে আসামি রবিউলের পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যের ভিত্তিতে ০২টি তিন চাকা বিশিষ্ট চার্জার অটো ভ্যান উদ্ধার করেন পুলিশ।

    এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলম প্রেস কনফারেন্স করে জানান, এই চক্রটি দীর্ঘদিন থেকে চুরিসহ বিভিন্ন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়ে আসছে, পুলিশের একটি চৌকস দল তাদের সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। বাকী আসামিদেরও শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা হবে।

  • তারাকান্দায় ব্যবসায়ীকে খুনের ঘটনায় ২৪ঘন্টায় আসামী গ্রেফতার করে প্রশংসায় ভাসছেন ওসি

    তারাকান্দায় ব্যবসায়ীকে খুনের ঘটনায় ২৪ঘন্টায় আসামী গ্রেফতার করে প্রশংসায় ভাসছেন ওসি

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ছেঁড়া টাকা না নেওয়ায় ছুরিকাঘাতে ইকবাল হোসেন (২০) নামে এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা এবং ব্যবসায়ী ইকবালের বাবা কে হত্যার উদ্যেশ্যে ছুরিকাঘাতেভ গুরুতর জখম করা মামলার এজাহারভুক্ত মুল আসামিসহ দুজন কে গ্রেফতার করেছে তারাকান্দা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরানহলেন ফারুক মন্ডল (২৫) এবং এনায়েত কবির মন্ডল (৪০)। গত ২৩শে এপ্রিল বানিহালা ইউনিয়নের মাঝিয়ালি বাজারে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটলে থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ওয়াজেদ আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন তারাকান্দা থানার ওসি ও তার টিম।

    সুত্র মতে জানা গেছে-তারাকান্দা উপজেলার মাঝিয়ালি বাজারে দোকানে কেনাবেচায় ব্যস্ত ছিলেন ইকবাল এবং তার বাবা বাচ্চু মিয়া। হঠাৎ একটা সিগারেট বা চকলেট কিনতে আসে মঞ্জু নামের আসামি। একটা ১০ টাকার নোট ছেড়া থাকায় উক্ত টাকা চেইঞ্জ করে দিতে বলেন দোকানদার ইকবাল। সাথে সাথে তর্ক শুরু করে মঞ্জু। মঞ্জু ডেকে আনে তার ঘনিষ্ট আসামি ফারুক ও পারভেজ কে। তিনজনে অতর্কিত ভাবে ছুরি, চাকু ইত্যাদি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপাতে থাকে ইকবাল কে। দোকানে থাকা ইকবালের পিতা ছেলেকে ফিরাতে গেলে খুনিরা তাকেও ছুরি দিয়ে ঘাই মেরে হত্যার চেষ্টা করে সে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    এই ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে ছুটে যান তারাকান্দা থানার ওসি ওয়াজেদ আলী এবং তার টিম। আসামি ধরার অভিযান শুরু করেন একই সাথে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ব্যবস্থা নেন। লাশের জানাযায় ওসি ওয়াজেদ আলী তার পরিবারকে কথা দেন ২৪ ঘন্টার মধ্যেই আসামী ধরবেন। অবশেষে তিনি তার কথা রেখেছেন এবং যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার মুল নায়ক এজাহারভুক্ত কুখ্যাত খুনি ফারুক (২৫) এবং এনায়েত কবির(৪০) কে সরাসরি ওসির নেতৃত্বে রাতের মধ্যই গ্রেফতার করেন । কথা দিয়ে রাতের মধ্যেই আসামী গ্রেফতার করায় এলাকার মানুষ তারাকান্দা থানা পুলিশ কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন । বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে সেজন্য থানা এলাকায় বিট মিটিং করাসহ জনগণ কে সচেতন করতে নিয়মিত মিটিং করা অব্যাহত রাখবেন বলে জানান ওসি ওয়াজেদ আলী । এই ঘটনায় তারাকান্দাবাসীর প্রশংসার ভাসছেন ওসি ওয়াজেদ আলী।

  • তারাকান্দায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশের ওপেন হাউস ডে

    তারাকান্দায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশের ওপেন হাউস ডে

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ‘দক্ষ পুলিশ,সমৃদ্ধ দেশ’ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানার আয়োজনে উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে চলতি মৌসুমে ধান কাটা নিয়ে সকল ধরণের অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধসহ যেকোন অপরাধ মোলক কর্মকাণ্ড থেকে দুরে থাকতে জনসাধারণকে সচেতন করার লক্ষে সর্বসাধারণের মতামত ও সমস্যা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জনসাধারণের অংশগ্রহণে কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বিকালে তারাকান্দার গালাগাও ইউনিয়নের চিনাপাড়া বাজারে আসন্ন ধান কাটা উপলক্ষে যাতে কোন মারামারি বা আইনশৃঙ্খলা অবনতি না ঘটে সে লক্ষে এই ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ওয়াজেদ আলী। এ সময় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে মতামত তুলে ধরেন জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, রাজনৈতিক ব্যক্তি, কমিউনিটি পুলিশিং নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

    তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ওয়াজেদ আলী এসময় তার বক্তব্যে মাদকবিরোধী, নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, চাঁদাবাজি, জঙ্গিবাদবিরোধী সমাজ গড়তে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সর্বসাধারণকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহবান জানান।

    তিনি বলেন, পুলিশ জনগণের শত্রু নয়, বন্ধু। পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে সঠিক সেবা গ্রহণ করুন।পুলিশ জনগণের সেবক হয়ে সবসময় পাশে থেকে কাজ করছে এবং করবে। মাদকের সঙ্গে কোনো আপোষ নেই। তিনি আসন্ন ধান কাটা উপলক্ষে যাতে কোন মারামারি বা আইনশৃঙ্খলা অবনতি না ঘটে তার জন্য ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান কে নিয়ে মিটিং করি। ছোটখাটো কিছু বিষয় জায়গাতে বসেই সমাধান করেন।