Author: desk

  • লক্ষ্মীপুরে  ছাত্রলীগ নেতা সজিব হত্যা মামলার আরো এক আসামী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

    লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতা সজিব হত্যা মামলার আরো এক আসামী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

    নাজিম উদ্দিন রানা:
    লক্ষ্মীপুরের ছাত্রলীগ নেতা এম সজিব হত্যা মামলার আরো এক আসামি (৫ নং) আনোয়ার হোসেন দুলাল ওরপে পাহাড়ি দুলালকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তার দেয়া তথ্যমতে হত্যাকান্ডে ব্যবহুত একটি দেশীয় তৈরি এলজি ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। মামলায় এ পর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তাজু ভূঁইয়াসহ মোট ৬জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফ্রিংয়ের আয়োজন করে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার তারেক বিন রশীদ। এর আগে খুলনার ডুমুরিয়া থানাধীন শরাপুর বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।গ্রেপ্তারকৃত দুলাল সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের মান্দারের দিঘির পাড়া এলাকার মৃত আবদুল আজিজের ছেলে।
    পুলিশ সুপার জানান,
    সে সজিব হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত ৫ নম্বর আসামি দুলাল ঘটনার পর আত্মগোপন করে। পরে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইদহ এবং খুলনা জেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করে।
    দুলালকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা সে স্বীকার করে। তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে সোমবার (২৯ এপ্রিল) ভোররাতে তার বসতবাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দেশীয় তৈরি এলজি ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।দুলালের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদে এ মামলার অন্য আসামিদের নামও বলেছেন। তাদেরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি কাজী মামুনুর রশিদ বাবলুকেও গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

    প্রসঙ্গত, গেল ১২ এপ্রিল রাতে চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন পাঁচপাড়া গ্রামের যৈদের পুকুরপাড় এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী সজীব, সাইফুল পাটোয়ারী, মো. রাফি ও সাইফুল ইসলাম জয়ের ওপর অতর্কিত হামলা ও গুলি বর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। পরে ১৬ এপ্রিল রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এম সজিব।এঘটনায় সজিবের মা বুলি বেগম বাদি হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক কাজী বাবলুসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে। এতে ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

  • নলছিটিতে একাধিক মাদক মামলার আসামি খলিল আটক

    নলছিটিতে একাধিক মাদক মামলার আসামি খলিল আটক

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে একাধিক মাদক মামলার আসামি মো.খলিলুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে নলছিটির গোদন্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    আটক খলিল সুবিদপুর ইউনিয়নের গোদন্ডা গ্রামের ফারুক খানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা চলমান আছে। অভিযোগ রয়েছে সে এলাকার উঠতি যুবকদের মাদকে আসক্তি করার জন্য ফ্রিতে মাদক খাওয়াতেন।

    এলাকাবাসী আরও জানায়,সে আগেও অনেকবার পুলিশের হাতে ধরা পরেছিল কিন্তু জামিনে এসেই আবারও মাদক বিক্রি চালিয়ে যান। এলাকায় তার একাধিক সোর্স আছে যার কারণে পুলিশ আসার আগেই সে সটকে পরে।

    পুলিশ জানিয়েছে, নলছিটি থানায় কর্মরত এসআই মো. শহিদুল ইসলামসহ একাধিক পুলিশের সদস্য তাকে সুবিদপুর ইউনিয়নের গোদন্ডা এলাকার একটি বিলের ভিতর থেকে তাকে আটক করে। এসময় তার কাছে ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৪২ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

    নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ আলী জানিয়েছেন খলিলের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে সে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে এর সাথে জরিত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

  • উজিরপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের নারী কেলেঙ্কারি ফাঁস

    উজিরপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের নারী কেলেঙ্কারি ফাঁস

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সুনিল কুমার বিশ্বাস (৬৫) এর নোংরামি ও নারী কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়েছে। একটি কলেজ পড়ুয়া যুবতী মেয়েকে দীর্ঘ ১০ বছর লোক চক্ষুর অন্তরালে রেখে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রেমের অভিনয় করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে অবশেষে বিবাহ করতে বাধ্য হয়। নির্যাতিত অসহায় ঐ যুবতী (লতা ছদ্মনাম) জানান , তার বাড়ি জামবড়ি গ্রামে , আর অভিযুক্ত সুনিল কুমার বিশ্বাসের বাড়ি পাশের গ্রাম হারতায়। তিনি ( সুনিল কুমার বিশ্বাস ) ২০১২ সালে লতা কলেজে পড়াশোনা করার সুবাদে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন স্থানে নিয়ে দৈহিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করে। এক পর্যায়ে ২০১৪ সালে রেজিস্ট্রির মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ২০১৫ সালে বরিশালে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ২০১৭ সালে তার গর্ভে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে তার বয়স ৭ বছর। এদিকে দ্বিতীয় সন্তান গর্ভে আসায় তিনি যেন কোন কুল কিনারা খুঁজে পাচ্ছেন না। তাকে বার বার অনুরোধ করা সত্যেও প্রকাশ্যে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে নারাজ সুনিল। কেননা তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরা রয়েছে এবং সমাজে ছোট হওয়ার ভয়তে। এ নিয়ে প্রায়ই চলতো স্বামী- স্ত্রীর দন্দ। শত প্রতিকুলতার মাঝেও (লতা )তার পড়াশোনা চালিয়ে গিয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করে বর্তমানে আইন বিভাগের পড়াশোনা শেষ করেন। এদিকে প্রায়ই ঘড় ভাড়া ও পরিবারের খরচা-খরচ নিয়ে চলতো ঝামেলা। কোন উপায় না পেয়ে দক্ষিণ অঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও উজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চু এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারির স্বরণাপন্ন হন। এতে সুনিল কুমার বিশ্বাস আরো ক্ষিপ্ত হয়ে কোর্টের মাধ্যমে তালাক দেওয়ার আবেদন করলে উভয় পক্ষের শুনানিতে তার আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়। ঐ অসহায় নারী লতা, সন্তান নিয়ে গত ২২ এপ্রিল সোমবার দুপুরে হারতায় সুনিল কুমার বিশ্বাসের বাড়িতে গেলে তাকে মারধর করে ঘর থেকে টেনে হিচরে বের করে দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তিনি (লতা ছদ্মনাম) আরো জানান এ ছাড়া ও তার আরো অনেক নোংরামি প্রয়োজনে ফাঁস করে দেয়া হবে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ দিকে অভিযুক্ত সুনিল কুমার বিশ্বাস প্রথমে সাংবাদিকদের কাছে বিবাহের কথা অস্বীকার করলেও পরে বিবাহিত স্ত্রী হিসেবে তাকে তালাক দিয়েছেন বলে জানান। তবে সন্তান ডিএনএ টেস্টের প্রমাণ পেলে বউ ও সন্তানদের গ্রহন করবেন বলে জানান ঐ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুনিল বিশ্বাস। বিষয়টি নিয়ে চলছে পুরো উপজেলায় আলোচনা সমালোচনার ঝড়।

  • দেখার কেউ নেই- কুকুর-বিড়ালের সঙ্গে মমেক হাসপাতালে রোগীদের বসবাস

    দেখার কেউ নেই- কুকুর-বিড়ালের সঙ্গে মমেক হাসপাতালে রোগীদের বসবাস

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ঐতিহ্যবাহী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি বৃহত্তর বৃহত্তর ময়মনসিংহের ৬ জেলা ছাড়াও বিভিন্ন জায়গার রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে আশা রোগীর চিকিৎসা সেবার একমাত্র প্রতিষ্ঠান। বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকারের নেতৃত্ব দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। ময়মনসিংহের ১০০০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালটিরও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। এতে ৩৩টি বিভাগ/ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে ৩০০০ হতে ৩৫০০ রোগী চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে এবং বহির্বিভাগে বর্তমানে ৩০০০ হতে ৪০০০ রোগী চিকিৎসা গ্রহন করে থকেন।

    তবে হাসপাপাতালটির অবকাঠামোর উন্নড হলেও উন্নত হয়নি এর চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থা। রেগীর হয়রানী,দালালের দৌরাত্ম, রোগীদের অবহেলা,রোগীর সসথে নার্স ও চিকিৎসকদের অসৌজন্যমোলক আচরণ,সরকারী ঔষধ প্রদানেও রয়েছে বিভিন্ন অভিযোগ আলোচনা-সমালোচনা । সেবার মানে উন্নয়ন ঘটেনি জেলা শহরের এই হাসপাতালে। দক্ষ চিকিৎসক স্বল্পতার অভাবে ঘরবন্দিভাবে পড়ে রয়েছে কোটি কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্রাংশ।

    এতে করে চিকিৎসা সেবার মান নিয়েও রয়েছে জনমনে নানা প্রশ্ন। সরকারি হাসপাতালের সেবা নিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। ছোট-খাট বিষয় নিয়েও দৌড়াতে হয় ঢাকা পর্যন্ত। হাসপাতালের পরিবেশ এবং অব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে হাসপাতালটি। জরুরি সেবা ছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকগুলোতেই যেন স্বস্তি রোগীদের।

    হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে না স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কোন ব্যবস্থা। সামনে দু-একটা হাত ধোয়ার জন্য বেসিন বসিয়ে রাখলেও যত্নের অভাবে তা ব্যবহার অযোগ্য হয়ে গেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীন ভূমিকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা রয়েছেন চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে।

    অপরদিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারান্দা এবং শয্যাগুলোতে অবাধেই ঘোরাফেরা করছে কুকুর। সিঁড়ির কোনায় কোনায় জমে আছে ময়লার স্তূপ। হাসপাতাল ভবনের ভেতরে কুকুরের অবাধ বিচরণের কারণে রোগী এবং স্বজনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীন ভূমিকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা রয়েছেন চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনরা জানান, সরকার যখন পুরো দেশবাসীকে সচেতন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে নানামুখী কর্মসূচি নিচ্ছে সেই মুহূর্তে হাসপাতালের ভেতরে কুকুরের অবাধ আনাগোনা কাম্য নয়। কারণ কুকুর জলাতঙ্ক রোগ বহন করে। সেই কুকুরগুলো হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে রয়েছে। রোগী ওয়ার্ডের যাতায়াতের রাস্তায় সারিবদ্ধভাবে কুকুরগুলো ঘুমিয়ে রয়েছে। বিড়ালগুলো ওয়ার্ডের এপাশ থেকে ওপাশ দৌড়চ্ছে, মুখ দিচ্ছে খাবারে। হাসপাতাল ভবনের ভেতরে বিড়াল-কুকুরের অবাধ বিচরণের কারণে রোগী এবং স্বজনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

    হাসপাতালটি কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে।এ ব্যাপারে বাংলাদেশ টেক্স লইয়ার্স এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এডভোকেট সাদিক হোসেন বলেন- এই যদি হাসপাতালে অবস্থা হয় কুকুর এবং মানুষ কি একসাথে বসবাস করতে পারে। এটাতো একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি। এটা নিয়ে মন্তব্য করার কোন ভাষা নেই।এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা: জাকিরুল ইসলামকে ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন ইন্তাজ উদ্দীন বলেন, ‘এই তাপদাহের সময় সরকার যখন পুরো দেশবাসীকে সচেতন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে নানামুখী কর্মসূচি নিচ্ছে সেই মুহূর্তে হাসপাতালের ভেতরে কুকুরের অবাধ আনাগোনা কাম্য নয়। কারণ কুকুর জলাতঙ্ক রোগ বহন করে। সেই কুকুরগুলো হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে রয়েছে। হাসপাতালটি কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে।’

    হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরেক রোগীকে দেখতে আসা স্বজন রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দেশ যখন হাজার হাজার মানুষ প্রতিনিয়তই তীব্র তাপদাহের কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ঠিক সেই মুহূর্তে চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র হাসপাতালে যদি এমনভাবে কুকুর শুয়ে থাকে তা হলে সেই হাসপাতালে রোগী কতটুকু নিরাপদ তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই জানেন। আমরা যখন নিজ গৃহেই নিরাপদ নই, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ওস্বাস্থ্যমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও দাবী করেন তিনি।

    নারী ওয়ার্ডে রোগীর সাথে আসা আরও এক স্বজন পারভেজ মিয়া বলেন, ‘স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য প্রতিনিয়ত ম্যাজিস্ট্রেট জেল-জরিমানা করে যাচ্ছে, যাতে কমে মানুষ সচেতন হয়। সকলেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে। কিন্তু হাসপাতালের মত জায়গাতে এই নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কখনোই কাম্য নয়। প্রশাসনের লোকজন এই দিকে নজর দিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সচেতন হবে বলে জানান তিনি।

    উল্লেখ-ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল টি ১৯৬২ ইং সালে ৮৩ একর জমির মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। হাসপাতাল সৃষ্টির শুরু থেকেই ৩০০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু হয়। তখন প্রতিনিয়তই ৮০০ হতে ১০০০ রোগী ভর্তি অবস্থায় চিকিৎসা গ্রহন করতেন। তখন মুল ইউনিট ছিল ১০টি। তৎকালীন সময়ে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি অভাবে চিকিৎসার পুর্নাঙ্গ রুপ লাভ করতে পারেনি। বর্তমানে এই হাসপাতালটি টার্সিয়ারী লেভেল ও একাডেমিক হাসপাতাল। নবগঠিত ময়মনসিংহ বিভাগ সহ আশেপাশে বিভিন্ন জেলার প্রায় আড়াই কোটি জনগনের সরকারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। ২০১০ সালে ৮ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবন স্থাপনের মাধ্যমে ২০১৩ ইং সনে জানুয়ারী মাসে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক নতুন হাসপাতাল ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে নতুন হাসপাতাল ভবনটিতে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারিত করা হচ্ছে।

  • চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়নে মেম্বার প্রার্থী  সিরাজুল ইসলামের সমর্থনে মতবিনিময় সভা

    চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়নে মেম্বার প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের সমর্থনে মতবিনিময় সভা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা না হলেও ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৭নং চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বিজয়নগর মধ্যপাড়া জামে মসজিদ মাঠে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য পদে প্রার্থী হিসাবে মোঃ সিরাজুল ইসলামের সমর্থনে বিশাল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর স্থানীয় এলাকাবাসীর আয়োজনে স্থানীয় মুরুব্বি জৈনদ্দিন মন্ডলের সভাপতিত্বে ও কাওসারের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ সিরাজুল ইসলাম চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের উন্নয়নকে আরো বেগবান করে ওয়ার্ড সুখী-সমৃদ্ধ ও উন্নত এলাকা উপহার দিতে মেম্বার পদে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সমর্থন ও ভোট প্রত্যাশা করে সকলের পাশে থাকার অঙ্গিকার করেন।

    এসময় ময়মনসিংহ সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা দেলোয়ার হোসাইন প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন দিয়ে সকলের সমর্থন, দোয়া ও ভোট প্রত্যাশা করেন।

    এছাড়াও স্থানীয় হুমায়ুন কবির সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা আলাল, রুহুল আমিন, আবুল হাসিম, আব্দুল জলিল, তাইজ উদ্দিন, আলহাজ্ব আহাম্মদ আলী, সোলাইমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্যব্যাক্তিবর্গ ইউপি সদস্য প্রার্থী সিরাজুল ইসলামকে সমর্থন করে বিজয়ী করার লক্ষ্যে সকলের সমর্থন ও ভোট প্রত্যাশা করেন।

    এসময় উপস্থিত শতশত জনতা ইউপি সদস্য প্রার্থী সিরাজুল ইসলামকে সমর্থন করে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে ভোট প্রদানের মাধ্যমে বিজয়ী করার আসস্ত করেন।

  • বাগআঁচড়ায় মোবাইল ফোনের কারণে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

    বাগআঁচড়ায় মোবাইল ফোনের কারণে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

    আজিজুল ইসলাম : শার্শার বাগআঁচড়ায় মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ার কারণে নিশিতা ইসলাম (১৩) নামে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার সকাল ১১ টার দিকে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করে। পুলিশ তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।

    নিশিতা গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার চন্দ্রদিঘলীয়া গ্রামের আবু আনসারের মেয়ে। আবু আনসার চাকরির সুবাদে বাগআঁচড়ায় মাহাবুব আলমের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

    পুলিশ জানায়, বাগআঁচড়া ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী নিশীতা স্মার্ট ফোন কিনে দেয়ার জন্য তার বাবা মায়ের কাছে আব্দার করে। কিন্তু বাবা মা নিশীতার সে আব্দার পুরোন করতে ব্যার্থ হয়। যে কারনে ঘটনার দিন সকালে সে বাবা মায়ের সাথে অভিমান করে ঘরে যেয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শেখ মনিরুজ্জামান জানান,এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে এবং পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • চোখের চিকিৎসা শেষে বাড়ী ফেরার পথে ৩ জনের মৃত্যু

    চোখের চিকিৎসা শেষে বাড়ী ফেরার পথে ৩ জনের মৃত্যু

    মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ,ঈদগাঁওঃ

    চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে কক্সবাজারে আসা প্রায় ২৬ জনের মতো রোগী চোখের চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ঈদগাঁও উপজেলায় ৩ জনের মৃত্যু এবং আরও ১০/১৫ জন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    ২৯ এপ্রিল সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের খোদাই বাড়ী নামক এলাকার মহাসড়কে এঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন,বাঁশখালীর ইলশা এলাকার মনির আহমেদের স্ত্রী হাফসা বেগম, একই উপজেলার রায়ছড়া এলাকার গোলাম সোবহানের ছেলে দুলা মিয়া।অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    জানা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা ইসলামাবাদ ইউনিয়নের খোদাইবাড়ি এজি লুৎফুর কবির আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা এলাকার বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জনের মৃত্যু হয়।১০/১৫ জন আহত হয়।আহতদের হাসপাতালে নেয়ার পথে আরো ১ জনের মৃত্যু হয় বলে শুনা যায়।

    ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাম্মেল হক বলেন,ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় কবলিত বাস জব্দ করা হয়েছে।হাসপাতালে নেয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয় বলে শুনলেও পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    দুর্ঘটনার পরপরই মহাসড়কের দু’পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি থানা পুলিশও ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং যানজন চলাচল নির্বিঘ্ন করতে কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা।

  • থানচিতে বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু হাইমংসিং মারমা, অসহায় পরিবার

    থানচিতে বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু হাইমংসিং মারমা, অসহায় পরিবার

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ মথি ত্রিপুরা।

    বান্দরবানে থানচিতে বিরল রোগে আক্রান্ত হাইমংসিং মারমা নামে দশ বছর বয়সী এক শিশু। টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছেন না অসহায় পরিবার। বিরল রোগে আক্রান্ত শিশুটি থানচি সদরে আপ্রুমং পাড়া বাসিন্দা হ্লামংচিং মারমা এর ছেলে। তাঁর বাড়ির পাশেই একটি সরকারি প্রাথমিক স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শিশু হাইমংসিং মারমা গ্রামের অন্য আট-দশটি শিশুর মতোই খেলাধুলা করতো। 

    কিন্তু সে প্রথমে বুঝতে পারেনি, তার শরীরে অদৃশ্য এক রোগ বাসা বেঁধেছে। তার পিঠে তৈলাক্ত মাংসের জমাট ফোলে ছোট থেকে বড় আকারে দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। মেরুদণ্ডও বেঁকে গেছে। তবে বর্তমানে সে বুঝতে পারে যে, তার বিরল এক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যখনই খেলা কিংবা হাটতে গেলে ব্যাথা অনুভব করতে পেরে বলে বাবা আমায় চিকিৎসা সেবা দাও!

    শিশুটির জন্মগতভাবে শরীরের চামড়া কালো দাগ রয়েছে। জন্মের পর ২ বছরে শিশুর পিঠে তৈলাক্ত মাংসের মতো ছোট আকারে জমাট হতে শুরু করেছিল। প্রথম দিকে শিশুর শরীরের তৈলাক্ত মাংসের না বাড়ঁলেও ৯ বছর বয়সে এসে বাড়ঁতে শুরু করেছে। সেটি এখন বড় আকার ধারণ করে মেরুদণ্ড হাঁড় পর্যন্ত বেঁকে হাটতে ও শরীর বহনে অযোগ্য হয়েছে প্রায়। তাঁর বাবা সংসারে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না শিশুটির পরিবার।

    প্রতিবেশীরা জানান, হাইমংসিং মারমা বিরল এক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সে ছোট থাকতে তৈলাক্ত মাংস জমাট ছিল না, কিন্তু শরীরের চামড়া কালো দাগ ছিল জন্মগতভাবে। চিকিৎসা সেবা নিতে শিশুর পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে। 

    এদিকে শিশুর বাবা হ্লামংচিং মারমা বলেন, আমার ছেলে বিরল এক রোগে কাবুতে খুবই কষ্টের দিন কাটছে। শিশুর পিঠে তৈলাক্ত মাংসের জমাট ছোট হতে বড় আকারে ধারণ করেছে, টাকার অভাবে চিকিৎসা সেবা নিতে পারছি না, ছেলে’র চিকিৎসার জন্য দেশের সরকারি-বেসরকারি ও এনজিও এবং মানবিক সংস্থারসহ জনপ্রতিনিধিদের সকলে কাছে আর্থিক সহযোগিতা চান তিনি।

    বিরল রোগে আক্রান্তে শিশুর মা নুমেসিং বলেন, আমার ছেলে জন্মগতভাবে শরীরের চামড়া কালো দাগ ছিল, কিন্তু রকশক্ত বা তৈলাক্ত মাংসের জমাট ছিল না। প্রায় ২ বছরে মাথায় পিঠে ছোট ছোট শক্তরক মতো জমাট শুরু করে, মাঝখানে কয়েক বছর ভাল হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন পরে অর্থাৎ ৯ বছরে এসে ছোট থেকে বড় হতে শুরু হয়। সেটি চলতি বছরের ছোট জমাট তৈলাক্ত মাংসের বড় আকারে ধারণ করে মেরুদণ্ড হাঁড় পর্যন্ত বেঁকে গেছে।

    এক পর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে শিশুটি মা। তিনি আরো বলেন, আমার ছেলে বিরল এক রোগে আক্রান্ত, সংসারে টাকার অভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে ছেলে’র চিকিৎসার সেবা দিতে পারিনি। আমার একমাত্র ছেলে কি করে বিরল রোগ হতে মুক্তি পাবো? 

    এদিকে শিশুর বড় চাচা (পাড়াপ্রধান) উহ্লাঅং মারমা বলেন, শিশুর শরীরের তৈলাক্ত মাংসের জমাট ও মেরুদণ্ড হাঁড় বেঁকে যাওয়ায় খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে অসহায় পরিবার, শিশুকে নিয়ে মালুঘাটসহ চট্টগ্রামে বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরছি। বর্তমান শিশু অবস্থা জানতে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে নম্বর হচ্ছে- 01818285372

    তিনি আরো বলেন, বিরল রোগ হওয়ায় মালুঘাটসহ চট্টগ্রামে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার করতে পারছি না। তবে চট্টগ্রামে এভারকেয়ার বেসরকারি হাসপাতালে রির্পোট এর অপেক্ষায় আছি, রাতে বিস্তারিত জানা যাবে। অসহায় পরিবারের পাশে থেকে মানবিকতার সকলে আর্থিকভাবে সহযোগিতায় আবারও শিশুটি সু-চিকিৎসার পেলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আসতে পারে বলে জানান তিনি।

    চলতি মাসের বান্দরবান ইমানুয়েল মেডিকেল সেন্টারে (জেনারেল সার্জারী বিশেষজ্ঞ) ডঃ উ থেন ক্য চেম্বারে দেখাতে তিনি বলেন, শিশুটি বিরল এক রোগে আক্রান্ত, ব্যায়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদী এই চিকিৎসার। তবে গরীর বাবা-মায়ের পক্ষে শিশুটির চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এই বিরল রোগের চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে যোগাযোগ স্থাপনে পরামর্শও দেন তিনি।

  • অবশেষে উচ্চ আদালতের রায়ে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন আরিফ হালদার

    অবশেষে উচ্চ আদালতের রায়ে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন আরিফ হালদার

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    আসন্ন টঙ্গীবাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো.আরিফুল ইসলাম হালদার তার প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন। আজ
    ২৯ এপ্রিলসোমবার উচ্চ আদালতে আপিল শুনানি শেষে তার প্রার্থীতা বৈধ্য বলে ঘোষণা করেছে উচ্চ আদালত

    গত ২৩ ই এপ্রিল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। পরবর্তী তে জেলা প্রশাসক বরাবর তার প্রার্থীতা ফিরে পেতে আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করেন তিন।

    গতকাল রোববার এ বিষয়ে আপিল শুনানি শেষে আবারো প্রার্থীতা অবৈধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী তে তিনি প্রার্থীতা ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আজ সোমবার শুনানি শেষে তার প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়।

    এ বিষয়ে আরিফুল ইসলাম হালদার জানান, দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী টঙ্গীবাড়ি ও লৌহজং উপজেলায় সকল প্রার্থীদের আপিল নিস্পত্তি হবে ২৭ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত। এর মধ্যে আজ ২৮ শে এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি করেছে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসন। প্রার্থীতা ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।

    তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আগামী ৩০ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ ২ মে ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২১ মে।

  • কেশবপুরে মাছের ঘের দখল প্রচেষ্টা, থানায় অভিযোগ

    কেশবপুরে মাছের ঘের দখল প্রচেষ্টা, থানায় অভিযোগ

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুরে মাছের ঘের দখল প্রচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
    অভিযোগে জানা গেছে উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত আবুল বাসার মোড়েল ছেলে জাহাঙ্গীর আলম জমির মালিক দের সাথে চুক্তি বদ্ধ হয়ে একটি মাছের ঘেরে মাছ চাষ করে আসছিল। নুতন করে আবারো বাংলা ১৪৩৫ সাল পর্যন্ত মেয়াদে ঘেরটি গ্রহণ করে। ঘেরের ভিতর বিভিন্ন প্রজাতির সাদা মাছ রয়েছে । ২৮এপ্রিল সকালে ব্রম্মকাঠি গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাক খন্দকারের ছেলে ইনতাজ খন্দকার ওরফে নুনু, রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত সদু সরদারের ছেলে আবুল সরদার ও একই গ্রামের মৃত ইনতাজ গাজীর ছেলে রাশেদুল ইসলাম মাছের ঘেরটি দখলে নেয়ার জন্য জাহাঙ্গীর আলম কে হুমকি দিয়ে আসছিল। রোববার সকালে তারা জোটবদ্ধ হয়ে রামচন্দ্রপুর ব্যাসডাঙ্গা মৌজার ৬৫ বিঘা জমির ঘেরটিতে অনধিকার প্রবেশ করে এবং টোংঘর নির্মাণ করতে থাকে। মাটিকাটা স্কেভেটর ঘেরের ভিতর নিয়ে আসে। দখল প্রচেষ্টাকালীন ঘের মালিককে তারা মারপিট করার জন্য উদ্ধত হয়। নিশ্চিত বিরোধে না জড়িয়ে জাহাঙ্গীর আলম কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ বিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।

    মোঃ জাকির হোসেন
    কেশবপুর,যশোর