উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলে নড়াগাতি থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতারএকজন। নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানায় পলাশ খান (৩৬) নামে এক মাদক কারবারিকে গাঁজাসহ আটক করেছে পুলিশ উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে নড়াগাতি থানার জয়নগর ইউনিয়নের নয়নপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। সে ওই গ্রামের খোরশেদ খানের ছেলে।
নড়াগাতি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সোমবার দুপুরে গোপন সংবাদ পেয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নয়ন বিশ্বাস ও মফিজ মোল্যার নেতৃত্বে জয়নগর ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামের তিনরাস্তা মোড় এলাকা থেকে পলাশ খান নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে চার’শ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান থানা পুলিশের এই কর্মকর্তা।
Author: desk
-

নড়াইলে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ১
-

স্বরূপকাঠিতে আগুনে পুড়লো ৮টি দোকান
স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি//
পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে ভয়াবহ এক অগ্নিকান্ডে ৮ টি দোকান মালামালসহ ভস্মীভুত হয়েছে। রবিবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার মিয়ারহাট বন্দর সংলগ্ন তালুকদার বাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে অর্ধকোটি টাকার
বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী সুত্র জানায়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বশির তালুকদার জানান, এদিন রাত অনুমানিক আড়াইটার দিকে রিপনের ফার্নিচারের দোকানে আগুন জ¦লতে দেখে স্থানীয়রা ডাক চিৎকার দিলে এলাকাবাসি এসে আগুন নিভানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও অকুস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চালায়। ইতোমধ্যে আগুনের লেলিহান শিখায় নেছারাবাদ সাইকেল স্টোর সহ ৮ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ৩টি কাঠের ফার্নিচার, ২টি গ্যারেজ ও ২টি জাহাজের মালামাল ও ঢালাই কারখানা মালামালসহ পুড়ে যায়। স্বরূপকাঠি ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর যুগল বিশ্বাস জানান, খবর পেয়ে সন্ধ্যানদী পার হয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ঘন্টাখানেক চেষ্টায় কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন।
আনোয়ার হোসেন
-

নেছারাবাদে মৃত গরুর মাংস বিক্রি জনমনে ক্ষোভ এলাকাবাসীর ইউএনওর কাছে অভিযোগ
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধির//
পিরোজপুরে নেছারাবাদ উপজেলায় চান রাত্রের দিন মৃত গরু জবাই করে মাংশ বিক্রির অভিযোগ ওঠেছে এক খামারির বিরুদ্ধে। ঐ গাভিটি বাচ্চা প্রসবের পর অসুস্থ হয়ে মারা যায়। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের দিন রাত্রে গরুর খামারি লিটন, ও তার ভাই আসলাম এবং ভাঙনে সজল ঐ মৃত গরুটি জবেহ করে ৮০০টাকা কেজিদরে মাংস বিক্রি করে দেয়। অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি চাপা দেয়ার করে একটি মহল। যে কারনে ঘটনাটি এতোদিন প্রকাশ পায়নি। পরে স্থানীয় জনগণ ক্ষোভের বর্শবর্তী হইয়া ন্যায় বিচার চেয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।
স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে উত্তর জগন্নাথকাঠি গ্রামে ঐ ঘটনা ঘটে। খামারির মালিক লিটন ও আসলাম ওই এলাকার মৃত মান্নান ডাকুয়ার ছেলে এবং ভাগিনা আল ইমরান সজল মোঃ ফারুক মিয়ার ছেলে।
জানা গেছে, উপজেলার গরু ব্যবসায়ী লিটন মিয়ার নিজস্ব খামারে ২৯ রমজানে আনুমানিক রাত ২/৩ টার দিকে একটা গাভী গরু বাচ্চা প্রসব করে। বাচ্চা প্রসবের পর থেকেই গাভিটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় ঠিক তার পরের দিন ৩০ রমজান রাতে গরুটি মারা যায়। লিটন আসলাম এবং সজল মিলে রাত আনুমানিক ১১/১২ দিকে তার নিজ বসত বাড়ির পাশে একটি মাঠে গাভীটিকে জবাই করে স্থানীয়দের মাঝে মাংস বিক্রি করেন এবং আরশ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি দোকানে বসে ভাগনে সজল গরুর মাংস বিক্রি করে। প্রতি কেজি ৮০০/-কেজি ধরে বিক্রি করে।
প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য মতে কোন গাভী বাচ্চা প্রসবের এক মাসের মধ্যে জবাই করে গোস্ত খেলে মানবদেহের মাসেল ও হরমোনের মারাত্নক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
এবিষয়ে স্থানীয় সালেক সালাাম জানান, আমি মাংস কিনেছিলাম পরে যখন জানতে পারলাম মৃত গরু জবেহ করা হয়েছে তখন আমি মাংস ফেলে দিয়েছি। আরো কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান সেই মাংস খাওয়ার পরে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মেসবাহুল ইসলাম বুলবুল,সাবেক কাউন্সিলর বিপ্লব সহ একাধিক সচেতন মহল বিষয়টি যেনে জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন।
এই বিষয়ে নেছারাবাদ থানায় অবহিত করা হয়েছিলো স্থানীয় জনগন। এবং ওই সকল অসাধু ব্যাবসায়ীদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দাবি করেছিলেন।
এ ব্যাপারে নেছারাবাদ থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত তদন্ত এইচ এম শাহীন জানান, মৌখিক একটা অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে এস আই পনির গিয়েছিল। তবে লিখিত কোন অভিযোগ হয়নি। শুনছি গরুটি বাচ্চা হওয়ার পরে আসুুস্থ হয়ে পড়েছিলো।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে একটা অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।
-

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৩ কোটি টাকা মূল্যের ৩ পিস স্বর্ণের বারসহ আপন দুই ভাইকে আটক
মহেশপুর ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ-
রোববার দুপুরে উপজেলার মান্দাড়বাড়িয়া ইউপির নগরবন্নী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। মহেশপুর ৫৮ বিজিবির পরিচালক এইচ এম সালাহউদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আটক জুয়েল রানা (২৭) ও সুমন (২৩) যাদবপুর ইউপির জলুলী সুন্দরপুর গ্রামের বদিয়ার মণ্ডলের ছেলে।
এইচ এম সালাহউদ্দিন চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে সোনা পাচার হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করে বিজিবি। দুপুর ২টার টার দিকে নগরবন্নী নামক স্থান দিয়ে মোটরসাইকেলে করে সীমান্তের দিকে যাওয়া একটি মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে তারা। সেসময় মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৩ কেজি ৫’শ ৫৮ গ্রাম ওজনের ৩ টি স্বর্ণের বার। যার আনুমানিক মূল্যে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
আটক করা হয় ওই গ্রামের জুয়েল ও সুমন নামের আপন দুই ভাইকে।তিনি আরও বলেন, স্বর্ণের বার শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে ভারতে পাচারের জন্য বহন ও নিজ জিম্মায় রাখার আটককৃত আসামিদেরকে বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে
-

লালমনিরহাটে ডিবির অভিযানে ফেন্সিডিল উদ্ধার
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযানে চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৮০বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল উদ্ধার করেন। গত(২৯শে এপ্রিল)২০২৪ইং সোমবার ভোর ০৪.৪৫ ঘটিকায় লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, এর নেতৃত্বে এসআই/ মোঃ ইসমাইল হোসেন সঙ্গীয় অফিসার এসআই/ নিজাম উদ দৌলা, এসআই/ মোঃ ফেরদৌস সরকার, এএসআই/ মোঃ শাহজালাল হোসেন ও ডিবির সঙ্গীয় ফোর্স সহ জেলার কালিগঞ্জ থানধীন গোড়ল ইউপিস্থ জনৈক মোঃ দেলোয়ার হেসেন (৫০), পিতা-আসগার গারিয়াল, সাং-গোড়ল,০৮ নং ওয়ার্ড থানা- কালিগঞ্জ জেলা-লালমনিরহাট এর বসতবাড়ীর দক্ষিনে অবস্থিত প্রজেক্টের পুকুড়ে উত্তর দিকের পাড়ে ছোট সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল পরিত্যক্ত অবস্থায় দুইটি ছোট সাদা রংয়ের প্লাস্টিকের বস্তা যার প্রতিটি বস্তার ভিতর ৪০বোতল করে ৮০বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছেন ডিবি পুলিশ। জেলা ডিবি অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযানে চালিয়ে জেলার কালীগঞ্জ থানাধীন গোড়ল ইউনিয়ন থেকে সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন ডিবি পুলিশ।
হাসমত উল্লাহ ।।
-

তীব্র তাপদাহে শেরপুরে খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ করল আলোকিত শেরপুর
নাটোর প্রতিনিধি
তীব্র দাবদাহে যেন সারা দেশ পুড়ছে। দিনদিন তাপমাত্রার পারদ উপরের দিকে উঠছে। গরম ও অস্বস্তিতে হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের। প্রখর তাপে বিপর্যস্ত জনজীবন। বিশেষ করে নাভিশ্বাস উঠেছে শ্রমজীবী মানুষের। এমন অবস্থাতে “মানব সেবাই নিয়জিত আমরা” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “আলোকিত শেরপুর” এর পক্ষ থেকে পিপাসার্ত শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত সুপেয় পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করেছে। রোববার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে শহরের স্থানীয় ধুনটমোড় এলাকায় বিতরণ করা হয়। আলোকিত শেরপুরের সাধারণ সম্পাদক ও শেরপুর প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উদ্বোধণ করেন মোহনা টেলিভিশন ও কালের কন্ঠ এর সিংড়া উপজেলা প্রতিনিধি সিংড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মোল্লা মোঃ এমরান আলী রানা। এই মহতি উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, গরম পরিস্থিতিতে আমাদের আশেপাশে অবস্থান করা শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষদেরকে ভুলে গেলে চলবে না। তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। বিশেষ করে সুপেয় খাবার পানি, স্যালাইন, প্রাথমিক ওষুধসহ যাবতীয় উপকরণ এসব মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আহবান জানান।
আলোকিত শেরপুর এর সহ-সভাপতি মজিবর রহমান মজনুর পরিচালানায় বিতরণ অনুষ্ঠানে আলোকিত শেরপুর এর কোষাধ্যক্ষ আলহাজ¦ মজনু মিয়া, সদস্য ও দৈনিক দেশ বাংলা পত্রিকার শেরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আবুল খায়ের, জাহাঙ্গীর ইসলাম, শেরপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু জাহেরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রচণ্ড তাপদাহের কারণে জনজীবনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে সচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আলোকিত শেরপুর। এরই অংশ হিসেবে পিপাসার্ত শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে সুপেয় পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করা হচ্ছে। এটি অব্যাহত থাকবে।মোঃ এমরান আলী রানা
নাটোর প্রতিনিধি -

উজিরপুরে সর্বজনীন পেনশন স্কীম বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধি: বরিশালের উজিরপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সর্বজনীন পেনশন স্কীম উপজেলা পর্যায়ে সুষ্ঠু ও সফল ভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম।
এ সময় তিনি বলেন সর্বজনীন পেনশন স্কীম একটি নিরাপদ সঞ্চয় স্কীম। জমাকৃত টাকা মুনাফা সহ বৃদ্ধ বয়সে মাসে মাসে ভাতা উত্তোলন করা যুগ উপযোগ পদক্ষেপ। এ টাকা নস্ট বা খোয়া যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। বাংলাদেশের ভূখন্ড যতোদিন থাকবে টাকার নিশ্চয়তা ততোদিন থাকবে।
২৯ এপ্রিল সোমবার বেলা ১২ টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চু, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডর ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াদুদ সরদার, উজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অপুর্ব কুমার বাইন রন্টু, সীমা রানী শীল, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি ) হাসনাত জাহান খান, মডেল থানার ওসি তদন্ত মোঃ তৌহিদুজ্জামান সোহাগ, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার প্রমুখ।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শওকত আলী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী ইসরাত জাহান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আব্দুল হাকিম সেরনিয়াবাত , অশোক কুমার হাওলাদার, শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মোঃ নজরুল ইসলাম মাঝি,উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি অসিম কুমার ঘরামী, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান মাসুম।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ। মতবিনিময় সভায় উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব,পৌর সচিব, উপজেলা পরিষদের সকল কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বক্তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সরকারি, বেসরকারি, প্রবাসী, মধ্যবিত্ত, নিন্ন মধ্যবিত্ত, কৃষক,শ্রমিক, জেলে, তাতী, কামার, কুমার, সকল শ্রেনী পেশার মানুষ বৃদ্ধ বয়সে এবং পরিবারের ক্লান্তি লগ্নে সার্বজনীন পেনশন স্কীমের সুবিধা ভোগ করতে পারে একটি নির্ধারিত সঞ্চয়ের মাধ্যমে নিজে ও পরিবারকে প্রতিষ্ঠিত করার একটি প্রকল্প।এটি একটি আর্থসামাজিক প্রকল্প। প্রবাসীদের জন্য প্রেরিত চাদার ২.৫ শতাংশ প্রনদনা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এটি আয়কর মুক্ত। এই স্কিমের আওতায় ১৮ বছর হইতে ৫০ বছর পর্যন্ত সকল নাগরিক জাতীয় পরিচয় পত্রের ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট মুল্যমানের চাদা দাতা হিসেবে সার্বজনীন পেনশন স্কীমে আংশগ্রহন করতে পারবে। পরে জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম উপজেলায় একটি হেল্প ডেস্কের উদ্ভোধন করেন। -

হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মঞ্জুর রহমানের ইন্তেকাল
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের
অফিস সহকারি আলহাজ্ব মুঞ্জুর রহমান আজ সোমবার ২৯ এপ্রিল সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের সময় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তিকাল করেছেন, ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন) মৃত্যুকালে স্ত্রী, ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্নীয়স্বজন রেখে গেছেন।আজ সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের সময় হুজরাপুর গোরস্থানে মরহুমের নামাজের জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি গোদাগাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি এমএন রিদওয়ান ফিরদৌস, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হায়দার আলীসহ সমিতির সদস্যগন গভীরভাবে শোকাহত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপনসহ মরহুমের আত্মার অনাবিল শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেছেন। হে পরম করুনাময় আল্লাহতায়ালা আপনি তাকে বেহেস্তের সর্বোত্তম স্থান জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। আরও শোক প্রকাশ করেছেন গোগ্রাম আর্দশ বহুমূখি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসদার হোসেন, গুনিগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, রাজাবাড়ীহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান, প্রধান শিক্ষক, মাফরুদ্দিন, আব্দুল বারী, আসগর আলী, সাইফুল ইসলামসহ শিক্ষক, কর্মচারিগণ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষাপরিবারও গভীর ভাবে শোকাহত। মরহুমের রুহের মাগফরাত কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য অফিস সহকারী হিসেবে আলহাজ্ব মোঃ মুঞ্জুর রহমান প্রতিষ্ঠা কাল ১৫/০২/১৯৯৩ ইং সাল থেকে আজ অদ্যবদি পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রতিষ্ঠাকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বলে জানা গেছে।মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী। -

লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতা সজিব হত্যা মামলার আরো এক আসামী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
নাজিম উদ্দিন রানা:
লক্ষ্মীপুরের ছাত্রলীগ নেতা এম সজিব হত্যা মামলার আরো এক আসামি (৫ নং) আনোয়ার হোসেন দুলাল ওরপে পাহাড়ি দুলালকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তার দেয়া তথ্যমতে হত্যাকান্ডে ব্যবহুত একটি দেশীয় তৈরি এলজি ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। মামলায় এ পর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তাজু ভূঁইয়াসহ মোট ৬জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফ্রিংয়ের আয়োজন করে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার তারেক বিন রশীদ। এর আগে খুলনার ডুমুরিয়া থানাধীন শরাপুর বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।গ্রেপ্তারকৃত দুলাল সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের মান্দারের দিঘির পাড়া এলাকার মৃত আবদুল আজিজের ছেলে।
পুলিশ সুপার জানান,
সে সজিব হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত ৫ নম্বর আসামি দুলাল ঘটনার পর আত্মগোপন করে। পরে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইদহ এবং খুলনা জেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করে।
দুলালকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা সে স্বীকার করে। তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে সোমবার (২৯ এপ্রিল) ভোররাতে তার বসতবাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দেশীয় তৈরি এলজি ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।দুলালের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদে এ মামলার অন্য আসামিদের নামও বলেছেন। তাদেরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি কাজী মামুনুর রশিদ বাবলুকেও গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।প্রসঙ্গত, গেল ১২ এপ্রিল রাতে চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন পাঁচপাড়া গ্রামের যৈদের পুকুরপাড় এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী সজীব, সাইফুল পাটোয়ারী, মো. রাফি ও সাইফুল ইসলাম জয়ের ওপর অতর্কিত হামলা ও গুলি বর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। পরে ১৬ এপ্রিল রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এম সজিব।এঘটনায় সজিবের মা বুলি বেগম বাদি হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক কাজী বাবলুসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে। এতে ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
-

নলছিটিতে একাধিক মাদক মামলার আসামি খলিল আটক
ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক
ঝালকাঠির নলছিটিতে একাধিক মাদক মামলার আসামি মো.খলিলুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে নলছিটির গোদন্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটক খলিল সুবিদপুর ইউনিয়নের গোদন্ডা গ্রামের ফারুক খানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা চলমান আছে। অভিযোগ রয়েছে সে এলাকার উঠতি যুবকদের মাদকে আসক্তি করার জন্য ফ্রিতে মাদক খাওয়াতেন।
এলাকাবাসী আরও জানায়,সে আগেও অনেকবার পুলিশের হাতে ধরা পরেছিল কিন্তু জামিনে এসেই আবারও মাদক বিক্রি চালিয়ে যান। এলাকায় তার একাধিক সোর্স আছে যার কারণে পুলিশ আসার আগেই সে সটকে পরে।
পুলিশ জানিয়েছে, নলছিটি থানায় কর্মরত এসআই মো. শহিদুল ইসলামসহ একাধিক পুলিশের সদস্য তাকে সুবিদপুর ইউনিয়নের গোদন্ডা এলাকার একটি বিলের ভিতর থেকে তাকে আটক করে। এসময় তার কাছে ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৪২ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ আলী জানিয়েছেন খলিলের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে সে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে এর সাথে জরিত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।