Author: desk

  • চরতারাপুরে ঘোড়া প্রতীকের সমর্থনে উঠান বৈঠক ও লিফলেট বিতরণ

    চরতারাপুরে ঘোড়া প্রতীকের সমর্থনে উঠান বৈঠক ও লিফলেট বিতরণ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আগামী ২৯ মে পাবনা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৩ বারের সদর উপজেলার নির্বাচিত সফল চেয়ারম্যান ও সাবেক ২ বারের পাবনা পৌরসভার নির্বাচিত সফল চেয়ারম্যান এবং বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ মোঃ মোশারফ হোসেনের ঘোড়া মার্কা প্রতীকে ভোট চেয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের তারাবাড়িয়ায় এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। চরতারাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জালাল উদ্দিন বিশ^াসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে বক্তব্য দেন চরতারাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান বাদশা, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুস সামাদ জানু, ইসলাম খা, মকছেদ আলী, নাসিম খান, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি রেজা প্রাং,সাধারণ সম্পাদক মধু প্রাং, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান প্রাং, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ঝন্টু প্রাং,সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি, ১ নং ওয়ার্ড আ,লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য আবর আলী, ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল আলিম, ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রুহুল, ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আজমত আলী, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম বাদশা, শ্রমীকলীগ নেতা আজমত বিশ^াস, আ.লীগ নেতা আহমেদ মোল্লা, গফুর শেখ ও হেলাল মোলা প্রমুখ। উঠান বৈঠক শেষে স্থানীয় তারাবাড়িয়া বাজারের বিভিন্ন দোকানে ও পথচারীদের মাঝে ঘোড়া প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে লিফলেট বিতরণ করেন নেতাকর্মীরা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • মহেশপুরে ড্রাগন চাষী মিলনের ২৬শ’ ড্রাগন গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

    মহেশপুরে ড্রাগন চাষী মিলনের ২৬শ’ ড্রাগন গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

    মহেশপুর ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ-
    ঝিনাইদহের মহেশপুরে ড্রাগন চাষী জাহাঙ্গীর আলম মিলনের ২ হাজার ৬ শত ড্রাগন ফলের গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১২ মে ) মধ্যরাতে রাতে খালিশপুর ইউসুফ ফিলিং স্টেশনের পাশে ৪০ শতক জমির ড্রাগন ফলের গাছ কেটে দিয়েছে কে বা কারা। এই ঘটনায় ড্রাগন চাষী মিলন মহেশপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ড্রাগন চাষী জাহাঙ্গীর আলম মিলন কোটচাঁদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুর সাত্তারের বড় ছেলে।

    জানা যায়, গত ২০২৩ সালে মহেশপুর উপজেলার খালিশপুর বাজারের ইউসুফ ফিলিং স্টেশনের পূর্ব পাশে ৪০ শতক জমিতে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যায় করে ড্রাগন ফলের বাগান করেন মিলন। দীর্ঘ ১ বছর ধরে পরিচর্চা করে এখন ড্রাগন গাছে ফুল এসেছে। সবমিলিয়ে বাগানে ৫ লাখ টাকার বেশি খরচ করেছেন তিনি। রোববার রাতে শত্রুতা করে কে বা কারা ড্রাগন ফলের গাছ কেটে দিয়েছে।

    স্বরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোটচাঁদপুর- মহেশপুর সড়কের ইউসুফ ফিলিং স্টেশনের পাশে ড্রাগন ফলের বাগান। বাগানে ডুকতেই দেখা যায় প্রতিটা ড্রাগন ফলের গাছ মাটি থেকে ৬/৭ ইঞ্চি উচু করে কাটা হয়েছে। গাছের মূলে ছোট ছোট ড্রাগন ফুল এসেছে। প্রচন্ড রোদে কাটা গাছ গুলো শুকিয়ে গেছে। একটু ক্ষতি পুষিয়ে নিতে, ক্ষেতের এক পাশ থেকে শুকনো গাছ গুলো নতুন করে লাগানো হচ্ছে। কৃষকেরা বলছে আগামী এক বছরের মধ্যে এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠা সম্ভব নয়।
    প্রতিবেশী কৃষক বরকত উল্লাহ ঢাকা পোস্টকে জানান, রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এই ড্রাগন ফলের গাছ কেটে দিয়েছে। সকালে মাঠে এসে দেখি সারি সারি গাছ গুলো গোড়া থেকে কেটে রেখে গেছে। এখন গাছে ফল ধরার সময় হয়েছে। কেউ শত্রুতা করে সব ড্রাগন গাছে কেটে দিয়েছে। যারা ফসলের সাথে শত্রুতা করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
    ড্রাগন চাষী জাহাঙ্গীর আলম মিলন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি পেশাই একজন আইনজীবী। বাপ-দাদারা কৃষক ছিলেন। যার কারণে আগ্রহ নিয়েই আমি এই ড্রাগন ফলের বাগান করেছিলাম। সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। গাছে গাছে ফুল আসছিল। কিন্তু কে বা কারা শত্রুতা করে বাগানের সব ড্রাগন ফলের গাছ কেটে দিয়েছে।
    তিনি আরো বলেন, ৪১ শতক জমিতে ২ হাজার ৬ শত ড্রাগন গাছ ছিল। জমি প্রস্তুতিসহ এ পর্যন্ত ৫ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে দুই জন লোক আসছিলো। তারা দেখে চলে গেছে। মহেশপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এখনো পর্যন্ত কেউ খোজ নেয়নি। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যারা শত্রুতা বসত ড্রাগন বাগানে ক্ষয়ক্ষতি করেছে তাদেরকে উপযুক্ত শাস্তি দেবার জন্য কঠোর ভাবে আবেদন জানাচ্ছি।
    মহেশপুর উপজেলা কৃষি অফিসার ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, ড্রাগন ফলের বাগান কাটার সংবাদ শুনার পর, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে বাগান পরিদর্শন করতে পাঠানো হয়েছে। ড্রাগন চাষীর পক্ষ থেকে সাহায্যের জন্য এখনও কোনো অভিযোগ বা আবেদন পাইনি। তার পরও আমাদের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক যাতে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারে সে ব্যাপারে সকল প্রকার সহযোগিতা করা হবে।
    মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, ড্রাগন চাষী মিলন একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে দোষী ব্যক্তি চিহ্নিত করে, আইনের আওতায় আনা হবে। তবে ফসলের সাথে শত্রুতা এটা খুবই দুঃখজনক।

  • নড়াইল সদরে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের দেয় চেয়ারম্যান প্রার্থীদেরকে জরিমানা

    নড়াইল সদরে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের দেয় চেয়ারম্যান প্রার্থীদেরকে জরিমানা

    উজ্জ্বল রায়; নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী তোফায়েল মাহমুদ তুফানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। উজ্জ্বল রায়,;নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে তুলারাপুর বাজার এলাকায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল মাহমুদ তুফানের নির্বাচনী প্রচার কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নির্বাচনী ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সঞ্জয় ঘোষ নির্বাচন আচরণ বিধি ভঙ্গের দায়ে জরিমানা করেছেন ।
    জানাগেছে, নড়াইল পৌরসভার নতুন ভবনে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল ঐক্য পরিষদ নড়াইল জেলা শাখার আয়োজনে বৃত্তিপ্রদান অনুষ্ঠানে ভোট ক্যাম্পেইন করা, দেয়ালে পোষ্টার, পাঁচের অধিক সমর্থকদের সাথে নিয়ে ভোট ক্যাম্পেইন করা, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করাসহ ৫টি নির্বাচন আচরনবিধি ভঙ্গের দায়ে ঘোড়া প্রতিকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল মাহমুদ তুফানকে ১০ (দশ) হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাচনী ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সঞ্জয় ঘোষ।

    তিনি জানান, আচরণবিধি মানতে হবে, ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এদিকে সোমবার
    সদর উপজেলা নির্বাচনে
    আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিজুর রহমান ভূঁইয়াকে জরিমানা।
    সোমবার(১৩মে) দুপুরে রপগঞ্জ বাজারে নির্বাচনী প্রচারনা চলাকালে এই জরিমানা করেন নির্বাচনী ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সঞ্জয় ঘোষ।
    ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে,দেয়ালে পোষ্টার এবং ওয়ার্ডে একের অধিক নির্বাচনী ক্যাম্প করায় এবং মোটর শোভাযাত্রা করায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিজুর রহমান ভুইয়াকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
    এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সঞ্জয় ঘোষ জানান,’আচরনবিধি লঙ্ঘনের দায়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিজুর রহমান ভুইয়াকে ৭ হাজার টাকা ও তুফান মাহমুদ তুফান কে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আচরনবিধির ধারার ব্যত্যয় ঘটায় প্রার্থীদের আগে সকর্ত করা হচ্ছে ,তা না মানলে এ জরিমানার আওতায় আনা হচ্ছে।

  • র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানির অভিযানে ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানির অভিযানে ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানা¬ এলাকা হতে ৫৪ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় অদ্য ১৪ মে ২০২৪ খ্রিঃ দুপুর ১৩.৫৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানাধীন গাড়াদহ এলাকায়” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৫৪ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তার সাথে থাকা হেরোইন ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০১টি মোবাইল, ০১টি সিম কার্ড এবং হেরোইন বিক্রয়ের নগদ ৮০০ টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামি মোছাঃ মমতাজ বেগম (৪০), স্বামী-মোঃ জালাল শেখ, সাং-দাড়িয়াপুর, থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জ।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামি দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে হেরোইন ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন- মাদক, অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়াড্রন লীডার

    কোম্পানি কমান্ডার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ।

  • গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশের কান্ডঃ মাদক মামলার  আসামী ভারতে কলেজ ছাত্র কোন অপরাধ না করে  জেলে

    গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশের কান্ডঃ মাদক মামলার আসামী ভারতে কলেজ ছাত্র কোন অপরাধ না করে জেলে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আসামীর সঙ্গে শুধুমাত্র নাম ও পিতার নামের মিল থাকায় মাদক মামলায় এক কলেজছাত্রকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ। মাতার নাম ও গ্রামের নাম আলাদা হলেও সোমবার ওই কলেজছাত্রকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় এসআই আতিকুর রহমান।

    ওই কলেজছাত্রের নাম ইসমাইল হোসেন (২১)। তিনি গোদাগাড়ী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ফাজিলপুর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে। তার মাতার নাম মোসা: মনোয়ারা বেগম। ইসমাইল গোদাগাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের একাদশ শ্রেণীর মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র।

    অপরদিকে, মাদক মামলার গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আসামীর নাম ইসমাইল হোসেন (২০)। তিনি গোদাগাড়ী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের লালবাগ হেলিপ্যাড গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে। তার মাতার নাম মোসা: বেলিয়ারা। আসামী ইসমাইল পেশায় কাঠমিস্ত্রি। মাদক মামলায় আসামী হওয়ার পর থেকে তিনি ভারতের চেন্নাই গিয়ে কাঠমিস্ত্রির কাজ করছেন।

    কলেজছাত্র ইসমাইল হোসেনের ভাই আব্দুল হাকিম রুবেল জানান, গত রোববার (১২ মে) এশার নামাজের সময় গোদাগাড়ী মডেল থানার এসআই আতিকুর রহমান আমাদের বাড়িতে আসে। এসময় তিনি একটি মাদক মামলার গ্রেপ্তারী পরোয়ানা দেখিয়ে আমার ভাই ইসমাইল হোসেনকে ধরে নিয়ে যান।

    আমরা এসআইকে বার বার বলেছি তার নামে কোনো মাদক মামলা নেই। এসময় তার জাতীয় পরিচয়পত্রও দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তারী পরোয়ানার সঙ্গে গ্রাম, মাতার নাম ও বয়স মিল নেই সেটিও দেখিয়েছি।

    এরপরও এসআই আতিকুর রহমান জোরপূর্বক আমার ভাইকে ধরে নিয়ে যান এবং পরের দিন ৫০ গ্রাম হেরোইন রাখার মাদকদ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায়। বর্তমানে কলেজছাত্র ইসমাইল কারাগারে রয়েছেন।

    মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট রাত পৌনে ১১টার দিকে গোদাগাড়ীর মাদারপুর জামে মসজিদ মার্কেটের সামনে থেকে রাজমিস্ত্রি ইসমাইল হোসেনকে ৫০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করে রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    রাতেই তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা করেন ডিবির এসআই ইনামুল ইসলাম। এর পরের দিন তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর এক মাস পর গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

    গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ইসমাইল হোসেন জামিনে মুক্তি পান। এরপর তিনি ভারতের চেন্নাই চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি তার পিতার সঙ্গে কাঠমিস্ত্রির কাজ করছেন। তার পিতা আব্দুল করিম ৬বছর ধরে চেন্নাই রয়েছেন।

    পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে নাম্বার সংগ্রহ করে ইমু অ্যাপসে যোগাযোগ করা হলে নিজে মাদক মামলার আসামী কথা স্বীকার করেন গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আসামী ইসমাইল হোসেন জানান, আমাদের মুল বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার চর আড়ানিয়াদহ ইউনিয়নের দিয়ার মানিক চক গ্রামে। দুই বছর আগে আমরা লালবাগ হেলিপ্যাড গ্রামে জমি কিনে বাড়ি করেছি। এর পর থেকে আমরা সেখানে বসবাস করি।

    তিনি বলেন, আমি গোদাগাড়ীতে থাকা অবস্থায় কাঠ মিন্ত্রীর কাজ করতাম। এক বন্ধুর সাথে ঝামেলা হয়। ওই বন্ধু মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ আমাকে উপজেলা পরিষদের সামনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তারা আমাকে ধরে নিয়ে গিয়ে ৫০ গ্রাম হেরোইন দিয়ে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠায়।

    ইসমাইল বলেন, আমার আগে থেকেই পাসপোর্ট করা ছিল। জামিনে মুক্তি পেয়ে ভারতের চেন্নাই চলে এসেছি। তাদের দাবিকৃত অর্থ না দেওয়ার কারণে জেলা ডিবি পুলিশ আমাকে মাদক মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    এদিকে, ভুল আসামী ধরে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় ভুক্তভোগি কলেজছাত্র ইসমাইলের পরিবারের পক্ষ থেকে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি আব্দুল মতিনসহ পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোন লাভ হয়নি।

    সোমবার রাতে ভুক্তভোগির ভাই আব্দুল হাকিম রুবেল গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নথিপত্র দেন। রাতে ভূল আসামী ধরে চালান দেওয়ার সকল নথিপত্র দেখানোর পরও সেটি মানতে নারাজ থানার ওসি আব্দুল মতিন ও এসআই আতিকুর রহমান। এর পর বিষয়টি নিয়ে গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) সোহেল রানাকে অবগত করা হলে তিনি বিষয়টির সত্যতা যাইয়ের জন্য গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি আব্দুল মতিনকে নির্দেশ দেন।

    মঙ্গলবার সকালে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি আব্দুল মতিন বলেন, মূল আসামীর সঠিক ঠিকানা পাওয়া গেছে। যাকে ভূল করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে তার জন্য আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। আশা করছি তার জামিন হয়ে যাবে।

    গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) সোহেল রানা বলেন, ওসিকে আমি পাঠিয়ে ঠিকানা নিশ্চিত হয়েছি। ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সকালে আদালতে প্রতিবেদন দিতে। এতে করে ভুলে গ্রেপ্তার কলেজছাত্র ছাড়া পেয়ে যাবেন। কিভাবে এ ধরণের ভুল হল বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।

    সচেতন মহলের দাবী কোন অধরাধ না কলেজ ছাত্র জেলে, এ দায়ভার কার, তদন্তকরে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জন্য উদ্ধোর্তন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী

  • ঝিনাইদহে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

    ঝিনাইদহে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাচড়া রেলগেট এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে নিহতের নাম পরিচয় জানা যায়নি।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দুপুর ১২টার দিকে চাচড়া রেলগেট থেকে একটু দুরে মাঠের মধ্যে রেললাইনের পাশে এক বৃদ্ধ বসে ছিল।স্থানীয়রা জানান ট্রেনটি যাওয়ার সময় বেশ কিছু সময় ধরে হর্ণ বাজিয়েছে। সে রেললাইনের উপর মাথা রেখে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করছে স্থানীয়রা। রেললাইনের পাশে লোকটির জুতা ও পলিথিনে মোড়ানো পান পড়ে ছিল।কালীগঞ্জ থানা ওসি আবু আজিফ জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে রেললাইন থেকে মরদেহ সরিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এখনও তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি বলেও জানান তিনি।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • সাংবাদিক কাজী শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার দাবিতে চারঘাটে মানববন্ধন

    সাংবাদিক কাজী শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার দাবিতে চারঘাটে মানববন্ধন

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    সংবাদ প্রচারের জেরে রাজশাহীর দেশ টিভির প্রতিনিধি, বাংলাদেশ প্রতিদিনের রাজশাহী প্রতিনিধি ও রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কাজী শাহেদের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন চারঘাটের কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ।

    মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় চারঘাট চৌ-রাস্তার মোরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    মানববন্ধনে কাজী শাহেদের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলা নিঃশ্বর্ত ভাবে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন,  চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবে সভাপতি মোজাম্মেল হক, চারঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাচ্চু ও চারঘাট রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ওবায়দুল ইসলাম রবি।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবর, চারঘাট প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ময়েন উদ্দিন পিন্টু, অর্থ সম্পাদক মিঠু রানা, নির্বাহী সদস্য মিজানুর রহমান, মাইনুল হক সান্টু সহ স্থানীয় সাংবাদিক বৃন্দ।

    বক্তারা, সাংবাদিক কাজী শাহেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা নিঃশ্বর্ত ভাবে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • মাচানে পটল চাষ করে ভাগ্য বদল এক কৃষকের

    মাচানে পটল চাষ করে ভাগ্য বদল এক কৃষকের

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের শার্শায় পটল চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন রায়হান উদ্দিন (৬০) নামে এক কৃষক ।

    রায়হান উদ্দিন উপজেলার শার্শা ইউনিয়নের বেড়ি গ্রামের তোফাজ্জেল খন্দকারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পটল চাষ করে অভাবের সংসারে স্বচ্ছলতা এনেছেন । গত কয়েক বছর আগেও তাদের সংসারে অভাব অনটন লেগেই থাকতো।পটল চাষ করে তিনি ঘুরিয়েছেন তার ভাগ্যের চাকা ।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক রায়হান ৩৩ শতক জমিতে মাচায় বোম্বাই জাতের পটলের চাষ করেছেন। সারিতে সারিতে রোপণ করা পটলগাছের একদিকে থোকায় থোকায় ফুটেছে ফুল, অন্যদিকে দেখা মিলছে ছোট-বড় পটল। তার ক্ষেত থেকে পটল উত্তোলন করা যাবে এখনও প্রায় ২ থেকে ৩ মাস। অন্যান্য ফসল থেকে পটলে বেশি লাভ হওয়ায় ভবিষ্যতে আরো বেশি জমিতে পটলের চাষ করবেন তিনি।

    উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে,এ বছর শার্শা উপজেলায় ৩৪৫ হেক্টর জমিতে পটলের চাষ হয়েছে। ফলন ও লাভ ভাল হওয়ায় এই উপজেলার কৃষকেরা পটল চাষে দিন দিন আগ্রহী হচ্ছেন।

    পটল চাষি রায়হান উদ্দিন জানান, এক সময় তার সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকতো। বর্তমানে পটল চাষ করে তার সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। এখন তার সে অভাব কেটে গেছে। এবার এক বিঘা জমিতে পটল চাষ করেছেন তিনি। ৩৩ শতক জমিতে পটল চাষ করে তার খরচ হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে এ পর্যন্ত তিনি ৭০ হাজার টাকা পটল বিক্রি করে জমিয়েছেন। তার ক্ষেত থেকে সপ্তাহে দুইবারে প্রায় ১৫-২০ মণ পটল তোলেন। উত্তোলন করা এ পটল তিনি উপজেলার সবচেয়ে বড় কাঁচাবাজার নাভারণ কাঁচামালের আড়তে ২৫-৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন। অনেক সময় আবার পাইকারি ব্যবসায়ীরা মাঠ থেকেই পটল নিয়ে যান। আবহাওয়া ভালো থাকলে তার এই জমি থেকে আরো ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকার পটল বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। অন্যান্য ফসল তুলনায় পটলে বেশি লাভ হওয়ায় আগামীতে আরো বেশি জমিতে পটলের চাষ করবেন বলেও জানান তিনি।

    আরো কয়েকজন পটলচাষি জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবত পটল চাষের সাথে যুক্ত আছেন। পটল চাষে তাদের দ্বিগুণ লাভ হয়। এবছর আবহাওয়া ভাল থাকায় তারা বেশি ফলন পাচ্ছেন। বাজারে বেশ ভালো দামে বিক্রি করতে পারছেন। এ বছর পটল চাষে তারা লাভবান হবেন। সারা বছর চাহিদা থাকায় এবং অন্য ফসলের থেকে অধিক লাভ হওয়ায় আগামীতে আরও বেশি জমিতে পটলের চাষ করবেন তারা।

    উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা জানান, পটল একটি জনপ্রিয় সবজি। সারা বছর ধরেই কম-বেশি পাওয়া যায়। চলতি মৌসুমে শার্শা উপজেলায় অনেক চাষি পটল চাষ করে বেশ সাফল্য পেয়েছেন। এ বছর শার্শা উপজেলায় ৩৪৫ হেক্টর জমিতে পটল চাষ করেছেন কৃষকরা। কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপদ সবজি চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

    তিনি আরো জানান, উপজেলা কৃষি অফিস সব সময় আধুনিক পদ্ধতিতে পটল উৎপাদন এবং পোকা-মাকড় ও রোগ দমনে আইপিএম পদ্ধতিসহ বিভিন্ন কার্যকর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কৃষি অফিস থেকে বীজ, সার দিয়ে কৃষকদের ধানের পাশাপাশি সবজি চাষে উদ্ভুদ্ধ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

  • এক মঞ্চে দুই প্রার্থী যুবকদের মুখোমুখি

    এক মঞ্চে দুই প্রার্থী যুবকদের মুখোমুখি

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি ।

    বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলা দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৫ জন প্রার্থী মধ্যে ২ জন প্রার্থী জনকে জনতার মুখোমুখি করেছে জেলা নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও যুব ফোরাম বেতাগী।

    মঙ্গলবার (১৪ মে) সকাল ১১ টায় শহরের মুক্তি যোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রার্থী ও জনতার মুখোমুখি নিয়ে এক মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

    বেতাগী উপজেলার ২ জন নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন । তারা হলেন- সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহামুদা খানম (কলস), নিপু রানী দাস (প্রজাপতি)।

    যুব ফোরাম বেতাগী উপজেলা আহ্বায়ক মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না’র সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এর সদস্য ও বেতাগী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম মন্টু, মুক্তি যোদ্ধাকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব সিকদার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক সিকদার, উপজেলা এনজিও সমন্বয় রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

    যুব ফোরাম বেতাগীর সহযোগিতায় আস্থা নামের প্রকল্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই রকম ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়েছে। এতে উপজেলা শহরের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অংশ নিয়েছেন। অংশ নিয়েছেন যুব সমাজ, তরুণ প্রজন্ম। তারা প্রার্থীদেরকে নানা ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি করে।

    প্রার্থীরা ভোটারদের মাঝে দেয়া প্রতিশ্রুতির মতো নিজস্ব ভঙ্গিতে উত্তর দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রার্থীরা এক ধরনের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন। উপজেলার যুব সমাজ, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, শিক্ষা সংস্কৃতিসহ সকল বিষয় ওঠে আসে। প্রত্যেকেই তারা স্ব স্ব অবস্থান থেকে জনগণের পক্ষে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    উপজেলার ভোট হবে আগামী ২১ মে। মোট ৩৯ টি ভোট কেন্দ্রের মাধ্যমে ১ টি পৌরসভা ও ৭ টি ইউনিয়নের ১ লাখ ১২ হাজার ৫৮৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

  • ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার, শ্রেষ্ঠ এএসআই হলেন মাসুম রানা

    ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার, শ্রেষ্ঠ এএসআই হলেন মাসুম রানা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের জেলার শ্রেষ্ঠ এএসআই (নিরস্ত্র) এপ্রিল -২৪ মাসের বিভিন্ন আভিযানিক সাফল্য ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের ভিত্তিতে পুরস্কার পেলেন কোতোয়ালী মডেল থানার এএসআই মাসুম রানা। এছাড়াও তিনি গুরুত্বপূর্ন মামলার রহস্য উদঘাটনকারী হিসাবে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস) পুরস্কার পেয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৪ মে) সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ লাইন্সের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সুপার মুন্সী কবির উদ্দিন আহমেদ মাল্টিপারপাস শেড (কল্যাণ শেড)-এ জেলা পুলিশের অভিভাবক সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মাছুম আহাম্মদ ভূঞা, বিপিএম, পিপিএম মহোদয়ের সভাপতিত্বে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হলে উক্ত জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় সম্মাননা স্মারক (ক্রেস) শ্রেষ্ঠ এএসআই মাসুম রানার হাতে তুলে দেন পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূইয়া।

    সুত্র মতে জানা গেছে- মাদক ছিনতাইসহ , সামগ্রিক কর্মতৎপরতা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটনসহ নানা কারণে কোতোয়ালি মডেল থানায় তিনি ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।

    এছাড়াও এপ্রিল/২০২৪ মাসের বিভিন্ন আভিযানিক সাফল্য ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের ভিত্তিতে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যবৃন্দকে সম্মাননা স্মারক ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসাবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল মোঃ শাহীনুল ইসলাম ফকির, শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ – কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন, শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)- কোতোয়ালী মডেল থানার তদন্ত ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন, শ্রেষ্ঠ এসআই (প্রথম)- মুক্তাগাছা থানার এসআই (নিঃ)/মোঃ শাহীন মিয়া,
    শ্রেষ্ঠ মামলা নিষ্পত্তিকারী অফিসার-এসআই (নিঃ)/ পাগলা থানার শেখ রফিকুল ইসলাম, শ্রেষ্ঠ এএসআই – এএসআই (নিঃ)/ কোতোয়ালী মডেল থানার মাসুম রানা, শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার-হিসাবে এসআই(নিঃ)/ কোতোয়ালি মডেল থানার শুভ্র সাহা,
    শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার- মুক্তাগাছার টিএসআই/মোঃ নুর আলমগীর খান,এছাড়াও বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার সাফল্য এবং উদ্ধার সংক্রান্তে ১২ টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাছাড়া এসআই (নিরস্ত্র)/মো: ফিরোজ আহম্মেদ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হওয়ায় পুলিশ সুপার তাকে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং ২০২৪ সালের মে মাসে পিআরএল গমনকারী ২ জন পুলিশ সদস্যকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

    কল্যাণ সভার শেষ পর্যায়ে পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূইয়া তার বক্তব্যে ফোর্সের উন্নয়নমূলক বিবিধ দিক-নির্দেশনার পাশাপাশি ডিউটি পালনকালে সর্বোচ্চ ধৈর্য্য, সততা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।

    কল্যাণ সভার পরবর্তী পর্যায়ে পুলিশ সুপার সহ সকল কর্মকর্তাবৃন্দ মাসিক অপরাধ সভায় যোগ দান করেন। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা, বিপিএম, পিপিএম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস), মোঃ শামীম হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), ফাল্গুনী নন্দী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি),(পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত),এম এম মোহাইমেনুর রশিদ, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সহ ময়মনসিংহ জেলাধীন সকল সার্কেলের সম্মানিত সার্কেল অফিসারবৃন্দ এবং সকল থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দ।

    সভায় জেলার বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি,অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার, জেলার মুলতবি মামলা, গ্রেফতারি পরোয়ানা নিষ্পত্তি, স্পর্শকাতর মামলা সমূহের অগ্রগতি সহ জেলার গোয়েন্দা কার্যক্রম নিয়ে বিশদ এবং ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয়।