Author: desk

  • নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজে বার্ষিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

    নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজে বার্ষিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজে বার্ষিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (১১ জুন) নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজ এর বার্ষিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান মহোদয়। এ সময় নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার মহোদয়ের হাতে সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ্বজিৎ কুমার ভৌমিক। পুলিশ সুপার মহোদয় অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে বার্ষিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতা-২০২৪ উপলক্ষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে উপস্থিত ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন “ভালো কিছু অর্জনে পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই।” তিনি স্টুডেন্টদের সঠিক গন্তব্যে পৌঁছার জন্য টার্গেট নিয়ে পড়াশোনা করার ব্যাপারে উৎসাহিত করেন।
    এ সময় শ্যামা প্রসাদ সাহা, সহকারী অধ্যাপক, দর্শন ও আহ্বায়ক, বার্ষিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতা-২০২৪; মুহাম্মদ নাজমুল হুসাইন রনি, সম্পাদক, শিক্ষক পরিষদ সহ নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজ এর অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও ছাত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • রাঙ্গাবালিতে নাই পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ হয়নি টেকসই বেড়ীবাঁধ

    রাঙ্গাবালিতে নাই পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ হয়নি টেকসই বেড়ীবাঁধ

    রফিকুল ইসলাম,
    প্রতি বছরই উপকূলে আঘাত হানছে কোননা কোন ঘূর্ণিঝড়। লন্ডভন্ড করে দিচ্ছে পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালীকে। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিস্ব হচ্ছে হাজার হাজার পরিবার। তবুও টনক নড়ছেনা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের। এখনো নির্মাণ হয়নি টেকসই বাঁধ আর পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার। ঘূর্ণিঝড় এলে সবাই নড়েচড়ে বসলেও কিছু দিন পর কেটে যায় রেশ। আলোচনার বাইরে থাকে অরক্ষিত উপকূল। আর এ কারণেই প্রতিবারের ঘূর্ণিঝড়ে মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয় অপূরনীয়। যা এবারের ঘূর্ণিঝড় রেমাল চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড় রেমাল কেটে গেছে। জলচ্ছ্বাসের পানিও নেমে গেছে। তাতেই কি নিরাপদ উপকূবাসী?
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপকূলের বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ দ্রুত সময়ের মধ্যে পুন: নির্মাণ না করা হলে অদূর ভবিষ্যতে কোন ঘূর্ণিঝড় আঘাতহানলে প্ররিস্থি হতে পারে আরো ভয়াবহ।

    সুপার সাইক্লোন সিডরের পর সবচেয় বেশি তান্ডব চালায় ‘রেমাল’ গত ২৬ মে রাতে আঘাতহানে অতিপ্রবল এ ঘূর্ণিঝড়। প্রচন্ড ঢেউয়ের তোড়ে বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গ যায় বেড়িবাঁধ। জলোচ্ছ্বাসে প্লবিত হয় উপজেলার চর আন্ডা, মোল্লা গ্রাম, নয়াচর, বউ বাজার, চালিতাবুনিয়া, মাঝের চর, চর কানকুনি ও কাউখালী চর সহ বেশ কয়েকটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। হুহু করে পানি ঢুকে লন্ডভন্ড হয়ে যায় মানুষের বাড়ি-ঘর। বাস্তুহারা হয়ে পরে হাজারো মানুষ।

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে, ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা রাঙ্গাবালী। শুধু এ উপজেলাতেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ১৪ হাজার বাড়ি-ঘর। এমধ্যে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত দেড় বাড়ি-ঘর। ভেসে গেছে দেড় হাজারেরও বেশি মাছের ঘের ও পুকুর। ক্ষতি হয়েছে ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মারা গেছে ৫৭৭টি গবাদিপশু। সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৪৮ হাজার ৩০০।

    উপকূলেরবাসীর দাবী, টেকসঁই বেড়িবাঁধ নির্মাণ না করায় প্রতিবছরই কোননা কোন ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনে লন্ডভন্ড করে দেয়। এক দুর্যোগের ধাকল না কাটতেই আরেক দুর্যোগ এসে তছনছ করে দেয়। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কেউ কেউ এখন সব হারিয়ে নিস্ব। বাস্তুহারা হাজার হাজার মানুষ। নতুন করে ঘর সাজানোর অর্থও নেই তাদের। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন অনেকেই। তাই এবার শুধু ত্রাণ নয়। টেঁকসই বাঁধ ও পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেল্টার চান তারা।

    গত ৩০ মে ঘূর্ণিঝড় দুর্গতদের দেখতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় হেলিকপ্টারে করে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পরদিন রাঙ্গাবালীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দ্বীপগুলোতে স্পীডবোট নিয়ে পরিদর্শনে যান দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান। এসময় ত্রাণ পেয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা কিছুটা খুশি হলেও প্রতিমন্ত্রীর কাছে স্থায়ী বাঁধ ও সাইক্লোনশেল্টার নির্মাণের দাবী জানান। ‘ত্রাণ চাইনা, বেড়িবাঁধ চাই’ দাবী সম্বলিত পোস্টার বুকে ঝুলিয়ে তারা এ দাবী জানান প্রতিমন্ত্রীর কাছে।
    রাঙ্গাবালী উপজেলার ঘূর্ণিঝড় দুর্গত এলাকা চর আন্ডা’র বাসিন্দা তুহিন হাওলাদার বলেন, সিডর, আইলা, মহসেন, ফনি থেকে শুরু করে সব ঘূর্ণিঝড় আঘাতে হেনেছে এই চরের ওপর। ২০০৭ সালে সিডরের সময় বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত করেছিল। এরপর আর তা মেরামত কিংবা পু:ন নির্মাণ করা হয়নি। যার কারণে সিডর পরবর্তী সকল ঘূর্ণিঝড়ে পানি ঢুকে তছনছ করে দেয় দুর্যোগের ক্ষতি পুসিয়ে উঠার আগেই চলে আসে আরেক ঘূর্ণিঝড়। যার কারণে মাছ শিকারের ওপর জীবিকা নির্ভর এই জনপদের মানুষের দরিদ্র থেকে নিস্ব হয়ে গেছে।

    চর আন্ডা গ্রামের ইউপি সদস্য মো. লোকমান জানান, বিভিন্ন সময়ের ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ পুনঃ নির্মাণ না করায়, এবারের রেমালের তান্ডবে পুরো ভেঙে যায় বাঁধ। হুহু করে পানি ঢুকে যায়। মুহুর্তেই প্লাবিত হয় পুরো এলাকা। বড় বড় ঢেউয়ের তান্ডব বাড়ি ঘরের মধ্যে থাকা সব কিছু কেড়ে নেয়। কেউ কেউ পরনের পোশাক ছাড়া ঘর থেকে অন্য কিছু রক্ষা করতে পারেনি। সহায়সম্বলহীন হয়ে বেড়িবাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন কেউ কেউ। ঘর নির্মাণ করার টাকা না থাকায় অনিশ্চিত জীবনের মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্থ অনেক মানুষ।

    এব্যাপারে জানতে চাইলে স্থানীয় সাংসদ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান জানান, রেমালের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সব মন্ত্রনালয়ের সমন্বয়ে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে দুর্যোগপূর্ণ নিম্নাঞ্চলে সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও বাস্তুহারা মানুষের বাড়ি-ঘর নির্মাণে পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাজ চলছে। বিশেষ করে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এ অঞ্চলে এসে হেলিকপ্টারে চড়ে নিজ চোখে ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য অবলোকন করেছেন এবং সমাবেশে তিনি আশ্বাস দেন বাস্তুহারা মানুষের বাসস্থান ও ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ নির্মাণ করে দেয়ার। এরপরই সব মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের সব সমস্যা সমাধান হবে।

    রফিকুল ইসলাম ,
    রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা।

  • গোদাগাড়ীতে নিলামে পানির দামে ৩৮ শাহীওয়াল গরু। এমপির নির্দেশ উপেক্ষিত

    গোদাগাড়ীতে নিলামে পানির দামে ৩৮ শাহীওয়াল গরু। এমপির নির্দেশ উপেক্ষিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ নিলামে গরু কেনার জন্য ৩৫০-এর বেশি ব্যক্তি ব্যাংকে বিডি করে হাজির হয়েছিলেন রাজশাহীর রাজাবাড়িতে অবস্থিত দুগ্ধ ও গবাদি উন্নয়ন খামারে। সবার সামনে একে একে ডাকে তোলা হয় খামারে পালন করা পাকিস্তানি শাহীওয়াল জাতের গরুগুলো। কিন্তু নিলামে মাত্র ৫-৬ জন ছাড়া আর কেউ ডাকে অংশ নেননি। তারাই ঠিক করেন ৫-৬ জনের মধ্যে কে নেবেন কোন গরু। এভাবে ৩৮টি গরু নামেমাত্র দরে কিনেছেন তারা। প্রতিটি গরু প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নির্ধারিত সর্বনিম্ন দামের চেয়ে মাত্র ৬০০ টাকা বেশি করে দিয়ে নিয়ে গেছেন তারা। এই নিলাম সিন্ডিকেটের মূলহোতা মেহরাব। তিনি স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির ছোট ভাই। এই সিন্ডিকের দাপটে অন্যরা নিলামে দাম হাঁকার সাহস পাননি। অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয় এমপি ফারুক চৌধুরী ফোন করে তাৎক্ষণিক নিলাম কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন। কিন্তু তা কানে তোলেনি কর্তৃপক্ষ।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজাবাড়ি দুগ্ধ ও গবাদি খামারের ৫১টি গরু ‘পালনের অনুপযোগী’ দেখিয়ে উন্মুক্ত নিলামে বিক্রির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে গাভী ১০টি, বকনা ১৬টি, এঁড়ে ২১টি ও ৪টি বড় ষাঁড়। নিলামের জন্য গ্রেড ভেদে প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের দাম অনুমোদন করা হয় ২৭৫ টাকা ও ২৬০ টাকা। গতকাল গরু নিলামের নির্ধারিত দিন ছিল। নিলামে অংশ নিতে ৩৫৭ জন ব্যাংকে বিডি করেছিলেন।

    গতকাল বেলা ১১টায় খামারে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকশ ব্যক্তি এসেছেন নিলামে অংশ নিতে। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও নিলাম কমিটির সভাপতি ড. জুলফিকার মো. আখতার হোসেন, দুগ্ধ ও গবাদি উন্নয়ন খামারের উপ-পরিচালক ও নিলাম কমিটির সদস্য সচিব ইসমাইল হকসহ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিলামের কার্যক্রম শুরু করেন। তবে কমিটির সদস্য হিসেবে স্থানীয় এমপির প্রতিনিধি আব্দুর রশিদ নিলামে উপস্থিত ছিলেন না। প্রথমে একটি বড় ষাঁড় নিলামে তোলা হয়। সরকার নির্ধারিত দাম হিসাবে ষাঁড়টির মূল্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা বলা হয়। তবে এই ডাকে তিনজন দর হাঁকেন। এর মধ্যে একজন ২০০ টাকা এবং আরেক জন ৪০০ টাকা দর বলেন। তবে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মেহরাব মাত্র ৬০০ টাকা বেশি দিয়ে ষাঁড়টি কিনে নেন। অর্থাৎ ওই ষাঁড়টি নিলামে ১ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়। পরের ষাঁড়টির সরকারি দাম হাঁকা হয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এবারও মেহরাব সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মাত্র ৮০০ টাকা দিয়ে এটি কিনে নেন। নিলামে মেহরাব, লতিফ, তাজমুল, উৎসব, কালু ও রেজোয়ান ছাড়া আর কেউ ডাকে অংশ নেয়নি।

    সিন্ডিকেটের বাইরের ওয়াকিল নামে একজন নিলামে ডাক দিতে চাইলে তাকে তাড়িয়ে দেয় মেহরাবের লোকজন। এমনকি মেহরাবই নিলাম কমিটির কর্মকর্তাদের বলে দেন খাতায় কার নামে কত দর লিখতে হবে। এভাবে নিলাম কমিটি প্রতিটি গরু মাত্র ৬০০ টাকা বেশি দরদাতার কাছে বিক্রি করা হয়। ফলে ৩৮টি গরু ২৫ লাখ ২১ হাজার ৫৫০ টাকায় বিক্রি হয়।

    এ খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টা দিতে স্থানীয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী দুগ্ধ ও গবাদি উন্নয়ন খামারের উপ-পরিচালক ও নিলাম কমিটির সদস্য সচিব ইসমাইল হককে ফোন করে নিলাম কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন। এ সময় সিন্ডিকেটের আরেক সদস্য ইমন মণ্ডলের কাছে পরামর্শ চান ইসমাইল হক। ইমন ওই কর্মকর্তাকে বলেন, ‘আমরা কোনো দুর্নীতি করছি না। আপনি নিলাম চালিয়ে যান।’ ফলে এমপির নির্দেশের পরও নিলাম বন্ধ হয়নি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মেহরাব বলেন, ‘কাউকে নিলামে অংশগ্রহণ করতে বাধা দেওয়া হয়নি। কেউ না ডাকলে আমাদের কিছু করার নেই।’

    এ বিষয়ে উপ-দুগ্ধ ও গবাদি উন্নয়ন খামারের পরিচালক ইসমাইল হক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. জুলফিকার মো. আখতার হোসেন বলেন, ‘মেহরাব সিন্ডিকেটের কাছে আমরা অসহায়। তারাই এখানে বড় পার্টি। সবকিছু বুঝি। কিন্তু করার কিছু নেই। এই নিলামে জন্য ৩৫০ জনের ওপরে বিডি করেছিল। কিন্তু দর বলেছে ওদের ৪-৫ জনই। অন্য কেউ আসেনি।’

    রাজশাহী-১ আসনের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিবছর একটি সিন্ডিকেট এ কাজ করে। তার লোক ছাড়া আর কেউ ডাক দিতে পারে না। এটা তো অপরাধ। অভিযোগ পাওয়ার পর নিলাম স্থগিত করতে ডিডি সাহেবকে ফোন করেছিলাম। উন্মুক্ত নিলামের ব্যবস্থা করতে বলেছিলাম।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নড়াইলে পুলিশের পৃথক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৫

    নড়াইলে পুলিশের পৃথক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ১৫

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল জেলার বিভিন্ন থানায় গত ২৪ ঘন্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ওয়ারেন্ট মূলে দশজন (নড়াইল সদর-পাচ লোহাগড়া-এক, নড়াগাতী-চার), নিয়মিত মামলায় গ্রেফতার তিনজন (নড়াইল সদর-তিন), ১৫১ ধারায় একজন (নড়াইল সদর) মোট ১৪ জন আসামি গ্রেফতার করে। উজ্জ্বল রায়’নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, ফৌজদারি অপরাধ যেমন চুরি, ছিনতাই, মাদক, নারী নির্যাতন সহ শান্তি বিনষ্টকারী, উগ্রবাদ, সাইবার অপরাধের সাথে যেই জড়িত থাকুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে বদ্ধ পরিকর নড়াইল জেলা পুলিশ। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র সার্বিক দিকনির্দেশনায় নড়াইলবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে চলেছে। অপরদিকে
    উজ্জ্বল রায়’নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    লোহাগড়া থানা পুলিশের অভিযানে একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত একজন আসামি গ্রেফতার। তিনটি এনআই এ্যাক্টের মামলায় যথাক্রমে একবছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১৪,৫০,০০০/- টাকা, দশ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২৬,৫০,০০০/- টাকা এবং ১০(দশ) মাসের বিনাশ্রম করাদন্ড ও ১২,০০,০০০/- টাকা জরিমানাপ্রাপ্ত আসামি এস এম ওহিদুজ্জামানকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামি এস এম ওহিদুজ্জামান নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার পূর্ব চরকলা গ্রামের মোঃ গোলাম মোস্তফা এর ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কুমার রায় এর তত্ত্বাবধানে এএসআই (নিঃ) বাচ্চু শেখ ও এএসআই (নিঃ) মিকাইল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানাধীন চরকালনা গ্রাম হতে তাকে গ্রেফতার করে। আসামির নামে লোহাগড়া থানায় এনআই এ্যাক্টের ০৩টি সাজা পরোয়ানা ও একটি মাদক মামলার পরোয়ানা সহ মোট চারটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র সার্বিক দিকনির্দেশনায় ওয়ারেন্ট তামিলে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

  • পাইকগাছায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ৩৫ পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর

    পাইকগাছায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ৩৫ পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা) ।।
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশের ন্যায় খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় আশ্রয়হীন ৩৫ টি পরিবারের মাঝে দুর্যোগ সহনীয় ঘর ও জমির দলিল হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। এর মধ্যে পাইকগাছা উপজেলার গড়ইখালীতে ৩৫ টি পরিবার এ ঘর ও জমির দলিল পেয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিক ভাবে এসব ঘর ও দলিল হস্তান্তর করেন।
    সারা বাংলাদেশে একযোগে ৭০ জেলায় ১৮৫৬৬ টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের মাঝে উক্ত গৃহ ও জমি হস্তান্তর কার্যক্রমের ভার্চুয়ালী উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন,খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াছির আরেফিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুকুল কুমার বৈদ্য, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু, মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ শাহাদাত হোসেন বাচ্চু। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, গড়ুরখালী ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাশ, পল্লী বিদ্যুৎ ডিজিএম মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন শাহা, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ শাফিন শোয়েব, সমাজসেবা অফিসার অনাথ কুমার, সহকারী প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাস, উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ শাহাদাৎ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, উপজেলা সমবায় অফিসার হুমায়ুন কবির, বীরমুক্তিযোদ্ধা আঃ গফুর, রনজিত কুমার সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিক বৃন্দ। এসময়ে উপকারভোগীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাশারুল ইসলাম ও জেসমিন আক্তার এসময়ে তাহারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। উল্লেখ্য, ৫ম পর্বের ৩৫ টা ঘর উপজেলার গড়ুইখালী ইউনিয়নের আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দাদের কাছে হস্তান্তরের মধ্যে দিয়ে এ উপজেলায় মোট ৮১৭ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমি ও গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেলেন ১০ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার

    ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেলেন ১০ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার মানবিক উপহার হিসাবে সারাদেশে ১৮৫৬৬ টি ভূমিহীন – গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর করেন। মঙ্গলবার ১১জুন গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সরাসরি যুক্ত থেকে তিনি কার্যক্রমের শুভ উদ্ধোধন করেন। আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর ৫ম পর্যায়ে ২য় ধাপে এপর্যায়ে ময়মনসিংহ সদরে ১০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের হাতে ২শতক জমিসহ জমির কাগজপত্র বুঝিয়ে দেন। ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোঃ মাকসুদ চৌধুরী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফতেখার ইউনুস এর সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড আসাদুজ্জান রনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সালাম,জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মনতাজ উদ্দিন মন্তা,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা সহ জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের হাতে জমি ও ঘরের কাগজপত্র হস্তান্তর করেন।

  • ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক মিন্টু আটক

    ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক মিন্টু আটক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
    সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যায় জড়িত সন্দেহে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে তাকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল বিষয়টি ঝিনাইদহে টক অব দি টাউন। পুলিশের সূত্রের দাবি, আক্তারুজ্জামান শাহীনের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের যোগাযোগ ছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম অপুর কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ওই নেতার আটক হওয়ার কথা লোক মুখে শুনছি। অপরদিকে মহেশপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সদর থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার শরীফ ও নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর ঝিনাইদহের বাড়িতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • বানারীপাড়ায় প্রেমিকের সাথে মা পলাতক, মেয়ের বাথরুমে গলায় ফাঁস

    বানারীপাড়ায় প্রেমিকের সাথে মা পলাতক, মেয়ের বাথরুমে গলায় ফাঁস

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি ।। বানারীপাড়ায় বাথরুম থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় জান্নাতুল (১৩) নামের ৭ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্বার করেছে পুলিশ ।

    মঙ্গলবার (১১জুন) সকালে উপজেলার ধারালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

    জান্নাতুল ওই গ্রামের সৌদি প্রবাসী পাপনের মেয়ে এবং স্থানীয় সলিয়াবাকপুর ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

    বানারীপাড়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোমিন উদ্দিন জানান, জান্নাতুলের মা শান্তা পরকীয়ায় আসক্ত। সোমবার (১০ জুন) রাতে তিনি পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যান। মঙ্গলবার সকালে জান্নাতুলকে বাসার বাথরুমে গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- মা পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ায় কষ্ট ও লজ্জায় জান্নাতুল আত্মহত্যা করেছে। প্রকৃত মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে ময়না তদন্তের জন্য বরিশালে শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আপাতত অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।#

  • বানারীপাড়ায় ভৃমিহীন-গৃহহীনদের মাঝে দলিল হস্তান্তর

    বানারীপাড়ায় ভৃমিহীন-গৃহহীনদের মাঝে দলিল হস্তান্তর

    এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া(বরিশাল) প্রতিনিধি।। মঙ্গলবার ১১ জুন বানারীপাড়ায় ভৃমিহীন-গৃহহীন পরিবারদের মাঝে দলিল হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অন্তরা হালদার। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাসিন তাসমিন রহমান অনিন্দ্র এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আফসানা আরেফিন, পিআইও মহসিন উল ইসলাম, সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম প্রমূখ।
    এসময় বানারীপাড়ার বিভিন্ন আবাসনে১৩৯ জনকে ভৃমিহীন-গৃহহীনদের মাঝে দলিল হস্তান্তর করা হয়। #

    এস মিজানুল ইসলাম
    বানারীপাড়া, বরিশাল

  • পুঠিয়ার বেলপুকুরে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

    পুঠিয়ার বেলপুকুরে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

    পুঠিয়া(রাজশাহী)প্রতিনিধি:

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘স্কুল ভিজিটিং প্রোগ্রাম’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল ১১টায় পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর থানার উদ্যেগে ধাদাস উচ্চ বিদ্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ মতবিনিময় সভায় আরএমপি’র বেলপুকুর থানার ওসি মোঃ মামুনুর রশিদ, এস আই, রিমন হোসাইন, ধাদাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একরামুল হক উপস্থিত থেকে মাদক, ইভটিজিং, সাইবার ইস্যু ট্রাফিক রুলস এবং সামাজিক অপরাধ যেমন বাল্যবিবাহ, যৌতুক, কিশোর গ্যাং ও মানবপাচার প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করেন। স্বতঃস্ফুর্ত এ মুক্ত আলোচনা সভায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা কর্মকর্তাদের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা উপস্থাপন করেন।

    মতবিনিময় সভায় মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরেন। মাদক থেকে দূরে থাকতে উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের অনুরোধ করেন। এছাড়াও সতর্ক থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে পরামর্শ প্রদান করেন। কেউ সাইবার অপরাধের শিকার হলে কীভাবে প্রতিকার পাওয়া যাবে সে বিষয়ে আলোচনা করেন। তাছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের ট্রাফিক আইন জেনে ও মেনে নিরাপদে পথ চলা, নিয়ম মেনে রাস্তা পারাপারসহ প্রয়োজনে ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতা গ্রহণ করতে বলেন। রাস্তায় বিপদে পড়লে বা কেউ ইভটিজিংয়ের শিকার হলে পুলিশের সহযোগিতা নেওয়া বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করতে বলাসহ বাল্যবিবাহ, যৌতুক, কিশোর গ্যাং ও মানবপাচার সংক্রান্ত সচেতনতামূলক পরামর্শ দেন। #

    মাজেদুর রহমান  (মাজদার)  

    পুঠিয়া -রাজশাহী।