Author: desk

  • ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কার পেয়েছেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সায়েদ

    ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কার পেয়েছেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সায়েদ

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কার পেয়েছেন মানবিক পুলিশ অফিসার আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ. এফ. এম সায়েদ। তিনি মানবিক পুলিশ অফিসার বলেই রাজনৈতিক, পেশাজীবি ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ তাঁকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

    বুধবার (১২জুন ২০২৪ইং) রাতে জানা গেছে, তিনি এর আগে ঢাকা জেলার ধামরাই থানা, ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি), সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, এরপর সাভার মডেল থানা থেকে বদলি হয় নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কার পেয়েছেন।

    এরপর রূপগঞ্জ থানা থেকে বদলি হয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় আসেন ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে, তিনি সবসময় সততা ও সাহসী ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করেন এবং কিছু মানবিক কাজ করায়, বিশেষ সম্মানে ঢাকা জেলা আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে ঢাকা জেলা শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কারে পুরস্কৃত হলেন। তার জীবনে একাধিকবার এমন সম্মান অর্জন করেছেন।

    রাজনৈতিক, পেশাজীবি ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে অনেক পছন্দ করেন এবং ভালোবাসেন, সর্বসাধারণের জন্য তার দরজা সবসময়ই খোলা আছে বলেই তিনি মানবিক পুলিশ অফিসার। অনেকেই এই আশুলিয়া থানার ওসিকে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করছেন যে, অভিনন্দন ও আপনার জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাকে সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু দান করেন।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা এ. এফ.এম সায়েদ বলেন, যেকোনো মানবিক কাজ করতে আমি প্রস্তুত আছি, সেই সাথে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে তাদেরকে আটক করার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে, অপরাধী যেইহোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।

  • সুজানগরের ১১০০ কৃষক পেল বিনামূল্যে বীজ ও সার

    সুজানগরের ১১০০ কৃষক পেল বিনামূল্যে বীজ ও সার

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার জিল্লুর রহমান,উপজেলা মৎস্য অফিসার নূর কাজমীর জামান খান, তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা,সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী,আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান সবুজসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির কৃষি বান্ধব সরকারের কৃষি উন্নয়নে নানাবিধ কর্মসূচির ভুয়সী প্রসংশা করেন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি বিভাগের প্রসংসা করে কৃষককে অধিক পরিমাণে ফসল ফলনে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহবান জানান। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খরিফ-২/২০২৪-২৫ মৌসুমে রোপা আমন ধানের উফশী জাতের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সুজানগর উপজেলার ১১০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হচ্ছে। এই প্রনোদনা কর্মসূচিতে ১১০০ জন কৃষকের প্রত্যেকে ০৫ কেজি করে বীজ ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • সুজানগরে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

    সুজানগরে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে ২২০২৩-২৪ আর্থিক সালে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প এর আওতায় নিবন্ধিত জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উপকরণ সহায়তা হিসেবে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের বাস্তবায়নে বুধবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে বকনা বাছুর বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা মৎস্য অফিসার নূর কাজমীর জামান খান। অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার জিল্লুর রহমান, তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা,সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী,আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসহায় রোগীরা পেল সাড়ে ২০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা

    সুজানগরে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসহায় রোগীরা পেল সাড়ে ২০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ ক্যান্সার সহ দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত সুজানগর উপজেলার ৪১ জন অসহায় রোগীর মাঝে ২০ লাখ ৫০হাজার টাকার সরকারি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ক্যান্সার,কিডনী,লিভার সিরোসিস,স্ট্রোকে প্যারালাইজড,জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের সমাজসেবা অধিদফপ্তরের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বুধবার এ সহায়তা প্রদান করা হয়। সুজানগর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রোগীদের মাঝে এককালীন এ আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার জিল্লুর রহমান। অনুষ্ঠানে থানা অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিন,উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য অফিসার নূর কাজমীর জামান খান,তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা,সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী,আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান সবুজ,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।সুজানগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো.জিল্লুর রহমান জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদফপ্তর হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম এর মাধ্যমে দুঃস্থ ও অসহায় রোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে বর্তমানে ক্যান্সার,কিডনী,লিভার সিরোসিস,স্ট্রোকে প্যারালাইজড,জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের এককালীন জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা হারে বাজেট প্রাপ্তি সাপেক্ষে এ চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • হাঁস-মুরগীর খাদ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্রোমিয়াম(ঈৎ) ব্যবহার হচ্ছে মর্মে বিএসটিআই’র অভিযান

    হাঁস-মুরগীর খাদ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্রোমিয়াম(ঈৎ) ব্যবহার হচ্ছে মর্মে বিএসটিআই’র অভিযান

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    হাঁস-মুরগীর খাদ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্রোমিয়াম(ঈৎ) ব্যবহার হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়ায় রংপুর জেলার ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭টি নমুনা পরীক্ষণের জন্য ঢাকায় প্রেরণ

    অদ্য ১২.০৬.২০২৪ খ্রিস্টাব্দে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে রংপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় একটি সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে- (১) মেসার্স এস.এস এগ্রো ফিডস লিমিটেড, জনকিনাথপুর, জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর থেকে স্টার্টার এবং গ্রোয়ার ২টি হাঁস-মুরগীর খাদ্যের নমুনা পরীক্ষণের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে (২) মেসার্স রংপুর পল্ট্রি লিমিটেড, কায়দাহারা, তামপাট, বড়রংপুর, সদর, রংপুর থেকে স্টার্টার, গ্রোয়ার ও ফিনিশার ৩টি হাঁস-মুরগীর খাদ্যের নমুনা পরীক্ষণের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে (৩) মেসার্স জম জম এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ, দেওয়ানটুলী, মাহিগঞ্জ, মহানগর, রংপুর থেকে স্টার্টার ও গ্রোয়ার ২টি হাঁস-মুরগীর খাদ্যের নমুনা পরীক্ষণের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে। উক্ত ৩টি প্রতিষ্ঠানের ৭টি নমুনা সংগ্রহ করে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্রোমিয়াম (ঈৎ) সনাক্তকরণের জন্য বিএসটিআই, ঢাকার পরীক্ষণ ল্যাবে প্রেরণ করা হয়েছে। কোন বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    উক্ত অভিযানটিতে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম), প্রকৌঃ মোঃ তাওহীদ আল আমিন, ফিল্ড অফিসার (সিএম) ও প্রকৌঃ প্রান্তজিত সরকার, পরিদর্শক (মেট্রোলজি), বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সুজানগরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্টিত

    সুজানগরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্টিত

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্টিত হয়। সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব। সভায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা, সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জালাল উদ্দিন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ, মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন,ভায়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান, নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি মাদক-জুয়া, চুরি-ডাকাতি,বাল্যবিবাহ, যৌতুক, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং সহ আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন,সরকার দেশের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। তাই অপরাধ প্রবণতা বন্ধে ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের পাশাপাশি সকল নাগরিককে ভূমিকা রাখতে হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ

    সুজানগরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ সুজানগরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক) ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় (বালিকা) জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উপজেলা পর্যায়ে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে । উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বুধবার এ ফুটবল টুর্নামেন্টের এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদের সভাপতিত্বে ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল ওহাব,পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জালাল উদ্দিন ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার কাজী আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সুজানগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সুজানগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম টুকু, দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির বলেন লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের ক্রীড়া চর্চায় উদ্বুদ্ধকরণ ও শারীরিক,মানসিক ও নান্দনিক বিকাশ,প্রতিযোগীতার মাধ্যমে মনোবল বৃদ্ধি সহ সকল ধরণের অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করেছে সরকার।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • তানোরে দিনব্যাপি অভ্যন্তরীণ দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৪

    তানোরে দিনব্যাপি অভ্যন্তরীণ দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৪

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের কর্মরত দলিল লেখকদের দিনব্যাপী অভ্যন্তরীন দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৪ আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, গত ১২ জুন বুধবার তানোর সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের উদ্যোগে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় চত্ত্বরে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার ইয়াসির আরাফাত ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার তানিয়া তাহের এবং অফিস সহকারী সাফিরুন নেসা।
    অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ,
    সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, কোষাধ্যক্ষ সোহেল, সিনিয়র দলিল লেখক
    খায়রুল ইসলাম, ওবাইদুর রহমান দুলাল, রায়হানুল হক রায়হান, আরশাদ আলী, আকতার হোসেন। নকল নবিস সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সম্পাদক আব্দুল খালেক ও কোষাধ্যক্ষ
    শাহাদাৎ হোসেনপ্রমুখ।
    এদিন প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দলিল পরিচিতি, নিবন্ধন আইনের ৫২(ক) ধারা, নিবন্ধন বিধিমালার বিধি ২০ এর বিধানাবলি ও দলিল লিখন পদ্ধতি।
    নকল নবিসগণ কর্তৃক আদায়কৃত ফিস, নকল নবিসগণের অনুলিপি কাজ বাবদ অর্থ আদায় ও পরিশোধ করণ বিধিমালা-২০১৮। রেকর্ড সংরক্ষণ ও বিনষ্টকরণ এবং রেকর্ডরুম ব্যবস্থাপনা।পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন-২০১২
    ও পাওয়ার অব অ্যাটনি বিধিমালা-
    ২০১৫। দলিল লেখক (সনদ) বিধিমালা-২০১৪। মূল্যায়ন রিসোর্স পার্সন/ফ্যাকাল্টি ইত্যাদি বিষয়ের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পরে প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।#

  • ২৮ শূন্য পদে আছেন ছয়জন ডাক্তার সংকটে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

    ২৮ শূন্য পদে আছেন ছয়জন ডাক্তার সংকটে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটে চিকিৎসাসেবা নিতে রোগীদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। হাসপাতালটিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন ফার্মাসিস্ট। এখানে নেই কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং মেডিকেল অফিসার তাই ফার্মাসিস্ট দিয়েই চলছে বহির্বিভাগ। হাসপাতালে জরুরি বিভাগে রোগী আসলেই তাদের পাঠিয়ে দেয়া হয় জেলা সদরসহ অন্য হাসপাতালে।

    জানা যায়, বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন রোগী এবং জরুরি বিভাগে ৫০ থেকে ১০০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন এর মধ্যে ইনডোরে রোগী ভর্তি হোন ৭০ থেকে ৮০ জন। চিকিৎসক সংকটের কারনে বেশির ভাগ রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অন্যত্র পাঠানো হয়। শুধু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে উপজেলায় ১লাখ ৬০ হাজার ৯০ জন মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল এই হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে।

    রোগীদের অভিযোগ, এতো বড় হাসপাতালে মাত্র ৬ জন চিকিৎসক থাকলে চিকিৎসা পাব কিভাবে? হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট থাকার কারণে তারা চিকিৎসা সেবা থেকে বি ত হচ্ছেন। বাধ্য হয়ে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিকে ডাক্তার দেখাতে হচ্ছে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ক্লিনিকে ডাক্তার দেখানোর মতো সামথ্যও নেই তাদের।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয় উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে। এ হাসপাতালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, মেডিকেল অফিসার, জুনিয়র কনসালটেন্ট ও সহকারী সার্জনসহ ২৮ জনের পদ রয়েছে। কিন্তু ২৮ জনের স্থলে রয়েছে ৬জন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) হিসেবে রয়েছেন ডাক্তার আফিফা জিন্নাত আফি ও ডেন্টাল সার্জন ডা.আনোয়ার হোসেন এবং মেডিকেল অফিসার ৩জন এরমধ্যে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) পদে একজন নিয়োজিত। বর্তমানে আবাসিক মেডিকেল অফিসারসহ মোট ২২ জন চিকিৎসকের পদ শূন্য। এর মধ্যে জুনিয়র কনসালটেন্ট (ইএনটি), জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি), জুনিয়র কনসালটেন্ট (চক্ষু), জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন), জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক), জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিও), জুনিয়র কনসালটেন্ট (এনেসথেসিয়া), জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু), জুনিয়র কনসালটেন্ট (যৌন ও চর্ম) এবং সহকারী সার্জন (ইএমও), সহকারী সার্জন (প্যাথলজি), সহকারী সার্জন (এনেসথেসিয়া), এমও (হোমিও/আয়ুর্বেদিক) চিকিৎসকের পদ কয়েক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে ২ জন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের পাশাপাশি ফার্মাসিস্ট দিয়ে জরুরি বিভাগ ও আন্তঃবিভাগে চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে হচ্ছে। জরুরি বিভাগে আসা রোগীদের মধ্যে ২০ থেকে ২৫ জন আন্তঃবিভাগে ভর্তি থাকেন। কিন্তু রোগীদের পর্যাপ্ত বেড না থাকায় অনেক ভর্তি রোগীকে বারান্দার ফ্লোরে থেকে চিকিৎসাসেবা নিতে হয়। অনেক মা ও শিশু রোগীর চিকিৎসাসেবা নিতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। হাসপাতালটিতে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার (ওটি) থাকলেও গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, এনেসথেশিয়া চিকিৎসক, সার্জারি চিকিৎসক না থাকায় অনেক অন্তঃসত্ত্বা মাকে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।

    তবে বর্তমানে সিভিল সার্জন ডাক্তার মোস্তফা জামান চৌধুরী প গড়ে যোগদানের পর থেকেই এ উপজেলার গর্ভবতী প্রসূতি মাসহ সার্জারি রোগীর মাঝে আশার আলো জ্বালিয়েছে। গত নভেম্বর মাস থেকে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখন পর্যন্ত প্রতি মাসে অপারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এ সিভিল সার্জন।

    হাসপাতালটির বর্তমান চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, প্রান্তিক এ উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে চিকিৎসক সংকটের কারণে আমাদেরকে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরেও চেষ্টা করে যাচ্ছি রোগীদের নিরলসভাবে চিকিৎসা সেবা দিতে। এর মধ্যে একজন চিকিৎসক যোগদান করেছেন। আশা করছি আগামীতে এ সমস্যা থাকবে না।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এএসএম রুহুল আমিন বলেন, আমি কয়েকদিন আগে যোগদান করেছি। আমাদের ৫০ শয্যার এ হাসপাতালটিতে বেশিভাগ মেডিকেল অফিসারে পদ সহ গুরুত্বপূর্ণ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকায় জরুরি ও বহির্বিভাগে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দিয়ে যথাসাধ্য চিকিৎসা সেবা প্রদানে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে হাসপাতালে মেডিকেল অফিসারের পদায়ন চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পত্র দেওয়া হয়েছে। তথাপিও সংকটের মধ্যেই আমাদের যা জনবল রয়েছে তা দিয়েই আন্তরিকতার সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে মেডিকেল অফিসার হিসেবে ডা. ফারহান হোসেন হাসপাতালে যোগদান করেছেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • নড়াইলে ইজিবাইক কিনে দেওয়ার প্রলোভনে অপহরনের পর হত্যা, ৩ জনের ফাঁসির আদেশ

    নড়াইলে ইজিবাইক কিনে দেওয়ার প্রলোভনে অপহরনের পর হত্যা, ৩ জনের ফাঁসির আদেশ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে ইজিবাইক কেনার প্রলোভনে পলাশ মোল্যা নামে এক যুবককে অপহরনের পর হত্যার দায়ে ৩ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ১ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (১২ জুন) বেলা ১১ টার দিকে নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আলমাচ হোসেন মৃধা এই আদেশ দেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন-লোহাগড়া উপজেলার মাকড়াইল গ্রামের মৃত আবুল খায়ের মোল্যার ছেলে আনারুল মোল্যা, একই উপজেলার মরিচপাশা গ্রামের মৃত মোক্তার সরদারের ছেলে জিনারুল ইসলাম ওরফে তারা মিয়া এবং উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের আকুব্বর শিকদারের ছেলে মো.নাজমুল শিকদার। এরমধ্যে আসামী আনারুল মোল্যা ও নাজমুল শিকদার পলাতক রয়েছেন।
    নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এড. এমদাদুল ইসলাম ইমদাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৩ জুন সকালে লোহাগড়া উপজেলার মাকড়াইল গ্রামের আব্দুস সালাম মোল্যার ছেলে পলাশ মোল্যা (২৫) কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় আনারুল মোল্যা, জিনারুল ইসলাম এবং মো.নাজমুল শিকদার। তারা ৪০ হাজার টাকায় ইজিবাইক কিনে দেবার প্রলোভন দেখিয়ে পলাশকে অপহরন করে। পরে পুলিশ ২০১৮ সালে ২৬ জুন মাগুরা জেলার সদর থানার ধানখোলা গ্রামের জাহাঙ্গীর এর পাটক্ষেত থেকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর কাঁদামাটি দিয়ে ঢেকে রাখা অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ৮ জুলাই পলাশ মোল্যার পরিবার বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়ে এবং ছবি দেখে পলাশ মোল্ল্যার মরদেহ শনাক্ত করে।
    এ ঘটনায় পলাশের ভাই আহাদ আলী বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় প্রথমে হারানোর জিডি এবং পরে অপহরন করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী জিনারুল ইসলাম ওরফে তারা মিয়া উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই আসামী আনারুল মোল্যা ও নাজমুল শিকদার ইতিপূর্বে জামিনে থেকে পলাতক রয়েছেন।
    এ ব্যাপারে নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এড.এমদাদুল ইসলাম ইমদাদ, এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে জানান, পলাতক আসামীদের গ্রেফতার পরবর্তী আদালতের রায় কার্যকর হবে, উচ্চ আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে।