Author: desk

  • র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানি ও র‌্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে ৫৭ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানি ও র‌্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে ৫৭ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানি ও র‌্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানা এলাকা হতে ৫৭ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০১টি বলেরো পিকআপ জব্দ।

    ১। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ২। র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এর আভিযানিক দল র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, পিকআপযোগে অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য গাঁজা বহন করা হচ্ছে। সেই মোতাবেক র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি ও র‌্যাব-১ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে একটি অস্থ্ায়ী চেকপোষ্ট স্থাপন করে। চেকপোষ্ট চলাকালে অদ্য ২৮ জুন ২০২৪ খ্রি. বিকাল ১৬.৪০ ঘটিকায় সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানাধীন সয়দাবাদ এলাকায় একটি রেজিঃ বিহীন সাদা রংয়ের বলেরো পিকআপ হতে অভিনব কায়দায় লুকানো অবস্থায় ৫৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে আসামি ১। মোঃ আল আমিন (২৫), পিতা-আলী আশরাফ, সাং-পুয়াবাড়ী, ২। মোঃ সাব্বির হোসেন (১৯), পিতা-মোঃ লোকমান হোসেন, ৩। মোঃ আনিছ আহম্মেদ (২৩), পিতা-মোরশেদ, উভয় সাং-হোসেনপুর, সর্ব থানা-দেবীদ্বার, সর্ব জেলা-কুমিল্লাদেরকে আটক করা হয়।

    ৩। এছাড়াও মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে থাকা মাদকদ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০৪টি মোবাইল ফোন, ০৪টি সিম কার্ড, নগদ ৬,৬৭০/- টাকা এবং ০১টি বলেরো পিকআপ জব্দ করা হয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য অনুসন্ধান চলমান আছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • উজিরপুরে বিলুপ্তপ্রায় মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন ইউএনও

    উজিরপুরে বিলুপ্তপ্রায় মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন ইউএনও

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, গরবো স্মার্ট বাংলাদেশ’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ও পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের পরমানন্দসাহা গ্রামের বিভিন্ন বিল ও জলাশয়ে বিলুপ্ত প্রায় তিন প্রজাতির ১০ হাজার পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।

    ২৮ জুন শুক্রবার সকাল ১১ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিজস্ব উদ্যোগে এসব মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। উক্ত মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় তিনি অবৈধ জাল ব্যবহার কারীদের হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করলে জেল জরিমানাকরা হবে। তিনি আরো বলেন দেশের জীববৈচিত্র্য রক্ষার্থে ও দেশীয় প্রজাতির মাছের বিকল্প নাই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশীয় প্রজাতির মাছ চিনাতে হলে অবশ্যই দেশীয় প্রজাতির মাছকে রক্ষা করতে হবে। যারা অবৈধ জাল দিয়ে রেনু পোনা, জাটকা সহ ছোট ছোট মাছের পোনা নিধন করেন তারা সাবধান হোন।

    এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেন মজুমদার, উজিরপুর এস,ডি এফ এর ক্লাস্টার অফিসার মোঃ রুস্তম আলী, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান মাসুম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, পরমানন্দসাহা মৎস্য জীবি গ্রাম সংগঠনের সভাপতি আব্দুল মালেক ঢালী, সাকরাল মৎস্যজীবি গ্রাম সংগঠনের সভাপতি মোঃ শুক্কুর আলী, উজিরপুর উপজেলা মৎস্য ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ মোরশেদ। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেন মজুমদার জানান, দেশের ২৬০ টি দেশীয় প্রজাতির মাছ রয়েছে, এর মধ্যে ৬৪ প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত প্রায়। তাই এ সকল বিলুপ্তপ্রায় মাছ কে জলাশয় ফিরিয়ে আনতে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করছে। তার ধারাবাহিকতায় বিলুপ্তপ্রায় দেশি শিং এবং মাগুর ও পাবদা মাছের ১০ হাজার পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। এসময় তিনি সকলের সচেতনতা ও সহযোগিতা কামনা করেন।

  • ময়মনসিংহ ৩০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করলেন এসিল্যান্ড রণি

    ময়মনসিংহ ৩০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করলেন এসিল্যান্ড রণি

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের টাউন হল মৌজাস্থিত ছায়া বাণী সিনেমা হল এর দখলে থাকা
    খাস খতিয়ানভুক্ত প্রায় ৫৮ শতাংশ জমি উদ্ধার
    করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন। উদ্ধারকৃত ভূমির বর্তমানে বাজারমূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা।

    শুক্রবার (২৮জুন) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক সদর সহকারী কমিশনার ভূমি আসাদুজ্জান রনির নেতৃত্বে এই জমি উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় তার সঙ্গে ছিল পৌর ভুমি অফিসের ভূমি কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম। ভূমি উপ-সহকারী সহ অনেকে।

    ময়মনসিংহ সদর সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড আসাদুজ্জামান রণি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,
    ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের টাউন হল মৌজাস্থিত ছায়া বাণী সিনেমা হল এর দখলে থাকা
    খাস খতিয়ানভুক্ত প্রায় ৫৮ শতাংশ জমি বিভিন্ন ব্যক্তির অবৈধ দখলে ছিল। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী স্যারের উদ্যোগে এবং নির্দেশনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফতেখার ইউনুস স্যারের দিক নির্দেশনা মোতাবেক ২৮ জুন শুক্রবার অভিযান পরিচালনা করে ওই খাস জমি সরকারের দখল ও নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

    তিনি জানান, দীর্ঘদিন যাবত ময়মনসিংহ নগরীসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু চক্র সরকারের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলে রেখে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছিল। সরকারের সম্পত্তি চিহ্নিত করে ক্রমাগত সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে।

    এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফতেখার ইউনুস বলেন, অর্পিত ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে সরকারের রাজস্ব ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ছে। আইনানুগভাবে সরকারের স্বার্থ আদায়ে আমরা সব কর্মকর্তা তৎপর রয়েছি।

    এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী বলেন, জেলা প্রশাসন সরকারের স্বার্থ সংরক্ষণে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের সম্পত্তি অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনার মাধ্যমে একদিকে বেহাত হওয়া সম্পত্তি সরকারের দখলে আনা যাচ্ছে। অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।

  • তানোরে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

    তানোরে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরে বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসকেএস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে”এক্সটেনডেড কমিউনিটি ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ প্রজেক্ট গ্রাউথ”(ইসিসিসিপি-গ্রাউথ) প্রকল্প অবহিতকরণ সভা আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে,গত ২৭ জুন বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এসকেএস-এর উদ্যোগে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত প্রকল্প অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ও মুক্ত আলোচনা করেন সহকারী প্রকল্প সমন্বয়কারী (মনিটরিং এ্যান্ড ইভালুয়েশন) ইসিসিসিপি-ড্রাওট,পিকেএসএফ ড, মোঃ ফিরোজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপ-পরিচালক এসকেএস ফাউন্ডেশন খন্দকার জাহিদ সারওয়ার এবং প্রকল্প সম্পর্কে উপস্থাপনা করেন প্রকল্প ফোকাল বাহারাম খাঁন।
    অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান তানভির রেজা ও সোনীয়া সরদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)এটিএম কাওছার আলী, মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল হোসেন, প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঁ ওয়াজেদ আলী,
    সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন, চাঁন্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ও কামারগাঁ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আলী প্রামানিকপ্রমুখ।#

  • পুঠিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৩ মাদকসেবীর জেল , হেরোইন জব্দ,ও জরিমানা

    পুঠিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৩ মাদকসেবীর জেল , হেরোইন জব্দ,ও জরিমানা

    পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

    পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম নূর হোসেন নির্ঝর এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খ সার্কেল রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে পুঠিয়া উপজেলায় মাদক বিরোধী একটি অভিযান পরিচালনা করে।

    আজ ২৭ জুন বৃহস্পতিবার অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলার ঝলমলিয়া কলাহাটা এবং বারইপাড়া হতে মাদক সেবনরত অবস্থায় চার জনকে আটক করা হয়। আটকৃতরা দোষ শিকারপূর্বক নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে অপরাধ আমলে নিয়ে বিজ্ঞ ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়।

    আসামিরা হলো পশ্চিম কানাইপাড়া গ্রামের শ্রী অসিত কুমার অশান্ত (৩২) এবং জিউপাড়া গ্রামের মোঃ শফিকুল থান্দার (৪৪) কে হেরোইন সেবনের দায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায় আরো সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। বারইপাড়া গ্রামের শাকিল খান (২৪) কে গাঁজা সেবনের দায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং একশত টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায় আরো ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত তাৎক্ষণিকভাবে অর্থদণ্ড আদায় করে এবং কারাদণ্ড ভোগের জন্য আসামিদেরকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

    বারইপাড়া গ্রাম হতে আটকৃত অপর আসামি শাকিব ইসলাম (৩৪) এর নিকট হতে পাঁচ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়। উক্ত পরিমাণ হেরোইন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিচার করা সম্ভব না হয় আসামিকে হেরোইনসহ পুঠিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খ সার্কেল রাজশাহীর পরিদর্শক মোঃ সাইফুল আলম বলেন, আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সংবাদ পেলেই আমরা তাদেরকে আটক করে বিচারের আওতায় আনবো।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট একেএম নূর হোসেন নির্ঝর বলেন, মাদকবিরোধী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকজনিত অপরাধের জন্য কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ প্রতিপালনের অংশ হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং মাদকমুক্ত পুঠিয়া গড়ে তুলতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    মাজেদুর রহমান( মাজদার)
    পুঠিয়া প্রতিনিধি

  • মহেশপুরে পল্লী চিকিৎসকের ভূল চিকিৎসায় লাখ টাকার গরু মৃত্যুর অভিযোগ

    মহেশপুরে পল্লী চিকিৎসকের ভূল চিকিৎসায় লাখ টাকার গরু মৃত্যুর অভিযোগ

    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-
    ঝিনাইদহের মহেশপুরে গ্রাম্য পশু চিকিৎসক আতিকুল হকের ভূল চিকিৎসায় অসহায গরীব কৃষক মোকলেছুর রহমানের প্রায় লাখ টাকা মুল্যের একটি ষাঁড় গরুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    জানাযায়,গত ২১ জুন সকালে উপজেলার পলিয়ানপুর গ্রামের কৃষক মোকলেছুর রহমানের গরুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে জিন্নাহ নগর বাজারের গ্রাম্য পশু চিকিৎসক আতিকুল হককে খবর দিলে সে কিছু না বুঝে ৩ টি ইনজেকশন দিয়ে ১ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়। পরদিন গরুটি পুনরায় মারাত্মক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে আবারও তাকে খবর দিলে সে আর আসেনি।এরপর গরুর মালিক মোকলেছুর রহমান গরুটি নিয়ে মহেশপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে যায়।সেখানে নিয়ে গেলে প্রাথমিকভাবে স্যালাইন দিয়ে গরুটির অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তিনারা ফিরিয়ে দিলে। বাড়ী নিয়ে আসার পথে নোয়ানীপাড়া মোড় নামক স্থানে পৌঁছালে গরুটি মারা যায়। কৃষকের অভিযোগ অতিরিক্ত ইনজেকশন দেওয়ার কারণেই গরুটি মারা গিয়েছে। বর্তমান গরুটির বাজার মূল্য প্রায় লাখ টাকা বলে জানান ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক মোকলেছুর রহমান জানান।
    অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে পল্লী চিকিৎসক আতিকুল বলেন ,আমি কোন ভূল চিকিৎসা দেয়নি।

    এই বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক মোকলেছুর রহমান মহেশপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    এবিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আতিবুর রহমান জানান, এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক পল্লী চিকিৎস আতিকুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ভুক্তভোগী কৃষক মোকলেছুর রহমান সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে ক্ষতিপূরন দাবি করে সঠিক বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

  • ময়মনসিংহে ২কেজিসহ ৪মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

    ময়মনসিংহে ২কেজিসহ ৪মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহে ২ কেজি গাঁজা সহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার ২৬ জুন রাতে জেলার ভালুকা ও ফুলপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দা পুলিশ।

    জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি ফারুক হোসেন জানান-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ইতিমধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সরকারের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনামোতাবেক জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূইয়া এর নেতৃত্বে ময়মনসিংহ জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষে কাজ করছ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। সেই লক্ষ নিয়ে ২৬ জুন রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা ভালুকা ও ফুলপুর উপজেলায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানের অংশ হিসাবে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই(নিঃ) মাহফুজুর রহমান সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে জেলার ভালুকা মডেল থানাধীন ভান্ডাবর সাকিনস্থ ভালুকা সরকারী কলেজ এর ০১নং গেইটের সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে ০১ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সাইফুল ইসলাম (৫০) কে গ্রেফতার করা হয়। সে উপজেলার মুন্সিরভিটা এলাকার মোঃ মোরশেদ আলীর পুত্র। গ্রেফতারকৃত আসামি দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক কারবারির সাথে জড়িত এবং এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্যদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে ০২ টি মামলা আছে বলেও জানান তিনি। অপর দিকে একই তারিখে ফুলপুর থানাধীন বাঁশাটি কান্দাপাড়া সাকিনস্থ জনৈক ওমর ফারুক এর মুদির দোকানের সামনে গোয়েন্দা পুলিশের এসআই(নিঃ) শেখ গোলাম মোস্তফা রুবেল সংগীয় অফিসার ও ফোর্স অভিযান চালিয়ে আনিজুল (৪০),ইলিয়াস মিয়া (২৬), মোঃ সুমন মিয়া (৩৮)
    নামের আরো ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।এসময় তাদের নিকট থেকে০১ কেজি গাঁজা উদ্বার করা হয়েছে বলে জানান ডিবি ওসি ফোসেন। গ্রেফতারকৃত আসামী আনিজুল (৪০) এর বিরুদ্ধে ০১ টি মামলা আছে জানিয়ে তিনি জানান- গ্রেফতারকৃত আসামি দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক কারবারির সাথে জড়িত এবং এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্যদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওসি । উদ্ধারকৃত ০২ কেজি গাঁজা উদ্ধার ও গ্রেফতারকৃত ০৪ জন আসামীর বিরুদ্ধে ভালুকা মডেল ও ফুলপুর থানায় পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করে আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

  • বাগেরহাটে ঘষিয়াখালী নৌ চ্যানেলে নৌকা ডুবে জেলে নিখোঁজ

    বাগেরহাটে ঘষিয়াখালী নৌ চ্যানেলে নৌকা ডুবে জেলে নিখোঁজ

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির.বিশেষ প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোংলা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মহিদুল শেখ (২৫) নামে এক জেলে নৌকা ডুবে নিখোঁজ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ঘষিয়াখালী নৌ চ্যানেলে এ ঘটনা ঘটে।
    নিখোঁজ মহিদুল ইসলাম উপজেলার সোনাইলতলা ইউনিয়নের উলুবুনিয়া গ্রামের রশিদ শেখের ছেলে। এ সময় নৌকায় থাকা দুই জেলের মধ্যে তরিকুল শেখ সাঁতরে কুলে উঠতে পারলেও মহিদুল শেখ নিখোঁজ হয়ে যান। নিখোঁজ সেই জেলেকে উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশ।
    উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার জানান, সোনাইলতলা ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের উলুবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা জেলে মহিদুল ইসলাম ও তারিকুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ ক্যানেলের জয়খাঁ এলাকায় মাছের পোনা (গলদা চিংড়ি পোনা) ধরছিল।
    মোংলা নৌ পুলিশের ইনচার্জ সৈয়দ ফকরুল ইসলাম বলেন, চ্যানেলের জয়খাঁ নামক স্থানে নদীতে মাছ ধরার সময় লাইটার জাহাজের পাখার সঙ্গে দড়ি পেঁচিয়ে জেলেদের নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় নৌকায় থাকা দুই জেলের মধ্যে তরিকুল শেখ সাঁতরে কুলে উঠতে পারলেও মহিদুল শেখ নিখোঁজ হয়ে যান।
    তিনি আরও বলেন, জোয়ারে স্রোত বেড়ে যাওয়ায় উদ্ধার অভিযান স্থাগিত করা হয়েছে। জোয়ারের পানি কমলে উদ্ধার অভিযান পুনরায় শুরু করব।
    মোংলা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, ভোর ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে জাহাজের আঘাতে বা ধাক্কায় নৌকা ডুবে এক জেলে নিখোঁজ হয়েছেন বলে শুনেছি। নিখোঁজের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলছে।
    তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ওমেরা এলপিজির ওই জাহাজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নলছিটিতে যুবদলের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    নলছিটিতে যুবদলের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তবাদী যুবদল সুবিদপুর ইউনিয়ন শাখার নবগঠিত কমিটির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে নবগঠিত কমিটির আহবায়ক মোঃ আলমগীর হোসেন লিখিত বক্তব্যে জানান, ২৫জুন ২০২৪ ইং তারিখে নলছিটি উপজেলা যুবদল কতৃক সুবিদপুর ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি অনুমোদন দেয়। উপজেলা কমিটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই কমিটির অনুমোদন দেয়। কিন্ত কতিপয় নেতাকর্মী ২৬ জুন বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে সেখানে নলছিটি উপজেলা নেতৃবৃন্দকে নিয়ে করুচিপূর্ণ ও কটুক্তি মূলক বক্তব্য রাখেন। সেখানে তারা কমিটি অনুমোদনের ব্যাপারে টাকার লেনদেনের বিষয় উল্লেখ করেন যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট এবং সংগঠন বহির্ভূত কার্যকলাপ। আমরা উক্ত বিষয়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    এসময় তিনি আরোও বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির একজন প্রভাবশালী নেতা গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগে যোগদান করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হয়েছেন। তারই ঘাপটি মেরে থাকা কিছু অনুসারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এসব নিন্দনীয় কাজ করছে। সুবিদপুর ইউনিয়ন যুবদল অত্যান্ত শক্তিশালী সংগঠন। ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী ও সুন্দর ভাবে পরিচালিত হবে সেই লক্ষে আমরা সবাই একসাথে কাজ করবো।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সুবিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ সুলতান হোসেন খান, নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব মোঃ জসিম খান, যুগ্ন-আহবায়ক সোহাগ মুন্সি, রিয়াজ মোল্লা, তরিকুল ইসলাম মিঠু,সদস্য মোঃ সোহেল হাওলাদার, আজিজ হাওলাদার, জালাল খান,মিলন জোমাদ্দারসহ অসংখ্য নেতাকর্মী। প্রতিবাদ সভা শেষে নেতাকর্মীদের নিয়ে নবগঠিত কমিটি তালতলা বাজারে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরন করেন।

  • চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পাহাড়ধসের সচেতনতায় কাজ করবে ইপসা ও সেভ দ্য চিলড্রেন

    চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পাহাড়ধসের সচেতনতায় কাজ করবে ইপসা ও সেভ দ্য চিলড্রেন

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    বাঁশখালী উপজেলায় পাহাড়ধসের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে কাজ করবে ইপসা ও সেভ দ্য চিলড্রেন। দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৪টি ইউনিয়ন সাধনপুর, পুকুরিয়া, কালিপুর, বৈলছড়িতে পাহাড়ধসের সৃষ্ট ক্ষতির প্রভাব কমিয়ে আনতে জিএফএফও, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং ইপসা “Child centred anticipatory action for better preparedness of communities and local institutions in Northern end coastal areas of Bangladesh” প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে কাজ করবে।
    আজ ২৭ জুন (বৃহস্পতিবার) বাঁশখালী উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে আয়োজিত উল্লেখিত প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    উপজেলা/ ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসন,  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি, কমিউনিটি  ভলান্টিয়ার, চাইল্ড এন্ড ইয়ূথ গ্রুপ, আবহাওয়াবিদ, রিসোর্স পুল সহ বিভিন্ন গ্রুপ কে Early warning system সহ নানাবিধ প্রশিক্ষণ প্রদান, কমিউনিটি পর্যায়ে ভয়েস ম্যাসেজ প্রদান, সচেতনতামূলক সভা/ ক্যাম্পেইন, শর্তবিহীন ও শর্তযুক্ত নগদ অর্থ প্রদান, রেইন গেজ, সয়েল ময়েস্চোর সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডিভাইস প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রদান করা হবে।

    আজ  প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা প্রদান এবং কার্যকর প্রন্থা অবলম্বনে স্টেকহোল্ডার/অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব জেসমিন আক্তার। এছাড়াও প্যানেল আলোচক ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আব্দুল খালেক পাটোয়ারী, সাধনপুর ইউপি চেয়ারম্যান কে এম সালাহ উদ্দিন কামাল, উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সালেক, মৎস কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. সুপন কুমার নন্দী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাওন ভূঁইয়া, লিপটন ওম, সিপিপি কর্মকর্তা মিটু কুমার দাশ, সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ,  ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স টিম ম্যানেজার মো. আজাদুল ইসলাম, রেঞ্জ অফিসার আমিন হক, ইউপি সদস্য, লোকমান হোসেন, রিনা আক্তার  প্রমূখ। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন ইপসা ‘র প্রজেক্ট ম্যানেজার সানজিদা আক্তার, প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সেভ দ্য চিলড্রেন ‘র অফিসার (এন্টিসিপেটোরি এ্যাকশন) আবু তৈয়ব। সভাl সঞ্চালনা করেন ইপসার সহকারী প্রজেক্ট অফিসার কল্যান বড়ুয়া। প্রধান অতিথি মিসেস জেসমিন আক্তার (ইউএনও) বলেন দক্ষিণ চট্টগ্রামে বাঁশখালী উপজেলা ঘূর্ণিঝড় ও পাহাড়ধসের জন্য অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত, উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ পাহাড়ি এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে বসবাস করছে, স্থানীয় জনগোষ্ঠী সহ নিন্ম আয়ের কিছু মানুষ কে প্রশাসন বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে পুরোপুরি সরিয়ে আনতে সক্ষম হচ্ছেনা, পাহাড়কাটা রোধে প্রশাসন সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অতিবৃষ্টির প্রেক্ষিতে যেকোনো সময় পাহাড়ধসে বড় ধরণের বিপযর্যের সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি প্রশাসনের পাশাপাশি বেসসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর প্রদক্ষেপ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সচেতনতার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি  বিগত দিনে ইপসা কর্তৃক গৃহহীনদের ভূমি ও গৃহ নির্মাণ, সেলাই মেশিন, গবাদি পশু বিতরণ সহ বিভিন্ন কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে ইপসা, সেভ দ্য এবং জিএফএফও বাস্তবায়িত চাইল্ড সেন্টারড এন্টিসিপেটরি একশন ‘র প্রকল্পের কার্যক্রম পাহাড়ি অঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সচেতনতায়  অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ করেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।