Author: desk

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযান জুয়ার আসর থেকে ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২

    নড়াইলে পুলিশের অভিযান জুয়ার আসর থেকে ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জুয়ার আসর থেকে ইউপি সদস্য (মেম্বার) ফরিদ মোল্যা (৩৫) এবং আসলাম শেখ (৪৫) নামে দুই জুয়াড়িকে গ্রেফতার করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (২ জুলাই) তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালাতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর আগে গত সোমবার (১ জুলাই) রাতে উপজেলার বাহিরপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তৌফিক হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    গ্রেফতার মো. ফরিদ মোল্যা উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) এবং ঈশাণগাতী গ্রামের মান্নান মোল্যার ছেলে। আসলাম শেখ একই উপজেলার বাহিরপাড়া গ্রামের মৃত ইউনুস শেখের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে লোহাগড়া উপজেলার বাহিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের ধানক্ষেতে জুয়ার আসর বসেছে— এমন গোপন সংবাদ পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তৌফিক হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালায়। এসময় ৬/৭ জুয়াড়ি দৌড়ে পালিয়ে গেলেও ইউপি সদস্যসহ আরও এক জুয়াড়িকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এসময় জুয়া খেলার সরঞ্জামসহ নগদ টাকা জব্দ করে পুলিশ।
    এসআই তৌফিক হাসান জানান, সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে এক ইউপি সদস্যসহ দুজনকে জুয়ার আসর থেকে গ্রেফতার করি। মামলা দায়ের করে মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • গোদাগাড়ীতে ইউএনও আতিকুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে ইউএনও আতিকুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলাম এর বদলী জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ অডিটারিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বেলাল উদ্দীন সোহেল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদুল ইসলাম।

    রিপা রানী দাসের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জয়নাল আবেদন, গোদাগাড়ী প্রেস ক্লাবের সভাপতি এবিএম কামরুজ্জান বকুল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি একে তোতা, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সারমিন সুলতানা, পরিসংখ্যান অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম, উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মুনসুর রহমান, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাইলা সারমিন প্রমূখ।

    বক্তাগণ বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলাম মাত্র ১০ মাসের মধ্যে এত সাফল্য অর্জন করেছেন, মাদক প্রতিরোধ, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অফিসে লাল রং এর চিয়ার স্থাপন করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উপজেলার মেইন গেট, বাসভবনের গেট, প্রধান মন্ত্রীর বিনা মূল্য বাড়ী উপহার, ব্যাপক উন্নয়ন কাজের সাথে যুক্ত থেকেছেন। মানুষ বেঁচে থাকে তার কর্মের মাধ্যমে। তিনি কর্মকর্তা, কর্মচারী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, সুধীজনদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে রাষ্টের কাজ করেছেন, জনগনের কাজ করেছেন। তিনি কর্মঠ, সৎ, যোগ্য, দ্রুততার সাথে কাজ করেছেন। এত গুনের অধিকারী মানুষটি সবার হৃদয় ভেঙ্গে চলে যাচ্ছেন। যেত নাহি দিব হায় তবু যেতে দিতে হয়, তবে চলে যায়।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • তানোরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচির টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকচক্র

    তানোরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচির টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকচক্র

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচির উপকারভোগীদের মাসিক ভাতার টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্র। এনিয়ে উপকারভোগীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভাগের একশ্রেণীর অসাধু ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নেপথ্যে মদদে সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্র বিস্তার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। কারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মদদ ব্যতিত উপকারভোগীর মোবাইল নম্বর অন্য কারো জানার কথা নয়।
    জানা গেছে, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচিতে বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। অথচ তাদের মাসিক ভাতার টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্র।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচির বিভিন্ন ক্যাটাগরিত মোট ৭ হাজার ৮৯২ জন ভাতা পাচ্ছেন। তার মধ্যে বয়স্ক ৩ হাজার ৮০৫ জন, বিধবা এক হাজার ৯০৫ জন, প্রতিবন্ধী ৪ হাজার ৬৫৪ জন এবং অনগ্রসর হিসেবে ৩১ জন ভাতা পাচ্ছেন। বয়স্করা প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর ১ হাজার ৮০০ টাকা, বিধবারা ১হাজার ৬৫০ টাকা, প্রতিবন্ধীরা ২ হাজার ৫৫০ টাকা এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মানুষ প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর ১ হাজার ৬৫০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন।
    এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শত শত উপকারভোগীর কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি। বিষয়টি নিয়ে প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগীরা ভিড় করছেন উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন খান বলেন, এই ধরণের প্রতারণা রোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নাই।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিগত ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ‘নগদ’ মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে ভাতার টাকা দিচ্ছে সরকার। সেই টাকা বাড়িতে বসে মোবাইলে পাচ্ছেন উপকারভোগীরা। অথচ এর আগে ভাতার টাকা তুলতে উপকারভোগীদের ব্যাংকে যেতে হতো। কিন্ত্ত ডিজিটালাইজেশন হবার পর একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র উপকারভোগীদের কাছ থেকে ভাতার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রথম দিকে তারা ফোন করে অ্যাকাউন্টের পিন নাম্বার চাইলেও এখন তারা ওটিপির মাধ্যমে নিমেষেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। ইতমধ্যে উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার শত শত মানুষ এই প্রতারণার শিকার হয়েছে।
    ভুক্তভোগী উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) কৃষ্ণপুর গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী বকুল বলেন, প্রতিবন্ধী হিসেবে প্রতিমাসে ৮৫০ টাকা করে ৩ মাস পরপর ২৫৫০ টাকা ভাতা পেতেন তিনি। এবার টাকা তুলতে গিয়ে শুনেন তার মোবাইল ব্যাংকিং এর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। একথা শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। অভাবের সংসারে ভাতার টাকায় দিয়ে তিনি ওষুধপত্র কিনতেন। এখন কিভাবে তিনি ওষুধ কিনবেন এ নিয়ে চিন্তার ভাজ তার কপালে। তিনি মোবাইল ব্যবহার করতে পারেন না আর তার পরিবারের কেউ প্রতারক চক্রকে ওটিপি দিয়েছেন কিনা তিনি তাও জানেন না। ইউপির বাতাসপুর গ্রামের আরেক ভুক্তভোগী মুনছুর আলী বলেন, কয়েকদিন আগে কেউ একজন ফোন দিয়ে নিজেকে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তার ভাতার টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হবে এ কথা জানান। এজন্য তার মোবাইলে একটি কোড যাবে যা তাকে দেওয়ার জন্য বলে। তিনি সরল মনে বিশ্বাস করে ওটিপি দেওয়ার পর তার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চলে যায়। তিনি শুধু নন তার গ্রামের অন্তত ৭ জন এরকম প্রতারণার শিকার হয়েছে বলে জানান তিনি।
    উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভার বাসিন্দা রুবিনা বেগম বলেন, তিনি মোবাইলের কিছুই বুঝেন না। কিছুদিন আগে ভাতার টাকা বাড়িয়ে দেবে বলে একটা ফোন আসে যা আমার মেয়ে রিসিভ করে। পরবর্তীতে ফোনে একটি কোড আসে যা ওদেরকে দেওয়ার পরে অ্যাকাউন্ট ফাঁকা হয়ে যায়। বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে তিনি উপজেলা সমাজসেবা অফিসে জানাবেন বলে জানান।
    তানোর উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন খান বলেন, গত কয়েকদিনে প্রতারকচক্র কর্তৃক প্রতারিত হয়েছেন এ রকম বেশ কয়েকজন মানুষ আমাদের অফিসে এসেছেন। আমরা তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে কেউ ভাতা ভোগীদের ফোন করে কখনো পিন কোড অথবা ওটিপি চাইবে না। প্রতারণার রোধে এ বিষয়ে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা।
    এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • তানোরে সরকারি রাস্তার গাছ নিধনের অভিযোগ

    তানোরে সরকারি রাস্তার গাছ নিধনের অভিযোগ

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরে অবৈধভাবে দু’দফায় সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ৩ জুলাই বুধবার এলাকাবাসির পক্ষে আসলাম উদ্দিন মিয়া বাদি হয়ে তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বুরুজ মহল্লার আলহাজ্ব সৈয়দ আলী মিয়ার পুত্র সোহরাব আলী মিয়াকে প্রধান করে মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।
    লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, বাজশাহী জেলার তানোর পৌরসভার অন্তর্গত ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জেএল নম্বর ১৩১, মৌজা- বুরুজ, আরএস দাগ নম্বর ৩৮০। সরকারি রাস্তার নকশার প্রকৃত স্থান পরিবর্তন করে নিজের স্বার্থে অন্যপাশ দিয়ে ২০ ফিট বিশিষ্ট রাস্তা নির্মাণ করিয়াছে। যার দু-পাশে মেহগনি, ইউকালেক্টর ও তালগাছ ছিল। যাহার আনুমানিক মূল্য ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা। আরও সময় পেলে উক্ত গাছগুলি আরো মূল্যবান হতো। যাহা ১ নম্বর বাদীর পিতা তার নিজ সীমানায় রোপন করেন এবং স্থানীয় জনগন কর্তৃক রোপিত ছিল। বর্তমানে উক্ত বিবাদীগন প্রভাবশালী হওয়ায় এবং লাইসেন্স বিহীন সার্ভেয়ার ৮নম্বর বিবাদী নাসির উদ্দিন (ভাদু)- র যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে সরকারি রাস্তার দু’দফায় মহামূল্যবান প্রায় ১৪টি তাজা গাছ কর্তন করেছে। যাহা সম্পূর্ণ বে-আইনী ও অপরাধমূলক কাজ। উল্লেখ্য যে, উক্ত রাস্তার পার্শ্বে বাদীর জমি থাকায় দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর যাবৎ উক্ত রাস্তা ভোগদখল করিয়া আসিতেছে। বর্তমানে তারা উক্ত রাস্তার পার্শ্বে অন্য কাউকে যাতায়াত করতে দিবে না মর্মে ভীতি প্রদর্শন করিতেছে। তারা এলাকার প্রভাবশালী ও দাঙ্গাবাজ ব্যক্তি হওয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে নাম উল্লেখপূর্বক কেহ বাদী হতে ভয় পাই।
    এদিকে এসব গাছ নিধনের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসির মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়। স্থানীয়রা ঘটনা সরেজমিন তদন্তপুর্বাক জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

  • টঙ্গীবাড়ীতে শিশুকে গাছে ঝুলিয়ে নির্যাতন করায় বৃদ্ধ গ্রেফতার

    টঙ্গীবাড়ীতে শিশুকে গাছে ঝুলিয়ে নির্যাতন করায় বৃদ্ধ গ্রেফতার

    টঙ্গিবাড়ী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আড়িয়ল ইউনিয়নের পূর্ব নিতীরা গ্রামে আখ চুরির অপবাদ দিয়ে এতিম শিশু সিয়ামকে (১২) গাছের সাথে ঝুলিয়ে নির্যাতনকারী ওই গ্রামের মৃত শামসুল মাদবরের ছেলে মোঃ করিম মাদবরকে (৬০) গ্রেফতার করেছে টঙ্গীবাড়ী থানা পুলিশ। সিয়ামের চাচা আলমগীর সর্দারের দায়েরকৃত মামলায় ৩ জুলাই বুধবার তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    স্থানীয়রা জানান, রিয়াদ, রনি ও রাশিদুল নামের তিনটি ছেলে মোঃ করিম মাদবরের আঁখ ক্ষেতের আঁখ না জানিয়ে খেয়ে ফেলে। পরে একই গ্রামের পিতা-মাতা পরিত্যাক্ত এতিম শিশু মোঃ সিয়ামকে (১২) চোর সন্দেহ করে গাছের সাথে ঝুলিয়ে নির্যাতন করলে তার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। স্থানীয়দের মধ্যে ও তীব্র ক্ষোপ বিরাজ করে। এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্যাতনকারীকে আটক করা হয়।
    নির্যাতনের শিকার সিয়াম উপজেলার সোনারং গ্রামের টুটুল সরদার এর ছেলে। সিয়ামের বাবা মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ায় পর বাবা নিজের কাছে তাকে রাখেন নাই এবং মা শিউলি আক্তারের অন্যত্র বিবাহ হওয়ায় সিয়ামের নানা মোঃ মন্নান শেখ এর কাছে বসবাস করে। সে নিতীরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র।

    সিয়ামের চাচা ডা. আলমগীর সর্দার জানান, আমার ভাতিজা এতটুকু শিশুকে আম গাছের সাথে ঝুলিয়ে অমানবিক ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে আমি এর সঠিক বিচার চাই।
    টঙ্গীবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ মোল্ল শোহেব আলী জানান, শিশু নির্যাতনের অভিযোগে করিম মাদবর নামক এক ব্যক্তিকে আটক করে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • সাতক্ষীরা সীমান্তে পনে এক কোটি টাকার ৭টি স্বর্ণের বার উদ্ধার

    সাতক্ষীরা সীমান্তে পনে এক কোটি টাকার ৭টি স্বর্ণের বার উদ্ধার

    মো: আজিজুল ইসলাম(ইমরান)
    সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা ৮১৮ গ্রাম ওজনের সাতটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বিজিবি। তবে, এসময় বিজিবি সদস্যরা কোনো চোরাকারবারীকে আটক করতে সক্ষম হয়নি।

    বুধবার (৩ জুলাই) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারী ইউনিয়নের কাথন্ডা এলাকা থেকে এসব স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

    বিজিবির সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়ন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতে স্বর্ণ পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৈকারী বিওপি’র একটি চৌকস দল নায়েব সুবেদার মোঃ শামীম আলম এর নেতৃত্বে সীমান্তের কাথন্ডা এলাকায় অবস্থায় নেয়। পরবর্তীতে আভিযানিক দলটি কাথন্ডা পাকা রাস্তায় মোটরসাইকেল যোগে আসা এক ব্যক্তিকে ধাওয়া করলে সে মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। এ সময় মোটরসাইকেল তল্লাশি করে পলিব্যাগের মধ্য হতে সাতটি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়।

    উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ওজন ৮২০ গ্রাম। যার মূল্য প্রায় ৮২ লাখ ৪৫ হাজার ১শ টাকা।

    এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা দায়ের করতঃ স্বর্ণের বারগুলো সাতক্ষীরা ট্রেজারি অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

  • গোদাগাড়ীতে ইউএনও আতিকুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে ইউএনও আতিকুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলাম এর বদলী জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ অডিটারিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বেলাল উদ্দীন সোহেল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদুল ইসলাম।

    রিপা রানী দাসের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জয়নাল আবেদন, গোদাগাড়ী প্রেস ক্লাবের সভাপতি এবিএম কামরুজ্জান বকুল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি একে তোতা, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সারমিন সুলতানা, পরিসংখ্যান অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম, উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মুনসুর রহমান, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাইলা সারমিন প্রমূখ।

    বক্তাগণ বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলাম মাত্র ১০ মাসের মধ্যে এত সাফল্য অর্জন করেছেন, মাদক প্রতিরোধ, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অফিসে লাল রং এর চিয়ার স্থাপন করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উপজেলার মেইন গেট, বাসভবনের গেট, প্রধান মন্ত্রীর বিনা মূল্য বাড়ী উপহার, ব্যাপক উন্নয়ন কাজের সাথে যুক্ত থেকেছেন। মানুষ বেঁচে থাকে তার কর্মের মাধ্যমে। তিনি কর্মকর্তা, কর্মচারী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, সুধীজনদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে রাষ্টের কাজ করেছেন, জনগনের কাজ করেছেন। তিনি কর্মঠ, সৎ, যোগ্য, দ্রুততার সাথে কাজ করেছেন। এত গুনের অধিকারী মানুষটি সবার হৃদয় ভেঙ্গে চলে যাচ্ছেন। যেত নাহি দিব হায় তবু যেতে দিতে হয়, তবে চলে যায়।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে ৪জুলাই থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

    প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে ৪জুলাই থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

    নিজস্ব প্রতিবেদক :
    সর্বজনীন পেনশনের আওতায় নতুন করে ঘোষণা করা ‘প্রত্যয়’ স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। এই কর্মসুচী গত ২রা জুলাই বুধবার থেকে ৩রা জুলাই বৃহস্পতিবার টানা দুই দিনব্যাপী চলে। কর্মসূচিতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রত্যয়কে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে তা তুলে নিয়ে ‘প্রতিশ্রুত’ সুপার গ্রেড এবং স্বতন্ত্র বেতন স্কেল দেওয়ার দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ। আর এ আন্দোলনে চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা।।

    বৃহস্পতিবার বার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবন ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ বিভাগেই খোলা হয়নি তালা। বন্ধ রয়েছে ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব একাডেমিক কার্যক্রম। একই অবস্থা প্রশাসনিক ভবনেও। কিছু কিছু কক্ষের দরজা খোলা হলেও বন্ধ রয়েছে কার্যক্রম। ফলে জরুরি কাজে মার্কশিট, সার্টিফিকেট প্রভৃতি তুলতে আসা শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

    প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি) শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুইদিন ব্যাপী টানা সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে দ্বিতীয় দিনের মতো অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন একাডেমিক কাজ করতে আসা শিক্ষার্থীরা।

    এদিকে সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের আন্দোলনকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করায় তার এই বক্তব্যকে প্রত্যাখান করেছেন আন্দোলন,তাদের দাবী অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী মহোদয় না বুঝে একটি ভূল ব্যাখ্যা দিয়েছেন যা মোটেই যুক্তিসঙ্গত নয়। তারা আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিসহ নানান কর্মসূচি পালন করবেন বলেও জানান।

    কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পরিষদ এর সভাপতি মোকারেরম হোসেন মাসুম বলেন, “ আমাদের যৌক্তিক দাবিকে মন্ত্রী মহোদয় ভূল ব্যাখ্যা দিয়ে আমাদের বুঝানোর চেষ্টা করছেন। এটা মেনে নেওয়া অসম্ভব। আমরা আমাদের পেশার সুযোগ-সুবিধার কথা বলছি। শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মত দেশেও কর্মকর্তাদের জন্য রয়েছে সম্মানজনক পে-স্কেল। তিনি বলেন আমরা আমাদের দাবী বাস্তবায়ন করেই কর্মস্থলে ফিরবো ইনশাআল্লাহ। কারণ এ আন্দোলন সরকারবিরোধী আন্দোলন নয়, এটা আমাদের যৌক্তিক দাবি। এই আন্দোলন অর্থের জন্য নয়, আমাদের মর্যাদার জন্য।

    আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল শান্ত বলেন, দাবির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয় যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতে কোনো আশ্বাস পায়নি। বরং আমাদের যুক্তিগত আন্দোলনকে অযুক্তিক বলে দাবী করেছেন,তিনি অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান কর তাঁদের এই কর্মসূচি আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের সিদ্বান্ত মোতাবেক অনির্দিষ্টকালের আন্দোলন পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন।

    এদিকে-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতির কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। কর্মবিরতি থাকায় কোন শিক্ষার্থী তাদের কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন না। চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীা।

    বুধবার দ্বিতীয় দিনের পুর্ণদিবসের কর্মবিরতিকালে প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন-জাককানইবি এর কর্মচারী ইউনিয়ন এর সভাপতি ও কর্মকর্তা,কর্মচারী ঐক্য পরিষদ এর যুগ্ম রেজাউল করিম রানা, সনিতির সাধারণ সম্পাদক,কর্মকর্তা, কর্মচারী ঐক্য পরিষদ এর যুগ্ম আহবায়ক আবুবকর ছিদ্দিক,কর্মচারী ইউনিয়ন এর সাধারণ সম্পাদক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ঐক্য পরিষদ এর যুগ্ম আহবায়ক মজিবর রহমান,কর্মচারী সমিতির সভাপতি ও কর্মকর্তা, কর্মচারী ঐক্য পরিষদ এর সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

  • উজিরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই যুবকের মৃত্যু

    উজিরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই যুবকের মৃত্যু

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে একজন ও মটরের লাইন খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে

    ৩ জুন বুধবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার শোলক ইউনিয়ের কচুয়া ও শিকারপুর ইউনিয়নের জয়শ্রীতে পৃথক পৃথক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর গ্রামের সামসুল হকের পুত্র মোঃ আরিফ (৩০) শশুর বাড়ি উজিরপুরের শোলক ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে বেড়াতে এসে বাড়ির উঠানে টানানো কাপড় শুকানোর জিআই তারের সাথে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়। আত্মীয়-স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষার নিক্ষে করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে উজিরপুর উপজেলার জয়শ্রী গ্রামের সেকেন্দার হাওলাদার বাড়িতে নলকূপ বসানো শেষে পানির মোটরের লাইন খুলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎপৃষ্টে মোঃ টোকেন মেলকার (২৭) মৃত্যু বরন করেন। নিহত মোঃ টোকন মেলকার পার্শ্ববর্তী গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কমলাপুর গ্রামের আব্দুল মালেক মেলকারের পুত্র।

    উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহম্মেদ জানান নিহতদেরকে আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • মধুপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের  বীজ ও সার বিতরণ

    মধুপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের খরিপ-২/২০২৪-২৫ মৌসুমের উফশী আমন আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় টাঙ্গাইলের মধুপুরে তালিকা ভুক্ত এক হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
    ৩ জুলাই, বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে বীজ ও সার বিতরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট মো. ইয়াকুব আলী ।
    মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাকুরা নাম্নী, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা রুবি, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহরিয়া আক্তার রিভা, তাজমি নূর রাত্রি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিনুর রশিদ , উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গন সহ উপকার ভোগী কৃষক কৃষাণী গন উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে ও পৌর সভার এক হাজার কৃষককে ব্রিধান ৭৫, ব্রিধান ৮৭, ও বিনা ধান ১৭ জাতের রোপা আমন ধানের বীজ ৫ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজি মোট ২৫ কেজি করে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।