Author: desk

  • দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে  নিতে কৃষির বিকল্প নেই- মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি

    দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কৃষির বিকল্প নেই- মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি॥ দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কৃষির কোন বিকল্প নেই। আমরা এক সময় ছোট বেলায় পাটের উপর রচনা লিখতাম। পাটকে বলা হতো বাংলাদেশের সোনালী আঁশ। এই সোনালী আঁশ আজকে পলিথিন সিন্ডিকেটের কারনে বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে গেছে। বাজার থেকে পাটের ব্যাগ হারিয়ে গেছে। কৃষক, শ্রমিক, খামার, কুমার সবাইকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু এ দেশ স্বাধীন করে ছিলেন। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাভলম্বী করা। আজ দেশে কোন মঙ্গা হয়না, সারের দাবিতে কৃষককে প্রাণ দিতে হয়না। এবারের কোরবানি ঈদুল আজহার ঈদে দেশীয় গরু দিয়ে বেশিরভাগ কোরবানী দেওয়া হয়েছে। কোরবানির পর আরো গরুর উদ্বৃত্ত রয়েছে। খামারীর সংখ্যাও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সরকার কৃষকদের ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছেন।
    শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচীর আওতায় খরিপ-২ মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পটিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে বিনামূল্যে আমন বীজ, সার ও নারিকেল চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি এসব কথা বলেন।
    এতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আলাউদ্দীন ভূঞা জনী’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল আলম দিদার, ভাইস চেয়ারম্যান ডাঃ এমদাদুল হাসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদা বেগম শিরু, কৃষি কর্মকর্তা কল্পনা রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী কমল কান্তি পাল, নাছির উদ্দীন, সিরাজুল ইসলাম মাস্টার, চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম খান টিপু ও জাহাঙ্গির আলম প্রমুখ।
    অনুষ্ঠান শেষে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ১২০০ জন কৃষকের মাঝে নারিকেল চারা, বীজ ধান ও সার বিতরণ করা হয়। একই দিন উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কারিগরী সহায়তায় জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে ১৩টি বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় উচু, নিচু ৯৯ জোড়া বেঞ্চ বিতরণ করা হয়।

  • সুজানগরের পদ্মায় তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে শত শত বিঘা ফসলি জমি

    সুজানগরের পদ্মায় তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে শত শত বিঘা ফসলি জমি

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলায় পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকা ও চরা লে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনে উপজেলার ভায়না,সাতবাড়িয়া,মানিকহাট,নাজিরগঞ্জ ও সাগরকান্দি ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান,বসতভিটাসহ বিভিন্ন স্থাপনা। নদীর পানি বৃদ্ধি ও পানি কমতি এবং পদ্মা নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালি উত্তোলন নদী ভাঙনের অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নদীপাড়ের বাসিন্দারা। উপজেলার সাতবাড়িয়া অ ল থেকে শুরু করে নদীর পশ্চিম ও পূর্ব দিকের কয়েকটি গ্রামের কয়েক কিলোমিটার জুড়ে নদী ভাঙনে প্রতিদিন বিলিন হয়ে যাচ্ছে বিঘার পর বিঘা চাষযোগ্য কৃষি জমি। এ কারণে নদী পাড়ের জমিতে আবাদকৃত অপরিপক্ক চিনাবাদাম ও তিল উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন কৃষকেরা। চর সুজানগর গ্রামের কৃষক মোতাহার আলী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় কৃষকেরা চিনাবাদাম ও তিলের আবাদ করেছিলেন। কিন্তু আকস্মিক নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে অনেক ফসল পনির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া চরে ভাঙনের ফলে উঁচ জমিতে লাগানো তিল ও চিনাবাদাম ফসলের ক্ষেত ভেঙে বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীর বুকে। নদী ভাঙনে ফসলি জমি হারিয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ভাঙনে সর্বস্ব হারানো পরিবারগুলোর মাঝে বিরাজ করছে উদ্বেগ উৎকন্ঠা। স্থানীয় সাতবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা আম্বিয়া খাতুন জানান, প্রতিনিয়ত ভাঙনের কারণে নিঃস্ব হচ্ছেন তারা। যেভাবে ভাঙছে এতে বসতবাড়ি নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটছে পদ্মাপারের বাসিন্দাদের। সময় থাকতে এই নদী ভাঙন ঠেকাতে যদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয় তবে হারিয়ে যাবে তাদের মাথা গোঁজার শেষ ঠিকানা। কৃষকেরা জানান, ভাঙন প্রতিরোধে সরকারি কোন ব্যবস্থা না থাকায় চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়েছে নদীর পারের মানুষ। এ থেকে তারা পরিত্রাণ চায়। তাই তাদের দাবি আশ^াস নয় নদী ভাঙনরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের। এদিকে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির,উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড(বাপাউবো) পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, ভাঙন রোধে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নড়াইলের মধুমতী নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা কয়েকশ পরিবার

    নড়াইলের মধুমতী নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা কয়েকশ পরিবার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নে মধুমতী নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কয়েকশ পরিবার। তীব্র ভাঙ্গনে ইতিমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে আবাদি জমি, ভিটেমাটিসহ সহায় সম্পদ। এমনকি ভাঙ্গনে বিদ্যুৎ সরবারাহ লাইনের খুঁটিও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গন কবলিত এসব এলাকার মানুষেরা প্রতিনিয়ত আতংকে দিন কাটাচ্ছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় ভাঙ্গনের এই ভয়াবহ চিত্র।
    স্থানীয়রা জানান, একাধিকবার মধুমতী নদীর ভাঙ্গনের শিকার হয়েছেন ওই এখানকার মানুষ। গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড ইউনিয়নের শিয়রবর গ্রামের ভাঙ্গন রোধে জিও ব্যাগ ফেললেও এবার ভাঙ্গনে ভেসে যাচ্ছে সেগুলো। ফলে আবারও ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে কয়েকশ পরিবার। তাই ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধান চাই এলাকাবাসী।

    স্থানীয় তোতা মিয়া, সাদ্দাম, আলাউদ্দিন, বালাম, চুন্নুমিয়া, আফজাল মোল্যা, হুমায়ুন কবির, আরফিন মোল্যা, ওসমান মুন্সী জানান, মধুমতী নদীর ভাঙ্গনে তাদের বাড়ি বারবার ভেঙ্গে গেছে নদীগর্ভে। নদী ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে নিঃস্ব হয়ে গেছেন তারা। ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে আবারও নদীর কিনারে চলে এসেছে তাদের বসতভিটা। যেভাবে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে তাতে করে বসতভিটা কখন নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় এ নিয়ে তাদের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে। এবার বাড়ি ভাঙ্গলে মাথা গোঁজার ঠাই থাকবে না তাদের।

    ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রামের তোতা মিয়া জানান, তাদের ৫ বিঘা জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ পর্যন্ত ৩ বার ভাঙ্গনের শিকার হয়েছেন তিনি। এবারও ভাঙ্গনের দাঁড়প্রান্তে দাঁড়িয়ে। কি করবেন ভেবেই পারছেন না তিনি। তিনি ভাঙ্গন প্রতিরোধে দ্রুত কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন।

    বৃদ্ধ আরফিন মোল্যা জানান, বসতভিটা ছাড়াও তাদের আবাদি জমি, সুপাড়ি বাগান, পুকুরসহ ভাঙ্গনে ৫ বিঘা জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখন মাথা গোঁজার ঠাই হারিয়ে অন্যের জমিতে বসতঘর তৈরি করে বসবাস করছেন তিনি। সেটিও ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে। এরপর স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোথায় থাকবেন সে ঠিকানাও নেই তাদের। এ কথা বলতে বলতেই কেঁদে ফেলেন এই বৃদ্ধ। বালাম মোল্যার স্ত্রী তহমিনা জানান, ইতোপূর্বে ২ বার তাদের বসতভিটা নদীগর্ভে ভেঙ্গে গেছে।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য আশিকুল আলম জানান, মধুমতী নদীর ভাঙ্গনে বসতবাড়ি, আবাদি জমি,
    মাদরাসা, মসজিদ ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে নদী গর্ভে পুরো এলাকা বিলীন হয়ে যাবে। তিনি মধুমতী নদীর ভাঙ্গন রোধে জাতীয় সংসদের হুইপ ও নড়াইল – ২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    এ বিষেয়ে নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘লোহাগড়া উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের ভাঙ্গনরোধে আপাতত কোন বরাদ্দ নেই, এ কারণে কোনো ধরণের কাজ করতে পারছি না’। তবে বরাদ্দ পেলে আগামীতে ওই এলাকায় ভাঙ্গন রোধে কাজ করা হবে।

  • বিদ্যালয়ে নেই ব্যবসায় শিক্ষা শাখা তেঁতুলিয়ায় কম্পিউটার শিক্ষক এখন ব্যবসায় শিক্ষার সহকারী শিক্ষক

    বিদ্যালয়ে নেই ব্যবসায় শিক্ষা শাখা তেঁতুলিয়ায় কম্পিউটার শিক্ষক এখন ব্যবসায় শিক্ষার সহকারী শিক্ষক

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়াস উদ্দিন নামে এক সহকারী কম্পিউটার শিক্ষক তার পদ পরিবর্তন করে অবৈধ ভাবে ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষক পদে নিয়োগ ও বেতনভাতা উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে।

    তবে ওই শিক্ষকের এমন কর্মকান্ডের বিভিন্ন ভাবে অভিযোগ উঠলেও নীরব ভূমিকায় বিদ্যলায় কর্তৃপক্ষ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসসহ স্থানীয় প্রশাসন। অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে ওই শিক্ষক বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন।

    জানা গেছে, গিয়াস উদ্দিন ওই বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক পদে দীর্ঘ দিন ধরে চাকরি করে আসছেন। তবে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের পর ২০১৮ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কম্পিউটার বা আইসিটি শিক্ষক পদে যোগ্যতা ৩ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার কোর্সের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে ওই শিক্ষকের সেই যোগ্যতা না থাকায় তিনি তদবির করে ব্যবসায় শিক্ষায় সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেছেন বলে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

    ওই বিদ্যালয়ে সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিন নামে ওই শিক্ষক ২০০৫ সালের পহেলা মার্চ তেঁতুলিয়া পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার শিক্ষক) পদে যোগদান করেন। যোগদানের প্রায় দেড় বছর পর ২০০৬ সালের জুলাই মাস থেকে তিনি নিয়মিত বেতন ভাতা পেতে শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হলে সেই পদেই তিনি ২০২৩ সালের ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত বেতন-ভাতাসহ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন। এমপিও ভুক্তি থেকে জাতীয়করণের পর বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের স্ব-স্ব পদে যোগদান করলেও গিয়াস উদ্দিন নামে ওই সহকারী শিক্ষক গত ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর কম্পিউটার শিক্ষক পদের পরিবর্তে ব্যবসায় শিক্ষায় সহকারী শিক্ষক পদে নতুন করে তিনি যোগাদান করেন। ২০২৩ সালে যোগদান করে ২০২৪ সালের প্রকাশিত গেজেটের অজুহাতে বর্তমানে তিনি ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষক পদে বেতন ভাতা উত্তোলনের করছেন। অথচ সেই বিদ্যালয় ব্যবসা শাখা চালুই নেই।

    এদিকে বিদ্যালয়ে কম্পিউটার পদে যোগদান করে দীর্ঘ দিন চাকরি করার পর হঠাৎ করে ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষক বনে যাওয়ায় এলাকায় রীতিমতো চা ল্যতা সৃষ্টি হয়েছে। সেই বিদ্যালয়ে তিনি ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষক পদে যোগদান বা নিয়োগ পেলেও সেই বিদ্যালয়ে নেই ব্যবসা শাখা বা বিভাগ।

    বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ওই বিদ্যালয়ের মানবিক ও বিজ্ঞান শাখায় বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক সংকট রয়েছে। যার কারণে শিক্ষার্থীদের ফলফলও সন্তোজনক নয়। এছাড়াও বিদ্যালয়ে শতাধিক কম্পিউটার ও ল্যাপটপসহ একটি আইসিটি ল্যাব রয়েছে। ফলে শিক্ষক সংকটের ফলে সেটিও ব্যবগত হচ্ছে। শিক্ষক সংকটের বিপরীতে ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষক নিয়োগ দেয়ায় বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা দেখা দিচ্ছে।

    এদিকে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ওই বিদ্যালায়ের শিক্ষক ও স্থানীয়রা জানান, গিয়াস উদ্দিন নামে ওই শিক্ষক কম্পিউটার শিক্ষক পদে যোগদান করে দীর্ঘ দিন ধরে চাকরি করলেও বিদ্যালয়টি বর্তমানে জাতীয়করণ হওয়ায় সেই পদে নিয়োগ পেতে হলে ৩ বছরের ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার কোর্স ও কম পক্ষে দ্বিতীয় বিভাগ উত্তীর্ণ যোগ্যতা উল্লেখ্য থাকায় সেই শিক্ষকের সেই যোগ্যতা নেই। ফলে তিনি তার যোগদান করার স্ব-পদের পরিবর্তে তদবির করে ব্যবসায় শিক্ষায় সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করেছেন। তার নেই শিক্ষক নিবন্ধন তাই বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ব্যবসা শাখা না থাকা সত্বেও বর্তমানে তিনি ব্যবসায় শাখায় শিক্ষক পদে যোগদান করে বেতন বিল উত্তোলন করছে।

    এ বিষয়ে কথা হয় অভিযুক্ত শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনের সাথে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ দিন ধরে কম্পিউটার শিক্ষক পদে চাকুরী করে আসছি। পরে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হওয়ায় আমার ব্যবসায় শিক্ষায় যোগ্যতা ও বি কম পাশের সনদ থাকায় আমাকে ব্যবসায় শিক্ষায় সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়েছেন, তাই আমি এখন বেতন বিল উত্তোলনের জন্য আমার কাগজপত্র সাবমিট করেছি। তবে ওই শিক্ষক বলেন, ২০২৪ সালে প্রকাশ হওয়া গেজেটের নির্দেশ অনুযায়ী আমি যোগদান করেছি। তবে তিনি ২০২৪ সালের গেজেট দেখিয়ে বেতন উত্তোলন করলেও তিনি যোগদান করেন ২০২৩ সালে।

    এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, গিয়াস উদ্দিন কম্পিউটার শিক্ষক। বিদ্যালয থেকে শিক্ষকের তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সময় তার কম্পিউটার শিক্ষক পদে তালিকা পাঠানো হলেও তিনি কিভাবে ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষক পদে নিয়োগ পান। কম্পিউটার শিক্ষক হয়েও কিভাবে ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষক পদে বেতনভাতা উত্তোলনের বেতনসিটে স্বাক্ষর করেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় যেহেতু তাকে ব্যবসায় শিক্ষায় নিয়োগ চূড়ান্ত করছে তাই তিনি স্বাক্ষর করে বলে জানান তিনি।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তেঁতুলিয়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ফজলে রাব্বি জানান, গিয়াস উদ্দিন নামে ওই শিক্ষকের বিষয়ে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে। তবে ইউএনওর নির্দেশে বিষয়টির তথ্য জানতে ওই প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনের কাছে প্রায় ঘন্টা খানিক বসা হলে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও গণমাধ্যমকে কোন সুষ্ঠু জবাব দিতে পারেননি।

    এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শওকত আলী বলেন, আমি বিষয়টি প্রথমে জানতাম না। পরে বিষয়টি জানার পরে ওই শিক্ষকের কাগজপত্র দেখি। যেহেতু মন্ত্রণালয় তাকে ব্যবসায় শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়েছে সেক্ষেত্রে আমাদের করণীয় আর কিছুই করার নেই।

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • সুজানগর স্যানেটারী দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

    সুজানগর স্যানেটারী দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগর পৌর বাজার স্যানেটারী দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে পৌর বাজার স্যানেটারী দোকান মালিক সমিতির সভাপতি শাহজাহান আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদের স ালনায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে সর্বসম্মতিক্রমে পৌর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আহাদ ট্রেডার্স এর কর্ণধার আব্দুল আহাদকে নতুন সভাপতি, পৌর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মন্ডল ট্রেডার্সের কর্ণধার মিজানুর রহমান(মিনু মন্ডল) সহ সভাপতি, পৌর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসাদুল ট্রেডার্সের কর্ণধার পিন্টু প্রামানিক সাধারণ সম্পাদক, পৌর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেসার্স মার্জিয়া স্যানেটারী এন্ড টাইলসের কর্ণধার হাবিবুর রহমান রব সহ-সাধারণ সম্পাদক ও পৌর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রওশন ট্রেডার্সের কর্ণধার আব্দুস সোবাহান কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় নব নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সকল ব্যবসায়ীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তারা যেন তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে সঠিকভাবে পালন করতে পারেন এজন্য সকলের নিকট আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • হাতীবান্ধায় যুব ম‌হিলা লীগের প্র‌তিষ্ঠাবা‌র্ষিকী পা‌লিত

    হাতীবান্ধায় যুব ম‌হিলা লীগের প্র‌তিষ্ঠাবা‌র্ষিকী পা‌লিত

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপ‌জেলায় বর্ণাঢ‌্য আ‌য়োজ‌নে বাংলা‌দেশ যুব ম‌হিলা লী‌গের ২২তম প্র‌তিষ্ঠা বা‌র্ষিকী পা‌লিত হ‌য়েছে।

    শ‌নিবার (৬ জুলাই ) সকা‌ল ১১টায় উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গে‌র দলীয় কার্যাল‌য়ে নেতাকর্মী‌দের উপস্থিতিতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে আনুষ্ঠা‌নিকভা‌বে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জা‌তির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মু‌জিবর রহমা‌নের প্র‌তিকৃ‌তি‌তে পুষ্পমাল‌্য অর্পন করে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়।

    হাতীবান্ধা উপজেলা যুব ম‌হিলা ল‌ী‌গের আহ্বায়ক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিন সুলতানা সাথি’র সভাপতিত্বে ও ব্যবস্থাপনায় আ‌য়ো‌জিত অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অ‌তি‌থি ছি‌লেন হাতীবান্ধা উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম‌্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু।‌ বি‌শেষ অ‌তি‌থি ছি‌লেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম‌্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন মিয়া। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার সাদাত পাটোয়ারী রিপন, উপ‌জেলা যুব লীগ নেতা শাহিনুর ইসলাম শাহিন, শ্রমিক নেতা আমিনুল হক ডনসহ হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত যুব ম‌হিলা ল‌ী‌গের নিবেদিত নেতাকর্মীবৃন্দ।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • রংপুর মহানগরীতে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে দশ হাজার টাকা জরিমানা

    রংপুর মহানগরীতে বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে দশ হাজার টাকা জরিমানা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এবং রংপুর জেলা প্রশাসন এর যৌথ উদ্যোগে ০৪.০৭.২০২৪ ইং তারিখে রংপুর মহানগরীতে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।

    উক্ত মোবাইল কোর্ট অভিযানে রংপুর মহানগরীর জাহাজ কোম্পানি মোড়ে অবস্থিত কাচ্চি ডাইন নামক প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ গ্রহণ ব্যতীত বোরহানি পণ্য উৎপাদন, বিক্রয়-বিতরণ করায় ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ১০,০০০/- জরিমানা করা হয় এবং অবিলম্বে নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

    উক্ত অভিযানে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ আব্দুল কাইয়ুম খান। প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিদর্শক (মেট্রোলজি) জনাব আহসান হাবীব ও ফিল্ড অফিসার (সিএম) জনাব খন্দকার মোঃ জামিনুর রহমান। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব সন্দীপ দাশ, পরিদর্শক (মেট্রোলজি, রসায়ন) ।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে ভারতীয় ১ জন নাগরিককে  ভারতীয় পণ্যসহ গ্রেফতার

    মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে ভারতীয় ১ জন নাগরিককে ভারতীয় পণ্যসহ গ্রেফতার

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ অভিযানে ভারতীয় ১ জন নাগরিককে ভারতীয় পণ্যসহ আসামীক গ্রেফতার করে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ।

    গত বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাত ১০ টা.৫০ ঘটিকার সময় মাটিরাঙ্গা থানার একটি চৌকস আভিযানিক দল মাটিরাঙ্গা থানা এলাকায় মাদক দ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া মাটিরাঙ্গা থানাধীন মাটিরাঙ্গা বাজারস্থ বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    এই সময় আসামীর নিকট ০৫ আইটেম এর ভারতীয় বিভিন্ন কসমেটিক্স, যাহার অনুমানমূল্য ২১,১০০/-টাকা, ভারতীয় কিছু রুপি যাহার বাংলাদেশী টাকার মূল্য ২১,৪১৫/-টাকা, একটি কালো রংয়ের পুরাতন স্যামসাং এন্ড্রয়েড ফোন এবং আসামীর পকেট হইতে ভারতীয় পরিচয়পত্র সহ ইমামুল হক খন্দকার ইমাম (১৮) (ভারতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৫১৮৫৩০৯৪২৫২), পিতা-এনামুল হক, মাতা-ফাতেমা বেগম কুমকুম, সাং-ভেপুরা, ভেপুর, বীরভুম, পশ্চিমবঙ্গ-ভারত কে গ্রেফতার করে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাটিরাঙ্গা থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামীকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • পীরগঞ্জে গ্রামীণ ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচী

    পীরগঞ্জে গ্রামীণ ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচী

    পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি : প্রধান কার্যালয় ঘোষিত দেশব্যাপী পীরগঞ্জ খনগাঁও গ্রামীণ ব্যাংক শাখা বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করেছে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ।
    গত বৃহস্পতিবার পীরগঞ্জ উপজেলার গ্রামীণ ব্যাংক খনগাঁও শাখার উদ্দ্যোগে ২৮৪২ জন সদস্যদের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি ৩টি করে মোট ১৭০৫২টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
    বিতরণ সময় পীরগঞ্জ উপজেলার গ্রামীণ ব্যাংক খনগাঁও শাখা ব্যবস্থাপক রেবতী রায়, সেকেন্ড ম্যানেজার জাহিদুল ইসলামসহ কর্মকর্তা কর্মচারী ও সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

    এন এন রানা
    পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

  • র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানির অভিযানে ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানির অভিযানে ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানির অভিযানে ৬৬২ বোতল ফেনসিডিল ও ১২ কেজি গাঁজাসহ ০৫ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০১টি ট্রাক ও ০১টি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়েছে।

    ১। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ২। র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এর আভিযানিক দল র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় একাধিক অস্থ্ায়ী চেকপোষ্ট স্থাপন করে গত ০৪ জুলাই ২০২৪ খ্রি. রাত ২০.০০ ঘটিকায় ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন ২নং বাগবাটি ইউনিয়নের ফুলকুচা এলাকায়” রেজিস্ট্রেশন বিহীন একটি কাভার্ড ভ্যান হতে অভিনব কায়দায় লুকানো অবস্থায় ১৫১ বোতল ফেনসিডিল ও রাত ২১.১০ ঘটিকায় “সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন ঘুরকা বেলতলা বাজার এলাকায় ০১টি ভুট্টা ভর্তি ট্রাক যার রেজিঃ নাম্বার ঢাকা মেট্রো-ট-২০-৪৪৭৬’’ হতে ৫১১ বোতল ফেনসিডিল এবং অদ্য ০৫ জুলাই ২০২৪ খ্রি. ভোর ০৪.২৫ ঘটিকায় ‘‘ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে বগুড়া জেলার শেরপুর থানাধীন হাজীপুর এলাকায়’’ একটি যাত্রীবাহী বাস হতে ১২ কেজি গাঁজা, সর্বমোট ৬৬২ বোতল ফেনসিডিল ও ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে আসামি ১। মোঃ মোজাহার শেখ (৩১), পিতা-মোঃ বক্কার শেখ, সাং-খাজানগর (কাতলমারি), থানা-সদর, জেলা-কুষ্টিয়া, ২। মোঃ আব্দুল মোনা (১৯), পিতা-মোঃ নুর মোহাম্মদ, সাং-মদনপুর, থানা-আদিতমারী, জেলা- লালমনিরহাট, ৩। মোঃ আনিছুর রহমান (৩৫), পিতা-মৃত কামাল হোসেন, সাং-কেদার (খাঁ পাড়া) , থানা-কচুকাটা, জেলা-কুড়িগ্রাম, ৪। মোঃ নিজাম উদ্দিন(৪০), পিতা-মোঃ মঈন আলী, সাং-কাঠগিরি, থানা-ভুরুঙ্গামারী, জেলা-কুড়িগ্রাম এবং ৫। মোঃ সাদ্দাম হোসেন(৩০), পিতা-তমছের আলী, সাং-দক্ষিন বলদিয়া (কুমারটারী), থানা-কচাকাটা, সর্ব জেলা-কুড়িগ্রামদেরকে আটক করা হয়।

    ৩। এছাড়াও মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০৮টি মোবাইল ফোন, নগদ ৬,৮৯০/- টাকা, ০১টি ট্রাক এবং ০১টি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য অনুসন্ধান চলমান আছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার সদর ও সলঙ্গা থানা এবং বগুড়া জেলার শেরপুর থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।