Author: desk

  • দীর্ঘ  ১৮ বছরেও চালু  হয়নি মোরেলগঞ্জে পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী কলারন ফেরিঘাট

    দীর্ঘ ১৮ বছরেও চালু হয়নি মোরেলগঞ্জে পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী কলারন ফেরিঘাট

    এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির,বিশেষ প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী -কলারনফেরিঘাট দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বন্ধ হয়ে আছে । বারবার আশ্বাস দিয়েও শুরু হয়নি ফেরি চলাচল। ফলে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন নদী পারাপার হচ্ছে এই রুটে চলাচলকারী হাজার হাজার যাত্রী।

    সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সংলগ্ন পানগুচি নদীতে সন্ন্যাসী- কলারন ফেরি ঘাটটি ২০০৬ সালের ৪ আগস্ট চালু হয়। চালুর এক বছর পর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডরে কলারন প্রান্তের ঘাটটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় ফেরি চলাচল। এরপর প্রায় ১৮ বছর কেটে গেলেও চালু করা হয়নি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ-মোংলা-শরণখোলা -পিরোজপুর রুটের ইন্দুরকানীরকলারনএই ফেরি ঘাটটি। ফলে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছেন এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী সাধারণ। দুপাড়ের যাত্রী উঠানামার ঘাটটিও রয়েছে জরাজীর্ণ অবস্থায়। যাত্রীরা কোনোমতে উঠানামা করতে পারলেও মোটর সাইকেল উঠানামার ক্ষেত্রে থাকে প্রচুর ঝুঁকি। দুপাড়ের ঘাটের অবস্থা ভালো না থাকায় অনেক সময় নদীতে পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় যাত্রী সাধারণকে।

    সন্ন্যাসীর ওপরের যাত্রীদের ট্রলারে করে নদী পাড় হয়ে কলারন ঘাট থেকে বাসে উঠে পিরোজপুর জেলা শহর এবং রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়।

    এ আসনের সাবেক সংসদ সদস্যের ডিউলেটার এবং অনেক দিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের চিঠি চালাচালিতেও কোনো কাজ না হওয়ায় ফেরি ঘাটটি অদ্যবধি চালু হচ্ছে না।

    স্থানীয় সন্ন্যাসীর বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘নদীটি পার হতে ট্রলারই আমাদের একমাত্র ভরসা। তা আবার বর্ষা মৌসুমের বৈরী আবহাওয়ায় প্রায়ই বন্ধ থাকে। বর্ষার সময় নদীতে বেশি ঢেউ থাকায় ট্রলারে করে নারী ও শিশুদের নিয়ে নদী পারাপার অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। বারবার আশ্বাসের পরও অজানা কারণে চালু হয়নি ফেরি চলাচল। ফলে, অসুস্থ রোগী ও শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন। আমাদের দাবি হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আবারও কলারন সন্ন্যাসীর ফেরি চালু করা হোক।’

    সাংবাদিক অমল তালুকদার, সাংবাদিক ডা: নাসির উদ্দীন জোমাদ্দার বলেন, ‘প্রায়ই এই ঘাট থেকে যাতায়াত করি। সব সময় ট্রলার না থাকার কারণে আমাদের অনেক সময়ই ভোগান্তিতে পড়তে হয়। স্থানীয় বাসিন্দা আলামিন বলেন, এই ঘাটটি আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ফেরি না থাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নারী শিশুদের নিয়ে পারাপারে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

    স্থানীয় ১৬নং খাউলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার সাইদুর রহমান বলেন, এ ফেরিঘাটটি পুনরায় চালু হলে মোরেলগঞ্জউপজেলার সাথে সন্ন্যাসী ইন্দুরকানীর কলারন,পিরোজপুর, শরনখোলা, সুন্দরবন, মোরেলগঞ্জ ও মোংলার সাথে সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটা সহজ হবে। এর ফলে ব্যবসা বাণিজ্যেরও একটা নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।’

    পিরোজপুর সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, ‘পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী- কলারন ঘাটটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চেষ্টা করছি ফেরি ঘাটটি পুনরায় চালু করার জন।

  • ক্লিনিং স্যাটারডে কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সহকারী পুলিশ সুপার  ফারহানা আফরোজ জেমি

    ক্লিনিং স্যাটারডে কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সহকারী পুলিশ সুপার ফারহানা আফরোজ জেমি

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর থানা ক্যাম্পাসে “ক্লিনিং স্যাটারডে”
    পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম ” পরিদর্শন করেন সহকারী পুলিশ সুপার মধুপুর সার্কেল ফারহানা আফরোজ জেমি।
    টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সেবা, গোলাম সবুর পিপিএম-এর দিক-নির্দেশনায় চলমান বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া সহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি রোধকল্পে মধুপুর থানা চত্বরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম “ক্লিনিং স্যাটারডে” অনুষ্ঠিত হয়। মধুপুর থানা পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে মধুপুর থানা চত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করেন। ক্লিনিং স্যাটারডে কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সহকারী পুলিশ সুপার মধুপুর সার্কেল ফারহানা আফরোজ জেমি।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমান সহ মধুপুর থানার অফিসার ও পুলিশ সদস্য বৃন্দ।

  • পটিয়ায় রিক্সা চালকের ঘর ভাংচু*র! আহ*ত-১, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

    পটিয়ায় রিক্সা চালকের ঘর ভাংচু*র! আহ*ত-১, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

    পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:- চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক অসহায় পরিবারের লোকজনের উপর হামলা চালিয়ে ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় হামলায় গুরতর আহত হয়েছে রিনা আক্তার (৪০) নামের এক ভুক্তভোগী। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেলে উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড চঁাদ মিয়া বাড়ি এলাকার মো. হোসেনের ঘরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. হোসেন বাদী হয়ে ৩জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরো ৭/৮জনকে বিবাদী করে পটিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন, একই এলাকার মো. ইকবাল, জামাল উদ্দিন ও জালাল উদ্দিন। অভিযোগসূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী রিক্সা চালক মো. হোসেনর অসহায়ত্বের সুযোগে দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখীত অভিযুক্তরা তার মৌড়শী সম্পত্তি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের জন্য পায়তারা করে আসছিল। ভুক্তভোগী আদালতের আশ্রয় নিলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদেরকে মারধর, হুমকি-ধমকি সহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করে তাদের পৈতৃক জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বাধ্য করে। সর্বশেষ বহিরাগত সন্ত্রাসী সহ তারা মো. হোসেনের অনুপস্থিতে হামলা চালিয়ে ঘর ভাংচুর ও তার সহধর্মীনিকে বেধরক মারধর করে।

    এ বিষয়ে পটিয়া থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • ময়মনসিংহে এরশাদের মৃ*ত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিল

    ময়মনসিংহে এরশাদের মৃ*ত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিল

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কোরআন খতম, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের সাবেক বিরোধীদলীয় নেতার আস্থাভাজন মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম।

    রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে বাদ জোহর ময়মনসিংহস্থ বেগম রওশন এরশাদ এর বাসভবন সুন্দর মহলে জেলা জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে জাতীয় পার্টি ময়মনসিংহ জেলা,মহানগর ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির যৌথ উদ্যোগে এই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ইদ্রিস আলীর ও জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির হোসেন বিল্লাল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক ইদ্রিস আলী, মহানগর জাতীয় পার্টির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম খোকন,গিয়াস উদ্দীন দুলাল, আবু বকর সিদ্দিক,সদস্য মোখলেছুর রহমান,সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল হক, লিটন চিশতী,কাউসার আহমেদ, জাতীয় ছাত্র সমাজ সদর উপজেলার আহবায়ক তুষার আহমেদ, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম সম্রাট প্রমুখ।

    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে
    মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও জাতীয় সংসদের সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এর বিশ্বস্ত আস্থাভাজন আব্দুল আউয়াল সেলিম তার বক্তব্যে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবেন বলে জানিয়ে বলেন-প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ছিলেন সত্যিকার অর্থে উন্নয়শীল বাংলাদেশের একজন রূপকার। তার ৯ বছরের শাসনে বাংলাদেশের সব জায়গায় সমানভাবে উন্নয়ন হয়েছিলো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাংলাদেশকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যুগিয়েছিলো। তিনি গত ১৯৮২-১৯৯০ সাল পর্যন্ত ৯ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিসহ গ্রাম-বাংলার উন্নয়নে কাজ করেছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বৈদ্যুতিক বিল মওকুফসহ উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তকও ছিলেন সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধান। তার এই অবদান দেশের মানুষ কোনো দিন ভুলতে পারবে না।তিনি বলেন- মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে ঘোষণা দেওয়া, ওষুধ নীতি প্রণয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ঢাকার বেড়িবাঁধ নির্মাণ, যমুনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণসহ তার যুগোপযোগী যত উন্নয়ন হয়েছে সব তার আমলেই হয়েছে। যে কারণপ তিনি এখনো প্রশংসনীয়।

    অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান,ময়মনসিংহ জেলা জাপার যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট আব্দুল কাইয়ুম বলেন,এই বাংলার মাটিতে কোন অবস্থাতে যারা বাংলাদেশের গনতন্ত্র দেশের রাষ্ট্রকে কলঙ্কিত করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে আমরা বিশ্বাস করি জাতীয় পার্টি সদাই সর্বদা সতেষ্ট এবং সতর্ক। কোন অবস্থাতেই বাংলাদেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব বাংলার মাটিতে হবে না। আগামী সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে পল্লীবন্ধু মরহুম হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বাস্তবায়নে তার সহধর্মিণী সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা শেষে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্মরণে এবং সকলের মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত শেষে পথচারী ও অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

  • ঝিকরগাছায় ডাকা*তি কালে প্রবাসির স্ত্রীকে হ*ত্যা করেছে ডাকা*তদল

    ঝিকরগাছায় ডাকা*তি কালে প্রবাসির স্ত্রীকে হ*ত্যা করেছে ডাকা*তদল

     

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের ঝিকরগাছার নওয়ালী গ্রামে ডাকাতি কালে ফেরদৌসী খাতুন (৪০) নামে এক নারীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে ডাকাতদল।  এ সময় ডাকাতরা নিহতের মেয়ে জান্নাতি খাতুন (১০) কে ছুরিকাঘাত করে আহত করে।

    নিহত ফেরদৌসী খাতুন ঝিকরগাছার নওয়ালী গ্রামের স্পেন প্রবাসি আলতাফ হোসেনের স্ত্রী।

    স্থানীয় জানান, ডাকাতদল রান্নাঘরের গ্রিল কেটে ঘরে ঢোকে। এসময় ডাকাতদলের কাউকে ফেরদৌসী খাতুন চিনতে পারায় তার বাম কানের পাশে, ডান হাতের আঙ্গুলে ও বাম বুকে ছুরিকাঘাত করে । এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। এ সময় তার মেয়ে জান্নাতি খাতুনকেও ছুরিকাঘাত করে আহত কোরে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। 

    ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভুঁইয়া বলেন,রাতে 

     জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে স্পেন প্রবাসির স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলে সে মারা যায়। একই সাথে তার মেয়েকেও ছুরিকাঘাত করে তারা। আহত অবস্থায় সে চিকিৎসাধীন আছেন। বাড়ি থেকে কোন কিছু খোয়া যায়নি।বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে ।উদ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ইউনিটের একাধিক টিম কাজ করছে।

  • হাতীবান্ধায় ১০ বছরের সা*জাপ্রাপ্ত আসামি গ্রে*ফতার

    হাতীবান্ধায় ১০ বছরের সা*জাপ্রাপ্ত আসামি গ্রে*ফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।। 

    লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ বছরের জি আর সাজা প্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার। জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, এর দিক- নিদর্শনায় হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনর্চাজ সাইফুল ইসলাম, নেতৃত্বে এস আই সফিকুল ইসলাম, এ এস আই শ্রী মহেন্দ্রনাথ শর্মা ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ গত (১২ই জুলাই)২০২৪ইং রাজধানী ঢাকার অন্তর্গত গাবতলী বাস স্ট্যান্ড এলাকা হইতে ১০ বছরের সাজা প্রাপ্ত দীর্ঘদিন পলাতক আসামি গ্রেফতার করেন। যাহার  বিশেষ দায়রা মামলা নং- ৩৩৩/২২, এবং  কাফরুল থানার মামলা নং- ১৭ (০৯)০৭ ধারাঃ ৩৯৫/৩৯৭/৪১২ পেনাল কোড ১৮৬০ পরে আসাামি কে বিজ্ঞ  আদালতে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • তেঁতুলিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, তদন্তে জেলা শিক্ষা অফিসার

    তেঁতুলিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, তদন্তে জেলা শিক্ষা অফিসার

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার হারাদিঘী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান ফিরোজের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন ভঙ্গসহ নানা অনিয়মের গণ অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীসহ স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা। চলতি বছরের গত ২৭ মে জেলা শিক্ষা অফিসার পঞ্চগড়ের কাছে এই অভিযোগটি দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পঞ্চগড় জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল মালেক শনিবার (১৩ জুলাই) বিকাল ৩টায় ওই বিদ্যালয়ে তদন্তে আসেন। এতে অভিযোগকারীর পক্ষে ওই বিদ্যালয় থেকে অবসরে যাওয়া সহকারী শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন ও প্রধান শিক্ষককে একই টেবিলে বসিয়ে প্রায় আড়াই ঘন্টা চলে তদন্তের কার্যক্রম।

    এ সময় দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব ও ওই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র প্রফেসর মোঃ দেলোয়ার হোসেন প্রধান, হারাদিঘী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মহিম উদ্দিন, নীলফামারী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র হাজেরুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবকবৃন্দ ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত সালের জুন মাসের ১৮ তারিখ জেনারেল মিটিং এর জন্য ১৫৪ জনের স্বাক্ষরিত একটি আবেদন ওই বিদ্যালয়ে দেয়া হলে প্রধান শিক্ষক সেই আবেদনটি ওই মাসের ২১ তারিখ গ্রহন করেন। কিন্তু কোন জেনারেল মিটিং না দেয়ায় এবং বিদ্যালয় প্রধান তার রামগতিতে নানান অনিয়ম আর দুর্নীতি করার কারণে এই অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, দুদকের সততা স্টোরের টাকা আত্মসাৎ, গত সালের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৬৪জন ছাত্র-ছাত্রীকে উপবৃত্তি দেওয়ার নামে প্রতি জনের কাছ থেকে ১৫০টাকা ও অ্যাসাইনমেন্ট এর জন্য প্রতি জনের কাছ থেকে ১০দিনের জন্য ২০টাকা করে আদায় করেন, বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষিকা শিউলী আক্তারকে মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়মবর্হিভুতভাবে দুই বছর দেওয়া ও তার হাজিরা খাতায় প্রধান শিক্ষক নিজেই স্বাক্ষর করা, এসএসসি পাশ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে বিনা রশিদে ৫০০টাকা করে নেয়া, এডহক কমিটি না দিয়ে খেয়াল খুশি মতো চলাসহ ১০টি কারণ উল্লেখ করে বিদ্যালয় প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগটি করা হয়।
    তদন্তকালে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষক ফেরদৌসী বেগম থাকলেও অকেজোভাবে ফেলে রাখা হয়েছে কম্পিউটার। এতে কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় উদ্যোগ নিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষক। বসে বসে সরকারের বেতন খাচ্ছেন কম্পিউটার শিক্ষক। এদিকে যেকোনো কাজে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের ইউনিক আইডি কার্ডের অজুহাতে আদায় করা হয়েছে প্রতিজনের কাছ থেকে ১৫০টাকা করে। অন্যদিকে শিউলী আক্তারকে তার মাতৃত্বকালীন ছুটিতে শিলাইকুঠি এলাকার শাহজাহান নামে এক ব্যক্তিকে প্রক্সি হিসেবে নিয়োগ দেন। তবে দুই বছর ছুটি কাটেনি জানিয়েছেন শিউলী আক্তার। এছাড়াও চলমান কমিটি থাকাকালীন সময়ে কিভাবে এলাকাবাসীর অজান্তে সভাপতি মোহাম্মদ আলীর ছেলে শরিফুল ইসলামকে শুক্রবারের দিন মসজিদে নামায পড়ার সময়ে অফিস পিয়ন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে অভিযোগ উঠছে। এরপর এডহক কমিটি না দেয়া নিয়েও অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। এদিকে দুদকের সততা স্টোরের কোনো ভূমিকা দেখা যায়নি বিদ্যালয়টিতে। তবে দুদকের সততা স্টোরের ৩০হাজার টাকার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭হাজার টাকা অবশিষ্ঠ রেখে বাকি টাকা খরচ করা হয়েছে মৌখিকভাবে জানতে পারা গেছে। প্রশংসাপত্র ও সনদপত্র বিতরণেও ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে একঘেয়ামি টাকা।

    এলাকাবাসী রিয়াজ উদ্দিন ঠান্ডু বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিয়ম-দুর্নীতিতে ভরপুর। কখন কি পরীক্ষা নেয় বুঝা বড় দায়। প্রবেশপত্রে নেই প্রধানের স্বাক্ষর, নেই সাল, নেই কোন পরীক্ষার নাম লেখা অথচ নেয়া হচ্ছে পরীক্ষা। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে পরীক্ষা ফি, সেশন ফি আদায়কালে কোনো রশিদ দেয়া হচ্ছেনা। একই কথা জানিয়েছেন অনেকেই।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষা-দীক্ষার উন্নয়নে ও অনিয়মের বিরুদ্ধে উদ্যোগ গ্রহনকারী ওই বিদ্যালয় থেকে অবসরে যাওয়া গিয়াস উদ্দিন বলেন, তার আবেদনে উল্লেখিত অভিযোগের বাহিরেও আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে যেদিন থেকে শাহজাহান ফিরোজ প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন তার পর থেকেই বিদ্যালয়ে অনিয়ম হওয়া শুরু হয়েছে। গোপনে সভাপতির ছেলেকে নিয়োগ, কেউ জানেনা। কোন পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে সেটিও নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয়নি। অনেকেই আবেদন করতে চাইলেও আবেদন করতে পারেনি। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের কাজে সরকার ৫লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন অথচ সে নিজেই নামে মাত্র রংয়ের কাজ করে টাকা লোপাট করেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধানের বিরুদ্ধে এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্যতা দেখা দিয়েছে।

    এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান মোঃ শাহজাহান ফিরোজ বলেন, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। প্রতিটি অভিযোগের বিপক্ষে তার কাছে প্রমাণ রয়েছে।

    এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল মালেক বলেন, তিনি সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের বিষয়ে ১ম পক্ষ, ২য় পক্ষ, এলাকাবাসীর ও অভিভাবকদের কাছ থেকে জেনেছেন। আরও জানার রয়েছে জানিয়ছেন। উভয়পক্ষকে যার যার মতো প্রমাণ্য উপস্থাপন করতে তিন দিনের সময় দিয়েছেন। এরপর উর্ধ্বতর কর্তৃপক্ষের নিকট পরামর্শক্রমে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • বেতাগী উপজেলার ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি ঘোষণা, হোসনাবাদে বিলুপ্তির দাবিতে অ*বরোধ ও বিক্ষো*ভ

    বেতাগী উপজেলার ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি ঘোষণা, হোসনাবাদে বিলুপ্তির দাবিতে অ*বরোধ ও বিক্ষো*ভ

    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    বরগুনার বেতাগী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে যুবলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সদ্য ঘোষিত হোসনাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি বিলুপ্তির দাবিতে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন দলের বঞ্চিত নেতা- কর্মিরা।

    গত শুক্রবার বেতাগী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি প্রভাষক জহিরুল ইসলাম লিটন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান জুয়েল রানা স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে এ সব কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। গত বছরের মার্চ মাসে এসব ইউনিয়ন যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেলে অর্থ বাণিজ্য করে হোসনাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি দেওয়ার প্রতিবাদে বরগুনা-বেতাগী আঞ্চলিক সড়কের সোনার বাংলা এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।

    এসময় হোসনাবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম সজিব সহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

    বক্তারা টাকার বিনিময় বিএনপির লোক দিয়ে সদ্য ঘোষিত ইউনিয়ন যুবলীগের গঠিত কমিটি বাতিলের দাবি করেন। সন্ধ্যায় তা প্রত্যাহার করলেও আগামীতেও কমিটি বাতিলের দাবিতে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান ।

    উপজেলা যুবলীগের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে যুবলীগের নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা হলেন বিবিচিনি ইউনিয়নে সৈয়দ নজরুল ইসলাম আজাদ ও মো. আবুল কালাম আজাদ, হোসনাবাদ ইউনিয়নে মো. সিদ্দিকুর রহমান ও মো. সফিকুল ইসলাম, মোকামিয়া ইউনিয়নে মো. দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার ও মো. রিয়াজুল ইসলাম, বুড়ামজুমদার ইউনিয়নে মো. সহিদুল ইসলাম নাসির ও মহিদুজ্জামান রণ এবং কাজিরাবাদ ইউনিয়নে এইচ.এম সজিব ও মো. তারেকুজ্জামান তারেক।

    এ অভিযোগ অস্বীকার করে বেতাগী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম লিটন বলেন, ইউনিয়ন ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে সম্মলনের মাধ্যমে প্রার্থীদের জীবন বৃত্তান্ত যাচাই-বাছাই শেষে উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

  • মুকসুদপুরে মাতৃস্নেহ প্রতিবন্ধী ও যুব নারী উন্নয়ন সংস্থার নিবন্ধন পাওয়ায় আনন্দ উৎসব 

    মুকসুদপুরে মাতৃস্নেহ প্রতিবন্ধী ও যুব নারী উন্নয়ন সংস্থার নিবন্ধন পাওয়ায় আনন্দ উৎসব 

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ 

    “প্রতিবন্ধীদের অবহেলা নয় সঠিক পরিচর্যাই পারে ওদের স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে”‌ এ  প্রতিপাদ্যে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মাটিয়া ব্রিজ লোহাইড় এ প্রতিষ্ঠিত মাতৃস্নেহ প্রতিবন্ধী ও যুব নারী উন্নয়ন সংস্থার নিবন্ধন পাওয়ায় আনন্দ উৎসব ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে মাতৃস্নেহ প্রতিবন্ধী ও যুব নারী উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে এবং জাতীয় সাপ্তাহিক মধুমতি কন্ঠ পত্রিকার সার্বিক সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. মুন্সী আতিয়ার রহমান। মাতৃস্নেহ প্রতিবন্ধী ও যুব নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নাজনীনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সাপ্তাহিক মধুমতি কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, গোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরিফ হোসেন, মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও বাংলা টিভির প্রতিনিধি তারিকুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য আঃ সালাম মোল্লা। 

    এসময় দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার মুকসুদপুর উপজেলা প্রতিনিধি ও মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,  মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার প্রতিনিধি বাদশাহ মিয়া, মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক ও সমকন্ঠের প্রকাশক আরটি হাসান, সাপ্তাহিক বাংলার নয়ন পত্রিকার প্রতিনিধি জসিমউদ্দীন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন নম্বর (যুউঅ/গোপা/২০১৭-৮৭) হাতে পাওয়ায় সকলে কেক কেটে আনন্দ উৎসব করেন।

  • নড়াইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তঃ কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর শুভ উদ্বোধন

    নড়াইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তঃ কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর শুভ উদ্বোধন

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া, নড়াইলের আয়োজনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্ত কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪ এর আয়োজন করা হয়। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শুক্রবার (১২ জুলাই) চার দিন ব্যাপী এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাঃ মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার, নড়াইল। অনুষ্ঠানের শুরুতেই মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক, নড়াইল ও পুলিশ সুপার জনাব মোহাঃ মেহেদী হাসান বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মহোদয় স্বাগত বক্তব্যে মাদকমুক্ত যুব সমাজ গড়তে খেলাধুলার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।
    এ সময় লিংকন বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট; মোঃ কামরুজ্জামান, জেলা ক্রীড়া অফিসার, নড়াইল; মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, সদর থানা, নড়াইল; সৈয়দ তরিকুল ইসলাম শান্ত, যুগ্ম সম্পাদক, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, কৃশ্ন পদ দাসসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।