Author: desk

  • পঞ্চগড়ে বিএনপির প্রার্থীর ব্যানার অ-পসারণ প্র-তিবাদ,  নির্বাচন নির-পক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই

    পঞ্চগড়ে বিএনপির প্রার্থীর ব্যানার অ-পসারণ প্র-তিবাদ, নির্বাচন নির-পক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড়ে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরের নির্বাচনী ব্যানার অপসারণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    এ ঘটনার প্রতিবাদে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় (ডিসি অফিস)প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন।
    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টানানো পঞ্চগড়-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরের নির্বাচনী ব্যানার অপসারণ করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে তারা মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন এবং ব্যানার অপসারণের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
    কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধির অজুহাতে একতরফাভাবে বিএনপির ব্যানার অপসারণ করা হচ্ছে, যা নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও সুষ্ঠুতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা অবিলম্বে অপসারিত ব্যানার পুনঃস্থাপন এবং এ ধরনের পক্ষপাতমূলক কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান।
    এ সময় নেতাকর্মীরা আরও অভিযোগ করেন, ১০ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী মো. সারজিস আলমের রঙিন ব্যানার ও প্রচারসামগ্রী নিয়েও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও সে বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অথচ বিএনপি প্রার্থীর ব্যানার কোনো প্রকার পূর্ব নোটিশ ছাড়াই অপসারণ করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিএনপি নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করে এলাকা ত্যাগ করেন।
    এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • জুলাই শহী-দদের জন্য আমাদের হ্যাঁ ভোট দিয়ে তাদের ঋ-ণ শোধ করতে হবে- ডা. শফিকুর রহমান

    জুলাই শহী-দদের জন্য আমাদের হ্যাঁ ভোট দিয়ে তাদের ঋ-ণ শোধ করতে হবে- ডা. শফিকুর রহমান

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন,১০ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। জুলাই শহীদদের জন্য আমাদের হ্যাঁ ভোট দিয়ে তাদের ঋণ শোধ করতে হবে। তিস্তা-ধরলা-করতোয়াসহ অন্যান্য মরা নদীর অবস্থান হলো শরীরের রক্তনালীর মত। গোটা নর্থবেঙ্গলকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। শুধু উত্তরবঙ্গ নয় গোটা দেশের মরা নদীগুলো সচল করবো। নদীর জীবনকে সামনে রেখে নর্থবেঙ্গলকে একটি কৃষিভিত্তিক রাজধানী গড়ে তুলতে চাই।
    ২৪শে জানুয়ারি শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পলাশবাড়ী সূতি মাহমুদ মডেল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের আহবানে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

    তিনি নির্বাচনী প্রচারের তৃতীয় দিন রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন। এরআগে এদিন ভোর থেকেই জেলা ছাড়াও এ অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা হতে খন্ড খন্ড মিছিলের ঢল নামে জনসভাস্থলে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। কানায় কানায় পূর্ণ হয় বিশাল মাঠ। এছাড়াও পলাশবাড়ী পৌর শহরের সর্বস্তরের জনমানুষ মাইকে প্রধান অতিথির বক্তব্য শোনার জন্য শহরের অসংখ্য পয়েন্টে অবস্থান নেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন,চুরির কালো টাকা ফিরিয়ে নিয়ে আসলে এবং এখনও যারা চুরি করছে তাদের হাত অবশ করে দিলেই এই অবহেলিত উত্তরাঞ্চল অনায়াসে উন্নতি লাভ করবে। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে জনবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ্। আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই-যেখানে ধর্মে ধর্মে কোন সংঘাত সৃষ্টি হবে না।

    তিনি বলেন,আমরা কোন চাঁদাবাজি করতে দিব না। চাঁদাবাজিদের হাতকে কর্মের হাতে রূপান্তর করবো। তাদের মন্দ পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। তিনি আরো বলেন,সারা বাংলাদেশের খাদ্য শস্যের তিন ভাগের এক ভাগ যোগান দেয় উত্তরাঞ্চল। এই জেলায় কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা হবে। গাইবান্ধার বালাসী-বাহাদুরাবাদ সেতু নির্মাণে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

    আমীরে জামায়াত স্বাস্থ্য শিক্ষা নিয়ে আরো বলেন,উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের জন্য এ জেলায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার সাথে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তিনি নারীদের ব্যাপারে বলেন,তারা মায়ের জাত। তাদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করা হবে। আমরা তাদের জন্য একসাথে বাসা-অফিসসহ সবক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করবো। আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। একটি আলোকিত বাংলাদেশ গড়তে চাই। তিনি আরো বলেন,আমরা লাল চক্ষুকে ভয় পাইনা। কোন আধিপত্যবাদ সহ্য করবো না। সকল দেশ এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক হবে সম্মানের।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার রাজনৈতিক সেক্রেটারী গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ (অব.) মাও. নজরুল ইসলাম লেবু’র সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাও. জহুরুল হক সরকারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাও. আবদুল হালিম ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী সিবগাতুল্লাহ সিবগা। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জেলা আমীর মো. আব্দুল করিম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য ও সাবেক জেলা আমীর এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম সরকার,গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনের প্রার্থী জেলা সিনিয়র নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছ এবং গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের প্রার্থী জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোজাহিদ ফয়সাল, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান, মো. ফয়সাল কবির রানা, ছাত্র শিবির গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ পরিষদের সভাপতি নুরুন্নবী প্রধান, জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা শহর শাখার আমীর অধ্যাপক ফেরদৌস আলম ছাড়াও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা শাখার সভাপতি মাও. আব্দুল হানিফ, জেলা এলডিপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম,জেলা জাতীয় নাগরিক পাটির যুগ্ম আহবায়ক রাশিদুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।

    সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা সদর উপজেলা আমীর মাও. নুরুল ইসলাম মন্ডল, গোবিন্দগঞ্জের আমীর আবুল হোসাইন মাস্টর,সাদুল্লাপুরের আমীর এরশাদুল হক ইমন, সাঘাটার আমীর মাও. ইব্রাহিম হোসাইন ও ফুলছড়ির আমীর মাও. সিরাজুল ইসলাম।

    সমাবেশে ১০ দলীয় ঐক্যজোটের নেতৃবৃন্দসহ গাইবান্ধা জেলার ৭টি উপজেলার দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।।

  • গৌরনদীর (সরিকলে) নির্বাচনকে ঘিরে সতন্ত্র প্রার্থীর অ-পপ্রচার এমন অ-ভিযোগ বন্দর কমিটির সভাপতির

    গৌরনদীর (সরিকলে) নির্বাচনকে ঘিরে সতন্ত্র প্রার্থীর অ-পপ্রচার এমন অ-ভিযোগ বন্দর কমিটির সভাপতির

    কে এম সোয়েব জুয়েল।।

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল বন্দরে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক অপপ্রচার চালাচ্ছেন বরিশাল -১ (গৌরনদী – আগৈলঝাড়া) আসনের ফুটবল মার্কার সতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব আবদুস সোবহান ও তার নেতা কর্মিরা।

    ২৪ জানুয়ারি শনিবার বেলা ১১ টায় সরিকল বন্দর কমিটির অফিসে বন্দরের অনেক ব্যাবসায়ীদের উপস্থিতিতে এমন অভিযোগ করেন বন্দর কমিটির সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সরিকল ইউনিয়ন যুগ্ম আহবায়ক ও গৌরনদী উপজেলার কমিটির সদস্য হেদায়েত হোসেন মৃধা সহ একাধিক ব্যাবসায়ীরা।

    তিনি (হেদায়েত) বলেন , গতকাল শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি বরিশাল -১ আসনের ফুটবল মার্কার সংসদ সদস্য সতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ আবদুস সোবহান বেলা ১২ টার দিকে তার লোকজন নিয়ে সরিকল বন্দরে ফুটবল মার্কার হ্যান্ডবিল বিলি করেন। এ সময় সতন্ত্র প্রার্থী সোবাহানের ফুটবল মার্কার সমর্থিত কতিপয় লোকজন হাটে উপস্থিত লোকজনদের মাঝে বলে বেড়ান তারেক জিয়ার সালাম নিন ফুট বল মার্কায় ভোট দিন, এ স্লোগানকে ঘিরে স্হানীয় বিএনপির সমর্থিত ধানের শিশ সমর্থিত লোকজনদের সাথে ফুটবল মার্কার লোকজনর মাঝে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটলেও ব্যাপক কোন ঘটনা ঘটেনাই। এমনটাই জানিয়েছেন বন্দর কমিটির সভাপতি মোঃ হেদায়েত হোসেন মৃধা।

    এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করে ধানের শিশের পক্ষে গন মাধ্যমে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা ভিত্তি হীন ও বানোয়াট । তিনি আরও বলেন , এমন অপপ্রচার চালিয়ে ধানের শিশের বিজয়কে ঠেকিয়ে রাখা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। তাদের (ধানের শিশের) জনপ্রিয়তা দেখে প্রকৃত পক্ষে ভয়ে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন সতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন।

    তবে ১২ ফেব্রুয়ারীর সারাদিনের নির্বাচনে আল্লাহর ইচ্ছায় জনগনের সাড়ায় বিপুল ভোটে বিজয় হবে তাদের ধানের শিশ মার্কা এমনটাই বলেন তারা।

    বন্দরের ব্যাবসায়ীদের মাঝে ২৩ জানুয়ারির লিফলেট বিতারন সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদ চালানো সম্পর্কে বক্তব্য রাখের ব্যাবসায়িদের মধ্যে মোঃ জসিম উদ্দিন, দুলাল চন্দ্র বাড়ই,মোঃ খলিলুর রহমান প্রমুখ।

    এ সময় সরিকল বন্দর কমিটির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন্দর কমিটির কোষাদক্ষ কৌসিক হাসান রাফি,উপদেষ্টা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বন্দর কমিটির বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী মোঃ আবুতালেব,,বন্দর কমিটির সদস্য মোঃ মামুন হাওলাদার, প্রচার সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম সুজন, মোঃ জাকির চোকদার, ফজলুল হক মোল্লা প্রমুখ।

    এ সকল অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সতন্ত্র ফুটবল মার্কার প্রার্থী ইন্জিনিয়ার আবদুুস সোবহান বলেন, ধানের শিশের লোকজনের অভিযোগ গুলো আদৌ ঠিক নয়। প্রকৃত পক্ষে লিফলেট বিতারনকে কেন্দ্র করে তারা আমাদের লোকজনকে হেনস্তা করেছে এমনটিই জানিয়েছেন তিনি।

  • আশুলিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে মা-রধর ও বাড়িঘর ভা-ঙচুরের অভিযোগ: তিন বছরেও বিচার মেলেনি

    আশুলিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে মা-রধর ও বাড়িঘর ভা-ঙচুরের অভিযোগ: তিন বছরেও বিচার মেলেনি

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর গ্রামের প্রবাসীর স্ত্রীকে প্রকাশ্যে গালিগালাজ ও মারধরের পর বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তিন বছর পার হলেও বিচার না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে রয়েছে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সরেজমিনে জানা যায়, ইয়ারপুর গ্রামের প্রবাসী হযরত আলীর স্ত্রী ইয়াসমিন অভিযোগ করে বলেন, ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসার ভাই নাজিম উদ্দিন মোল্লা নাজি (৪১) ও মান্নান গং ও তাদের নেতৃত্বে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

    ভুক্তভোগী ইয়াসমিন জানান, গত ৫ এপ্রিল ২০২৩ সকালে মামলার আসামিরা তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। এর পরদিন ৬ এপ্রিল ২০২৩ দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে নাজিম উদ্দিন মোল্লা নাজির ও মান্নান গং এর নেতৃত্বে ১০-১২ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্র-দা, শাবল, হাতুড়ি ও লোহার রড নিয়ে জোরপূর্বক তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় বাড়ির পূর্ব ভিটায় থাকা তিন কক্ষবিশিষ্ট ওয়াল কাম টিনশেড ভবন ভেঙে ফেলা হয়। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ইয়াসমিন আরও বলেন, ভাঙচুরে বাধা দিতে গেলে অভিযুক্ত নাজিম উদ্দিন তার চুল ধরে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ও ফোলা জখম করেন।

    ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর মামলা দায়ের করা হলেও দীর্ঘ তিন বছর ধরে বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো অগ্রগতি নেই। উল্টো মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আসামিরা নিয়মিত হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

  • আশুলিয়ায় ময়লার গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে নারী নি-র্যাতন ও হ-ত্যাচেষ্টার অ-ভিযোগ

    আশুলিয়ায় ময়লার গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে নারী নি-র্যাতন ও হ-ত্যাচেষ্টার অ-ভিযোগ

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার শিমুলতলা ফকিরবাড়ি এলাকায় ময়লার গাড়ির মালিক শেখ মোঃ হানিফের বিরুদ্ধে মোছাঃ সোনিয়া সরকার (২২) নামের এক নারীকে অমানুষিক নির্যাতন করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী সোনিয়া নিজেই সামনে এসে ভয়াবহ এই ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

    ভুক্তভোগী ভিকটিম সোনিয়া সরকার জানান, তিনি মন্নান সরকারের মেয়ে। অভিযুক্ত শেখ মোঃ হানিফ কৌশলে ও হুমকি-ধামকি দিয়ে তার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। একপর্যায়ে গোপনে ভিডিও ধারণ করে তা অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
    সোনিয়ার অভিযোগ, তিনি সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলে অভিযুক্ত তাকে মারধর করে এবং একাধিকবার হত্যার হুমকি দেয়। সর্বশেষ তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুরুতর নির্যাতন করা হলে কোনোমতে তিনি প্রাণে বেঁচে যান এবং পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন।

    এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, প্রভাবশালীরা বারবার আইনের ফাঁক দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে, যা বন্ধ হওয়া জরুরি।
    অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শেখ মোঃ হানিফের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন ও ওয়াজ মাহফিল অ-নুষ্ঠিত হয়েছে

    খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন ও ওয়াজ মাহফিল অ-নুষ্ঠিত হয়েছে

    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার উপকন্ঠে, ভুজনা কালিকাপুরে খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদ্রাসার নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন ও ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আলেম-ওলামা, শিক্ষানুরাগী ও মুসল্লিগণ উপস্থিতিতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদর্শনী, মৃত্যু ব্যাক্তির গোসল কাপড় পরিধান ও জানাজা প্রদর্শন করেন। পরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    অবহেলিত জনপদের কৃতি সন্তান ফেঞ্চুগঞ্জ মোহাম্মদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ফরিদ উদ্দীন এর অক্লান্ত পরিশ্রমও সার্বিক সহযোগিতায় ২০২৪ সালে মাদ্রাসাটি স্থাপিত হলে ও মাদরাসা উদ্বোধন এর মধ্য দিয়ে খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদ্রাসার পূর্ণতা রূপ নিতে যাচ্ছে।
    শুক্রবার (২২ শে জানুয়ারি) মাদ্রাসা ভবন উদ্বোধন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়, যেখানে মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দেশ-জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।
    উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে। ওয়াজ মাহফিলে দেশ বরেণ্য ইসলামি চিন্তাবিদ গণ গভীর রাত পর্যন্ত ওয়াজ করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আন্তর্জাতিক মুফাসসিরে কোরআন জামিয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গা
    শাইখুল হাদিস হযরত মাওলানা মুফতি মো. ইকবাল বিন হাসিম। প্রধান বক্তা মুহাদ্দিস, জামিয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গা, সিলেট হযরত মাওলানা মুফতি মো. ফারুক আহমেদ লস্কর,
    ফেঞ্চুগঞ্জ মোহাম্মদিয়া কামিল মাদরাসা
    অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ফরিদ উদ্দীন,
    দোয়ারাবাজার ইসলমিক ফাউন্ডেশন এর সুপারভাইজার হযরত মাওলানা জয়নাল আবেদীন, হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আফজল খান সিরাজী, সহকারী অধ্যাপক, বুরাইয়া কামিল মাদ্রাসা হযরত মাওলানা মো. বদিউজ্জামান হযরত মাওলানা শফিকুল ইসলাম, হযরত মাওলানা খালেদ আহমদ,
    হাফিজ হযরত মাওলানা মফিজুর রহমান,
    হযরত মাওলানা আব্দুর রকীব, হযরত মাওলানা মোঃ নজরুল ইসলাম, ভূমি দাতা আলহাজ আব্দুর নুর, ইউপি সদস্য মনির উদ্দিন, মো. রজব আলী, নুরুল ইসলাম আর্মি, আব্দুল হামিদ প্রমুখ।

  • খেলাফত মজলিস মনোনীত ও ১০ দলীয় ঐক্য সমর্থিত হাফিজ মাওলানা আব্দুল কাদির এর সাংবাদিক সম্মেলন

    খেলাফত মজলিস মনোনীত ও ১০ দলীয় ঐক্য সমর্থিত হাফিজ মাওলানা আব্দুল কাদির এর সাংবাদিক সম্মেলন

    হারুন অর রশিদ।।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) খেলাফত মজলিস মনোনীত ও ১০ দলীয় ঐক্য সমর্থিত হাফিজ মাওলানা আব্দুল কাদির এর সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারী) সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে ছাতক উপজেলা নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিস সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি ইমাম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান, জেলা সহ সভাপতি মাওলানা সদরুল আমিন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ছাতকের প্রধান সমন্বয়ক ও জেলা সহ সভাপতি মাওলানা আকিক হোসাইন, জেলা সেক্রেটারি মাও আখতার হোসাইন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আখতার হোসেন আতিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ জাবেদ, খেলাফত মজলিস সিলেট কোতোয়ালি পশ্চিম থানার সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল কালাম আজাদ, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সহকারী তত্ত্বাবধায়ক হাফিজ কামরুল ইসলাম, ছাতক পৌর সভাপতি মাও জহির আহমদ,সেক্রেটারি সুলাইমান আহমদ তালুকদার, দোয়ারা বাজার সভাপতি মাওলানা মইনুল ইসলাম, সেক্রেটারি জাকির হোসেন সাইদ, ছাত্র মজলিস সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি এনামুল হক আলী, খেলাফত মজলিস ছাতক উপজেলা সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল হাই ও মাওলানা সালেহ আহমদ, সেক্রেটারি মাওলানা জসিম উদ্দিন নাজিম বিন হক, ইয়াহিয়া খান মাহবুব, নুর আহমদ মাসুম, তোফায়েল আহমদ, ইমাম উদ্দিন মামুন, ইমায়ের ইসলাম তাজুল, হাফিজ সিদ্দিক আহমদ, মোঃ শাহ আলম, মাওলানা ফয়জুল ইসলাম তালুকদার, মাও আইন উদ্দিন সুজন, আমির আলী, মাওলানা আব্দুল হাফিজ, মাও শাহিন আহমদ, মাওলানা লোকমান আহমদ সহ আরও প্রমূখ।
    এসময় ছাতক-দোয়ারাবাজার উপজেলার কর্মরত সকল মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    হাফিজ আব্দুল কাদির ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের তকিপুর গ্রামের মাস্টার হাজী ইলিয়াস আলীর ছেলে।
    সংবাদ সম্মেলনে এমপি প্রার্থী হাফিজ আব্দুল কাদির বলেন, আল্লাহর নির্দেশিত ও রাসুল সা. এর দেখানো পথে খোলাফায়ে রাশেদার আদর্শ অনুসরণ করে রাষ্ট্র ও সমাজকে দ্বীনের পথে পরিচালনা করতে চাই। হিন্দু ও অমুসলিম জনগোষ্টীর অধিকার সুনিশ্চিত ও আর্থিক, সামাজিক এবং ধর্মীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল ধরণের সহযোগীতা করতে চাই।

  • আশুলিয়ার জামগড়ায় নি-ষিদ্ধ পশুর মাং-স ৪০০ টাকা কেজি বিক্রির অ-ভিযোগ

    আশুলিয়ার জামগড়ায় নি-ষিদ্ধ পশুর মাং-স ৪০০ টাকা কেজি বিক্রির অ-ভিযোগ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারের পাশে একটি দোকানে নিষিদ্ধ পশুর মাংস গরুর মাংস বলে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি করার সময় এক ব্যক্তি ধরা পড়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভান্ডারী নামে এক ব্যক্তি ৪০০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি করছিলো। মাংসের গুণগত মান ও রঙে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তাকে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় ওই দোকানদার পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী দোকানে ছিলো, তারা মাংস কিনে এনে বিক্রি করছেন এবং এটি কোন পশুর মাংস তা জানেন না বলে।

    ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমান মাংসগুলো জব্দ করে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করেন।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ঘোড়ার মাংসসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ প্রাণীর মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির ঘটনা মাঝেমধ্যেই ঘটছে। তারা এ ধরনের অপরাধ রোধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

  • জনবান্ধব ভূমি অফিস গড়তে গিয়ে অপপ্রচারের কবলে সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম

    জনবান্ধব ভূমি অফিস গড়তে গিয়ে অপপ্রচারের কবলে সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম

    নিজস্ব প্রতিবেদক: দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যমুক্ত জনবান্ধব ভূমি অফিসের কার্যক্রম হাতে নিয়ে চক্রান্তের কবলে পড়েছেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম।

    ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিস কার্যালয়ের সার্ভেয়ার হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সহকারী কমিশনার ভূমি এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক কার্যালয়টিকে ঘুষ, দুর্নীতি ও দালালমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়ায় সংঘবদ্ধ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর রোষাণলে পড়েছেন তিনি।

    যাদের একটি অংশ ইতিমধ্যে নানা অপপ্রচার চালিয়ে এই জনবান্ধব কর্মকর্তার মনোবল ভেঙে দিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার পায়তারা চালাচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে সেই ষড়যন্ত্র অনেকটাই ব্যর্থ হয়েছে সুদক্ষ এই কর্মকর্তার প্রশাসনিক উদ্যোগ এবং সচেতন স্থানীয় জনগণের তৎপরতায়।

    চক্রান্তকারীদের একটি অংশ ইতিমধ্যে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে মিথ্যা অপপ্রচারের জন্য ক্ষমা চেয়ে মুচলেকাও দিয়েছেন।

    সূত্র জানায়, গত ২০২৫ সালের ১০এপ্রিল ভালুকার সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয়ে সাইদুল ইসলাম সার্ভেয়ার হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পরপরই দালালদের দৌরাত্ম্য এবং ঘুষ বন্ধে পদক্ষেপ নেন। এতে অস্বস্তিতে পড়ে যায় সুবিধাভোগী অসাধু চক্রটি, যারা বিগত সময়ে ভূমি অফিসের প্রতিটি স্তরে সিন্ডিকেট বানিয়ে কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্যে লিপ্ত ছিল। এই চক্রটি দ্রুতই তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু কথিত নিউজ পোর্টালে মনগড়া অভিযোগ, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেয়। উদ্দেশ্য ছিল- তাঁকে সরিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আবারও প্রতিষ্ঠা করা।

    সাইদুল ইসলামের সহকর্মীরা গণমাধ্যমে তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “উনি নিয়মের বাইরে একচুলও যান না। তাঁর মতো অফিসারই বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারে। মিথ্যা অপবাদ শুনে আমরা ব্যথিত। অফিস স্টাফদের অনেকেই মুচলেকার ঘটনার পর বলছেন-এটি আইনের প্রতি সম্মান এবং সত্য প্রতিষ্ঠার জয়।

    ভূমি অফিসের একজন সেবাপ্রত্যাশী বলেন, “আগে দালাল ছাড়া কাজ হতো না। এখন সরাসরি গিয়ে সার্ভেয়ারের সাথে দেখা করা যায়, কথা বলা যায়,অফিসার সাহেব নিজেই কথা বলেন। তিনি একজন হাস্যজ্বল ও মিশুক ধরনের মানুষ, যিনি যেকোন সময় মানুষের সাথে মিশে যেতে পারেন। সকল সেবা গ্রহীতাদের জন্য তার দুয়ার সবসময় উম্মুক্ত থাকে। এমন লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা করলে কার স্বার্থ রক্ষা হয়? তা কারো বুঝার বাকী নাই। উপজেলা ভূমি অফিসে আশা অনেকেই এমন মিথ্যাচারের তীব্র সমালোচনা ও নিন্দা জানিয়েছেন।

    সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম ইতিপূর্বে ময়মনসিংহের আরেকটি উপজেলায় দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখানকার মানুষ তাকে আজো সম্মানের সাথে স্মরণ করেন।

  • প্রিয় সলঙ্গার গল্প’র শীতবস্ত্র বি-তরণ

    প্রিয় সলঙ্গার গল্প’র শীতবস্ত্র বি-তরণ

    জি.এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও মানবসেবা মূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “প্রিয় সলঙ্গার গল্প” গ্রুপের পক্ষ থেকে গরিব,অসহায় ও দু:স্থ শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে।আজ শুক্রবার সকাল ১০ টায় সলঙ্গা ফাজিল মাদ্রাসা হল রুমে এ শতাধীক শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।শীতে কাতর অনেক দরিদ্র পরিবারই নতুন কম্বল পেয়ে খুশি।শীত নিবারণে কম্বল পেয়ে অনেকেই তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন,সলঙ্গার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কে.এম আমিনুল ইসলাম হেলাল।স্বাগত বক্তব্য রাখেন,সংগঠনের চীফ এডমিন শাহ আলম।অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,সংগঠনের উপদেষ্টা সহকারি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান সরকার,উপদেষ্টা আব্দুস সালাম মাস্টার,সলঙ্গা সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কে,এম আব্দুল মজিদ,সহকারী অধ্যাপক বেলাল হোসেন,এস এম ফারুক হায়দার,হারুন অর রশিদ,শাহিদুল ইসলাম,তুষার তালুকদার,নাজমুল হুদা,রাজু আহমেদসহ অনেকে।শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন,শীতের কষ্ট সেই বুঝবে যার কাছে শীত নিবারণের মত কোন বস্ত্র নেই।সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই শীতের কষ্ট থেকে দরিদ্র মানুষদের রক্ষা করা সম্ভব।শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব।
    আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা দরিদ্র অসহায় মানুষের জন্য শীত নিবারণে কিছুটা হলেও লাঘব হবে।সমাজের অসহায়-দরিদ্র মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা নিজেরা খুশি।ভবিষ্যতেও আমরা এভাবেই অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চাই।
    বক্তারা আরও বলেন,সমাজের বিত্তবানদের এমন মানব সেবামুলক কাজে এগিয়ে আসা উচিত।”প্রিয় সলঙ্গার গল্প” সংগঠন সব সময়ই সামাজিক কাজ ও হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে।সংগঠনের এমন অনেক মানবিক উদ্যোগ ইতিমধ্যেই স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি জাগিয়েছে।কম্বল বিতরণসহ সংগঠনের অনেক মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।