Author: desk

  • পটিয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে কু*পিয়ে জখম: ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই কারাগারে

    পটিয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে কু*পিয়ে জখম: ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই কারাগারে

    পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের পটিয়ার হুলাইন ছালেহ নুর ডিগ্রী কলেজের ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ ইনকনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় ফৌজুল আজিম রুপু (২৭) নামের একজনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। সে উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের দক্ষিণ হুলাইন গ্রামের মৃত আবুল হাশেমের পুত্র এবং হাবিলাসদ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান ফৌজুল কবির কুমারের ছোট ভাই। ৩০ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে পটিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তাররাহুম আহমদের আদালতে আত্মসর্পন করতে গেলে বিচারক শুনানী শেষে রুপুকে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন। রুপু জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নে ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ ইনকনের সঙ্গে কিশোর গ্যাং লিডার ফৌজুল আজিম রুপুসহ স্থানীয়দের বেশ কিছু যুবকের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে গত ১ ফেব্রুয়ারি রুপুর নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের সন্ত্রাসী গ্রুপ অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলার এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগ নেতাকে দাড়ালো কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন।  এ ঘটনায় পটিয়া থানায় একটি মামলা রেকর্ড হয়। ওই মামলার ১নং আসামী ফৌজুল আজিম রুপু। দীর্ঘদিন সে পলাতক থাকার পর ৩০ জুলাই মঙ্গলবার আদালতে আত্মসর্পন করতে গেলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পটিয়া উপজেলা মৎস্যজীবি লীগের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম সাইফু জানিয়েছেন, ফৌজুল আজিম রুপু এলাকার চিহ্নিত একজন কিশোর গ্যাং লিডার। তার নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছিল। হাবিলাদ্বীপ ইউনিয়নে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাতের কারণে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ।  
    পটিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের আইনজীবি নুর মিয়া জানিয়েছেন, ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় মামলার ১নং আসামী কিশোর গ্যাং লিডার ফৌজুল আজিম রুপুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • সাংবাদিক সবুজ এর উপর হা*মলা ; প্রেসক্লাবের নিন্দা

    সাংবাদিক সবুজ এর উপর হা*মলা ; প্রেসক্লাবের নিন্দা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহযোগী সদস্য সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম সবুজ এর উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে বাসায় যাওয়ার সময় পথিমধ্যে দুর্বৃত্তরা এ হামলা করে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত সাংবাদিক সবুজ কে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে প্রেসক্লাবের সদস্যরা
    হাসপাতালে সাংবাদিক সবুজ কে দেখতে যান এবং তার চিকিৎসার খোঁজ নেন। এদিকে এ হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে দিয়েছেন পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট এফএমএ রাজ্জাক, সহ সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন ও মোঃ আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক এন ইসলাম সাগর, কোষাধ্যক্ষ এস এম বাবুল আক্তার, সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, জি এ গফুর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আলাউদ্দিন সোহাগ, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, বি সরকার, আলাউদ্দিন রাজা, এম আর মন্টু, নজরুল ইসলাম, প্রমথ রঞ্জন সানা, ইমদাদুল হক, আব্দুর রাজ্জাক বুলি, কৃষ্ণ রায়, আবুল হাশেম, অমল মন্ডল, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, বদিউজ্জামান, আল শাহরিয়ার, শাহজামান বাদশা, খোরশেদ আলম ও উজ্জ্বল দাশ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

    জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মৎস্য সেক্টরে বর্তমান সরকারের অগ্রগতি ও সাফল্যের উপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর মৎস্য সম্পদের সুরক্ষা ও সমৃদ্ধি অর্জনে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমের উপর মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় এ কর্মসূচীর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন কার্যক্রম ও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি তুলে ধরেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক। মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সাফল্য তুলে ধরেন ইনস্টিটিউট এর লোনাপানি কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান। শস্য মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ খাতে কৃষি ঋণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক হাদিসুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ কে এম শরিফুল আলম রুবেল, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাশ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার। বক্তব্য রাখেন মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা কাওছার আহমেদ আকন, এসডিএফ কর্মকর্তা নাসিম আনসারি, ক্ষেত্র সহকারী রণধীর সরকার, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন, মোঃ আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, আলাউদ্দিন রাজা ও প্রকাশ ঘোষ বিধান।।

  • পটিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালিত

    পটিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালিত

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার:
    কোটা আন্দোলনের ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন
    জেলায় সহিংতায় নিহতের স্মরণের চট্টগ্রামের পটিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে
    রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। ৩০ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে প্রেসক্লাব
    মিলনায়তনে সভাপতি নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে
    মুনাজাত পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এটিএম তোহা। এসময়
    উপস্থিত ছিলেন- প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কাদের, অর্থ সম্পাদক
    বিকাশ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মোরশেদ
    আলম, কার্যকরি সদস্য কাউছার আলম, গিয়াস উদ্দিন, রনি কান্তি দেব,
    আবদুল্লাহ আল নোমান, সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন নীরব, শহীদুল ইসলাম।
    সাম্প্রতিক সময়ে কোটা আন্দোলনের ইস্যুতে দেশের বিভিন্ন জেলায় যে সহিংতা
    হয়েছে তা খুবই দু:খজনক। আন্দোলনে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত ও আহতদের
    সুস্থতা কামনা করেন।

  • পটিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালিত

    পটিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালিত

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার:
    কোটা আন্দোলনের ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন
    জেলায় সহিংতায় নিহতের স্মরণের চট্টগ্রামের পটিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে
    রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। ৩০ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে প্রেসক্লাব
    মিলনায়তনে সভাপতি নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে
    মুনাজাত পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এটিএম তোহা। এসময়
    উপস্থিত ছিলেন- প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কাদের, অর্থ সম্পাদক
    বিকাশ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মোরশেদ
    আলম, কার্যকরি সদস্য কাউছার আলম, গিয়াস উদ্দিন, রনি কান্তি দেব,
    আবদুল্লাহ আল নোমান, সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন নীরব, শহীদুল ইসলাম।
    সাম্প্রতিক সময়ে কোটা আন্দোলনের ইস্যুতে দেশের বিভিন্ন জেলায় যে সহিংতা
    হয়েছে তা খুবই দু:খজনক। আন্দোলনে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত ও আহতদের
    সুস্থতা কামনা কররেন।

  • পটিয়া পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

    পটিয়া পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার।। । পটিয়া পৌরসভার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। ৩০ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় পৌরসভা মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে মেয়র আইয়ুব বাবুল ১৬০ কোটি ২৭ লক্ষা ৮৭  হাজার টাকার বাজেট ঘোষনা করেন। এর মধ্যে রাজস্ব বাজেট রাজস্ব বাজেট ২৩ কোটি ২ লক্ষ এবং উন্নয়ন বাজেট ধরা হয় ১৩৭ কোটি ২৫ লক্ষ। বাজেটে পটিয়া পৌরসভা ভবনের পশ্চিম পাশে অত্যাধুনিক অফিস কাম বাণিজ্যিক ভবন, ইন্দ্রপোল ও বাস টার্মিনাল গোল চত্বরে নান্দনিক ফোয়ারা নির্মাণ, পৌর এলাকা সম্প্রসারণ, পুরাতন থানা হাটে বহুতল বিশিষ্ট কিচেন মার্কেট নির্মাণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য জমি ক্রয় ডাম্পিং স্টেশন, আধুনিক ওর্য়াকশপ নির্মান, পৌর এলাকায় বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ, জনসমাগম স্থলে সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও গণশৌচাগার নির্মাণ, জলবায়ু প্রকল্পের আওতায় পৌর এলাকায় সোলার লাইন স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষনা করা হয়। বাজেট ঘোষণায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক গোলাম কাদের, কাউন্সিলর রূপক কুমার সেন, গোফরান রানা, শেখ সাইফুল ইসলাম, শফিউল আলম, জসীম উদ্দিন, সরওয়ার কামার রাজীব, গিয়াস উদ্দীন আজাদ, বুলবুল আকতার, ফেরদৌস বেগম, ইয়াসমিন আকতার চৌধুরী। পৌরসভার প্রধান নির্বাহী নেজামুল হক, প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, হিসাব রক্ষক হারুনুর রশিদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা করুনা কান্তি বড়–য়া। এসময় মেয়র আইয়ুুুব বাবুল পটিয়া পৌরসভাকে একটি উন্নত আধুনিক এবং স্মার্ট নগরীতে পরিণত করতে সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

  • মধুপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন  উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মধুপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
    “ভরবো মাছে মোদের দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মধুপুরে মৎস্য সম্পদের সুরক্ষা ও সম্বৃদ্ধি অর্জনে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকালে মধুপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্যকর্মকর্তার অফিস কক্ষে মধুপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান এর সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা কৃষিবিদ শাকুরা নাম্নী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিনুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার গোলাম মোস্তফা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মনির সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিক গন উপস্থিত ছিলেন।
    আলোচনা সভায় মৎস্যকর্মকর্তা আতিয়ার রহমান জানান, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে ৩০ জুলাই হতে ৫ আগষ্ট পর্যন্ত গৃহিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে র‍্যালী, আলোচনা সভা, মাছের পোনা অবমুক্ত করণ,পুকুরের পানির রাসায়নিক গুনাগুন পরীক্ষা, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মাইকিং সহ প্রচার প্রচারনা চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।

  • তানোর হাসপাতালে কাঙ্খিত সেবা পেয়ে রোগীরা খুশি

    তানোর হাসপাতালে কাঙ্খিত সেবা পেয়ে রোগীরা খুশি

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা সরকারি হাসপাতালে জনবল সঙ্কট থাকলেও লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া, বেড়েছে চিকিৎসা সেবার মান।ভাল কিছু করার ইচ্ছে শক্তি থাকলেই শত প্রতিকুলতার মাঝেও ভাল কিছু করা যায় তানোর উপজেলা
    হাসপাতালের কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাঃ বার্নাবাস হাসদাক সেটা প্রমাণ করেছে। জনবল সঙ্কটের পরেও এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মেলিত প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিন পর মানুষ কাঙ্খিত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে।
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলা হাসপাতালে ২৯ জন চিকিৎসক পদের মধ্য ৪ জন চিকিৎসকের পদ শূণ্য রয়েছে। সার্জারি, নাক-কান-গলা, চর্ম-যৌন ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ। এছাড়াও জুনিয়র মেকানিক এক জন, অফিস সহকারী দু’জন, ক্যশিয়ার একজন, মাঠকর্মী ১৩ জন, ইন্সেপক্টর দু’জন, জুনিয়র ফ্যাকো দুটি ও কামারগাঁ ইউপি উপ-স্বাস্থকেন্দ্রে চিকিৎসক একটি পদ শূণ্য রয়েছে। এছাড়াও পুরাতন ভবনের সংস্কার জরুরী হয়ে পড়েছে। কিন্ত্ত এতো প্রতিকুলতার পরে চিকিৎসকদের স্বদিচ্ছার কারণে চিকিৎসা সেবা মান বেড়েছে। এখন প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৫ থেকে ৬শ’ রোগী আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন।
    জানা গেছে,স্থানীয় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর নির্দেশনায়-হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না ও টিএইচও ডাঃ বার্নাবাস হাসদাকের
    কঠোর নজরদারি হাসপাতালের পুরো চিত্র বদলে দিয়েছে। এখন আর নেই সেই আগের মতো দালালদের দৌরাত্ম্য ও চিকিৎসা সেবা নিতে আশা সাধারণ মানুষের হয়রানি। দীর্ঘদিন পর উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লীসহ এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে বিনামূল্যে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা পাবার বিশস্ত প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে।উপজেলা
    হাসপাতাল। রাজশাহী জেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দুরে তানোর পৌর এলাকার আমশো মহল্লায় উপজেলা হাসপাতালের অবস্থান। এছাড়াও উপজেলার প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ কৃষিজীবী জীবনধারণও সাধারণ। ফলে এসব মানুষ চাইলেও উন্নত চিকিৎসা সেবা নিতে জেলা শহরে যেতে পারে না। আবার উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিকে টাকা দিয়েও সাধারণ মানুষ কাঙ্খিত সেবা পায় না। তবে নিঃখরচায় এসব মানুষের উন্নত স্বাস্খ্য সেবা প্রদানের অঙ্গীকার ও কাঙ্খিত মাণের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে চলেছে উপজেলা হাসপাতাল। উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিস্ট সরকারি হাসপাতাল এখন উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্য সেবার বিশস্ত প্রতিষ্ঠান। মফস্বল এলাকায়
    উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানে তানোর উপজেলা হাসপাতাল অন্যদের থেকে এক ধাপ এগিয়ে।
    জানা গেছে, উপজেলা হাসপাতালের আধুনিক সুবিধা সংবলিত নতুন ভবন, নিজস্ব বিদ্যুৎ, অক্সিজেন ও পরিবহণ ব্যবস্থা, সার্বনিক একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও আল্ট্রসনোগ্রাফি, শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত ও আধূনিক যন্ত্রপাতি সম্মৃদ্ধ অপারেশন থিয়েটার, দালাল ও ধুমপানমুক্ত উন্নত পরিবেশ, নিয়ম-শৃঙ্খলা, রোগী, ওষুধ, পথ্য-মানসম্মত খাবার সরবরাহ ও স্বজনদের সঙ্গে সুন্দর আচরণ ইত্যাদির মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে চিকিৎসা সেবায় আস্থা ও ভরসার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে উপজেলা
    হাসপাতাল। ফলে এথানে প্রতিনিয়ত বাড়ছে চিকিৎসা সেবা গ্রহণকারীদের সংখ্যা। আবার হাতের কাছে উন্নত চিকিৎসা সেবা পেয়ে এই জনপদের মানুষও হাসপাতাল নিয়ে খুশি। এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা, বার্নাবাস হাসদাক বলেন, তারা মানব সেবার প্রত্যয় নিয়ে চিকিৎসক হয়েছেন। তিনি বলেন, তারা সব সময় সাধারণ মানুষকে উন্নত চিকিৎসা সেবা দেবার চেস্টা করে যাচ্ছেন,আগামি দিনেও তাদের এই চেস্টা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন, এখন হাসপাতালের রোগীদের উন্নত মানের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। এবিষয়ে তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান ও হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, এমপি মহোদয়ের নির্দেশনা রয়েছে, সাধারণ মানুষের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন,
    এর জন্য যা যা করা প্রয়োজন আমরা সব করবো ইনশাআল্লাহ্।#

  • নাগরপুরে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক দিয়ে হস্তশিল্প

    নাগরপুরে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক দিয়ে হস্তশিল্প

    মো. আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ও বেকরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে হস্তশিল্প কাজ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। পরিত্যাক্ত প্লাস্টিক দিয়ে হস্তশিল্প এ যেন সম্ভাবনাময়, বেকারত্ব দূরের বাংলাদেশ।

    দেশের টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিলের পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় ওয়ানটাইম বেল্ট থেকে এ হস্তশিল্পের তৈরি হয়েছে। গড়ে উঠেছে বিভিন্ন মালিকানাধীন কারখানা। এসকল কারখানার মালিকরা শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানা থেকে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বেল্ট কিনে নিয়ে আসেন, এই প্লাস্টিক দিয়ে গ্রামীণ নারী-পুরুষেরা মিলে তৈরি করেন- সিলিং, ডোল কিংবা বেড়া।

    এ সকল পণ্যের চাহিদা রয়েছে সারাদেশেই, স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও কারখানা থেকে তাদের তৈরি পণ্য ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন গ্রাহকরা। বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে এ ডোল, বেড় এর চাহিদা একটু বেশি। সারা বছর তৈরি করা পন্যর চাহিদা হলেও বছরে অন্যান্য সময়ে কারখানা পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বেল্ট দিয়ে কারিগররা তৈরি করেন, ঘরের সিলিং, বেড়াসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র। প্লাস্টিকের তৈরি হলেও এ আসবাবপত্রগুলো দেখতে বাঁশ ও বেতের তৈরীর মতোই মনে হয়, টেকসই ও মজবুত হওয়ায় এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। গ্রামীণ জনপদের নারী-পুরুষ সামান্য প্রশিক্ষণ নিয়ে তৈরি করছেন এমন পণ্য। তাদের তৈরি এ পণ্য স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েও যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়, এতে করে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে এ শিল্পকে ঘিরে।

    ফলে সংসারে অভাব-অনটন অনেকটাই লাঘব করতে সক্ষম হচ্ছেন নারীরা, এই শিল্পের মাধ্যমে পাল্টে যাচ্ছে তাদের পারিবারিক চিত্র।

    বারাপুষা গ্রামের ইসহাক জানান, তার কারখানায় মোট ৭০ জন শ্রমিক কাজ করছে। তবে প্রায় নারীকর্মীরা তাদের নিজ নিজ বাড়িতেই এ কাজগুলো করে নিয়ে আসে, কারখানায় এসকল কর্মীরা গড়ে ১৫/২০ পিস করে চেগার(আকার ভেদে) ও একজন কারিগর একটি করে ডোল বানাতে পারে। তিনি আরো জানান, সিলিং, চেগারসহ উৎপাদিত পণ্যে বিক্রি কেজি ধরে।

    এ শিল্প কাজের সাথে জরিত কয়েকজনের সাথে কথা বললে জানা যায়, তাদের উৎপাদিত পণ্য বেশ চাহিদা থাকলেও অর্থের অভাবে সরবরাহ করতে পারছেন না, ক্রেতার চাহিদা মতো পণ্য। তবে ব্যাংক কিংবা কোন এনজিও প্রতিষ্ঠান সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করলে হয়তো এ শিল্প-কারখানা আরো প্রসারিত করা সম্ভব হতো বলে জানিয়েছেন কারিগররা।
    উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা রেজা মো. মাসুম প্রধান জানান, এ শিল্পের সম্প্রসারণের উদ্যোক্তারা আগ্রহী হলে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।

    নাগরপুর, টাঙ্গাইল।

  • তেঁতুলিয়ায় তিন লাখ টাকা মূল্যের গাছ জব্দ

    তেঁতুলিয়ায় তিন লাখ টাকা মূল্যের গাছ জব্দ

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতূলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক বিরোধপূর্ণ জমি থেকে ৩ লাখ টাকা মূল্যের ইউক্যালিপ্টাস গাছের ২১৭পিস লক জব্দ করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকালে উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদের ১০০ গজ পশ্চিমে প গড়-তেঁতুলিয়া জাতীয় মহাসড়ক সংলগ্ন উত্তর পার্শে¦ মাগুরমারী চৌরাস্তা নামক এলাকায় এই জব্দের ঘটনাটি ঘটে। রোববার (২৮ জুলাই) বিকাল পর্যন্ত চলে জব্দের কার্যক্রম। জব্দকৃত লক গুলো দেবনগড় ইউনিয়ন ভূমি অফিস চত্বরে রাখা হয়েছে।

    জানা যায়, কারফিউ চলাকালীন ও তার দু’একদিন আগে ওই জব্দকৃত গাছ গুলো কাটেন উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের উষাপাড়া গ্রামের নবিবর রহমানের ছেলে মনিরুজ্জামান মিন্টু।

    সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, পরিষদ কর্তৃক বিরোধপূর্ণ জমিতে গাছ কেটে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পেয়ে গত শুক্রবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বিকালের দিকে দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হয়। সঙ্গে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল হাসান, আনসার ও পুলিশ সদস্য। বিরোধপূর্ণ গাছ গুলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার জব্দের নির্দেশ দেয়। এসময় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছলেমান আলী, ইউপি সদস্যগণ, সাংবাদিক বৃন্দ, গ্রাম পুলিশ, মনিরুজ্জামান মিন্টু ও নুর আলমসহ আরো অনেকেই পরিষদ কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন।

    ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আমজুয়ানী মৌজার জে.এল.নং ২৮ এর এস.এ ৭৫৪ নং খতিয়নের ৪৫৬৩ নং দাগে ৯৬শতক জমির মধ্যে ৫০শতক জমি গত ১৯৮৫ সালের ৩ মার্চ সতরমগছ গ্রামের মৃত আজিম উদ্দিনের ছেলে হাফিজ উদ্দিন ও মফিজ উদ্দিনের কাছ থেকে ৭৪৪নং দলিল মূলে ক্রয় করেন ৭নং দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদ। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই খতিয়ানের অন্যতম রেকর্ডীয় মালিক সলিম উদ্দিন তার বারো আনা হিস্যা মতে হাফিজ উদ্দিন ও মফিজ উদ্দিনের কাছে কবলা দলিলে বিক্রি করেন। পরিষদ জমি ক্রয়ের পর ১৯৮৬ সালের ১১ জানুয়ারি দুই দলিলে ৪টি দাগে এক একর জমির ৮৩৮ নং খারিজ খতিয়ান খুলে নেয়।
    ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, ওই মৌজায় একই জে.এল নং এর এস.এ ৭৫৪ নং খতিয়ানের ৪৫৬৩ নং দাগে ৯৬ শতক জমির মধ্যে ৪১শতক জমির আরও একটি ৯৫০ নং খারিজ খতিয়ান হয়। এই খতিয়ানটি হাওয়াজোত গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে তৈয়বুল হোসেনের নামে দেখা গেছে। দাগটিতে দুটি খারিজ খতিয়ান সৃজন হওয়ার পর ৫শতক জমি অবশিষ্ট রয়েছে। তবে বর্তমানে দখলকৃত কোন ব্যক্তি ওই খারিজ খতিয়ান দুটিকে বাতিল করতে পারেনি।

    সরেজমিনে গিয়ে আরও জানতে পারা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ দাবিদার বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে ৬৩টি ইউক্যালিপ্টাস গাছ কাটা হয়েছে। সেকশন করার পর ওই গাছগুলোর ২১৭টি লক ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জব্দ দেখানো হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে অন্যতম ১টি লক হায়দারের করাত মিলে রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে ভজনপুর গাছ ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান বলেন, তিনি ৩লাখ ২০হাজার টাকায় গাছ গুলো ক্রয় করেছেন।

    ঘটনার দিন মুঠোফোনে মনিরুজ্জামান মিন্টু বলেন, গাছ গুলো আমার। টাকা নেওয়ার জন্য কয়েকজন মেম্বার এই সব কাজ করছেন। আপনাকে (সাংবাদিক) কে সংবাদ দিয়েছে বলেন তো, সাংবাদিকরা কখনো সোর্স এর নাম প্রকাশ করেনা।
    নুর আলম বলেন, এই জমি আমরা চার আনা অংশে ২৪শতক জমি পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত হই। দুই ভাইয়ের মধ্যে আমি আমার অংশ মনিরুজ্জামানের নিকট বিক্রি করেছি।

    ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছলেমান আলী বলেন, ওই দাগে ৯৬শতক জমির মধ্যে ৫০শতক জমি আমাদের পরিষদের নামে রয়েছে। যার খারিজ করা হয়েছে। কারফিউ এর ফাঁকে মনিরুজ্জামান গাছ গুলো কেটেছে, আমি জানতাম না। পরবর্তীতে জানতে পেরে গাছ গুলো অন্যত্র সরিয়ে না নিতে বাধা-নিষেধ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) উভয় পক্ষের মধ্যে সালিশী বৈঠক হলে জটিলতা থাকায় গাছগুলো বিক্রি কিংবা সরিয়ে না নেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু জানতে পারলাম জুম্মার নামাযের ফাঁকে মনিরুজ্জামানরা গাছ গুলো ভ্যান যোগে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। পরে দুই জন ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে দিলে তাদেরকেও কোনো তোয়াক্কা করেননি। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড মহোদয় সরেজমিনে এসে গাছ গুলো জব্দ করেন।
    ইউপি সদস্য আইবুল হক ও ওবায়দুল হক বলেন, আমরা বাধা দিলে কোনো তোয়াক্কা করেননি মনিরুজ্জামান মিন্টুর লোকজন। বাধ্য হয়ে ইউএনও মহোদয়কে অবগত করা হয়। আইবুল হক বলেন, মিন্টুর সঙ্গে আমার মুঠোফোনে কথা হলে তিনি কেন ইউএনও স্যারের সঙ্গে যাবেন বরং ইউএনও স্যার তার কাছে আসবেন জানিয়েছেন।

    ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল গণি বলেন, তিনি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে জানতে পারেন ওই দাগে পরিষদের নামে জমি রয়েছে। পরে এবিষয়ে চেয়ারম্যানে বাসায় উভয়পক্ষ বসলে কি সিদ্ধান্ত হয় তা তিনি জানেননা। তিনি আরও বলেন, পরিষদের জায়গা থেকে গাছ কাটা হয়েছে এবং সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে জানতে পেরে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশক্রমে ২৬-২৮ জুলাই পর্যন্ত ছোট-বড় ২১৭ পিস লক অফিস চত্বরে নিয়ে গিয়ে জব্দ তালিকা প্রণয়ন করেন।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফজলে রাব্বি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ জব্দ করা হয়েছে। গাছ কর্তনের জায়গায় পরিষদের নামে ক্রয়কৃত সম্পত্তি রয়েছে। মনিরুজ্জামান মিন্টু ও নুর আলমকে তাদের উপযুক্ত কাগজপত্র নিয়ে বসতে বলা হয়েছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।