Author: desk

  • ময়মনসিংহ-৯ আসনে স্ব-তন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রফেসর ড এ আর খানের ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত ভোটাররা

    ময়মনসিংহ-৯ আসনে স্ব-তন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রফেসর ড এ আর খানের ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত ভোটাররা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    আগামী দিনে নান্দাইল উপজেলাকে সমৃদ্ধ ও পর্যটন এলাকা হিসাবে উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে নিজেকে ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিধ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রফেসর ড এ আর খান।

    সম্প্রতি তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইবুক স্ট্যাটাসে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি। প্রফেসর ড এ আর খান উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের আচারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তার প্রার্থীতা ঘোষণায় নান্দাইলের সর্বস্তরের জনতার মাঝে উচ্ছ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

    ফেইসবুক স্টাটাসে তিনি নান্দাইলবসসীর উদ্দেশ্যে বলেন-তিনি আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, সংসদীয় আসন – ১৫৪, ময়মনসিংহ – ৯, নান্দাইল উপজেলা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি আগামী ২২শে ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার, সারাদিন নান্দাইলে অবস্থান করে নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন, সুশীল সমাজ, ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিক ভাইদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবেন।

    এব্যাপারে স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রফেসর ড এ আর খান
    বলেন, নান্দাইল থানার দীর্ঘ একশ তের বছরের ইতিহাসে তেমন কোনো আধুনিক উন্নয়ন হয়নি।
    এলাকার মানুষের এই বঞ্চনার অবসান ঘটাতে প্রফেসর এ আর খান পরিবর্তনের অঙ্গীকার করেছেন।
    তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সুযোগ পেলে নান্দাইলকে একটি মডেল উন্নয়ন এলাকার রূপ দেবেন।

    তিনি আরও বলেন- এলাকার রাজনৈতিক শূন্যতা এবং সাধারণ মানুষের অসহায়ত্ব আমাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পক্ষে দাঁড়াতে আমার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া।

    নির্বাচিত হলে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে সুশাসন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জানান, মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবেন।

    নিজের পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান ও সক্ষমতার বিষয়ে স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমার পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান ভালো। মানুষের হক নষ্ট করার কোনো মানসিকতা আমার বা আমার পরিবারের কারো নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না।’

    পারিবারিকভাবে সামাজিকতায় ভূমিকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে নিজ এলাকা ও নান্দাইলের রাজনৈতিক মহলে ইতিবাচক পরিচিতি পেয়েছেন।

    ছাত্রজীবন থেকে মানুষের পাশে থাকা এই সমাজ সেবক কর্মজীবনেও আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেকে সর্বদা সরব রেখেছেন মানব কল্যাণে। তিনি সর্বদায় সবসময় মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন, যদিও ব্যক্তিগতভাবে তা নিয়ে ঢোল পেটাতে পছন্দ করেন না।

    পেশায় একজন রাজনৈতিক গবেষক হওয়ায় তার গবেষণার অভিজ্ঞতা তাকে সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে, যা তাকে একজন প্রার্থী হিসেবে আরও বেশি গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে।

    ড.এ আর খান শুধু একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক নন, তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। স্থানীয়রা মনে করেন, এমন শিক্ষিত তরুণ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব তাদের এলাকার জন্য অপরিহার্য। যদিও ময়মনসিংহ-৯ আসনে বিএনপি দলের একজন তরুণ নেতার মনোনয়নে সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে, স্থানীয় জনগণ প্রফেসর ড এ আর খান কে একজন ভালো মানুষ ও নেতা হিসেবে চেনেন।স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন। ঢাকা ও নিজ এলাকার ভোটারদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে তিনি তাদের সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমি মানুষের সেবায় বিশ্বাস করি। যদি ভোটাররা আমাকে সুযোগ দেন, আমি অবহেলিত নান্দাইল উপজেলাকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তুলার মাধ্যমে দৃশ্যমান ও পর্যটনী এলাকা হিসাবে উপহার দিবো।

  • ক্ষেতলাল সমাজসেবা কার্যালয় থেকে কর্মচারীর ঝু-লন্ত ম-রদেহ উ-দ্ধার

    ক্ষেতলাল সমাজসেবা কার্যালয় থেকে কর্মচারীর ঝু-লন্ত ম-রদেহ উ-দ্ধার

    মোঃ দেলোয়ার হোসেন বাবু স্টাফ রিপোর্টার জয়পুরহাট।

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ভেতর থেকে মাহবুব আলম জনি (৩৫) নামে এক অফিস সহায়কের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে সমাজসেবা অফিসারের কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    নিহত মাহবুব বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার দুর্গাহাটা ইউনিয়নের বটিয়াভাঙ্গা গ্রামের খায়রুল ইসলামের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহবুব ওই অফিসেই থাকতেন। গতকাল শুক্রবার থেকে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন তাকে ফোনে না পেয়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে খোঁজ নিতে বলেন। আজ সকালে পরিচ্ছন্নতা কর্মী জানালার ফাঁক দিয়ে ফ্যানের সাথে মাহবুবের মরদেহ ঝুলতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

    ক্ষেতলাল উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, গতকাল থেকে মাহবুবকে কল করে পাইনি। আজ পতাকা টাঙানোর জন্য তাকে কল করেছিলাম। পরে পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে কল করে মাহবুবকে দেখতে বলি। এরপর মাহবুবের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া গেছে বলে আমাকে জানানো হয়। তারপর আমি দুপুরের দিকে অফিসে আসি।

    ​ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, নিহতের পরিবার ও অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • তানোরে জামায়াতের উদ্যোগে হাদির গায়েবনা জানাজা অনুষ্ঠিত

    তানোরে জামায়াতের উদ্যোগে হাদির গায়েবনা জানাজা অনুষ্ঠিত

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুতে সারাদেশের মতো তানোরে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।
    এদিকে এদিন আসর নামাজ শেষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তানোর উপজেলা শাখার উদ্যোগে গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন,নায়েবে আমীর মাওলানা আনিসুর রহমান
    উপজেলা সেক্রেটারি ডি এম আক্কাস আলী, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি কাজী আফজাল হোসেন,পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) আমীর জুয়েল রানা, মুন্ডুমালা পৌর আমীর অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা ডাঃ মিজানুর রহমান ও তানোর বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জানে আলমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। গায়েবানা জানাজা শেষে প্রয়াত শরিফ ওসমান বিন হাদির রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।#

  • নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর বারইপাড়া সেতুর কাজ ৮ বছরেও শে-ষ হয়নি

    নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর বারইপাড়া সেতুর কাজ ৮ বছরেও শে-ষ হয়নি

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর বারইপাড়া সেতুর কাজ ৮ বছরেও শেষ হয়নি। নকশা জটিলতায় ৬৫ কোটি টাকার সেতুর নির্মাণ ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩৬ কোটি টাকা যা মূল ব্যয়ের দ্বিগুণেরও বেশি। নড়াইলের কালিয়ায় নবগঙ্গা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ‘বারইপাড়া সেতু’র কাজ দেড় বছরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ৮ বছরেও তা সম্পন্ন হয়নি। সেতুর কাজে এমন দীর্ঘসূত্রতায় চলাচলের ভোগান্তি নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয় এলাকাবাসী। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৬৫১ দশমিক ৮৩ মিটার দীর্ঘ ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের এই পিসি গার্ডার সেতুটির নির্মাণে প্রাথমিক চুক্তি মূল্য ছিল ৬৫ কোটি টাকা। কিন্তু বারবার মেয়াদ বৃদ্ধি ও নকশা পরিবর্তনের কারণে বর্তমান নির্মাণ ব্যয় ঠেকেছে ১৩৫ কোটি ৯২ লাখ ৩৫ হাজার টাকায়। বছরের পর বছর কাজ চললেও সেতুটি কবে নাগাদ যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হবে, তা নিয়ে সংশয়ে আছেন স্থানীয়রা।
    সড়ক পথে নড়াইল সদরের সঙ্গে কালিয়া উপজেলাসহ অন্তত তিনটি জেলার যোগাযোগ সহজ করতে ২০১৮ সালে এই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সবশেষ চলতি বছরের সময় বাড়িয়ে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত নতুন মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে নদীর দুই তীরের সংযোগ সড়কসহ ১১টি পায়ার ও ১১টি স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। তবে মাঝনদীর ৩টি পিলার ও ৩টি স্টিল স্প্যান বসানোর কাজ এখনও বাকি।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় এই অঞ্চলে কোনো শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য শহরে নিতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এছাড়া এলাকায় কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে পুলিশ সময়মতো আসতে পারে না; আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস কিংবা জরুরি রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত পৌঁছাতে পারে না। খেয়াঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় সাধারণ মানুষকে।
    বিষ্ণুপুর গ্রামের জিলহজ খান বলেন, “প্রায় ৮ বছর ধরে সেতুর কাজ চলছে, কিন্তু শেষ হওয়ার লক্ষণ নেই। আমরা খুবই ভোগান্তিতে আছি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা পারাপার হতে হয়। ব্রিজটি দ্রুত চালু হলে আমাদের কষ্ট দূর হতো।
    মাধপপাশা গ্রামের ডা. অসীম কুমার অধিকারী বলেন, ‘বারইপাড়া সেতুটি নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। কিন্তু ৮ বছর পার হলেও তা পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। আমাদের স্বপ্ন কি তবে দুঃস্বপ্নই থেকে যাবে? সেতুটি চালু হলে কালিয়াবাসী নড়াইল সদরের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে দারুণভাবে উপকৃত হতো।’
    জানা গেছে, ২০১৮ সালে প্রথম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স জামিল ইকবাল অ্যান্ড মঈনুদ্দিন বাঁশি কনস্ট্রাকশন কোম্পানি’ ৬৫ কোটি টাকায় কাজটি শুরু করে। বাল্কহেডের ধাক্কায় ৯ নম্বর পিলারটি দুইবার নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর মূল অংশের ৪টি পায়ার ও ৩টি স্প্যান অসম্পূর্ণ রেখেই ৬১ কোটি টাকা তুলে নিয়ে কাজ শেষ করে তারা। পরবর্তীতে দ্বিতীয় মেয়াদে ‘কংক্রিট অ্যান্ড স্টিল টেকনোলজিস্ট লিমিটেড’ বাকি অংশের কাজ পায়।
    বর্তমান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ৮৬ দশমিক ৭৩ মিটার স্টিল আর্চ স্প্যানসহ আরও দুটি স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ খান লিটন বলেন, ‘কিছু জটিলতার কারণে স্টিল স্প্যান বিদেশ থেকে আনতে দেরি হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে দুটি স্প্যান বসানো শেষ হবে। আশা করছি, নির্দিষ্ট মেয়াদের আগেই মাঝখানের আর্চ স্প্যানটি বসিয়ে আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে সেতুটি হস্তান্তর করতে পারব।
    নড়াইল জেলা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম জানান, নকশার ত্রুটি সংশোধন করে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু হয়েছে। আগামী বছরের জুনের মধ্যেই কাজ শেষ করে সেতুটি জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • জনগণের সহযোগিতায় খুলনা বিভাগে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে  বিভাগীয় কমিশনার

    জনগণের সহযোগিতায় খুলনা বিভাগে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে বিভাগীয় কমিশনার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
    খুলনা বিভাগের প্রতিটি জেলায় জনগণের সহযোগিতায় সবচেয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ। তিনি বলেছেন, নির্বাচন বাধাগ্রস্থ করতে নানা রকম অপতৎপরতা থাকতে পারে। প্রশাসন শান্তি শৃঙ্খলা পরিপন্থী সকল অপতৎপরতা রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ঝিনাইদহ সার্কিট হাউস সংলগ্ন পরিবেশবান্ধব ফলের বাগান ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্প উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ কাজল, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, নবনির্বাচিত সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এমএ কবির, জেলা সহকারী কমিশনার এসএম শাদমান উল আলম, সহকারী কমিশনার মো. তানভীর ইসলাম সাগর, জেলা তথ্য অফিসার মো. আব্দুর রউফ, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর এ নবী, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন প্রমুখ।পরিবেশবান্ধব ফলের বাগান উদ্বোধনকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ বলেন, ঝিনাইদহের নবগঙ্গা নদীসহ সকল নদীর নাব্য সংকট দূরীকরণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসন থেকে এ বিষয়ে প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এ বিষয়ে অবহিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খুলনা বিভাগের মানুষ শান্তিপ্রিয়। আশা করছি, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • ইয়া-বা ব্যবসায়ী বাড়িতে পুলিশের সাঁ-ড়াশি অ-ভিযান ৮ লক্ষ টাকা ১২০০ পিস ই-য়াবা সহ গ্রে-প্তার ৩

    ইয়া-বা ব্যবসায়ী বাড়িতে পুলিশের সাঁ-ড়াশি অ-ভিযান ৮ লক্ষ টাকা ১২০০ পিস ই-য়াবা সহ গ্রে-প্তার ৩

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
    ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে উপজেলার যুগিহুদা গ্রামে এক ঝটিকা অভিযানে তাদের আটক করা হয়। এ সময় মাদক পাচারে ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদ আসে যে মহেশপুর উপজেলার যুগিহুদা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মজুত করা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আজ সকালে থানা পুলিশ ওই বাড়িতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মূল অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও হাতেনাতে আটক হন তার পরিবারের সদস্যসহ ৩ জন। আটককৃতরা হলেন: ১. লাইলি বেগম (দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী) ২. লিমন হাসান (দেলোয়ার হোসেনের ছেলে) ৩. মেহেদি হাসান জিসান (পার্শ্ববর্তী জলিলপুর গ্রামের বাসিন্দা)তল্লাশিকালে পুলিশ দেলোয়ারের বাড়ি থেকে মোট ১২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। এছাড়া মাদক বিক্রির বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও যানবাহন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত তালিকার মধ্যে রয়েছে:নগদ টাকা: মাদক বিক্রির ৮ লাখ ৪ হাজার ৮৭০ টাকা।মোটরসাইকেল: মাদক পাচারে ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেল।মহেশপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জব্দকৃত নগদ টাকা ও মালামাল রাষ্ট্রীয় কোষাগারে (ট্রেজারি) জমা দেওয়া হবে। পলাতক আসামি দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • পাইকগাছা–কয়রা ; বহু প্রতিশ্রুতির উপকূল এখনো ব-ঞ্চনার ঢেউয়ে

    পাইকগাছা–কয়রা ; বহু প্রতিশ্রুতির উপকূল এখনো ব-ঞ্চনার ঢেউয়ে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা) ।।

    দক্ষিণ–পশ্চিম উপকূলের দুটি উপজেলা পাইকগাছা ও কয়রা—দুই দশক ধরে ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, স্বাস্থ্যসেবা–সংকট ও দুর্বল অবকাঠামোর চ্যালেঞ্জে জীবনযুদ্ধে লড়ে যাচ্ছে। প্রতিটি নির্বাচনে এখানে প্রতিশ্রুতির বন্যা নামে, কিন্তু মানুষের বাস্তব জীবন এখনো বদলায়নি প্রত্যাশিতভাবে। উন্নয়ন ও উপেক্ষার এই দ্বৈত বাস্তবতা খুলনা–৬ আসনকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক এলাকা করে তুলেছে।

    দুর্যোগ–ঝুঁকির কেন্দ্রবিন্দু, কিন্তু নেই টেকসই সুরক্ষা

    কয়রা উপকূলীয় এলাকার মানুষ বর্ষার সময় আতঙ্কে দিন কাটায়। ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, আম্পানের পর বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এখনো আসেনি।

    কয়রার আমিনুর রহমান বলেন—“আমরা শুধু চাই শক্ত বাঁধ। ঝড়ের ভয় নয়, ভয় পাই পরের দিনের জীবনটাকে।”

    লবণাক্ততা ক্রমশ বাড়ছে। পানির কষ্ট এতটাই প্রকট যে প্রতিদিন বহু মানুষ কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে মিঠাপানি সংগ্রহ করে।

    পাইকগাছার খেটে–খাওয়া নারী রাবেয়া খাতুন বলেন—

    “মিঠাপানি কিনে খেতে হয়। গরীবের পক্ষে এটা টানা কঠিন।”

    যোগাযোগ–অবকাঠামো: বর্ষায় বিচ্ছিন্ন, শুষ্ক মৌসুমেও দুর্ভোগ

    পাইকগাছা–কয়রার বহু সড়ক এখনো জরাজীর্ণ। বর্ষায় চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা—সবই ব্যাহত হয়।স্থানীয় ছাত্র রাজু মল্লিক বলেন—

    “স্কুলে যেতে আমাদের সময় লাগে শহরের ছাত্রদের দ্বিগুণ। এটা বৈষম্য ছাড়া কিছুই না।”

    অতীতে কিছু সড়ক সংস্কার হলেও টেকসই রক্ষণাবেক্ষণের অভাব প্রকট। পাকা সড়কের পাশাপাশি সেতু–কালভার্টেও উন্নয়ন প্রয়োজন।

    স্বাস্থ্যসেবা: কাঠামো আছে, কার্যকারিতা নেই

    দু”উপজেলা মিলিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থাকলেও চিকিৎসক সংকট দীর্ঘদিনের। জরুরি বিভাগ, ডেলিভারি সেবা আর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে।

    কয়রার জেলে নুরুল হক বলেন—

    “হাসপাতালে গেলে শুনি ডাক্তার নেই। তখন আমরা নদীপথে দূরে যেতে বাধ্য হই—জীবনটা ঝুঁকিতে থাকে।”

    শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা উপকূলের শিক্ষা খাতে বৈষম্য চোখে পড়ে। স্কুল–কলেজে শিক্ষক সংকট, অপর্যাপ্ত ভবন ও ল্যাবরেটরি শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে দেয়। উচ্চশিক্ষা করতে হলে সবাইকে শহরমুখী হতে হয়।

    অন্যদিকে, কৃষি কমে গেছে লবণাক্ততার কারণে। চিংড়ি শিল্পে আয়ের সুযোগ থাকলেও দামের অস্থিরতা, লবণাক্ত পানি এবং ঘের–নির্ভর অর্থনীতিতে অনেক পরিবার ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: প্রতিশ্রুতির তালিকা লম্বা, বাস্তবায়নের গতি ধীরপ্রতিটি নির্বাচনেই উপকূল রক্ষায় টেকসই বাঁধ, আধুনিক সড়ক নেটওয়ার্ক, কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা, পানির সঙ্কট নিরসন ও কর্মসংস্থান তৈরির প্রতিশ্রুতি আসে।এবারও রাজনৈতিক নেতারা বলেছেন—পাইকগাছা–কয়রাকে জলবায়ুর ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা হবে,মিঠাপানির স্থায়ী প্রকল্প নেওয়া হবে, স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ বরাদ্দ আসবে, ডুবে যাওয়া অঞ্চলগুলো পুনর্বাসন করা হবে।

    মানুষ এসব প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানায়, তবে তাদের একটাই অনুরোধ—প্রতিশ্রুতি যেন কাগজে না থাকে, মাঠে আসে।

    পাইকগাছা–কয়রার মানুষ অভিযোগ নয়—অধিকার চায়।

    উন্নয়ন চায়, নিরাপত্তা চায়, বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা চায়।

    দুই উপজেলার বঞ্চনার দীর্ঘ ইতিহাসের শেষে তারা শুধু একটি কথাই শোনার অপেক্ষায়—উপকূলের এই মানুষরাই দেশের সমান নাগরিক, তাই উন্নয়নও সমান পাওয়ার অধিকার তাদের।

    প্রেরক,
    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা

  • বাবুগঞ্জের রহমতপুরে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে যাত্রী ছাউনি, ডা-স্টবিনে পরিণত হওয়ায় ক্ষো-ভ

    বাবুগঞ্জের রহমতপুরে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে যাত্রী ছাউনি, ডা-স্টবিনে পরিণত হওয়ায় ক্ষো-ভ

    মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ যাত্রী ছাউনি দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলায় পড়ে আছে। লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই যাত্রী ছাউনিটি বর্তমানে এলাকাবাসীর জন্য আশ্রয়স্থল না হয়ে ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রী ছাউনিটির সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। বাস কাউন্টার সংলগ্ন এই স্থাপনাটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যাত্রীদের বসার উপযোগী কোনো পরিবেশ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও যাত্রীরা।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বাস কাউন্টার কিংবা স্থানীয়দের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে যাত্রী ছাউনিটি স্বাভাবিক ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

    এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করেন, দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কার কাজ করা হলে যাত্রী ছাউনিটি আবারও যাত্রীদের বসার উপযোগী করা সম্ভব। তাই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

  • নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নৌপথে আসা রোগীদের চ-রম দু-র্ভোগ

    নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নৌপথে আসা রোগীদের চ-রম দু-র্ভোগ

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

    নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নৌপথে আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘাটলার স্থানে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কারণে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত ওই ঘাটলাটি বন্ধ করে দিয়ে অপ্রয়োজনীয় টয়লেট নির্মাণ করায় শতশত রোগীর যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। যেখানে পূর্ব থেকেই একটি টয়লেট ছিলো।

    নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স একটি জনগুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল। এখানে প্রতিদিন নেছারাবাদ উপজেলার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী নাজিরপুর, বানারীপাড়া ও ঝালকাঠি জেলা থেকেও বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। নদীপথে যোগাযোগ সুবিধাজনক হওয়ায় অন্যান্য হাসপাতালের তুলনায় এখানে রোগীর চাপ তুলনামূলক বেশি।

    হাসপাতাল সংলগ্ন কাঠেরপোল এলাকায় খালের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ঐ গুরুত্বপূর্ণ এই ঘাটলাটি ব্যবহার করে দূর-দূরান্ত থেকে নৌপথে আগত রোগীরা সরাসরি নেমে সহজেই হাসপাতালে পৌঁছাতে পারতেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এবং নদীপথনির্ভর এলাকার মানুষের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত কার্যকর ও প্রয়োজনীয় ঘাটলা।

    কিন্তু কয়েক মাস আগে ওই ঘাটলাটির সামনেই একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, ওই স্থানে টয়লেট নির্মাণ একেবারেই অপ্রয়োজনীয় ছিল কারন পাশে পূর্ব থেকো পাবলিক টয়লেট ছিলো । ঘাটলাটি বন্ধ করে দেওয়ায় এখন নৌপথে আসা রোগী, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীসহ অসুস্থ ব্যক্তিদের কাদা-পানি মাড়িয়ে হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।

    এলাকাবাসী জানান, টয়লেট নির্মাণের সময় জগন্নাথকাঠি বন্দরের কর্তৃপক্ষ দ্রুত সেখানে নতুন একটি ঘাটলা নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানানোসহ বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

    স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি কার্যকর ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ঘাটলা বন্ধ করে অপ্রয়োজনীয় টয়লেট নির্মাণ চরম পরিকল্পনাহীনতারই প্রমাণ। দ্রুত ওই স্থানে একটি নতুন ঘাটলা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা, যাতে নৌপথে আগত রোগীরা নির্বিঘ্নে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারেন।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আসাদুজ্জামান বলেন, রোগিদের খুবই কষ্ট হচ্ছে ওঠা নামা করতে বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আলাপ করেছি এখানে একটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এখানে একটি ঘাটলা নির্মানের জন্য।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,পিরোজপুর।

  • মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনে একক প্রার্থী হিসেবে দলীয়  মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেন দিদার

    মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনে একক প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেন দিদার

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ শনিবার (২০ শে ) ডিসেম্বর দুপুর ২ঘটিকায় জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয় থেকে মুন্সীগঞ্জের ৩ আসনের একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেন আরিফুজ্জামান দিদার।

    এএফএম আরিফউজ্জামান দিদার আজ জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ৩ আসনের একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র ক্রয় করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

    তিনি এ আসনে আসন্ন নির্বাচনে নতুন মুখ। তবে রাজনীতির মাঠে তিনি হচ্ছেন পুরাতন মুখ।
    মুন্সীগঞ্জ ৩আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫,০৬,৮৮৩ জন এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,৬১,৭৫, মহিলা ভোটার ২,৪৫,১২১ এবং এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা: ৩,৫৪,৪৬৩ জন (৬৯.৯%), গজারিয়া
    উপজেলা: ১,৫২,৪২০ জন (৩০.১%) ।
    মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা ও গজারিয়া উপজেলা নিয়ে এ আসনটি গঠিত।

    ১৯৮৬ সালের ১লা জানুয়ারিতে জাতীয় পার্টির জন্মলগ্ন থেকে জাতীয় ছাত্রসমাজ মুন্সীগঞ্জের সরকারি হরগংগা কলেজ শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে এএফএম আরিফউজ্জামান দিদার এখানে রাজনীতিতে পদচারণা শুরু করেন। এর মাধ্যমে তার জীবনে রাজনীতির অভিষেক ঘটে। তারপর থেকে এ ঘরনার রাজনীতি তার জীবনে প্রবহমান রয়েছে।

    ১৯৮৬-১৯৮৭ সালের সরকারি হরগংগা কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে স্বপন-আজিম-দিদার পরিষদে এজিএস পদে এএফএম আরিফউজ্জামান দিদার প্রতিদ্বন্ধিতা করেন।

    এ কারণে সেই সময়ে তাকে কারাবরণ করতে হয়। ১৯৮৮ সালের দিকে তিনি জেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি পল্লীবন্ধু এরশাদের মুক্তি আন্দোলনে জেলাব্যাপি স্বেচ্ছাকারাবরণ, অনশন, প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন। ২০১২ সালে জাতীয় যুব সংহতি জেলা সম্মেলনে সিনিয়র সহ সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় জাতীয় যুব সংহতির সদস্য নির্বাচিত হন।

    ২০১৪ সালে তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলনে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর তার নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির কর্মসূচিতে জেলা ব্যাপি সংগঠনের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা করেন। সেই সময়ে তিনি নির্বাচনের লক্ষ্যে এ আসনের দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। সেই সময়টাতে তাকে দল মনোনয়ন দেয়নি।

    তবে তিনি দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে দলের বিরুদ্ধে যাননি। ২০২৩ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলনে তিনি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালে নির্বাচনে আবারো দলীয় মনোনয়নপত্র ক্রয় করেন। কিন্তু এবারো তিনি দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হন। ব্যাপক প্রচার প্রচারণা থাকা সত্বেও। তবুও তিনি দলের পক্ষে ছিলেন। ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে তিনি জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব নির্বাচিত হন।

    এএফএম আরিফউজ্জামান দিদার একান্ত সাক্ষাৎকারে আমাদেরকে বলেনআসন্ন নির্বাচনে এ আসনে বিজয়ী হলে অবহেলিত গজারিয়া উপজেলার ফুলদি নদীতে সেতু ও মুন্সীগঞ্জ সদরের সাথে রাজধানী ঢাকার সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।

    তিনি আরো বলেন ,তৃণমূল পর্যায়ে জাতীয় পার্টির কমিটি করার জন্য জেলা ব্যাপী রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছেন। জেলা পর্যায়ে জাতীয় পার্টিতে যে বিভেদ ছিল তা তার দায়িত্ব নেয়ার পরে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামীর রাজনীতিতে পথ চলাতে সকলে আস্থা প্রকাশ করেছেন।

    উক্ত সময় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা এবং গজারিয়া উপজেলার জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন ।