তরিকুল ইসলাম তরুন।।
স্টাফ রিপোর্টারঃ
মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন শ্রীকাইল ইউনিয়নের চন্দনাইল গ্রামের বাজার সংলগ্ন পিন্সিপাল বাড়ির সামনে ৮ ই জুলাই সকাল ৭ টায় মোহসিন মিয়ার ছেলে বিএনপি কর্মী দুলাল কে একদল সন্ত্রাসী আওয়ামী নেতা নজরুল গং রা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে,
এসময় তার স্বজনরা দুলালের চিৎকারে এগিয়ে আসলে তাদেরকেও হুমকি সহ মারার চেষ্টা করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় একই পাড়ার বাসিন্দা শাহ আলম, মানিক,রাহিম, পাবেল,সবুজ, মাসুদ,রাজিমসহ তাদের বস মাদক সম্রাট সাবেক চেয়ারম্যান নজরুলের নেতৃত্বে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রাস্তার পাশে বিএনপির কর্মী দুলাল কেএকা পেয়ে দশ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে।এসময় দুলাল চাদা দিতে অস্বীকার করলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে চাঁদা দিতে হবে এলাকায় থাকতে হলে। এসময় তার আত্বচিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে এসে দুলাল কে উদ্ধার করে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায়,দুলালের মাথায় চারটি সেলাই লাগে।
দুলালের পরিবার তাৎক্ষণিক থানায় গেলে পুলিশ সেনাবাহিনীর নাম্বার দিয়ে যোগাযোগ করতে বলে। এবিষয়ে সাংবাদিকরা
নজরুল কে মুঠো ফোনে
কল দিলে রিসিভ করেনি,পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর হট নাম্বারে বিষয় টি অবহেলিত করলে ঘটনার স্থলে যাবে বলে
জানায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় নজরুল মাদক ব্যবসা করে, স্থানীয় প্রভাবশালী সন্ত্রাস,সে ১ নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান, সে একাধিক মামলার আসামি, তার ইশারায় চন্দনাইল বাজারে একাধিক দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে।কেউ তার কাছে বিচার দিয়ে বিচার পায়না,এজন্য ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা,তার ছত্রছায়ায় শাহআলম, মানিক,সবুজ গংরা একেরপরএকটি ঘটনা করে পাড়পেয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ ১৮ বছরে তার দূর্নীতি সীমাহীন তাকে রোহিঙ্গা চেয়ারম্যান বলা হয়,সে টাকা খেয়ে রোহিঙ্গা কে নিবন্ধন সনদ প্রদানের অভিযোগ প্রমাণ পাওয়া যায়। তাকে সাসপেন্স করা হয়ে ছিল। দেশের ক্লানি কালে তার অপরাধ আরো বাড়িয়ে ফেলছে,গত নির্বাচনে মুরাদনগর সংসদ নির্বাচনের পর গা ঢাকা দিয়ে ছিল, ছাত্র আন্দোলনের পর বিএনপি পরিচয় দিয়ে আবার সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রশাসনের কাছে ভুক্ত ভোগী মোহসিন মিয়ার ছেলে দুলাল বিচার চায়, দোষী দের ধরে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক।









