আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে সেচ পাম্পের পরিত্যক্ত বোরিংয়ের কুপে পড়ে নিহত সাজিদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তানোর শাখা। রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাজশাহী-১ (তানোর গোদাগাড়ী) আসনে জামায়াত ইসলামী মনোনিত (দাঁড়ি পাল্লা প্রতিক) প্রার্থী সাবেক এমপি ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান সাজিদের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এ সময় তিনি তার পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া ও সাজিদের ছোট ভাইকে কোলে নিয়ে দোয়া করেন। তিনি সাজিদের বাবা ও মায়ের হাতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার অর্থ তুলে দেন। সহায়তার অর্থ হাতে পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন সাজিদের বাবা রাকিব হোসেন ও মা। এসময় উপস্থিত ছিলেন তানোর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন ও পাঁচন্দর ইউপি জামায়াতের আমীর মাওলানা জুয়েল রানাপ্রমুখ। এসময় জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী-সমর্থক ও গ্রামের বিপুর সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।#
Author: desk
-

তানোরে সাজিদের পরিবারকে জামায়াতের আর্থিক স-হায়তা
-

তানোরে জামায়াতের আয়োজনে গায়েবানা জা-নাজা অনুষ্ঠিত
তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে রাজশাহীর তানোর উপজেলা ও পৌর জামায়াতের আয়োজনে গায়েবানা জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে পৌর সদরের গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় গায়েবানা জানাজার নামাজ।
গায়েবানা জানাজার নামাজের আগে সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে আমীর প্রফেসর আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, হাদিকে হত্যা করে কখনো আদিপত্যবাদী প্রতিষ্ঠিত হবে না । আজ বাংলার মায়েরা রাস্তায় নেমে বলছেন আমার ছেলেকে হাদি তৈরী করবো। হাদি ছিল ফ্যাসিবাদ বিরোধী বা জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্মুখ যোদ্ধা। এক হাদিকে শহীদ করে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে থামানো যাবে না। তারা মনে করেছিল হাদীকে হত্যা করে আগামীর নির্বাচন বানচাল করা হবে। কিন্তু সেটা সফল হবে না। তরুণ প্রজন্ম দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য জীবনের তাজা রক্ত দিতে পারে সেই তরুণ প্রজন্মকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না। হাদী বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। হাদিকে যেন মহান আল্লাহ তায়ালা শহীদ হিসেবে কবুল করে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন। শহীদরা কখনো মরে না। জেলা আমীর হাদির পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করে বলেন, তার পরিবারসহ দেশবাসীকে ধৈর্য্য ধরার আহবান জানান। সেই সঙ্গে হাদি তার পরিবার ও দেশের জন্য আগত মুসল্লীদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ডিএম আক্কাসের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান (সাবেক) আব্দুর রহিম মোল্লা, পাঁচন্দর ইউপি জামায়াতের আমির মাওলানা জুয়েল রানা,
গোল্লাপাড়া বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জানে আলম, ডা: মিজানুর রহমান, উপজেলা ছাত্র শিবির উত্তর সাংগঠনিক শাখায় সভাপতি আব্দুল মমিন।
অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চাষী কল্যান সমিতির সভাপতি কাজী আফজাল হোসেন, শিক্ষক নেতা এসএম মিজানুর রহমান পারভেজ, আজহার সরদার,মাওলানা মোশাররফ হোসেন ও মাহাবুর রহমানপ্রমুখ।এসময় জামায়াতের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মুসল্লীগণ গায়েবানা জানাজার নামাজে অংশ গ্রহণ করেন।
এদিকে একইদিন মুন্ডুমালা পৌর জামায়াতের আয়োজনে মুন্ডুমালা পৌর সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও গায়েবানা জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।# -

পাইকগাছায় কুমড়া বড়ি তৈরীর করতে মিশ্রণ মেশিনে উপচে প-ড়া ভীড়
ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
পাইকগাছায় মেশিনে মাসকালাই মাড়াইয়ের ভিড় বাড়ছে। আগে ঢেঁকি বা শিলপাটায় পেশাই করে বড়ি তৈরি করা হতো, কিন্তু এখন মেশিন ব্যবহার করে দ্রুত ও কম পরিশ্রমে মাষকলাই এবং কুমড়ো একসাথে মিহি করা হচ্ছে, যা সময় ও শ্রম বাঁচায়। এই মেশিন ব্যবহারের ফলে বাণিজ্যিকভাবে বড়ি উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে।
কুমড়া বড়ি তৈরির এই যান্ত্রিক পদ্ধতি শ্রমিক সংকট দূর করে, উৎপাদন খরচ কমায় এবং সময় সাশ্রয় করে। ধান মাড়াইয়ের মতো মাসকালাই মাড়াইয়েও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে, যা গ্রামের নারীদের জন্য একটি সুবিধাজনক সমাধান।
কুমড়া বড়ি তৈরির জন্য পাইকগাছার বিভিন্ন হাট- বাজারে মেশিন বসানো হয়েছে। এই মেশিনে মাষকলাইয়ের ডাল ও চালকুমড়া মাড়াই করে মসৃণভাব তৈরি করা হয়। খুব ভোর থেকে এই মেশিনে মাষকলাইয়ের ডাল ও চালকুমড়া মাড়াই করা শুরু হয়। মেশিনে মাষকলাইয়ের ডাল ও চালকুমড়া মাড়াই করে মসৃণ বাড়িতে নিয়ে পেস্ট মতন তৈরি করে বড়ি দেওয়া হয়। পাইকগাছার নতুন বাজারে কুমড়া বড়ি মাড়াই মেশিন পরিচালক নুর ইসলাম বলেন, কেজি প্রতি মাষকলাই ১৫ টাকা ও টালকুমড়া ১০ টাকা দরে মাড়াই করা হয়।
কুমড়া বড়ি তৈরির জন্য মাষকলাইয়ের ডাল ও চালকুমড়া একসঙ্গে মেশাতে হবে। প্রথমে মাষকলাইয়ের ডাল সারারাত ভিজিয়ে বেটে, বেলেন্ডারে বা মেশিনে পেস্ট তৈরি করতে হবে। এরপর চালকুমড়ার পেস্ট একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে অনেকক্ষণ ধরে মাখাতে হবে, যাতে মিশ্রণটি ফ্লাপি হয়ে ওঠে।
কুমড়ার বড়ি তৈরির মিশ্রণ মেশিনের দোকানে ভিড় বাড়ার কারণ হলো শীতকালে বড়ির চাহিদা বৃদ্ধি এবং হাতে তৈরির তুলনায় মেশিনের সাহায্যে দ্রুত ও সহজে বড়ি তৈরি করার সুবিধা।
মেশিনের সাহায্যে বড়ি তৈরি সহজ হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন বাড়ছে, যার ফলে মেশিন ব্যবহারের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণত চাল কুমড়া ও মাসকলাই ডালের মিশ্রণে বড়ি তৈরি হয়। শীতকালে কুমড়া বড়ির চাহিদা অনেক বেশি থাকে, তাই এই সময়ে উৎপাদন বাড়াতে মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা খুলনা। -

পাইকগাছায় শীতে ফুটপথের গরম কাপড়ের দোকানে ভী-ড় বাড়ছে
ইমদাদুল হক, পাইকগাছা(খুলনা)।।
ঘন কুয়াশা আর হালকা বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। শীতের তীব্রতা বাড়ায় পাইকগাছাসহ উপকূল অঞ্চলের সাধারণ মানুষের ভূগান্তি বাড়ছে। তাই শীত নিবারণে পাইকগাছায় ফুটপথের দোকান গুলোতে নতুন-পুরাতন শীত বস্ত্র বিক্রির ধুম লেগেছে। সারাদেশে শীত জেকে রসেছে। প্রচন্ড শৈত প্রবাহ ও হাঁড় কাঁপানো শীতে মানুষ সহ প্রাণী কুল জুবথুব হয়ে পড়েছে। এই শীতে প্রত্যেকের জন্য শীতবস্ত্র আবশ্যক হয়ে পড়েছে। নিন্ম আয়ের মানুষ ও দরিদ্রদের ভরসা কমদামের ফুটপথের শীতবস্ত্রের দোকান। যে যার সাধ্যমত শীতবস্ত্র ক্রয় করছে। তীব্র শীতে নতুন শীতবস্ত্রের পাশাপাশি পুরাতন শীতবস্ত্র বিক্রি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে।
পাইকগাছায় ২-৩টি স্থায়ী পুরাতন কাপড়ের দোকান থাকলেও শীতের এ সময় পাইকগাছা মাছ কাটা রোড ও পৌরসভার পাশের ৬/৭টি পুরাতন শীতবস্ত্রের দোকান বসে। তাছাড়া উপজেলার বিভিন্ন সাপ্তিহিক হাটে শীত বস্ত্র বিক্রি হচ্ছে। এসব দোকানে শীতের জ্যাকেট, সুয়েটার, কোর্ট, মাফলার, গেঞ্জী, মোজা ও মেয়েদের বিভিন্ন ডিজাইনের গরম কাপড়ের পরসা সাঁজিয়ে বসেছে। শীতের তীব্রতা বাড়ায় শীত বস্ত্রের বিক্রি ও বেড়েছে।
পুরাতন কাপড়ের দোকানে অনেক ভাল মানের পোশাক পাওয়া যায়। যা কিনা নতুন কাপড়ের দোকানে পাওয়া যায় না। সে জন্য মাঝে মধ্যে এসব দোকানে উচ্চ বিত্তদের উকি ঝুঁকি দেখা যায়। গরীব মানুষ পুরাতন কাপড় কম দামে কেনার জন্য ফুটপথের দোকানে ভীড় করে বেশি। পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী সরোয়ারা গাজী, মনির ও আবুল হোসেন জানায়, শীত বেড়ে যাওয়ায় বেচাকেনা ভাল হচ্ছে। বাচ্চাদের শীতবস্ত্র বিক্রেতা ইউছুপ আলী জানান, শুরুতে শীত কম থাকায় বিক্রি তেমন একটা ছিল না। তবে তীব্র শীত শুরু হওয়ায় বাচ্চাদের পোশাকের চাহিদা বেড়েছে, তেমনি বিক্রি হচ্ছে প্রচুর পরিমাণ। ২০-৩০ টাকা থেকে শুরু করে ৫শ থেকে ৮শ টাকা দর থেকে বিভিন্ন দামের পোশাক রয়েছে। তারা আরও জানায় উচ্চবিত্ত ক্রেতাদের কোন পোশাকটি পছন্দ হলে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়। শীতে বস্তিবাসী, দরিদ্র, ও নিম্ন আয়ের মানুষের পছন্দ কম দামের পুরাতন শীতবস্ত্রের ফুটপথের দোকান। তাই শীত জেঁকে বসায় দরিদ্র ও অল্প আয়ের মানুষ শীতের হাত থেকে বাঁচতে শীতবস্ত্র কিনছে ফুটপথ থেকে।পাইকগাছায় কুমড়া বড়ি তৈরীর করতে মিশ্রণ মেশিনে উপচে পড়া ভীড়
ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
পাইকগাছায় মেশিনে মাসকালাই মাড়াইয়ের ভিড় বাড়ছে। আগে ঢেঁকি বা শিলপাটায় পেশাই করে বড়ি তৈরি করা হতো, কিন্তু এখন মেশিন ব্যবহার করে দ্রুত ও কম পরিশ্রমে মাষকলাই এবং কুমড়ো একসাথে মিহি করা হচ্ছে, যা সময় ও শ্রম বাঁচায়। এই মেশিন ব্যবহারের ফলে বাণিজ্যিকভাবে বড়ি উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে।
কুমড়া বড়ি তৈরির এই যান্ত্রিক পদ্ধতি শ্রমিক সংকট দূর করে, উৎপাদন খরচ কমায় এবং সময় সাশ্রয় করে। ধান মাড়াইয়ের মতো মাসকালাই মাড়াইয়েও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে, যা গ্রামের নারীদের জন্য একটি সুবিধাজনক সমাধান।
কুমড়া বড়ি তৈরির জন্য পাইকগাছার বিভিন্ন হাট- বাজারে মেশিন বসানো হয়েছে। এই মেশিনে মাষকলাইয়ের ডাল ও চালকুমড়া মাড়াই করে মসৃণভাব তৈরি করা হয়। খুব ভোর থেকে এই মেশিনে মাষকলাইয়ের ডাল ও চালকুমড়া মাড়াই করা শুরু হয়। মেশিনে মাষকলাইয়ের ডাল ও চালকুমড়া মাড়াই করে মসৃণ বাড়িতে নিয়ে পেস্ট মতন তৈরি করে বড়ি দেওয়া হয়। পাইকগাছার নতুন বাজারে কুমড়া বড়ি মাড়াই মেশিন পরিচালক নুর ইসলাম বলেন, কেজি প্রতি মাষকলাই ১৫ টাকা ও টালকুমড়া ১০ টাকা দরে মাড়াই করা হয়।
কুমড়া বড়ি তৈরির জন্য মাষকলাইয়ের ডাল ও চালকুমড়া একসঙ্গে মেশাতে হবে। প্রথমে মাষকলাইয়ের ডাল সারারাত ভিজিয়ে বেটে, বেলেন্ডারে বা মেশিনে পেস্ট তৈরি করতে হবে। এরপর চালকুমড়ার পেস্ট একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে অনেকক্ষণ ধরে মাখাতে হবে, যাতে মিশ্রণটি ফ্লাপি হয়ে ওঠে।
কুমড়ার বড়ি তৈরির মিশ্রণ মেশিনের দোকানে ভিড় বাড়ার কারণ হলো শীতকালে বড়ির চাহিদা বৃদ্ধি এবং হাতে তৈরির তুলনায় মেশিনের সাহায্যে দ্রুত ও সহজে বড়ি তৈরি করার সুবিধা।
মেশিনের সাহায্যে বড়ি তৈরি সহজ হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন বাড়ছে, যার ফলে মেশিন ব্যবহারের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণত চাল কুমড়া ও মাসকলাই ডালের মিশ্রণে বড়ি তৈরি হয়। শীতকালে কুমড়া বড়ির চাহিদা অনেক বেশি থাকে, তাই এই সময়ে উৎপাদন বাড়াতে মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা খুলনা। -

বাকেরগঞ্জে গারুরিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের কর্মি তারবিয়াত অ-নুষ্ঠিত
মোঃ সুমন ভূঁইয়া-বাকেরগঞ্জ,বরিশাল।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১০নং গারুরিয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে দায়িত্বশীলদের অংশগ্রহণে কর্মী তরবিয়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২০শে ডিসেম্বর)মাগরিব বাদ গারুরিয়া ইউনিয়নের খয়রাবাদ বাজারের ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে উক্ত কর্মী তরবিয়াত অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত কর্মী তরবিয়াতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম শায়েখে চরমোনাই।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন,আদর্শিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় দায়িত্বশীলদের নীতি,নৈতিকতা,আচরনবিধি,শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত জরুরি।আদর্শিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে আদর্শবান নেতা নির্বাচন করতে হবে।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাঃ নুরুল ইসলাম আল-আমিন চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি নাসির উদ্দিন রোকন ডাকুয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুল হাসান জাহাঙ্গীর।
উপস্হিত বক্তারা বলেন,প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের দক্ষতা, সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি পায়,সমাজ ও রাষ্ট্রে ইনসাফভিত্তিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আন্দোলনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
-

গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা ডিসেম্বর /২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ ‘স্বচ্ছতা’য় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (উপসচিব) আরিফ -উজ-জামান।
গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ, গোপালগঞ্জ স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (অঃ দাঃ) ও গোপালগঞ্জ পৌর প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার, গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোঃ মামুনুর রহমান, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের পরিচালক (অঃ দাঃ) ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ, জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আবু সাঈদ ফারুক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অসিত কুমার সাহা, গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যাপক শাহ্ মোঃ ইকবাল হোসেন, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সেখ বেনজীর আহমেদ, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ জীবিতেষ বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ সোহেল পারভেজ, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস – এর উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল হুদা, গোপালগঞ্জ গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী তন্ময় কর্মকার যে, গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এহসানুল হক, গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী অনুজ কুমার দে, গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়েজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সারোয়ার হোসেন, গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিস হায়দার খান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, গোপালগঞ্জ ওজোপাডিকো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাঈন উদ্দিন, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহিন মিয়া, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহিরুল আলম, কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুফতা হক, জেলা কমান্ড্যান্ট (বিভিএমএস) মজিবুল হক, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নবী নেওয়াজ, জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া, গোপালগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা এম রকিবুল ইসলাম, জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ, গোপালগঞ্জ বিআরটিএ -এর সহকারী পরিচালক (অঃ দাঃ) মোঃ হাবিবুর রহমান, গণমাধ্যম কর্মী আহমেদ আলী খান, গণমাধ্যম ও মানবাধিকারকর্মী কে এম সাইফুর রহমান সহ জেলা উন্নয়ন কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। -

ময়মনসিংহ-৭ আসনে এনসিপি প্রার্থী এটিএম মাহবুব উল আলমের ব্যাপক গণসংযোগ
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন। ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট চেয়ে দিনব্যাপী এই প্রচারণা চালান তিনি।শনিবার (২০ডিসেম্বর) বিকেলে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম । এ সময় তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
গণসংযোগকালে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের হাতে লিফলেট তুলে দেন এনসিপি প্রার্থী। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সেবামূলক কার্যক্রমসহ সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রার্থীর উপস্থিতিতে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
এডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির অন্যতম নেতা,জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহ জজকোর্টের একজন দক্ষ আইনজীবী একই সাথে একজন মানবাধিকার কর্মী। তিনি এন পি এস গন মাধ্যম মানবাধিকার সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
গণসংযোগ কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা
-

জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ১১০ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
স্টাফ রিপোর্টার:মফস্বল ও প্রান্তিক পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, হামলা, হয়রানি ও নানা ধরনের নিপীড়নের প্রতিবাদ এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-এর ১১০ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।আজ রবিবার(২১ ডিসেম্বর ২০২৫) আনুষ্ঠানিকভাবে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নবগঠিত এই কেন্দ্রীয় কমিটিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন প্রবীণ সাংবাদিক ও সংগঠক এস. এম.সাইফুল ইসলাম কবির এবং মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন আহমেদ হোসাইন ছানু। নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের মফস্বল সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে নানা বৈষম্য ও ঝুঁকির মধ্য দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই সংগঠন সেই অবহেলিত কণ্ঠস্বরকে সংগঠিত ও শক্তিশালী করতেই কাজ করবে।
শক্তিশালী ও প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব
নবগঠিত কমিটিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন— মুনসুর আহমেদ (জাতীয় দৈনিক নওরোজ, ঢাকা), কামাল হোসেন খান (সম্পাদক, কুয়াকাটা নিউজ২৪.কম, ঢাকা), মো. মিজানুর রহমান (আইএনবি নিউজ, ঢাকা),এইচ এম শহিদুল ইসলাম, রক্সি খান, মোস্তাফিজার রহমান বাবলু, নির্মল বড়ুয়া মিলন (সিএইচটি মিডিয়া টুয়েন্টিফোর ডটকম, চট্টগ্রাম), বি. এম. রাকিব হাসান (খুলনা) এবং মোল্লা হারুন অর রশিদ (কুড়িগ্রাম—আমাদের সময় ও এশিয়ান টিভি)।
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন ডি. এম. সাইফুল্লাহ খান। যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. শাহজাহান খান ।
সম্পাদকীয় ও সাংগঠনিক কাঠামো
সহকারী মহাসচিব পদে রয়েছেন— এম. এস. সাগর (কুড়িগ্রাম), শহিদুল হক (চট্টগ্রাম), আজগর আলী মানিক (সিটিজি-ক্রাইম-টিভি), আশরাফ চৌধুরী (সিলেট) এবং মালেকুজ্জামান কাকা (যশোর)।
সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আমিনুল হক শাহীন (বাংলাদেশ টেলিভিশন)। সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক— কাজী মিজানুর রহমান (আমাদের কণ্ঠ, খুলনা) ও মো. ইউসুফ আলী (আমাদের অর্থনীতি, দিনাজপুর)।
অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রাজু আহমেদ (খুলনা) এবং সহকারী অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুম মুনিব (দৈনিক আমাদের অর্থনীতি ও দৈনিক আমাদের নতুন সময়, কুষ্টিয়া)।
দপ্তর সম্পাদক ফরিদুর রহমান শামীম (দৈনিক লাখোকণ্ঠ) এবং সহকারী দপ্তর সম্পাদক মো. রেজাউল করিম (দৈনিক আমাদের অর্থনীতি, সিরাজগঞ্জ)।
প্রচার, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি বিভাগ
আইসিটি সম্পাদক এস. এম. আবু ওবাইদা আল-মাহাদী (সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা)। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং সহকারী প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাদিম মাহমুদ (আমাদের সময়, মুন্সীগঞ্জ)।
প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন (চ্যানেল-৯, বাংলার অর্জন, নড়াইল) ও সহকারী প্রশিক্ষণ সম্পাদক রাহাত হোসেন (মাদারীপুর)।
নারী, মানবাধিকার ও গবেষণা
মহিলা সম্পাদিকা আফরীন জাহান লীনা (পটুয়াখালী) এবং সহকারী মহিলা সম্পাদিকা নাজমুন নাহার নাজমা (বেনাপোল)।
মানবাধিকার সম্পাদক মিজান লিটন (চাঁদপুর)। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশেদ (পঞ্চগড়)।
ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক অনিরুদ্ধ রেজা (কুড়িগ্রাম—আমাদের অর্থনীতি ও কলকাতা টিভি) এবং সহকারী ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মো. রেজাউল করিম (আমাদের অর্থনীতি, সিরাজগঞ্জ)।
নির্বাহী সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ
নির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন— সৈয়দ মিরাজুল ইসলাম (ইএনবি, গোপালগঞ্জ), শেখ শামীম আহমেদ (দৈনিক সংবাদ সকাল—মোহনা টিভি, বরিশাল), শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না (সাতক্ষীরা), মো. এম. নাজিম উদ্দিন (রাঙ্গামাটি), শাফায়েত হোসেন (বান্দরবান), শামছুজ্জোহা পলাশ (আমাদের অর্থনীতি, চুয়াডাঙ্গা), আবুল বাসার আব্বাসী (আমাদের অর্থনীতি, মানিকগঞ্জ), ছানাউল্লাহ নূরী (আমাদের অর্থনীতি, গাজীপুর), বুলবুল আহমেদ (ময়মনসিংহ), মো. জাহিদুর রহমান তারিক (ঝিনাইদহ) ও উজ্জ্বল রায় (নড়াইল)নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক রহমত আলী. সাংবাদিক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস প্রমুখ।।
নেতৃবৃন্দের অঙ্গীকার
নেতৃবৃন্দ বলেন,
“মফস্বল সাংবাদিকরা জাতির তথ্যপ্রবাহের মেরুদণ্ড। তাদের নিরাপত্তা, সম্মান ও ন্যায্য অধিকার রক্ষা না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা টেকসই হবে না।”
জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম আগামী দিনে সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন, আইনি সহায়তা, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলে জানান তারা।
-

ঝালকাঠিতে হাদী হ-ত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মহাসড়ক অ-বরোধ ৭২ ঘন্টা আ-লটিমেটাম
রিপোর্ট : ইমাম বিমান
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বরিশাল-খুলনাা মহাসড়কের ঝালকাঠি কলেজমোড় চৌরাস্তা অবরোধ করে ( হাদী এখন কবরে খুনি কেন বাহিরে,আমরা সবাই হাদী হব ইনসাফের কথা বলব, এক হাদী লোকান্তরে লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে) শ্লোগান দিয়ে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করা হয়। শহরের কলেজ মোড় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের যৌথ উদ্যোগে শরীফ ওসমান বিন হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে শনিবার বিরতির পর রবিবার দুপুর একটা থেকে বরিশাল-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করে। এ সময় বক্তারা বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও পুলিশ এখানে এসে আমাদের সাথে আসামির গ্রেফতার ও বিচারের আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত আমরা অবরোধ প্রত্যাহার করব না।
অবরোধ চলাকালিন সময় বিকেলে ঝালকাঠি জেলায় সদ্য যোগদানকৃত নবাগত জেলা পুলিশ সুপার মো: মিজানুর রহমান এসে সড়ক অবরোধকারীদের সাথে কথা বলেন। একই সাথে তিনি জনদূর্ভোগ লাঘবে অবরোধ কারীদের অনুরোধ জানালে তার অনুরোধে আগামী ৭২ঘন্টার মধ্যে হাদী হত্যাকারীকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হলে পুনরায় সড়ক অবরোধ করার ঘোষনা দিয়ে অবরোধ তুলে দেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঝালকাঠি জেলা আহবায়ক আল তৌফিক লিখন, সদস্য সচিব রাইয়ান বিন কামাল, জাতীয় নাগরিক পার্টি ঝালকাঠি জেলা প্রধান সমন্বয়কারী মাইনুল ইসলাম মান্না, ঝালকাঠি ২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল ইসলাম সাগরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সড়কের চারপাশে বিপুল সংখ্যক গাড়ি আটকা পড়ে যায়, দূর দিগন্ত থেকে আসা জনগণ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। তারা পায়ে হেঁটে বিকল্প পথে গন্তব্যে প্রচার চেষ্টা করেন। সরজমিনে দেখা যায় রোগী বহনকারী এম্বুলেন্স, কাঁচামালের গাড়ি তারা বেরিকেট সরিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদীর হত্যার ঘটনায় ও জড়িতরা আটক না হওয়ার প্রতিবাদে গত ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর মহাসড়ক অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করেন। অদ্যাবধি শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীরা গ্রেফতার না হওয়ায় পুনরায় মহাসড়ক অবরোধ করে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছেন।
-

নিজ এলাকায় ফ্রি চি-কিৎসা সেবা দিলেন ডাক্তার অলি আহমেদ
জি.এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক,বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সিনিয়র সাংবাদিক এম.দুলাল উদ্দিন আহমেদ এর পুত্র ডা: অলি আহমেদ পারভেজ তার নিজ এলাকার সাধারণ ও দরিদ্র মানুষদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন।মানব সেবা মুলক সংগঠন “প্রিয় সলঙ্গার গল্প”র উদ্যোগে সলঙ্গায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে শনিবার বিনামূল্যে তিনি চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ ডাক্তারদের মধ্যে তিনিও একজন অন্যতম ডাক্তার ছিলেন।ডা: অলি আহমেদ পারভেজ এমবিবিএস. (এফএমজি),সিএমইউ (আল্ট্রা),এমসিজিপি,
পিজিটি (সার্জারি),মেডিকেল অফিসার, জেনারেল সার্জারি বিভাগ,খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বর্তমানে কর্মরত আছেন।চিকিৎসা দিতে আসা ডা: অলি আহমেদ পারভেজ তার প্রতিক্রিয়ায় প্রথমেই “প্রিয় সলঙ্গার গল্প” গ্রুপের সকলকে এমন একটি মানব কল্যাণ ও মহতী কাজের উদ্যোগ নেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন,সমাজের পরিবর্তন শুরু হয় ছোট ছোট মানবিক উদ্যোগ থেকেই।একটি ছোট কাজ হয়তো একদিনে পৃথিবী বদলে দিতে পারে না,কিন্তু সেটিই পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।”প্রিয় সলঙ্গার গল্প” সংশ্লিষ্ট এই প্রজন্মের তরুণ ও যুবকরা বড়দের সহযোগিতা নিয়ে মানবতার কল্যাণে যে সকল কাজ করে যাচ্ছে,তাদের এই নিঃস্বার্থ মানবতার কাজে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি নিজেকে গর্ববোধ করছি।তিনি আরো বলেন,ছাত্র জীবন থেকেই আমার ইচ্ছা ছিল,বড় হয়ে আমি একজন ডাক্তার হব।ডাক্তার হয়ে সমাজের অসহায়,দরিদ্র ও সাধারণ মানুষদের সেবা করবো।তাই আমার নিজ জন্মভূমি সলঙ্গার মানুষদের সেবা করতে পেরে আমি আনন্দ বোধ করছি এবং আগামীতেও পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।