Author: desk

  • নড়াইল সদর হাসপাতালের লিফটের কাজ দীর্ঘ ৮ বছরেও শেষ হ-য়নি

    নড়াইল সদর হাসপাতালের লিফটের কাজ দীর্ঘ ৮ বছরেও শেষ হ-য়নি

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল সদর হাসপাতালের লিফটের কাজ দীর্ঘ ৮ বছরেও নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। নড়াইলের ২৫০ শয্যা হাসপাতালের কার্যক্রম। দীর্ঘ ৮ বছরেও নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের কাছে হাসপালটির উন্নত সেবার আশা দিন দিন নিরাশায় রূপ নিচ্ছে। বর্তমানে জেলার ১০০ শয্যার হাসপাতালটি গড়ে প্রতিদিন ধারণ ক্ষমতার প্রায় চারগুন রোগীর সেবা দিচ্ছে। অথচ পাশেই দাঁড়িয়ে আছে নতুন ঝকঝকে সুউচ্চ ৯ তলা ভবনটি। কাজের মেয়াদ শেষ হলেও ভবন হস্তান্তর আর ২৫০ শয্যার হাসপাতাল চালুর ব্যাপারে জানা নেই স্বাস্থ্য বিভাগের। তবে দ্রুত হস্তান্তরের আশার বানী গণপূর্তের। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, জেলা গণপূর্ত বিভাগের তথ্য বলছে, গত ২০১৭ সালে নড়াইলে ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মূল ভবন, সার্ভিস ভবন ও চিকিৎসকদের জন্য ডরমেটরি ভবন নির্মাণে ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) অনুমোদন পায়। ২০১৮ সালের জুন মাসে ৮টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের ৮ তলা ভবনসহ প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু করে। যার প্রস্তাবিত মূল্য ধরা হয় ৬১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আর বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৯ম তলায় ১০ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ নির্মাণের কাজে প্রস্তাবিত মূল্য ধরা হয় ৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। তিন দফা মেয়াদ বাড়িয়ে গত বছরের জুনে কাজের মেয়াদ শেষে হস্তান্তরের কথা থাকলেও নকশা জটিলতায় লিফটের বাটনে ঝুলে আছে হস্তান্তর প্রক্রিয়া।
    সরেজমিনে হাসপালটিতে দেখা যায়, সিড়ি তলা থেকে বারান্দা (করিডোর) কোথাও যেন পা ফেলার জায়গা টুকুও ফাঁকা নেই। রোগী আর স্বজনদের এমন ভিড়ের দৃশ্য যেন নিত্যদিনের চিত্র নড়াইল জেলা শহরের একমাত্র ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতলটির। গড়ে প্রতিদিন ধারণ ক্ষমতার তিন থেকে চারগুণ রোগীর চাপ সামলাতে নাজেহাল অবস্থা হাসপাতলটির।
    হাসপাতলটিতে সেবা নিতে আসা রোগীর স্বজনরা জানান, হাসপাতালটির ফ্লোর, করিডোর, সিঁড়ির তলায় মাদুর আর চাদর মেলে রোগী নিয়ে অবস্থান করছেন অন্তত ২৫০ রোগীর স্বজনরা। একদিকে, শীতের প্রকোপ অন্যদিকে রোগ সংক্রমনের শঙ্কা নিয়ে অনেকটা নিরুপায় হয়েই একটু উন্নত চিকিৎসার আশায় মানবেতরভাবে হাসপাতালে অবস্থান করছেন তারা।
    তবে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, অস্ত্রোপচারের সকল সুবিধা না থাকাসহ হাসপাতালটির নাজেহাল অবস্থায় এক থেকে দুই দিনের মধ্যে সদর হাসপাতাল ছেড়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেলসহ ঢাকায় রোগী স্থানান্তর করতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীর স্বজনরা। তাই আশ্বাসে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত ২৫০ শয্যা হাসপাতালের বাস্তবায়ন চান সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।
    নড়াইল সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক মো. আব্দুল গফ্ফার বলেন, সীমিত জনবলসহ নানাবিধ সংকটের মাঝে ধারণ ক্ষমতার প্রায় চারগুণ রোগীর সেবা দিচ্ছে নড়াইল সদর হাসপাতাল। ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ভবনের কাজ শেষ হয়েছে। এটি একটি বহুমুখী হাসপাতাল। রোগী রাখার স্থান চতুর্থ তলার উপরে। যে কারণে লিফটের কাজ সম্পন্ন না করে কোনোভাবে হাসপাতালটির সেবা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব নয়।
    তিনি বলেন, লিফটের সমস্যা সমাধান করে কবে নাগাদ হস্তান্তর করবেন, সেটা গণপূর্তই বলতে পারবেন। তবে হস্তান্তরের পর কতদিন নাগাদ সেবা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব এমন প্রশ্নে স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ভবন প্রস্তুত হলে, লোকবল নিয়োগসহ আনুষাঙ্গিক অনেক বিষয় বাকি থেকে যায়। মন্ত্রণালয়ের আন্তরিকতায় সেটা হস্তান্তর পরবর্তী আর এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে চালু হতে পারে।
    নড়াইল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মু. সারোয়ার হোসেইন বলেন, লিফটের কাজ শেষ না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে স্বাস্থ্য বিভাগের আছে ২৫০ শয্যা হাসপাতালটি হস্তান্তর করা এখনও সম্ভব হয়নি। ১২৫০ কেজির চারটি লিফট (প্যাসেনঞ্জার কাম বেড লিফট) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিকল্পনা কমিশনে ডিপিপি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। আশা করা যায়, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে অনুমোদন সাপেক্ষে লিফটের কাজ শেষ করে আমরা হস্তান্তর করতে পারবো।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গোলাম মোস্তফা রাঙ্গাকে সম্মাননা

    চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গোলাম মোস্তফা রাঙ্গাকে সম্মাননা

    স্টাফ রিপোর্টার : চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকাটির শুরু লগ্ন থেকে নিরলসভাবে সম্পৃক্ত থাকার স্বীকৃতিস্বরূপ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি গোলাম মোস্তফা রাঙ্গাকে সম্মাননা স্মারক ও পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) প্রদান করা হয়েছে। সম্প্রতি আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি তরিকুল আহসান ডাবলু, অনলাইনটির প্রতিষ্ঠাতা এবং সম্পাদক ও প্রকাশক আপেল বসুনীয়া তাঁর হাতে এ সম্মাননা স্মারক ও আইডি কার্ড তুলে দেন।

    চিলাহাটি ওয়েব ডটকম এর সম্পাদক ও প্রকাশক আপেল বসুনীয়া বলেন, চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের অগ্রযাত্রায় মাঠপর্যায়ের সংবাদকর্মীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুরু থেকেই নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসা গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা পত্রিকাটির সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

    উল্লেখ্য, গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা ২০১২ সাল থেকে চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের সঙ্গে যুক্ত থেকে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ও উন্নয়নমূলক সংবাদ নিয়মিতভাবে পাঠিয়ে আসছেন। তাঁর দীর্ঘদিনের এই অবদান ও সাংবাদিকতায় নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবেই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ বিশেষ আয়োজনে তাঁকে সম্মানিত করা হয়।

    এ সময় চিলাহাটি ওয়েব ডটকমের আরও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরা গোলাম মোস্তফা রাঙ্গার ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।

  • নওগাঁ এসপির নেতৃত্বে বিশেষ অ-ভিযানে ৭০ কেজি গাঁ-জাসহ দুই মা-দক কারবারি আ-টক

    নওগাঁ এসপির নেতৃত্বে বিশেষ অ-ভিযানে ৭০ কেজি গাঁ-জাসহ দুই মা-দক কারবারি আ-টক

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    নওগাঁ পুলিশ সুপার (এসপি)
    মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ দুইজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
    রোববার (২১ ডিসেম্বর) নওগাঁ জেলা পুলিশের উদ্যোগে সদর থানাধীন ননিয়া পট্টি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ও ফোর্সের পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি নওগাঁ যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে। ডিবি ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট সকল অফিসার ও ফোর্স সক্রিয়ভাবে অভিযান পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করেন। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মাদক কারবারিদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমন। অভিযান চলাকালে কলোনির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ অর্থ, মাদক সংরক্ষণ ও বিক্রয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। এ সময় দুইজন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে মাদকসহ আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
    অভিযান চলাকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন মাদক কারবারি কৌশলে পালিয়ে যায়। পলাতক আসামিদের সনাক্তকরণ ও গ্রেপ্তারের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
    উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে মোট ৭০ কেজি গাঁজা। এছাড়া CAREWS Country Liquor লেখা সংবলিত এক হাজার মিলিলিটার মদ ভর্তি প্লাস্টিক বোতল পাঁচটি এবং পাঁচশ মিলিলিটার লেখা সংবলিত মদ ভর্তি প্লাস্টিক বোতল তেরটি উদ্ধার করা হয়। আরও উদ্ধার করা হয় সাদা প্লাস্টিক বোতলে রাখা মদ সতেরটি, যার মোট ওজন পাঁচ হাজার একশ গ্রাম। সর্বমোট তরল মদের পরিমাণ ১৬ লিটার ৬০০ মিলিলিটার। পাশাপাশি খালি প্লাস্টিক বোতল পঁয়তাল্লিশটি এবং কর্ক ছয়শ ষাটটি জব্দ করা হয়েছে।
    এছাড়াও বিভিন্ন মূল্যমানের নোটে মাদক বিক্রয়লব্ধ এক লক্ষ আটশত নব্বই টাকা উদ্ধার করা হয়। মাদক কারবারে ব্যবহৃত হওয়ার প্রাথমিক আলামত হিসেবে একটি স্মার্ট মোবাইল ফোনও জব্দ করেছে পুলিশ।
    আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ মাদক কারবারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।#

  • ওসমান হাদী হ-ত্যার প্র-তিবাদে বানারীপাড়ায় বিক্ষো-ভ মিছিল ও প্র-তিবাদ সভা

    ওসমান হাদী হ-ত্যার প্র-তিবাদে বানারীপাড়ায় বিক্ষো-ভ মিছিল ও প্র-তিবাদ সভা

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি//
    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাইযোদ্ধা শরীফ ওসমান হাদী হত্যার প্রতিবাদে বরিশালের বানারীপাড়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার সাধারণ শিক্ষার্থী প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বানারীপাড়া ফেরিঘাট থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বানারীপাড়া বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ছাব্বির হোসেন সোহাগ, বানারীপাড়া উপজেলা ছাত্র প্রতিনিধি মোঃ সাব্বির হোসেন, উপজেলার শীর্ষ ছাত্রনেতা মোঃ আতিকুল ইসলাম, মোঃ মেহেদী হাসান, আবু বক্কর মাহিব, রিয়াদ মিয়া, মোঃ নাইমুর ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের ছাত্রনেতারা।
    প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ শরীফ ওসমান হাদী ছিলেন অন্যায়, অবিচার ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন প্রতিবাদের প্রতীক। তাঁকে হত্যা করে সত্যের কণ্ঠ স্তব্ধ করা যাবে না। এই হত্যাকাণ্ড মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।
    বক্তারা আরও বলেন, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ালেই আজ দমন-পীড়নের শিকার হতে হচ্ছে। তবে শহীদ ওসমান হাদীর রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
    বক্তব্য শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

    মোঃ সাব্বির হোসেন ।।

  • সুষ্ঠু, অবাধ ও নি-রপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করবে প্রশাসন: জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ

    সুষ্ঠু, অবাধ ও নি-রপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করবে প্রশাসন: জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,পিরোজপুর।

    পিরোজপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেছেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল এনে একটি শক্ত ও কার্যকর কাঠামো গড়ে তুলেছে।

    সোমবার দুপুরে নেছারাবাদ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    জেলা প্রশাসক বলেন, এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, অন্যদিকে গণভোট—দুইটি বিষয়ই জনগণের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গণভোট সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে প্রশাসন নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। পিরোজপুর জেলার সব ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে এবং সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের সময় সহিংসতা পরিহার করে সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে আচরণবিধি বাস্তবায়নে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকবে। প্রশাসন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে, আইন ভঙ্গকারী ব্যক্তি যে দলেরই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

    মাদক নির্মূল প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, এ ক্ষেত্রে শুধু প্রশাসন একমাত্র হাতিয়ার নয়। সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদী মনোভাব ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ জানান, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক মূল্যবোধ শেখাতে এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সামাজিক ব্যাধি সম্পর্কে সচেতন করতে।

    মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিত দত্ত, সেনাক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন আল আরাফ, সহকারী পুলিশ সুপার (নেছারাবাদ সার্কেল) সাবিহা মেহেবুবা, স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম ফরিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী মো. কামাল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও. মো. আব্দুর রশিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন, শহীদ স্মৃতি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাসুম কামাল হাওলাদার, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এস এম আলম, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম লিটু প্রমুখ।

    এদিন জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ স্বরূপকাঠি উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র, ভূমি অফিস, বিসিক শিল্পনগরী ও ফজিলা রহমান মহিলা কলেজ পরিদর্শনসহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ সংবাদদাতা।

  • মুকসুদপুরে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ-উজ-জামান

    মুকসুদপুরে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ-উজ-জামান

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান।

    গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) তিনি মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

    এ সময় মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির, মুকসুদপুর, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ নূরু আমীন ও মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের নবাগত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান জেলায় যোগদানের পর নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে জেলার আওতাধীন অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

  • মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে দু-র্বৃত্তদের অ-গ্নিসংযোগ

    মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে দু-র্বৃত্তদের অ-গ্নিসংযোগ

    কে এম সাইফুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী (কর্ণেল অবঃ) ফারুক খানের চাচাতো ভাই, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির খানের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা।

    রোববার ভোরে মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড় ইউনিয়নের বেজড়া গ্রামের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, ভোর রাতে কে বা কারা মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাব্বির খানের বাড়িতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নেন।

    মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিসের লিডার ওহিদুজ্জামান খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ দুপুরে খবর পেয়ে মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় এক ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। এর আগেই ঘরে থাকা, আসবাবপত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    তিনি আরো বলেন, কিভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে সেটি তদন্ত করে দেখো হচ্ছে।

    মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ফায়ার সার্ভিস থেকে বিষয়টি আমাদের জানানো হয়। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    তবে, আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাব্বির খান এলাকায় না থাকায় ও তার ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক এম সাব্বির খানের বসত বাড়িতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল। আইনের দৃষ্টিতে কেউ যদি দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মব সৃষ্টি করে কারোর উপর হামলা, বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা এটা কখনো সমর্থনযোগ্য নয়। গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের নেতৃবৃন্দরা।

  • বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জে ধর্মীয় যাজক ও নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ সুপারের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জে ধর্মীয় যাজক ও নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ সুপারের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    কে এম সাইফুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    আগামী ২৫ ডিসেম্বর খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উদযাপন নিরাপদ করার লক্ষ্যে গোপালগঞ্জ জেলার সকল উপজেলায় বিদ্যমান গীর্জা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের যাজক ও গীর্জা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পদের খ্রিষ্টীয় ধর্মগুরু ব্যক্তিবর্গের সাথে জেলা পুলিশের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে রোববার (২১ ডিসেম্বর) পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ।

    বিশেষ এ আলোচনা সভায় খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের বিভিন্ন প্রতিনিধিবৃন্দ আসন্ন ‘বড়দিন’ এর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
    পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জ নিরাপত্তা গাইডলাইন প্রদান করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছ হতে এ বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি সকল অফিসারকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুহম্মদ সারোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোহাম্মদ জিয়াউল হক, (পিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু, সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুর রহমান সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • সাভারে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষো-ভ মি-ছিল

    সাভারে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষো-ভ মি-ছিল

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক অনলাইন পোর্টালের কর্মরত সাংবাদিকরা।

    গত রবিবার (২১ ডিাসেম্বর ২৫ ইং) সকাল ১১ টার সময় সাভার মডেল থানার সামনে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারি দপ্তরে দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহের সময় পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। হামলার পরও হুমকি ধামকি ও উল্টো সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে মিথ্যা মামলা। এর তীব্র নিন্দা জানাই।

    বক্তারা আরও বলেন,সাংবাদিকতা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ,সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। সাংবাদিকদের ওপর হামলা-মামলা সত্যকে দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা। গণমাধ্যম কর্মীদের কণ্ঠরোধ করতেই মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। অবিলম্বে এই মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। সাংবাদিক নির্যাতনের এমন ঘটনা সহ্য করা হবে না।

    সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ব্যর্থতা তুলে ধরা হয় মানববন্ধন থেকে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাভার প্রেস ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও জিটিভির প্রতিবেদক আজিম উদ্দিন, সাভার উপজেলা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ও এসএ টিভির প্রতিবেদক সাদ্দাম হোসেন, টিআরসির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও এখন টিভির হুমায়ুন কবির, যুগ্ম-আহ্বায়ক ও গ্লোবাল টিভির তোফায়েল হোসেন তোফাসানি, ধামরাই প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হোসেন সৌকত,ধামরাই রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আদনান হোসেন, আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী মানু, সাভার প্রেস ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক লোটন আচার্য্য, বাংলা টিভির আশুলিয়া প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন নিরব, ধামরাই প্রতিনিধি হুমায়ুন রশিদ, নাগরিক টিভির মাহিদুল মাহি,৭১ টিভির জাহিদ হাসান অনিক, জনকণ্ঠের সাভার প্রতিনিধি অঙ্গন সাহা, ধামরাই প্রতিনিধি সোহেল রানা, মানবকণ্ঠের ওমর ফারুক,ডেইলি সানের মেহেদী হাসান মানিক, আগামীর সংবাদের আব্দুস সালাম রুবেল, মুভি বাংলা টিভির লিজা খান,শীর্ষ নিউজের রেদওয়ান হাসান,কাজী সাইফুদ্দিন, জাকির হোসেন।

    মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল সাভার মডেল থানার সামনের সড়ক প্রদক্ষিণ করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলীর কাছে মিথ্যা মামলার বিষয়ে জবাবদিহিতা ও বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।

    উল্লেখ্য,গত ৮ ডিসেম্বর সাভারের আলমনগরে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষ গ্রহণ ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে যান দেশ টিভির জেলা প্রতিনিধি দেওয়ান ইমন, বিজয় টিভির শরীফ শেখ ও চ্যানেল এসের প্রতিবেদক জাহিদুল ইসলাম। এ সময় সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা ও হামলা করেন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার এএসএম শাহীন, পেশকার শফিক ও সাইফুল ইসলাম। পরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই উল্টো সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগে তুলে মামলা দায়ের করেন সহকারি সেটেলমেন্ট অফিসার। সাংবাদিকদের উপর হামলা ও মামলা করলে সাংবাদিকরা আর বসে থাকবে না।

  • গাজীপুরে গ্যাসের অ-বৈধ সংযোগ বি-চ্ছিন্নকরণ অ-ভিযানে দুদক, আশুলিয়ায় এমন অ-ভিযান দরকার

    গাজীপুরে গ্যাসের অ-বৈধ সংযোগ বি-চ্ছিন্নকরণ অ-ভিযানে দুদক, আশুলিয়ায় এমন অ-ভিযান দরকার

    হেলাল শেখঃ তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক গাজীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি দল অভিযান পরিচালনা করেছেন। এমন অভিযান আশুলিয়াতে জরুরী দরকার বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এই অভিযানে গাজীপুর মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রায় শতাধিক অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

    গত রবিবার (২১ ডিসেম্বর ২০২৫ইং) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিতাস গ্যাস এন্ড ট্রান্সমিশন গাজীপুর অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গাজীপুর শহরের একাধিক স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করছেন।

    দুদক জানায়, গাজীপুর মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে অনুমোদনবিহীন গ্যাস সংযোগের সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই বাচাই করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর প্রায় শতাধিক অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

    দুদক জানিয়েছেন, এই অভিযানের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ গ্যাস সংযোগ বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান।