Author: desk

  • নড়াইলে কনস্টেবল থেকে নায়েক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি মেহেদী হাসান

    নড়াইলে কনস্টেবল থেকে নায়েক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি মেহেদী হাসান

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে কনস্টেবল থেকে নায়েক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি মেহেদী হাসান। কেন্দ্রীয় মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ হয়ে কনস্টেবল/১৩২, (নড়াইল), ৪৩০ (নৌ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা), মোঃ রব্বানী মোল্যা, বিপি-৯৩১৩১৬২৭০০, কনস্টেবল/১১৭ (নড়াইল), ১১৩১ (নৌ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা) মোঃ জিহাদুল ইসলাম, বিপি-৯৬১৫১৭৩৭০২, কনস্টেবল/১১৬ (নড়াইল), ১৩৩৫ (নৌ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা) অপু চন্দ্র দাস, বিপি-৯৬১৬১৮৩১৩১, কনস্টেবল/১৫৯ (নড়াইল), ৬৮৯ (নৌ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা) মোঃ বিপুল হোসেন, বিপি-৯৭১৬১৯৩০০৩, কনস্টেবল/১২৪ (নড়াইল), ৪০২ (নৌ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা) মোঃ সবুজ মিয়া, বিপি-৯৮১৭১৯৮৯৭৭ নড়াইল জেলায় নায়েক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) জেলার শূন্য পদের ভিত্তিতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত নতুন র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। এ সময় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), নড়াইল সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে, উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, নড়াইলে এএসআই সশস্ত্র থেকে এসআই সশস্ত্র পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি মেহেদী হাসান, কেন্দ্রীয় মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ হয়ে এএসআই (সশস্ত্র)/৫১৩, (পটুয়াখালী) মোঃ মিরাজ হোসেন, বিপি-৮৫০৫১১১১১৪ নড়াইল জেলায় এসআই (সশস্ত্র)/৪৮ পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) জেলার শূন্য পদের ভিত্তিতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত নতুন র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। এ সময় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইলে এএসআই সশস্ত্র থেকে এসআই সশস্ত্র পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি মেহেদী হাসান

    নড়াইলে এএসআই সশস্ত্র থেকে এসআই সশস্ত্র পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি মেহেদী হাসান

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
    কেন্দ্রীয় মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ হয়ে এএসআই (সশস্ত্র)/৫১৩, (পটুয়াখালী) মোঃ মিরাজ হোসেন, বিপি-৮৫০৫১১১১১৪ নড়াইল জেলায় এসআই (সশস্ত্র)/৪৮ পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) জেলার শূন্য পদের ভিত্তিতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত নতুন র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান। এ সময় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • সলঙ্গা থানায় নতুন ওসির যোগদান

    সলঙ্গা থানায় নতুন ওসির যোগদান

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন কে.এম রবিউল ইসলাম।বদলী জনিত কারনে পুর্বের দায়িত্বপ্রাপ্ত (ওসি) এনামুল হক অন্যত্র বদলী হলে গত ২৮ আগস্ট এ থানায় যোগদান করেন।এর আগে তিনি যমুনা সেতু পশ্চিম থানায় ওসি (তদন্ত) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    এ থানায় যোগদান করে আজ বিকেলে সলঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকদের সাথে তার অফিস কক্ষে পরিচয় ও মতবিনিময়ে জানান,ওসি হিসেবে আমার প্রথম কাজ হবে সলঙ্গা থানাকে তদবীর ও দালাল মুক্ত করা।আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা,মাদক,চাঁদাবাজ ও বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো

    নবাগত ওসি রবিউল ইসলাম ২০০৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি কুষ্টিয়া সদর,কুমারখালী,ভেড়ামারা,মাগুড়া ওসি (ডিবি),ডিএমপি (ডিবি),ডিএমপি হেড কোয়ার্টার,ঢাকা ধানমন্ডি,উত্তরা,তুরাগ,ওসি (ডিবি) মেহেরপুর,সিরাজগঞ্জ ১ নং পুলিশ ফাঁড়ি,২নং পুলিশ ফাঁড়িতে সততা,নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি স্থানীয় সাংবাদিকসহ সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ।

  • নলছিটি দপদপিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দূর্নীতির অভিযোগ

    নলছিটি দপদপিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দূর্নীতির অভিযোগ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    চরম অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং ঘুষের আখড়ায় পরিণত হয়েছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ভুমি অফিস দপদপিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস। আর এ অনিয়ম ঘুষ বাণিজ্য দুর্নীতির মুল হোতা দপদপিয়া ইউনিয়নের ভুমি অফিসের উপসহকারী তহশিলদার মুসা আহমেদ। আর এই দূর্নীতিবাজ মুসার খপ্পরে পড়ে সেবা নিতে আসা জনসাধারণের ভোগান্তি এখন চরমে। দপদপিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রায় দুই বছর দশ মাস ধরে তহশিলদার মুসা আহমেদ বিভিন্ন অনিয়ম করেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বিগত আওয়ামীলীগের সরকারের দপদপিয়া ইউনিয়নের কিছু চিহ্নিত ভুমিদুস্য ও সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে গড়ে তুলেছে অনিয়মের রাম রাজত্ব, যার ফলে হয়রানির স্বীকার হয়ে মুখ খুলতে পারতো না ভুক্তভোগী সাধারন জনগন। নতুন জাতীয় সরকার আসার পর ভুক্তভোগীরা মুখ খুলতে শুরু করেছেন তহশিলদার মুসার বিরুদ্ধে। এখন ভুক্তভোগী জন সাধারণের প্রশ্ন তহশিলদার মুসার হাত থেকে হয়রানির শেষ কোথায় ? মুসা ভুমি অফিসের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে সেবা নিতে আসা সাধারন মানুষকে বিভিন্নভাবে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
    অভিযোগ রয়েছে অনলাইনে দাখিলা দিতে গেলে বিভিন্নভাবে অজুহাত দেখিয়ে এক থেকে দুই হাজার টাকা নেয় উপ-সহকারী তহশিলদার মুসা।আর মুসার সবচেয়ে বড় দূর্নীতির জায়গা হলো জমির মিউটেশন করা। জমি ক্রয় করার পরে প্রত্যেক জমির মালিককেই বাধ্যতামূলক জমির রেকর্ড (মিউটিশন) করতে হয় । সরকারি ধার্য অনুযায়ী মিউটিশন ফি ১১৭৫টাকা। কিন্তু উপ সহকারী তহশিলদার মুসা জমির মালিকদের বিভিন্নভাবে এটা ওটা বুঝিয়ে হয়রানি করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে বলে দশ হাজার থেকে লাখ টাকা চুক্তি করেন জমির মিউটিশনের জন্যে। তখন জমির মালিকগন নিরুপায় হয়ে মুসার ফাঁদে পা দিয়ে হাজার বা লাখ টাকা গচ্চা দেয় । আবার অনেক জমির মিউটিশনের জন্যে সঠিক কাগজ পত্র না থাকায় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বাদ দিয়ে দিলে মুসা জমির মালিক পক্ষ থেকে মিউটিশন করিয়ে দিবে বলে যে টাকা নেয় তা আর ফেরত না দিয়ে বিভিন্নভাবে ঘুরাতে থাকে । যদি কোন জমির পার্টি একটু প্রভাবশালী হয় তাদের চুক্তির টাকা থেকে অর্ধেক টাকা ফিরিয়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। সঠিক কাগজপত্র ও ঘুষের চুক্তির টাকা দেয়ার পরও দুই থেকে ছয় মাস ও ঘুরায় জমির মালিকদেরকে তহশিলদার মুসা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভুমি মালিকরা জানান মুসার এহেন কর্মকান্ড দিনে দিনে বেড়েই চলছে। আর এখন যদি দূর্নীতিবাজ তহশিলদার মুসার কর্মকান্ডের সঠিকভাবে তদন্ত করে শাস্তির আওতায় না আনা যায় তাহলে সাধারণ ভুমি মালিকদের ভোগান্তি ও হয়রানি চরম আকারে ধারন করবে তাই অতি শীঘ্রই আইনের আওতায় এনে শাস্তি ও বদলির দাবি জানিয়েছেন। এছাড়াও দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জমির মালিকরা। এ ব্যাপারে উপ সহকারী তশিলদার মুসা আহমেদের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সামনা সামনি কথা বলেবে জানান।
    এ ব্যাপারে নলছিটি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) সমাপ্তি রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তিনি কিছুই জানেননা তবে অভিযোগ পেলে অবশ্যই উপ-সহকারী তহশিলদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়াও বলেন যদি কোনো নলছিটি ভুমি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী দূর্নীতির সাথে জড়িত থাকে তার কোনো জায়গা হবেন না নলছিটি উপজেলা ভূমি অফিসে। উপজেলার ভুমি মালিকদের উদ্দেশ্য বলেন কোনো রকম হয়রানির স্বীকার হলে সরাসরি তাকে জানতে ও তার অফিসের দরজা সবাইর জন্যে উন্মুক্ত আছে।

  • উজিরপুরে আবারও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মাহফুজুর রহমান জাহিদ গাজী

    উজিরপুরে আবারও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মাহফুজুর রহমান জাহিদ গাজী

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুরের পৌরসদরে অবস্থিত স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ উজিরপুর মডেল সরকারি প্রথমিক এর সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান গাজী জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এর উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

    তিনি এম এ ( এম এড এবং এলএলবি ) সনদ আর্জনকারী শিক্ষক। তিনি গত ২০০৬ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।তিনি ২০০৮ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত ইংরেজি বিষয়ে প্রশিক্ষক এবং আধ্যাবধী শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার তথ্যাবধায়নে উজিরপুর মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ে একটি বালক ও বালিকা কাব দল রয়েছে। প্রতি বছর এই দল চমৎকার কুচকাওয়াজ করে থাকে এবং বিজয়ী হয়ে থাকে। তিনি ২০১৭ ও ২০১৯ সালে উপজেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ও ২০২৩ সালে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক ছিলেন। তিনি অত্র উপজেলার শ্রেষ্ঠ ফুটবল রেফারি, ক্রিকেট অ্যাম্পিয়ার, চমৎকার উপস্থাপক,উপজেলার শ্রেষ্ঠ খেলা ধারাভাষ্যকার,উক্ত বিদ্যালয়ের ফুটবল ও ক্রিকেট কোচ, ক্রিড়া সংগঠক এবং দক্ষ শিক্ষক। উজিরপুরের সকলের প্রিয় শিক্ষক ও ব্যাক্তিত্ব। বর্তমানে নামকরা বহু ফুটবল খেলোয়াড় তার হাত ধরে তৈরি। উজিরপুরবাসী তার সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করে।

  • মোরেলগঞ্জ মা সমাবেশ শিক্ষার্থীদের মাঝে শতাধিক স্কুল ব্যাগ বিতরণ

    মোরেলগঞ্জ মা সমাবেশ শিক্ষার্থীদের মাঝে শতাধিক স্কুল ব্যাগ বিতরণ

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এনায়েতিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মা সমাবেশ ও শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার মাদ্রাসার মিলনায়তনে এ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সেলিমগড় চিংড়াখালী আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল ছালাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজ সেবক মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা আব্দুল আউয়াল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারি শিক্ষক ওমর ফারুক প্রমুখ। উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমানের নিজ অর্থায়নে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শতাধিক স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়।

  • মোরেলগঞ্জে এসিল্যান্ড দুই ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে

    মোরেলগঞ্জে এসিল্যান্ড দুই ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের মধ্যে দুটি ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনার জন্য সহকারি কমিশনারকে(ভূমি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সোমবার বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালিদ হোসেন দাপ্তরিক এক আদেশে এ পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন। ইউনিয়ন দুটি হচ্ছে, ১নং তেলিগাতী ও ২ নং পঞ্চকরণ ইউনিয়ন।

    গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর থেকে ওই ইউনিয়ন দুটির চেয়ারম্যানগন যথাক্রমে মোরশেদা আক্তার ও আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার পরিষদে অনুপস্থিত রয়েছেন।
    এ অবস্থায় পরিষদের কার্যক্রমে উদ্ভুত অসুবিধা দূরীকরণের জন্য এসিল্যান্ডকে প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পণ করা হলো বলে জেলা প্রশাসকের টিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তেলিগাতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোরশেদা আকতার এ প্রসংগে বলেন, ৫ আগস্ট থেকে অনেক চেয়ারম্যান নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিষদে যেতে পারছে না। প্রশাসনিকভাবে কোন সহযোগীতাও পাওয়া যায়নি।

  • সুন্দরবনের উপকূলে লবণাক্ত জমিতে অসময়ে তরমুজ চাষে সফল বাগেরহাটের কৃষকের

    সুন্দরবনের উপকূলে লবণাক্ত জমিতে অসময়ে তরমুজ চাষে সফল বাগেরহাটের কৃষকের

    এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট:বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের লবণাক্ত জমিতে শস্যভাণ্ডার নামে খ্যাত উর্বর ভূমি মৎস্য ঘেরের ভেড়িতেদূর থেকে মনে হবে লাউ বা কুমড়া ঝুলে আছে। কাছে গেলে বোঝা যায় গুনো ও লাইলোনের সুতোর জালে তৈরি বিশেষ মাচায় রসালো তরমুজ ঝুলছে।এখন তরমুজের মৌসুম না হওয়ায় দাম পাচ্ছেন ভালো। এ জাতের তরমুজ মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় পাইকাররা ক্ষেত থেকেই প্রতি কেজি তরমুজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

    ছোট, বড় ও মাঝারি সাইজের বিভিন্ন রংয়ের তরমুজে দেখলে মন জুড়াবে যে কারও।

    সরেজমিনে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের ভাষানন্দল গ্রামের শাহ জাহানের ছেলে কৃষক রাজিব জাহিদুল ইসলামের ঘেরের ভেড়ীতে মাত্র চারমাসেই অসময়ে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে।

    মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ভাইজোরা গ্রামের তরমুজ চাষি দেলোয়ার হোসেনএর নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের ভাষানন্দল গ্রামের ক্ষেতে ঘেরের ভেড়ীতে অসময়ে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে।

    অসময়ের এই তরমুজের দামও ভাল হবে এমন আশা হতদরিদ্র কৃষক দেলোয়ার হোসেনএর।

    তিনি বলেন, নিজের জমি-জমা নেই। এক একর জমি বর্গা নিয়ে মাছ ও ধান চাষ করতাম, এতেই মোটামুটি চলে আমাদের সংসার।

    কৃষি বিভাগের পরামর্শে ঘেরের পাড়ে অফসিজন বা অমৌসুমী তরমুজের চাষ শুরু করি।তরমুজের বিচি, বাস, কাঠ, লাইলোনের সুতোর জাল, গুনা ও শ্রমিক মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

    সৃষ্টিকর্তা যে ফল দিয়েছে তাতে এক লক্ষ টাকার উপরে বিক্রি করতে পারব। তরমুজ শেষ হলে, এই মাচায়ই কুমড়ো, লাউসহ অন্যান্য সবজি চাষ করা যাবে।

    অসময়ে তরমুজ চাষ সম্পর্কে কৃষক রাজিব জাহিদুল ইসলাম বলেন, এই চাষটি স্বাভাবিক লাউ-কুমরো চাষের মতই, মাটিতে জৈব ও রাসয়নিক সার দিয়ে বিচি রোপন করতে হয়। পরে গোড়ার আগাছা পরিষ্কার করতে হয়।

    যখন বৃষ্টি থাকে না, তখন পানি দিতে হয়। তেমন খরচ না হলেও, যতœ করতে হয় অনেক। তবে তরমুজ চাষে আমাদের সবসময় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাগণ সহযোগিতা করেছেন।

    এভাবে কয়েক বছর ভালভাবে চাষ করতে পারল সংসারে স্বচ্ছলতা আসবে বলে দাবি করেন এই কৃষক।

    রাজিব জাহিদুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা ৫০ টাকা কেজি দরে তরমুজ ক্রয়ের জন্য যোগাযোগ করেছে। আশাকরি দুই-চারদিনের মধ্যেই আমরা বিক্রি শুরু করতে পারব।

    শুধু দেলোয়ার হোসেন নয়, ভাল দাম ও চাষাবাদ সহজ হওয়ায় জেলার অনেকেই অফসিজন তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন।
    মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ভাইজোরা গ্রামের তরমুজ চাষি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমার ৭০ শতাংশের ঘের রয়েছে। ঘেরের পাড় বা আইল রয়েছে ২০ শতাংশ। পাঁচ বছর আগে ঘেরপাড় আনাবাদি পড়ে থাকত। তখন কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবং কৃষি উপকরণ সহযোগিতা পেয়ে ঘেরপাড়ে তরমুজের চাষ করি। এখনো চাষা অব্যাহত রয়েছে। এ বছরও ঘেরপাড়ে তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। প্রতিটি তরমুজের ওজন দেড় কেজি থেকে আড়াই কেজি হয়েছে। ভালো দামে তরমুজ বিক্রি করে লাভবান হতে পারবো বলে আশা করছি। বিগত বছরগুলোতেও তরমুজ চাষ করে ভালো টাকাই উপার্জন করতে পেরেছি।’
    কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ৫০ হেক্টর জমিতে প্রায় ৫শ কৃষক তরমুজ চাষ করেছেন। আগামী বছরে চাষের জমি ও কৃষক আরও বাড়বে বলে আশা কৃষি বিভাগের।

    শাহ জাহান নামের আরেক কৃষক বলেন, ৩৩শতক জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। ফলনও ভাল হয়েছে।

    যদি সব মাছের ঘেরের পাড় ও উঁচু জমিতে অফসিজন তরমুজ চাষ করা যায় তাহলে, কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভববান হতে পারে।

    মোরেলগঞ্জ নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সামসুন্নাহার বলেন, আমরা সব সময় মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দিয়ে থাকি।

    আমাদের ইউনিয়নে অফসিজন তরমুজ চাষিদের সব সময় খোঁজ খবর রাখছি। চাষিদের গাছে কখনও কোন সমস্যা বা রোগব্যাধি দেখা দিলে, দ্রুত আমরা মাঠে এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি।

    মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, অফসিজন তরমুজ চাষিদের সব সময় খোঁজ খবর রাখছি। চাষিদের গাছে কখনও কোন সমস্যা বা রোগব্যাধি দেখা দিলে, দ্রুত আমরা মাঠে এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি।গোপালগঞ্জ, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অফসিজন তরমুজ চাষীদের সহযোগিতা করা হয়েছে।

    এই চাষিদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কৃষি উপকরণ দিয়ে সহায়তা করা হচ্ছে যার কারণে চাষীরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠছে।

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাগেরহাটের উপ-পরিচালক শঙ্কর কুমার মজুমদার বলেন, আমরা সব সময় কৃষকদের উচ্চমূল্য সম্পন্ন ফসল চাষে উৎসাহ প্রদান করি।এজন্য কারিগরি সহযোগিতাসহ বিভিন্ন পরামর্শও দেওয়া হয়। এই কারণে জেলায় দিন দিন অমৌসুমী তরমুজ চাষি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    বর্তমানে প্রায় ৫শ চাষি ৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করছেন। ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা।

  • শার্শার গোগায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়মের বিরুদ্ধে  ছাত্র জনতার মানববন্ধন

    শার্শার গোগায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়মের বিরুদ্ধে  ছাত্র জনতার মানববন্ধন

    আজিজুল ইসলাম: যশোরের শার্শা উপজেলার  গোগা বাজারে ৮ দফা দাবীতে ছাত্র জনতার  মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    মঙ্গলবার সকালে গোগা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিচ্ছন্ন, উন্নয় ও নীতিগত পরিবর্তন সহ ৮ দফা দাবীতে   এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

    পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিন শেষে ৪ বাস্তার মোড়ে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করেন ছাত্র জনতা। 

    তাদের দাবী  হাসপাতাল এর আওতাধীন এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, রোগীদের সাথে ভাল ব্যবহার করা, ঔষধ বাণিজ্য বন্ধ করা, নিয়মিত  সেবা প্রদান করা, হাসপাতালে সরবরাহকৃত ঔষধের সুস্ঠ বন্ঠন ও ঔষধের সঠিক রেজিস্ট্রার ঠিক রাখা, রেজিস্ট্রারে রোগীর স্বাক্ষর মোবাইল নাম্বার ও সঠিক ঠিকানা সংরক্ষণ করা, হাসপাতালের কোয়াটার পূণরায় চালু করা ও যারা শর্ত সমুহ মানবেন না, তাদের সেচ্ছায় পদত্যাগ করা।।

    প্রতিবাদ সমাবেশে অভিযোগ করা হয়, ইউনয়নে সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ডাক্তার নিয়োগ থাকলেও তিনি ঠিকমত এখানে রোগী দেখেন না। বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি ঔষধ কালো বাজারে বিক্রি করতো একটি মহল। এই হাসপাতালে আশপাশের প্রচুর দুর্গন্ধ থাকে এখন থেকে হাসপাতালে আশপাশ পরিষ্কার রেখে এবং রোগীদের সাথে ভালো ব্যাবহার করে চিকিৎসা সেবা প্রদান করার জন্য ডাক্তারদের আহ্বান জানানো হয়।

    উক্ত মানববন্ধন,প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে গোগা এলাকার স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী, শিক্ষক ও স্থানীয় জনতা অংশ নেন।

  • আশুলিয়ায় লা*শভর্তি ভ্যানে আগুন-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাফি আটক

    আশুলিয়ায় লা*শভর্তি ভ্যানে আগুন-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাফি আটক

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আব্দুল্লাহিল কাফি’কে আটক।

    সোমবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৪) রাতে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে আটক করেন। ডিবির যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ রবিউল হোসেন ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    গত ৫ আগস্ট ২০২৪ ঢাকার আশুলিয়ায় আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতা হত্যা ও হত্যার পর লাশের ভ্যানে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

    গত ৩০ আগস্ট২০২৪ইং ১মিনিট ১৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় আলোচনায় আসে আব্দুল্লাহিল কাফির নাম। ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যরা রাস্তা থেকে মৃত দেহ একটা ভ্যানে ছুড়ে ফেলছেন। একপর্যায়ে ভ্যানে স্তূপাকার লাশ একটি প্লাস্টিকের ব্যানার দিয়ে ঢেকে দেন পুলিশ সদস্যরা। ভ্যানে তোলা এক ব্যক্তির লাশ শনাক্তের মাধ্যমে জানা যায় এ ঘটনাস্থল আশুলিয়া থানার পাশেই।

    ওই ভ্যানের ওপর রক্তাক্ত নিথর দেহের স্তূপ গড়ছে পুলিশ, ভাইরাল ভিডিওটি আশুলিয়ায় ভ্যানের ওপর রক্তাক্ত নিথর দেহের স্তূপ গড়ছে পুলিশ, ভাইরাল ভিডিওটি আশুলিয়ারই।

    সূত্রটি জানায়, এই ঘটনার সময় ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল্লাহিল কাফি। পরে এ বিষয়ে কাফির এক সহকর্মী বক্তব্য দিয়েছেন গণমাধ্যমে।

    ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বিপ্লব সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘মূলত সেদিন আমরা কাফি স্যারের নির্দেশেই আশুলিয়া সড়ক পথ অবরোধ করে অপারেশন চালাই।’ এদিকে আশুলিয়া থানা পুলিশ (এসআই) হাসান ও ডিবি পুলিশ সদস্য আরাফাত এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশব্যাপী ভাইরাল হয়েছে। বিভিন্ন মহলের প্রশ্ন: হত্যাকাণ্ডে জড়িতদেরকে গ্রেফতার করে সঠিকভাবে বিচারের আওতায় আনতে পারবেতো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আশুলিয়ায় ছাত্র জনতা হত্যা মামলা অনেক সন্তানের মা বাবা নিজে বাদী হয়ে করতে পারেননি, সন্তানহারা বাবা মা বিচার পাবেতো?