Author: desk

  • মোরেলগঞ্জের ৮ ইউনিয়ন পরিষদে আসছেন না চেয়ারম্যান ব্যাহত নাগরিক সেবা

    মোরেলগঞ্জের ৮ ইউনিয়ন পরিষদে আসছেন না চেয়ারম্যান ব্যাহত নাগরিক সেবা

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ১৬ ইউনিয়ন পরিষদের ৮ জন চেয়ারম্যান পরিষদে না আসার কারনে নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এদের মধ্যে আবার অনেক ইউপি চেয়ারম্যান তাদের বিগত কর্মকান্ডে মাঠ পর্যায়ে রয়েছে নানামুখী কথা, স্থানীয়দের ক্ষোভ। তারা বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে দলীয় নৌকা প্রতীক নিয়ে একাধীকবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান, আবার এদের মধ্যে ৭ বারেরও নির্বাচিত একজন প্রবীণ চেয়ারম্যান রয়েছেন। এ সকল জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, নিরাপত্তাহীনতায় পরিষদে আসতে শঙ্কিত তারা। ইতিমধ্যে পঞ্চকরণ ও তেলিগাতী এ দুই ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দ্বায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে মোরেলগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি) বদরুদ্দোজা টিপুকে।
    সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে যানা গেছে, দেশের রাজনৈতিক প্রক্ষাপট পরিবর্তনের ফলে গত ৫ আগস্টের পর থেকেই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের ৮টি পরিষদের চেয়ারম্যানগণ তাদের দপ্তরে না আসায় কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। পরিষদের সচিবরাই পরিচালনা করছে নামমাত্র কার্যক্রম। তবে চিংড়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ সপ্তাহে শুধুমাত্র বুধবার খুলছেন সচিব। দু’একটি পরিষদের সদস্যরা সভা ডেকে রেজুলেশন করে প্যানেল চেয়ারম্যানের দ্বারা কোনমতে পরিষদ চালাচ্ছেন। এদের মধ্যে দু’একজন চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে দু,একদিন অফিস করলেও সপ্তাহের প্রায় সময়ই থাকছেন অনিয়মিত। পঞ্চকরণ ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার, তেলিগাতী ইউপি চেয়ারম্যান মোরশেদা আক্তার, রামচন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম, বনগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান রিপন চন্দ্র দাস, চিংড়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান আলি আক্কাস বুলুসহ এ ৫ জন নির্বাচিত চেয়ারম্যান ৫ আগস্টের পর থেকে একেবারেই পরিষদে আসছেনা। এছাড়াও বহরবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. রিপন হোসেন তালুকদার, বলইবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আলী খান ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির মোল্লাসহ ৩ চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে দু,একদিন পরিষদে আসলেও বেশীরভাগ সময়ই থাকছেন অনুপস্থিত। এদিকে এলাকার একাধিক সচেতনমহল ও সাধারণ জনগনের অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন গুলোতে চেয়ারম্যানদের অনুপস্থিত থাকার কারনে পরিষদের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিশ কয়েম সনদ, পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে সাধারণ নাগরিকরা সেবা থেকে হচ্ছে বঞ্চিত। পাশাপাশি পরিষদের কার্যক্রমে পানির ট্যাংকি বিতরণ থেকে শুরুকরে বয়স্ক, বিধবা ভাতাসহ সরকারী সকল প্রকার সুযোগ সুবিদা দেয়া হয়েছে অর্থের বিনিময়ে। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় সুবিদা ভোগীর্দে তাদের বিগত কর্মকান্ডে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্ণীতির কারনে অনেকেই রোষানলে পড়েছে, তারা আসতে পারছে না নিজ এলাকায়। তবে নির্বাচিত এসব চেয়ারম্যানগন দূর্ণীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দেশের পটপরিবর্তনের ফলে তারা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। চিংড়াখালী ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দেয়ায় ২০১৬ সালে মামলা করায় সে মামলা তুলে নিতেও তার ওপরে রয়েছে চাপ। ইতিমধ্যে আবার কোন কোন চেয়ারম্যানের মৎস্য ঘের দখল, বাড়ি-ঘর ও পরিষদ কার্যালয় হামলা হওয়ার কারনে নিরাপত্তাহীনতায় পরিষদে যেতে পারছে না তারা।

    এ সম্পর্কে মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম তারেক সুলতান বলেন, যে সকল ইউনিয়ন পরিষদ গুলোতে চেয়ারম্যানরা অনুপস্থিত রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরবর্তী নির্দেশনার আলোকে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে জেলা প্রশসক মহোদয়ের এক আদেশে পঞ্চকরণ ও তেলিগাতী ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রশাসনিক ও আয়ন ব্যায়ন কর্মকর্তা হিসেবে সহকারী কমিশনার ভূমিকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে। #

  • আগামী সরকার হবে বৈষম্যহীন সুনামগঞ্জ গণসমাবেশে মাওলানা মামুনুল হক

    আগামী সরকার হবে বৈষম্যহীন সুনামগঞ্জ গণসমাবেশে মাওলানা মামুনুল হক

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ : বৈষম‍্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ, আহত ও বন‍্যাদূর্গতদের জন‍্য দোয়া এবং দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে পতিত স্বৈরশাসক ও তার সহযোগীসহ সকল অপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ জেলা শাখার উদ‍্যোগে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন বাসষ্টেশন এলাকায় অনুষ্ঠিত গণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব‍্য রাখেন শায়খুল হাদীস জননেতা মাও. মামুনুল হক।

    এ সময় মামুনুল হক বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে বৈষম‍্যহীন বাংলাদেশ।

    তিনি বলেন, আলেম সমাজের নেতৃবৃন্দরা সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে নিয়ে দেশে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করতে হবে। যাতে আগামীর বাংলাদেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ হিসাবে পরিণত হয়।

    মামুনুল হক বলেন, দেশের সংখ‍্যালঘুরা তাদের ধর্মের কাজ, বাসস্থান ও চলাফেরা নিরাপদ রাখার ব‍্যবস্থা করা হবে। হাসিনা সরকারের আমলের মতো আর সংখ‍্যালঘু নির্যাতনের নাটক মঞ্চস্থ হবে না।

    তিনি বলেন, বিগত ৫ আগষ্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক মাসে দেশে কোনো সংখ‍্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি। ঘটবেও না। সবাই সচেতন থেকে কাজ করবেন।

    মামুনুল হক বলেন, সকল ইসলামী সংগঠন বৈষম‍্যের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।

    তিনি শেখ হাসিনাকে উদ্দ‍েশ‍্য করে বলেন, দেশ স্বাধীনের ৫০ বছরের রাজনীতিতে প্রতিশোধের এবং অঙ্গরাজ‍্য প্রতিষ্ঠায় বিভাজনের রাজনীতি করেছেন। ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকে শুধু প্রতিশোধ নিয়েছেন। নিজের ক্ষমতায় বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনায় হত‍্যাযজ্ঞ চালিয়েছেন। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে নিজে ক্ষমতায় থেকেছেন।

    মামুনুল হক অন্তবর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ‍্যে বলেন, প্রতিটি হত‍্যাকান্ডের বিচার করতে হবে। এদেশের মাটিতে শেখ হাসিনাকে এনে বিচারের ব‍্যবস্থা করতে হবে। যত প্রকারের দূর্নীতি হয়েছে, দোষীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব‍্যবস্থা করতে হবে। আমরা আপনাদের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।

    তিনি একটি সুশৃঙ্খল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে সকলে মিলে উপদেষ্টাদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

    গণ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা খেলাফত মজলিশের সভাপতি মাও. মুফতি আজিজুল হক।

    গণ সমাবেশে বক্তব‍্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির অন‍্যতম সদস‍্য মাও. আতাউল্লাহ আমিনী, শায়খুল হাদিস মাও. জালাল উদ্দিন, জেলা খেলাফত মজলিশের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ সৈয়দ জয়নুল ইসলাম প্রমূখ।##

  • টাংগাইলের মধুপুরে  “শহীদি মার্চ পালন”

    টাংগাইলের মধুপুরে “শহীদি মার্চ পালন”

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাংগাইলের মধুপুর উপজেলায় ছাত্র -জনতার গণ অভ্যুত্থানের এক মাস পুর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শহীদদের স্মরণে “শহীদি মার্চ” কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধুপুর শাখার সমন্বয়কদের উদ্যোগে এ “শহীদী মার্চ” কর্মসূচী পালন করা হয়।

    সকাল এগারোটার দিকে মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়,মধুপুর আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা, রাণী ভবানী মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, মধুপির সরকারী ডিগ্রী কলেজ সহ উপজেলার বিভিন্ন স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করে।
    শিক্ষার্থীরা মিছিল সহকারে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডের নতুন ব্রীজের উপর জড়ো হতে থাকে। পরে মিছিলটি বাসস্ট্যান্ডের আনারস চত্বর হয়ে মধুপুর ডিগ্রী কলেজ পর্যন্ত সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাস স্টেশনের নতুন ব্রিজে এসে মিছিল শেষ হয়।
    এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীগণ এবং কলেজ স্কুলের প্রতিনিধিগণ সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দিয়ে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও আন্দোলনে আহতদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে মোনাজাতের মাধ্যমে “শহীদি মার্চ” কর্মসূচী সমাপ্ত ঘোষণা করেন।

  • বন্যাকবলিত মানুষের পাশে খেলাফত মজলিস দাউদকান্দি উপজেলা শাখা

    বন্যাকবলিত মানুষের পাশে খেলাফত মজলিস দাউদকান্দি উপজেলা শাখা

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে, খেলাফত মজলিস দাউদকান্দি উপজেলা শাখার উদ্যোগে বন্যাকবলিত মানুষের কাছে উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্যে উপজেলা সহ সভাপতি মাও দেলোয়ার হোসেন সাইফী ও উপজেলা সেক্রেটারী মুফতী সৈয়দ জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম ভারি খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ উপহার নিয়ে নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার সময় দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ঐ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিস দাউদকান্দি উপজেলা সভাপতি মাও মোহাম্মদ ইসমাইল, মেহমান হিসেবে উপস্থিত থেকে দোয়া পরিচালনা করেন দাউদকান্দির কৃতি সন্তান খেলাফত মজলিস কুমিল্লা মহানগরীর সভাপতি মাও সৈয়দ আব্দুল কাদের জামাল,এসময় অন্যান্য নেতৃবিন্দ উপস্থিত ছিলেন, নেতৃবৃন্দ জানান ইতি মধ্যে খেলাফত মজলিস কুমিল্লা জোন কুমিল্লার বন্যাকবলিত প্রতিটি উপজেলায় এবং ফেনী ও নোয়াখালীর বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দের মাঝে।

  • নওগাঁয় ছাত্র- জনতার অভ্যুত্থানের একমাস পূর্তি উপলক্ষে ”শহীদি মার্চ” কর্মসূচি পালিত

    নওগাঁয় ছাত্র- জনতার অভ্যুত্থানের একমাস পূর্তি উপলক্ষে ”শহীদি মার্চ” কর্মসূচি পালিত

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, জেলা প্রতিনিধি নওগাঁ:
    নওগাঁয় ছাত্র- জনতার অভ্যূত্থানের একমাস পূর্তি উপলক্ষে ”শহীদি মার্চ” কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টায় মুক্তির মোড়ে শহীদ মিনার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এই কর্মসূচি পালন করে।

    এর আগে কাজীর মোড় বিজয় চত্বর থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা একটি বিজয় মিছিল নিয়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আসে। সেখানে সকল শিক্ষার্থীরা আওয়ামী লীগ সরকারের শাস্তির দাবি জানিয়ে বিভিন্ন রকম স্লোগান দিতে দেখা যায়।

    পরে সেখান থেকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সকল শহীদের স্মরণে বিজয় মিছিল বের করে। শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদর্শন করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
    এ সময় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের সকল শহীদের হত্যার দাবিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে ফাঁসির দাবি জানান। শহীদের স্মরণে স্লোগান দিতে দেখা যায়।#

    আব্দুল মজিদ মল্লিক
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

  • মুখে আছে  কর্মে ভারত বাংলাদেশের মানুষকে সবসময় কষ্ট দেয়

    মুখে আছে কর্মে ভারত বাংলাদেশের মানুষকে সবসময় কষ্ট দেয়

    নাজিম উদ্দিন রানা:বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘ভারত যখন দেখলো শেখ হাসিনা পালিয়েছে, তখন পানির গেইট খুলে দিল। আর পানিতে ফেনী-নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর-মৌলভীবাজারসহ দক্ষিণাঞ্চল ভেসে গেল। অর্থাৎ ভারত মানুষের বন্ধু না। এরা একটি দল, একটি পরিবারের বন্ধু। বাংলাদেশের মানুষের পাশে তারা মুখে মুখে আছে। কিন্তু কর্মে তারা বাংলাদেশের মানুষকে সবসময় কষ্ট দেয়। আর মানুষ যখন কষ্টে থাকে তখন যে দলটি পাশে থাকে,তার নাম বিএনপি।’

    বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বাঞ্চানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (বোর্ড স্কুল) সামনে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে বন্যার্তদের মাঝে উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    পরে তিনি বন্যায় দুর্গতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

    ডা. জাহিদ আরও বলেন, পানি নেমে যাচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় নেই। ক্ষমতায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে আমরা বলবো- বানভাসি মানুষের পুনর্বাসনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে বিএনপিও সাধ্যমতো নেতাকর্মীদের নিয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়াবে।

    কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন- লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান লিটন, সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনসহ কেন্দ্রীয় ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

  • ফুলপুরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষো*ভ,শা*স্তির দাবী

    ফুলপুরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষো*ভ,শা*স্তির দাবী

    মো. আরিফ রববানীঃ
    ময়মনসিংহের ফুলপুরে মহিলা কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শাহ তাফাজ্জল হোসেনের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা।দীন এসময় তারা অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম – দুর্নীতির তদন্ত পুর্বক শাস্তির দাবি করেন।

    বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে অনুষ্ঠিত মিছিলটি মাদরাসা ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে স্থানীয় কলেজ রোড ও বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নিয়ে ‘এক দফা এক দাবি, অধ্যক্ষের পদত্যাগ চাই’ এরকম স্লোগান দিতে থাকে শিক্ষার্থীরা। পরে উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান ফারুক তাদেরকে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডেকে নেন এবং তাদের বক্তব্য শোনেন। এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে অধ্যক্ষ কর্তৃক বিভিন্ন নির্যাতন ও অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরে অধ্যক্ষ শাহ তাফাজ্জল হোসেনের পদত্যাগ দাবি করেন।

    এর আগে গত মঙ্গলবার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ কেলেংকারী, শারীরিক নির্যাতন ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ এনে বিচারের দাবিতে প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ মুহাম্মদ শফীকুল ইসলামসহ ৪১ জন শিক্ষক শিক্ষিকা ও কর্মচারী স্ব-শরীরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ইউএনও’র নিকট একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এসময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাসরিন আক্তার ও একাডেমিক সুপার ভাইজার পরিতোষ সূত্র ধরের নিকট অভিযোগের অনুলিপি প্রদান করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার উপদেশ দিয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, তোমাদের অভিযোগগুলো আমরা শুনলাম। তোমরা আইন নিজের হাতে তুলে নাওনি। প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছ। এজন্য তোমাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। তোমরা ন্যায় বিচার পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত থাক। তোমাদের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার জন্য অতি সত্তর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এছাড়া উনার বিরুদ্ধে শিক্ষকদেরও অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে এসব রিপোর্ট পেলে আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করবো। এসময় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকা ও কর্মচারীবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • তানোর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

    তানোর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

    আলিফ হোসেন,

    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আওয়ামী লীগ নেতা মাইনুল ইসলাম সেলিমের বিরুদ্ধে প্রায় ৭০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়রা তার দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে দুর্নীতি দমন কমিশনে(দুদুক) প্রেরণ করেছেন। এঘটনায় এই শিক্ষকের অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা বিক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
    এদিকে লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, স্কুল সরকারীকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে
    সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে ইফতার করানোর নামে স্কুল ফান্ডের ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা তছরুপ করা হয়। বিগত ২০১৯ সালের ১৩মে থেকে স্কুলের দোকানঘর ভাড়ার প্রায় ১১ লাখ টাকা স্কুল ফান্ডে জমা দেননি। এছাড়াও প্রশংসাপত্রের জন্য ছাত্র প্রতি পাঁচশ’ টাকা করে গ্রহন করেন যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৩ লাখ এসব টাকার কোনো হদিস নাই।অন্যদিকে বিগত ২০১৯ সাল থেকে জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন,ফরমপূরণে ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন যার পরিমাণ প্রায়
    ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রধান শিক্ষক এসব টাকা নয়ছয় করেছেন।এদিকে ২০১৯, ২০২০, ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালে দুইটি করে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে ৩০০ টাকা করে সেশন চার্জ এবং ২০০ টাকা বেতন নিয়েছেন যার পরিমাণ ৩ লাখ টাকা। যা স্কুল ফান্ডে জমা দেয়া হয়নি। এছাড়াও সরকারি অনুদানের প্রায় ৬ লাখ টাকা তারা আত্মসাৎ করেছেন।এদিকে পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে প্রতি পরীক্ষা যেমন জেএসসি এবং এসএসসি হইতে বিদ্যালয়ের আয়ের সমুদয় অর্থ প্রায় ৬ টাকা তারা আত্মসাৎ করেছেন।অন্যদিকে বিদ্যালয়ের ভেন্যু ব্যবহারকারীদের কাছে প্রাপ্ত অর্থ যার পরিমাণ দেড় লাখ টাকা। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান আত্মসাত করেছেন।ওদিকে উপজেলা ও জেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দকৃত প্রায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও এফডিআর ফান্ডের কোনো হদিস নাই। অন্যদিকে স্কুলের দোকান ঘরের জামানত বাবদ ১৫ লাখ টাকার কোনো হদিস নাই তিনি আত্মসাৎ করেছেন। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সেলিম সাবেক এমপি ফারুক চৌধুরীর ছোট ভাই পরিচয় দিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর নানা অত্যচার নির্যাতন করেছেন।
    আবার পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশংসাপত্র-সার্টিফিকেট ও মার্কসীট প্রদানে ৩০০ টাকা করে আদায় করা হয়। যার পরিমাণ প্রায় ৪ লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। অন্যদিকে সেলিম নিজে প্রধান শিক্ষক হবেন বলে সাবেক এমপির কাছে তিনি
    প্রতিশ্রুতি প্রদান পূর্বক সরকারী করনের জন্য কোনরূপ ব্যবস্থা না গ্রহন করা হয় এই মর্মে অঙ্গীকার করে তিনি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান।স্থানীয়রা এসব বিষয়ে সরেজমিন তদন্তের পুর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদুক) জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
    এবিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সেলিম বলেন, তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।তিনি বলেন,তাকে লোক সমাজে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতে এমন অপপ্রচার করা হচ্ছে।

  • সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন খাগড়াছড়ির পৌর প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা

    সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন খাগড়াছড়ির পৌর প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা

    নুরুল ইসলাম (টুকু)
    জেলা প্রতিনিধি,খাগড়াছড়ি।

    ০৫ সেপ্টেম্বর, (বৃহস্পতিবার) দুপুরে খাগড়াছড়ি পৌরসভা সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক ও খাগড়াছড়ি পৌরসভা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা।

    এ সময় সভায় বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক মোঃ জহুরুল আলম, সাংবাদিক এইচ.এম.প্রফুল্ল, শাহরিয়ার ইউনুস, সমির মল্লিক, মোবারক হোসেন সহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মী গণ পৌর শহরের বিভিন্ন সমসাময়িক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।

    এছাড়াও অতিরিক্ত পৌর কর, ফুটপাত দখল, খাগড়াছড়ির পৌর কাউন্সিলর-মেয়রের নিজ স্বার্থে সড়ক সম্প্রসারণ, কালভার্ট নির্মাণ, অনিয়ম-দুর্নীতি, বৈষম্য,নানা অভিযোগসহ পরামর্শ তুলে ধরেন।

    এসময় পৌর প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, বাজারের ফুটপাত দখল,বাজার সিন্ডিকেট, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, টমটমকে লাইসেন্স এর আওতায় আনা সহ সকল বিষয়ে কাজ করা হবে এবং পৌরসভাকে একটি জনবান্ধন পৌরসভায় রুপান্তর করা হবে। কোন ধরণের বৈষম্য থাকবে না বলে সাংবাদিকদেন আস্বস্ত করেন।

  • গোদাগাড়ীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী অডিটারিয়ামে এলাকাবাসীর আয়োজনে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদোগ্যে এপির ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার সময় গোদাগাড়ী এরিয়া প্রোগ্রামার আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হায়াত উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অফিসের জরুরী কাজে ব্যস্ত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জাহিদ হাসান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জয়নাল আবেদিন, উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডাঃ শায়লা শারমিন, সমাজসেবা অফিসার মোঃ আব্দুল মানিক, ওয়ার্ল্ড ভিশনের ম্যানেজার প্রেরণা চিসিম, মহিশালবাড়ি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান, সিনিয়র সাংবাদিক কলামিষ্ট মোঃ হায়দার আলী, গোগ্রাম আর্দশ বহুমূখি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম, গোদাগাড়ী শিশু নিকেতনের অধ্যক্ষ বরজাহান আলী পিন্টু,ওয়ার্ল্ড ভিশনের কর্মকর্তা, সন্তষকুমার, প্রমূখ।

    ওয়ার্ল্ড ভিশনের ম্যানেজার প্রেরণা চিসিম বলেন, আমাদের কার্যক্রম ২০০৮ ইং সালে শুরু হয়। এ বছর ওয়ার্ল্ড ভিশনের কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবে। শিশু সুরক্ষা, শিশুর উন্নয়ন, শিশুর বিকাশ, শিশু নির্যাতনের বিষয়ে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। এখানে ৬৬ টি শিশু ফোরাম আছে ৯০০ জন শিশু নিয়ে কাজ করা হয়ে থাকে। এসব শিশুদের অনেক সফলতার গল্প রয়েছে। বাল্যবিয়ে থেকে তারা দূরে থাকছে। গ্রামে গ্রমে সচেতেনতা সৃষ্টি করা হয়ে থাকে, বাল্যবিয়ে, শিশু নির্যাতন আগামীতে শূন্যতে নেমে আসে সেদিকে নজর দিতে হবে। ৮২০ শিশু নিয়ে কাজ করা হচ্ছে, প্রতিদিন তাদের ওজন নেয়া হচ্ছে, দৌহিক গঠন সম্পর্কে অভিভাবকদের অবহিত করা হচ্ছে। ১২ বছর থেকে ১৮ বছরের ৮০০ জন শিশুদের নিয়ে নেতৃত্ব বিকাশে কাজ করেছে। উপস্থিত

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ জাহিদ হাসান বলেন, আমি যতদূর শুনেছি দীর্ঘদিন থেকে এ প্রতিষ্ঠানটি হতদরিদ্র আদিবাসীদের বকনা গরু, ছাগল, হাঁস, বিতরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উন্নত টয়লেট, পরিবেশ বান্ধব চূলা ব্যবহার, স্যানিটেশন , সামগ্রী বিতরণ করেছেন। সাফিন নামে একটি শিশু বাকপ্রতিবন্ধি ছিল, সে স্কুলে গিয়ে অন্যান্য শিশুদের কথা বলে নিজে এখন কথা বলতে পারছে। স্কুলে শিশুটি এখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ালেখা করতে পারছেন। সে যদি স্কুলে যাওয়ার পরিবেশ না পেত এ সাফল্য পাওয়া যেত না।

    তারা বলেন, ২০২৪ ইং সালে সেপ্টেম্বর মাসে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবে। সে কাজগুলি আমরা আগামীতে চলমান রাখা যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বক্তরা বলেন, অভিভাবকগন শিশুদের হাতে স্মার্ট মোবাইল ফোন কিনে দিচ্ছেন, এর অপব্যবহারের কারনে তারা ছেলে বন্ধু ম্যানেজ করে সম্পর্কে জড়িয়ে, বাল্যবিয়ে করাতে বাধ্য করেন পিতামাতকে। না দিলে বাড়ী থেকে পালিয়ে বিয়ে করেন। অভিভাবকদের বেশী সচেতন হতে হবে। শিশু শ্রম আমাদের দেশে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে অভিভাবকদের সচেতন করলে শিশু শ্রম কমবে। ওয়ার্ল্ড ভিশন প্রতিবছর ৮২০ জন শিশুকে সুন্দরভাবে সুরক্ষা করেছেন।

    ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কার্যক্রম সত্যিই চমৎকার। গ্রামের পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কাজ করছে। শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করছেন। এ অনুষ্ঠানে, পরবর্তী কার্যক্রম গুলি পরিচালনার জন্য বিভিন্ন উপকমিটি গঠন করা হয়। সুন্দর, সুষ্ঠভাবে চলবে এ প্রত্যাশা করা হয়।

    ডকুমেন্টরি ভিডিও প্রদর্শনী এবং সমাপনি প্রতিবেদন ও সফলতার গল্প বই মোড়ক উন্মোচন, অনুভূতি সহভোগিতা, সম্মামনা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। পরিশেষে উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তাদের এপির ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।