স্টাফ রিপোর্টার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থী রিদওয়ান হোসেন সাগর হত্যার ঘটনার ৫০ দিন পর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ বাদী হয়ে ময়মনসিংহের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্থানীয় সাবেক এমপি মোহিত উর রহমান শান্ত ও সাবেক সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটুসহ ১১১ জনকে আসামী করা হয়েছে। বিচারক রওশন জাহান মামলাটি আমলে নিয়ে এ ঘটনায় কোনো মামলা আছে কিনা ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে কোতোয়ালী থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ১৯ জুলাই শুক্রবার বিকেল ৩ টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নগরীর টাউন হল মোড় থেকে মিছিল সহকারে ময়মনসিংহ-ঢাকা বাইপাস মোড় পৌছলে হাজার হাজার ছাত্র জনতার গণমিছিলে রূপ নেয়। মিছিলটি বাইপাস মোড় থেকে নগরীতে ফিরে আসার সময় সি কে ঘোষ রোড মহিলা ডিগ্রী কলেজের সামনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রত্যক্ষ প্ররোচনা, উস্কানী ও নির্দেশে অন্য আাসমিরা আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনসমূহের জেলা, মহানগর ও কোতোয়ালী থানা শাখার সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকসহ অজ্ঞাতনামা ২০০/২৫০ জন সন্ত্রাসী পূর্ব পরিকল্পিনামত ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সাধারন ছাত্র-জনতাকে খুন করার উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ও চাইনিজ কুড়াল, দাও, কিরিচ, চাপাতি, হকিস্টিক, বাঁশ ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সাধারন ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমন করে। এ সময় মোহিত-উর-রহমান শান্ত, ও ইকরামুল হক টিটু ও আমিনুল হক শামীমসহ আসামীগণ ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে এবং এলোপাতাড়ি কোপাইতে থাকে। এতে অনেকেই গুলিবিদ্ধ ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত জখমপ্রাপ্ত হয়। এক পর্যায়ে মোহিত-উর- রহমান শান্ত তার আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষণ করলে রিদওয়ান হোসেন সাগর (২২) বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমিনুল হক শামীম, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এহতেশামুল আলম, সাধারন সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সাবেক গৃহায়ন ও গণপুর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সাবেক এমপি বাবেল গোলন্দাজ, সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু, সাবেক এমপি নিলুফা আনজুম পপি, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াহেদ,
সাবেক এমপি কাজিমউদ্দিন ধনু, সাবেক এমপি জুয়েল আরেং, সাবেক এমপি, আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন, সাবেক এমপি মোসলেমউদ্দিন, গফরগাঁও পৌরসভার সাবেক মেয়র ইকবাল হোসেন সুমন, সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন, রাসেল, নওশেল আহমেদ অনি, নওশেদ আহমেদ অভি, ফয়জুর রাজ্জাক ওশান, মাজহারুল ইসলাম মবিন, সাজ্জাদ হোসেন শাহীন, তাফসির আলম রাহাত, শাহিনুর, রকিবুল ইসলাম রকিব, ইয়াসিন আরাফাত শাওন, মাকমুদ বেগ, কাজী জাহিদুল ইসলাম পরাগ ওরফে কাজী পরাগ, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আজহারুল ইসলাম,
পিযুষ কান্তি সরকার, আগুন, আজিজুর রহমান ইমন, আতিকুর রহমান সুমন, মোকসেদুল হাসান আপন, আবু বকর সিদ্দিক সাগর (কাউন্সিলর), মঈন, শরীফ (কাউন্সিলর), পার্থ, শওকত জাহান মুকুল, মোতাহার হোসেন লিটু, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু দারোগা, কসাই আলামীন, সাগর চৌধুরী, অনিক চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল মামুন আরিফ, নিতাই, মাসুদ রানা, নজরুল ইসলাম চুন্নু (জাসদ), সোহাগ সওদাগর, রাফিউল আদনান প্রিয়ম, নাহিদ হাসান রাব্বি, রাজিব, আর এস রিপন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ, চৌরা সেলিম (কাউন্সিলর), মোফাজ্জল হোসেন, সব্যসাচী সরকার,
বজলুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম নিশাত, মমতাজ উদ্দিন মনতা, উত্তম চক্রবর্তী রকেট, তানজির আহম্মেদ রাজীব, ইয়ন আলম, আরিফুর রহমান ওরফে ডাইল রতন, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আল আমিন, সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন কবীর, কাজী আজাদ জাহান শামীম (সাবেক জিএস, আনন্দমোহন কলেজ ছাত্র সংসদ), মুকুল সরকার (সাবেক ভিপি, আনন্দমোহন কলেজ ছাত্র সংসদ), আনিসুজ্জামান (সাবেক কমিশনার), আসাদুজ্জামান রোমেল,
রিপন (১১ নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি), বিপ্লব সরকার বিললু, নিহার রঞ্জন রায় (প্রিন্সিপাল, মিন্টু কলেজ), আফতাব দুর্বার, রনি, গোলাম ফেরদৌস জিলু (সাবেক ভিপি, আনন্দমোহন কলেজ ছাত্র সংসদ), রাপেল, লিটু, আকিব খান পাঠান, সাকি, জয়, ফাহিম শাহরিয়ার অনন্ত, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, শফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকলীগের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সাধারন সম্পাদক এনামুর রহমান রবি, গৌরীপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সোমনাথ সাহা, মুক্তাগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন সরকার,
মুক্তাগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ, মাহবুবুল আলম মনি, আরব আলী, এমদাদুল হক ইনু, যদু, সাবেক এমপি এবিএম আনিছুজ্জামান, আশরাফুল ইসলাম মন্ডল, ইব্রাহীম খলিল নয়ন, আবুল কালাম সামছুদ্দিন, ইকবাল হোসেন, আব্দুর রহমান লেলিন, খন্দকার বাকীবিল্লাহ, রফিকুল ইসলাম রতন, আ. আউয়াল সেলিম (জাতীয় পার্টি), জাহাঙ্গীর আহম্মেদ (জাতীয় পার্টি), সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু (জাসদ), সাব্বির হোসেন বিল্লাল, হাজী মো. রফিকুল ইসলাম, ও সাদিক হোসেন (জাসদ নেতা)।
Author: desk
-

ময়মনসিংহে শেখ হাসিনা, স্থানীয় এমপি ও সিটি মেয়রসহ ১১১ জনের নামে মামলা
-

সুনামগঞ্জ জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান
কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জ জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান (পিপিএম)।
ফরিদপুর জেলার কৃতি সন্তান আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ রবিবার সকাল পৌনে ১০টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বিদায়ী পুলিশ সুপার এম, এন, মোর্শেদ পিপিএম-সেবার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। ২০১৮ সালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থেকে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম পুলিশের দায়িত্বশীল ও প্রজ্ঞাবান কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্যতম তিনি। পরে সকাল ১০টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে বিদায়ী পুলিশ সুপার এম, এন, মোর্শেদ পিপিএম-সেবাকে এক বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবাগত পুলিশ সুপার আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম। বিদায় অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ বিদায়ী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে কাজ করার বিভিন্ন অভিজ্ঞতা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে নবাগত পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিদায়ী পুলিশ সুপারের হাতে স্মৃতি স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।
এর আগে নবাগত পুলিশ সুপার আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম পুলিশ সুপার কার্যালয় উপস্থিত হলে তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিদায়ী পুলিশ সুপার এম, এন, মোর্শেদ পিপিএম-সেবা। পরে জেলা পুলিশের একটি সুসজ্জিত চৌকস দল নবাগত পুলিশ সুপারকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জাকির হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুনামগঞ্জ সদর সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম খান, অফিসার ইনচার্জ (সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা) মো: আব্দুল আহাদসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সগণ উপস্থিত ছিলেন।
আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান ২৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে ২০০৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। সুনামগঞ্জে যোগদানের পূর্বে তিনি পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি র্যাব হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, নাটোর জেলা, পিবিআই হেডকোয়ার্টার্স, আরএমপি, রাজশাহী, ঝালকাঠি জেলার সদর সার্কেল, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইউএন এ্যাফেয়ার্স শাখা, বিএমপি, বরিশাল, পুলিশ সুপারের কার্যালয় (সদর) সিরাজগঞ্জ জেলা, ৪ এপিবিএন, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, রাঙ্গামাটি জেলাসহ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে কর্মরত ছিলেন। যেখানে তিনি অসাধারণ নেতৃত্ব ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম-এঁর নতুন পদে যোগদানে সুনামগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুসংহত করবে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে সকলে বিশ্বাস করেন।### -

আত্রাইয়ে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
আব্দুল মজিদ মল্লিক, আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: নওগাঁর আত্রাই উপজেলা বিএনপির এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার বিকেলে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল জলিল চকলেট।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,আত্রাই উপজেলা বিএনপির নেতা কর্মীদের মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টির জন্য সাবেক এমপি আলমগীর কবির পাঁয়তারা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপির নাম ব্যবহার করে মাইকিংয়ের মাধ্যমে সোমবার আত্রাইয়ে পথ সভার চেষ্টা করছেন।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন,আলমগীর কবির কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির কোন সংগঠনের সাথে জড়িত নেই। তিনি আলমগীর কবিরের এ ধরণের কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা বিএনপি নেতা তছলিম উদ্দিন,আব্দুল মান্নান সরদার,যুবদল নেতা খোরশেদ আলম,আশরাফুল ইসলাম লিটন,পারভেজ ইকবাল প্রমুখ।
আব্দুল মজিদ মল্লিক। আত্রাই,(নওগাঁ) প্রতিনিধি।
-

কালকিনিতে প্রখ্যাত কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি
মো:মিজানুর রহমান,কালকিনি প্রতিনিধি/
প্রখ্যাত কবি, ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার দুপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কালকিনি উপজেলা লন্ঠন শাখার আয়োজনে ও সৈয়দ আবুল একাডেমীর শিক্ষার্থীদের সহযোগীতায় আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ আবুল একাডেমীর প্রধান শিক্ষক বিএম হেমায়েত হোসেন, লন্ঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম স্বজল, সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, রিফাত, শামীম, হাসিব ঢালী, মিন্টু, তানভীর, শাকিল, অভি প্রমুখ। তারা একাডেমির মাঠে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। সংগঠনের সদস্য রুপম বলেন, ‘আমরা যদি আমাদের এলাকার কৃতি সন্তানদের যথাযথ সম্মান দিতে পারি, তাহলে এই এলাকায় আবার নতুন কিংবদন্তি জন্ম নেবেন।’
জানাগেছে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের এই দিন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ-পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম প্রধান কবি। একই সঙ্গে তিনি আধুনিক ও রোমান্টিক। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম বর্তমান বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার মাইজপাড়া গ্রামে। বাবা ছিলেন স্কুলশিক্ষক। চার বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে যান। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ করেন ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে। কিছুদিন গতানুগতিক চাকরি করে সুনীল সাংবাদিকতায় স্থায়ী হন। ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে কয়েকজন বন্ধুসহ তিনি কবিতা পত্রিকা ‘কৃত্তিবাস’ সম্পাদনা করতে শুরু করেন। আমৃত্যু দেশ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সাহিত্যে প্রবেশ কবিতা দিয়ে। লেখালেখিতে ‘নীললোহিত’, ‘সনাতন পাঠক’ ও ‘নীল উপাধ্যায়’ প্রভৃতি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন। প্রথম উপন্যাস ‘আত্মপ্রকাশ’, প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘একা এবং কয়েকজন’। সাহিত্যের সব শাখায় বিচরণ করেছেন তিনি। সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, আনন্দ পুরস্কার, বঙ্কিম পুরস্কারসহ বহু স্বীকৃতি লাভ করেন তিনি। ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে ভারতের সাহিত্য আকাদেমির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ শিশু-কিশোর আকাদেমির সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ অক্টোবর কলকাতায় জনপ্রিয় এই কথাসাহিত্যিক মৃত্যুবরণ করেন।
এ বিষয় কালকিনি উপজেলা যুগান্তর স্বজন সমাবেশের উপদেষ্টা কবি ও লেখক সালাউদ্দিন মাহমুদ জানান, এপার বাংলার ওপার বাংলার এই প্রখ্যাত কবির জন্মদিন প্রতিবছর তার গ্রামের বাড়িতে বড় আকারে পালন করা উচিত। তার স্নৃতিকে আকরে ধরে রাখা চেষ্টা করা উচিত আমাদের সকলের। তা নাহলে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে মানুষ ভুলে যাবে। এবং কি তার গ্রামের বাড়িটিকে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে প্রশাসনের কাছে। -

মধুপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সভা অনুষ্ঠিত
আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরের মধুপুর পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৭ নং ওয়ার্ড শাখার আয়োজনে শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে মধুপুর শহীদ স্মৃতি কলেজ মাঠে মধুপুর পৌর সভার জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোহাম্মদ রিজোয়ানুল্লাহ খান এর সভাপতিত্বে এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা কর্মপরিষদের যুব ও ক্রিড়া সম্পাদক মাওলানা মো.বোরহানুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলার সাবেক আমীর মধুপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোন্তাজ আলী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দীয় আইন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান,, মধুপুর পৌরসভার সাারণ সম্পাদক মাওলানা মো. আবু সাঈদ, পৌরসভার কর্মপরিষদ সদস্য মাও,হাফিজুর রহমান প্রমুখ। এসময় উপজেলা ও পৌর শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সহ ৭ নং ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ ও কর্মী ও সমর্থক গন উপস্থিত ছিলেন।
-

পীরগঞ্জে সাংবাদিক কাজী নুরুলের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল
পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক কাজী নুরুল ইসলামের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সকালে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে মরহুমের কবর জিয়ারত শেষে প্রেসক্লাব সভা কক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুলের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও-৩ সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য ও পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি জাহিদুর রহমান জাহিদ, পীরগঞ্জ সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বদরুল হুদা, সৈয়দপুর সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আমিন সরকার, উপজেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দবিরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর বাবলুর রশীদ, পৌর বিএনপি’র সভাপতি রুহুল আমিন, উপজেলা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ. উপজেলা সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মুর্তজা আলম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান. পৌর কাউন্সিলর দবিরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ দুলাল সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক ফজলুল কবীর, গোলাম রব্বানী, সিরাজুল ইসলাম ও জিয়াউল্লাহ রিমু, সাথী ষ্টুডিও এর মালিক সাজেদুর রহমান সাজু, আব্দুল আওয়াল, মরহুমের ছেলে সাকিব আহসান প্রমূখ। শেষে দেয়া মাহফিল পরিচালনা করেন প্রবীন সাংবাদিক আবুল হাসনাত।
উল্লেখ্য, মরহুম কাজী নুরুল ইসলাম দৈনিক দেশ, মুক্তকন্ঠ, জনতা এবং সর্বশেষ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রথম আলো পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর ভোর রাতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ^স ত্যাগ করেন। -

র্যাব-১২’র অভিযানে ১৮৫০ পিস বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
র্যাব-১২’র অভিযানে অভিনব কায়দায় সবজির বস্তার ভিতরে মাদক বহন কালে ১৮৫০ পিস নেশাজাতীয় বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।
১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় এবং র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় গত ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ দুপুর ১৪.১০ ঘটিকায় র্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানাধীন চান্দাইকোনা বাজারস্থ সাজেদা ফাউন্ডেশন (চান্দাইকোনা-১৬৯) এর বিপরীত পার্শ্বে রংপুর টু ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর’’ একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে অভিনব কায়দায় সবজির বস্তার ভিতরে মাদক বহন কালে ১,৮৫০ পিস নেশাজাতীয় বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনসহ ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
২। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় ১। মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মৃত ছাবেদ আলী, সাং-গোবিন্দপুর, পো-অনন্ত রামপুর, থানা-পীরগঞ্জ এবং ২। মোঃ তরিকুল ইসলাম (৩৭), পিতা- মৃত সৈয়দ আলী, সাং-সন্তোষপুর, পোঃ-গোপালপুর, থানা-মিঠাপুকুর, উভয় জেলা-রংপুর।
৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে নেশাজাতীয় বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।
৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।
র্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক, অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।
-

নেছারাবাদে দুইশত সাতচল্লিশ কেজি হরিনের মাংস উদ্ধার গ্রেফতার-২
আনোয়ার হোসেন,
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //
নেছারাবাদে যৌথবাহীনির অভিযানে ২৪৭ কেজি হরিনের মাংস সহ হারুন মোল্লা(৫৫), আবুল কালাম(৫০) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে পৃথক পৃথক অভিযানে উপজেলার সোগাগদল গ্রাম এবং করফা থেকে নেছারাবাদ পুলিশ এবং সেনাবাহীনি অভিযান চালিয়ে ওই মাংস সহ তাদের গ্রেফতার করেছেন। প্রথমে ডাকাত সন্দেহে গ্রেফতারকৃতদের স্থানীয় লোকজনের গনপিটুনিতে আহত হয়।তাদের দুজনকে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে নেছারাবাদ থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন চলছে। গ্রেফতারকৃত হারুন মোল্লা বরগুনা জেলার পাথরঘাটা গ্রামের মো: মহিবুল হক মোল্লার ছেলে। এছাড়া অপর ব্যক্তি মঠবাড়িয়া থানার মো: আশ্রাফ আলী মিয়ার ছেলে।
নেছারাবাদ থানার উপ-পরিদর্শক (এস,আই) মো. পনির খান জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূর্ব সোহাগদল গ্রামের ৭নং ওয়ার্ড থেকে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে ৪৮ কেজি হরিনের মাংশ উদ্ধার করা হয়। একই রাত বারটার দিকে গয়েসকাঠি গ্রামের পূর্ব গয়েসকাঠি করফা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ওই দুই ব্যক্তি সহ ৯৯ কেজি হরিনের মাংশ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, রাত বারটার দিকে জানতে পারি দুই ব্যক্তিকে স্থানীয়রা গনধোলাই দিয়ে একটি ফিসিংবোর্ড সহ বিপুল পরিমানে হরিনের মাংশ আটিকিয়েছে। পরে সেনাবাহীনি সহ আমরা ছুটে গিয়ে ওই মাংশ সহ তাদের আটক করে নিয়ে এসেছি। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তাদের হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
গ্রেফতার কৃত হারুন মোল্লা বলেন, তিনি ওই বোর্ডের একজন কর্মচারী। বোর্ডের মাঝির নাম আব্দুল মন্নান। তিনি বরগুনার মো: করিম হাওলাদারের ছেলে। অনেক পূর্ব থেকেই নেছারাবাদে গোপনে হরিনের মাংশ এনে স্থানীয় মো: নজরুল আড়ৎদারের কাছে বিক্রি করতেন।
উল্লেখ্য, নেছারাবাদ উপজেলায় সুন্দরবন থেকে নদীপথে মাছ ধরার ট্রলার,কাঠের ট্রলার করে হরিনের মাংশ,সুন্দরী কাঠ সহ মাঝেমধ্য মাদকের চালান আসে। মাঝেমধ্য পুলিশের হাতে এসব চোরাকারবারী ধরা পড়ত। অত্র থানার ওসি মো: আবির হোসেনের সময় থেকে নদী পথে আর কোন অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়নি। এতে উপজেলার সন্ধ্যা নদী পথে সক্রিয় হয়ে ওঠে চোরা কারবারীরা।
-

জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন ইস্যুতে রাজশাহীতে যা বললেন ধর্ম উপদেষ্টা
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন ইস্যুতে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন কিছু করবে না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শনিবার দুপুর ১২ টায় রাজশাহী ইসলামিক ফাউন্ডেশনে সকল ধর্মের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার পূর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে সব থেকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে । আমরা এমন কোন এই মুহূর্তে কাজ করতে চাই না যেটি নিয়ে কোন বিতর্ক সৃষ্টি হোক। সবাইকে নিয়ে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই।
ধর্মীয় উপাসনালয় হামলার প্রসঙ্গে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, মসজিদ, মন্দির, মাজারে হামলা গর্হিত কাজ, ধর্মীয় উপাসনালয়ে যারা হামলা চালায় তারা মানবতার শক্রু, ক্রিমিনাল। আমরা ক্রিমিনালদের ধরে আইনের আওতায় আনার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি। প্রচলিত আইনে তাদের বিচার করা হবে। এছাড়াও দুর্গাপূজার নিরাপত্তায়
স্থানীয় সাধারণ জনগনের পাশাপাশি
মাদ্রাসার ছাত্রদের পূজার সাথে সম্পৃক্ত করে মন্দির পাহারা দেয়া হবে। যেন কোন ধরনের হামলা বা নাশকতা না হয়। মাদ্রাসার ছাত্ররা কোন ধরনের জঙ্গিবাদের সঙ্গে ছিলো না। এটা পূর্বের সরকারের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার।বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওপর হিন্দু মহাসভার হামলার আশঙ্কার খবরে ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক চাই। আমাদের ক্রিকেট দলের উপর ভারতে হামলার খবর শুনছি। যেহেতু বিসিবি আছে, তারা এবিষয়ে করনীয় ঠিক করবে। পট পরিবর্তনের পর কিছু সনাপন ধর্মাবলম্বীদের বাড়ীতে যেমন হামলা হয়েছে, তেমনি মুসলমানদের বাড়ীতেও হয়েছে। এটাকে ভিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই। এ সরকার সকলের সরকার, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর।
আমরা হলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে ঢেলে সাজিয়ে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত দলকে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
হজ্বের প্যাকেজ মূল্য কমানোর পরিকল্পনা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হজ্বের প্যাকেজ মূল্য কমানো নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। হাজিরা যে টাকা দেয় তা থেকে এক পয়সাও আমরা ধর্মমন্ত্রণালয় রাখি না। হাজিদের এক কোটি টাকার আমরা ঔষধ দেই। ৮০ জন ডাক্তার, ২০-৩০ জন নার্স ব্রাদার্স আমরা সাথে রাখি। স্থায়ী চিকিৎসা প্রদান করি। কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে ভর্তি করি। এছাড়াও সৌদি আরবের সাথে যেসব চুক্তি আছে সেগুলো দিয়ে থাকি। এগুলো হাজিদের কাছে নেই না। এছাড়াও হজ্বের যে মূল খরচ থাকা, খাওয়া, বিমান ভাড়া, এবং সৌদি সরকারকে একটি নির্দিষ্ট খরচ দিতে হয়। তিনি বলেন, এই মাসেই সৌদি হজ্ব মন্ত্রীর সাথে দেখা হবে। আমি আপ্রাণ চেষ্টা করছি হাজিদের জন্য যে যে খাতে কমানো যায় এবং সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় প্যাকেজ ঘোষণা করতে চাই।
কোথায় কোন ধরনের হামলার বিষয়ে বলেন, হামলা হবে এমন কোন পরিস্থিতি নেই। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সাথে মিটিং করে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়েছি। কোথাও কিছু হলে সাথে সাথে তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

দ্বীনের কাজে অর্থ ও সময় দিতে হবে গোদাগাড়ীতে নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার
মোহনপুর ও বাসুদেবপুর ইউনিয়নে জামাতের পৃথক দুটি সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই দুটি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর, সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী পশ্চিম জেলার আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক সহ: সেক্রেটারি ডক্টর ওবায়দুল্লাহ, উপজেলা আমীর মাস্টার নোমায়ুন আলী সহ স্থানীয় জামায়াত শিবিরের দায়িত্বশীলবৃন্দ।কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর আরও বলেন, কুরআন পড়তে হবে বুঝতে হবে কুরআনের সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে, পরিবারের ছেলে মেয়েদের ছাত্রশিবির ও ছাত্রী সংস্থার সাথে সম্পৃক্ত করাতে হবে
দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে অর্থ ও সময় দিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে হবে। শহীদি তামান্না নিয়ে ময়দানে ভুমিকা রাখতে হবে।সূরা মাউনের শিক্ষা নিয়ে নামাজী ব্যক্তিদের সমাজসেবার কাজ আর সামাজিক ব্যক্তিদের নামাজী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
এর আগে সকালে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ছাত্রশিবির রাজশাহী জেলা পশ্চিম গোদাগাড়ী অঞ্চলে কর্মী শিক্ষা বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এবং তিনি পরে উজানপাড়া এতিমখানা ছাঁদ ঢালায় পরিদর্শন করেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজে রুগী দেখতে যান।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী।