Author: desk

  • চাঁপাইনবাবগজ্ঞে বইপত্র নেই নামেই পাঠাগার

    চাঁপাইনবাবগজ্ঞে বইপত্র নেই নামেই পাঠাগার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ফিরে মোঃ হায়দার আলী : চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত গোম্ভীরা গান, আমের রাজধানী, এখানে রেমিটেন্স যোদ্ধার সংখ্যাও বেশী, এখানকার মানুষ বেশ আন্তরিক, পরিশ্রমী। শিক্ষাদীক্ষায় অগ্রগামী, কেন পাঠাগারটি অবহেলিত।

    শুধু নামেই “পাবলিক লাইব্রেরী”। ভবন থাকলেও নেই কোন গ্রন্থ, জাতীয় পত্রপত্রিকা তো দূরের কথা স্থানীয় কোন পত্রিকাও নেয়া হয়না, সাপ্তাহিক, মাসিক পত্রিকাও নেই এখানে। আর তাই চার দেয়াল ও ছাঁদের সম্বন্বয়ে একটি পাঁকা ঘর থাকলেও বই-পত্রিকার অভাবে এখানে পাঠকও আসেনা । এমনই এক সাধারন পাঠাগারের সন্ধান পাওয়া গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নে। ৩ বছর আগে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে স্থানীয়দের জন্য পাঠাগারের একটি পাঁকা ঘর নির্মাণ করা হলেও পড়ার জন্য বরাদ্দ হয়নি কোন বই কিংবা পত্রিকা। ফলে পাঠাগারের জন্য নির্মিত ঘরটি ফাঁকা পড়ে আছে বছরের পর বছর। আর পাঠাগারটিতে বই না থাকায় নির্মাণের পর থেকে নিয়মিত খোলাও হয়না।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বছরের পর বছর অবৈধ স্থাপনার দখলে ছিল সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুর মোড়ের কিছু অংশ। পরে উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় শিক্ষার্থীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে ‘পাবলিক লাইব্রেরী’ নির্মাণের উদ্দ্যোগ নেন। এতে ২০২০-২১ অর্থ বছরে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় পাঠাগারের জন্য ঘর নির্মাণে বরাদ্দ দেয়া হয় ৬ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৩৭ টাকা।

    বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে ইট-বালু-সিমেন্ট-রং ক্রয়, পলেস্তার করে দরজা-জানালার সম্বন্বয়ে একটি পাকা ঘর নির্মাণ করা হলেও, ক্রয় করা হয়নি কোন বই। তারপরও আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠাগারটি উদ্বোধন করেন গোবরাতলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আসজাদুর রহমান মান্নু।

    স্থানীয় শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, পাঠাগারের নামে উদ্বোনকৃত পাঁকা ঘরটি দীর্ঘদিন ধরে অযন্তে অবহেলায় পড়ে আছে। বিগত সরকারের তরফ থেকে ঘরটি নির্মাণ করা হলেও এখানে কোন বই নেই। যার কারণে নিয়মিত খোলা হয়না ঘরটি। বিগত বছরগুরোতে বেশ কয়েকবার শিক্ষার্থীরা উদ্যোগ নিয়ে ঘরের তালা খুললেও পড়ার জন্য তাদের সাথে আনতে হয়ছে বই। আর তাই পাঠাগারটিতে বই রাখা হলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়তে আসবে বরে মনে করেন স্থানীয়রা। এছাড়া দৈনিক পত্রিকাগুলো এখানে রাখা হলে অনেকেই আসবে খবরা খবর জানতে। কিন্তু এসবের কিছুই নেই এখানে।

    নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মো. মাহিনুর রহমান মাহিন বলেন, লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে পাঠাগারটির ঘর প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন্তু এখানে কোনো বই নেই। যার কারণে পাঠাগারটি নিয়মিত খোলা হয় না। পাঠাগারটি এখন ঢেলে সাজানোর সময় এসেছে। বই জোগানের পাশাপাশি পাঠাগারটি নিয়মিত খোলার জন্য একজন লোক প্রয়োজন। যাতে করে নিয়মিত পাঠাগারটি খোলা হয়। এতে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা এখানে পড়া লেখা করতে পারবেন। আর যুবক ও বয়স্করা অবসর সময়ে এখানে এসে বইয়ের পাশাপাশি পত্রিকা পড়তে পারবেন।

    আসাদুজ্জামান নামে একজন ব্যবসায়ী বলেন, পাঠাগারের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে কয়েক বছর আগে। কিন্তু নির্মাণের কয়েক বছর পার হয়ে গেলেও এখানে কোনো প্রকারের বই নাই। এ কারণে নিয়মিত খোলাও হয় না ঘরটা। যদিও স্থানীয়রা উদ্যোগ নিয়ে মাঝে-মধ্যে ঘরটি খোলেন। আর এভাবে ঘর খোলা না হলে আলো বাতাসের অভাবে ঘরের ভেতর নষ্ট হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত স্থানীয়রা একটি ভালো জিনিসি হারাবে। এ বিষয়টিতে নজর দেয়া প্রয়োজন কর্তৃপক্ষের।

    এ বিষয়ে পাঠাগার নির্মাণ কমিটির সভাপতি ও গোবরতলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. ইউসুফ আলী বলেন, স্থানীয় শিক্ষার্থীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে ইউনিয়ন পাবলিক লাইব্রেরী নির্মাণ করা হয়। ঘরটি নির্মাণের জন্য ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও বই কেনার জন্য কোনো বরাদ্দ ছিলো না। তারপরেও বাড়িতে আমার ব্যক্তিগত কিছু বই ছিলো সেগুলো এখানে রেখেছি পড়ার জন্য। পাঠাগারের ঘরটি খোলার জন্য লোকবল দরকার, সেটিও নেই। ফলে পাঠাগারটি নিয়মিত খোলা হয় না।

    তবে গোবরতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম টিপু বলেন, পাঠাগারটি যে একেবারে বন্ধ থাকে তা কিন্তু নয়, মাঝে-মধ্যে খোলা হয়। এখানে বই থাকলে মানুষজন পড়তে আসত। বইপত্র নেই, পাঠাগারটি খোলার জন্য লোক নাই। এসব জোগান দেয়া গেলে পাঠাগারটি নিয়মিত খোলা যেতো।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তাছমিনা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে আমার কোন কিছুই জানা নেই। তবে পাঠাগার থাকলে সেখানে বই থাকবে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কি কারণে এতো বছরেও সেখানে বইয়ের ব্যবস্থা করা যায়নি সে বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে শিগগিরই সেখানে বইয়ের ব্যবস্থা করা হবে। যাতে সেখানকার শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারে। তবে পাঠাগারে বই দেয়ার ব্যাপারে স্থানীয়রাও আগ্রহী হবেন বলে তিনি মনে করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • মধুপুরে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

    মধুপুরে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেকসহ ১২জন বন্দির মামলা প্রত্যাহারসহ নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান করেছে গারো কোচ সম্প্রদায়ের লোকজন।
    মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদ, সার্বিক মানব উন্নয়ন সংগঠন, আচিক মিচিক সোসাইটি, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের একাংশ, কোচ আদিবাসী সংগঠন, বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠনের একাংশ ও গারো স্টুডেন্ট ফেডারেশনের পক্ষ থেকে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন এর মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে কয়েকশত গারো কোচ নারী পুরুষরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানব বন্ধন শেষে এ স্মারক লিপি প্রদান করেন।
    মানব বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সাবেক সভাপতি অজয় এ মৃ, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি থমাস চাম্বুগং, গারো স্টুডেন্ট ফেডারেশনের মধুপুর শাখার সভাপতি তুষার নেকলা, বাগাছাসের মধুপুর শাখার লুসি রিছিল, কোচ আদিবাসী সংগঠনের নেতা ভরত বর্মন, গারো স্টুডেন্ট ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা রিসার্ড মৃ, আদিবাসী নেত্রী রোজী ম্রং, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের থানার বাইদ শাখার সভাপতি এজেজ রেমা, সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন হাগিদক, কোচ আদিবাসী সংগঠনের সভাপতি গৌরাঙ্গ বর্মন, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রবীন চিসিম, সার্বিক মানব উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজ উদ্দিন, নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর নারী নেত্রী মেগি মেদিলিনা ম্রং,অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য প্রবীর কুমার বর্মণ, ইদিলপুর গ্রামের উৎপল রেমা প্রমুখ।
    মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, মধুপুরের জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের খ্যাতনামা সভাপতি ইউজিন নকরেকসহ সার্বিক মানব উন্নয়ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে গাছ চুরির মামলা করায় ৫ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল আদালতে হাজিরা দিতে গেলে জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেকসহ
    ১২ জনকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন বিজ্ঞ আদালত। বক্তারা, এই মামলাকে মিথ্যা ও ভূমিহীন আদিবাসী জনগনের ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে দমন করার অপচেষ্টা বলে দাবি করেন। সার্বিক মানব উন্নয়ন সংগঠনের ৮৪ শতাংশ জমি নিয়ে বিবাদীর দায়ের করা মামলায় ইউজিন নকরেক সহ আরো ১১ জন জেল হাজতে রয়েছেন।

  • কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবের পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

    কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবের পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

    মো:মিজানুর রহমান,কালকিনি প্রতিনিধিঃ

    জনকল্যাণে সাংবাদিকতা- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মাদারীপুরের কালকিনিতে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত কালকিনি মডেল প্রেসক্লাব এর পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার(১০ সেপ্টেম্বর)বিকেলে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন একাডেমী হলরুমে এ কমিটি ঘোষনা ও পরিচিতি সভার আয়োজন করা হয়।

    কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবের আহবায়ক মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব রকিবুজ্জামান এর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ খালেকুজ্জামান। এছাড়া নবগঠিত কমিটির উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ ইয়াকুব খান শিশির।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালকিনি আবুল হোসেন একাডেমীর প্রধান শিক্ষক বিএম হেমায়েত হোসেন,কালকিনি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন,পৌরসভার এক নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নাসির শিকদার,বাংলাভিশন টিভি ও সমকাল পত্রিকার মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি ফরিদ হোসেন মুফতি, কালকিনি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কমান্ডার খোকন জমাদার, কালকিনি আবুল হোসেন একাডেমির ধর্মীয় শিক্ষক আবুল বাশার বাদশা, উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি বেলাল হোসেন প্রমুখ।

    কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবের নবগঠিত দ্বিবার্ষিক কমিটিতে দি কান্ট্রি টুডে পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ মিজানুর রহমান কে সভাপতি ও দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি আশরাফুর রহমান হাকিমকে সাধারন সম্পাদক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    কমিটিতে জনবানী পত্রিকার প্রতিনিধি মাসুদ আহমেদ কাইয়ুমকে সহসভাপতি, একুশে টেলিভিশন ও দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার প্রতিনিধি রকিবুজ্জামান কে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,আমার সংবাদের প্রতিনিধি রাজু আহমেদ কে সাংগঠনিক সম্পাদক,প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি রাজিব হোসেনকে অর্থ সম্পাদক, মাদারীপুর সময়ের প্রতিনিধি মোঃ ইশতিয়াক কে দপ্তর সম্পাদক,আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি রোমান বেপারীকে প্রচার সম্পাদক, প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকার প্রতিনিধি মেহেদী হাসান মাসুমকে সমাজসেবা সম্পাদক করা হয়।এছাড়া কালবেলার প্রতিনিধি রনি আহমেদ নিপুল,দৈনিক যায় যায় কাল পত্রিকার প্রতিনিধি আজাদ হোসেন, দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকার প্রতিনিধি শামীম ওসমান এবং মোঃ ইমরান হোসেন কে কমিটিতে কার্যকরী সদস্য করা হয়।

    সাংবাদিকদের স্বার্থরক্ষা ও বৈষম্য দূরিকরণের পাশাপাশি কালকিনিতে অপরাধ নির্মূল ও জনগনের সামগ্রীক কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যে সংগঠনের সদস্যরা কাজ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
    সর্বোপরি কালকিনিতে সুষ্ঠু ধারার সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠা- জনকল্যাণে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ এবং সমাজের বিভিন্ন অনিময় ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার থাকার আহবান জানান বক্তারা।

  • সুন্দরবনের উপকূলীয় মোরেলগঞ্জে মিষ্টি মাল্টার বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে হাসি

    সুন্দরবনের উপকূলীয় মোরেলগঞ্জে মিষ্টি মাল্টার বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে হাসি

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি: বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ লবণাক্ত জমিতে শস্যভাণ্ডার নামে খ্যাত উর্বর ভূমি মাল্টা সুস্বাদু ফলের মধ্যে অন্যতম। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলটির জন্য সুন্দরবনের উপকূলীয় মোরেলগঞ্জ এলাকা আবহাওয়া ও জলবায়ু অনুকূলের ফলে দিনে দিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এর চাষ। মাল্টার বাণিজ্যিক চাষে ভাগ্য বদলেছে মোরেলগঞ্জেরঅনেক কৃষকের।ভাল দাম পেয়ে চাষির মুখে হাসির ঝিলিক ।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে মাল্টার চাষাবাদ করছেন সাধারণ কৃষকরা।মিষ্টি জাতের বারি মাল্টায় বাজার ভরে উঠায় এবার বিদেশি মাল্টা জায়গা নিতে বেশ একটা।সুস্বাদু ফল মাল্টা কমলার একটি উন্নত জাত,মোরেলগঞ্জের বাণিজ্যিক পর্যায়ে মাল্টার চাষাবাদ বেড়েছে আগের তুলনায়।শুধু তাই নয়, স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এই গ্রামের মিষ্টি মাল্টা পাইকারদের হাত ধরে চলে যাচ্ছে সারা দেশে। উৎপাদিত এসব মাল্টার রং সবুজ দেখতে অনেকটা মিষ্টি লেবুর মত।

    অনেকের বাড়ির আঙ্গিনায়ও হচ্ছে মাল্টার চাষ। বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ করে দেখেছেন লাভের মুখ। শুধু তা নয় বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা আসেন মাল্টা কিনতে।
    জানা গেছে, মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস এ অঞ্চলকে অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসাবে গড়ে তোলার জন্য শতশত চাষিদের তাদের পতিত জমি ফেলে না রাখার জন্য নানা ধরণের পরামর্শ প্রদান করে আসছেন। শুধু তাই নয়, তারা যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন সেজন্য তাদেরকে হাতে-কলমে মাল্টা চাষের উপর নানা ধরণের প্রশিক্ষণ পরামর্শ ও সহযোগীতা প্রদান করে আসছেন।

    মোরেলগঞ্জ উপজেলা মাল্টা চাষী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অরেন্ট অফিসার হেমায়েত শিকদার,হাবিবুর রহমান, মোস্তফা, সিরাজ , ইসলামও রিপন বলেন, আমার বাড়ির পাশের ৪০ শতক জায়গায় ২০০টি মাল্টা চারা লাগিয়েছি। ইতোমধ্যে এ বছর মাল্টা বিক্রি করে এক লাখ বিশ হাজার টাকার মত আয় করেছি। কিছু মাল্টা ঝরে যাচ্ছে,বুঝতেছি না কি করা যায়।

    স্থানীয় বারি মাল্টা-১ বেশ সুস্বাদু। ক্রেতারা এর বেশ প্রশংসা করে। যেহেতু কোন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার হয় না তাই সকলেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধে ক্রয় করছেন। ২০১৫ সালে তিনি ওই বাগানে মাল্টা চাষ শুরু করেন। গত বছর থেকে তিনি মাল্টার ফল পাওয়া শুরু করেছেন।

    হেমায়েত শিকদারের দাবি, তিনিই এ উপজেলায় প্রথম মাল্টা চাষ শুরু করেন। ২০১৫ সালে তিনি ১ একর জমির ওপর গড়ে তুলেন তার মাল্টা বাগান। তিনি তার এ ফলদ বাগানে বারী-১ জাতের ২০০টি মাল্টা গাছ রোপন করেন। একই বাগানে তিনি সাথী ফল হিসেবে লিচু, আমলকী, কমলা, থাই সরুপা, জাম্বুরা, কাগজী লেবু, কলা, পেপেসহ বিভিন্ন ফলের চাষ করেন।

    মাল্টা চাষের ১ বছরের ব্যবধানে তার মাল্টা গাছে ফল ধরা শুরু করে। তার বাগানের প্রতিটি মাল্টা গাছে এখন ৬০/৭০ টি করে মাল্টা ঝুলছে। এ মাল্টা খেতেও বেশ মিষ্টি। বছরের ৮ মাস গাছে মাল্টা থাকবে এবং এই ৮ মাসে প্রতিটি গাছ থেকে ১৩ থেকে ১৫ কেজি মাল্টা পাওয়া যাবে। মাল্টা পাকার সাথে সাথে দুর-দুরান্ত থেকে ফল ব্যবসায়ীরা এসে বাগান থেকেই মাল্টা কিনে নিয়ে যায়।

    মোরেলগঞ্জ উপজেলা সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অরেন্ট অফিসার মাল্টা চাষী হেমায়েত শিকদার জানান, গত বছরে তিনি তার মাল্টা বাগান থেকে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকার মাল্টা বিক্রি করেছেন। এছাড়াও তিনি তার এ বাগান থেকে অন্য ফল বিক্রি করে বছরে ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা আয় করেন।

    তিনি জানান, অবসর জীবনে তার এ বাগানের আয় তার পরিবারের স্বভাবিক খরচ মেটানোর পাশাপাশি সন্তানদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহনেও বেশ সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে। তার সন্তানেরা সবাই আজ উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত। বড় মেয়ে ডা. রুমানা আফরোজ এমবিবিএস করার পর এফসিপিএস সম্পন্ন করেছে, ছেলে রিশাদ হাসান ম্যারিন ইঞ্জিনিয়র হিসেবে ভিয়েতনামে কর্মরত, ছোট ছেলে সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়র । মোরেলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি সভাপতি এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির বলেন, কৃষককে সার, বীজ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করে কৃষি বিভাগ। বিভিন্ন সীড কোম্পানি পক্ষ থেকে মাঝে মধ্যে সার ও বীজ দিয়ে গরীব কৃষকদের সহযোগিতা করতে হবে।

    মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা চাষীদের সাথে যোগাযোগ রাখছি। তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছি। মাল্টা চাষ করে অধিকাংশ কৃষকের ভাগ্য বদলেছে।

    মাল্টা একটি লাভজনক ফসল হওয়ায় মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের কৃষকরা বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে মাল্টা চাষ করছেন। বিশেষত বারি মাল্টা-১ চাষ করছেন। এখন মূলত কৃষকদের আমরা মাল্টা সঠিক সময়ে হারভেস্টিং এর বিষয়টি প্রচার করছি। বারি মাল্টা-১ সঠিকভাবে পরিপক্ক হলে ফল আকারে বড় হয়।

    ফলের বোটার দিকের কোচকানো ভাবটা কমে গিয়ে প্রায় মসৃণ হয়ে যাবে।- ফলের নিচের দিকের পয়সা আকৃতির চিহ্নটি স্পষ্ট থেকে কিছুটা অস্পষ্ট হয়ে যাবে।- ফলের রং গাঢ় সবুজ হতে হালকা সবুজ রং ধারণ করবে।বারি মাল্টা-১ আগাম হারভেস্টিং এর কারণে ফল অপরিপক্ক থাকে। ফল পর্যাপ্ত রসালো হয় না, সেই সাথে কিছুটা পানসে টক স্বাদযুক্ত হয়।

    কাজেই কৃষকদের কাছে আমাদের পরামর্শ হলো, সঠিক সময়ে বারি মাল্টা-১ হারভেস্ট করুন, এতে মাল্টার সঠিক দাম কৃষক পাবেন।

    এ বছর প্রায় ২০০ হেক্টর জমিতে মাল্টার বাণিজ্যিক বাগান গড়ে উঠেছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২০০০ মেট্রিক টন। বাজারজাত সুবিধা বাড়ানো গেলে মাল্টা চাষের মাধ্যমে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদী। চাষিদের সকল পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন কৃষি বিভাগ। কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে যাচ্ছে।।

  • বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সকল শহীদদের প্রতি পরিবারকে ২লক্ষ করে টাকা দিয়েছে জামায়াতে ইসলাম

    বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সকল শহীদদের প্রতি পরিবারকে ২লক্ষ করে টাকা দিয়েছে জামায়াতে ইসলাম

    মোল্লা মোঃ এম এ রানা নাটোর প্রতিবেদক।।

    বাংলাদেশ জামায়াতে-ইসলামী নাটোর জেলা শাখার আমীর ডক্টর মীর নূরুল ইসলাম বলেছেন, বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থী-জনতা আন্দোলন শহীদ প্রায় ১ হাজার শহীদদের প্রত্যেক পরিবারকে আমরা ২ লক্ষ টাকা করে অনুদানের টাকা দিয়েছি। স্বাধীনতা আনতে যারা আহত হয়েছেন আমরা তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব দায়িত্ব নিয়েছি। যেভাবে ট্রাইব্যুনাল বসিয়ে রাজাকার ট্যাগ লাগিয়ে অন্যায় বিচার করে সাজা দেওয়া হয়েছে, একইভাবে তাদের বিচারের মুখোমুখি করে সাজা দেওয়া হবে।

    সোমবার বিকাল ৫টার দিকে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার মাধববাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত  কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন।

    তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার আমাদের সবাইকে রাজাকার ট্যাগ লাগিয়েছেন। আজ সেই রাজাকারের ছোবলে শেখ হাসিনা পালিয়ে মামার বাড়ী ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। আজ আওয়ামীলীগের নেতারা পালাবার জন্য ইদুরের গর্তও খুজে পাচ্ছে না।

    তিনি বলেন, দেশ নতুন করে স্বাধীনের পর যারা লুটপাট, ভাংচুর, লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করছেন তারা সাবধান হয়ে যান। বিগত দিনে যারা অন্যায়-অপরাধ করেছে তারা শাস্তি পেয়েছে। সুতরাং সতর্ক হয়ে যান। সকল অপরাধীদের বিচার করা হবে। 

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দয়ারামপুর ইউনিয়ন শাখার আমীর মাওলানা জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক ও বাগাতিপাড়া উপজেলা শাখার সাবেক আমীর মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান, লালপুর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, বাগাতিপাড়া উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা একেএম আফজাল হোসেন প্রমূখ। 

    আলোচনা সভাশেষে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে নিহত সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। 

  • নলছিটিতে খাদ্য ভিত্তিক  পুষ্টি বিষক মেলা ও  ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    নলছিটিতে খাদ্য ভিত্তিক  পুষ্টি বিষক মেলা ও  ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে খাদ্য ভিত্তিক পুষ্টি বিষয়ক মেলা ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ।  জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে   সোম,মঙ্গল, বুধবার  এতিন দিন ব্যাপী পুষ্টি  মেলা ও পুষ্টি  ক্যাম্পেইন চলবে জানিয়েছে আয়োজকরা  ।   নলছিটি  সিদ্ধকাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয়  মাঠে আয়োজিত কেম্পেইনে স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করে। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে এ ক্যাম্পেইন। মানুষের দৈনিক কি পরিমাণ খাদ্য গ্রহন ও পুষ্টি মান দরকার সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়  । কি কি খাদ্যে কি ধরনের পুষ্টিমান রয়েছে এবং প্রতিদিন কতটুক পরিমান খাদ্য গ্রহন করা যাবে সে সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।  বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)বরিশাল আঞ্চলিক কেন্দ্রের  আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলছিটি  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম বিশেষ অতিথি ছিলেন নলছিটি কৃষি কর্মকর্তা সানজিদ আরা শাওন। বারটানের বরিশাল আঞ্চলিক কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড.মোঃ আঃ মজিদের সভাপতিত্বে পুষ্টি মেলা ও কেম্পেইনে অংশগ্রহণ কারিদের মধ্যে বিভিন্ন জাতের গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

  • ন্যাশনাল ডক্টর’স ফোরাম এনডিএফ-এর কুমিল্লা শাখার কমিটি অনুমোদন

    ন্যাশনাল ডক্টর’স ফোরাম এনডিএফ-এর কুমিল্লা শাখার কমিটি অনুমোদন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে, 

     ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম-এনডিএফ’র কুমিল্লা শাখার ২০২৪-২৫ সালের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। 

    গতশুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লার একটি সম্মেলন কেন্দ্রে এনডিএফ’র চিকিৎসক সমাবেশে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ও বৈষম্য বিরোধী মতাদর্শে  সমর্থিত চিকিৎসকদের মাঝে আনন্দ উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যায়, বাংলাদেশের নতুন স্বাধীনতার পর এই প্রথম চিকিৎসক সংগঠনের কমিটি  কুমিল্লায় করা হয়।  এতে সাধারণ চিকিৎসক ও জনসাধারণের মধ্যেও সমর্থন বাড়বে বলে কুমিল্লা স্থানীয় কর্মরত চিকিৎসকদের ভাবনা। এই নব 

    কার্যকরী কমিটিতে সভাপতি পদে কুমিল্লার সন্তান মানবতার ফেরিওয়ালা 

    ডা. জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যাপক ডা. জহিরুল আলমের নাম ঘোষণা করা হয়। অনুমোদনের পর গত শুক্রবার 

    উক্ত  নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন জামায়াত ইসলামীর মহানগরী আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এবং ডা. মজিবুর রহমান।  কমিটির উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন ১২ জন। তারা হলেন-  প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ বেলাল, প্রফেসর ডা. আতাউর রহমান, প্রফেসর ডা. মিজানুর রহমান,ডা. এন এম শাহাজাহান, প্রফেসর ডা. মাহবুবুল ইসলাম মজুমদার, প্রফেসর ডা. সফিকুর রহমান পাটোয়ারী, ডা. ফজলুর রহমান মজুমদার, ডা. মাহফুজুল হক, ডা. এম এ মান্নান, ডা. মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, ডা. মেজর (অব) নুরুস সাফী ও ডা. মাসুদ হাসান।  কমিটির সহ-সভাপতি পদে প্রফেসর ডা. নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও ডা. জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ডা. মো. জুয়েল রানা, ডা. গিয়াস উদ্দিন ও ডা. মো.আরিফ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে  ডা. কাউছার হামিদ, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক পদে ডা. শাহ আলম, অর্থ সম্পাদক পদে ডা. জাবেদ আহমেদ, সমাজসেবা সম্পাদক পদে ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, অফিস সম্পাদক পদে ডা. আল আমিন সোহাগ, প্রচার সম্পাদক পদে ডা. হাসেম আব্দুল্লাহ, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক পদে ডা. মোবারক হোসেন, মহিলা ডাক্তার বিষয়ক সম্পাদক পদে ডা. সানজিদা সুলতানা, সহ-মহিলা ডাক্তার বিষয়ক সম্পাদক পদে ডা. তাসাফী বিনতে আনোয়ার, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক পদে ডা. আশরাফুল ইসলাম, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক পদে ডা. সাইদুর রহমান এবং সদস্য পদে ডা. আবু মোহাম্মদ, ডা. মো. সাইফুল হক, ডা. মহিউদ্দিন, ডা. আহসান উল্লাহ রুমী, ডা. জানে আলম, ডা. আবুল হাসেম মনসুর, ডা. মাকসুদ উল্লাহ, ডা. শরীফ মজুমদার, ডা. নাজমুল হোসাইন সৈকত,ডা. আয়শা কবির ও ডা. নাহিন তানিয়া। উল্লেখ্য, প্রফেসর ডা. ইউসুফ আলী ১৯৮৯ সালে  ১৯ মে ৩৫ জন নিয়ে চিকিৎসক নিয়ে  ন্যাশনাল ডক্টরস’ ফোরাম  প্রতিষ্ঠিত করেন।এনডিএফ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কুমিল্লায় কার্যক্রম শুরু হয় । এনডিএফ সংগটিত করেন ডা. এন এম শাহজাহান, ডা. ফজলুর রহমান মজুমদার ডা. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, ডা. মুজিবুর রহমান। ১৯৯৭ সালে একটি কমিটি গঠিত হয় এবং ১৯৯৯ সালে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়। আবারও কুমিল্লা চিকিৎসক সমাজের প্রাণচঞ্চল ফিরে আসবে এমটি ধারনা সাধারণত মানুষের মাঝে।

  • পঞ্চগড় চিনিকলে আবারো চুরি :  চুরি করে পালানোর সময় দুইজনকে আটক করেছে স্থানীয়রা

    পঞ্চগড় চিনিকলে আবারো চুরি : চুরি করে পালানোর সময় দুইজনকে আটক করেছে স্থানীয়রা

     

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড় চিনিকলে পিতলের প্রায় দেড়শ’ কেজি পাইপ চুরি করে পালানোর সময় দুইজনকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয়রা। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০ টায় মিলগেটের দক্ষিন গেটে এ ঘটনা ঘটে।

    আটক দুজন হলো- পূর্ব শিকারপুর এলাকার তসলিম উদ্দিনের ছেলে তারিকুল ইসলাম  ও একই এলাকার  অটো চালক আজাদ। পরে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।পূর্বে ও পিতল চুরির ঘটনা ঘটলেও থেকে যায় অধরায় 

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে চিনিকলের দক্ষিণ প্রাচীরের পাশের সড়কে অটোগাড়িতে পিতলের পাইপ লোড হচ্ছিল। স্থানীয় নুরুজ্জামান বুলেট নামে একজনকে দেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে অটো চালককে আটক করা হয়। অটো চালকের কথা অনুযায়ী স্থানীয়রা তারিকুল ইসলামকে তার বাড়ির পাশ থেকে ধরে আনেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়, কিন্তু তারা সামলাতে না পারলে সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিরুল্লা বলেন, চুরির মালামাল জব্দ করে অটোগাড়ি থানায় আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবেও জানিয়েছেন তিনি

  • আত্রাইয়ে এক রাতে ৯টি গরু-ছাগল চুরি

    আত্রাইয়ে এক রাতে ৯টি গরু-ছাগল চুরি

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, আত্রাই (নওগাঁ) থেকে : নওগাঁর আত্রাইয়ে এক রাতে এক গ্রাম থেকে তিনজন কৃষকের সাতটি গরু এবং দু‘টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার গভীর রাতে উপজেলার থাঐপাড়া গ্রামে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এতে এলাকাবাসী আতংকিত হয়ে পরেছে।

    ওই গ্রামের জাফের আলীর ছেলে জাকির হোসেন জানান,সন্ধায় বাড়ী সংলগ্ন গোয়াল ঘরে গরু-ছাগল রেখে ঘুমিয়ে পরি। সকালে ঘুম থেকে জেগে গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখি দু‘টি গরু ও দু‘টি ছাগল চুরি হয়ে গেছে। দু‘টি গরু প্রায় দেড় লক্ষটাকা এবং ছাগল দু‘টির প্রায় ২০হাজার টাকা দাম হবে বলে জানান তিনি।

    একই গ্রামের মৃত্যু মোহাম্মদ আলীর ছেলে সাইদার রহমান জানান, গভীর রাতে চোরেরা গোয়াল ঘরের দরজার তালা কেটে তিনটি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। গরু তিনটির আনুমানিক মূল্য প্রায় দুইলক্ষ টাকা হবে । এছাড়া ওই রাতেই তার ভাই রাজার গোয়াল ঘরের তালা কেটে দুইটি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। ওই দুটি গরুর মূল্য প্রায় দুই লক্ষ টাকা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

    তবে এসব চুরির ঘটনায় সোমবার সকালে আত্রাই থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম বলেন,গরু-ছাগল চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। চুরির বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জরিতদের গ্রেফতার ও গরু-ছাগল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।#

    আব্দুল মজিদ মল্লিক 
    আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি।

  • সিএমপি ও চট্টগ্রাম জেলার ৩০ থানার ওসিদের একযোগে বদলির আদেশ

    সিএমপি ও চট্টগ্রাম জেলার ৩০ থানার ওসিদের একযোগে বদলির আদেশ

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ১৬ থানার মধ্যে ১৩ থানা ও চট্টগ্রাম জেলার ১৭ থানার মধ্যে ১৭ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি,দের পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।  

    গত রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অ্যাডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি করা হয়।

    এতে সিএমপির ১৩ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) মধ্যে খুলশী থানার পরিদর্শক মো. কবিরুল ইসলাম পিবিআই, চান্দগাঁও জাহিদুল কবীর টুরিস্ট পুলিশ, কোতোয়ালীর এস এম ওবায়দুল হক ও চকবাজার মোহাম্মদ ওয়ালী উদ্দিন আকবরকে নৌ-পুলিশ, সদরঘাট থানার মোহাম্মদ ফেরদৌস জাহান ও ডবলমুরিংয়ের ফজলুল কাদের পাটোয়ারী সিআইডিতে, হালিশহর মো. কায়সার হামিদ নৌ-পুলিশ, পাহাড়তলী মোহাম্মদ কেপায়েত উল্লাহ টুরিস্ট পুলিশ, আকবরশাহ গোলম রব্বানী নৌ-পুলিশ, কর্ণফুলী মোহাম্মদ জহির হোসেন পিবিআই এবং বন্দর থানার মো. মনজুর কাদের মজুমদার, ইপিজেডের মোহাম্মদ হোছাইন ও  পাঁচলাইশ সন্তোষ কুমার চাকমাকে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (এডিসি) কাজী মো. তারেক আজিজ সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের সিএমপি ১৬ থানার মধ্যে ১৩ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের বদলি করেছেন।

    এদিকে চট্টগ্রাম জেলার ১৭ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) মধ্যে মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম পিবিআই, আবদুল্লাহ আল হারুন সিআইডি, কামাল উদ্দীন সিআইডি, মো. কবির হোসেন সিআইডি, মো. মনিরুজ্জামান পিবিআই, মীর মো. নুরুল হুদা পিবিআই, মো. কামরুজ্জামান পিবিআই, জাহিদ হোসেন টুরিস্ট পুলিশ, চন্দন কুমার চক্রবর্তী পিবিআই, মির্জা মোহাম্মদ হাঁছান সিআইডি, জসীম উদ্দীন সিআইডি, মো. আছহাব উদ্দিন সিআইডি, মোল্লা জাকির হোসেন রেলওয়ে রেঞ্জ, ওবায়দুল ইসলাম সিআইডি, তোফায়েল আহমেদ টুরিস্ট পুলিশ, মিজানুর রহমান সিআইডি ও মো. রাশেদুল ইসলামকে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে।

    চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, চট্টগ্রাম জেলার ১৭ থানার মধ্যে ১৭ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি করা হয়েছিল।
    পুলিশ হেডকোয়ার্টার ১৭ জন পুলিশ অফিসারদের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে বলে জানান