Author: desk

  • কোটচাঁদপুরে জামায়াত নেতা হ*ত্যা মামলায় দুই সাবেক  সংসদ সদস্য ও পুলিশ সুপারসহ ১৯ জন আসামী

    কোটচাঁদপুরে জামায়াত নেতা হ*ত্যা মামলায় দুই সাবেক সংসদ সদস্য ও পুলিশ সুপারসহ ১৯ জন আসামী

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের জামায়াত নেতা এনামুল হক হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। রোববার দুপুরে কোটচাঁদপুর আমলী আদালতে ঝিনাইদহের চাকরীচ্যুত সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন নিহত’র ভাই বিএম তারিকুজ্জামান। এই নিয়ে সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহের বিভিন্ন আদালতে ৫টি হত্যা মামলা দায়ের হলো। মামলায় ঝিনাইদহ-৩ আসনে আ’লীগ দলীয় সাবেক দুই সংসদ সদস্য নবী নেওয়াজ ও শফিকুল আজম খান চঞ্চলসহ ১৪ জন নেতাকর্মী এবং কোটচাঁদপুরের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, এসআই মিজানুর রহমান, এসআই সৈয়দ আলী ও কনস্টেবল সমির কুমারসহ মোট ১৯জনকে আসামী করা হয়েছে। বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার ভাই কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের অর্থ সম্পাদক এনামুল হককে ২০১৪ সালের পহেলা জানুয়ারী কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদের মধ্য থেকে পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী তাজুল ইসলামের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফিরছিলেন। অপহরণের একদিন পর ২৬ জানুয়ারী কোটচাঁদপুর শহরের নওদাপাড়া গ্রামে এনামুল হকের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। ওই সময় পুলিশ দাবী করে যৌথ বাহিনীর অভিযানে এনামুল নিহত হন। বাদীর অভিযোগটি গ্রহন করে বিজ্ঞ আদালত কোটচাঁদপুর থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন। এ্যাডভোকেট রুস্তম আলী আদালতে বাদীর পক্ষে অভিযোগটি দায়ের করেন। এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর থানার ওসি মোঃ সৈয়দ আল মামুন রোববার বিকালে জানান, আদালতের আদেশ এখনো থানায় পৌছায়নি। হাতে পেলে নির্দেশনা মোতাবেক মামলা রেকর্ড করা হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • তানোরে টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    তানোরে টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে গত দু’দিনের ঝড়ো হাওয়া, গুড়ি গুড়ি ও ভারী বৃষ্টিতে কাঁচা ঘরবাড়ী, গাছপালা রাস্তা-ঘাট, সবজি খেতসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
    জানা গেছে, গত ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর শনি ও রোববার গুড়ি গুড়ি ও মাঝে মাঝে ভারী বৃষ্টির কারণে সুর্যের মুখ দেখা যায়নি, প্রয়োজনীয় কাজ ব্যতীত ঘর থেকে বের হননি সাধারণ মানুষ।গত
    ১৫ সেপ্টেম্বর রোববার উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) ছাঐড়, নেজামপুর, বাতাসপুর ও দমদমা, তানোর পৌরসভার তাঁতিয়ারপাড়া, গোকুলমথুরা,ধানতৈড়, কালীগঞ্জ,
    মাসিন্দা হালদারপাড়া, চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের (ইউপি) বেড়লপাড়া, দাড়দহসহ বিভিন্ন এলাকা সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় পটলখেতের বান ভেঙ্গে পড়েছে, রাস্তার পার্শ্বের গাছ উপড়ে পড়েছে, শীতকালের আগাম সবজি খেতে পানি বেঁধে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে শীতকালীন ফুলকপি, বাঁধাকপি, সিম,লাউ, মরিচসহ আগাম শাকসবজি র ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গত দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে প্রতিটির জমিতে পানি বেঁধে যাওয়ায় এবং পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় গাছগুলো প্রায় মরতে বসেছে। এতে ধরাশায়ী হয়েছেন ওই এলাকার সবজি চাষীরা। কৃষক হিরন ইসলাম বলেন, এক বিঘা জমিতে আগাম ঢেমনা পেয়াজ রোপনের জন্য জমি তৈরী করেছিলাম এবং ৫ কাঠা জমিতে রোপন করেছি, গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে তৈরীকৃত জমি নষ্ট হয়েগেছে, এইজমিতে আগামী ১৫ দিনেও পেয়াজ রোপনের উপযোগী হবে না, আর রোপনকৃত পেয়াজের জমিতে বৃষ্টির পানি বেঁধে থাকার কারণে ওই পেয়াজ গুলোও পঁচে নষ্ট হয়ে যাবে।
    এদিকে টানা দুইদিনের বৃষ্টিতে ঘর থেকে বের হতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। কামারগাঁ ইউপির মাড়িয়া গ্রামের দিনমজুর রহেদ আলী জানান, পরিবারে ৩জন সদস্যের একমাত্র উপার্জনকারী তিনি। প্রতিদিন ভোরে ফজরের নামাজ পড়ার পর বেরিয়ে যান দিনমজুরি করতে, দিন এনে দিন খাওয়া পরিবার আমার, দুইদিন থেকে কাজে যেতে না পারায় অতিকষ্টে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন কাঁটছে। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, দুই দিনের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে উঠতি ফসলে কিছু সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে আজকালের মধ্যে আবহাওয়া ভালো হয়ে গেলে ফসলের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। #

  • ঝিনাইদহে একই ঘটনায় পুলিশের দু’রকমের প্রতিবেদন

    ঝিনাইদহে একই ঘটনায় পুলিশের দু’রকমের প্রতিবেদন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে একটি মামলা তদন্তে দুই রকম প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। একই ঘটনায় পুলিশের দুই এসআই দুই রকম প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করায় বাদীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে মামলার মেরিট নিয়ে। মামলা সুত্রে জানা গেছে, নিজেদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে কাজী ফারুক ও তার ছোট বোন কাজী শাহানাজের উপর হামলা এবং তাদের বাড়িঘরে লুটপাট চালানো হয়। হামলার ঘটনায় কাজী ফারুক ও তার বোন কাজী শাহানাজ ৯জনকে আসামী করে ঝিনাইদহের একটি আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলা দুইটি তদন্তের জন্য পৃথক দুজন তদন্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। কাজী ফারুকের মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান ডাকবাংলা ক্যাম্পের এসআই সোহাগ হোসেন। অন্যদিকে বোন কাজী শাহানাজের মামলার দ্বায়িত্ব পান ঝিনাইদহ সদর থানার এস আই শামিম হোসেন। মামলার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সোহাগ আসামীদের পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করেন। অন্যদিকে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা সত্য বলে আসামীদের বিপক্ষে প্রতিবেদন দেন এসআই শামিম হোসেন। একই ঘটনায় দুই রকম পুলিশী প্রতিবেদন নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এক মামলার বাদী কাজী ফারুক অভিযোগ করেন, এস আই সোহাগ আসামীদের কাছ থেকে লাভবান হয়ে এমন অসংগতিপুর্ন প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে তাদের ধারণা। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, আমার বোনের মামলায় এস আই শামিম হোসেন তাহলে কিভাবে ঘটনার সত্যতা পেলেন ?। এ ব্যাপারে এসআই সোহাগ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শাহীন উদ্দিন বলেন, যেহেতু দুটি মামলার তদন্ত দুই কর্মকর্তা করেছেন। যে যা তদন্ত করে পেয়েছেন তাই রিপোর্ট দিয়েছেন। যদি বাদীর আপত্তি থাকে তাহলে আদালতে নারাজি দিলে নতুন করে তদন্ত হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষক কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

    মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষক কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

    আনোয়ার হোসেন,

    নেছারাবাদ (উপজেলা) প্রতিনিধি

    পিরোজপুর নেছারাবাদের ব্যাসকাঠী পাটিকেলবাড়ী নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষক কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কুদ্দুস শিকদারের বিরুদ্ধে।

    সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদ্রাসার লাইব্রেরীতে এই ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উক্ত দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শাখার সহকারী শিক্ষক রেশমা আক্তার।

    সরেজমিনে জানা যায়, তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির আয়-ব্যয়ের হিসাব, নিয়োগ সংক্রান্ত ঘুষ বাণিজ্যের লেনদেন, সর্বশেষ নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজন শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না দেয়ার দাবিতে কুদ্দুস শিকদারের নেতৃত্বে স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসায় ঢুকে একাধিক শিক্ষকদের লাঞ্ছনা হেনস্থার এ ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    অভিযোগসূত্রে জানা যায়, নেছারাবাদ উপজেলার ব্যাসকাঠি পাটিকেলবাড়ি নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার ইফতেদায় শাখার লাইব্রেরীতে গত ১০ সেপ্টেম্বর দুপুরে এলাকার সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস শিকদারের নেতৃত্বে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন লোক আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে প্রবেশ করেন। এবং মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের উপর চড়াও হয়। তারা উত্তেজিতভাবে অতীতের সকল নিয়োগের জন্য টাকা পয়সা দাবি করে এবং চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী মোঃ রহমত হোসেনকে মারতে উদ্ধত হয়। এ অবস্থায় মাদ্রাসায় এক ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং ছাত্র শিক্ষকের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তখন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান কুদ্দুস শিকদারের ছেলে শাকিল শিকদার সহকারী শিক্ষক রেশমা আক্তারকে চর থাপ্পড় মেরে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগাজ, তুই-তোকারি ও মানহানিকর শব্দ উচ্চারণ করে।

    লাঞ্ছিত হওয়া কাম-কম্পিউটার শিক্ষক মোঃ রহমত হোসেন বলেন, আমি প্রতিদিনের ন্যায় অফিসে বসে কাজ করছিলাম। হঠাৎ লাইব্রেরীতে ঢুকে আমাকে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করতে থাকেন। আমি স্বাভাবিকভাবেই তাদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলাম। কিন্তু স্থানীয় যুবক শাকিল শিকদার আমাকে স্কুলে না আসার জন্য হুমকি দেয় এবং পরবর্তীতে যেন হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না দেই তার জন্য নিষেধ করেন।

    সহকারী শিক্ষিকা রেশমা আক্তার জানান, আমি দুই বছর আগে সকল নিয়মকানুন মেনেই এই মাদ্রাসায় নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছি। স্থানীয় কুদ্দুস শিকদারের দাবি ওই সময়ের আমি সহ তিনজনের নিয়োগে অর্থনৈতিক লেনদেন হয়েছে। আমাদের কাছ থেকে জোর করে নিয়োগের সময় টাকা দেবার স্বীকারোক্তি আদায় করার চেষ্টা করে। সেই কারণে বারবার আমরা কোন টাকা দিয়েছি কিনা জিজ্ঞেস করছিল। তখন টাকার কথা অস্বীকার করায় আমার সাথে অন্যায় আচরণ সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়েছিল।

    এবিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান কুদ্দুস সিকদারের মুঠোফোনে কল দিলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে ঐদিন তার সঙ্গে থাকা ছেলে শাকিল শিকদার জানায়, আমরা মাদ্রাসায় গিয়ে বিগত বছরের মাদ্রাসার হিসেব চেয়েছিলাম। সম্প্রতি পাঁচ লক্ষ টাকার বরাদ্দের হিসাব চেয়েছিলাম। এবং সভাপতি বলেছিলো মঙ্গলবারের মধ্যে হিসেব দিবে কিন্তু দেয়নি। সর্বশেষ নিয়োগপ্রাপ্ত ৩জন কত টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছে এটা জিগ্যেস করেছিলাম। তবে কাউকে হুমকি ধামকি বা লাঞ্চিত করা হয়নি।

    মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রফিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের অভিযোগ সর্বশেষ তিনজন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেন হয়েছে। আমার জানামতে এই মাদ্রাসায় নিয়োগ সম্পূর্ণ বিধি মোতাবেক হয়েছে এবং কোন ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন হয়নি। স্থানীয়রা নিয়োগপ্রাপ্তদের কাছে জোর করে টাকা দেওয়ার স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করছিলেন। এ বিষয়ে মাদ্রাসার বর্তমান সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের কাছে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট সকলে জিগ্যেস করেছিলাম তারা জানালো নিয়ম কানুন মেনেই নিয়োগ হয়েছিল। মাদ্রাসায় গিয়ে ঝামেলা না করে অভিযোগকারীরা আমার কাছে একটা লিখিত দিতে পারতো। মাদ্রাসায় গিয়ে ঝামেলা করা ঠিক হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • জীবননগর পৌর বিএনপির সাথে জীবননগর পৌর ছাত্রদলের মত-বিনিময় সভা

    জীবননগর পৌর বিএনপির সাথে জীবননগর পৌর ছাত্রদলের মত-বিনিময় সভা

    আল আমিন মোল্লা,
    জীবননগর অফিস।

    শনিবার জীবননগর পৌর বিএনপির সাথে জীবননগর পৌর ছাত্রদলের মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসী কর্তৃক ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ চুরি ডাকাতি ও সংখ্যালঘুদের উপরে আক্রমণের প্রতিবাদে মত বিনিময় সভা করেন।

    সভাপতিত্ব করেন পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক কিরন হাসনাত রাসেল ও সঞ্চালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য ও পৌর ছাত্রদল নেতা মো: তৌফিকুজ্জামান শ্রাবণ

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাজান কবীর
    পৌর বিএনপির সহ সভাপতি তাজুল ইসলাম পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফি উদ্দীন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির ইকবাল ঠান্ডু পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাজান আলাী।

  • চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মহসিন, সদস্য সচিব মীর জাকের

    চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মহসিন, সদস্য সচিব মীর জাকের

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ৮ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আংশিক আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। 
    জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেনের যৌথ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। 

    নবগঠিত আংশিক আহবায়ক কমিটিতে স্থান পেয়েছে বোয়ালখালীর মহসিন চৌধুরী রানা। সালাউদ্দিন সুমনকে সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক করে আরো ৫ জনকে করা হয়েছে যুগ্ম আহবায়ক। তারা হলেন সফিউল করিম সফি, হাজী নজরুল ইসলাম, আবদুল করিম, মাহবুবুল আলম পারভেজ ও আরিফুল ইসলাম। পটিয়ার মীর জাকের আহমেদকে কারা হয়েছে সদস্য সচিব।

  • লালমনিরহাটে ১০০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার এক

    লালমনিরহাটে ১০০বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার এক

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাট জেলার গোয়েন্দা শাখার বিশেষ অভিযানে চালিয়ে ১০০বোতল মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল ও একটি পাওয়ারটিলার ডালা সংযুক্ত সহ ০১জন কে গ্রেফতার করেন গোয়েন্দা পুলিশ।

    জেলা পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম, দিকনির্দেশনায় গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, এর নেতৃত্বে এস আই নিজাম উদ দৌলা, ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ জেলার আদিতমারী থানাধীন কমলাবাড়ী উনিয়নের কদমতলা বাজার হইতে ৩০০গজ পৃর্বে দুড়াকুটি টু শিয়াল খাওয়া গামী পাকা রাস্তার উপর একটি পাওয়ারটিলারের ডালার স্টিলের পাতের নিচে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত ১০০বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন ও পাওয়ারটিলার সহ মিজানুর রহমান (১৭ বছর ০৪ মাস), নামের এক জনকে গ্রেফতার করেন। এ বিষয়ে আদিতমারী থানায় একটি মামলা রুজু হয়।

    লালমনিরহাট গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার আদিতমারী থানাধীন কমলাবাড়ী উনিয়নের কদমতলা বাজার পৃর্বে দুড়াকুটি টু শিয়াল খাওয়া গামী পাকা রাস্তায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও একটি পাওয়ারটিলার সহ এক জনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা শাখার পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২

    নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
    নওগাঁ সদর উপজেলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার কুমুরিয়া গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
    আটককৃতরা হলেন, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার ছোটখাটামারী গ্রামের মো. হানিফ আলীর ছেলে মাহবুবুর রহমান (৩০) ও নওগাঁ সদর উপজেলার কীর্তিপুর গ্রামের বাবু হোসেনের ছেলে সম্রাট হোসেন (২৮)।

    রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নওগাঁ সদর উপজেলার কুমুরিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মাহবুবুর রহমান ও সম্রাটকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় নওগাঁ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করে রোববার দুপুরে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    আব্দুল মজিদ মল্লিক
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

  • ৫ আগস্ট এর পর থেকে দেশে কোথাও কোন সংখ্যালঘু নির্যাতনের নাটক হয়নি পঞ্চগড়ে  মামুনুল হক 

    ৫ আগস্ট এর পর থেকে দেশে কোথাও কোন সংখ্যালঘু নির্যাতনের নাটক হয়নি পঞ্চগড়ে  মামুনুল হক 

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় 

    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে কোথাও কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতনের নাটক হয়নি। আসলে দেশে কখনই সংখ্যালঘু নির্যাতনের আসল ঘটনা হতো না। যেটা হতো সেটার নাম হলো নাটক। এই নাটকের কলাকৌশলী হলো শেখ হাসিনা এবং তার দোসরেরা।

    তিনি রোববার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পঞ্চগড় জেলা শাখার আয়োজিত নৈরাজ্য প্রতিরোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণসমাবেশে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।

    এসময় তিনি বলেন, শেখ হাসিনার রাজনীতি দুটি মূলনীতির উপর। প্রথম রাজনৈতিক দর্শন ছিল প্রতিশোধের রাজনীতি। ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ সাল বাংলাদেশের মানুষ যে বাকশালের দ্বারা নিপীড়িত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেয়ে বেশী যুবকের প্রাণহানি হয়েছে ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত।

    তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে আমার মায়ের সন্তানদের হত্যা করেছিল পাক হানাদার বাহিনীরা। ৭১ থেকে ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আমার ত্রিশ হাজার মায়ের বুক এবং কোল খালি করেছে বাকশালীরা। এবং এই বাকশাল ছিল শেখ হাসিনার বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের বাকশাল। সেই বাকশালের হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে সংঘঠিত হয়েছিল ৭৫ এর ১৫ আগস্ট। সেখানে নারী পুরুষ শিশু হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিল। সেটার জন্য আমরা সমবেদনা জানাই কিন্তু কথা হল ৭৫ এর ১৫ আগস্ট কেন তৈরি হয়েছিল, কেন ৩০ হাজার মায়ের কোল খালি হয়েছিল, কেন সিকদারগনকে হত্যা করা হয়েছিল। কেন স্বাধীন বাংলাদেশে এভাবে ক্রসফায়ারের অশুভ সংস্কৃতি চালু করে, কষ্ট যন্ত্রের নিপীড়নে সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই প্রশ্নের কোন উত্তর না দিয়ে ৫০ বছর মায়া কান্না করে গেলেন। কেন আপনার ভাইয়ের রক্তের দাম আছে, এদেশের ৩০ হাজার ভাই বোনের রক্তের দাম আপনার কাছে না থাকলে, এদেশের মানুষেরও কাছে আপনার বাব ভাইয়ের রক্তেরও কোন দাম নাই। এরপরে যেটা করলেন, শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তিনি বললেন। যে জাতি তার বাবাকে হত্যা করেছে, তিনি সেই জাতির কাছ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন। তারপর ঘোষণা দিয়ে নামলেন প্রতিশোধের রাজনীতিতে।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত শেখ হাসিনার ৫০ বছরের রাজনীতি ছিল প্রতিশোধের রাজনীতি।

    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি মীর মোর্শেদ তুহিনের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব জালালুদ্দিন, মাহবুবুল হক, সদস্য সচিব আবু সাইদ নোমান, বায়তুল মাল সম্পাদক ফজলুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর পঞ্চগড় জেলা শাখার আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক ক্বারী মো আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

  • রাজশাহীতে গু*লি করা সেই যুবলীগ নেতা রুবেল রিমান্ডে

    রাজশাহীতে গু*লি করা সেই যুবলীগ নেতা রুবেল রিমান্ডে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে দুই হাতে দুই পিস্তল নিয়ে গুলিবর্ষণকারী যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম রুবেলের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। রোববার দুপুরে রাজশাহীর মেট্টোপলিটন আদালত-১ -এর বিচারক ফয়সাল তারেক এ আদেশ দেন।

    বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, রুবেলকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিজ্ঞ বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড মুঞ্জুর করে।

    এর আগে শুক্রবার কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রুবেলকে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাব। শনিবার রাতে তাকে রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় সৌপদ করা হয়। তাকে দুইটি হত্যাসহ চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানান ওসি।

    ৫ আগস্ট দুপুরে রাজশাহীর আলুপট্টি এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালায় রুবেলসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। ওইদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারায় ২ শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় রুবেলসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে এরই মধ্যে হত্যাসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইটি হত্যাসহ ১৪টি মামলায় আসামী রয়েছে রুবেল।

    রুবেল রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সদস্য। সিটি করপোরেশনের ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থীও ছিলেন তিনি। তার বাড়ি নগরের চন্ডিপুর এলাকায়।

    নিজ এলাকা ছাড়াও নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকায় রুবেলের দুর্ধর্ষ ক্যাডার বাহিনী ও শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট রয়েছে। এই ক্যাডার বাহিনীর মাধ্যমেই জমি দখল, মাদক, জুয়া, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। হাফ ডজন মামলার আসামি হয়েও ২০২৩ সালে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হলফনামায় তথ্য গোপন করে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।