Author: desk

  • গোপালগঞ্জের কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে বড়দিন পালিত

    গোপালগঞ্জের কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে বড়দিন পালিত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আনন্দ মুখর পরিবেশে গোপালগঞ্জে খ্রিস্টান ধর্মলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব “বড়দিন” পালিত হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন চার্চে প্রার্থনার মধ্যদিয়ে শুরু হয় বড়দিন। এই দিনটিকে ঘিরে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে প্রার্থনা, আলোচনা সভা’সহ নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে বড়দিন পালন করা হয়।

    এই ধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট ২৫ ডিসেম্বর বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেন। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা এ দিনটিকে ‘শুভ বড়দিন’ হিসেবে উদযাপন করে থাকেন। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ বিশ্বাস করেন, সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচারের মাধ্যমে মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতেই প্রভু যিশুর পৃথিবীতে আগমন ঘটেছিলো।

    এ সময় কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের পালক রেভারেন্ড পংকজ মন্ডলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘের সহ-সভাপতি মিস্টার উইলিয়াম ঢালী। বিশেষ অতিথি হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার দেবনাথ, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবির, মুকসুদপুর থানা অফিসার্স ইনচার্জ(ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, আঞ্চলিক ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ সংঘের সহ-সভাপতি জেমস হেবল বাড়ৈ, চার্জের কোষাধাক্ষ অশোক বৈরাগী, পরিচালক মার্ক সিকদার,কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে সম্পাদক জ্যাকব বৈদ্য সহ সম্পাদক ও জলিলপাড় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইলিয়াকিম কুন্দার, চার্চ সেবক কমিটির সভাপতি মোহনলাল বৈরাগী, কলিগ্রাম ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের সাবেক পালক প্রমঞ্জন বালা সহ এলাকার খ্রিস্টান ধর্মালম্বী শিশু যুবক, বৃদ্ধসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার নবাগত (UNO) এর সঙ্গে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার নবাগত (UNO) এর সঙ্গে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি:

    নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান খাঁন, উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
    তিনি বলেন নলডাঙ্গার উন্নয়ন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি দ্বায়িত্ব পালন করবেন। সবার সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি দক্ষ, সেবা-মুখী, স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তোলা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নলডাঙ্গা থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি হাসিব উদ্দিন, সহ-সভাপতি সত্যেন কুমার দাস,
    সাধারন সম্পাদক এ,কে,এম,খোরশেদ আলম এলটু, যুগ্ন-সম্পাদক ইফতেকারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, অর্থ-সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ রবিন, দপ্তর সম্পাদক মজনুর রহমান এবং নলডাঙ্গা থানা প্রেসক্লাবের সদস্য মধু প্রাং প্রমুখ।

  • নলডাঙ্গায় ইউশা ডেন্টাল কেয়ারের শুভ উদ্বোধন

    নলডাঙ্গায় ইউশা ডেন্টাল কেয়ারের শুভ উদ্বোধন

    এ,কে,এম, খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি :

    নাটোরের নলডাঙ্গায় আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসা সেবার লক্ষ্যে ইউশা ডেন্টাল কেয়ার–এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নলডাঙ্গা পৌর বাজারস্থ ডাঃ ইয়াছিন আলী সুপার মার্কেটের ২য় তলায় ফিতা কেটে ইউশা ডেন্টাল কেয়ারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

    ডেন্টাল কেয়ারে চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন ডাঃ রবিউল ইসলাম (বিডিএস), বিসিএস (স্বাস্থ্য), যিনি বর্তমানে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ডেন্টাল সার্জন হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি জানান, প্রতি শুক্রবার তিনি ইউশা ডেন্টাল কেয়ারে নিয়মিত রোগী দেখবেন।

    এছাড়াও প্রতিষ্ঠানে একজন ডিপ্লোমা চিকিৎসক নিয়মিতভাবে ডেন্টাল চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নলডাঙ্গা থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি হাসিব উদ্দিন, সহ-সভাপতি সত্যেন কুমার দাস,
    সাধারন সম্পাদক এ,কে,এম,খোরশেদ আলম এলটু, যুগ্ন-সম্পাদক ইফতেকারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, অর্থ-সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ রবিন, দপ্তর সম্পাদক মজনুর রহমান এবং নলডাঙ্গা থানা প্রেসক্লাবের সদস্য মধু প্রাং প্রমুখ।

  • সলঙ্গার রাস্তায় রাস্তায় শীতের পিঠা

    সলঙ্গার রাস্তায় রাস্তায় শীতের পিঠা

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    চলছে পৌষ মাস।শুরু হয়েছে প্রচন্ড শীত।হাড় কাঁপানো উত্তরের হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।তাই তো সলঙ্গা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থান,রাস্তার মোড়,অলিতে-গলিতে দেখা মিলছে মৌসুমী পিঠা বিক্রেতাদের।পিঠাপ্রেমী,কর্মজীবিরা কিনে খাচ্ছেন ভাপা আর চিতই পিঠা।আবার কেউ কেউ প্রিয়জনদের জন্য কিনে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন।প্রতি বছরের চেয়ে এবারে পিঠার দাম একটু বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।আগের মত ৫ টাকার কোন পিঠা আর পাওয়া যায় না।বিক্রেতারা বলছেন,সব কিছুর দাম এখন বেড়েই চলেছে।তাই ১০ টাকার নিচে এখন আর বিক্রির সুযোগ নাই।সিরাজগঞ্জ রোড সিদ্দিকিয়া মার্কেটের সামনে কথা হয় পিঠা বিক্রেতা বিধবা জরিনার সাথে।সে জানায়,প্রতিবছর শীতের সময় আমি এখানে পিঠা বিক্রি করে থাকি।খরচ বাদে যা লাভ হয় তা দিয়েই আমি খুশি।সিআরবিসি রেব অফিসের সামনে পিঠা বিক্রেতা রাজিয়া জানায়,প্রতিদিন ৫/৭ কেজি গুড়ার পিঠা বিক্রি করছি।শীত বাড়লে আরও বেশি গুড়ার পিঠা বিক্রি করতে পারবো।সলঙ্গা থানা সদর ডিম হাটা যেতেই দেখা মেলে আরেকটি পিঠার দোকানী।সে বলে,শীতের সময়ে বিকেল হতে গভীর রাত পর্যন্ত সিদ্ধ ডিম বিক্রি করি আর প্রতিদিন ভোরে ভাপা পিঠা বিক্রি করে সংসার চালাই।সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজ চৌরাস্তা মোড়ে অস্থায়ী পিঠা বিক্রেতা রেজাউল করিম জানায়,শীতের সময় প্রতি বছরই আমি এখানে পিঠা বিক্রি করে থাকি।ভাপা পিঠা,চিতই,ঝাল চিতই,কুসুল্লী পিঠা,তেলের পিঠার কদর এখানে বেশি।আমার এখানে চিতই পিঠার সাথে মরিচ ভর্তা,শুটকি ভর্তা,ধনিয়া পাতা,সরিষা বাটাসহ ৬/৭ ধরনের ভর্তা ফ্রি দিয়ে থাকি।মজা করে পিঠা খেতে খেতে কথা হয় জাহিদ,তুষার,রাজু নামের ক্রেতাদের সাথে।তারা জানায়,শীতের সন্ধ্যায় বন্ধুদের নিয়ে একসাথে বসে পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদা।তাই তো সবাই বসে বসে মজা করে শীতের পিঠা খাচ্ছি।শীত এলে সলঙ্গা থানা সদরসহ থানার বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থান,হাট-বাজার ও রাস্তার মোড়ে ভাপা পিঠার দোকান ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

  • ঝালকাঠির একমাত্র খ্রিস্টান পল্লীতে বড়দিনের উৎসব চলছে নানা আয়োজনে

    ঝালকাঠির একমাত্র খ্রিস্টান পল্লীতে বড়দিনের উৎসব চলছে নানা আয়োজনে

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    আজ ২৫ ডিসেম্বর খ্রিস্টানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। এ উপলক্ষে ঝালকাঠির একমাত্র খ্রিস্টান পল্লী নলছিটি উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের রাজবাড়িয়া গ্রামে থাকা খ্রিস্টান পরিবারগুলোতে বইছে উৎসবের আমেজ। রঙিন আলোতে হয়েছে সাজসজ্জা। রাজবাড়িয়া গ্রামের ৩০টি পরিবার নিয়ে গড়ে উঠেছে এ খ্রিষ্টান পল্লী। জানা গেছে, দুইশত বছর বা তার আগে পর্তুগীজ শাসন আমলে এ অঞ্চলে খ্রিষ্টানরা বসতি স্থাপন করে। বংশ পরস্পরায় যুগে যুগে বসতি স্থাপন করে থেকে গেছেন অনেকে। বর্তমান এ পল্লীর জনসংখ্যা প্রায় ৪০০ জন।

    বড় দিনের সকাল থেকে অতিথিদের আপ্যায়ন করতে কোন রকমের ত্রুটি না রাখতে ঘরে ঘরে তৈরি হয়েছে রকমারি পিঠাপুলি। পল্লীর সামনে সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি ও গোসালয়। সব মিলিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বাড়তি উচ্ছাস ।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় বড়দিন উপলক্ষ্যে জেলার একমাত্র খিস্ট চার্চে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে যান ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো.মমিন উদ্দিন, পুলিশ সুপার মো.মিজানুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.জোবায়ের হাবিব,সহকারী কমিশনার রিজবি আহমেদ সবুজসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।এসময় চার্চের ফাদার আন্তানী সুশান্ত গোমেজকে সাথে নিয়ে বড়দিনের কেক কাটেন অতিথিরা। পরে অতিথিরা খিস্টান পল্লীর বাসিন্দাদের সাথে কুশল বিনিময় করে এক সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তব্য রাখেন।এসময় জেলা প্রশাসক খিস্টান পল্লীর বাসিন্দাদের সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দেন।

    অন্যদিকে পল্লীর একমাত্র গির্জাকে সাজানো হয়েছে দৃষ্টিনদন ঝলমলে আলোকসজ্জায়। গির্জার অভ্যন্তরে দৃষ্টিনন্দন ভাবে ডিসপ্লে করা হয়েছে যিশুখ্রিস্টের প্রতিছবি। প্রার্থনা করতে আসা পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় নিযুক্ত আছে বিশেষ ভলানটিয়ার টিম।

    এ পল্লীর বড়দিন উৎসব পালনের অন্যতম আয়োজক পলাশ রবিন গোমেজ জানান, নবরাজ খ্রিস্টকে গ্রহন করত বড়দিনের ৯ দিন আগ থেকে পল্লীতে নভেনা খিস্ট্র যোগ বা পাপস্বীকার পর্ব হয়েছে। পরে ঘরে ঘরে নাচে গানে পরিবেশন করা হয়েছে নগরকৃৃর্ত্তণ বা যিশুর বার্তা।

    বড়দিনের সকালে ঘরে ঘরে এবং শিশু বৃদ্ধা সকলের জন্য থাকছে উৎসবের নাস্তা, কেক কাটা এবং অতিথি আপ্যায়ন। বড়দিন উপলক্ষে বিকালে গির্জায় এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উৎসব নিরবিছিন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুল আলম।

  • আজ খ্রীষ্টিয়ান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব  “শুভ বড়দিন”

    আজ খ্রীষ্টিয়ান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব “শুভ বড়দিন”

    বান্দরবান (থানচি) প্রতিনিধি:মথি ত্রিপুরা।

    সারাবিশ্বের খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব ২৫ শে ডিসেম্বর শুভ বড়দিন।
    এই যীশুর জন্মদিন বড়দিন উপলক্ষে রামদু পাড়ার দুর্গম এলাকায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা আনন্দ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপন করেছেন। আরও এলাকায় বিভিন্ন গ্রামেও এই উৎসব উদযাপন করে থাকে। সকাল থেকেই এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।
    বড়দিন উপলক্ষে স্থানীয় গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা, ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন এবং সামাজিক মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। দুর্গম এলাকা হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন স্থান থেকে ধর্মাবলম্বীরা এই উৎসবে অংশ নেন।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক ধর্মীয় নেতা বলেন, “শুভ বড়দিন আমাদের ভালোবাসা, শান্তি ও মানবতার শিক্ষা দেয়। এই উৎসবের মাধ্যমে আমরা পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করি।”
    বড়দিনের সব আয়োজনের রয়েছে গান,নাচ,পিঠার উৎসব ইত্যাদি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এই উৎসব এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

  • বগুড়ায় দ্যা ব্রিলিয়ান্টস্ ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    বগুড়ায় দ্যা ব্রিলিয়ান্টস্ ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    মিজানুর রহমান মিলন,
    বগুড়া জেলা প্রতিনিধি :

    বগুড়ায় দ্যা ব্রিলিয়ান্টস্ ফাউন্ডেশনের ২০২৫ সালের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টা হতে ১ টা পর্যন্ত চলা পরিক্ষায় জেলার ৬ টি উপজেলার ১০ টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এই বৃত্তি পরীক্ষা।

    কেন্দ্রগুলো হলো সোনাতলা ফাজিল মাদ্রাসা, সুখানপুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,সারিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,গাবতলী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,সুখানপুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,খোট্রাপাড়া সিদ্দিকিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা,,আড়িয়া রহিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়,রানীর হাট উচ্চ বিদ্যালয়,সামিট স্কুল এন্ড কলেজ,ছোনকা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়,ধুনট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ,।এতে ৫ম শ্রেণী হতে নবম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ৪৯৯৩ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেন।

    পরিক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন দ্যা ব্রিলিয়ান্টস্ ফাউন্ডেশনের মহা-পরিচালক জোবায়ের আহম্মেদ,পরিচালক শাহরিয়ার হাসান বিপ্লব,সাবেক মহা পরিচালক সাইয়্যেদুল আলম,আব্দুর রাজ্জাক,ফিরোজ আহম্মেদ ,সাবেক পরিচালক আতাউর রহমান,সদস্য সচিব তৌফিকুল তাকী,রেজিষ্টার মানিক মিয়া,পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক রাকিবুল ইসলাম রবিন,কোষাধ্যক্ষ তালিবুল হাবিব, সার্কুলেশন লুৎফর রহমান, ,কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুস সোবাহান প্রমুখ।

    মহা- পরিচালক জোবায়ের আহম্মেদ বলেন,দ্যা ব্রিলিয়ান্ট ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই বৃত্তি পরীক্ষা কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়—এটি মেধা অন্বেষণ, স্বপ্ন গঠনের প্রথম সোপান।একটি জাতির প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে শিক্ষার ওপর। আর শিক্ষা তখনই অর্থবহ হয়, যখন মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থীরা যথাযথ সুযোগ পায়। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই দ্যা ব্রিলিয়ান্ট ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। দ্যা ব্রিলিয়ান্ট ফাউন্ডেশন আগামীতেও শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাবে। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের আলোকিত বাংলাদেশ—এই স্বপ্ন নিয়েই আমাদের পথচলা।

  • চট্টগ্রাম–১৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলহাজ্ব এজাজ আহম্মেদ চৌধুরী আরজু

    চট্টগ্রাম–১৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলহাজ্ব এজাজ আহম্মেদ চৌধুরী আরজু

    শহিদুল ইসলাম,

    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    তৃণমূল থেকে উঠে আসা পরীক্ষিত সংগঠককে ঘিরে মাঠে আলোচনার ঝড়,চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও তৃণমূলের পরীক্ষিত সংগঠক আলহাজ্ব এজাজ আহম্মেদ চৌধুরী আরজু। সম্প্রতি তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততার কারণে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের খবরে চট্টগ্রাম–১৪ আসনে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তাকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

    দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি পেশাজীবী ও সংগঠক হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য এবং চট্টগ্রাম মহানগর মৎস্যজীবী দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার নেতৃত্বে মৎস্যজীবী জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে একাধিক আন্দোলন-সংগ্রাম সংগঠিত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    পারিবারিকভাবেও তিনি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐতিহ্যের ধারক। তাঁর পিতা আলহাজ্ব আহমদ ছৈয়দ চৌধুরীর বৈলতলী ইউনিয়নের টানা ৭ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যন ছিলেন।তাঁর পিতা বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সমিতির সহ – সভাপতি। আলহাজ্ব আলহাজ্ব এজাজ আহম্মেদ চৌধুরী আরজু বৈলতলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট জমিদার আলহাজ্ব আজিজুর রহমান চৌধুরীর দৌহিত্র । রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি এলাকায় একজন সহজ-সরল, বিনয়ী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।

    মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর প্রতিক্রিয়ায় আলহাজ্ব এজাজ আহম্মেদ চৌধুরী আরজু বলেন“ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অবিচল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণাই আমাকে আজ এ পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমি যদি দলীয় মনোনয়ন পাই, তাহলে চট্টগ্রাম–১৪ আসনের মানুষের অধিকার, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে সর্বশক্তি নিয়োগ করব।”

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম–১৪ আসনের সর্বস্তরের জনগণের কাছে তিনি দোয়া, আশীর্বাদ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

  • পঞ্চগড় ডিবি পুলিশ কর্তৃক চার হাজার আটশত পিচ ইয়া-বাসহ ১ জন মাদক কারবা-রিকে গ্রে-ফতার

    পঞ্চগড় ডিবি পুলিশ কর্তৃক চার হাজার আটশত পিচ ইয়া-বাসহ ১ জন মাদক কারবা-রিকে গ্রে-ফতার

     মোঃ বাবুল পঞ্চগড় প্রতিনিধি  :

    পঞ্চগড় জেলা পুলিশ সুপার  মোঃ রবিউল ইসলাম  নির্দেশে পঞ্চগড় জেলা পুলিশের নিয়মিত মাদক উদ্ধার ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এর এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আবু হোসেন এর নেতৃত্বে একটি চৌকস  টিম ২৪/১২/২০২৫ তারিখ বিকাল ১৫.৩০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, একজন মাদক কারবারি এস.এ পরিবহনের কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আসা মাদকের চালান পঞ্চগড় পৌরসভাস্থ ইসলামবাগ এস.এ কুরিয়ার সার্ভিস কার্যালয় হতে রিসিভ করবে। উক্ত গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার, পঞ্চগড়  নির্দেশনায় তাৎক্ষনিক ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম এস.এ কুরিয়ার সার্ভিসের আশেপাশে গোপনে অবস্থান নেয়। গোয়েন্দা তথ্য মোতাবেক পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আবুল কালাম (৪৫) পিতা-মোঃ আবুল হাতেম সাং-সেনপাড়া, আরাজি, গাইঘাটা, থানা-বোদা জেলা-পঞ্চগড় কৌশলে একটি সাদা ব্যাগসহ কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয় হতে পায়ে হেঁটে বের হলে ডিবি পুলিশের টিম তাকে হেফাজতে নেয়। ডিবি পুলিশ উক্ত মাদক কারবারির সাথে থাকা সাদা ব্যাগটি ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের সম্মুখে তল্লাশি করে ব্যাগটিতে থাকা খাকি রংয়ের কাগজের তৈরি একটি কার্টুন উদ্ধার করে। উক্ত কার্টুনটি খুলে বিশেষ কায়দায় সাদা রংয়ের সিলিকন রাবারের প্যাকেটে কসটেপ দিয়ে মোড়ানো তিনটি প্যাকেটে মোট ৩০টি নীল রং এর ছোট পলিথিনের প্যাকেটে সর্বমোট-৪৮০০ (চার হাজার আটশত) পিচ নেশা জাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। যার অবৈধ বাজার মূল্য মোট-১৯,২০,০০০ (ঊনিশ লক্ষ বিশ হাজার) টাকা।

    ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। প্রকাশ থাকে যে, ধৃত মাদক কারবারির বিরুদ্ধে ০২টি মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)  মোঃ ফরহাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব মোঃ শইমী ইমতিয়াজ,  ডিআইও-১,সহ গোয়েন্দা শাখার অফিসার ও ফোর্স।

    পঞ্চগড় জেলা পুলিশ মাদক নির্মূলে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে এবং সামনে আরো এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। জেলা পুলিশ পঞ্চগড় মাদক সেবন ও এর বিস্তাররোধে এবং মাদক কারবারী বন্ধে বদ্ধপরিকর। পঞ্চগড় জেলা পুলিশ কে মাদক সহ অন্যান্য অপরাধ সংক্রান্তে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন।

  • পঞ্চগড়ে  বিশেষ ট্রেনে কা-টা পড়ে যুবক নিহ-ত

    পঞ্চগড়ে  বিশেষ ট্রেনে কা-টা পড়ে যুবক নিহ-ত

     পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী ভাড়ায় নেওয়া বিশেষ ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে আখিরুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের টেংগনবাড়ি এলাকায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আখিরুল ইসলাম ধাক্কামারা ইউনিয়নের মাগুড়া শিপাইপাড়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন মাইক্রোবাসচালক ছিলেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আখিরুল ইসলাম সপরিবারে আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। তিনি নিজেই মাইক্রোবাস চালাচ্ছিলেন। টেংগনবাড়ি এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় মাইক্রোবাসটি লাইনের সঙ্গে আটকে যায়। পরে তিনি গাড়ি থেকে নেমে পেছন দিক থেকে ধাক্কা দিয়ে গাড়িটি সরানোর চেষ্টা করেন। এতে মাইক্রোবাসটি রেললাইন পার হতে সক্ষম হলেও আখিরুল নিজে পার হতে পারেননি। ঠিক সেই সময় পঞ্চগড় থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বিশেষ ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে ঢাকায় আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে দলীয় নেতাকর্মীদের বহনের জন্য ওই বিশেষ ট্রেনটি ভাড়া করা হয়েছিল। ট্রেনটি পঞ্চগড় স্টেশন থেকে রাত ৮ টা ১০ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘটনাস্থলে কোনো রেলক্রসিং বা গেটম্যান না থাকায় ট্রেন চলাচলের সময় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ বা সতর্ক করার কেউ থাকে না। এই অব্যবস্থাপনাই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে তারা মনে করছেন।

    এদিকে একই রাতে রাত ৯টা ১০ মিনিটে পঞ্চগড় রেলস্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একতা এক্সপ্রেস ট্রেন টেংগনমারি এলাকায় পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রেনটির গতিরোধ করে এবং লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রেনটি পেছনে সরিয়ে পুনরায় পঞ্চগড় রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এনে রাখা হয়।

    পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার জাহিদুর ইসলাম জানান, সন্ধ্যা ৮টার দিকে পঞ্চগড় স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ ট্রেন ছেড়ে যায়। স্টেশন ছাড়ার কিছুক্ষণ পরেই টেংগনবাড়ি এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে রাত ৯টা ১০ মিনিটে একতা এক্সপ্রেস ট্রেন ছেড়ে কিছুদূর যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতার বাধার মুখে পড়ে সেটিকে আবার স্টেশনে ফিরিয়ে আনা হয়।