Author: desk

  • পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

    পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর পেট্রোবাংলার স্বৈরাচারী ও দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকারকে অপসারনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময় তারা গ্যাস সরবরাহের চুরির অংশ সিস্টেম লসের নামে অন্যায়ভাবে জিটিসিএলের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত জরুরি ভিত্তিতে বাতিলের দাবি জানান।

    গতকাল বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সলঙ্গার জিটিসিএল হাটিকুমরুল আঞ্চলিক পেট্রোবাংলা কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে তারা এ দাবি জানান।

    মানববন্ধনে এসএম হুমায়ন কবির সহ:ব্যবস্থাপক বলেন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তের কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিড পরিচালনাকারী রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা জিটিসিএল বৈষম্যের কশাঘাতে ধ্বংসের মুখোমুখি।

    আতিকুর রহমান সহ:কর্মকর্তা বলেন,জনেন্দ্র নাথ সরকার অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ উদ্যোগে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কারিগরি ও সিস্টেম লসের নামে গ্যাস চুরির দায় বেশির ভাগ জিটিসিএলের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন। ফলে আর্থিক লাভে থাকা কোম্পানিটি বিপুল ক্ষতিতে পড়েছে।

    এই ক্ষতির ধারা অব্যাহত থাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান জিটিসিএল আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

    মানববন্ধনে কর্মকর্তারা আরও বলেন, পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না থাকায় কোম্পানির সঞ্চালন পাইপলাইনগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় ব্যবহৃত হচ্ছে না।

    পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের অতি উৎসাহ এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত প্রকল্প গ্রহণের ফলে প্রতিষ্ঠানটি লসে জর্জরিত। এ ছাড়া অপ্রয়োজনীয়, অপরিকল্পিত প্রকল্প গ্রহণ বন্ধ করাসহ বৈষম্যমূলক অর্গানোগ্রাম দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে আন্ত: ক্যাডার বৈষম্য দূর করে কোম্পানিতে সুষ্ঠ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

  • ঝিনাইদহে ৮ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২৩ জনের  বিরুদ্ধে দুই শিবির কর্মী হ*ত্যা মামলা

    ঝিনাইদহে ৮ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুই শিবির কর্মী হ*ত্যা মামলা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে শিবির নেতা আবুজর গিফারী ও শামীম হোসেনকে বিচার বর্হিভুত হত্যার দায়ে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। বুধবার দুপুরে কালীগঞ্জ আমলী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবুজার গিফারীর পিতা নুর ইসলাম ১১ জনকে আসামী করে ও শামীম হোসেনের পিতা রুহুল আমিন বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দুইটি করেন। মামলা দুইটি আমলে নিয়ে কালীগঞ্জ আমলী আদালতের বিচারক রোমানা আফরোজ সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে এজাহারভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। পৃথক দুই মামলার আসামী হলেন, ঝিনাইদহের সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন, কালীগঞ্জ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা আনোয়ার হোসেন, সাবেক এসআই নিরব হোসেন, সাবেক এসআই আশরাফুল আলম, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ, সাবেক এসআই নাসির হোসেন, সাবেক এসআই আব্দুল গাফ্ফার, সাবেক এসআই ইমরান হোসেন, পৌরসভার সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বিজু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী, সাবেক এমপি আনারের একান্ত সচিব আব্দুর রউফ, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, আলী হোসেন অপু, মহিদুল ইসলাম মন্টু ও চাপালী গ্রামের রাব্বি। মামলা সুত্রে জানা গেছে শিবির কর্মী আবুজার গিফারীকে ২০১৬ সালের ১৮ মার্চ জুম্মার নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে চাপালী লস্কারপাড়া থেকে সাদা পোশাকধারীরা জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। একই বছরের ১৩ এপ্রিল অপহরণের ২৫ দিন পর যশোর সদরের লাউখালি গ্রামের একটি শ্মশানঘাট এলাকা থেকে গিফারীর গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। এদিকে শামীম হত্যা মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালের ২৪ মার্চ বিকেল ৫ টার দিকে শহরের মাহতাব উদ্দিন কলেজ এলাকা থেকে পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী চার ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে যায়। এরপর অপহরণের ১৮ দিন পর ১৩ এপ্রিল যশোর সদরের লাউখালি গ্রামে শ্মশানঘাট এলাকা থেকে তার গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। দুই মামলার বাদী নুর ইসলাম ও আব্দুর রশিদ বিশ^াস বলেন, তাদের সন্দান হত্যার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলার আবেদন করা হলে আদালত মামলা দুইটি আমলে নিয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে লিপিবদ্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদ।

  • ইউএনওর সাথে কালকিনি মডেল প্রেসক্লাব এর ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়

    ইউএনওর সাথে কালকিনি মডেল প্রেসক্লাব এর ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়

    মো:মিজানুর রহমান,কালকিনি প্রতিনিধি:
    মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার দাশ এর সাথে নবগঠিত কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এ শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। এরপর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তাদের সাথে নবগঠিত কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবের সকল সদস্যরা শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
    শুভেচ্ছা বিনিময়ে নবগঠিত কমিটির পক্ষে সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান হাকিমসহ উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি মাসুদ আহমেদ কাইয়ুম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রকিবুজ্জামান,সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদ,অর্থ সম্পাদক রাজীব আহমেদ,দপ্তর সম্পাদক ইসতিয়াক, প্রচার সম্পাদক রোমান বেপারী, সমাজসেবা সম্পাদক মেহেদী হাসান মাসুম, কার্যকারী সদস্য রনি আহমেদ নিপুল,কার্যকারী সদস্য আজাদ, শামীন ওসমান, ইমরান হোসেন ইমন প্রমুখ।
    শুভেচ্ছা বিনিময় কালে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার দাশ বলেন, সাংবাদিকরা হলো সমাজের দর্পণ আপনাদের লেখনির মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরেন। আমরা চাই আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন যাতে আমরা সমাজের বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতি নির্মূল করতে সক্ষম হই। আমি আপনাদের নবগঠিত কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবের সকল সদস্যদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই এবং নবগঠিত প্রেসক্লাবের উত্তর উত্তর সাফল্য কামনা করছি।
    উল্লেখ্য জনকল্যাণে সাংবাদিকতা এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মাদারীপুরের কালকিনিতে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত কালকিনি মডেল প্রেসক্লাব এর পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। গত (১০ সেপ্টেম্বর ২৪ ইং) মঙ্গলবার বিকেলে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন একাডেমী হলরুমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা ও পরিচিতি সভার মধ্য দিয়ে কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু করে।

  • অবশেষে  শিক্ষক কনিকা মুখার্জির অলিখিত সাদা কাগজে সই দিয়ে পদত্যাগ

    অবশেষে শিক্ষক কনিকা মুখার্জির অলিখিত সাদা কাগজে সই দিয়ে পদত্যাগ

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ অবশেষে গৌরনদীর বহুল আলোচিত ও সমালোচিত সিনিয়র শিক্ষক কনিকা মুখার্জি অলিখিত সাদা কাগজে সু- কৌশল অবলম্বন করে সই- স্বাক্ষর দিয়ে পদত্যাগ পত্র কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়ার রহস্য বেরিয়ে আসায় শিক্ষার্থী ও স্হানীয় সচেতন মহলের মাঝে চরম ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ লক্ষ করা গেছে।

    আর এর রহস্য উদঘাটনে ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ১০ টায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের টেবিলে স্হানীয় সচেতন মহলের ভীর লক্ষ করেছেন গণমাধ্যম কর্মি।

    ঘটনাটি ঘটেছে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সরিকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞানের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক কনিকা মুখার্জির বেলায়।

    সুত্রমতে, স্হানীয় ও ওই বিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত একাধিক শিক্ষার্থীরা জানায়, নবব শ্রেনীতে ক্লাশ নিতে গিয়ে কনিকা মুখার্জি এক ছাত্রকে ক্লাশে বিদ্যাশিক্ষায় অমনোযোগী দেখতে পেয়ে আবু ছাইয়েদের মত সন্ত্রাস হবে নাকি এমন কটুক্তি করেছেন শিক্ষক কনিকা মুখার্জি।

    তার এই অপ্রসাঙ্গিক রাষ্ট্র বিরোধী কথায় শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারি ধারাবাহিকতায় তৎখনাত শ্রেনী কক্ষ বর্জন করে বাহিরে অবস্থান নেন ওই বিদ্যালয়ের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থীরা।

    এ ঘটনা ছরিয়ে পরলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত সাপেক্ষ শিক্ষক কনিকা মুখার্জি দুষি প্রমানিত হলেে প্রয়োজনিয় ব্যাবস্হা নিবেন বলে শিক্ষার্থীদের আস্বস্হ করে উত্তপ্ত পরিবেশকে শান্ত করেন।

    তারি ধারাবাহিকতায় ১৬ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিদ্যালয় প্রবেশে শিক্ষার্থীদের সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ কালে শিক্ষিকা কনিকা মুখার্জির পদত্যাগের বিষয় উঠে আসলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষার্থীদের মাঝে আইনি প্রকৃয়ার কথা তুলে ধরে সাময়িক সময় লাগার কথা বলেন, উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ক্লাশ বর্জন করে শিক্ষিকা কনিকা মুখার্জির দ্রুত পদত্যাগে বিক্ষোভে ফেটে পরেন শিক্ষার্থীরা। এমনটিই জানিয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহীম।

    অবশেষে স্কুল কর্তৃ পক্ষ কোন উপাঅন্ত না পেয়ে জরুরী ভিত্তিতে কনিকা মুখার্জিকে বিদ্যালয় হাজির করে তার পদত্যাগের বিষয় তুলে ধরেন সরিকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ফারুখ হোসেন মোল্লা সহ সংশ্লিষ্টরা।

    তারি ধারাবাহিকতায় শিক্ষিকা কনিকা মুখার্জি ১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ২০২৪ ইং ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহীমের হাতে সম্পুর্ন অলেখিত সাদা কাগজে’ পদত্যাগ করিলাম ‘ লিখে সই স্বাক্ষর করেন শিক্ষক কনিকা মুখার্জি।

    ওই পদত্যাগ পত্রের কার্যকারিতা সম্পর্কে স্হানীয় সচেতন মহল ও সংবাদকর্মিরা জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক ইব্রাহীম বলেন, এটা কতোটুকু যৌক্তিক হবে উর্ধতন কর্তীপক্ষই ভাল বলতে পারবেন। বিষয়টি আমার উর্ধতন কর্তীপক্ষকে জানানো হয়েছে দেখা যাক কি ব্যাবস্হা নেন তারা।

    অপরদিকে গৌরনদী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে পদত্যাগ পত্রের বিষয় ফোনে কথা হলে শিক্ষা অফিসার আবদুল জলিল বলেন, পদত্যাগ পত্র এখনো হাতে এসে পৌছায় নাই তবে হাতে পেলে বলা যাবে কি ভাবে পদত্যাগ পত্র লিখেছেন, দেখে প্রয়োজনিয় ব্যাবস্হা নেয়া হবে।

  • রাজাপুরে আলোকিত সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংস্থার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    রাজাপুরে আলোকিত সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংস্থার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলায় আলোকিত সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংস্থার আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজাপুর সরকারি কলেজ চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ বৃক্ষরোপন এর মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু হয়। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজাপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ শামসুল আলম বাবুল, প্রভাষক মোঃ মতিউর রহমান খান বাদল ৷ এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আলোকিত সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংস্থার সহ-সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান মুরাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাসুদ সিকদার, কার্য নির্বাহী সদস্য মোঃ শাকিল মাহমুদ মুন্না, মোঃ ইয়াছিন সিকদার, সদস্য বায়েজীদ, মোঃ আল মামুন খান প্রমুখ। এর পরে দুপুরে রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নে বড়ইয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ বৃক্ষরোপন করা হয়। এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়ইয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক জলিলুর রহমান, সহকারী শিক্ষক বিপুল চন্দ্র, সহকারী শিক্ষক মন্জুরা, ফারজানা আক্তার। উপস্তিত ছিলেন আলোকিত সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংস্থার সহ সভাপতি আবির আহমেদ রানা সহ সংস্থার সদস্যরা।

    এ বিষয়ে সংস্থার সহ-সভাপতি আবির আহমেদ রানা ও মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, আলোকিত সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংস্থার আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে, এই কর্মসূচি চলমান থাকবে।

  • নিসচা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার পক্ষ থেকে রাউজানের নতুন ওসি’কে ফুলেল শুভেচ্ছা

    নিসচা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার পক্ষ থেকে রাউজানের নতুন ওসি’কে ফুলেল শুভেচ্ছা

    নিজস্ব প্রতিনিধি।। রাউজানের নতুন ওসি মীর মাহাবুবুর রহমান কে ফুলেল শুভেচ্ছা যানিয়েছে নিরাপদ সড়ক চাই চট্টগ্রাম উত্তর শাখার সদস্যরা। তিনি শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাউজান থানায় যোগদান করেন।

    ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে রাউজান উপজেলার নতুন ওসি’র সাথে ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন নিয়ে আলোচনা করেন নিসচা চট্টগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক জয় দাশ গুপ্ত তিনি বলেন, ২২ অক্টোবর ২০২৪ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন উপলক্ষে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছি। আমাদের উদ্দেশ্য সড়ককে নিরাপদ গড়ে তোলা। রাউজানে বিভিন্ন স্থানে রাস্তার উপর সিএনজি অটোরিকশা,বাস, ট্রাক ও প্রাইভেট কার পার্কিং করে রাখা হয় যার কারণে সড়কর যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং কিছু কিছু স্থানে দেখা যায় সড়কের ব্যস্ততম রাস্তায় পাশাপাশি দুই লাইন করেও গাড়ী রাখা হয়।যার কারণে সড়কে পথচারী,যাত্রী ও এম্বুলেন্স যাতায়াতে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি আরো বলেন,সড়কে শৃঙ্খলা আনায়ন ও যানজট নিরসনে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আমরা আশা করছি রাউজান থানার নবনিযুক্ত ওসি মীর মাহাবুবুর রহমান এই বিষয় গুলো মাথাই রেখে রাউজানকে সড়ক দূর্ঘটনা মুক্ত গড়ে তুলবেন।

    নবনিযুক্ত ওসি বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা আনায়ন ও যানজট নিরসনে নিসচা সদস্যদের পাশে আমরা আছি এবং থাকবো।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, নিসচা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার আহ্বায়ক জয় দাশ গুপ্ত কার্যকরি সদস্য অন্তর দাশ, সৌরভ দাশ,তৌহিদুল, ইমরান,পার্থ প্রমুখ।

  • সুন্দরবনের উপকূলীয় বাগেরহাটের নয় উপজেলায় আখের বাম্পার ফলন, চাষিরমুখে হাসির ঝিলিক

    সুন্দরবনের উপকূলীয় বাগেরহাটের নয় উপজেলায় আখের বাম্পার ফলন, চাষিরমুখে হাসির ঝিলিক

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:-বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় শস্যভাণ্ডার নামে খ্যাত উর্বর ভূমি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ সহ নয়টি উপজেলায় চলতি মৌসুমে আখের বাম্পার ফলন খরচ কম ও অল্প পরিশ্রমে অধিক ফলন ফলন বেশি দামে বিক্রি করতে পেরে কৃষকের মূখে হাসির ঝিলিক । বাগেরহাট জেলায় ৯ উপজেলায় আখ চাষ করে চাষিরা ব্যাপক ফলন পাওয়ায় তাদের মাঝে আখ চাষের আবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে নতুন চাষিরাও আগ্রহী হয়ে উঠছে। জেলার মাটি এটেল দোআঁশ হওয়ায় এ মাটিতে আখ চাষে গত কয়েক বছরের মত এবারো সফলতা আশা করছেন চাষিরা। তবে ধান, পাট ও অন্যান্য ফসলের আবাদে খরচ বেশি হওয়ার আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন আখের ক্ষেতে ৪১ ও ৪২ জাতের আখ বেশি চাষ হচ্ছে। দিন দিন আখ চাষে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে যে আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে যে এ ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে লক্ষ্যমাত্রা দিন দিন অতিক্রম করবে।

    জানা গেছে, এখন আখের ভরা মৌসুম। গরম কিংবা শীত যেকোনো ঋতুতেই পাওয়া যায় আখ। আর এই আখ বাংলাদেশে চিনি উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল। আখের রস হালকা থেকে গাঢ় সবুজ বর্ণের মিষ্টি তরল পানীয়। আখ বা আখের রস হলো প্রাকৃতিক মিনারেল ওয়াটার যা আমাদের শুধু তৃষ্ণা নিবারণ করে না বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। আখ চাষে সাত থেকে আট মাসের মধ্যে বাজারজাত করা যায় এবং ফলনও পাওয়া যায় বলে আখ চাষ করে অনেক কৃষক স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

    সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছে আখ কাটতে। সারি সারি ভ্যান দাড়িয়ে আছে এ আখ নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখান থেকে আখ স্থানীয় বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা এসে নিয়ে যায়। বাগেরহাট কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৯টি উপজেলার মোরেলগঞ্জ চিতলমারী মোল্লাহাট ফকিরহাট মংলা রামপাল শরনখোলা বাগহাট ও কচুয়ায় ৫ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে আখের আবাদ হয়েছে। ৯ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের নিজ জমিতে আখ চাষ করে চাষিরা আশানুরুপ ফলন পেয়েছে। এতে অনেকেই আধুনিক পদ্ধতিতে ভাল জাতের আখ চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।

    আখ চাষে সার ও কীটনাশক তেমন ব্যবহার করতে হয় না। তবে তিনবার সেচের প্রয়োজন পরে। কম পরিশ্রমে অল্প ব্যয়ে ব্যাপক সফলতা পাওয়ায় জেলায় কৃষকরা আখ চাষে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। ধান ও অন্যান্য ফসলের আবাদে খরচ বেশি হওয়ার কারণে আখ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা। বাংলা মাসের আশ্বিন মাসেই নতুন করে আখচাষ করা হয়। প্রথমে জমির মাটি ১ ফুট গর্ত করে পাশে তিনফুট পাশে রেখে মাটির সাথে বিভিন্ন সার মিশিয়ে ভালোমত চেলে আখের চারা রোপণ করা হয়। প্রায় ১ বছর মাঝামাঝি আখ বিক্রির উপযুক্ত হয়।

    বাগেরহাটের কৃষকরা এ বছর হলুদ রং এর আখ, চিবিয়ে খাওয়া আখ, টেনাই, অমৃত জাতের আখের আবাদ করেছেন। এছাড়াও আখের পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমের শাখ সবজি চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। তবে বাগেরহাট জেলায় নেই আখ চাষীদের জন্য কোন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। নেই আখ চাষিদের জন্য কোন প্রকল্প। ধান ও পাটসহ অন্যান্য ফসল আবাদ করে লাভবান না হওয়ায় আগ্রহ হারাচ্ছে বর্তমান বাগেরহাট জেলার আখের ন্যায্য মূল্য দিয়ে কৃষকদের মুখে হাঁসি ফোটাবে, দেশ হবে স্বনির্ভর এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

    আখচাষি শহিদুল. আজমির. আব্দুস সত্তার. জাকির হোসেন জানান, এ বৎসর আখের ফলন ভাল হয়েছে, সে তার ২ একর জমিতে হলুদ বর্নের গ্যান্ডারি চাষ করে লাভবান হয়েছেন।আখচাষি আমির হোসেন বলেন, তিনি এবছর ২৪ শতাংশ জমিতে আখের চাষ করেছেন। এতে করে তার খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা।মোরেলগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, আমরা সব সময় মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দিয়ে থাকি।

    আমাদের আখ চাষিদের সব সময় খোঁজ খবর রাখছি। চাষিদের গাছে কখনও কোন সমস্যা বা রোগব্যাধি দেখা দিলে, দ্রুত আমরা মাঠে এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। মোরেলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি সভাপতি এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির জানান, আখ চাষিদের কে সার, বীজ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করে কৃষি বিভাগ। বিভিন্ন সীড কোম্পানি পক্ষ থেকে মাঝে মধ্যে সার ও বীজ দিয়ে গরীব কৃষকদের সহযোগিতা করতে হবে।মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, উপজেলার যেসব এলাকায় আখ চাষ বেশি হচ্ছে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উদ্যোগে ওই এলাকার আখচাষিদের আখ লাগানো থেকে শুরু করে উঠানো পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে ধাপে সার প্রয়োগ ও রোগ বালাই নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাগেরহাটের উপ-পরিচালক শঙ্কর কুমার মজুমদার জানান, আমরা সব সময় কৃষকদের উচ্চমূল্য সম্পন্ন ফসল চাষে উৎসাহ প্রদান করি।এজন্য কারিগরি সহযোগিতাসহ বিভিন্ন পরামর্শও দেওয়া হয়। এই কারণে জেলায় দিন দিন মৌসুমী আখ চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    বর্তমানে প্রায় ৬শ চাষি৬০ হেক্টর জমিতে আখ চাষ করছেন। ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা।

  • গ্রেটার ফ্লেমিংগো পাখির ছেড়ে দিল

    গ্রেটার ফ্লেমিংগো পাখির ছেড়ে দিল

     

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে দেখা মিলেছে ভিনদেশি গ্রেটার ফ্লেমিংগো পাখির। সোমবার সকালে দেবীগঞ্জ পৌর সদরের ময়নামতির চরে পাখিটিকে অবমুক্ত করা হয়। এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর ভোরে ধলা মিয়া নামে স্থানীয় এক জেলে করতোয়া নদী থেকে পাখিটি উদ্ধার করেন।

    ফ্লেমিংগো পাখিটির উজ্জ্বল গোলাপি রঙের পালক রয়েছে। পা দুটি লম্বা এবং ঠোঁটটি লম্বা গোলাপি রঙের। পাখিটির ঘাড় ইংরেজি ‘এস’ অক্ষরের মতো। এ ছাড়া পাখিটির উচ্চতা ৩০ ইঞ্চির মতো এবং ওজন পৌনে দুই কেজির মতো। পাখিটি মূলত আফ্রিকা, দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপ এবং দক্ষিণ এশিয়ার জলাভূমি অঞ্চলে পাওয়া যায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর ভোরে করতোয়া নদীতে মাছ মারতে যান ধলা মিয়া নামে স্থানীয় এক জেলে। এসময় ফ্লেমিংগো পাখিকে বক মনে করে নদী থেকে ধরে বাসায় নিয়ে আসেন তিনি। পরে যখন জানতে পারেন এটি বক নয় অন্য কোনো পাখি। তখন তিনি শখ করে পাখিটিকে বাসায় পুষতে থাকেন।

    পরে ফ্লেমিংগো পাখিটি নিয়ে লালন সরকার নামে স্থানীয় এক তার ফেসবুক পেজে ভিডিও প্রকাশ করলে মুহূর্তেই এই বিদেশি পাখি উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসী ধলা মিয়ার বাসায় বিদেশি পাখিটি দেখতে ভিড় জমায়। পাখিটি সুস্থ হলে সকালে নদীর ধারে পাখিটি ছেড়ে দেন উদ্ধারকারী ধোলা মিয়া।

    এ বিষয়ে ফ্লেমিংগো উদ্ধারকারী ধলা মিয়া বলেন, ময়নামতির চর সংলগ্ন করতোয়া নদীতে মাছ ধরার সময় পাখিটি পাই। এই কয়েক দিন পাখিটিকে নিয়মিত মাছসহ অন্যান্য খাবার খাইয়ে সুস্থ করি। তবে আমি জানতাম না যে এটা বিদেশি পাখি, তাই পাখিটি সুস্থ হলে ছেড়ে দেই

    এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাদের কালবেলাকে বলেন, ফ্লেমিংগো পাখি উদ্ধারের খবর পেয়ে আমাদের একটি টিম সেই জেলের বাসায় যায়। তবে উদ্ধারকারী জেলে পাখিটি ছেড়ে দেন।

  • সেনবাগে উপজেলা জাতীয় পার্টির প্রয়াত নেতাদের স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত

    সেনবাগে উপজেলা জাতীয় পার্টির প্রয়াত নেতাদের স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী) –
    নোয়াখালীর সেনবাগে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মরহুম এম তালেবুজ্জামান ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ সভাপতি মরহুম আবদুল কুদ্দুস স্মরণে শোকসভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    ১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে সেনবাগ পৌর শহরের জেলা পরিষদ মার্কেটে পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি মোহাম্মদ হারুনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফখর উদ্দিনের পরিচালনায অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন পৌর জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ সভাপতি জামাল উদ্দিন টিটু,উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর হোসেন মিরু, উপজেলা জাতীয় পার্টির প্রচার সম্পাদক মোঃ বাহার উল্যা,জাতীয় পাটির নেতা মিয়া মোঃ শাহাদাত হোসেন জুয়েল, ৬নং ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সেক্রেটারি মোঃ সফি উল্যা,কাবিলপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টি নেতা ওজি উল্যা,পৌর জাতীয় পার্টি সহ সভাপতি বাবু পুর ওয়ার্ডের সভাপতি তাজুল ইসলাম, পৌর জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ৪নং কাদরা ওয়ার্ডের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল,জাতীয় ছাত্র সমাজের সেনবাগ উপজেলার সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম,জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির উপজেলা আহ্বায়ক মোঃ আজাদ।
    বক্তব্যরা জাতীয় পার্টি সদ্য প্রয়াত নেতাদের স্মৃতি চারন করে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।মোনাজাত পরিচালনা করেন ক্বারি আবুল ফাত্তাহ মোঃ ফয়সাল। অলোচনা সভা শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্যেদিয়ে সভার কার্যক্রম শেষ হয়।

  • এতোদিন শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্রের প্রতিহত করেছি এখন অদৃশ্য ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবিলা করতে হবে- গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

    এতোদিন শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্রের প্রতিহত করেছি এখন অদৃশ্য ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবিলা করতে হবে- গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:-
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য যতোটুকু সময় প্রয়োজন এবং সেজন্য যেসব সংস্কার পদক্ষেপ নিতে হবে, সে পর্যন্ত অন্তর্বতীকালীন সরকারকে বিএনপি সমর্থন দেবে। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের জন্য বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ১৬ বছর ধরে আন্দোলন করেছে। তাকে ১৬ দিনের হিসেবে বিচার করলে চলবে না। সরকারের পতন হয়েছে, কিন্তু এখনো গণতন্ত্র ফেরত পাই নাই। ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট নিজের হাতে না দেয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরে যাবো না। এতোদিন শেখ হাসিনার ফ্যাসিষ্ট দোসরদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছি। এখন অদৃশ্য ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবেলা করতে বিএনপি নেতাকর্মী-সমর্থকরা প্রস্তুত।
    বিশ্ব গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ঘোষিত র‌্যালিপুর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
    বিএনপি ও তারেক রহমান সম্পর্কে দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা-বার্তা না বলার হুশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, আমাদেরকে বিরোধী দলে ঠেলে দেবেন না। উস্কানীমূলক মন্তব্য করলে দলের নেতাকর্মীরা চুপ করে বসে থাকবে না। সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার না করার কঠোর সমালোচনা করে সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আপনাদের নামের মামলাগুলো তো প্রত্যাহার করে নিলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধের মামলাগুলো কেনো এতোদিনে প্রত্যাহার করে নিলেন না। গত ১৬ বছরে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পতন আন্দোলনে কি আমরা রক্ত দেইনি? আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী খুন হয়েছে, গুম হয়েছে। বৈষম্যহীন সংস্কারের নামে নতুন করে বৈষ্যমের সৃষ্টি করবেন না। আইন উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে সারাদেশের বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
    বিএনপি’র বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন, জনপ্রশাসন উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার সূক্ষ্মভাবে আওয়ামী দোসরদের দিয়ে প্রশাসন সাজাচ্ছেন। এর ফল ভালো হবে না। শেখ হাসিনার স্বৈরচারী দোসরদের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ফলকে ধুলিসাৎ করে নতুন করে বৈষম্য সৃষ্টি করে গণহত্যাকারীদের ফিরে আসার পথ সুগম করছেন।
    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের গেল ১৬ বছরে খুলনার খালিশপুরে বন্ধ সকল পাটকল চালুর উদ্যোগ নিতে হবে। আওয়ামী স্বৈরাচার ও তাদের দোসরদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিএনপি’র সর্বস্তরের নেতাকর্মী-সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- যেনো স্বৈরাচারের প্রেত্মারা দেশে ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড ও গণহত্যা চালাতে না পারে।
    ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি বাহাদুর ব্যাপারীর পোষ্য ক্যাডার দুর্নীতিবাজ শেখ হাসিনার দোসর খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়েছেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
    নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপি’র জাতীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, সংগ্রাম কিন্তু শেষ হয়নি, সকল ষড়যন্ত্রের বিষ দাঁত উপড়ে ফেলতে হবে। ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সমর্থন করি, এই সরকারের ব্যর্থতা মানে বাংলাদেশের ব্যর্থতা। এই সরকারকে দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার গঠনের দিকে পদক্ষেপ নিতে আহবান জানিয়েছেন।
    নগরীর শিববাড়ী মোড়স্থ জিয়া হলের সম্মুখে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শিববাড়ী মোড় থেকে লোয়ার যশোর (খান এ সবুর) রোড হয়ে পাওয়ার হাউজ মোড়, ফেরীঘাট মোড়, ডাকবাংলো মোড়, পিকচার প্যালেস মোড় হয়ে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দান, খুলনা জিলা স্কুলের সামনে ঘুরে কে.ডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে যেয়ে শেষ হয়। দুপুর গড়াতেই বিভাগের ১০ জেলার বিভিন্ন ইউনিট থেকে আসা বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী-সমর্থকদের মিছিলে মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠে খুলনা মহানগরী।
    খুলনা মহানগর বিএনপি’র আহবায়ক এড. এসএম শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ডুর সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অন্যান্যের বক্তৃতা করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবীব, খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন প্রমুখ। দুপুর থেকেই মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশাত্ববোধক গান, বিপ্লবী সঙ্গীত পরিবেশন জাসাস খুলনা জেলা ও মহানগর শাখার নেতাকর্মীরা। শুরুতেই জাতীয় সঙ্গীত ও দলীয় সঙ্গীতের পূর্বে কোরআন তেলোয়াত করেন হাফেজ মোঃ জাহিদুল ইসলাম। র‌্যালিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যূত্থানে শহীদদের ছবি সম্বলিত প্লাকার্ড ছিল চোখে পড়ার মতো।।