Author: desk

  • পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় মানববন্ধন করেছেন শিক্ষকরা

    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় মানববন্ধন করেছেন শিক্ষকরা

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী
    ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় মানববন্ধন করেছেন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা।  

    বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রাথমিক বিভাগে সহকারী শিক্ষকরা এখন পর্যন্ত তৃতীয় শ্রেণি পদমর্যাদা সম্পন্ন ১৩তম গ্রেডে রয়েছেন। জাতী গঠনে শিক্ষার প্রথম স্তরে শিশুদের শিক্ষা দিচ্ছেন এ বিভাগের শিক্ষকরা। কঠোর পরিশ্রম করেও তারা তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর মর্যাদায় রয়েছেন। যা ১০ম গ্রেডে উন্নীত করণ সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। তাই ১৩তম গ্রেড পরিবর্তন করে ১০তম গ্রেড দিতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি জানান শিক্ষকরা।  

    এ সময় বক্তব্য রাখেন, সহকারী শিক্ষক লিমন আনসারী, ইসমাইল হোসেন , গাজী শফিকুল ইসলাম , লাভলী ইয়াসমিন প্রমুখ ।

  • সাগর -রুনি হত্যার বিচারের দাবীতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের মানববন্ধন

    সাগর -রুনি হত্যার বিচারের দাবীতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের মানববন্ধন

    শহিদুল ইসলাম,

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত রিপোর্ট শতাধিক বার পিছানো ও হত্যাকাণ্ডের মুল আসামিদের অদ্যাবধি আইনের আওতায় না আনায় ক্ষোভ জানিয়ে মানববন্ধনের আয়োজন করে বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যে।
    ১৯ সেপ্টেম্বর রোজ (বৃহস্পতিবার) বিকাল চারটায় সময় চট্টগ্রামের জামাল খান প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের সমন্বয়ক সাংবাদিক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন লিটন ও শফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায়
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অফ কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক সদস্য, চট্টগ্রাম এডিটরস ক্লাব প্রধান উপদেষ্টা, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য সর্বজন শ্রদ্ধেয় মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত,
    মানব মানববন্ধনটিতে সভাপতিত্ব করেন, আরিয়ান লেনিন সমন্বয়ক বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্য।
    এতে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান কামাল পারভেজ, দৈনিক কমার্শিয়াল পত্রিকার সম্পাদক সুজিত কুমার দাস, নিউজ গার্ডেন’র সম্পাদক কামরুল হুদা, কিরণ শর্মা সভাপতি রিপোর্ট ইউনিটি, এম আলী হোসেন সহ-সভাপতি চট্টগ্রাম এডিটরস ক্লাব ও সম্পাদক সাপ্তাহিক পূর্ব বাংলা, দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার ব্যুরো প্রধান এস এম পিন্টু, শিব্বির আহমেদ ওসমান বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্য’র সমন্বয়ক ও সভাপতি চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম, বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের সমন্বয়ক ইসমাইল ইমন ব্যুরো চীফ দৈনিক আজকের বাংলা,মো. রফিকুল ইসলাম সিনিয়র রিপোর্টার দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার, মো. মাসুদ পারভেজ সিএইচডি নিউজ ইনচার্জ, হুমায়ুন করিব ব্যুরো প্রধান মাই টিভি, শহিদুল ইসলাম ব্যুরো প্রধান স্বাধীন সংবাদ , এম আর তাওহীদ সম্পাদক কর্ণফুলী টেলিভিশন, ইমতিয়াজ ফারুক, দৈনিক একুশে সংবাদ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি এম এ আজিজ কিরণ, জাতীয় দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শহিদুল ইসলাম,দৈনিক সমাজ সংবাদ পত্রিকার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ,শেখ আহমেদ, দৈনিক চট্টগ্রাম সংবাদের প্রকাশকের সম্পাদক হান্নান রহিম তালুকদার,ফৌজুল আজাদ চৌধুরী, এম আলী হাসান, শহীদুল ইসলাম খোকনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মানববন্ধনে প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, বিগত স্বৈরাচারের ১৫ বছরে সংবাদ মাধ্যম লুটেরা – লুম্পেন- খুনী ও স্বৈরচারের দোসরদের হাতে অবরুদ্ধ ছিল মুক্ত-বুদ্ধি ও চিন্তার বিকাশ বাধাগ্রস্ত ছিলো। নীতি জ্ঞান শূন্য একশ্রেণীর সম্পাদক – সাংবাদিক ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট ভোগ করার কুৎসিত প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে শত শত কোটি টাকা,প্লট,ফ্ল্যাট, গাড়ি -বাড়ি,বিদেশী দুতাবাসে চাকুরী নেয়া সহ সুবিধা ভোগ করেছে, স্বৈরাচারী সরকারের বন্দনা গেয়ে চলেছিল। অথচ সৎ, নির্ভীক ন্যায়পরায়ণ সাংবাদিকরা বছরের পর বছর কষ্টের জীবন কাটিয়েছেন। বক্তারা বলেন, মূলধারা ও সিনিয়র সাংবাদিক পরিচয়দানকারীরা দীর্ঘদিন হত্যার বিচারের দাবিতে নিরব থাকলেও বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিকদের সচেতন সাংবাদিকরা এই বিষয়ে সব সময় সোচ্চার ছিল। অনতিবিলম্বে সাগর -রুনি সহ হত্যাকাণ্ডের শিকার সকল সাংবাদিক হত্যার বিচার ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা ও পূণর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাপ্তাহিক অগ্রযাত্রা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, দৈনিক গণকণ্ঠের ব্যুরো প্রধান আবু হেনা খোকন, পিআইবি ৭১’র প্রকাশক ও সম্পাদক বিল্লাল হোসেন,সাইফুর রহমান সাইফুল, সাংবাদিক শাহিন আহমেদ, শাহরিয়ার সুমন ,মোহাম্মদ আবুল কাশেম, শাহরিয়ার রিপন,আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ ভূঁইয়া, জহিরুল ইসলাম বাবলু,গিয়াস উদ্দিন টিটু ,আরাফাত চৌধুরী, মোহাম্মদ রফিক ফরাজি, হেলাল উদ্দিন, ইফতেখার হোসেন শামীম,আজম খান, সাইফুল, এম এ নাঈম, মো. আফসার উদ্দিন, মো. আজাদ ও মাই টিভির ক্যামেরাম্যান মামুন প্রমুখ।

  • আত্রাইয়ে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ

    আত্রাইয়ে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার আয়োজনে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
    উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন এর সভাপতিত্বে ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্চিতা বিশ্বাস।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার এসএম নাছির উদ্দিন, আত্রাই থানা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও করতোয়ার সাংবাদিক মুজাহিদ খাঁন, সদস্য ও নয়া দিগন্তের উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ রুহুল আমিন প্রমুখ।

    আব্দুল মজিদ মল্লিক
    আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি।

  • সুনামগঞ্জে সহিংসতা মামলায় আটক সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

    সুনামগঞ্জে সহিংসতা মামলায় আটক সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

    কে এম শহিদুল্লাহ,
    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।।
    সুনামগঞ্জে আইন শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধের(দ্রুত বিচার) মামলায় আওয়ামীলীগ সরকারের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানকে গ্রেপ্তার করে রাতে পুলিশী হেফাজতে রাখা হয়েছিল।
    শুক্রবার সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার ফারহান সাদিকের আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক বাদিপক্ষের শোনানী শেষে তার জামিন না মঞ্জর করে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ প্রদান করেন।
    গতকাল ১৯ সেপ্টেম্বর(রোজ বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে ১০টায় সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপারের নির্দেশে পুলিশের একটি দল শান্তিগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে মান্নানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ সদর থানায় নিয়ে আসা হয় এবং রাতে তিনি পুলিশ হেফাজতে ছিলেন। সুনামগঞ্জ-৩(শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) আসন থেকে চার বার এমপি নিার্বচিত হন এম এ মান্নান । বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তিনি দুইবার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ।
    উল্লেখ্য গত ৪ আগষ্ট সুনামগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনের সময় ছাত্রজনতার সাথে আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ ও পুলিশের চুর্তরমুখী সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউপির এরোয়াখাই গ্রামের নাজির আহমদের ছেলে জহুর আলী নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ জহুর আলী বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসাপতালে চিকিৎসাধীন থাকলে ও তার বড়ভাই হাফিজ আহমদ গত ২ সেপ্টেম্বর বাদি হয়ে আইন শৃংখলা বিঘ্নকারী(দ্রুুত বিচার) আদালত সুনামগঞ্জ জোনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল হুদা মুকুটকে প্রধান এবং সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানকে ২নং আসামী করে এবং ৯৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলায় বাকি আসামীরা হলেন, সাবেক এমপি মহিবুর রহমান মানিক,সাবেক এমপি এড. রনজিৎ চন্দ্র সরকার,জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নোমান বখত পলিন,সাবেক পৌরসভার মেয়র নাদের বখত,জেলা যুবলীগের আহবায়ক খায়রুল হুদা চপল,রেজাউল করিম শামীমসাবেক এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন,মোঃ সালেক মিয়া,জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি,সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস,সাবেক ওসি খালেদ চৌধুরী,শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রীর এ পি এস হাসনাত হোসাইন,তার আপন সহোদর মোঃ নুর হোসেন,সদর মডেল থানার উপ পরিদর্শক রিয়াজ আহমেদ,মজ্ঞুর আহমদ খন্দকার,জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শংকর চন্দ্র দাস,রেজাউল আলম নিক্কু,হাজী আবুল কালাম,অমল কান্তি কর ও ছাত্রলীগের সভাপতি দিপংঙ্কর কান্তিদে সহ প্রমুখ।

  • আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও হামলা, থানায় মামলা

    আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও হামলা, থানায় মামলা

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কচাকাটার শৌলমারীতে ‘গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত’ আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে দু’বার জমির ফসল গুড়িয়ে দিয়ে জমি দখল করাসহ দফায় দফায় মারপিটে আহত হয়ে নুর ইসলাম ও তার স্ত্রী মিলি বেগম নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নুর ইসলামের ভাগিনা সুরুজ্জামাল বাদী হয়ে ১৪জনের নাম উল্লেখ করে কচাকাটা থানায় মামলা করেন।

    সরেজমিন ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার কচাকাটা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড শৌলমারী আবাসন এলাকার মৃত মজির উদ্দিন মুন্সীর পুত্র নুর ইসলামের পৈত্রিক-ক্রয়কৃত সম্পত্তি শৌলমারী (ধনিরামপুর) মৌজার ৮৬৮নং খতিয়ানে ৩একর ১শতক বিভিন্ন ফসল চাষ করে ভোগদখল করে আসছে। কচাকাটা ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ডের ‘গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত’ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহর উদ্দিন ও ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছইফুর রহমান আওয়ামীলীগের দাপটে দীর্ঘ আড়াই বছর থেকে উক্ত জমি কয়েকবার জোরপূর্বক জবর দখলের পায়তারা ও পরপর দু’বার দফায় মারপিট করারও অভিযোগ রয়েছে। এদিকে গত (১৩সেপ্টেম্বর) শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় ওই জমি দাবী করে কচাকাটা ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহর উদ্দিন ও ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছইফুর রহমানসহ প্রায় ১৫-২০জন ভূমিদস্যু অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নুর ইসলামের ৪৮শতক জমিতে প্রবেশ করে এবং উক্ত জমির মাস কালাই ফসল পাওয়ার টিলার মেশিন দিয়ে গুড়িয়ে দেয়। এ সময় জমির প্রকৃত মালিক নুর ইসলামের স্ত্রী মিলি বেগম বাঁধা প্রদান করলে তারা তাকে বিপর্যস্ত করে বেদম মারধর করতে থাকে নুর ইসলাম তার স্ত্রী মিলি বেগম কে বাঁচাতে গেলে তাকে বেদম মারধর করে রড় দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় এবং তার পুত্র মিন্টু ও ভাগ্নে সুরুজ্জামাল কেও মারধর করতে থাকে। তাদের আত্ম-চিৎকারে এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে এবং নুর ইসলাম ও তার স্ত্রী মিলি বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাদের নাগেশ্বরী হাসপাতালে ভর্তি করায় এবং বর্তমানে নুর ইসলাম নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এদিনে গত (১৪সেপ্টেম্বর) শনিবার দুপুরে উক্ত ভূমিদস্যু আওয়ামীলীগ নেতা ও তাদের সংঘবদ্ধ চক্র নুর ইসলামের ৪০শতক জমির (মাস কালাই) ফসল পাওয়ার টিলার মেশিন দিয়ে গুড়িয়ে দেয় এবং জমি দখল করে। এ ঘটনায় গত (১৭সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী নুর ইসলামের ভাগিনা সুরুজ্জামাল বাদী হয়ে শাহর উদ্দিন, ছইফুর রহমানসহ ১৪জনের নাম উল্লেখ করে কচাকাটা থানায় একটি মামলা করেন। এদিকে শাহর উদ্দিন, ছইফুর রহমান সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যু চক্ররা নুর ইসলামের অন্য জমি দখল করাসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন।

    শৌলমারী এলাকার সাইবুদ্দিন, আব্দুল খালেক, সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল আউয়াল বলেন, আওয়ামীলীগের দাপটে শাহর উদ্দিন ও ছইফুর রহমান সংঘবদ্ধ চক্ররা শৌলমারী আবাসন প্রকল্পের মালামাল লুটপাট করাসহ দীর্ঘ আড়াই বছর থেকে নুর ইসলামের পৈত্রিক-ক্রয়কৃত সম্পত্তি কয়েকবার জোরপূর্বক জবর দখল ও নুর ইসলামের পরিবার কে মারধরও করে আসছেন। আওয়ামীলীগ নেতাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। বিচারের দাবি জানান।

    ভুক্তভোগী নুর ইসলাম বলেন, আমার পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি ফসল চাষ করে ভোগদখল করছি। আওয়ামীলীগের দাপটে শাহর উদ্দিন ও ছইফুর রহমান সংঘবদ্ধ চক্ররা দীর্ঘ আড়াই বছর থেকে আমার জমি কয়েকবার জোরপূর্বক জবর দখল করাসহ আমাদের দু’বার বেদম মারধর করে। এদিকে গত শুক্রবার সকালে শাহর উদ্দিন, ছইফুর রহমানসহ প্রায় ১৫-২০জন ভূমিদস্যু অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত আমার জমির মাস কালাই ফসল পাওয়ার টিলার মেশিন দিয়ে গুড়িয়ে দেয়। আমার স্ত্রী মিলি বেগম, পুত্র মিন্টু ও ভাগ্নে সুরুজ্জামাল কেও মারধর করে। কচাকাটা থানায় মামলা করায় শাহর উদ্দিন, ছইফুর রহমান সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যু চক্ররা আমার অন্য জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্থ। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চাই।

    ছইফুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে নুর ইসলামের জমির ফসল নষ্ট করে দখল ও মারপিটের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নুর ইসলামের কিছু জমি আমাদের লোকজন বর্গা চাষের জন্য চেয়েছে। না দেয়ার কারণেই তিনি ও তার পরিবার নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন এবং আরো হবেন। আমাদের নামে রিপোর্ট করে কোন লাভ হবে না।

    কচাকাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বিশ্বদেব রায় বলেন, একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছে। আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রুহুল আমীন বলেন, মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। অভিযুক্তরা দ্বিতীয়বার অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ঘটালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ গৃহবধু শিউলির পরিবারের

    বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ গৃহবধু শিউলির পরিবারের

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ বাবুগঞ্জে গৃহবধু আত্ম হত্যা নয়, হত্যা করে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ করেছেন গৃহ বধু শিউলির পিত্রালয়ের পরিবারের লোকজন।

    ঘটনাটি ঘটেছে বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের জাহাপুর গ্রামে। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার গৃহবধূ শিউলির পিত্রালয়ের লোকজন এমন অভিযোগ করেন গনমাধ্যমকে।

    গৃহবধূ বাবুগঞ্জ উপজেলার একই ইউনিয়নের ঠাকুরমুল্লিক গ্রামের রসিদ প্যাদার কন্যা শিউলি আক্তার -৩২। তাকে( শিউলি) গত ৭/৮ বছর পূর্বে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক একই ইউনিয়নের মৃত মোঃ মুনসুর বেপারির পুত্র সেলিম বেপারীর কাছে বিবাহ দেন শিউলির অসহায় পিতা মাতা ও স্বজনেরা।

    সিউলির বিবাহর পুর্বে একাধিক বিবাহ করেন তার স্বামি সেলিম বেপারি তা জেনেও অসহায় পরিবার শিউলিকে বিবাহ দেন সেলিমের কাছে। সতিন ও সন্তানদের অত্যাচারে স্বামীর সংসারে দিন কাটতে হয় নিঃসন্তান শিউলি বেগমের। শিউলির পিতা মোঃ রসিদ প্যাদা ও মাতা নুরজাহান বেগম ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে শিউলির মৃত্যুর সংবাদ শুনতে পেয়ে তার শ্বশুর বাড়িতে যান তারা এবং শিউলিকে ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখে ডাক চিৎকার দিয়ে বলেন, মোর মাইয়া গলায় দরি দিয়া মরে নাই, ওরা মোর মাইয়ার গলায় দরি দিয়া ফ্যানের সাথে ঝুলাইয়া মাইরা ফালাইছে, এই হত্যার কঠিন বিচার চাই ।

    অপর দিকে, শিউলির ফুপু হিরু বেগম, সিউলির ভাই বেল্লাল সহ উপস্থিত শতাধিক স্হানীয় লোকজনের দাবি শিউলি বেগম কোন ভাবেই আত্ম হত্যা করে নাই তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে শিউলির সতিন খালেদা ৪৫ সৎ মেয়ে,রিমঝিম -১৮, পুত্র রোমান বেপারী ৩২ সাহিদা বেগম ৩০ এদেরকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞেসাবা করলেই শিউলি হত্যার আসল রহস্য উদঘাটন হবে বলে বিশ্বাস করেন তারা।

    অপরদিকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ময়না তদন্ত শেষে গতকাল ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার শিউলির পিত্রালয়ের গ্রামের বাড়ি ঠাকুর মুল্লিকে জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্হানে দাফন করা হয়েছে তাকে। এ বিষয় বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ সুত্রে জানাগেছে শিউলি মৃত্যুর ঘটনায় বাবুগঞ্জ থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। তবে পোষ্টমার্টাম রিপোর্ট দেখে পরবর্তি ব্যাবস্হা নেয়া হবে।

    পারিবারিক ও স্হানীয় সুত্রে জানাগেছে শিউলির স্বামী হত্যাকে ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মাধ্যমে এক লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রস্তাবও পাঠিয়েছেন।

    অপরদিকে শিউলি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পরেন উপস্থিত এলাকাবাসী। তাই প্রশাসনের সর্বমহলে শিউলি হত্যা রহস্য উদঘাটন করে দ্রুত অপরাধীদের শাস্তি দাবি জানিয়েছেন শিউলির অসহায় পিতা মাতা সহ এলাকাবাসী।

  • সুন্দরবনের উপকূলে মাছের অভয়ারণ্য  প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে

    সুন্দরবনের উপকূলে মাছের অভয়ারণ্য প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় মৎস্য ভাণ্ডার নামে খ্যাত অভয়ারন্য সহ বিভিন্ন খালে কাকড়া আহরণ ও বিষ দিয়ে চলছে মাছ শিকারের মহাউৎসব। যা গত ৩ মাস নিষিদ্ধে সময়ও চলছিল তা এখন চলছে পুরোদমে। এছাড়া মাছ ও অন্যান্য জলযপ্রানী বিচারনের জন্য বনের কয়েকটি এলাকা সরকার কর্তৃক অভয়ারন্য ঘোষনা করা হলে যাতে ১২ মাসই মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও সেখানে চুক্তিভিত্তিক ধরানো হচ্ছে মাছ ও কাকড়া। সহায়তা করছে বন বিভাগ ও প্রভাবশালী দলের নেতাকর্মীরা। সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ধরার বেশী ঘটনা ঘটছে ৫ আগষ্ট দেশে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের ঘটার পর। তখন থেকেই এ সকল অভয়ান্যে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বনের কোকিল মনি, চড়াপুটিয়া, দোবেকি সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় মোংলা, মোরেলগঞ্জ,শরনখোলা ও দাকোপের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর সহায়তায় বনের বিভিন্ন খালে মাছ ও কাকড়া শিকার চলছে। তাদের এ কাজে বন বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তারাও জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। আর এখান থেকে জাল নৌকা সহ জেলেদের আটক করলেও মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে বনরক্ষীরা। বুধবার গভীর রাতে ১১টি নৌকা সহ প্রায় ৪০ জন জেলেকে আটক করে ছেড়ে দিয়েছে নন্দবালা ফরেষ্ট অফিস বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। তবে নৌকায় নিষিদ্ধ কিছু না থাকায় তাদের জড়িমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানায় নন্দবালার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামানুল কাদের। আর রেঞ্জ কর্মকর্তা কিছুই জানেন না।
    স্থানীয় একাধিক জেলে সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে সুন্দরবনে বিভিন্ন খালে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অবৈধ কিছু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। এসব সিন্ডিকেটের নেতারা বন বিভাগকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন তাদের অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছে। পুর্ব সুন্দরবনের চাদপাই রেঞ্জের জিউধারা ও ঢাংমারী স্টেশনের অসাধু বনরক্ষীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় চলছে মৎস্য আহরণ। অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেটের বাইরে কোনো জেলে মাছ ধরতে সুন্দরবনে গেলে তাদের বন বিভাগের কর্মকর্তা ও পুলিশ দিয়ে মাছসহ ধরিয়ে দেয়া হয়। তবে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যারা মাছ ধরছে তারা নির্দিধায় মাছ ধরছে কোনো ঝুঁকি ছাড়াই।
    বনের কোকিল মনি, চড়াপুটিয়া, আন্দার মানিক, নন্দবালা ও মরাপশুর সহ বেশ কয়েকটি অফিসের খালে এখন অসাধু জেলেরা প্রতিনিয়ত নিষিদ্ধ ঘন ফাঁসের ভেসালি জাল ও ভারতীয় রিফকর্ড নামক বিষ নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করে মাছ শিকার করছে। বনের গহীন বড় বড় খালে কারেন্ট জাল দিয়ে শিকার করা হচ্ছে পাঙ্গাস, পাতারী, জাবা, লাক্কা ও চিংড়িসহ অন্য প্রজাতির মাছ। অবৈধ জেলেরা তাদের আহরণকৃত মাছ গভীর রাতে উপজেলা শরনখোলা, দাকোপ, খুলনা ফিসারী ঘাট ও দ্বিগরাজ বিভিন্ন মৎস্য আড়তে তা বিক্রি করছে বলেও জানা গেছে। আর এ সিন্ডিগেটের মধ্যে প্রধানত রয়েছে বড় দাদন ব্যাবসায়ী পানখালীর মহসিন ও কাকড়া ব্যাবসায়ী সিন্ডিগেটের নেতা উলুবুনিয়ার লিটন গাজী বলে জানায় জেলেরা।
    বুধবার গভীর রাতে মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে একটি ট্রলার সহ ১১টি নৌকা সহ ৪০ জন জেলে আটক করে চাদঁপাই রেঞ্জের নন্দবালা ফরেষ্ট অফিস। সেই ট্রলার ও নৌকা সহ জেলেদের ষ্টেশন বা রেঞ্জ অফিসে না দিয়ে সেখানে বসেই দেন দরবার চালায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সামানুল কাদের ও রেঞ্জ অফিসের ইস্পিট বোট ড্রাইভার রাজা মিয়া। মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময় রাতেই তাদের ছেড়ে দেয়া হয় বলে একাধিক সুত্রে জানা যায়। তবে মঙ্গলবার রাতে একটি ট্রলার সহ ৩ জেলেকে আটক করলে জেলেরা ছাড়া পেলেও ট্রলারটি এখনও অফিসে বাধা রয়েছে।
    নাম প্রকাশ না করার শর্তে জয়মনি এলাকার একাধিক জেলে বলেন, আমরা সুন্দরবনের মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করি। বন্ধের সময় আমরা সারাবছর যা রোজগার করি তাতে ভালোভাবে সংসার চলেনা। কিন্তু এলাকার প্রভাবশালী দলের নামধারী কয়েকটি সিন্ডিকেটের জাঁতাকলে আমরা জেলেরা অভাব কাটিয়ে উঠতে পারি না।
    বন বিভাগের সহায়তায় যারা প্রভাবশালী নেতা বলে গড়ে উঠছে, তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক ছাড়া আমরা এখন সুন্দরবনের মাছ-কাঁকড়া কিছুই ধরতে পারব না। বিভিন্ন মামলা-হামলার ভয়ে মুখ বুজে সহ্য করি কষ্ট হলেও। তাদের হাত অনেক লম্বা, তারা এখন সুন্দরবন সহ সকল জেলেকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
    বন বিভাগ সূত্র জানা যায়, পাস-পারমিট বন্ধকালীন তিন মাস অবৈধভাবে বনে ঢুকে কেউ যাতে মাছের বংশবিস্তারে ক্ষতিসাধন করতে না পারে, সেদিকে সকল বন বিভাগকে সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বর্তমানেও যাতে বনের নদী ও খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার করতে না পারে সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে এবং অভিযোগ পেলে তাদের আটক করে আইনের আওতায় এনে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।
    এ ব্যাপারে বন বিভাগের নন্দবালা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সামানুল কাদেরের কাছে ফোন করা হলেও তিনি কিছু না বলে বোট ড্রাইবার রাজা মিয়ার সাথে যোগাযোগ করার কথা বলে ফোনটি কেটে দেয়। তার পরেও বার বার মোবাইল করা হলেও ফোনটি রিসিভ করেনী তিনি।
    চাদঁপাই রেঞ্জে কর্মকর্তা রানা দেব জানায়, মঙ্গলবার রাতে ৩ জন জেলে সহ একটি ট্রলার আটক করা হয়েছিল কিন্ত কিছু না পওয়ার কারণে (সি ও আর) মাধ্যমে জড়িমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে বুধবার ট্রলার, নৌকা বা জেলে আটকের ঘটনা জেনে পরে জানানো হবে বলে জানান তিন। এছাড়া উৎকোচ নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, বর্তমানে পাস-পারমিট নিয়ে জেলেরা বনের প্রবেশ করছে, তবে দুবলা থেকে পাশ পারমিট করবে বলে ছেড়ে দেয়া হয় এব্যাপারে তাদের কাছ থেকে বারতি কোন টাকা নেয়া হয়নী। তবে অবৈধভাবে বনে ঢুকে যারা বিষ দিয়ে মাছ ও কাকড়া শিকার করবে, বা অভয়ারন্যে মাছ ধরবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানায় বনের এ কর্মকর্তা। ##** ছবি সংযুক্ত আছে ** ## *

  • বাগআঁচড়ায় সাবেক ছাত্র ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    বাগআঁচড়ায় সাবেক ছাত্র ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    আজিজুল ইসলাম,যশের : যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়ায় দারুল আমান ট্রাষ্টে সাবেক ছাত্র ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার বিকালে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    শার্শা উপজেলা জামায়াতের আমির মাও.ফারুক হাসানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাও. আজিজুর রহমান।

    বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের বাগআঁচড়া সাথী শাখার সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্ল্যার সার্বিক পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি যশোর পশ্চিম জেলা আমির মাও.হাবিবুর রহমান।

    এ সময় ঝিকরগাছা উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মিজানুর রহমান, বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুস সাত্তার, জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম, সাজু আহম্মেদ,বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবির বাগআঁচড়া সাথি শাখার সাবেক সভাপতি নাজমুল ইসলাম, শার্শা উপজেলা ছাত্র ও যুব কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সেক্রেটারি মাও. মিজানুর রহমান ছাত্র শিবিরের সাবেক জেলা ও থানার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সাবেক ছাত্র ও যুব শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

  • নলছিটিতে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মান শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  

    নলছিটিতে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মান শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটির কুলকাঠি ইউনিয়ন ছাত্রদল,যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে। আয়োজিত হলো ফ্যাসিষ্ট হাসিনা পতন আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মান শীর্ষক মতবিনিময় সভা। আজ ২০ আগস্ট শুক্রবার বিকাল ৪ টায় কুলকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলছিটি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তৌহিদ আলম মান্না।  এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কুলকাঠি স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি কামাল হোসেন মল্লিক। 

    এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের অন্যতম যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউল কবির মিঠু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ সাইদুল কবির রানা,উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ রেজওয়ান,উপজেলা যুবদল নেতা ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক  মোঃ হাসিবুল হাসান সবুজ, ,উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মোঃ সুজন খান,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাসেল এছাড়া ও উপজেলা এবং ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।

    এসময়ে  তৌহিদুল আলম মান্না দেশ নায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফার ইশতেহার নিয়ে আলোচনা করে বলেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনা তিনতিনটি পাতানো নির্বাচন করে মানুষের ভোটের অধিকার হরন করে পালিয়ে গেছে। শুধু রেখে একটি খোসা,  আমরা এসেছি  দেশনায়ক তারেক রহমানের দেশ সংস্কারের ৩১ দফা নিয়ে আপনাদের কাছে। আমার নেতা তারেক রহমান ক্ষমতায় এলে জাতীয় সরকার গঠন করবেন। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে স্বৈরাচার প্রথাকে চিরতরে কবর দেয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে আনন্দের দিন সামনে তাই সকল নেতাকর্মীরা তাদের কে সহযোগিতা করুন। তারা যেন সুন্দর সঠিক ভাবে স্বাধীন ভাবে তাদের অনুষ্ঠান পালন করতে পারে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহন, রাজিবুল ইসলাম, আল আমিন গাজী, মেহেদী হাসান সৈকত, উপজেলা ছাত্রদল নেতা ফয়সাল হোসেন, পৌর আহবায়ক রনি তালুকদার, এবং সদস্য সচিব ছাব্বির আহমেদ কলেজ শাখার সভাপতি রাকিব গাজী, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি মজিদ তালুকদার,স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি কামাল হোসেন মল্লিক,ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদ তালুকদার।  এছাড়া ও উপজেলা এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা।

  • বরগুনার তালতলীতে জলবায়ু তহবিলের ন্যায্যতার দাবীতে সাইকেল র‌্যালি

    বরগুনার তালতলীতে জলবায়ু তহবিলের ন্যায্যতার দাবীতে সাইকেল র‌্যালি

    মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
    জলবায়ু তহবিলের ন্যায্যতার দাবীতে বরগুনার তালতলীতে সাইকেল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে এ বাই-সাইকেল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালিটি তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক, তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীর পাশ দিয়ে জয়ালভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোনশেল্টার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

    তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব, পরিমল চন্দ্র সরকার র‍্যালির শুভ উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব, মো. জসিম উদ্দীন, পায়রা নদীর ইলিশ রক্ষা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. ইমরান হোসেন, পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিক মোস্তাফিজ, উন্নয়ন কর্মী এম মিলন, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ (তালতলী-আমতলী) সমন্বয়ক আরিফুর রহমান প্রমুখ।

    জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC) এর অধীনে স্বীকৃত, যা ধনী ও দূষণকারী দেশগুলিকে বাধ্য করে প্রাচ্যের অভিযোজন এবং প্রশমন চাহিদা মেটাতে, এবং ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য যথাযথ অনুদান-ভিত্তিক জলবায়ু অর্থ প্রদান করতে হবে। জলবায়ু ঋণ পরিশোধের অংশ হিসেবে জলবায়ু তহবিল অবশ্যই এমনভাবে সরবরাহ করা উচিত যা ব্যক্তিগত বিনিয়োগ বা কর্পোরেট মুনাফার দ্বারা প্রভাবিত না হয়। সেজন্য ক্ষতিপূরণের জলবায়ু তহবিলে অর্থপ্রদানের জোর দাবীসহ প্রতিবছর কমপক্ষে পাঁচ কোটি সাতানব্বই লক্ষ সত্তর হাজার কোটি টাকার ক্ষতি পূরণ অর্থের দাবী জানানো হয়।

    ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) ও পায়রা নদীর ইলিশ রক্ষা কমিটির আয়োজনে এ  র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় অর্ধ-শতাধিক শিক্ষার্থী র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করে।

    মংচিন থান
    বরগুনা প্রতিনিধি ।।